| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন বা ব্র্যান্ডের আইনি সুরক্ষার জন্য পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর (DPDT) -এ আবেদন করতে হয়। প্রথমে একটি অনন্য লোগো বা নাম নির্বাচন করে ডাটাবেস সার্চ করতে হবে, তারপর TM-1 ফর্মে আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (ট্রেড লাইসেন্স, এনআইডি, ছবি) জমা দিয়ে সরকারি ফি প্রদান করতে হয়। এরপর ৩-৪ মাসের মধ্যে যাচাইকরণ, জার্নাল প্রকাশনা ও ৬ মাসের মধ্যে কোনো আপত্তি না আসলে ৭-১০ বছরের জন্য সনদ পাওয়া যায়।
ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের বিস্তারিত ধাপসমূহ:
১. সার্চ বা অনুসন্ধান: আবেদন করার আগে DPDT-এর অফিসিয়াল সাইট-এ আপনার নির্বাচিত লোগো বা নাম অন্য কারো সাথে মিলে যাচ্ছে কিনা তা চেক করুন।
২. আবেদন দাখিল (TM-1 ফরম): ট্রেডমার্ক আইন, ২০০৯ অনুযায়ী, ট্রেডমার্ক আবেদনপত্র (TM-1) এবং আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা, ট্রেড লাইসেন্স, লোগোর কপি (যদি থাকে) সহ আবেদন জমা দিতে হবে।
৩. পরীক্ষা ও আপত্তি (Examination & Opposition): DPDT আবেদনটি যাচাই করবে। সব ঠিক থাকলে এটি ট্রেডমার্ক জার্নালে প্রকাশ করা হয়।
৪. জার্নাল প্রকাশনা ও বিরোধীতা: জার্নালে প্রকাশের ২ মাসের মধ্যে কেউ আপনার ট্রেডমার্কের বিরোধিতা না করলে এটি নিবন্ধনের পরবর্তী ধাপে যায়।
৫. নিবন্ধন সনদ (Registration Certificate): সমস্ত ফি এবং আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে, কর্তৃপক্ষ আপনাকে একটি ট্রেডমার্ক নিবন্ধন সনদ প্রদান করবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
ট্রেড লাইসেন্স (ব্যক্তিগত বা বাণিজ্যিক)
লোগো বা ব্র্যান্ডের নাম (কপি)
আবেদনকারীর NID বা পাসপোর্ট
আবেদনকারীর ছবি
পণ্য বা সেবার বিস্তারিত বিবরণ
সময়:
বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় সাধারণত দেড় থেকে তিন বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইন বা সরাসরি DPDT অফিসে গিয়ে সম্পন্ন করা যায়।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.