নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সরওয়ার নিজামী একাধারে লেখক, আইন গবেষক, আইনজীবী, সমাজকর্মী ও সংগঠক। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সম্পর্কিত আইন, আইনের জীবন ও দর্শন, চলচ্চিত্রে আইন, কোলাহল শেষে, বিপ্লব দেখতে আসিনি, এসেছি বিপ্লবী হতে, কিছু স্মৃতি, কিছু কথা, শূন্যলতা, চলচ্চিত্রে আইন বইয়ের লেখক।

সরওয়ার নিজামী

আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)

সরওয়ার নিজামী › বিস্তারিত পোস্টঃ

কীভাবে পেটেন্ট রেজিস্ট্রেশন করাবেন?

২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪

ভূমিকা
বাংলাদেশে পেটেন্ট রেজিস্ট্রেশন করার জন্য পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT)-এর মাধ্যমে e-filing প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রথমে উদ্ভাবনটি নতুন, উৎপাদনযোগ্য এবং উদ্ভাবনী কি না তা যাচাই করুন। এরপর প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Specification, Drawing, Application Form) তৈরি করে, ফি জমা দিয়ে আবেদন দাখিল করুন।

বাংলাদেশে পেটেন্ট রেজিস্ট্রেশনের ধাপসমূহ:
১. প্যাটেন্টযোগ্যতা যাচাই: উদ্ভাবনটি অবশ্যই নতুন (Prior art এ না থাকা), উদ্ভাবনশীল এবং শিল্পে ব্যবহারযোগ্য (Industrial Application) হতে হবে।
২. প্রাথমিক অনুসন্ধান (Patent Search): ডিপিডিটি-র ডেটাবেসে আপনার উদ্ভাবনটি ইতিমধ্যে অন্য কেউ প্যাটেন্ট করেছে কি না তা পরীক্ষা করুন।
৩. আবেদনপত্র প্রস্তুত ও দাখিল:
ফর্ম দাখিল: নির্ধারিত ফর্মে (Form 1) আবেদন করতে হয়।
Specification (বিবরণ): উদ্ভাবনটি কীভাবে কাজ করে তার বিস্তারিত বিবরণ এবং ড্রয়িং (যদি থাকে) জমা দিতে হবে। এটি Provisional (প্রাথমিক) বা Complete (চূড়ান্ত) হতে পারে।
৪. ফি প্রদান: ডিপিডিটি-র অনলাইন ই-চালানের মাধ্যমে প্যাটেন্ট আবেদনের ফি পরিশোধ করুন।
৫. পরীক্ষা ও প্রকাশ: ডিপিডিটি আবেদনটি পরীক্ষা করে (Formalities Examination) এবং আবেদনের ১৮ মাস পর তা গেজেট বা জার্নালে প্রকাশ করে।
৬. বিরোধিতা (Opposition): প্রকাশের ৬ মাসের মধ্যে কেউ প্যাটেন্টটির বিরোধিতা করতে পারে।
৭. প্যাটেন্ট মঞ্জুর: সব ঠিক থাকলে, প্যাটেন্ট অফিস আবেদনটি অনুমোদন করে এবং সিলমোহরসহ প্যাটেন্ট সার্টিফিকেট প্রদান করে।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
আবেদনকারীর নাম ও ঠিকানা।
উদ্ভাবনের সম্পূর্ণ বিবরণ ও ড্রয়িং (ট্রেসিং পেপারে)।
পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি (যদি এজেন্টের মাধ্যমে আবেদন করা হয়)।
উৎস বা আইনি মালিকানা সংক্রান্ত দলিল।
বাংলাদেশে প্যাটেন্ট সুরক্ষা সাধারণত ১৬ বছরের জন্য দেওয়া হয়, যা পরবর্তীতে নবায়নযোগ্য। পুরো প্রক্রিয়ায় সাধারণত ৪ থেকে ৬ বছর সময় লাগতে পারে।

লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.