| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
মাদক মামলায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্যদের দ্রুত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী গ্রেফতারের পর আশু করণীয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. আইনজীবী নিয়োগ করা: গ্রেফতারের পরপরই একজন অভিজ্ঞ ফৌজদারি আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন এবং মামলা পরিচালনার জন্য তাকে নিয়োগ দিন।
২. জামিনের আবেদন (Bail): গ্রেফতারের পর প্রথম করণীয় হলো দ্রুত আদালতে জামিনের আবেদন করা। মাদক মামলায় জামিন পাওয়া জটিল হতে পারে, তাই আইনজীবীর মাধ্যমে সঠিক ধারায় জামিন আবেদন করতে হবে।
৩. FIR বা এজাহার পর্যালোচনা: পুলিশ যে এজাহার (First Information Report) দাখিল করেছে, সেটি আইনজীবীর মাধ্যমে ভালোভাবে পড়ুন। এজাহারে মাদকদ্রব্য উদ্ধারের স্থান, সময় এবং সাক্ষীদের তথ্যে কোনো অসংগতি আছে কি না তা যাচাই করুন।
৪. গ্রেফতারের কারণ ও আইনি অধিকার জানা: পুলিশ কেন গ্রেফতার করেছে তা জানুন। গ্রেফতারের সময় বা এরপর শারীরিক নির্যাতন বা হয়রানিমূলক আচরণ করা হলে তা আইনজীবীকে জানান।
৫. নির্দোষ হলে প্রমাণ সংগ্রহ: যদি মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়ে থাকে, তবে ঘটনার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ, সাক্ষী বা অন্য কোনো প্রমাণ (যেমন- ওই সময়ে অন্য কোথাও থাকার প্রমাণ) থাকলে তা সংগ্রহ করুন।
৬. জব্দ তালিকা (Seizure List) পরীক্ষা: পুলিশ কতটুকু মাদক উদ্ধার করেছে এবং জব্দ তালিকায় সাক্ষীরা কারা—তা যাচাই করুন। অনেক সময় জব্দ তালিকায় অসংগতি থাকলে আসামি খালাস পেয়ে থাকেন।
৭. থানায় যোগাযোগ: গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ আসামিকে আদালতে পাঠাতে বাধ্য। আত্মীয়স্বজনরা থানায় যোগাযোগ করে আসামির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নিন।
জরুরি পরামর্শ: গ্রেফতারের পর ভয় না পেয়ে আইনি পথে লড়াই করা এবং কোনো অবস্থাতেই পুলিশের কাছে কোনো মিথ্যা স্বীকারোক্তিতে স্বাক্ষর না করা শ্রেয়।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.