| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২০) মাদক উৎপাদন, পাচার, ব্যবহার ও চোরাচালান রোধে অত্যন্ত কঠোর। এই আইনের মূল দিক হলো মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দ্রুত বিচার, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC) ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি ও গ্রেফতারের ব্যাপক ক্ষমতা।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ:
কঠোর শাস্তি: মাদক পাচার ও চোরাচালানের (যেমন: ইয়াবা, হেরোইন, কোকেন) নির্দিষ্ট পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বিচার: আইনটির ৫৭ ধারা অনুযায়ী, মোবাইল কোর্ট মাদক অপরাধের দ্রুত বিচার করতে পারে।
চিকিৎসা ও পুনর্বাসন: মাদকাসক্তদের নিরাময় ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারি-বেসরকারি নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের বিধান এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতা: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (DNC), পুলিশ ও র্যাবকে পরোয়ানা ছাড়াই তল্লাশি, জব্দ এবং গ্রেফতারের ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ: অ্যালকোহল বা মদ উৎপাদন, আমদানি ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে লাইসেন্স বা পারমিট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিয়ন্ত্রিত সরবরাহ (Controlled Delivery): মাদক চোরাচালানচক্রের মূল হোতাদের ধরার জন্য অপরাধীদের মাদকসহ পারাপারের সুযোগ দিয়ে ধরার কৌশল (Controlled Delivery) বৈধ করা হয়েছে।
কোম্পানির অপরাধ: কোনো কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান মাদকের সাথে জড়িত থাকলে, তার মালিক বা পরিচালকও অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন।
এই আইনটি মাদকদ্রব্যের চাহিদা ও সরবরাহ হ্রাস করার লক্ষ্যে "জিরো টলারেন্স" নীতিতে প্রণীত হয়েছে।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.