| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (বিশেষ করে ২০১৮ সালের ৬৩ নং আইন) অনুযায়ী মাদকদ্রব্যগুলোকে ক্ষতিকর প্রভাব ও পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে 'ক', 'খ' ও 'গ'—এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। আইনানুযায়ী, যেসব মাদকের উৎপাদন, ব্যবহার, চোরাচালান বা সংরক্ষণের পরিমাণ বেশি এবং যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ, সেগুলোকে গুরুতর মাদক হিসেবে গণ্য করা হয়।
'ক-শ্রেণী'র মাদকদ্রব্য বা গুরুতর মাদক হিসেবে যেগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে, তার মধ্যে প্রধান হলো:
ইয়াবা (Amphetamine): ইয়াবার সব উপাদান 'ক' শ্রেণির মাদক হিসেবে গণ্য, যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
হেরোইন (Heroin): এটি মারাত্মক নেশাজাতীয় মাদক হিসেবে পরিচিত।
কোকেন (Cocaine): অত্যন্ত সক্রিয় ও গুরুতর মাদক।
মেথাডোন (Methadone): এটিও 'ক' শ্রেণিভুক্ত গুরুতর মাদক।
পেথিডিন (Pethidine): চেতনানাশক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও অপব্যবহারের কারণে গুরুতর মাদক হিসেবে তালিকাভুক্ত।
মরফিন (Morphine): নেশাজাতীয় ব্যথানাশক।
বুপ্রেনরফিন (Buprenorphine): এটিও গুরুতর শ্রেণির আওতাভুক্ত।
কিটামিন (Ketamine): এটিও গুরুতর মাদক বা 'ক' শ্রেণির মাদক হিসেবে চিহ্নিত।
এনপিএস (New Psychoactive Substances - NPS): আইনি সংজ্ঞায় এ ধরনের কেমিক্যাল বা খাতক মাদকগুলোকেও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়।
অ্যালকোহল (০.৫%-এর বেশি): ০.৫ শতাংশের বেশি অ্যালকোহল মিশ্রিত যেকোনো তরল পদার্থ।
আইনগত অবস্থান:
নতুন আইন অনুযায়ী, 'ক' শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে অপরাধের পরিমাণ যদি নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। এছাড়া, নতুন মাদক বা 'এনালগ' (যাদের রাসায়নিক গঠন ও আসক্তি সৃষ্টিকারী প্রতিক্রিয়া প্রচলিত মাদকের মতোই) মাদকগুলোকেও এই আইনের আওতায় গুরুতর মাদক হিসেবে গণ্য করা হয়।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.