| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
দোকানের ম্যানেজার বা ক্যাশিয়ার টাকা আত্মসাৎ করলে আপনি প্রধানত দুই ধরনের আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। মনে রাখবেন, নিজের হাতে আইন তুলে না নিয়ে বা তাকে শারীরিক আঘাত না করে আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। একজন অভিজ্ঞ ফৌজদারী আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করলে তিনি আপনাকে সঠিক ধারা ও পদ্ধতি বাতলে দিতে পারবেন। তবে প্রাথমিকভাবে আপনি যা করবেন তা নিম্নরূপ-
১. থানায় অভিযোগ বা মামলা (ফৌজদারি ব্যবস্থা):
টাকা আত্মসাৎ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এক্ষেত্রে নিকটস্থ থানায় গিয়ে ম্যানেজার বা ক্যাশিয়ারের বিরুদ্ধে 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ' ও 'চুরি' বা 'প্রতারণার' অভিযোগে মামলা করতে পারেন। দণ্ডবিধির ৪০৬ (বিচারের জন্য গচ্ছিত রাখা সম্পদের বিশ্বাসভঙ্গ) এবং ৪০৮ (কেরানি বা দাসের দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ) ধারায় মামলা করা যায়। জিডি (GD): তাৎক্ষণিকভাবে মামলা করতে না চাইলে অন্তত একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রাখতে পারেন।
২. আদালতে মামলা (Civil & Criminal):
থানা মামলা না নিলে আপনি সরাসরি আদালতে গিয়ে 'সিআর' (CR) মামলা করতে পারেন। এছাড়া আত্মসাৎকৃত টাকা ফিরে পেতে দেওয়ানি আদালতে 'অর্থ আদায়ের মামলা'ও করা যায়।
৩. বিভাগীয় বা অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা:
আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি আপনার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে লিখিতভাবে আত্মসাতের বিষয়ে কৈফিয়ত চেয়ে নোটিশ দিন। প্রতিষ্ঠানের নিয়ম অনুযায়ী তাকে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করুন।
প্রমাণ সংগ্রহ: সিসিটিভি ফুটেজ, ক্যাশ মেমো, অডিট রিপোর্ট বা হিসাবের খাতাগুলো সংরক্ষণ করুন। এগুলো আদালতে প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.