| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সরওয়ার নিজামী
আইনজীবী, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত (০১৮১৫ ৮১৯২৩৯)
ভূমিকা
কাউকে টাকা ধার দিয়ে ফেরত না পেলে প্রথমে আইনি নোটিশ পাঠান, এরপর মানি স্যুট (দেওয়ানি মামলা) বা প্রতারণার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করতে পারেন। চেকের মাধ্যমে টাকা দিয়ে থাকলে এনআই অ্যাক্টে মামলা করা সবচেয়ে কার্যকর। প্রমাণের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার স্লিপ, লিখিত চুক্তি বা সাক্ষী থাকা জরুরি।
টাকা উদ্ধারের আইনি ধাপসমূহ:
আইনি নোটিশ (Legal Notice): প্রথমে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে পাওনাদারকে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য একটি আনুষ্ঠানিক আইনি নোটিশ পাঠান। এতে টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় (যেমন ১৫-৩০ দিন) উল্লেখ করুন।
চেক ডিজঅনারের মামলা (Negotiable Instruments Act): টাকা যদি চেকের মাধ্যমে দেওয়া হয় এবং চেকটি ব্যাংক থেকে ডিজঅনার (Dishonor) হয়, তবে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্ট অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করা যায়। এটি দ্রুত টাকা উদ্ধারের অন্যতম কার্যকর উপায়।
মানি স্যুট বা দেওয়ানি মামলা (Recovery Suit): যদি চেকের ঝামেলা না থাকে এবং ঋণের পরিমাণ বেশি হয়, তবে উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে 'মানি স্যুট' দায়ের করে পাওনা টাকা সুদাসলসহ দাবি করা যায়।
ফৌজদারি মামলা (Criminal Case): যদি সুনির্দিষ্ট প্রমাণের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, পাওনাদার প্রতারণার (Cheating) উদ্দেশ্যে টাকা আত্মসাৎ করেছে, তবে পেনাল কোডের ৪২০ ধারায় মামলা করা যায়।
জিডি (General Diary): কোনো লিখিত প্রমাণ না থাকলে দ্রুত স্থানীয় থানায় জিডি করুন।
লেখক: সরওয়ার নিজামী
অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
ইনকাম ট্যাক্স প্র্যাকটিশনার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা
ট্যাক্স, ভ্যাট এন্ড কাস্টমস ল’ কনসালট্যান্ট
চেম্বার: লেক্সলেইন চেম্বারস, ফ্ল্যাট নং- ২বি, প্রপার্টি প্যারাগন
১১৬ সেগুনবাগিচা, ঢাকা- ১০০০। মোবাইল- ০১৮১৫ ৮১৯২৩৯।

©somewhere in net ltd.