নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনে রবে কি না রবে আমারে

.......

মো. শাহরিয়ার সৈকত

পরে লিখবো....

মো. শাহরিয়ার সৈকত › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা কী ব্লগার নই| ছোট্ট করে ভাবুন

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৪

নিজের সম্পর্কে লিখে পাতা ভরবনা। বাংলায় আমার দখল ভাল না তাই কথার মারপ্যাচ বুঝা সত্বেও দিতে পারি না।

যাকগে ওসব বস্তাপচা কথা। এটা সামুতে আমার প্রথম লেখা। বস্তুত কোন ব্লগে বাংলায় প্রথম লেখা।

আজ আমাদের আশ্রয় হুমকির সম্মুখীন। আমরা; সমগ্র ব্রগার এখন বিভক্ত। কিন্তু কেন? অবশ্যী আপনাদের অজানা নয়। রাজনৈতিক ঘূর্ণীবাকে আজ আমরা বিভক্ত। সংকীর্ন হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তাধারা। কেন্দ্রিভূত হয়ে যাচ্ছি কুত্‍সীত্‍ রাজনীতির বেড়াজালে। তলিয়ে যাচ্ছি দুর্গন্ধময় পাকেঁর ভেতরে। এসবের জন্য অবশ্যই সবাই দায়ী নয়। বস্তুত গুটিকয়েক স্বার্থান্ধ অথবা বিকৃতরুচির ব্লগার আদর্শ থেকে বিচ্যুত লোকই দায়ী বলে আমরা মনে করি। কিন্তু এর ফলাফল পড়ছে গোটা ব্লগারদের ব্যক্তিত্বের উপর। আমাদের অস্তিত্ব কী হুমকীর সম্মুখীন নয়? হালকা ভাবে নিবেন না। আমাদের ভবিষ্যত কী হুমকীর সম্মুখীন নয়?

উদাহরণ হিসেবে নিজেকেই পেশকরছি।

আমি ব্লগিং করি বেশীদিন হয় নি। এই ৬-৭ মাস! তাও পর্যাপ্ত সময় নয়। সঙ্গত কারনেই আমার পরিবার জানে না যে আমি চুপি চুপি ব্লগিং করি। তাই ওদের কথাবার্তা ভালভাবে শুনতে পারি। আর ওরা আট দশটা সাধারন পরিবারের একটা। যদিও গণমাধ্যমগুলো বলছেন, 'কতিপায় নাস্তিক ব্লগার' তবুও জনসাধারনের মনে সকল ব্লগারের সম্পর্কেই একটা বিরুপ প্রভাব পড়ছে। এখন ব্লগার শুনলেই তাদের মনের দৃশ্যপটে ফুটে ওঠে 'কিছু নাস্তিকবাদী' তা তারা চাক আর নাচাক। আর এজন্য দায়ী ওরা।



বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। তাই সাধারন জনগণের অধিকার আছে সরকারের বা বিরোধীদলের সমালচনা করা। তবে তা থাকতে হবে সীমার মধ্যে। আর ধর্মবিশ্বাস একান্তই স্পর্শকাতর বিষয়। আল্লাহতাআলা বলেছেন, ' তোমারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ী কোরো না।'

আসলেই এটা কোন বাড়াবাড়ীর বিষয় না। সেখানে এই ভার্চুয়াল ই-জগতে একটু বেশীই হচ্ছে বলে আমি মনেকরি। একটি ব্লগে লেখা আর কিছু মানুষের সামনে বুক ফাটিয়ে চিত্‍কার করে বলায় কোন পার্থক্য কি আছে? আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন।

তুমি হে বিশ্বাস না-ই করলে ধর্ম। তবে তা এত চিত্‍কার করে বলার কি আছে? কেউ কী জানতে চেয়েছে? আর যদি চেয়েই থাকে তাকে চুপি চুপি বল। গলা বাঁজনোর আবশ্যক নাই।

আর একটি বিষয় যুদ্ধাপরাধের বিচার। 'আমি বাঙ্গালী' এই বোধটা যার অন্তরে আছে তার সম্ভাবত উচিত্‍ এর সাথে একাত্নতা ঘোষনা করা। কিন্তু এর ব্যাখ্যা তো রাজনৈতিক নয়। এ এক শাশ্বত দাবী। বাঙ্গালীর প্রাণের দাবী। কিন্তু যখন পি.সি কলেজের দেয়ালে লেখা দেখি ' জামাত, শিবির, রাজাকার-এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়!' তখন সত্যি কষ্ট না পেয়ে পারিনা। এটা একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি স্পষ্ট ইঙ্গিত। আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে রাজাকাররা। মানি একথা। কিন্তু তারা সংখ্যায় কত ছিল? স্পষ্ট ধারনা কারোই নাই। তবে সংখ্যায় খুব বেশী নয়। তা আপনারা জানেন। এই গুটিকয়েক কীটের জন্য দেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের সমস্ত নেতাকর্মীকে হেয় করলেন! এটা ঠিক নয়। জানি এখানে বসে যত গলা বাঁজাই না কেন কেউ শুনবে না। যারা শুনবে তাদের করার কিছুই নেই। তবু ভারি ইচ্ছে করে, বাংলাদেশ থেকে সকল পাপ ধুয়ে মুছে যাক। কিন্তু তা সম্ভব নয়। আমি ছোট মানুষ। পরিবারের সাথে এসব কথা শেয়ার করতে পারি না। তাই আপনাদের সাথে করছি। আমি জানি, আমরা মেধাবী কিন্তু ক্ষমতাবান নই। আর গণতন্ত্রও পাঠ্যবইয়ের লিঙ্কনের গণতন্ত্র নয়। এখানে রাজনৈতিক দলগুলো ছাগল পোষে। যে যত দোহন করতে পারবে সে তত দুধ পাবে। আর এই ছাগল কারা তা জানেন তো!



এক প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলতে বলতে অন্য প্রসঙ্গে এসে গেছি কখন তা বুঝতে পারিনি। তবে আমার এই লেখার মদ্দ কথা হল- 'Evil Always fall' এই কথাটা আজকে আসুন সত্য করি। এসব বিকৃত মস্তিস্কের রগরগে লেখা গুলো সাফ করার দায়ীত্ব আমাদের তথা সকল ব্লগারদের। সাধারন মানুষ শুধু পড়বে, খবর দেখবে, আর আমাদের মাটিতে গেঁথে দিবে। আর তাদের কি দায় আছে যে এ সব জঞ্জাল সাফ করবে? ব্লগারদেরই এগিয়ে আসতে হবে। আসুন এসব লেখার বিরুদ্ধে আমরা রিপোর্ট করি ব্লগ ADMIN দের কাছে। হোন আপনি ক্ষমতাসীন দলের সমার্থক কিংবা বিরোধী দলের। এটা দলীও ব্যাপার নয়। এটা ব্লগারদের সন্মানের ব্যপার। আশা করি এগিয়ে আসবেন নিজ নিজ যায়গায় থেকে। ধন্যবাদ সবাইকে।

-শাহরিয়ার সৈকত

My Blog

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.