নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

নিভৃত গ্রহচারী

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

পুরস্কৃত করণ; ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের অর্জন ! (উভয় ঘটনাই আওয়ামীলীগের সময়ে)

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৪০


ছবিতে পোজ দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু ও মানিক মিয়া। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের পিতা মানিক মিয়া চেয়ারে বসা, আর চেয়ারের হাতলে আধ-বসা অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান।


প্রথম ছবিটি যেমন বঙ্গবন্ধুর ও মানিক মিয়ার অন্তরঙ্গতার প্রমাণ তেমনি মানিক মিয়ার প্রতি বঙ্গবন্ধুর কৃতজ্ঞতার নিদর্শন মানিক মিয়া এভিনিউ।


১৯৩৫ সাল থেকে শুরু হয় তাঁর দেশ নিয়ে মহাকর্মযজ্ঞ। দেশের জন্য তাঁর দান অপরিসীম। শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্যার্জনের মাধ্যমে দেশের জন্য মানিক মিয়ার দানের পূর্ণতার পথ শুরু হয়। একে একে তিনি লাভ করেন মাওলানা ভাসানিসহ আরো ঐতিহাসিক রাজনীতিবিদদের সাহচর্য। আর বঙ্গবন্ধুর মত অনেকেই তার থেকে সুবিধা অর্জন করেন বিপুল হারে। তাঁর মেহনতি পরিশ্রমে অর্জিত ইতিহাসের চলমান শ্রুতে এখনো দেশের সাংবাদিকগণ প্রেরণায় উজ্জীবিত হচ্ছেন।


মাসুদা ভাট্টি সম্পর্কে সবার চেয়ে সুন্দর সত্যটুকু বলেছেন তাসলিমা নাসরিন। মাসুদা ভাট্টিকে ঘৃণ্যতম চরিত্রহীন মহিলা বলে সম্বোধন করেছেন তাসলিমা নাসরিন। তার কথা, চরিত্রহীন বলতে বুঝি, অতি অসৎ, অতি লোভী, অতি কৃতঘ্ন, অতি মিথ্যুক, অতি প্রতারক, অতি নিষ্ঠুর, অতি স্বার্থান্ধ,অতি ছোট লোক। মাসুদা ভাট্টি এগুলোর সবই।


যারা আমাদের অতীতকে উজ্জ্বল আলোকে আলোকিত করেছিলেন তাঁদেরকে আমরা এমনইভাবে পুরস্কৃত করে থাকি। তাঁদের পরবর্তী প্রজন্মদের আমরা এমনিভাবে সর্বোচ্চ শাস্তিতে পুরস্কৃত করে তাঁদের আত্মায় শান্তি দান করি(!)।
একজন চরিত্রহীন মহিলাকে তার পরিচয় স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য মানিক মিয়ার পূত্র সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আহ কত সুন্দর প্রাপ্তি!


সরকারের ইন্ধনে মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে : ড. কামাল হোসেন।
আইনমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ড. কামাল আরও বলেন, ‘আপনি ভাল করে জানেন, মানহানির মামলা জামিনযোগ্য অপরাধ। তারপরও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে কেন কারাগারে নেয়া হলো?।
কতজন কত কী বলছে/বলবে কিন্তু জনগণ?
জনগণের সার্বক্ষণিক অবস্থা রোলারে পিষ্ট হওয়া...

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:০৯

সংগ্রামী_জীবন বলেছেন: ভালই তো লিখেছেন।
বাংলার রাজনীতিতে এমনটাই স্বাভাবিক।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:১৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আমার ব্লগবাড়িতে আপনাকে স্বাগতম।
বাংলার রাজনীতিতে এমনটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই অস্বাভাবিক বিষয়কে স্বাভাবিক করে নেয়া আমাদের জন্য খুবই খারাপ ভবিষ্যৎ নিয়ে আসার নির্দেশক যে! যাই হোক, এমনটা নিশ্চয় অকাম্য।

আপনার ব্লগ বাড়িতে দেখলাম কোন লেখা নেই! লেখুন, মানসম্মত লেখা প্রকাশ করুন,আর সকলের মত প্রথম পাতায় বিচরণ করুন, আপনার জানা বিষয় আমাদেরকে জানিয়ে উপকৃত করুন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


ইত্তেফাক মানিক মিয়ার পরিবারকে ধনী করেছে; কিন্তু ইত্তেফাক উনার ছিলো না, উনি দখল করেছিলেন; উনার ছেলে, মইনুল হোসেন, ধনী পরিবারের বিষাক্ত এলিট, সে এই দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার হরণের পক্ষের লোক; তার লালনীল সুতা বের করা হোক।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:৪১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
হয়ত আপনি যেমনটা ভাবছেন এমনটা নয়; কুমিডিয়া আমাদের ভ্রান্ত নিউজ দিয়ে বিভ্রান্ত করে রেখেছে!
যদি উনি যদি অবৈধ দখল করে থাকেন, তবে সেখানে বঙ্গবন্ধুর পূর্ণ হাত রয়েছে! বঙ্গবন্ধু নিশ্চয় শেখ হাসিনার মত দু'মুখো ও বেখবর লোক নন! ঐ সময়ে এমন একটা বিরাট ঘটনা ঘটে গেল অথচ বঙ্গবন্ধু নিশ্চুপ?

আপনি মইনুল হোসেনকে যেমনটা ধারণা করছেন হয়ত সেটা কিছুখানি সত্য, তাই বলে লাল নিল সুতা যার কাছে নেই তাকে কেন ঐ কম্পানির মালিক ধরে নিচ্ছেন ;)?
এটা কি রাজনৈতিক অপকৌশল প্রয়োগের আরেকটি প্রমাণ হিসেবে মনে করছেন না?

৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৮

শিমুল_মাহমুদ বলেছেন: বঙ্গবন্ধুর সাথে মানিক মিয়ার একটা সুসম্পর্ক ছিল, এ কারনেই মানিক মিয়ারকে ইত্তেফাকের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। এই ইত্তেফাকের টাকায় মইনুলরা ব্যারেস্টারি পড়ে সাহেব হয়েছেন। ববঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডের পর এই অকৃতজ্ঞ মইনুল খুনিদের সাবাস জানিয়ে ইত্তেফাকে সম্পাদকীয় লিখেছিলেন খুনি মুশতাকের সাথে হাত মিলিয়েছিলেম, বুঝুন কে চরিত্রহীন। ববঙ্গবন্ধুর পরিবারের মানিক মিয়ার কাছে কোন ঋণ নেই, মনিক পরিবারই বরং বঙ্গবন্ধুর দয়ায় আজ খেয়ে পরে বেচে আছে।

আপনার পোস্টটি একপেশে প্রকাশ্যে একজন নারীকে চরিত্রহীন একমাত্র অশিক্ষিত মুর্খ লোকেরাই বলতে পারে। ক্ষমতার লোভে অন্ধ হয়ে মইনুল এমন কথা বলেছেন।

তসলিমা নাসরীনের সাথে মাসুদা ভাট্টি কি ঘটেছিল সেটা অন্য প্রসঙ্গ, দুইজনই যার যার অবস্থান থেকে ব্যাখা করেছেন। সেটা এই ঘটনার সাথে মিলানোর কোন সুযোগ নেই।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:০৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বাহ, চমৎকার কথা বললেন! আপনাকে ধন্যবাদ! জেনে রাখুন, আমি কোন রাজনৈতিক সাপোর্টার নই! আপনি হয়ত সম্প্রতি প্রকাশিত ইতিহাস গ্রন্থ থেকে ইতিহাস শুনাচ্ছেন, যেখানে ইচ্ছেমত উলটপালট করা হয়েছে। দেখুন, আজ থেকে পনেরো বছর আগে যাদুঘরে একজন সাধারণ মুক্তিযুদ্ধা হিসেবে জিয়ার যতটুকু স্মৃতি ছিল আজ তা নেই! আবার দেখুন, যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন স্বাধীনতা দিবসে মাইকে শুনা যায় মেজর জিয়ার মুখে শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা। উভয় দলের এমন স্বার্থপরী চিন্তায় বলি যান প্রকৃত দেশ প্রেমিরা। আর প্রকৃর দেশ প্রেমিদের নতুন ইতিহাসে এমনভাবে আনা হয়, যেন এই সকল দেশ প্রেমিক দু'রাজনৈতিক দলের কারো না কারো সাহায্যে শান্তিজল খেয়েছেন।
গোলাম আহমদ মর্তুজা অঅনেকটা এরকমভাবে বলেছিলেন, ' আমার এই লেখা হয়ত এরকম থাকবে না, আরো পরিবর্তন হবে'। এটাই আমাদের রাজনীতির নীতি! দেখুন, বিএনপি আসলে অপ্রাণ চেষ্টা করে পাঠ্যপুস্তক থেকে আওয়ামীপন্থী ইতিহাস তুলতে আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে তেমনটাই করে যেমনটা বিএনপি করতে ভালভাবে সফল হয়নি!

তাসলিমা নাসরিন একজন সত্য লেখক, হয়ত আপনার বা অন্যদের কাছে আলাদা কিছু। স্বাভাবিকভাবেই আপনার আমার থেকে মাসুদা ভাট্টি সম্পর্কে তার ধারণা অনেকটা বেশিই, সুতরাং এখানে মিল অমিলের পার্থক্য না খোঁজে ভদ্র মহিলার চরিত্রের পবিত্রতা দেখে আরেকজনকে দেখুন!

আর এরকম 'চরিত্রহীন' বলে সম্বোধন বাঙলাদেশে হাজার হাজার! একজন মানুষের আসল পরিচয় তুলে ধরায় যদি এমনটা হয়ে যায়, তাহলে আমাদের রাজনীতিবিদরা যে প্রত্যহ বিরোধী দলের প্রতি এর চেয়েও খারাম ময়লাগুলো ফেলে যা স্পষ্ট ডিজিটাল আইনের বিরোধীতায় পরে! সেগুলোর কী হবে?

যাই হোক, ভাল থাকুন সবসময়।

৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি বিষাক্ত এলিটদের সমর্থক; সে কি কারণে মিলিটারী তত্বাবধায়কের উপদেষ্টা হয়েছিলো, সেটা ব্যাখ্যা করেন!

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আমি পুরো সমর্থক না! আমি ভয় পাচ্ছি হয়ত সামনে আরো কোন না কোন অপরাধের বাহানা দিয়ে দেশের রাজনীতিকে অপবিত্র করন চালু রাখা হবে!

আপনাকে সুযোগ দিলে হয়ত ছাড়তেন না! ;)

৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১০

রাজীব নুর বলেছেন: সকালবেলা এই পোষ্টে আমি কোনো মন্তব্য করবো না।

শুভ সকাল। ভালো থাকুন।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: শুভ সকাল আপনার জন্য।
লন..

৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:১৩

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: মানিক মিয়ার সাথে বঙ্গবন্ধুর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল, সে ঠিক আছে। মঈনুল-মঞ্জুদের কি যথেষ্ট সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয় নি?
মঈনুলের কাজকর্ম সম্পর্কে কি আপনি ওয়াকিবহাল? তাকে যতটুকু মূল্যায়ন করা হয়েছে, তার প্রতিদান কী দিয়েছে? কৃতঘ্নতার পরিচয় দিয়েছে বহুবার। ইত্তেফাক এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে খলনায়ক বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে।


২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বঙ্গবন্ধু বঙ্গবন্ধু, খলনায়ক বা এর মত উপাধিগুলো তার সাথে যায় না! সুতরাং এসব চেষ্টা কোন কাজের না; আপনার বিরোদ্ধে যদি ব্লগে দু-তিনদিন আলচনার ঝড় ভয়ে যায়, তবে আপনার পরিচিতি বাড়বে আর যদি সেটা বৃদ্ধিই থাকে তবে সেটা পূর্ণতা পেতে থাকবে; কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নাম ডুবিয়ে খেলে বঙ্গবন্ধুর মান রক্ষা হবে না।

আপনার বা আমার সাবোর্টার ও সমর্থক না হলে সে অপবিত্র, এমনটা রাজনীতিতে নতুন না! তবে ভয় হয়, দেশের জন্য যারা সামান্যতম কিছু করেগেছেন, তাদের পরবর্তীদেরকে যেন অপরাজনীতিতে কুরবান হতে না হয়!

৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৪৬

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: তসলিমা নাসরিন তার ব্যক্তিগত আক্রোশ ঝেড়েছে; বিম্পি-জামাতিরা সেই সুযোগ নিয়েছে। শত্রুর শত্রু যে বন্ধু হয়। ভাট্টি মনে হয় একটু বেশি করে ফেলেছে, মঈনুল যখন ক্ষমা চাইলো ব্যাপারটা তখনই সুরাহা হলেই ভালো হতো। এত হাঙ্গামার দরকার ছিল না।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:০৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: শত্রুর শত্রু বন্ধু হয় এটা বিএনপি কাজে লাগিয়েছে ঠিকই, তবে আপনি বারবার ভাট্টিকে পবিত্র করতে চাচ্ছেন মনে হয়! ;)

৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৯

জগতারন বলেছেন:

মানিক মিয়ার পূত্র;
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির (বার) সাবেক সভাপতি
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আহ কত সুন্দর প্রাপ্তি!




আরও কিছু কথা এখানে এই ব্লগার সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলতে ভুলে গেছেন;
(১) ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধ চলা কালে এই ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন-এর সাথে পাকি'দের খুব সখ্যতা ছিল।
(২) এই ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন বা তিনার অন্য সহযোগির কারসাজিতে হতোবা সিরাজ উদ্দীন হোসেনকে পাকি'রা ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন আর তিনি ফিরে আসেন নি। অথচ তিনি 'ইত্তেফাকেই কর্মরত ছিলেন।
(৩) ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন ১৯৭৫-এর ১৫ই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর খুনী মুস্তাকের সাথে যোগ দিহেছিলেন
আর অন্যান্য কিছু ব্লগারা এখানে তুলে ধরেছেন তাই আর উল্লেখ করলাম না।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:১৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ১৯৭১ সালে মুক্তি যুদ্ধ চলা কালে এই ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন-এর সাথে পাকি'দের খুব সখ্যতা ছিল।
এই ব্যারিষ্টার মইনুল হোসেন বা তিনার অন্য সহযোগির কারসাজিতে হতোবা সিরাজ উদ্দীন হোসেনকে পাকি'রা ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন আর তিনি ফিরে আসেন নি। অথচ তিনি 'ইত্তেফাকেই কর্মরত ছিলেন।

শাহবাগে যখন যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবীতে জনগণের আন্দোলন চলছিল তখন এই তথ্যগুলো কোথায় ছিল? আহ! একটু দেরিতেই এ তথ্যগুলো রচনা হল! 

হ্যা, আমি স্বীকার করছি বঙ্গবন্ধু হত্যার পর মইনুল হোসেন খুনি মুস্তাকের সাথে যোগ দিয়েছিল, তবে সেই সময় তো শুধু মইনুল হোসেন নয়, বঙ্গবন্ধুর সহচর্যে ভেরে উঠা আরো অনেকেই তখন খুনি মুস্তাকের সাথে যোগ দিয়েছিল।

৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৩৯

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আইনমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ড. কামাল আরও বলেন, ‘আপনিভাল করে জানেন, মানহানির মামলা জামিনযোগ্য অপরাধ। তারপরও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে কেন কারাগারে নেয়া হলো?
আমিও জানি এটা জামিন যোগ্য মামলা। এখানে জামিন না দেয়াটাই অপরাধ/রাজনৈতিক চাল।

আপনার পোস্টের বক্তব্য হয়তো ঠিক আছে কিন্তু সমালোচনার জন্য আরো বিস্তারিত হতে হবে। মন্তব্যে যেটা এসেছে। (৭৫সালে মইনুলের ভুমিকা, যদিও মামলাটা মানহানির জন্য)

মইনুল একজন আইনজীবি উপর তলার লোক, বক্তব্যে উনার সংযত হবার দরকার ছিল। "ভাট্টিরা সুবিধা্বাদী, ক্লাসলেস সাংবাদিক।" কথাটা আমি এখানে বললে সমস্যা নেই। তাই বলে কি, রাস্তায় মাইক নিয়ে বলে বেড়াবো?

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মইনুল একজন আইনজীবি উপর তলার লোক, বক্তব্যে উনার সংযত হবার দরকার ছিল।"ভাট্টিরা সুবিধা্বাদী, ক্লাসলেস সাংবাদিক।" কথাটা আমি এখানে বললে সমস্যা নেই। তাই বলে কি, রাস্তায় মাইক নিয়ে বলে বেড়াবো?
সেটাই, কী প্রয়োজন এরকমভাবে প্রকাশ করার, যদিও না বললে আজ ভাট্টি সম্পর্কে সাধারণ মানুষ বিস্তারিত আকারে জানতে পারতো না।

ধন্যবাদ সুমন্তব্যের জন্য

১০| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৯:৪৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশনের রিপোর্ট।
বাংলাদেশ সরকারের কট্টর সমালোচক মইনুল হোসেনকে গত সোমবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার বিরোধীদের ওপর সাম্প্রতিক ক্র্যাকডাউনের ধারাবাহিকতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশনের এক রিপোর্টে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকারপন্থি একজন নারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মন্তব্য করার জের ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার তীব্র সমালোচনা করেন। এর পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় আইনজীবী ও একটি ইংরেজি দৈনিকের প্রকাশক।


স্বৈরাচার নিপাত যাক, গনতন্ত্র মুক্তি পাক।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: স্বৈরাচার নিপাত যাক, গনতন্ত্র মুক্তি পাক।
গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য পলাশী থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন বিভিন্ন সময় যুদ্ধে রূপ নিয়েছে কিন্তু গণতন্ত্র মুক্তি পায়নি! কী অদ্ভুত! গনতন্ত্রের মুক্তির নামে একদল চায় নিজে গিয়ে স্বৈরতন্ত্র চালাতে আর আরেকদল স্বৈরতন্ত্র চালু রেখে শ্লোগান দেয় গণতন্ত্রের

১১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভালো পোস্ট । ব্লগ শীগ্রই সরগরম হয়ে যাবে ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
হা হা হা হা হা :) :) :)

বোর্ড বাজার গেছিলাম, শীত শুরু হচ্ছে একদিকে অন্য দিকে গরমও লাগছে! কী অদ্ভুত!


আপনি ভাল আছেন তো চৌধুরি সাহেব ;)

১২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩১

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: সকাল থেকে কয়েকবার পড়েছি। আসলে কিছু বলতে চাচ্ছিনা। বললে অনেক সমস্যা। কেউ খায়, কেউ দেখে। নীরবতা ।।
সম্মতি।।।।। খুব জটিল বিষয়।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আসলে কিছু বলতে চাচ্ছিনা। বললে অনেক সমস্যা। কেউ খায়, কেউ দেখে। নীরবতা ।।
সম্মতি।।।।। খুব জটিল বিষয়।


এই বলে সবাই যদি এরিয়ে যায় তবে কি আর হবে! কাউকে না কাউকে তো ভালমন্দ মন্তব্য করতে হবে! অন্যরা ভালমন্দ দু'টাই করেছেন, আপনি না হয় সবার থেকে আলাদাভাবে একটা করেন! ;)

১৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: পাকিদের বউ ভাট্টি। মাথায় তাহার গাট্টি।।।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ৩ নং মন্তব্যটি দেখুন! ;) :) :)

১৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:০০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: মাসুদা ভাট্টি ব্লগেও আকাম করছিলো লেখা চুরি করে। তারপর সে হাতে নাতে ধরা খেলে ব্লগ থেকে ফুটে।

কথা হলো মঈনুল একজন বিক্রিত রাজনীতিবিদ। ইত্তেফাকের সকল মানুষই তার ছোটলোকি আচার আচরন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তাছাড়া ছোটলোকটার অনেক কুকাম আছে। যাই থাকুক, পাবলিক প্লেসে যে রাগ সম্বরন করতে না পেরে গালাগাল করবে সে কিভাবে জাতীয় রাজনীতিক হবে।

হাসিনার মুখেরও কোনো লাগাম নেই কিন্তু তার কথাতে দৃঢ়তা আছে এবং তার সেই হ্যাডম আছে। সে গালি দিলেও একটা লিমিট রাখে, কম্যুনিটি ধরে গালি দেয় না। মাগার মাঈনুল যাদের পেশার ওপর তার জীবিকা চলে তাদেরকেও ছোট করছে। পুরো পেশার সবাই তো আর খারাপ হতে পারে না। এখন কে বাকশাল কে জামাত এটা তো মুখের কথা। এত বড় একজন মানুষ এমন কান্ডজ্ঞানহীন কথা বা শব্দ ব্যাবহার করবে সবাই তো আর তার ইত্তেফাকের কর্মচারী না

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মাসুদা ভাট্টি ব্লগেও আকাম করছিলো লেখা চুরি করে। তারপর সে হাতে নাতে ধরা খেলে ব্লগ থেকে ফুটে। বড়ই মজাদার তথ্যতো!

আপনার সাথে কিছুটা একমত হওয়া যায়!

১৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: কারও চরত্রিহননে আওয়ামীলীগ সিদ্ধহস্ত!

সেই দিগম্বর করা থেকে শুরু করে ড কামাল কাদের সিদ্দীকিকে নিয়ে কাকের কা-কা,
নির্বাচন কমিশনার মায় প্রেসিডেন্ট ইয়াজ উদ্দিন থেকে অতি সাম্প্রতিক মাঈনুল!
অনেকেই এটাকে বিশাল হ্যাডম আর যোগ্যতা ভাবে শেখ হাসিনার!!!!
রাজনীতিতে বক্তব্যের এমন লাগামহীনতার রেকর্ড বিশ্বে আর কোন নেতার নেই বোধকরি! সম্প্রতিক ট্রাম্প ছাড়া ;)

তবে তো স্ল্যাম এরিয়ার মানুষ সবচে হেডম ওয়ালা! যার যা মুখে আস তাই বলে। তাই নিয়ে হাতাহাতি মারামারি খুনা খুনি সব চলে! রাজনীতি কি স্ল্যাম প্লেস হয়ে গেল???

ভিন্নমত, বিরোধীমত কে মোকাবেলা করতে কি চরিত্রহণনের মতো দুর্বলতম পদ্ধতিই সেরা!
তার মানে তাদের মৌলিক নীতিগত দুর্বলতা ঢাকতেই তারা গলার জোর আর গায়ের জোরের চর্চায় মত্ত!
বাস্তবতা তাই।
বঙ্গবন্ধু যদি আজ থাকতেন রাজনীতির এই কলুষতা দেখলে আরেকটা মুক্তিযুদ্ধেরই ডাক দিতেন।

আমজনতা অসহায় দর্শক!
ভাগ্যের উপর হাল ছেড়ে অপেক্ষমান!!!

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:১৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: বিরোধীমত কে মোকাবেলা করতে কি চরিত্রহণনের মতো দুর্বলতম পদ্ধতিই সেরা!
তার মানে তাদের মৌলিক নীতিগত দুর্বলতা ঢাকতেই তারা গলার জোর আর গায়ের জোরের চর্চায় মত্ত!
বাস্তবতা তাই। 
বঙ্গবন্ধু যদি আজ থাকতেন রাজনীতির এই কলুষতা দেখলে আরেকটা মুক্তিযুদ্ধেরই ডাক দিতেন।

আমজনতা অসহায় দর্শক! 
ভাগ্যের উপর হাল ছেড়ে অপেক্ষমান!!!

বিল্কুল এক কথা বলেছেন।

আমাদের রাজনীতি আজ চরম দুর্দশাগ্রস্থ, নির্লজ্জতা এবং বেহায়াপনায় মত্ত! নিজ স্বার্থে আমরা অন্যকে যেকোন পন্থায় অপদস্থ করতে পারি; সেক্ষেত্রে যত অপকৌশল প্রয়োগ করতে পারি তথই শিক্ষিতের পরিচয় বহনকারী হই!

কী আপসোসের রাজনীতি!


ব্যতিক্রম ধর্মী মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, আশাতীত মন্তব্য আপনার থেকে পেয়েছি। আপনার জন্য নিরন্তর শুভকামনা।

১৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:০১

সোহানী বলেছেন: চলিতেছে সার্কাস........... B-)

মাসুদা ভাট্টি নাকি টাট্টি নামক পাচাঁটারা সবসময়েই সুযোগের সন্ধানে থাকে। এইটা আর এমন কি!!! শুধু খাঁপে খাঁপে মিলে গেছে ;) ;)

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:২৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
চলিতেছে সার্কাস..........;)

ঠিক তাই আপু, তবে ভয় হয় এই সার্কাসে যেন ভাল মানুষ বলী না হয়। মইনুল হোসেন কোন পবিত্র ব্যক্তি নন, তবে এমন ব্যক্তিদেরকে নিজেদের কাজে অপব্যবহারে ব্যর্থ হওয়ায় অপমানিত করায় সমাজের ভাল মানুষরাও অনেকটা ভয়ের মধ্যে থাকেন। আর এই ভাবেই সাহসী হয়ে উঠে অপশক্তিগুলো।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।

১৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:০২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
সব থেকে নিম্ন স্তরের ঈমান
মনে মনে ঘৃনা করা। আমি
ঊভয়কে ঘৃ্না জানাই।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১:২৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সেটাই ভাল।
বেশি অধিক আবার বেশি অল্প কোনটাই ভাল না!

ইমানদাররা বেঁচে থাকুন মুমিন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে!

১৮| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৩:৪১

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এক সময়ের সহযোগীদের একের পর এক পুরস্কার দিয়েই চলেছে আওয়ামী লীগ। যখনই কেউ তাদের বিপক্ষে চলে যায় তখনই শুরু হয় খিস্তি খেউড়। আমি ভেবেছিলাম, বঙ্গবন্ধুর প্রিয় পাত্র, সংবিধান প্রণেতা হিসেবে কামাল হোসেন কিছুটা ছাড় পাবেন। কিন্তু অলরেডি তেনাকে বেঈমান, সুবিধাবাদী সহ আরো উপাধিতে ভূষিত করেছেন শীর্ষ নেত্রী থেকে পাতি নেতারা। ভালই হল, আওয়ামী লীগকেও চেনা হচ্ছে নতুন প্রজন্মের...

২৯ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৩:০৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: সরকারি বিষয়ে বেসরকারি লোকের কথা কম বলাই ভাল! কারণ নিমকহারামি করার সুযোগ না পাওয়া! ;)

প্রধানমন্ত্রী চান বাকি জীবনটক ক্ষমতায় বসে শান্তিতে দিনটা কাটাতে, আর জনগণ চায় পোড়া মবিল ও সন্ত্রাসসী থেকে মুক্তি পেতে! কেমনে মিলবে বলেন!

সব কিছুর পর ক্ষমতার স্বাদ কিন্তু অতিসুমিষ্ট

১৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:২৮

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মাসুদা ভাট্টি এক নয়, তার গুরু মোজা বাবু, মইনুল, ব্যারিস্টার মওদুদ, গাফ্ফার, আলহাজ ইনু সহ অসংখ্য রাজনীতিবিদ/মিডিয়া ব্যক্তিত্বই ধান্দাবাজ ও প্রতারক টাইপের | বরং মাসুদা এই স্কেলে চুনোপুটি টাইপের বলা যেতে পারে, পরিস্থিতির কারণে সে লাইম লাইটে চলে এসেছে |

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: এটা তার জন্য আরেকটা সৌভাগ্যই বটে! কিছুদিন সে ভালমন্দ বাঙালির বুলি হিসেবে থাকার সৌভাগ্য লাভ করেছে।

যাদের নাম বলেছেন তাদের প্রতি আমাদের অনেকেই পবিত্র শ্রদ্ধা নিবেদন করে শান্তির ঢেকুর দেয় ;)

২০| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ ভোর ৬:৩৩

রাফা বলেছেন: ৭৫ পরবর্তি নষ্ট একটি প্রজন্মের সৃষ্টি করে গেছেন জেনারেল জিয়া।এখানেই ছিলো তার সব চাইতে বড় স্বার্থকতা।যে ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর কোন স্থান নেই-সেই ইতিহাসের প্রবর্তক উর্দিধারি জেনারেল জিয়া।তারই ধারক ও বাহক হইতেছে আপনি ও আপনার মত কিছু জ্ঞানপাপী।যারা মনে করে ইতিহাস নতুন করেও লেখা যায় । মইনুল হোসেনদের কোন যোগ্যতাই নেই।তার পিতার অবদানের জন্যই তাকে সন্মান দেওয়া হতো।এটুকু উপলব্দী করার মত যোগ্যতাও অর্জণ করতে পারেনি মইনুল হোসেন।

তসলিমা নাসরিনরা যে-রকম মানসিকতার মানুষ তার বাইরে গিয়ে আর কি বলবে।তসলিমা নাসরিনরা আর কিছু না চিনলেও স্ব-জাতিদের ঠিকই চিনতে পারে।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: শেষের তিন লাইনে একমত, তবে ভাই ইতিহাস কেউ পাল্টাতে পারে না! এটা সত্য।

দেখুন, পাকিদের আমলে বাঙালিদের বিরুদ্ধে একধরণের ইতিহাস রচনার চেষ্টা তারা করে আজকাল তাদের স্কুল প্রতিষ্ঠানে সেই ইতিহাস শেখানোও হচ্ছে; আপনি কখনো সেটাকে সত্য ইতিহাস পাঠ বলবেন না! আমাদের দেশেও কিছু রাজনৈতিক দল, (আপনি যাদের বিরোধীতা করেন তারা যাদের সমর্থন করেন তারাও) তাদের বিরোধী পার্টিকে গায়েল করতে নিজেদের বাড়তি প্রশংসা কৃতিত্ব দেখানোর চেষ্টা করতে গিয়ে সত্য মিথ্যার মিশ্রণ ঘটানোর চেষ্টা করে।


ধন্যবাদ।

২১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:৩২

হাবিব স্যার বলেছেন: সৈয়দ তাজুল ইসলাম ভাই! সুন্দর , ভালো লেগেছে লেখা। কিন্তু কমেন্টস করতে ভয় পাচ্ছি!

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:১২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কমেন্ট নাই বা করলেন হাবিব ভাই ;)

এসে যে পানি সিটা দিয়েছেন সেটাই অনেক ;) ;)

২২| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

হাবিব স্যার বলেছেন:




অনেক ধন্যবাদ তাজুল ভাই,
দেরিতে হলেও যে আমার মন্তব্যের উত্তর করেছেন।
কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আর একটা কথা, বই মেলায় কবে আসবেন?

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ২১ তারিখ কনফার্ম।

যদিও এর আগে আসা হবে হয়ত, তবে সাক্ষাতে ধন্য হতে পারবো না হাবিব ভাই। আপনি একুশ তারিখের ডাইরিতে আমার নামটার জায়গা দিয়েন ;)

মেইল করুন,
[email protected]

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.