নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চার হাত থেকে আধ হাত কম..

সৈয়দ তাজুল ইসলাম

নিভৃত গ্রহচারী

সৈয়দ তাজুল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্ষনো "কওমী জননী" নন

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৪


(কাউকে পবিত্র/অপবিত্র করে তুলার লক্ষ্যে আজকের লেখা নয় বরং সত্যটুকু জানানোর চেষ্টা মাত্র।)

"দেশের কওমী মাদরাসার আলেমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘কওমী জননী’ উপাধিতে ভূষিত করেছে"
এমন একটা নিউজ চতুর্দিকে মারপিট করে ঘুরছে। যে নিউজের পুরোটাই অসত্য।

সংবর্ধনা বা খেতাম দানের পেছনে যে অপশক্তিগুলো কাজ করছে তার মধ্যে অতীতের কিছু মান্যবর আলেমদের সন্তান জড়িত। যারা তাদের পূর্বপুরুষের নাম ডুবিয়ে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিচ্ছেন। মানুষ নামডাক ও ক্ষমতার লোভে পড়লে নিজ ধর্ম থেকে নিয়ে আরো অনেক কিছু পাল্টাতে পারে এমনকি প্রয়োজনে ধর্মকে ইচ্ছেমত ব্যবহারও করতে পারে সেটারই নতুন একটা উপমা হয়ে গেলো কতেক পদলোভী আলিম কর্তৃক আয়োজিত ৩/১১/১৮ তারিখেরর সংবর্ধনানুষ্ঠান।

মুফতি! রুহুল আমিন আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন। এ লক্ষ্যে তিনি নির্বাচনী এলাকা (সদর-কালিয়ায়) গণসংযোগ করছেন।

মুফতি! রুহুল আমীন হালুয়া খাওয়ার লোভে কওমী জননী বলে প্রধানমন্ত্রীকে যে বাতাসটুকু দিলেন মনে হয় না প্রধানমন্ত্রী এটা আমলে নিয়েছেন। যদিও প্রশংসাকারীদেরকে প্রধানমন্ত্রী নিজের কাছে বেশি টাই দেন, তবে আবার সঠিক সময় এদেরকে লাতিও দিতে জানেন। প্রধানমন্ত্রী খুব ভালভাবেই জানেন যে, একজন রুহুল আমীনের কথায় আলেমসমাজ চলে না। আর উপাধি দেয়ার রুহুল আমীনই বা কে! রুহুল সাহেব তো আসন পাওয়ার জন্য তাকে মা ডেকেছেন ;) প্রধানমন্ত্রীর গুণকীর্তন করতে থাকা মানুষগুলোতে ভর্তি ছিল গতকালের সংবর্ধনানুষ্ঠানের মঞ্চ। প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করতে গিয়ে আজাইরা সাহেবরা নিজেদের গোপন চেহারা প্রকাশ করে দিলেন। মজার বিষয় হচ্ছে, প্রকাশ হওয়ার পরও কিন্তু এরা কওমী মাদ্রাসার ধারকবাহক।

মুফতি! ফয়জুল্লাহ, হাসানাত আমিনি, রুহুল আমিন প্রমুখ মানুষগুলো হেফাজতকে তাদের ইচ্ছেমত ব্যবহার করেছেন। তারা ব্যক্তি আহমদ শফি থেকে নিয়ে আলেমসমাজের মুরব্বিদেরকে নিজেদের ছলচাতুরী দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে যেমন হেফাজতের মানচূর্ণিত করেছেন তেমনি কাওমীকে ধীরেধীরে নিজ স্বার্থে জবেহ করতে উদ্ধত হয়েছেন।

এই মানুষগুলোর কারণে জনসাধারণের কাছে ব্যক্তি আহমদ শফি সহ প্রমুখ মুরব্বিরা সম্মান হারাচ্ছেন। ব্যক্তি আহমদ শফি সহ সকল আলেমরা মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে, যার কারণে ধর্মের বিরুদ্ধে আসা সকল অপপ্রচারগুলো সরকারের সহায়তায় সমাধান করতে চেয়েছেন। দেখা যায়, সরকার থেকে যখন শান্তনা মূলক কোন সদুত্তর পান না তখনই তারা রাস্তায় নেমে সুষ্ট আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের সহায়তায় সমাধান করতে চেয়েছেন। যদি তারা হত্যার পক্ষে থাকতেন, তবে এই আন্দোলন-টান্দোলন না করে গোপণে তাদের শিষ্যদের দিয়ে কোন কুকাজ করিয়ে নিতে পারতেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা সর্বাপেক্ষা ওয়াকেফহাল।



# হয়ত এই লেখাটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দূষিত বাতাসে ডুবে যাবে কিংবা আমায় ব্যান করা হবে, এ'দুই প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির ভয় না করে কিছু মানুষের চেহারা সকলের সামনে তুলে ধরা উচিত ছিল, সেটারই সামান্য চেষ্টা করলাম মাত্র।
ধন্যবাদ

চলবে..

ছবি কৃতজ্ঞতায়: চাঁদগাজী ও ইন্টারনেট

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৬

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: রাজনীতিতে ধর্ম ইউজ করা পুরানো নীতি

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হু, তবে সেটা অপরাজনীতির একটা বিরাট অংশ হিসেবেই ভারতবর্ষে রয়েগেছে।

প্রথম মন্তবকারী হিসেবে প্রথম ভালাবাসা :)

২| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কখনো কওমী জননী নন।তিনি মানবতার মা।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: জ্বী ভাই,
শেষ বয়সে উনাদেরকে আপনারা বিশাল বিশাল দায়িত্ব দিয়ে রেখেছেন, আল্লাহ জানেন এরা কেমনে মানবতা আর গণতন্ত্র বুঝবেন!

৩| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৪১

হামিদ নুর বলেছেন: মুফতি সাহবের বাড়ি নাকি সেই গোপাল.....
।মুফতি সাহবের বাড়ি নাকি সেই গোপাল.....।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৫৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: নাহ! ভিডিও না! ভাবছিলাম ভিডিও হবে!

ফানিং মোমেন্টটা অনেক ভাল লাগে :) ;) =p~ =p~

পুরো লেখাটা পড়েই মন্তব্য করলেন মনে হয়!

৪| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



শেখ হাসিনার উচিত এতিম ও দরিদ্র শিশুদের পড়ালেখার ভার নিজেই নেয়া; তিনি জাতির গরীবদের অধিকার হনন করে বসে আছেন, তিনি ক্যাডেট কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক বিলিয়ন ডলার ঢালছেন। আমাদের জাতির কাছে সবাই পড়ানোর থেকেও বেশী সম্পদ আছে।

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: শেখ হাসিনা দেশের এই অর্থটুকু নিজের মনে করেন, আর সেজন্য সেটাকে তিনি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবে ব্যবহার করেন, তার প্রত্যেকটা কাজে স্বার্থ নিমজ্জিত। তিনি একটাকাও মনে হয় না নিস্বার্থে দান করেন। এর স্পষ্ট প্রমাণ রাষ্ট্রিয় মন্ত্রি ও আমলা সম্প্রদায়। উনি দেয়াহের মানুষের চাইতে পুঁজিবাদীদের বেশি সুবিধা দিতে ব্যস্ত। তারপরওও লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে কিছু ভাল কাজ করছেন বটে। তবে প্রশংসা করলে আমার কমবে না ;)
পোস্টটি আপনি পড়েছেন বলে ভালই লাগলো, তবে পুরোপুরি পোস্ট সম্পর্কিত মন্তব্য হয়নি! তারপরও অনেক প্রাপ্তি।

ধন্যবাদ

৫| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:১৮

আবু তালেব শেখ বলেছেন: ধর্ম নিয়েও তেলবাজি

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আবু তালেব ভাই, যাদের যোগ্যতা নেই তারা ধর্ম নিয়ে তেলবাজি করেই কিছু একটা করতে চায়; এছাড়া যে তাদের কিছু করার নেই!

৬| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:১৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: কয়েকদিন আগে গোপালগঞ্জের এক আলেম অনেক হাস্যরস করলেন শফী সাহেবকে নিয়ে। মূল বিষয় ছিল - শেখ হাসিনার চালে শফি সাহেব পরাজিত হয়েছে...

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আপনার লেখা ও মন্তব্য ফেখে মনে হচ্ছে আপনি এই চালে খুব ক্ষেপেছেন! বিষয় কী?

মানুষকে ভুল তথ্য দিচ্ছেন কেন?
আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ছিল, কিন্তু আপনার ভূল তথ্যগুলো আপনাকে অপমানিত করবে!

৭| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৪

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: কি যে লিখেছেন! একবার পড়ে বুঝলাম না, আরেকবার পড়ার মুড নাই।

প্রধানমন্ত্রী কওমী জননী? কি না? সেটা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। সমস্যা হল বর্তমান কোন দলই সুস্থ রাজনীতি করছে না, জনগনের মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খাচ্ছে।।


ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি চলবে কী না এটা অনেক বিশ্লেষণের বিষয়। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি অনেক দেশেই আছে, কিন্তু কারও অবস্থা বলার মত নয়...

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩০

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাই,

ডিজিটাল আইন অনেক সমস্যা করছে, তারপরও অযোগ্যতায় যতটুকু পেরেছি লিখেছি। আপনার ধৈর্যকে ধন্যবাদ যে, সে আপনাকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে ;)

ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি এক বিশাল আলোচনার বিষয়। এ বিষয়ে আপনি কিছু একটা লেখুন!

৮| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:২৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: অবশ্যই খেপবো। যাদের বলা হল খুনী, তাদের সাথে এখন হেসে হেসে কথা বলা। এটা তো ইসলামেরই অপমান হল...

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: আপনি (পোস্টকৃত) লেখা পড়েননি! স্যারি! :( :)

৯| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৩২

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:
শেখ হাসিনা কি করছেন সেটা অনেকেই কিন্তু বুঝতে পারছে না । তবে আমার কথা হচ্ছে ধর্মটা সাইড করে রাজনীতি করলে ভাল হতো । আবার অপর দিকে মাদ্রাসা গুলোর কে অনুদান দিয়ে আধুনিকায়ন করলে হয়ত অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ।

তাদের শিক্ষা কারিকুলামে কিছুটা পরিবর্তন আনা জরুরী ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: শেখ হাসিনা প্রত্যেকটি কাজই পুনরায় ক্ষমতা পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে করছেন। সুতরাং আমি নিশ্চিত, এই প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে তিনি আর ফিরে থাকাবেন না!

সুন্দর মন্তব্যের জম্য ধন্যবাদ

১০| ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

বলেছেন: সুন্দর উপস্থাপন

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ লতিফ ভাই।

১১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১:০০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: রাজনীতিতে আরো কতো কী দেখা লাগবে। কৌমিরাও হয়তো রাজনীতির স্বীকার।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কিছু পদলোভী আলেমরা কওমীকে নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করতে চাচ্ছে! তারই ধারাবাহিকতায় কওমীর উপর একেরপর এক বিপদ আক্রমণ করছে। পোস্টে তুলে ধরা সেইসব লোভী মানুষগুলোই এর জন্য দায়ী।

১২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:০৬

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি অনেক দেশেই আছে, কিন্তু কারও অবস্থা বলার মত নয়...
.......................................................... পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! কথার যৌক্তিকতা আছে ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৮

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হু, কথা ঠিক, তবে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি না বরং ধর্মের নামে ব্যবহার করা অপরাজনীতি। রাজনীতিতে ধর্মকে অপব্যবহার করে যারা ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বুঝাতে চায় তারা আর কিছু না হোক নিশ্চিত ওরা অযোগ্যতাহীন। ধর্মীয় রাজনীতির আসল রূপ এখন প্রায়ই বিরল!

১৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:৩৭

রাফা বলেছেন: হা....হা....হা...আপনার পোষ্ট পড়ার পর মনে হলো আপনি খুব কষ্ট পেয়েছেন।আহাম্মকরা আজিবন বেকুবিই করে।সেটা মুফতি হোক আর ডক্টরেটই হোক।এদের সবার স্বভাব একই।শেখ হাসিনা বিন্দুমাত্র লালায়িত নয় ,এমন উপাধির জন্য।
আমি ধর্মের অপব্যবহারকে রিতিমত ঘৃণা করি।রাজনীতিতে এই কাজটা বেশি হয়।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
আহাম্মকরা আজিবন বেকুবিই করে।সেটা মুফতি হোক আর ডক্টরেটই হোক।এদের সবার স্বভাব একই। এই আহাম্মকদের কারণে সাধারণ মানুষ ধর্ম সম্পর্কে খারাপ ধারণা পেতে পারে। অনেক ব্লগাররা এই বিষয়ের অপপ্রচারের শিকার। বিচারমানি তালগাছ আমার ব্লগার গতকাল রাতে এই বিষয়ক একটি পোস্ট দিয়েছেন যার পুরোটাই ভুল ব্যাখ্যায় ভরপুর।

আমি ধর্মের অপব্যবহারকে রিতিমত ঘৃণা করি।রাজনীতিতে এই কাজটা বেশি হয়। আমি আপনার সাথে একমত। আমাদের রাজনীতি এসব কারণেই অপবিত্রতার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে।

১৪| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৪

নজসু বলেছেন: হতে পারে অখবর বাতাসের আগে দৌঁড়ায়.........................।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৪

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হতে পারে, তবে আমাদের তো উচিত সত্য মিথ্যা নির্ণয় করা। আজাইরা এসব নিয়ে আমরা লাফালাফি করছি কেন!

পিঁপড়ে যেমন মিষ্টি পেলে দৌঁড়ে আসে, তেমনি একদল সুবিধাবাদী মানুষ এই মিথ্যা সংবাদে জড়ো হয়ে লাফালাফি করে।

১৫| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৮

সেলিম৮৩ বলেছেন: লাখ লাখ কওমী শিক্ষার্থী। চলে দান-সদকার উপর। বেশি করে বলতে গেলে-ভিক্ষার টাকায়। দাওরা হাদিস আর মাষ্টার্স সমমান হলে কি সমস্যার সমাধান হবে?

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: হয়ত ধীরেধীরে বিকল্প পথ তৈরি হবে।

১৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৭

শাহাদাত নিরব বলেছেন: কওমী মাদ্রাসার সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারনে আহমদ শফী সাহেব কে কাছ থেকে দেখেছি এবং উনার আমল সম্পর্কেও মোটামুটি জানি।(১৯৯৬ থেকে ২০০০) অনেক বার দেখেছি।
যখনি মাদ্রাসায় আসতো তখন দেখতাম ২ দিন আগে থেকেই পরিচ্ছন্ন কাজ উনার সম্মানে অনেক বাড়তি পদক্ষেপ নেওয়া হত।
আমার মনেহয় আজকের এই সময়ে সফী সাহেব সেই মর্যাদা টা পাবেন না।
এর জন্য উনার থেকে আপনার দেওয়া নাম গুলো বেশি দায়ী ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মুফতি! ফয়জুল্লাহ, হাসানাত আমিনি, রুহুল আমিন প্রমুখ মানুষগুলো হেফাজতকে তাদের ইচ্ছেমত ব্যবহার করেছেন। তারা ব্যক্তি আহমদ শফি থেকে নিয়ে আলেমসমাজের মুরব্বিদেরকে নিজেদের ছলচাতুরী দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে যেমন হেফাজতের মানচূর্ণিত করেছেন তেমনি কাওমীকে ধীরেধীরে নিজ স্বার্থে জবেহ করতে উদ্ধত হয়েছেন।


আপনার সাথে একমত।


১৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৪

হাবিব স্যার বলেছেন: এরা কি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি করে নাকি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে সেটাই মাঝে মাঝে কফিউজড হয়ে যায়।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: মুফতি! ফয়জুল্লাহ, হাসানাত আমিনি, রুহুল আমিন প্রমুখ মানুষগুলো ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। তাই এদের বিষয়ে কনফিউজড হওয়ার কষ্টে কষ্টিত না হওয়াই ভাল হাবিব ভাই।

১৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২১

হাবিব স্যার বলেছেন:



লেখক বলেছেন: মুফতি! ফয়জুল্লাহ, হাসানাত আমিনি, রুহুল আমিন প্রমুখ মানুষগুলো ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করে। তাই এদের বিষয়ে কনফিউজড হওয়ার কষ্টে কষ্টিত না হওয়াই ভাল হাবিব ভাই।

মুফতি!?????????????

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাই, এরা এই উপাধিগুলোকে সম্বল করেই মামুষকে ধোঁকা দিয়ে বেরুচ্ছে! অথচ মুফতি শব্দটি কতই না পবিত্র, আহ যদি এই অপবিত্র লোকগুলোর কিছু হলেও বোধ শক্তি থাকতো।

১৯| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫২

নীল আকাশ বলেছেন: নৈতিক অবক্ষয়ের চুরান্তে পৌছানো ২ টা সংঘটনই এর মাধ্যমে জনগন কে প্রমান করে দিল যে, স্বার্থের প্রয়োজনে এর পারে না এমন আর কিছুই নেই।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে য মানুষগুলোর কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে তাদের জন্যই আজ জনগণ আলেমদের প্রতি সন্দেহের দৃষ্টি নিক্ষেপ করতে শুরু করেছে, তারপরও আশা করা যায়, ধীরে ধীরে এটা ঠিক হয়ে যাবে, যদি মুফতি! ফয়জুল্লাহ, হাসানাত আমিনি, রুহুল আমিনের মত ধর্মীয় মূল্যবোধ বিক্রেতাদের বের করে দেয়া হয়!

২০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: ধর্ম নিয়ে রাজনীতি যত দেশে আছে, কোনটার অবস্থা বলার মত নয়।

স্বার্থের জন্য সব সব করতে পারে এদেশের মানুষ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি যত দেশে আছে, কোনটার অবস্থা বলার মত নয়। একেবারে খাটি কথা বলেছেন। আমি তো ভাই ধর্ম নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের রাজনীতিকে অপরাজনীতি বলেই সম্বোধন করি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ

২১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: ফেসবুকে একটা ছবি ভাইরাল হয়েছে কওমি মাদ্রসার ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুর্তির সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি নিচ্ছে। ছাত্রদের শিক্ষকেরা দুস্থ ছাত্রদের লাশের ওপড় দাঁড়িয়ে শোকরানা মাহফিল করছে। এইতো বর্তমানের কওমি মাদ্রসা শিক্ষার প্রকৃত রুপ। যুগ অনুপযুগী, অনগ্রসর এবং নীতিনৈতিকতা বর্জিত এই শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবী একদিন উঠবেই।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৭

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ভাইরাল হওয়া ছবিটি আমি দেখিনি আর দেখতেও চাই না! যদি এটা মিথ্যা হয় বা এরা যদি লেবাসধারী হয় তবে তো কথা নেই, তবে ছবিটির চিত্রিত ঘটনাটি যদি সত্য হয় তবে তো এটা নিশ্চিত যে, এরা মুফতি! ফয়জুল্লাহ, হাসানাত আমিনি, রুহুল আমিনের মত ধর্মীয় মূল্যবোধ বিক্রেতাদের দ্বারা প্রভাবিত এই মানুষগুলোই আজকের এসকল দুর্নামের জন্য দায়ী।

যদি এই মানুষগুলো কওমির মান্যবরেরা এই মানুষগুলোকে কওমী অঙ্গন থেকে বের করে না দেয় তাহলে আপনার আশঙ্কা সত্য হবে।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ শুভকামনা

২৯ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:১১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: ব্লগার পলাশ বাবা আপনার মন্তব্যের প্রতিউত্তর করেছেন:

প্রতিদিন কওমি মাদ্রসার ছাত্রদের বয়সী হাজারো মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূর্তির ( ওটা তাহলে মূর্তি। এতদিন তো ওটা ভাষ্কর্য ছিল। আবার মূর্তি আর ভাষ্কর্যের মধ্যে পার্থক্যও ছিল।। এক্ষেত্রে ওটা মূর্তি হল কেমনে????) সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি নেয় ।। এটা কোন খবর না। কওমি মাদ্রসার ছাত্ররা ওখানে যাওয়া মাত্র ভাষ্কর্য মূর্তি হয়ে গেল । চার দিকে হায় হায় রব উঠল ।। ঈডা ভাল দেখাইলেন ভাই। 

আপনি কি ঢা বি প্রডাক্ট ? আপনার মত শিক্ষিত মানুষ যদি এরকম discrimination টাইপ কথা বলে তাহলে দেশ কার কাছে যাবে? আপনার মত অনেকেই কওমি মাদ্রসা বন্ধ করতে চায়। কিন্তু পারে না। পারে না কারন ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর লেখা পড়ার কোন ব্যবস্থা নাই । তাদের ব্যবস্থা কওমি মাদ্রসা করে ( লেখাপড়া + বাসস্থান+ খাবার ) । কোন সরকারী সহায়তা ছাড়াই। 

গত ৪৯ বছরে কোন সরকার সমাধান দিতে পারে নাই। আপনি সমাধান দেন।

২২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: কওমি মাদরাসা ও হালজামানার অনেক আলেমই মেইনস্ট্রিম লোকালের সাথে একাট্টা নন। তারা তাদের প্রাইড আর প্রেজুডিজ নিয়েই ব্যস্ত ছিল এখনো আছে আর ভবিষ্যতেও থাকবে।ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স আর আটপৌরে মনোভাবটা উনাদের অহংকার (গোঁড়ামী)। এনাদের অনেকেই আল্লাহ ও প্রিয় রাসুল (সাঃ) এর আদর্শ ও নীতি থেকে বিচ্যুত হয়ে গেছেন অনেক আগেই। এক আল্লামা শফি সাহেব দিয়েতো আর সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের দ্বীন ধর্মের সমস্যা সমাধান হবে না। উনার দলভুক্ত অনেকেই এখন সরকারের প্রচ্ছন্ন সহযোগী হয়ে গেছেন।। সুতরাং এতে আর ইন্টারেস্ট পাই না। সাধারণ পাবলিক ও এটা বুঝে গেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হয়তো নিজ স্বার্থেই এদের ব্যবহার করলো।
যাইহোক-
সকল ফায়সালা আল্লাহরই হাতে।

২৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৪

কানিজ রিনা বলেছেন: প্রধানমন্ত্রী যখন কওমীমাদ্রাসা সরকারী
দায়ীত্বে নিল তখন বেশ খুশি হয়েছিলাম।
দেশের হতদরিদ্র এতিম শিশুরাই মাদ্রাসায়
পড়ে তারা যদি সরকারী আওতায় থাকে
তাহলে হয়ত মাদ্রাসার ছাত্ররা সুবিধা পাবে
আধুনিক ভাবে শিক্ষার মান বাড়বে।
মাদ্রাসায় পাশ করা
ছাত্ররা সমাজে অবহেলিত হয়ে দিনাতিপাত
করে তাদের সরকারী চাকুরী নাই বললেই চলে।
মাদ্রাসা পাশ করে কোনও চাকুরী বা কর্ম
জোটাতে না পেরে কখনও কখনও আন্তর
জাতীক জঙ্গী সংগঠনে জড়িয়ে পরত।
ভেবে ছিলাম হয়ত সে ব্যাপারে সরকারের
নিয়ন্ত্রন সরকারী হাতে থাকবে।
এখন দেখছি সবই রাজনৈতিক অপব্যবহার।
তবে মাদ্রাসা গুল আধুনিকায়ন শিক্ষার প্রশার
ঘটলে এইসব তেতুই হুজুর ফুজুর বুজরকী
চিরকাল থাকত না।
কোরআনের জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রশার ঘটলে
হয়ত এইসব হতদরিদ্ররা একদিন সুন্দর
জীবন অতিক্রম করত।
তবে এটাও সত্য হেফাজতী খেপাজতী
যাই বলুন যার যার স্বার্থ রাজনৈতিক
স্বার্থ হাছিলে সবাই ব্যাস্ত।
হয়ত জামায়াতকে কাবু করার এই একটা
সুযোগ বলেই আমি মনে করি। আসলে
বয়স বাড়লে ধর্মের উপর সবারই দুর্বলতা
আসে প্রধান মন্ত্রী হয়ত তাই। তবে আশা
রাখি এইসব হত দরিদ্র ছাত্রছাত্রীরা যেন
সরকারী আওতায় শুশিক্ষায় কোরয়ানের
আনুনিক জ্ঞানে জ্ঞানী হতে পারে। ধন্যবাদ
আপনার পোষ্টে।

২৪| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৪০

পলাশবাবা বলেছেন: ঢাবিয়ান কইছেন .।.।.।.।।। কওমি মাদ্রসার ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুর্তির সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি নিচ্ছে।

.।.।.।.।।।প্রতিদিন কওমি মাদ্রসার ছাত্রদের বয়সী হাজারো মানুষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূর্তির ( ওটা তাহলে মূর্তি। এতদিন তো ওটা ভাষ্কর্য ছিল। আবার মূর্তি আর ভাষ্কর্যের মধ্যে পার্থক্যও ছিল।। এক্ষেত্রে ওটা মূর্তি হল কেমনে???? ) সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি নেয় ।। এটা কোন খবর না। কওমি মাদ্রসার ছাত্ররা ওখানে যাওয়া মাত্র ভাষ্কর্য মূর্তি হয়ে গেল । চার দিকে হায় হায় রব উঠল ।। ঈডা ভাল দেখাইলেন ভাই।

আপনি কি ঢা বি প্রডাক্ট ? আপনার মত শিক্ষিত মানুষ যদি এরকম discrimination টাইপ কথা বলে তাহলে দেশ কার কাছে যাবে? আপনার মত অনেকেই কওমি মাদ্রসা বন্ধ করতে চায়। কিন্তু পারে না। পারে না কারন ১৪ লাখ শিক্ষার্থীর লেখা পড়ার কোন ব্যবস্থা নাই । তাদের ব্যবস্থা কওমি মাদ্রসা করে ( লেখাপড়া + বাসস্থান+ খাবার ) । কোন সরকারী সহায়তা ছাড়াই।

গত ৪৯ বছরে কোন সরকার সমাধান দিতে পারে নাই। আপনি সমাধান দেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.