![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, স্বপ্নের ঘুড়ি বানাই, আসেন না একত্রে সে ঘুড়ি উড়াই, তাহলে ধরেন নাটাইটা আমি আসছি একটু পরে, এসে একসাথে উড়াব সে ঘুড়ি আজীবনের তরে!
.... ক্ষুদ্র এই জীবনে পরিপার্শ্বে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার সম্মুখীন হই আর নিজেকে অবিরত প্রশ্ন করতেই থাকি এমনও কি সম্ভব? এর সঠিক উত্তর খুঁজতে যেয়ে বিস্ময়ে হতবাক হই। সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ বলে কথা!
..... ক্লাস ফাঁকি দিয়ে একটি ছেলে যখন রীতিমত মাঠ দাপিয়ে বেড়ানোর মাঝে সুখ খুজে পায় তখন ক্লাসের প্রথম সারির ছাত্রদের নিকট হয়ত সে খুবই অগ্রাহ্যের বস্তু হয়ে দাড়ায়। কিন্তু পরিক্ষা পরবর্তী ফলাফল প্রকাশের সময় ঐ মাঠ কাপানো ছেলের মুখে জয়ের হাসি ও ক্লাসের প্রথম সারির সেই ছাত্রদের মুখেপরাজয়ের গ্লানি এবং তার নিকট বশ্যতা স্বীকারের দৃশ্য দেখে আমি হতবাক হই।
.
..... শিক্ষাবর্ষের শুরুতে নতুন শ্রেণীতে গাঁ থেকে আসা পিছনের বেঞ্চের ঐ ছেলেটির সাহচর্য লাভ করতে যখন কেউই ইচ্ছা পোষণ করে না বরং সবাই তা অপমানের দৃষ্টিতে দেখতে থাকে। কিন্তু প্রথম পরিক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর যখন সবাই তার একটুখানি সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করে ও এর দ্বারা নিজেকে ধন্য বলে মনে করে তখন আমি বিস্মিত হই।
.
..... শুদ্ধ বাংলায় কথা বলাতে সবাই যাকে আনস্মার্ট উপাধিতে ভূষিত করে। তার সাথে কথা বলতে কিংবা কোথাও যেতে সংকোচ বোধ করে। তখন তার পিছ লুকিয়ে দেখতে পাই যে, সে সবসময় নিজের সাথে ঝরঝরে ইংরেজিতে অনর্গল বকবক করছে। তা দেখে আমি বিস্ময়ে অভিভূত হই। তার সম্মানে নুইয়ে পড়ে এ হৃদয়।
.
..... যখন দেখি আমার পাশের কেউ ঠিক মত কথা বলতে পারে না। কথা বলার সময় মুখ দিয়ে থুথু ছড়ানোর ভয়ে কেউ যখন তার সাথে কথা বলতে ইতস্তত বোধ করে। কিন্তু তাঁর কুরআন তেলাওয়াত শুনে সেই সকল নিষ্ঠুর মনের লোকদের যখন চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় অশ্রু ঝরে, তারা বলতে বাধ্য হয় মহান হে মানব তুমি। তা দেখেআমি বিস্ময়ের সীমানায় নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
.
..... যে সারাক্ষণ গম্ভীর থাকে এমনকি প্রয়োজনীয় কথা বলতেও অনিচ্ছুক। মনে হয় যেন জন্মগত ভাবে বোবা। কিন্তু তার সাহিত্যকর্ম যখন অবলোকন করি, তখন নিজেকে বারংবার প্রশ্ন করি যে এমন লোকের মুখ থেকেও কি সাহিত্যের এমন সৃজনশীল ধারা উচ্চারিত হওয়া সম্ভব? নিজের নিকট এগুলো যেন বিশ্বাস হয় না। আমি সেই সময় নিদারুণ বিস্মিত হই।
.
.....পরিশেষ এটাই যে কারোর চেহারা দেখে কিংবা তার বয়স অথবা তার গুটিকয়েক কর্মকান্ডের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে কাউকে যথার্থভাবে মুল্যায়ন করা যায় না। কাউকে বুঝতে হলে অথবা তার মেধা যাচাই করতে হলে সর্বপ্রথম তার সম্পর্কে বিশদ জানতে হবে। তার প্রতিটি কার্যক্রম অন্তরচক্ষু দিয়ে যাচায় করতে হবে তবেই সম্ভব কারো সম্পর্কে কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। তাই আমাদের উচিত কারো সম্বন্ধে আগে জেনে বুঝে তারপর মন্তব্য করা। না হলে পরে অনুশোচনায় ভুগতে হতে পারে। আর এই সকল ব্যক্তির্গের যোগ্যতা হল খোদার রহমত প্রাপ্তি ও কঠোর সাধনার ফল। তা ব্যতিরেকে অন্য কিছুই নয়। পরিশ্রম দিয়েই সবকিছু জয় করা সম্ভব। ষোষণা পত্রটি এখানেই সমাপ্ত হল।
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:২৪
অনিন্দ্য অন্তর অপু (অঅঅ) বলেছেন: পরিশ্রম দিয়েই সবকিছু জয় করা সম্ভব।
সহমত