নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আপনার লেখা সরাসরি প্রথম পাতায় সকল পোস্ট অংশে প্রকাশিত হবে

সত্য কথা বললে 'বেয়াদব' শুনতে হয়!

সবুজ তাপস

নেতার প্রতি অনাস্থা আনো, যদি তিনি স্বেচ্ছাচার দ্বারা চালিত হন, দেশের অকল্যাণ করতে থাকেন। প্রয়োজনে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা কর। (পবিত্র মঙ্গলবার্তা, ৭:৩)

সবুজ তাপস › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভারতীয় উপমহাদেশে কোন জাতিগোষ্ঠি নেই, সুতরাং নবী-রাসুলও নেই

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৫০

'আমি প্রত্যেক রাসুলকে তার জাতির লোকদের মাতৃভাষাতেই প্রেরণ করেছি। (সুরা ইবরাহিম: ৪)

'আমি তো কুরআন আরবিতে নাযিল করেছি এ জন্যে যে, তোমরা তা বুঝবে'। (সুরা ইউসুফ : ২)


------------------------------------------------

(৫৭০+৪০=৬১০) ৬১০ সালের আগে সৌদি আরবের কয়েকটি জাতি (আদ, সামুদ ইত্যাদি) ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও কোন জাতিগোষ্ঠি ছিল না! জাতিগোষ্ঠি থাকলে তারা তাদের মাতৃভাষায় রাসুল পেতো এবং তাদের নাম কুরআনে পাওয়া যেতো। আরববিশ্বের বাইরে পৃথিবীর আর কোথাও মানুষ ছিল কিনা সন্দেহ। আর যদি কোথাও মানুষ থেকে থাকে তাদের ভাষাও আরবি ছিল! আরববিশ্ব ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও কোন দেশ ছিল কিনা সন্দেহ। দেশ থাকলে জাতি থাকার সম্ভাবনা বেশি।

মন্তব্য ২৫ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৬

নিশ্চুপ শরিফ বলেছেন: সেদিন দেখলাম এক নাস্তিক বলতেছে " কুরআন মানুশ বুঝতে পারে, তাঁর মানে এইটা আল্লাহর গ্রন্থ না"

ভাই এই বুদ্ধি নিয়া ব্লগে এত বড় ইস্যু নিয়া লিখতে আইসেন না। আগে ঘাঁটে কিছু ঢুকান

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৫

সবুজ তাপস বলেছেন: আপনি কি আমাকে নাস্তিক মনে করেছেন? জানুন- আমি আস্তিকও নই, নাস্তিকও নই। আমি মানুষকে ভালবাসি, মানুষের বুদ্ধিমত্তাকেও।

২| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:১৯

নিশ্চুপ শরিফ বলেছেন: Allah says: “Say (O Muhammad): O Humanity! I am Allah’s Messenger to you all.” [Sûrah al-A`râf: 158]

Allah says: “And We have not sent you (O Muhammad) except as a bringer of glad tidings and a warner unto all humanity; but most people know not.” [Sûrah Saba’: 28]

Allah says: “Say (O Muhammad): I do not ask you for any reward for it; it is nothing but a reminder to all the world.” [Sûrah al-An`âm: 90]

Here, Allah is describing the Qur’ân as being “a reminder to all the worlds”, even though the Qur’ân was revealed in the Arabic language.

Prophet Muhammad (peace be upon him) said: “Every other Prophet was sent only to his people, whereas I have been sent to all mankind.” [Sahîh al-Bukhârî]

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৩

সবুজ তাপস বলেছেন: আল্লাহর কথা দিয়ে আল্লাহকে প্রতিষ্ঠা করা! আপনার কথা বলেন।

৩| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩০

নজিবুল্লাহ বলেছেন: আপনার বুদ্ধি কি স্রষ্টার অস্তিত্বের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেয় না ?

আপনি যদি মানুষেকে ভালবেসে থাকেন তবে যেসকল জালিম অমানুষেরা মজলুম মানুষকে অত্যাচার করে তাদের কৃতকর্মের প্রতিফল দিবস তথা ইসলামের ভাষায় কেয়ামত বা শেষবিচারে কি বিশ্বাস করেন ?

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০০

সবুজ তাপস বলেছেন: আপনি যদি মানুষেকে ভালবেসে থাকেন তবে যেসকল জালিম অমানুষেরা মজলুম মানুষকে অত্যাচার করে তাদের কৃতকর্মের প্রতিফল দিবস তথা ইসলামের ভাষায় কেয়ামত বা শেষবিচারে কি বিশ্বাস করেন ?

মানুষ ভালো আচরণ করবে নিজেকে এবং জগৎ রক্ষার স্বার্থে ।

৪| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০২

মাহমুদডবি বলেছেন: মানুষ যদি এতই ভালো বাইসা থাকেন আজাইরা কামে নেটে বইসা টাকা নষ্ট না কইরা ঐ টাকা কোনো গরীবরে দিয়া দেন, আর সারা দিন পরিশ্রম করুন টাকার জন্য কারন মানুষকে দিতে হবে । কত মানুষ পৃথিবীতে না খেয়ে আছে । মানুষ যে কেমনে এত ভন্ড হয়। মানষ তার নিজের জন্ম নিয়া একটু ভাইবা দেখে না।

৫| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৮

নজিবুল্লাহ বলেছেন: বাহ আপনি নিযেই তাইলে আপনার ধর্মের স্রষ্টা ভালু, ভালু। তা আপনার ধর্মে কি পরকাল টরকাল কিছু নাই ? যার ভয়ে জালিমরা জুলুম থেকে বিরত থাকবে ? আপনার কথাতেই কি জালিমরা তাদের রক্ত পিপাসু হাতকে গুটিয়ে নিবে বলে মনে করেন ?

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৮

সবুজ তাপস বলেছেন: পৃথিবী কখনো পুরোপুরি ভালো মানুষের শাসনে যাবে না। আবার এটা কখনো পুরোপুরি খারাপ মানুষের শাসনেও যাবে না। শুধু তফাৎ এই জায়গায়: ভালোরা নন্দিত হবে, আর খারাপরা নিন্দিত হবে।

৬| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৬

মুহাম্মাদ আলী বলেছেন: জীবনের স্রেস্ট বাল পোস্ট দেখালাম।মাথার বুদ্ধি অন্তকোষে নিয়া এগুলা ব্লগে আসেন কেন X(( X(( X((

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৯

সবুজ তাপস বলেছেন: মঙ্গল, মঙ্গল

৭| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৫

ব্লগার রাইয়ান বলেছেন: ভারতে বর্তমানে যে হিন্দুধর্ম প্রচলিত আছে তার বয়স বড়জোড় দুশ বছর। কারণ এই হিন্দুধর্ম ব্রিটিশআমলের সংস্কার থেকে বেরিয়ে এসেছে। ঠিক সেভাবে হিন্দুরা যতই প্রাচীনত্বের দাবিদার হোক না কেন, প্রত্নতাত্ত্বিক বিচারে কিন্তু তাদের পুরাণগুলো অতটা প্রাচীন নয়। তান্ত্রিকতা এবং মূর্তিপুজার উদ্ভব হয়েছে খ্রিস্টাব্দ ৩০০ বা এরকম সময়ে এবং এগুলো নিয়েই বর্তমান হিন্দুধর্ম। এজন্য প্রাচীনকালের নবী রাসূলগণের রেকর্ড তারা রাখেনি বা রাখতে পারেনি।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১২

সবুজ তাপস বলেছেন: বলেছিলাম: ৬১০ সালের আগে আরববিশ্বের বাইরে পৃথিবীর আর কোথাও মানুষ ছিল কিনা সন্দেহ। আর যদি কোথাও মানুষ থেকে থাকে তাদের ভাষাও আরবি ছিল!
আপনি বলেছেন: তান্ত্রিকতা এবং মূর্তিপুজার উদ্ভব হয়েছে খ্রিস্টাব্দ ৩০০ বা এরকম সময়ে এবং এগুলো নিয়েই বর্তমান হিন্দুধর্ম।
...................................................................................
সুতরাং, তান্ত্রিক ও মূর্তিপুজারীদের ভাষা ছিল আরবী! এদের নবি-রাসুল কারা?

৮| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০২

মুহাম্মাদ আলী বলেছেন: হেদু ধর্মের বিরুদ্ধে কইলে এগুলার পাছা জ্বলে।এর লোকের বেশীরভাগ পোস্ট ইসলাম বিরোধী।এর মন্তব্য গুলাও ইসলাম বিরোধী।এই লোকের এই নিম্মমানের পোস্ট রিপোর্ট করলাম

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৬

সবুজ তাপস বলেছেন: কোন ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করবেন না। এটা খারাপ। আপনি যে কোনো ধর্মের বিষয় নিয়ে যুক্তিতর্ক করতে পারেন।

৯| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৮

ব্লগার রাইয়ান বলেছেন: //৬১০ সালের আগে আরববিশ্বের বাইরে পৃথিবীর আর কোথাও মানুষ ছিল কিনা সন্দেহ। আর যদি কোথাও মানুষ থেকে থাকে তাদের ভাষাও আরবি ছিল!//

তাওরাত শরীফ যাবুর শরীফ ইঞ্জিল শরীফ যে আরবী ভাষায় নাযিল হন নাই এই বিষয়টা জানো? এই হেদুগুলোর মাথায় আসলেই কিছু নাই। দুই কলম পড়ে এসে ব্লগে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ফাল পারতে এসেছে।

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০২

সবুজ তাপস বলেছেন: ১. তাওরাত: তৌরাত একটি আসমানী কিতাব যা ইসলামের রাসুল হযরত মুসার (আঃ) উপর নাযিল হয়েছিল। এটি হিব্রু ভাষায় লিখিত ইহুদীদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ । হিব্রু ভাষায় এর নাম তোরাহ্‌ । তোরাহ্‌ শব্দের অর্থ "আইন", "নিয়ম", বা "শিক্ষণীয় উপদেশ"। এটি ৫ টি পুস্তকের সমন্বয়ে গঠিত। তাই তৌরাতকে অনেকে মুসার "পঞ্চ পুস্তক" বলে থাকে। এই পঞ্চ পুস্তকের নাম নিম্নরূপ।
২. যাবুর: ইসলামী ধর্মবিশ্বাস অনুসারে যাবুর হযরত দাউদ (আঃ) এর উপর অবতীর্ণ আরবি নাযিল হওয়া ঐশ্বরিক ধর্মগ্রন্থ (আরবি আসমানী কিতাব)। এটি হিব্রু ভাষায় লিখিত। হযরত দাউদ (আঃ)-এর পুত্র হযরত সুলায়মান (আঃ)-এর রাজত্ব কালেও এটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হত।
৩. ইঞ্জিল ও কুরআন: ইঞ্জিল শরীফ অবশ্যই প্রথমে গ্রীক ভাষায় লেখা হয়েছিল, আরামীয় নয়। সারা বিশ্বে ঈসা মসীহ্‌র বাণী পৌঁছানোর জন্য গ্রীক ভাষা সবচেয়ে উপযুক্ত ছিল, কারণ সেটা তখনকার বিশ্বের সবচেয়ে প্রচলিত ভাষা ছিল। যারা এই রকম দাবি করে তারা সম্ভবত মনে করেন যে শুধুমাত্র আরবী এবং হিব্রুর মত সেমিতীয় ভাষায় নাজিলকৃত কিতাব আসতে পারে। কিন্তু কোরআন শরীফ নিজেই বলে যে কোরআন শরীফ আরবিতে নাজিল হয়েছে মাত্র একটি কারণে, “যাতে তোমরা বুঝতে পার” (সূরা ইউসুফ ১২:২)।
............................................................
এই যদি হয়, সংস্কৃত ভাষার আসমানী কিতাব কোনটি?

১০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মাহমুদডবি বলেছেন: মানুষ যদি এতই ভালো বাইসা থাকেন আজাইরা কামে নেটে বইসা টাকা নষ্ট না কইরা ঐ টাকা কোনো গরীবরে দিয়া দেন, আর সারা দিন পরিশ্রম করুন টাকার জন্য কারন মানুষকে দিতে হবে । কত মানুষ পৃথিবীতে না খেয়ে আছে । মানুষ যে কেমনে এত ভন্ড হয়। মানষ তার নিজের জন্ম নিয়া একটু ভাইবা দেখে না।

আপনার প্রোপিকের হাসি ;)

ভাই আপনি কি জানতে চান? না জানাতে চান?

জানতে চাইলে আপনার উপস্থাপনা ভুল!
জানাতে চাইলে আরও প্রচুর জানতে হবে!

আর ক্যাচাল করতে চাইলে, আজাইরা টাইম থাকলে যতক্ষন দম আচে করতে থাকেন!!!!!!!!!!!!!!

০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৯

সবুজ তাপস বলেছেন: আমি আমার প্রতিষ্ঠান (ইন্টারনেট ব্যবসা) থেকে বিনে পয়সায়...

১১| ০৬ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১০:১৬

নজিবুল্লাহ বলেছেন: Click This Link

http://www.shodalap.org/imran-hasan/15276

১২| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৪৮

ব্লগার রাইয়ান বলেছেন: সংস্কৃত ভাষায় কোন কিতাব থাকতেই হবে এমন কথা আসছে কেন?(পৈতা টেস্ট পজিটিভ) সবচেয়ে বড় কথা আল্লাহপাক বলেছেন মানুষের মুখের ভাষায় কিতাব নাযিল করা হয়েছে। এখন সংস্কৃত কখনোই ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা ছিল না। এটা ইতিহাস পড়লেই জানতে পারবেন।

০৭ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২৯

সবুজ তাপস বলেছেন: আল্লাহপাক বলেছেন মানুষের মুখের ভাষায় কিতাব নাযিল করা হয়েছে। এখন সংস্কৃত কখনোই ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা ছিল না। এটা ইতিহাস পড়লেই জানতে পারবেন।
সাধারণ মানুষের মুখের ভাষায় কুরআনও নাযিল হয়নি। নাযিল হয়েছে বিশুদ্ধ আরবীতে। বাংলাদেশ সংবিধানওতো সাধারণ মানুষের মুখের ভাষায় রচিত হয়নি, রচিত হয়েছে বিশুদ্ধ বাংলায়। সংস্কৃত ভাষার শব্দগুলোর বিবর্তিত রূপই তো দেখছি বিশুদ্ধ বাঙলার বেশির ভাগ শব্দে, যেমন- আম্র>আম, তাম্র>তামা ইত্যাদি। আম ও তামা সাধারণ মানুষের জবানিতেও রয়েছে।

১৩| ০৭ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৫

নজিবুল্লাহ বলেছেন: সাধারণ মানুষের মুখের ভাষায় কুরআনও নাযিল হয়নি।

আপনি কুরআন নাযিলের ইতিহাস ই জানেন না। কুরআন নাযিল হয়েছিল সাত অঞ্চলের সাতটি আঞ্চলিক ভাষায়। যার মধ্যে একটি ছিল বিশুদ্ধ সাধু ভাষা, যে ভাষায় স্বয়ং নবী করিম (স.) কথা বলতেন। পরবর্তীতে বাকী সকল ছয়টি আঞ্চলিক পঠন রিতির কোরআন নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এবং একটি মাত্র ভাষার রুপকে রাখা হয়েছে। যাই হোক কথা সেটা না । কথা হলো ভরতবর্ষেও নবী-রাসূল পাঠানো হয়েছিল। যা আমার উপরের লিঙ্ক এর পোষ্ট+কমেন্ট পড়লেই জানতে পারবেন। আর হাদীসে রয়েছে অগনীত নবী-রাসূল পাঠনো হয়েছিল। কিন্তু কোরআন এ রয়েছে মাত্র ২৫ জনের নাম। হিন্দু ধর্মের অবতারগণও মূলত নবী রাসূল, কিন্তু তাদের ইতিহাস বিকৃত হয়ে গিয়েছে। তারা নিজেরাও তাদের ধর্মের সঠিক ইতিহাস বলতে পারে না, তাই একে নাম দিয়েছে সনাতন (প্রাচীন) ধর্ম।

অ:ট: যারা নাস্তিক (কোন ধর্মেই বিশ্বাস করেনা বলে দাবীদার) তারাও দেখী শুধু ইসলামের পিছনেই শুধু লেগে থাকে, যদিও পরে তাদের হিন্দুয়ানী বা বুদ্ধ ল্যাঞ্জা ঠিকই বাহির হয়। আপনিওতো নাকি আস্তিকও না আবার না্স্তিকও না , তা কোরআন নিয়ে আবার আপনার এ খাউযানোর কারন টা কি ? নাকি এটা আপনার প্রবর্তিত নতুন ধর্মের একটি নিয়ম যে, ইসলামের বিরুদ্ধেও ল্যাদাতে হবে, অন্যান্য নাস্তিক (হনু) ভাইদের মত ?

০৮ ই নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪

সবুজ তাপস বলেছেন: কুরআন নাযিল হয়েছিল সাত অঞ্চলের সাতটি আঞ্চলিক ভাষায়। যার মধ্যে একটি ছিল বিশুদ্ধ সাধু ভাষা, যে ভাষায় স্বয়ং নবী করিম (স.) কথা বলতেন। পরবর্তীতে বাকী সকল ছয়টি আঞ্চলিক পঠন রিতির কোরআন নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। এবং একটি মাত্র ভাষার রুপকে রাখা হয়েছে।

আপনি কি ‘কুরআন নাযিল হয়েছিল সাত অঞ্চলের সাতটি আঞ্চলিক ভাষায়’ দ্বারা ‘কুরআন রচিত হয়েছিল সাত অঞ্চলের সাতটি আঞ্চলিক ভাষায়’ বোঝাতে চেয়েছেন? বর্তমান কুরআনের ভাষাটি কি আরবের কোন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষা ছিল? যদি এটি সাত আঞ্চলিক ভাষায় নাজিল হয়ে থাকে তবে তা কি কেবল মুহম্মদের কাছে নাকি মুহম্মদ ছাড়াও আরো ছয়জনের কাছে যুগপৎভাবে? যদি সাত আঞ্চলিক ভাষায় নাজিল হয়ে থাকে, তবে পরবর্তীতে মুহম্মদেরটা ছাড়া বাকিগুলো নষ্ট করতে হয়েছে কেন? আল্লাহ যদি সাতটি আঞ্চলিক ভাষায় কুরআন নাজেল করে থাকেন, তবে কোন ব্যক্তি কি একটা রেখে বাকিগুলা নষ্ট করার ক্ষমতা রাখে? কত আঞ্চলিক ভাষা ভারতীয় উপমহাদেশে রয়েছে, একটা ভাষাও কুরআন নাজিলের জন্য আল্লাহ মনোনীত করেন নাই, ভাবতে কষ্ট লাগে। তারপরও গোগ্রাসে গিলতে হচ্ছে: 'আমি প্রত্যেক রাসুলকে তার জাতির লোকদের মাতৃভাষাতেই প্রেরণ করেছি (সুরা ইবরাহিম: ৪)। বিস্তারিত পড়তে এখানে গুতা মারেন> কোরান কি আসলেই অবিকৃত অবস্থায় সংকলিত হয়েছিল?

ভরতবর্ষেও নবী-রাসূল পাঠানো হয়েছিল। যা আমার উপরের লিঙ্ক এর পোষ্ট+কমেন্ট পড়লেই জানতে পারবেন। আর হাদীসে রয়েছে অগনীত নবী-রাসূল পাঠনো হয়েছিল। কিন্তু কোরআন এ রয়েছে মাত্র ২৫ জনের নাম। হিন্দু ধর্মের অবতারগণও মূলত নবী রাসূল, কিন্তু তাদের ইতিহাস বিকৃত হয়ে গিয়েছে। তারা নিজেরাও তাদের ধর্মের সঠিক ইতিহাস বলতে পারে না, তাই একে নাম দিয়েছে সনাতন (প্রাচীন) ধর্ম।

এই বিশ্বাসে কেউ কেউ গৌতম বুদ্ধকেও নবী উপাধি দেওয়ার কারসাজিতে মগ্ন । আমি যতদূর জানি, ভারতীয় উপমহাদেশে অলী-আওলীয়া ছাড়া কোন নবী-রাসুলের আগমন ঘটে নাই। যারা এসেছেন তাদের কারোরই মাতৃভাষা ভারতীয় কোন ভাষা নয়।

১৪| ১৮ ই নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩২

রাখালছেলে বলেছেন: নাজিবুল্লাহ আপনি বলুন আমরা শুনছি । ধর্মকে নিয়ে কথা বলতে বা শুনতে আমার কোন বাধা নেই । শুধু একটাই অনুরোধ, দয়া করে কোন ভুল তথ্য উপস্থাপন করবেন না। যা কি বিভ্রান্তি তৈরি করে ।

সবুজ তাপস আপনার লেখার তারিফ করলাম। আপনার বুদ্ধিবৃত্তি মনের খোরাক যোগাচ্ছে । জ্ঞানঅর্জনের জন্য যদি মধ্যপ্রাচ্য থেকে চীনে যাওয়ার আদেশ থাকে তাহলে যেকোন কিছুই নিয়ে তর্ক বিতর্ক জ্ঞানের শামিল । সহমত রইল । চালিয়ে যান । তবে শুধু কোন ধর্মকে খাটো করবেন না।

ভারতীয় কি বঙ্গদেশীয় কোন পীর আওলীয়ার ভাষা এদেশীয় ছিল না - এ যুক্তির সাথে আমি ব্যক্তিগতভাবে পুরোপুরি সহমত পোষন করলাম। তাদের কারও ভাষা ছিল ফার্সী কারও বা আরবী আবার কারও বা পস্তু ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.