| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাধারণত যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে তাদের রক্ষা করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয় দুর্বৃত্তদের হামলা। যুগ বদলেছে, সরকার বদলেছে কিন্তু চেয়ারের এই আচরণ বদলায়নি। ওই চেয়ারটাই দুর্বৃত্ত। যে বসে সেই বখে যায়……
যখন রাষ্ট্র নিপিড়কের ভূকিকায় অবতীর্ণ হয় তখন বিভিন্ন সংগঠন তাদের সহি প্রমাণের জন্য উঠে পড়ে লাগে। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য একটি সিনডম হচ্ছে পুরষ্কার।
যখন বিভিন্ন সংগঠন থেকে নিপিড়কদের পুরষ্কৃত করা হয় তখন বুঝতে হবে স্মরণকালের সব থেকে বেশি নির্যাতন তারা করেছে। তাই সেই নির্যাতনের রক্তের দাগ মুখ থেকে মুছে ফেলার জন্য পুরষ্কার নামক টিস্যু ব্যবহার করে সরকারগুলো।
এটা শুধু বাংলাদেশ নয় পৃথিবীর সব প্রান্তে। হায়েনারা দেখতে ভিন্ন চেহারার হলেও আচরণ একই রকম। পুতিন কিছুদিন আগে তার সমালোচক এক সাংবাদিককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে। তেমনি আইএস তাদের সমালোচনার কারণে অস্ট্রেলীয় ৩ সাংবাদিককে নির্মমভাবে পুড়িয়ে হত্যা করেছে।
তার উগ্রদের সঙ্গে ভদ্রতার মুখোশপরা শয়তানদের পোশাকের তফাৎ থাকলেও আচরণ গত কোন তফাৎ নেই।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিককালে সাংবাদিকদের ওপহ হামলাকরী কতিপয় দুর্বৃত্তকে সরকার তাদের বিরোধী শক্তির ইন্দোন দাবি করেছে। কিন্তু হামলার ভিডিও দেখে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কোন ঘোষণা এই লেখাটি প্রকাশ করা পর্যন্ত দেয়নি। অন্যদিকে কতিপয় দুর্বৃত্তকে পুলিশ সহযোগিতা করতে দেখা গেছে বিভিন্ন ভিডিও এবং ছবিতে।
নির্যাতনকারী সরকারগুলো সবসময় প্রিয় মিথ্যার উপর ভরকরে। আর অপ্রিয় সত্যকে এড়িয়ে যায়। এমন আচরণ তাদের করুণ পরিণতি ডেকে আনে। ইতিহাস তাই বলে। চেঙ্গিস খান থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন বা মার্কিন সম্রাজ্য থেকে তালেবান, জিন্না থেকে বর্তমান একই সূত্রে গাঁথা।
এমন বাক্য তারা গলাদকরণই করে শুধু উপলব্ধি করতে পারে না। 
©somewhere in net ltd.