নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একদিন আড়াল ফুঁড়ে বেরুবো...

ক্ষতিগ্রস্থ

ক্ষতিগ্রস্থ › বিস্তারিত পোস্টঃ

নেফার সিটির দৃষ্টি আকর্ষণী পোস্ট থেকে মুছে দেয়া হয়েছে আমার ৪টি কমেন্ট... তাই দিতে হল এই পোস্ট

২৬ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৬

নেফার সিটির দৃষ্টি-আকর্ষণী পোস্টে আমি গতকাল ৪টি কমেন্ট করেছিলাম, ১১৮, ১২০, ১২২ ও ১২৫ নম্বর। এর দুটি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিরাপত্তা বিষয়ে এবং তৃতীয়টিতে উল্লেখ করেছিলাম যে, পোস্টের ফোকাস তনু হত্যা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধেই সীমিত থাকা উচিত। কিছু কিছু কমেন্টে সেনাবিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন অপ্রয়োজনে, তাতে ফোকাস শিফট হচ্ছে। এতেই নেফার সিটি আমাকে মিথ্যাবাদী বলে গালাগাল করে ফাজিল ও ব্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে গালাগাল করলে আমি তার প্রতিবাদে ৪র্থ মন্তব্যটি করি। আজ দেখি আমার একটিও মন্তব্য নাই, মুছে দিয়েছেন। এখানে আমি আমার শেষ কমেন্টটি তুলে দিতে চাই...
----------------------------------------------------
---------------------------------------------------
ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: আপনার সেনাবিদ্বেষের মাত্র কয়েকটা নমুনা দেয়া হল...

১) জ্বি, দেশের সবথেকে নিরাপদ স্থান বলা হয় ক্যান্টনমেন্টগুলোকে তেমনই একটা ক্যান্টনমেন্টে ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে।

২) চেষ্টা করলে তারা ক্যান্টনমেন্টের মধ্যে তনুকে ধর্ষণ করে হত্যাকারীদের ঠিক খুঁজে বের করতে পারবে।

< ক্যান্টনমেন্টে ধর্ষণ করে হত্যা করা হলো - পুলিশ জানেনি, কোন সাংবাদিক জানেনি, আপনি নিশ্চিত জেনে গেলেন তনুকে ক্যান্টনমেন্টেই ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে? খুন-ধর্ষণ করে বাইরে থেকে এখানে এনে লাশ ফেলে গেছে, এটা হতে পারে না? এত বেশি নিশ্চিত জেনে গেলে অসুবিধা হতে পারে, পুলিশ তখন আপনাকে জেরা করতে নিয়ে যেতে পারে!

৩) ২৯ নম্বর মন্তব্যে বলেছেন, লেখক বলেছেন: ক্যান্টনমেন্টের নীরবতা বিষয়টাকে সিভিল আর আর্মিকে মুখোমুখি করে দিচ্ছে। আমি পুরোপুরি বিশ্বাস করি আর্মি ইন্টেলিজেন্স যদি চায় খুব দ্রুতই অপরাধীকে বের করতে পারবে। তাদের উচিত রাখঢাক না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সবকিছু প্রকাশ করা।

< আর্মি আপনার মুখোমুখি হয়নি, আপনি ব্লগে মুখ খিচড়ে এক গাদা হিংসা নিয়ে সেনাবাহিনী মুখোমুখি দাড়িয়ে গেলেই আপনার জবাব দিয়ে দেবে? কি বলবে? রাজনীতিকদের মত সত্যানুসন্ধানের ধার না ধরে বলে দেবে যে, না, লাশ ক্যান্টনমেন্টে পাওয়া যায়নি বা এতে আর্মি জড়িত না! পুলিশ তাদের তদন্ত করছে, আর্মিও তাদের তদন্ত করছে, তদন্ত শেষ হোক। সেনাবাহিনী কোন মিডিয়া চালায় না, ব্লগও না। সেই অধিকার আপনার, সেই অধিকার এবিউজ করার অধিকারও আপনার, যেটা করছেন, সেনাবাহিনী ঢাকের বাদ্য না...

৪) ৪৯ নম্বর মন্তব্যের জবাবে লিখেছেন, দেখা যাক ক্যান্টনমেন্টবাসীরা আমাদের তনু হত্যার বিচারের জন্য কতটুকু সাহায্য বা কতক্ষণ রাখঢাক করে।

< আর্মি কোন ঘটনায় মাইক নিয়ে নেমে পড়ে 'একটি বিশেষ ঘোষনা' বলে চেচাতে থাকে যে, রায় দিয়ে দিলেন আর্মি রাখঢাক করছে?

৫) ৭৫ নম্বর প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, আর ক্যান্টেমেন্টেই যখন ধর্ষণ করে হত্যা করা হয় তখন তো তারা সুযোগটা ভালোভাবে পেয়ে যায়। ...বিষয়টা যখন ক্যান্টনমেন্টের মত স্থানে হয়েছে ...তিতো হলেও সত্যি যে সবসময়ই শোনা যায় বাঙালি সেটেলার কর্তৃক পাহাড়ি ধর্ষণে সেনাবাহিনীর ইন্ধন থাকে। এটা যদি সত্যি হয়ে থাকে তবে বলতে হবে পাকবাহিনী থেকে তাদেরকে আলাদা করে দেখাটা অনেক কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাড়াবে।

< সুশিল আর থাকা হল না, ছত্রে ছত্রে সেনাবিদ্বেষের নোংরা শ্বদন্ত বেড়িয়ে পড়েছে...

৬) Mahmudur Rahman বলেছেন: vai cantonment nirapod elakay.....ghotonata ghotse CCA te NOt CC a.Cantonment area and cantonment is a vinno jinish.....

লেখক বলেছেন: ভিন্ন জিনিসটার মধ্যে কি খুব পার্থক্য? ক্যান্টনমেন্টের বাইরে অনেক দূর পর্যন্ত সেনাবাহিনীর দখলে থাকে। তাদের চেকপোস্ট থাকে, গার্ড থাকে, টহল গাড়ী থাকে, সিসি ক্যামেরা থাকে। পার্থক্য খুব বেশি থাকে না।

< Mahmudur Rahman একটি অত্যন্ত বাস্তব ও উপযুক্ত যুক্তি দেখিয়েছেন, ক্যান্টনমেন্ট ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা এক না, তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ভিন্ন, অথচ আপনি এতটুকু আমলে নিলেন না, উড়িয়ে দিলেন। ঢাকায় কচুখেত বাজার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার মধ্যে পরেছে, কিন্তু তা ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে না। এই বস্তব সত্যটা প্রত্যাখ্যান করা থেকে আপনার সেনাবিদ্বেষটা অনায়াসে বেড়িয়ে পড়ে।
--------------

< ব্লগিং কোন গালাগালের জায়গা না, আমাকে ফাজিল বলা বা ব্রেন ক্ষতিগ্রস্থ বলা দিয়ে আমার কিছু আসে যায় না, কিন্তু আপনি আপনার জাত চিনিয়ে গেলেন। আপনার জাতটাতো আপনারই, সেটা চেনাতে থাকুন... এবং সুস্থ থাকুন।

-------------------------
------------------------
এবার আমার নিজের বক্তব্য...

আর্মি কেন তনুকে নিয়ে কিছু বলছে না, সেটা নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। আর্মির মিডিয়াও নাই, ফেসবুক-ব্লগও নাই। সেনাবাহিনী ঢাকের বাদ্যও না। আর্মি পলিটিশিয়ানের মত বলে দিতে পারে না, এতে আর্মির কেউ জড়িত না। এর জন্য তদন্তের দরকার। তদন্তের ভিত্তিতে বক্তব্য দিতে হবে। এখন আর্মি শাঁখের করাতের ভিতরে আছে, কিছু বলছে না, তাতেও দোষ। আবার কিছু বললে বলা হবে আর্মি তদন্ত প্রভাবিত করছে।

কুমিল্লা সেনানিবাসে ৯৯টি পকেট গেট আছে, সারাক্ষণ খোলা থাকে, আগে আর্মি রাত ১২টার পরে বন্ধ করতে চেয়ে রাজনৈতিক আন্দোলন ও চাপের কারণে পারেনি।এই ক্যান্টনমেন্টের নিরাপত্তা অন্য যে কোন ক্যান্টনমেন্টের চেয়ে খারাপ ভৌগলিক এবং এর আশেপাশে ও ভিতরে বেসামরিকদের অবস্থানের কারণে। এতদ্সত্ত্বেও ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে লাশ পাওয়া গেলে আর্মির দায়দায়িত্ব থাকে। কিন্তু তাকে ধর্ষণের দায় তদন্তে আবিস্কৃত হওয়ার আগে পর্যন্ত আর্মির উপরে বর্তায় না, যেটা গণজাগরণ মঞ্চ এবং ফেসবুক-ব্লগে সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষে বলতে চাচ্ছে।

এই মেয়েটি রেপড হয়েছে, সেটা পুলিশ বলেনি, মেয়েটির বাবাও বলেছে বলে শুনিনি। কিন্তু গণজাগরণঅলারা বলছে, কিসের ভিত্তিতে বলছে সেটা তারা বলছে না, আমি লাশের কোন প্রত্যক্ষদর্শীর জবানিতে বলা হয়েছে বলে শুনিনি, পড়িনি। সত্য উতঘাটনের চেয়ে, মেয়েটির স্যাঙ্কটিটি রক্ষার চেয়ে ধর্ষিত হোক না হোক, হওয়ানোটা আজ কারও কারও কাছে বেশি জরুরি!
তনু হত্যার এবং ধর্ষিত হয়ে থাকলে ধর্ষণের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাওয়ার চেয়ে ফোকাস যখন আর্মিকে অপরাধী, কালপ্রিট বানিয়ে অপপ্রচারে নামাতে শিফট হয়, তখন এই বিকৃত আকাঙ্খার ভেতরে কোন ষড়যন্ত্র খুঁজে না পেলে আমাদের সে কোন বোধ ও বিবেক যা তনুর পক্ষে কথা বলছে?

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৪:১২

এম কে খান বলেছেন: যুক্তিবাদী পোস্ট

২৬ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৪:১৪

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: ধন্যবাদ, জনাব খান।

২| ২৬ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৫

বিজন রয় বলেছেন: কমেন্টস মোছা খারাপ।

২৮ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:২৮

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: অবশ্যই খারাপ। আমিতো কোন গালাগাল করিনি।

৩| ২৬ শে মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৭

বালক বন্ধু বলেছেন: বিগত কয়েকদিন ধরে মানুষের সেনা বিদ্বেস দেখে আমি নিজেও অবাক।
কিছু কিছু প্রতিবাদকারী তাদের পোস্টারে সরাসরি সেনা জড়িত স্লোগানও দিয়েছে।
সব কিছুই কেমন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
তনু হত্যার বিচার অবশ্যই চাই। সেই সাথে চাই আরো সব হত্যার বিচার।
কিন্তু বিচার চাইবার নামে এই খেলা, কেমন যেন ঠেকছে!

২৮ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৩৯

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: নেফার সিটির দৃষ্টি আকর্ষণী পোস্টটি একটি ঘৃনা ছড়ানোর পোস্ট। বিভিন্ন দেশিবিদেশি ধর্ষিতার ছবি দিয়ে তনু লাশ বলা হচ্ছে, আসিফ নামে একজনের আর্মির পোষকের প্রোফাইল পিক দিয়ে ভুয়া আইডি থেকে তনুকে গালাগাল দেয়া হচ্ছে... এগুলো স্পষ্টতই ষড়যন্ত্রের অংশ।

তনু নিহত হয়েছে, তার চুল ছেঁড়া হয়েছে, এসব তথ্য জানা গেছে তদন্তকারীদের সূত্রে। কিন্তু ধর্ষিত হয়েছে, এমন তথ্য তার বাবা বা পরিবারের কেউ দেয়নি। অথচ গণজাগরণঅলারা বলছে, সূত্র ছাড়া বলছে। আজ তনুর হত্যা দাবির চেয়ে, তার স্যাঙ্কটিটি রক্ষার চেয়ে ধর্ষিত হোক না হোক, ধর্ষনের ভিক্টিম তাকে বানানো হবে রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার জন্য, আর্মির বিরুদ্ধে অন্তর্গত ঘৃনা উগরে দেয়ার জন্য... একটা ষড়যন্ত্র চলছে।

৪| ২৮ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৪৯

আরজু পনি বলেছেন:

আমি ভাবছি যদি বাইরে খুন হয় তবে এতো নিরাপত্তার বেড়াজাল ডিঙিয়ে ভেতরে নিল কেমন করে ?

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৪৫

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: আমি বলিনি খুন বাইরেই হয়েছে৷ কালভার্টের কাছেও হতে পারে, আবার ভেতরে বা বাইরে খুনের পরেও লাশ ঐখানে ফেলে আসতে পারে৷ ক্যান্টনমেন্টে শুধু সৈনিকের ব্যারাকই থাকে না, নানান স্থাপনা থাকে, তাতে প্রচুর বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করে৷ আছে ফ্যামিলি কোয়ার্টর, সেখানে বেসামরিকরাও থাকে, পরিবারের সদস্য ছাড়াও তাদের আত্মীয়স্বজনরা বেড়াতে আসেন, বসবাস করেন৷ ক্যান্টনমেন্টে সামরিক স্থাপনায় নিরাপত্তার ব্যাবস্থা যেমন, ফ্যামিলি কোয়ার্টার এলাকায় সঙ্গত কারণে অনেক শিথিল৷ আশেপাশের অনেকের জীবিকার উৎসব এই ক্যান্টনমেন্ট৷ ধুপি, নাপিত, কনট্রাক্টর, চাষী, দোকানদার, বুয়া, গৃহশিক্ষক, পাতাকুড়ানি, ঘাসকাটা রাখাল, নানান সার্ভিস প্রদানকারী - কে না আসে প্রতিদিন? কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট ফ্যামিলি কোয়ার্টারে চুরি হওয়া একটি নৈমিত্তিকতার ঘটনা, যেখানে নিরাপত্তার যুগযুগ ধরে ঘাটতি রয়েছে৷

৫| ২৮ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:০৭

রানার ব্লগ বলেছেন: খুন যেখানেই হোক লাশ যেহেতু পাওায়া গেছে ক্যান্টনমেন্ট এলাকায়, এর দায় অবশ্যই আর্মির উপর জায়। কারন আর্মি এরিয়া সবসময় নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে এই নিরাপত্তা চাঁদর ভেদ করে কেউ যদি অন্যায় করে তা আর্মির অবশ্যই ভেবে দেখা উচিৎ, আগামিতে আর বড় কিছু অপেক্ষা করছে হয়ত। আমাদের সতর্ক হওয়া উচিৎ। তনু হত্যার বিচার চাই তা সে যেই হোক।

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ১১:৪৬

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: ক্যান্টনমেন্টে খুনের ঘটনা ঘটলে তার দায়িত্ব আর্মির উপরেও বর্তায়, সেটা আমি পোস্টেই বলেছি৷ তবে এই ঘটনার হোতা আর্মি তা নির্ধারিত হয় না৷ বেলজিয়ামে প্যারিস বোমাবাজির নায়ক ধরা পরার পরে নিরাপত্তা রেড এলার্ট জারি হওয়ার পরেও দুই জায়গায় বোমাবাজি হয়েছে৷ এতে বেলজিয়ান পুলিশের দায়দায়িত্ব আছে, কিন্তু পুলিশই ঘটিয়েছে সেটা বলাটা অন্যায় হবে৷ আর্মির দায়ও সে পর্যায়ের, এটাই বলতে চেয়েছি৷

ক্যান্টনমেন্টে শুধু সৈনিকের ব্যারাকই থাকে না, নানান স্থাপনা থাকে, তাতে প্রচুর বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করে৷ আছে ফ্যামিলি কোয়ার্টর, সেখানে বেসামরিকরাও থাকে, পরিবারের সদস্য ছাড়াও তাদের আত্মীয়স্বজনরা বেড়াতে আসেন, বসবাস করেন৷ ক্যান্টনমেন্টে সামরিক স্থাপনায় নিরাপত্তার ব্যাবস্থা যেমন, ফ্যামিলি কোয়ার্টার এলাকায় সঙ্গত কারণে অনেক শিথিল৷ আশেপাশের অনেকের জীবিকার উৎসব এই ক্যান্টনমেন্ট৷ ধুপি, নাপিত, কনট্রাক্টর, চাষী, দোকানদার, বুয়া, গৃহশিক্ষক, পাতাকুড়ানি, ঘাসকাটা রাখাল, নানান সার্ভিস প্রদানকারী - কে না আসে প্রতিদিন? কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট ফ্যামিলি কোয়ার্টারে চুরি হওয়া একটি নৈমিত্তিকতার ঘটনা, যেখানে নিরাপত্তার যুগযুগ ধরে ঘাটতি রয়েছে৷ক্যান্টনমেন্টে শুধু সৈনিকের ব্যারাকই থাকে না, নানান স্থাপনা থাকে, তাতে প্রচুর বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করে৷ আছে ফ্যামিলি কোয়ার্টর, সেখানে বেসামরিকরাও থাকে, পরিবারের সদস্য ছাড়াও তাদের আত্মীয়স্বজনরা বেড়াতে আসেন, বসবাস করেন৷ ক্যান্টনমেন্টে সামরিক স্থাপনায় নিরাপত্তার ব্যাবস্থা যেমন, ফ্যামিলি কোয়ার্টার এলাকায় সঙ্গত কারণে অনেক শিথিল৷ আশেপাশের অনেকের জীবিকার উৎসব এই ক্যান্টনমেন্ট৷ ধুপি, নাপিত, কনট্রাক্টর, চাষী, দোকানদার, বুয়া, গৃহশিক্ষক, পাতাকুড়ানি, ঘাসকাটা রাখাল, নানান সার্ভিস প্রদানকারী - কে না আসে প্রতিদিন? কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট ফ্যামিলি কোয়ার্টারে চুরি হওয়া একটি নৈমিত্তিকতার ঘটনা, যেখানে নিরাপত্তার যুগযুগ ধরে ঘাটতি রয়েছে৷

৬| ২৮ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১১:০২

প্রামানিক বলেছেন: কমেন্টস না মুছে এর বিপক্ষে যুক্তি দেখানো উচিৎ

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:৪২

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: পাল্টা যুক্তি না থাকলে এবং অসহিষ্ঞু হলেই কেউ কমেন্ট মুছে। আজ আমাদের সময়ের রিপোর্ট থেকে কপিপেস্ট করলাম...

<<<তনুর সঙ্গে একই বাড়িতে থাকত তাঁর সমবয়সী চাচাতো বোন নাইজু জাহান। তনুর দীর্ঘদিনের সঙ্গী নাইজু কুমিলস্না ভিক্টোরিয়া কলেজের স্নাতক শিক্ষার্থী।

নাইজু কালের কণ্ঠ বলেন, ‘সে (তনু) রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কারো দিকে তাকাত না। আমরা তার ঘটনা শুনে বিস্মিত। কারণ আমরা সেনানিবাসে থাকতাম। আমরা এমন কিছু দেখিনি। কিন্তু হঠাৎ এটা কী হলো, কিভাবে হলো, আমরা বুঝতে পারছি না।’ নাইজু জাহান আরো বলেন, ‘‘পিয়ার নামে এক ছেলে তাকে বিরক্ত করত। সে পড়াশোনা করে এবং সেনানিবাসেই থাকে। প্রাইভেট পড়াতে যাওয়ার সময় সে প্রায়ই তনুকে বিরক্ত করত। তনু নিজে আমাকে এ কথা বলেছে। একদিন সে রাস্তায় পিয়ারকে দেখিয়ে বলেছিল, ‘এই ছেলেটিই আমাকে ডিস্টার্ব করে’।’’ তবে পিয়ার সম্পর্কে নাইজু বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে যে তথ্য বের হয়েছে, এর প্রতিবাদ করেন নাইজু। তিনি বলেন, লাশ দেখে তাঁদের মনে হয়নি তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। <<<
তনু হত্যার ঘটনায় একজন আটক!

৭| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:২৬

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: আর্মিদের প্রতি এই ধরনের অহেতুক বিদ্বেষ ছড়ানোর সাথে অনেক জ্ঞানী গুনী মানুষকেও দেখলাম। বিষয়টা ভালো লাগে নি। দোষ থাকলে বিচার হোক, কিছু ধামা চাপা দেয়ার চেষ্টা প্রমানিত হলে সেটারও প্রতিবাদ হোক, কিন্তু আগেই এই ভাবে নেতিবাচক ভাবার কোন কারন নেই।

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৪৩

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: প্রথমেই ধন্যবাদ কাভা মন্তব্য করার জন্য। আপনার পজেটিভ কমেন্ট পড়ে ভাল লাগছে।

কিন্তু একটা নেতিবাচক, সেনাবিদ্বেষী পোস্ট আপনারা এডমিনের পক্ষ থেকে স্টিকি করলেন, সেটার দায়িত্বজ্ঞান নিয়ে আমি প্রশ্ন তুলবো। এর আগে রূপগঞ্জের ঘটনা নিয়েও এমন হয়েছিল। বামপন্থী ব্লগতো এটা না, তবে কেন বারবার সেনাবিদ্বেষকে আপনারা স্পনসর করবেন? স্পন্সর করার মত তনু হত্যার বিষয়ে ভাল, ব্যালান্ড্স, ম্যাচিয়ুর্ড কিছু পোস্ট ছিল বলে আমার অভিমত। ভাল থাকবেন।

৮| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১২:৫৩

ঘূর্নী বলেছেন: কেন শুধু শুধু কথা বাড়াতে গেলেন ... উত্তর তো দেয়াই যায় , আমার কমেন্টের উত্তরে উনি যা বলেছিলেন ঐ পোষ্টে তাতে আমি বুঝে গেছি উনি গনতন্ত্রে নয় স্বৈরতন্ত্রে বিশ্বাসী ....ওনার পোষ্ট ওনার কথা ওনার ভাবনাই সঠিক ...আর সবাই এখানে জ্ঞ্যন আহরণের জন্য এসেছেন ...বিশেষত ওনার থেকে ....

২৯ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৫০

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: তত্ত্বগতভাবে একজন বামপন্থী কখনও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী নয়, মতামতের স্বাধীনতায়ও নয়। তারা আবশ্যিকভাবে স্বৈরাচারী ও ভিন্নমতে অসহিষ্ঞু। নেফার সিটি সেটারই প্রমাণ রাখলেন মাত্র।

আমিও শুধু শুধু কথা বাড়ানো এড়াতে চাই। কিন্তু একটা চরম সেনাবিদ্বেষী ও হিংসাত্বক স্টিকিপোস্ট সমাজে অসহিষ্ঞুতা ও মিথ্যাচার প্রচার করে যাবে, সেখানে কথা বাড়ানোর দায় এড়ানো সব সময় সম্ভব হয় না। ধন্যবাদ

৯| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আমি মনে করি, আমরা সামগ্রিক বিষয়ে কর্তৃপক্ষের উপর আস্থা রাখতে পারি। এই বিষয় নিয়ে যখন কোন মেইন স্ট্রিম মিডিয়াতে কোন খবর প্রকাশিত হচ্ছিলো না, তখনই সামহোয়্যারইন ব্লগের ব্লগার এই বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন। ব্লগ থেকে একটি পোস্ট স্টিকি করে সামনে রাখা হয়েছিলো, যাতে এই বিষয়ে মানুষ জানতে পারে। যে পোস্টটি স্টিকি হয়েছে, সেই পোস্টের মুল অংশে কোন বাহিনীকে অহেতুক বির্তকে জড়ানোর মত কোন তথ্য ছিলো না। যেহেতু সেনানিবাস এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বক্তব্য বা তাদের সাহায্যের ব্যাপারেই সেই পোস্টে কিছু বক্তব্য আছে।

কিছু মন্তব্যে নেতিবাচক কথা উঠে এসেছে। আমরা অনেক ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিয়েছি, পোস্ট দাতাকেও সর্তক করা হয়েছে। তা স্বত্তেও তিনি অনেক মন্তব্য মুছে দিয়েছেন এবং ক্ষেত্র বিশেষে আলোচনার পথ বন্ধ হয়েছে। এখন মন্তব্যের ঘরে কে কি মন্তব্য করবে, এটা তো যার যার ব্যাপার, এই ক্ষেত্রে আমাদের কি করনীয় থাকতে পারে বলুন?

পাশপাশি, এই ঘটনা নিয়ে অনেক ব্লগার যখন ফেসবুকে সোচ্চার ছিলেন, তাদের অনেকেই আমরা অনুরোধ করেছিলাম, ব্লগে এসে একটি বলিষ্ঠ বক্তব্য দেয়ার জন্য, যা তনু হত্যার রহস্য উম্মোচনে প্রতিবাদ হিসেবে কাজে আসবে কিন্তু অনেকেই এই বিষয়ে অন্তত ব্লগে কিছু লিখতে চান নি। সবাই সোচ্চার হয়েছেন, মেইন স্ট্রীম মিডিয়াতে যখন এই নিয়ে খবরের বন্যা এসেছে তারপর, অনেকটা গা বাঁচিয়ে। তাদের এই ভয় পাওয়া বা ইতঃস্তত করাও কিন্তু নায্য! কারনটা আপনি আমি সকলেই জানি।

দিনশেষে আমি চাই, তনু হত্যাকান্ড নিয়ে যে রহস্যময় পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, তার অবসান ঘটুক। আইন শৃংখলা বাহিনী এমন কোন কাজ না করুক যাতে তাদের কাজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। যেমন তনুর পরিবারকে রাতে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ!!

কিছু প্রমাণিত হবার আগেই যারা সেনাবাহিনী আর সাধারন জনগনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করে প্রমান চাওয়া হোক, যারা দিতে পারবেন না, তাদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হোক।

সকল ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের দেশ মুক্তি পাক, এটাই প্রার্থনা করি।

৩০ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৪০

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: ব্যাখ্যায় আস্থা রাখছি৷

আমার জানা মতে, স্থানীয় সেনা কর্তৃপক্ষ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুলিসের পাশাপাশি নিজস্ব তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে৷ তদন্তের কূলকিনারা করতে না পারাটা তাদের জন্যেও অস্বস্তিকর নিঃসন্দেহে৷ আপনার নিচের বক্তব্যের সাথে সহমত পোষন করছি:

"...তনু হত্যাকান্ড নিয়ে যে রহস্যময় পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে, তার অবসান ঘটুক। আইন শৃংখলা বাহিনী এমন কোন কাজ না করুক যাতে তাদের কাজ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। যেমন তনুর পরিবারকে রাতে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ!!

কিছু প্রমাণিত হবার আগেই যারা সেনাবাহিনী আর সাধারন জনগনকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিচ্ছেন, তাদের চিহ্নিত করে প্রমান চাওয়া হোক, যারা দিতে পারবেন না, তাদের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হোক।

সকল ষড়যন্ত্র থেকে আমাদের দেশ মুক্তি পাক, এটাই প্রার্থনা করি।"

১০| ২৯ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১১:০৬

সাহসী সন্তান বলেছেন: স্টিকি পোস্টের রেফারেন্স টেনে এনে আপনার পোস্টটা করা একদিক থেকে ভালই হয়েছে। কারণ এর মাধ্যমে উক্ত আলোচিত বিষয়টা সম্পর্কে সবাই কম/বেশি আলোচনা করতে পারবে, সেজন্য আপনাকে ধন্যবাদ!

কোন পোস্ট থেকে মন্তব্য মুছে দেওয়া সত্যিই দুঃখজনক, হোক সেটা ইতিবাচক বা নেতিবাচক। কারণ সব মানুষের মানসিকতা কখনো এক রকম হতে পারে না। আমি যে জিনিসটাকে ভাল ভাবে দেখবো সেটা আপনার কাছে খারাপ লাগতেই পারে। কিন্তু তার মানে তো এই নয় যে পোস্ট থেকে মন্তব্য ডিলিট করে দেবেন? আমার মতে, সমালোচনা সহ্য করার মন মানসিকতা না থাকলে সমালোচিত পোস্ট না করাটাই বেটার!

আর তার থেকেও খারাপ লাগে যখন কোন পোস্টে মন্তব্য করার পরে তার জবাব না পাওয়া যায়! উক্ত পোস্টে আমারও একটা মন্তব্য ছিল, যতটা সম্ভব পোস্ট সংশ্লিষ্টই। তবে কেন তিনি মন্তব্যের প্রতিউত্তর করেননি জানি না। আমি যখন কোন পোস্টে মন্তব্য করি তখন সেই পোস্টটা ভালভাবে পড়েই মন্তব্য করি, তাই সেটা হোক এক লাইনের কোন কাব্য বা এক'হাজার পৃষ্টার কোন মহাকাব্য। আর েজন্যই আমার মেজরিটি পারসেন্ট মন্তব্যই বেশ বড় হয়ে যায়!

আমার ব্যক্তিগত একটা নীতি আছে। আমি যখন কোন পোস্টে মন্তব্য করি, আর লেখক সেটাকে এড়িয়ে যান, তার পরে ভুলেও আমি সেই দিকে যাই না। এবং আজীবনের জন্য তার ব্লগে মন্তব্য করাটা আমার নিজের জন্য হারাম করে নিয়েছি। আমার কথা হলো, পোস্টে যদি মন্তব্যের জবাব দেওয়ার ইচ্ছা নাই থাকে তাহলে পোস্ট করেন কেন?

এবার আপনার পোস্ট সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বলিঃ-
কোন মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেমন অকুস্থলের কেউই সন্দেহের উর্ধে থাকে না, ঠিক তেমনি ভাবে প্রমাণ ছাড়া কাউকে অযথা সন্দেহ করাও ঠিক না। বর্তমান সময়ে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে কাজ চলছে। কাঁটা তারের বেড়া সরিয়ে সেখানে পাঁচিল উঠানোর কাজ চলছে। তাছাড়া ক্যান্টনমেন্টের মধ্য দিয়ে চলে গেছে ঢাকা টু কুমিল্লা মহা সড়ক। সুতরাং সেখানে বেসামরিক কেউ হুট করে ঢুকতে পারবে না এই ধারনাটা সম্পূর্ণ অবান্তর। এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের অন্য ক্যান্টনমেন্ট গুলোর মত কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট অতটা নিরাপদ নয়। অর্থাৎ সেখানে বেসামরিক মানুষ হুট করে ঢুকে পড়াটা আশ্চর্যের কিছু নয়। তবে হ্যাঁ, যেহেতু ক্যান্টনমেন্ট এরিয়া একটা সেভ জায়গা সেহেতু সেখানে এমন একটা ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটাটা সত্যিই দুঃখজনক!

কিন্তু তার মানে কিন্তু এটা প্রমাণ হয় না যে, কাজটা সেনাবাহিনীর কেউ করেছে! আবার তাদেরকে একেবারে নির্দোষও বলা যায় না। তবে যেহেতু উক্ত ঘটনার তদন্ত চলছে, সেহেতু খুব শীঘ্রোই তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আমরা আপামর জনতা একটা ভাল কিছু আশা করছি!

পোস্টের জন্য আবারও ধন্যবাদ! শুভ কামনা রইলো!

৩০ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ১:৪৭

ক্ষতিগ্রস্থ বলেছেন: আসলে প্রত্যুত্তর দেয়াটা ব্লগীয় রীতির অংশ। অনেকে পোস্ট বাড়ানোর জন্য স্রেফ কপিপেস্ট-নির্ভর পোস্ট দেয়, বক্তব্যটা নিজে নয় বলেই মন্তব্যে উত্তর দেয়া তার কাছে প্রাসঙ্গিক থাকে না। যারা নিজস্ব মতামত দ্বারা চালিত হয়ে পোস্ট দেয়, তাদের পক্ষে মন্তব্যের উত্তর না দেয়ার সঙ্গত কারণ থাকতে পারে না।

ঘটনায় দায়ী সেনাবাহিনীর কেউ না হলে আমি আনন্দিত হব। কিন্তু হলে তার সঠিক বিচার করা হবে - এই দাবি আমারও।

ভাল থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.