| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আজ এই রাত্রে কানে হেডফোন গুজিয়ে মেটাল ব্যান্ডের গান শুনতে শুনতে হারিয়ে গেলাম সেই ইস্কুল জীবনে। খুব মনে পড়ছে সেটেলমেন্ট ইস্কুলের সেই মূহুর্তগুলো।
ফ্ল্যাশব্যাক ২০১০:
.
প্রথমে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা দিলাম। ভর্তি পরীক্ষার পরের দিন ফলাফল দিলো। আমি ৭৮ নম্বর পেয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলাম। কখনো ভাবিনি ৭৮ নম্বর পেয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবো। কয়েকদিন পর প্রথম ক্লাস হলো। নতুন পরিবেশ,নতুন বিদ্যালয়, ফার্স্ট ডে এট দিস ইস্কুল তেমন ভাল কাটলো না। আস্তে আস্তে দুই-তিনমাস পর ইস্কুলে না গেলে সকালবেলাটা কেমন যেন বোরিং লাগতো। আস্তে আস্তে ৮ম শ্রেণিতে পদার্পণ করলাম। ওই শ্রেণির ক্লাস টিচার ছিলো আনিস স্যার। তিনি খুব মজাদার একটি মানুষ ছিলেন। কয়েকদিন পর তিনি সবার বার্থ সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র খুজলো কারণ জে.এস.সি ক্নকিং এড দা ডোর। তারপর তিনি আমার বার্থ সার্টিফিকেট দেখে টাস্কি খেয়ে বললো। দ্যান আমাকে বললো তোমার গ্রামের বাড়ি তো আমাদের পাশের গ্রামে। তারপর থেকে ওনার প্রতি আমার ভাব জমে গেলো।
এরপর আস্তে আস্তে ১০ম শ্রেণিতে পদার্পণ করলাম। এটি যে ইস্কুল জীবনের শেষ ক্লাস তা মাথায় ছিলো না। এই ক্লাসে আমাদের বাবু লাল নামে একটি স্যার ছিলো। ওনার ক্লাসটা খুব বোরিং লাগতো আমাদের। ওনার ক্লাসে পেদানি সম্ভবত বেশী খেয়েছি আমি।
আস্তে আস্তে ইস্কুল জীবনের শেষ ক্লাস চলে আসলো। আমাদের কিছু বন্ধুগণ ডিম নিয়ে আসলো। দ্যান তারা ডিম মারামারি করলো। খুব মজায় কাটলো সেই দিনটা।
.
.
তারপর আস্তে আস্তে ইস্কুল জীবনের আমাদের শেষ অনুষ্ঠান তথা বিদায় অনুষ্ঠান ঘনিয়ে এল।
অনেক ছবি ক্লিক করলাম স্যার ম্যাডামদের সাথে। সবাইকে সালাম করলাম এবং দোয়া করতে বললাম আমাদের জন্য।
তারপর দেখলাম আমার কিছু বন্ধুগণের চোখে অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। বাট আমার কেন যেন অশ্রু আসলো না।
.
সেই দিন থেকে একটি কথা সম্পর্কে একমত হলাম, সেটা হল জীবনে যতই কলেজ লাইফ,ভার্সিটি লাইফ আসুক ইস্কুল লাইফ কে কেউ টপকাইতে পারবে না।
.
ইস্কুল জীবন অলওয়েজ সেরা!!!!!
©somewhere in net ltd.