| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জীয়ন আমাঞ্জা
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দর্শন হল হিসাব বিজ্ঞানের ডেবিট এবং ক্রেডিট । সবসময় যতখানি ডেবিট, ঠিক ততখানিই ক্রেডিট হয় । পরকালের হিসেব যা-ই হোক, এই ইহকালে আমরা ঠিক যেভাবে শূন্য হাতে পৃথিবীতে এসেছি, সেভাবে শূন্য হাতেই পৃথিবী ছেড়ে যাব । এটাই পৃথিবীর আবর্তনিক নিয়ম । অনেকে আমরা এটা বুঝতে ব্যর্থ হই ।আপনি কারো ক্ষতি করবেন তো আজ অথবা কাল আপনার ক্ষতি হবেই হবে । ভালো করলেও তার ফল আপনি জীবদ্দশাতেই পাবেন ।অনেকে দেখবেন রাস্তাঘাটে অযথা হোঁচট খায়, অসুখে ভোগে- এসব এমনি এমনি নয়, হয় এর অতীত, নয়তো ভবিষ্যৎ প্রসারী কোন কারণ আছে । যদি আপনি কারো ক্ষতি না করেন, তবে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, আপনার কোন ক্ষতি হবে না । কেউ চেষ্টা করলেও আপনার ক্ষতি করতে পারবে না ।শুদ্ধ থাকুন, শুদ্ধতার শুভ্রতাকে উপভোগ করুন । জীবন সুন্দর হবে ।আমি সবার মতের প্রতিই শ্রদ্ধাশীল।আশা করি আপনিও তাই।সৌজন্যবোধ ও মানবতার জয় হোক !
আমি খুবই সাধারণ একজন নাগরিক, আমি কেমন বাংলাদেশ চাই এ নিয়ে আমি মাইকিং করলেও মনে হয় না কেউ শুনবে, তবে আমি এ নিয়ে চব্বিশের ৫ই আগস্টের পরপরই নতুন বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন আসবে এবং আমি কী ভাবি তা সরকারের কাছে গুরুত্ব রাখে এই অলীক চিন্তা থেকে অনলাইনে প্রচারের চেষ্টা করেছিলাম, আমার ফ্রেন্ড ফলোয়ারদের কাছেই সারা পাইনি। সরকার যন্ত্রের চোখে পড়া তো আরো পরের কথা! যাহোক, আজ খেয়াল করলাম, আমার কথাগুলো আমি এখানেই শেয়ার করতে ভুলে গেছি। আপনার মূল্যবান সময় থেকে সর্বোচ্চ তিন মিনিট সময় ব্যয় করে আমার নিচের দাবিগুলো পড়বেন, এটা আপনাকে উৎসাহিতও করতে পারে, কিংবা আপনার মাধ্যমে জনমত গঠনে কিছু পয়েন্ট যোগও করতে পারে—
"কেমন সরকার চাই?
যে যায় লঙ্কায়, সেই হয় রাবণ
ক্ষমতায় যেই বসে সেই করে শোষণ!
ক্ষমতায় এখন যে ভালোমানুষটি বসবেন তিনিও যে আবার শোষক হয়ে উঠবেন না, তার তো নিশচয়তা নেই৷
তাহলে প্রতিকার কী?
প্রতিকার হল, সংবিধানে এমন কিছু পরিবর্তন আনতে হবে যাতে জনতার অধিকার অগ্রাধিকার পায়! সরকার যেই আসুক, দেশ চলবে সংবিধান অনুযায়ী! এমন একটা সিস্টেম তৈরি করতে হবে যাতে সরকার হিসেবে যে বা যারাই বসুক, তারা কেবল সংবিধানের SOP (Standard Operating Procedure) মেইনটেইন করতে বাধ্য থাকে এবং সিস্টেমটা এমন হোক যে, সেটা পালন করলেই দেশ ও জনগণের আলটিমেটলি কল্যাণ হতে বাধ্য!
সংবিধান বিরাট বিষয়, এক বসায় এক আলাপে আমি একাই তার কোন পরির্বতনের বিষয়ে কথা বলার ধৃষ্টতা রাখি না৷ এরজন্য আরো পরিপক্ব গবেষক ও বিজ্ঞজনেরা আছেন৷ তবে কী রকম নিয়ম প্রবর্তিত হোক চাই তা এখানে বলছি—
১. ক্ষমতাসীন দলকে তার প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহিতা করতে হবে। প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর একটি জবাবদিহিতার সেশন হতে হবে যেখানে বিরোধী দল সরকারের তিন মাসের কর্মকাণ্ডের কোথাও কোন আপত্তি থাকলে তা নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে! পরপর তিন সেশনে যে সাংসদ বা মন্ত্রী তাঁর কর্মকাণ্ডের সঠিক জবাব দিতে পারবেন না, তাঁকে ক্ষমতা ত্যাগ করতে হবে। কোন অযোগ্য ব্যক্তির হাতে সে অযোগ্য জানার পরও পাঁচ বছর দায়িত্ব দেবার দরকার নেই। পাশাপাশি ক্ষমতার অপব্যবহারকে চরম অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে শাস্তির বিধান করতে হবে।
২. এলাকার মেম্বার হতে সাংসদ, যে-ই নির্বাচনের মনোনয়ন চাইবেন, তাঁদের সম্পদের প্রমাণসমেত হিসাব দেখাতে হবে, সেখানে তাঁদের প্রতি মাসের আয় উল্লেখ থাকবে, ব্যয়ও উল্লেখ থাকবে, এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ব্যক্তিকে এবং সরকারী চাকুরীজীবীকে প্রতি মাসেই তার আয় এবং ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে! এই হিসাবে ও সম্পত্তিতে যারই অযৌক্তিক আয়, অযৌক্তিক সম্পদবৃদ্ধি বা দুর্নীতি পাওয়া যাবে, তার সম্পত্তি ক্রোক করা হবে এবং তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে হবে।
এমন দুর্নীতিই তো রাষ্ট্রদোহিতা, রাষ্ট্রের সঙ্গে বেইমানী! শাস্তিও সেইরূপ কঠোর হতে হবে।
এক্ষেত্রে আরো একটি অত্যন্ত জরুরি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, একজন সরকারি কর্মকর্তা হতে হলে বিভিন্ন পরীক্ষা দিয়ে তারপর পদ পেতে হয়। অথচ সেই সরকারি কর্মকর্তাদের যাঁরা চালাবেন, সেইসব জননেতার কোন যোগ্যতার পরিচয় তো নেওয়া হয়ই না, প্রায় ক্ষেত্রেই দেখা যায় অশিক্ষিত অজ্ঞ ব্যক্তি নির্বাচিত হয়ে ছড়ি ঘোরান, এরচেয়ে বড় প্রবঞ্চনা রাষ্ট্রের সাথে আর কী হতে পারে!
আমি চাই, একজন ওয়ার্ড মেম্বারকেও মনোনয়ন পেতে হলে ন্যুনতম আইন, সংবিধান, সুশাসন ও ন্যায় বিচারের ওপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে টিকে আসতে হবে। একজন লোক অশিক্ষিত হয়েও জনসেবা করতেই পারেন নির্বাচিত হয়ে, তাঁকে নিরুৎসাহিত করছি না, কিন্তু তিনি দায়িত্বে আসার আগে একটু লেখাপড়া করে শিখে আসলে সেটা লাভ ছাড়া ক্ষতি হবে না। অশিক্ষিত প্রার্থী লিখতে না পারলে মৌখিক পরীক্ষা দেবে।
৩. রাষ্ট্রের আয় এবং ব্যয়ের সঠিক হিসাব জনগণের সামনে নিয়মিত থাকতে হবে, বাজেট ভিন্ন বিষয়, আমি বলতে চাইছি, জনতা চায় দ্রব্যমূল্য কমানো হোক, আপনি তা না শুনে বানাবেন হাজার কোটি টাকা খরচ করে বঙ্গবন্ধু টানেল, যেটা কোন কাজে তো লাগছেই না বরং প্রতি মাসে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ যোগাতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে! এমন উদ্ভট প্রোজেক্ট চাই না, জনগণ কী চায় সেটার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করাটাই স্বৈরাচারিতা! বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় সরকার কী করছে জনগণ জানেই না, আবার জনগণ কী চায় সরকার শোনেই না! তো এমন ব্যয়বহুল কোন একটা প্রোজেক্ট হাতে নেবার আগে জনমত চাইতে হবে। দুই দিনের জন্য পোল খোলা হবে যেখানে প্রোজেক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া থাকবে, নাগরিকগণ তাঁদের এনআইডি নম্বর দিয়ে প্রোজেক্টের পক্ষে অথবা বিপক্ষে ভোট করবেন। চাইলে কেউ মন্তব্যও করতে পারবেন যে এটার বদলে অন্য কোন প্রোজেক্টটা হাতে নেওয়া জরুরি, এবং কেন জরুরি। এরকম জনমতের ব্যাপার থাকলে সরকারের সঙ্গে জনতার সংযোগ তৈরি হবে, ভুল বোঝাবুঝির সুযোগ কমবে, রাষ্ট্র এগুবে।
৪. রাষ্ট্রের টাকা সরকার কোথায় কীভাবে খরচ করছে সেই হিসাবের স্বচ্ছতা থাকতে হবে। ধরা যাক একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে, নির্মাণকালীন সময়ে একটি সাইনবোর্ড বসাতে হবে, সাইনবোর্ডে সেই সেতুর দৈর্ঘ্য, ব্যবহৃত কাচামালের পরিমাণ ও তার মূল্য এবং মজুরি ও অন্যান্য খরচসহ পুরো প্রোজেক্টের ব্যয় তারিখসহ উল্লেখ করতে হবে যাতে যেকেউ চাইলে ওই প্রোজেক্টের ব্যয়ে কোন অসঙ্গতি আছে কি না যাচাই করতে পারে, এবং অসঙ্গতি থাকলে ওই ঠিকাদার বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারে।
যে ঠিকাদার কোনো প্রোজেক্ট সম্পন্ন করবে, তাকে ওই স্থাপনার মিনিমাম গ্যারান্টি দিতে হবে যে এত বছর টিকবে! বিষয়টা জটিল না, যেমন- রাস্তা, সয়েল টেস্ট করার পর অন্তত এক বছর না দশ বছর রাস্তাটা টিকবে— এই ফোরকাস্ট করতে পারাটা অবাস্তব বা অসম্ভব কিছু না। গ্যারান্টি পিরিয়ডের আগে কোন ক্ষতি হলে ওই প্রতিষ্ঠানকে নিজ খরচে এসে ঠিক করে দিতে হবে। এমনিতেই সরকারী প্রতিটি কাজের বেলায় এক টাকার জায়গায় একশো টাকা লাগে, অতএব, একশো টাকাই লাগুক, সঠিক ম্যাটেরিয়াল দিয়েই অবকাঠামোর সংস্কার বা স্থাপন হোক, শুধু বারবার একই ফাঁকিবাজি করে টাকা নষ্ট না হোক।
৫. সব সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে কোন সেবার ফি কত, তার তালিকা উল্লেখ থাকতে হবে। কেউ ঘুষ চাইলে এবং ঘুষ দেবার চেষ্টা করলে দুজনকেই তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করার বিধান করতে হবে। সরকারি কোন কর্মকর্তা সেবাগ্রহীতাকে হয়রানি করলে সেবাগ্রহীতা এটার প্রতিকার ও সঠিক ব্যাখ্যা চেয়ে অনলাইনে সর্বজন প্রকাশ্য অভিযোগ উপস্থাপন করতে পারবেন এবং ওই কর্মকর্তাকে পরবর্তী এক কার্যদিবসের মধ্যে সঠিক, যৌক্তিক ও গ্রহণযোগ্য ব্যাখা প্রদান করতে হবে, অন্যথায় শাস্তির ব্যবস্থা থাকবে।
৬. আইনের শাসন স্বচ্ছ হতে হবে, যে সমস্ত মৃত আইন যার কোন প্রয়োগ নেই, কেবল অন্যান্য আইনকে বাঁধাগ্রস্ত করে সেগুলোর সংস্কার করতে হবে।
ক) আইনের স্বচ্ছতা বলতে, ধারা ৫৪'র যত্রতত্র ব্যবহার রোধ করতে হবে। কাউকে সন্দেহজনকভাবে তুলে নিতে হলে ওই ব্যক্তির দুইজন পরিচিত বা আত্মীয়র উপস্থিতিতে অথবা তাদের মোবাইলে অবগত করে তারপর নিতে হবে।
খ) কাউকে তল্লাশির নামে পকেটে ইচ্ছাকৃতভাবে অবৈধ জিনিস ঢুকিয়ে দিয়ে আইনের অপব্যবহার সম্পর্কে কঠোর বিধান থাকতে হবে। কাউকে তল্লাশি করতে হলে একজনকে অবশ্যই ভিডিও ধারন করতে হবে, যেখানে যিনি তল্লাশি করবেন, তার হাত ভালো করে প্রথমে দেখিয়ে নিয়ে তারপর সন্দেহভাজনকে তল্লাশি করতে হবে। এবং তল্লাশি শেষে কিছু পাওয়া না গেলে সম্মানসূচক অভিবাদন করতে হবে।
গ) এফআইআর সঠিকভাবে লিখতে হবে। ফরিয়াদি ঠিক কী বলছেন, তার অডিও বা ভিডিও রেকর্ড করে তারপর এফআইআর লিখতে হবে।
ঘ) মামলা বিচারের সময় একজন ফরিয়াদি তার অভিযোগ মেজিস্ট্রেটকে নিজে বুঝিয়ে বলবেন, আমার কী কষ্ট আমার কী সমস্যা তা আমার চেয়ে আমার উকিল ভালো জানে এই পদ্ধতি আমি সমর্থন করি না। আসামিকেও তার আত্মপক্ষ সমর্থনে যৌক্তিকতা উপস্থাপন করতে বলতে দিতে হবে। দুই পক্ষের উকিল শুধু সমন্বয়কের কাজ করবেন।
আইনের প্রসঙ্গে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, যার হাতে আইনের এ্যাক্সেস আছে (যেমন- আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ক্ষেত্রবিশেষে উকিলগণ), তারা আইনের অপপ্রয়োগ করলে তাদের শাস্তি সাধারণের শাস্তি থেকে কঠোরতর হতে হবে। সাধারণ মানুষের শাস্তির তুলনায় এদের শাস্তি পাঁচগুণ বেশি হতে হবে যাতে এই কঠোরতার কারণে আইনের অপব্যবহার বন্ধ হয়।
৭. বাংলাদেশে আন্দোলনের একটা সংস্কৃতি ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে, অধিকাংশই অযৌক্তিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হলেও যৌক্তিক আন্দোলনও অবশ্যই আছে। এই আন্দোলন দরকার হবে না যদি সব অভিযোগের ক্ষেত্রেই একটি গণস্বাক্ষর সমেত অভিযোগপত্র দাখিলের ব্যবস্থা রাখা হয়। নিয়ম হতে হবে অভিযোগ পত্র দাখিলের এক সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে তার রেসপন্স জানাতে হবে এবং সমস্যা ও সমাধান ব্যাখ্যা করে প্রয়োজনীয় সময় চেয়ে নিতে হবে। কেইস ফাইলের মতন প্রতিটি দাপ্তরিক অভিযোগেরও সমাধান ও অগ্রগতি নিয়ে একটি ট্র্যাকিং সিস্টেম রাখতে হবে।
এরপরও কোন আন্দোলন এসে জমায়েত হলে সেটাকে বাড়তে না দিয়ে, পুলিশ দিয়ে না পিটিয়ে অতিসত্বর একজন কর্মকর্তাকে অকুস্থলে পাঠাতে হবে, তিনি সব অভিযোগের লিখিত আনবেন, এবং সম্ভাব্য তারিখ দিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসবেন সমাধানের। বিষয়টি কোনভাবেই মিথ্যে আশ্বাস বা প্রবঞ্চনার হতে পারবে না। কোনো আন্দোলনকেই আধাঘন্টার বেশি সময় দেওয়া যাবে না, এরমধ্যেই রেসপন্ড করতে হবে।"
উপসংহারে বলি, ক্ষমতায় আমি একজন নির্লোভ মানুষকে চাই, একজন দূরদর্শী সক্ষম শাসক চাই! আমাদের সমস্যা অনেক, কিন্তু সমাধান মোটেও কঠিন কিছু না, শুধু একটু সদিচ্ছা আর নিরেট স্বচ্ছতা থাকলেই সম্ভব। আর নাগরিক হিসেবে আপনার আমার দায়িত্ব হল সৎ থাকা, অসৎ পথে সুবিধা আদায়ের চেষ্টায় লিপ্ত না হওয়া। আপনি যতক্ষণ নিজে না সৎ হবেন, নিজে না আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন, ততক্ষণ এসব লেকচার এসব পরিকল্পনা কিছুই কোন মানে রাখবে না।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৫৯
জীয়ন আমাঞ্জা বলেছেন: গোটা বিড়ালটাই ঘণ্টা হয়ে যাবে আমরা এমনটাই স্বপ্ন দেখছিলাম। কিন্তু আমি মিনমিন করে এই বক্তৃতা দিলাম, আপনি গুনগুন করে একই বক্তৃতা দিলেন, আরেকজন হেঁড়ে গলায় এই বক্তৃতাটাই আউড়ালো এরকম সবাই একটু একটু করে দাবী তুললে রাষ্ট্র নিজেই ঘণ্টা নিয়ে এগিয়ে আসত। সমস্যা হল, আমরা ওই কে ঘণ্টা নিয়ে এগিয়ে আসবে ঘণ্টা দিতে সেই আশায় সবাই বসে থাকছি!
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৪৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আইনের শাসন স্বচ্ছ হতে হবে,
......................................................
আমরা সবাই বক্তৃতায় এমন বলেই থাকি,
কিন্ত বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধঁবে কে ???