| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জীয়ন আমাঞ্জা
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দর্শন হল হিসাব বিজ্ঞানের ডেবিট এবং ক্রেডিট । সবসময় যতখানি ডেবিট, ঠিক ততখানিই ক্রেডিট হয় । পরকালের হিসেব যা-ই হোক, এই ইহকালে আমরা ঠিক যেভাবে শূন্য হাতে পৃথিবীতে এসেছি, সেভাবে শূন্য হাতেই পৃথিবী ছেড়ে যাব । এটাই পৃথিবীর আবর্তনিক নিয়ম । অনেকে আমরা এটা বুঝতে ব্যর্থ হই ।আপনি কারো ক্ষতি করবেন তো আজ অথবা কাল আপনার ক্ষতি হবেই হবে । ভালো করলেও তার ফল আপনি জীবদ্দশাতেই পাবেন ।অনেকে দেখবেন রাস্তাঘাটে অযথা হোঁচট খায়, অসুখে ভোগে- এসব এমনি এমনি নয়, হয় এর অতীত, নয়তো ভবিষ্যৎ প্রসারী কোন কারণ আছে । যদি আপনি কারো ক্ষতি না করেন, তবে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, আপনার কোন ক্ষতি হবে না । কেউ চেষ্টা করলেও আপনার ক্ষতি করতে পারবে না ।শুদ্ধ থাকুন, শুদ্ধতার শুভ্রতাকে উপভোগ করুন । জীবন সুন্দর হবে ।আমি সবার মতের প্রতিই শ্রদ্ধাশীল।আশা করি আপনিও তাই।সৌজন্যবোধ ও মানবতার জয় হোক !
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
এটা অবধারিত একটি ভবিতব্য যে, আর দুইটি দিন পরেই আপনি এদেশের কর্ণধার হতে যাচ্ছেন! জনতার ভোটেই হতে যাচ্ছেন, এবং আপনি তো জানেনই যে আপনার দল চাঁদার পরিমাণ দশ গুণ বাড়িয়ে নিলেও এদেশের মানুষ আওয়ামিলীগ বিমুখ হবার কারণে আপনাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে। এটা মূলত আপনার কোন অর্জন নয়, এদেশের মানুষ ফুটবলের মতন এই গোলপোস্ট থেকে লাথি খেয়ে ওই গোলপোস্টে যাবেই, সেভাবেই জনতা এখন আপনার কোটে গেছে! যা-ই হোক, আশা নিয়েই গেছে, প্রত্যাশা নিয়েই গেছে। নির্মোহ নির্লোভ দূরদর্শী নেতা জিয়াউর রহমান যে বিএনপি গড়েছিলেন, তা এখন আর আপনি ধরে রাখতে পারেননি, সে সমালোচনায় গিয়ে আর কাজও নেই, দেশের কল্যাণ চেয়ে, সেইসঙ্গে বিএনপিরও কল্যাণ চেয়ে ফেইসবুকীয় বটতলায় বসে দেশের আঠারো কোটি মানুষের পক্ষ হতে একটা প্রস্তাব রাখতে চাই, আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের একটি নাগরিকও দ্বিমত করবে না আমার এই প্রস্তাবের সঙ্গে।
প্রস্তাবটি হল, আপনি যে ফ্যামিলি কার্ডের প্রস্তাব করেছিলেন, সেটার আমাদের দরকার নেই, বরং সারাদেশ থেকে আমরা সবাই মাথাপিছু ৫০ টাকা করে দেব, এতে হবে ৯০০ কোটি! আচ্ছা, এটা কম হয়ে যায়, আমরা পরপর তিন মাস ৫০ টাকা করে রাষ্ট্রকে নয়, বিএনপিকে দেব। তাতে হবে মোট ২৭০০ কোটি!
মাননীয় কর্ণধার, আমার মনে হয় এই ২৭০০ কোটি দিয়ে সারা দেশের ৪৫৭৮টি ইউনিয়নে অন্তত তিনটি করে মাঝারি মানের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করা সম্ভব। এতে করে আমার বিশ্বাস, বিএনপির হয়ে যেসব বেকার যুবকেরা চাঁদাবাজি করে জীবিকা নির্বাহ করত, তাদের কর্মসংস্থান হয়ে যাবে। তিন মাস পঞ্চাশ করে দেবার পরও না হলে ছয় মাস নেন, তবুও আমরা ছয় মাস দেবার পর অন্তত নিজেদের কাছে নিজেরা স্বস্তি নিয়ে যেন বলতে পারি, আর তাহলে চাঁদা দিতে হবে না!
আপনাদের বিরেধী দল জামায়াত, কখনও ক্ষমতায় যেতে না পারলেও তাদের পলিসির কারণে তারা সবসময়ই প্রতিষ্ঠিত ও সচ্ছল একটি জনগোষ্ঠী হিসেবে বেড়ে উঠেছে উত্তরোত্তর! আওয়ামীলীগও তাদের নেতাখাতাদের অন্তত ব্যসায়ের নামে উপার্জনের সুযোগ করে দিয়েছিল!এদিকে বিএনপির পাতি ছাতি অতি তাঁতী— যত নেতাই আছে সবাই শুধু যার কাছ থেকে পেরেছে কেড়ে নিয়ে খেয়েছে! কেননা তাদের কোন পেশা ছিল না! এবার আমরা যেহেতু আপনাকে ক্ষমতায় এনেছিই, আপনি আমাদের এটুকু উপকার অন্তত করেন। আমাদেরকে আপনার খাওয়াতে হবে না, আমরা শুধু শান্তিতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড করে নিজের ঘর সংসার নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই।
এটুকু পেলেই আমরা সন্তুষ্ট, আপনি আপনার যা যা প্ল্যান নিয়ে এসেছেন, সকল প্ল্যান সফল হোক, আমরা শুধু এই চাঁদার হাত থেকে রেহাই পেলেই কৃতজ্ঞ থাকব।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ!
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ জিন্দাবাদ।
২|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: চাঁদাবাজি থেকে মববাজি আর উগ্রবাদী কার্যক্রন বেশি ভয়ংকর৷
৩|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫১
নিমো বলেছেন: তা ভাইজান, জা-শি নিয়া দেখি, কোন উচ্চবাচ্য নাই।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৭
জীয়ন আমাঞ্জা বলেছেন: অবশ্যই, বিএনপি নিয়ে কেন বলবেন! জাশি নিয়ে বলেন! আবার জাশি নিয়ে কেন বলছেন, বিএনপিরে দেখেন না??
এই টাইপ বয়ান আর কত ভাই?
বিএনপির দোষ ঢাকতে আপনি জাশি বা আওয়ামীলীগের দোষ টেনে আনেন, এতে করে দলের উপকার করছেন?? মোটেই না, আপনি দলকে পরোক্ষভাবেই অপরাধ করতে উৎসাহ দিচ্ছেন। আপনার কারণেই এরা জানে যে যতই অপরাধ করি না কেন আমাদের আবেগী অন্ধভক্তরা ভোট তো আমাদের দেবেই!
এনিওয়ে, আপনার আবেগীয় প্রশ্নের লজিক্যাল উত্তর হচ্ছে, জাশি ক্ষমতায় আসার মত দল এখনও হয়ে ওঠেনি। বিএনপি ক্ষমতায় যাবে, সো আমার এক্সপেকটেশান, অভিযোগ সব বিএনপিকে ঘিরেই থাকবে। জামায়াত যদি ক্ষমতায় আসে তখন দেখা যাবে। এখনও জামায়াতকে গোণায় ধরার যোগ্য মনে করছি না।
৪|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬
রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর চিন্তা করেছেন। এটা করা গেলে ভালো হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৫৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: চাঁদার হাত থেকে রেহাই পেলেই কৃতজ্ঞ থাকব।
........................................................................
অনেকেই বলতে শুরু করেছে ,
জামাতের মাঝে নীরব চাঁদাবাজি আছে ।
প্রমান করা সহজ নয় বলে , অনেকে চুপ করে আছে ।