![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলাদেশে আমার যুগের সূচনা হয়েছিল। কিন্তু আমার মনে হয় এটা স্পেনে শেষ হবে। দর্শনশাস্ত্র আমার সকল আগ্রহ কেড়ে নিচ্ছে। আমার চিন্তা করতে ভালো লাগে, লিখতে ভালো লাগে, ভালবাসতে ভালো লাগে। আমি টাকা, খ্যাতি আর বেহেশতের পিছে ছুটছি। মুভি দেখে ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাতে ভালোবাসি। এবং শেষে বলতে চাই, আমি একজন সৃজনশীল প্রতিভার মতো চিন্তা করি।
"""২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে "স্মাইল প্রোজেক্ট" নামে একটি দানশীল সংস্থার অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি লিখিত বক্তব্য হুবহু তুলে দেয়া হলো """
আসসালামু-আলাইকুম-আসসালাম। আমি মাকনুন হক, স্মাইল প্রোজেক্টের একজন গর্ভিত সদস্য। জানি না আমি কি পরিমান সুখী অনুভব করতাম যদি আমার কথাগুলো অন্যের মুখে না শুনে আমার মুখে শুনতে পেতেন। আমি জানি না কে বা কারা আমার কথাগুলো শুনছেন, কিন্তু আমি নিশ্চিত আল্লাহ্ আপনাদের এখানে কল্যাণের জন্যই এনেছেন। যারা এখানে বসে আছেন, ভালো কিছু করার জন্য আলোচনা করছেন, অঙ্গীকারবদ্ধ হচ্ছেন, আপাত দৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে তারা শুধু এখানে কিছু দিতেই এসেছেন, কিছু পাওয়ার সম্ভবনা এখানে নেই। নাহ, ধারনাটি সত্য নয়। আমরা সবসময় খরচ বা ব্যয় করি সুখের জন্য, শান্তির জন্য, আনন্দের জন্য। স্মাইল প্রোজেক্ট থেকে আমরা সেগুলোই নিতে এসেছি। একবার আমার এক বন্ধু আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলো, কি করে সুখে থাকা যায়, কি করে শান্তিতে থাকা যায়, কিভাবে নিরাপদ থাকা যায়, কিভাবে হাসিখুশি থাকা যায়। আমি বলেছিলাম, যদি তুমি সুখে থাকতে চাও তাহলে মানুষকে সুখে রেখো, যদি তুমি শান্তিতে থাকতে চাও তাহলে মানুষকে শান্তিতে রেখো, যদি তুমি তোমার জীবনের নিরাপত্তা চাও তাহলে মানুষের জীবনকে নিরাপদ করো, নিজে হাসিখুশি থাকতে চাইলে অন্যের মুখে হাসি ফোঁটাও। এটিই জীবন। অনেক বস্তু কিনে পাওয়া যায় না দিয়ে পাওয়া যায়। একটা ছোট্ট উদাহরন দিই আপনাদের। ধরুন, কক্সবাজার বা ফ্যান্টাসি কিংডম বা সিলেটে ঘুরতে যাওয়া সবসময়ই আপনার কাছে আনন্দের বা মজার। এবং আপনি সমসময় মজা করেনও। আপনি উপরোক্ত জায়গাগুলোর কোন একটিতে ঘুরতে গেছেন এবং চরম মজা করছেন। এমন সময় হঠাৎ আপনার কাছে একটা কল আসলো যে আপনার কোন এক কাছের বন্ধু বা কোন এক কাছের মানুষ মারা গেছে। যেমন হাসছিলেন বা মজা করছিলেন, করতে পারবেন তেমন মজা? কিসে আপনাকে বাঁধা দিবে তখন মজা করায় বা হাসায়! যদিও পূর্বের মতোই কক্সবাজারের সমুদ্র ঢেউ খেলছে, ফ্যান্টাসি কিংডমের রোলার-কোস্টারগুলো পূর্বের মতোই উচ্চ গতিতে চলছে, সিলেটের মনোরম ঝর্নাগুলো থেকে পূর্বের মতোই পানি পড়ছে। তাহলে কিসে বাঁধা আনন্দ করতে? হ্যাঁ, এই কারনেই যে আপনি কারো কান্নার উপর, দুঃখের উপর দাড়িয়ে সুখে থাকতে পারেন না, আনন্দ করতে পারেন না বা হাঁসতে পারেন না। এমনিভাবে আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকে খুদার্থ রেখে খাদ্য খেয়ে খুদা মিটাতে পারবেন কিন্তু তৃপ্তি মিটাতে পারবেন না। খুদা আপেক্ষিক বস্তু। এখন আছেতো তখন নাই। কিন্তু তৃপ্তিই মূল বস্তু। খাদ্য গ্রহনে খুদা মেটে আর খাদ্য দানে তৃপ্তি মেটে।
আর আমি এবং আমরা স্মাইল প্রোজেক্টের উদ্যোগ নিয়েছি এই কারনেই। তৃপ্তি মিটানোর জন্য। অনেকেই বলেন, এতো তাড়াতাড়ি এইগুলো করার কি আছে, আমাদের যখন অনেক টাকা-পয়সা হবে তখন আমরা এটা করবো ওটা করবো। আমি বলি, হ্যাঁ, এতো তাড়াতাড়ি এইগুলো করার কিছু নাই। আমি বড় হইতে হইতে খুদার জ্বালায় যারা মরে যারা থাকে আমি তাদেরকেই সাহায্য করবো। আমার টাকাপয়সা হওয়া পর্যন্ত ক্ষুদার্থ মরতে থাকুক, এতিমরা রাস্তায় থাকুক, ভাঙা মসজিদগুলো ভাঙাই পড়ে থাক। নাহ, এটা বাস্তবতা এবং ধর্মের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। ধরেই নিলাম আপনি জীবনে অনেক অর্থ আয় করতে পারবেন তাই বলে কি ততোদিন অসহায়রা আপনার দিকে চেয়ে বসে থাকবে? আর কে আপনাকে নিশ্চয়তা দিবে সেগুলো দান করা বা খরচ করার। আপনাকে হজ্ব করতে হবে তখনই যখন আপনার সমর্থন হবে। বৃদ্ধ বয়সের জন্য বা অমুক সময়ের জন্য বসে থাকা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। কারন প্রত্যেকটা হজ্বই হতে পারে আপনার জন্য শেষ সুযোগ। যেখানে একটা সেকেন্ডের জন্য জীবনের নিশ্চয়তা নাই সেখানে কিভাবে আপনি বছর বছরের নিশ্চয়তা দেন। ভালো কাজ করতে হয় খুব তাড়াতাড়ি এবং চিন্তাভাবনা ছাড়াই আর খারাপ কাজ করার আগে হাজারবার চিন্তা করতে হয়। তেমনিভাবে, আপনার যদি সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ বা এর সমপরিমান অর্থ থাকে তাহলে আপনাকে তখনই যাকাত দিতে হবে। দশ ভরি বা আরো কিছু টাকা হলে সব একসাথে দিবো এই নিয়ম ধর্মে নেই। তাই আমরাও এই নিয়মের পক্ষে না। ছোট হউক কিংবা বড় হউক দান করতে হবে সাথে সাথে।
আমরা সকলে এখন অনলাইনে কাজ করতে বেশি আগ্রহী। কিন্তু সত্য কথা হলো, পৃথিবী পরিবর্তনে অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও কাজ করতে হবে। ঘরে বসে বসে স্ট্যাটাস দিয়ে বা বলে-কয়ে মানুষকে সচেতন করা যায় কিন্তু মানুষের জন্য কাজ করতে হয় অফলাইনেই, ঘর থেকে বের হয়ে। ভালো বা খারাপ কোন কিছু করার প্রথমেই টাকা লাগে না। লাগে ইচ্ছা। ইচ্ছাপোষণ ছাড়া কোন কাজ সম্ভব নয় হউক সেটা ভালো কিংবা মন্দ। যেমনটি আমাদের নামাযের ক্ষেত্রেও। নামায পড়ার পূর্বে আমরা নামায পড়ার জন্য ইচ্ছাপোষণ করি যাকে নিয়ত বলে। এটিই জরুরি। এজন্যইতো ইসলাম ধর্মে আছে, কোন ভালো কিছু করার ইচ্ছাপোষণ করলেই তার পুণ্য লেখা হয়ে যায়। কিন্তু হায়!!! আজ এই ইচ্ছাপোষণ কারিদেরই বড় অভাব। আজকাল কাউকে নামাযের জন্য মসজিদে যেতে বললেই অতি চিরাচরিত একটা বানি, "শরীর বা কাপড় পরিষ্কার নেই"। নামায পড়ার মতো যে ছেলে শরীর বা কাপড় পরিস্কার রাখতে পারেনা সে ছেলে কিভাবে সমাজের আবর্জনা পরিষ্কার করবে। তাই আমাদের সবসময়ই প্রস্তুত থাকতে হবে ভালো কিছু করার।
অনেকে স্কুল/কলেজ বা পড়ালেখার দোহাই দিয়ে এইকাজগুলো থেকে দূরে থাকতে চায়। যে শিক্ষা আপনাকে ভালো কাজ করার থেকে দূরে রাখে, আপনি মনে রাখুন, সেটা শিক্ষা নয়, কুশিক্ষা। এই শিক্ষা হলো নন্দলালের শিক্ষা। আপনাকে ভালো কাজ মুখস্ত করাবে কিন্তু করতে দিবে না। আপনাকে সারাদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিখাবে, অসহায় গরিবদের সাহায্য করো, এবং সে অনুযায়ী কোন একদিন রাস্তার পাশে কোন অসহায়কে সাহায্য করতে গিয়ে স্কুল/কলেজে আসতে দেরি হয় তাহলে সেটা হবে একটা হাস্যকর কারন এবং আপনাকে এর জন্য হেও হতে হবে। তেমনিভাবে আপনাকে শিখাবে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। তদনুযায়ী যদি আপনি যদি দাঁড়িয়ে গত ভর্তি পরিক্ষার দুর্নীতির কথা বলেন, সময় সাপেক্ষে আপনাকে বহিষ্কৃত হতে হবে নিশ্চিত থাকুন। শিক্ষা হলো যা শিখি এবং বাস্তব জীবনে সেটাকে কাজে লাগানো। দশ বছর বয়সে যে আমি সাঁতার শিখেছিলাম ওইটিই ছিলো আমার শিক্ষা, অই একি সময়ে ইংরেজি কবিতা বা বাংলা কবিতা লিখে যে দশে দশ পেয়েছিলাম সেটা না। কেনো আমি ক্লাস থ্রিতে আমি বইয়ের কি কি পড়ে ৯৫, ১০০ পেয়েছিলাম সব ভুলে গেছি কিন্তু আমার বন্ধুদের ভুলি নাই, তাদের কথাগুলো ভুলি নাই, তাদের সাথে মাঠে খেলার স্মৃতি ভুলি নাই। তারমানে, শিক্ষা ওইটা ছিলো না যেটা লিখে ৯৫, ১০০ পেয়েছিলাম, শিক্ষা ওইটা ছিলো যেটা বন্ধুদের সাথে বলেছিলাম, করেছিলাম। কলেজে পড়া অবস্থায় 'বিলাসী' গল্পটি পড়ে না ভালো লেগেছিল না এর সৌন্দর্য অনুভব করতে পেরেছিলাম। কলেজ থেকে বের হয়ে, পরিক্ষায় ভালো নাম্বারের বা প্রশ্ন মুখস্ত করার চাপমুক্ত হয়ে যখন পড়েছি তখন এর সৌন্দর্য, লেখনী, মাধুর্য আমাকে শুধু আকৃষ্টই করেনি আমার মনে আঁচড় দিয়ে গেছে। শিক্ষার সংজ্ঞা অনেকটা কাজের সংজ্ঞার মতো। আপনারা দশ লক্ষ লোক মিলে সারাজীবন "গ্রেট ওয়াল অব চায়না" কে ধাক্কাতে থাকুন যদিনা সেটাকে সামান্য পরিমাণও নড়াতে পারেন তাহলে সেটা কাজ বলে বিবেচিত হবে না। কিন্তু আমার টেবিল থেকে পড়ে যাওয়া কলমটি যদি আমি নিচ থেকে টেবিলে উঠিয়ে রাখি তাহলে আমারটা কাজ বলে বিবেচিত হবে। আপনি কি করে ভাবছেন যে, যেখানে পৃথিবীর লোক না খেয়ে মরছে সেখানে আপনার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বইয়ের পাতা মুখস্ত করা পৃথিবীর উন্নতির জন্য সহায়ক হবে। এই বলে আমি আপনাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে নিরুৎসাহিত করছি না, আমি আপনাকে বুঝাতে চাচ্ছি কোন কাজটি আপনাকে আগে করতে হবে। মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্যও আছে আবার শিক্ষাও আছে। দুইটিই মানব জীবনের জন্য অতি গুরত্বপুর্ন বস্তু। কিন্তু আপনাকে আগে কোন কাজটি আগে করতে হবে? হ্যাঁ, অবশ্যই খাদ্য। খাদ্যের অভাব পুরন হওয়ার পর শিক্ষা। সমাজে আপনি এমন একজনকেও পাবেন না যে কিনা শুধু নিজের মস্তিষ্কটাকে হার্ড ডিস্ক বানিয়ে সকল বিদ্যা সেখানে জমা করে, সমাজের কোন মঙ্গল না করে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে অথবা বিখ্যাত হয়েছে। কেউই না। বরং পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে বিখ্যাত মানুষগণ কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না গিয়েও, স্বশিক্ষিত হয়ে, সমাজের কল্যাণ করে পৃথিবীতে আজ চির স্মরণীয়। তাই আপনারা দয়া করে সাধারন জীবনের কাজ-কর্মকে সমাজের জন্য ভালো কিছু করার বিপরীতে ইস্যু বানাবেন না। অন্তত শিক্ষাকে। শিক্ষা পবিত্র বস্তু। যার কাজই হলো সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
এখন স্মাইল প্রোজেক্ট সম্পর্কে কিছু বলি। স্মাইল প্রোজেক্ট প্রতিষ্ঠার পিছনে অন্যতম এবং একমাত্র কারন ছিল বিবেকের তাড়না। যেটাকে একটু আগে তৃপ্তি দিয়ে সংজ্ঞায়িত করেছিলাম। যখন বিবেক নাড়া দিবে তখন আর ঘড়ির সময় দেখে কিংবা ক্যালেন্ডারের তারিখ দেখে সময় নষ্ট করার সময় থাকে না। তাই এখুনি শুরু করেছি। এবং যে পরিমাণ সাড়া পেয়েছি তাতে আল্লাহ্র কাছে হাজারো শোকর। যদি এখনি পকেটের উচ্ছিষ্ট টাকা খরচ করার মানসিকতা তৈরি করতে না পারি তাহলে কিভাবে পরে ব্যান্ডেল ব্যান্ডেল খরচ করবো। অতি সামান্য কিছু টাকা দিয়ে এবং অতি বৃহৎ একটা স্বপ্ন নিয়ে স্মাইল প্রোজেক্ট প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। অনেকে আবার "চ্যারিটি প্রতিষ্ঠান" বলতে বুঝেন কিছু টাকা কয়েকটা কলা-রুটি কিনে কিছু গরিব ছেলেপুলেদের খাওয়ানো। নাহ, আমরা এরকম করবো না। যা করবো স্থায়িভাবে করবো। যাতে কোন সমাজকে আমাদের সারাজীবন কলা-রুটি কিনে খাওয়াতে না হয়, তারা তাদের কলা-রুটি কিনে সারাজীবন খেতে পারে। এরকম হাজারো স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি এবং যাত্রার প্রথমেই আপনাদের মতো মানুষদের সহযাত্রী হিসেবে পেয়ে কাজের চাপ অর্ধেক কমে গেছে এবং ইচ্ছাশক্তি দ্বিগুণ হয়ে গেছে। সকলেই আমরা এই এক বিষয়ে একমত যে, সমাজের শান্তির জন্য, উন্নতির জন্য আমাদের সকলকে হাতে হাত রেখে একসাতে কাজ করতে হবে। এবং সেটা এখুনি। কারন, দুর্ঘটনায় পড়ে হাড় ভেঙ্গে গেলে প্রথম কাজ হবে নিজের হাড় সারানো। নিজের হাড় না ঠিক করে "হাড় ভাঙ্গা"র বিদ্যা অর্জন করতে যাওয়া সমীচীন হবে না।
এটা একটি উন্মুক্ত এবং সেচ্ছায় কাজ। আপনি করতে পারেন বা চলে যেতে পারেন। এটা বাধাহীন। যেমনটা বাধাহীন, আপনি কোন ব্যাক্তিকে সম্মান করবেন কি করবেন না, রিকশাওয়ালার সাথে ভালো ব্যাবহার করবেন কি করবেন না। এগুলো হলো আমাদের মনের বা ব্যাক্তিত্বের প্রকাশ যাতে সমাজের কোন বাঁধা নেই। তেমনি এই সমাজের জন্য কাজ করা বা না করাও আমাদের ব্যাক্তিত্বের প্রকাশ। মন চাইলে বা বিবেক তাড়না দিলে কিছু করবো অথবা যেমন চলছে তেমনি করে চালিয়ে যাবো।
এখন কথা হচ্ছে, সাহায্য করার মূল পন্থা অর্থ হলেও আরো বিভিন্নভাবে সাহায্য করা যায়। অর্থ দিলে সাহায্য না করতে পারলে শ্রম দিয়ে সাহায্য করা যায়। শ্রম দিয়ে সাহায্য না করতে পারলে সমর্থন বা বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করা যায়। এটাও না করতে পারলে সৃষ্টিকর্তার কাছে দুয়া করা যায়। আর তাও না করতে পারলে ইহকাল এবং পরকাল দুইটাই বৃথা।
শীগ্রই কথা শেষ করবো। তার আগে একটি কথা বলে নিই। এখানে আমরা যারা আসেছি তারা সবাই সমাজের কল্যাণের জন্য এসেছি। কিন্তু হায়! যার জন্য আমাদের জন্ম তা যদি ঠিক মতো পালন না করি তাহলে নিজেরাইতো অকল্যাণে ধ্বংস হয়ে যাবো। হ্যাঁ, সমাজ, পৃথিবীর কল্যাণের সাথে সাথে নিজের কল্যাণের কথাও ভাবতে হবে। আর তা হলো ধর্মের অনুশাসন মেনে চলা। নিজে নামায না পড়ে কিভাবে অন্যকে নামাজের জন্য বলবো। নিজে ধর্মের নিয়ম-কানুন না মেনে চলে জাহান্নামে চলে যাচ্ছি আর কি করে সমাজের আগুন নিভাবো। তাই সকলের কাছে অনুরোধ নিজে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে এবং জান্নাতের বাসিন্দা হতে ধর্মের অনুশাসন মেনে চলি। না, ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে নয় বরং ধর্মকে ভয় করে, ভালোবেসে।
সকলকে এখানে আসার জন্য এবং এই মুর্খের কথাগুলো শুনার জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহ্ হাফেয।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই এপ্রিল, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:০৫
রাজহংসী বলেছেন: মদীনার ইহুদীদের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মহানুভবতা জানুন