নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ক্যালকুলেটার

গণিতের মাঝে বাঁচতে চাই আজীবন...... আর এজন্য ক্যালকুলেটার কিন্তু অবশ্যই দরকার। না হলে এত হিসাব কি আর মুখে মুখে করা যায়!

ক্যালকুলেটার

আমি বাংলাদেশ এর নাগরিক

ক্যালকুলেটার › বিস্তারিত পোস্টঃ

যুদ্ধপরাধীদের বিচার নাকি মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার???

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:০২

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যুদ্ধাপরাধী হল তারা যারা ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সদস্য হয়ে এদেশের পূণ্যভূমির বুকে অজস্র আঁচড় কেটেছিল। এই হানাদাররা এদেশের সর্বস্ব লুটে নিতে চেয়েছিল। কেড়ে নিতে চেয়েছিল মায়ের আকুলতা, ধানক্ষেতের সোনা রোদ, মাটির সোঁদা ঘ্রাণ, কিশোরের ফড়িং এর মত ডানা। এই শ্রেণীর অপরাধীদের ভাগ্য যুদ্ধের পরপরই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। আর যারা যুদ্ধের সময় সেইসব হানাদারদের সাহায্য ও নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এদেশের মানুষের নাম কলঙ্কিত করতে রাজাকার, আলবদর, আলশামস প্রভৃতি বাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে হায়েনার রূপ ধারণ করেছিল তারাই হল মানবতাবিরোধী অপরাধী।

কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার বঙ্গবন্ধু এদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন। হয়তো এটাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। কিন্তু তার মত মহান মানুষের পক্ষে ক্ষমা করাটাই স্বাভাবিক। কারণ, তিনি আবেগ আর ভালোবাসা দিয়ে সব কিছু চেয়েছিলেন বলেই জনমানুষের নেতা হতে পেরেছিলেন। যাই হোক, এই আবেগের ফলাফল তিনি মেনে নিয়েই এই পৃথিবীকে বিদায় বলেছিলেন।

আজকে যখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার করা হচ্ছে তখন বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধী আর মানবতাবিরোধী অপরাধীদের মোটামুটি একইভাবে উপস্থাপন করতে দেখা যাচ্ছে।

আর সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় তো আমাদের চোখের সামনেই ভাসছে। সমস্ত অপরাধের বিষয় সামনে থাকা স্বত্ত্বেও যখন একজন মানবতাবিরোধী অপরাদধীর বিচার হয়না, তখন সেই সব শহীদ আত্মার প্রতি, বীরাঙ্গনা মায়ের প্রতি আমাদের কি আর করার থাকে?? দেশ কি তবে স্বাধীন হয়েছে এই সব চামারদের বাংলার পবিত্র বুকে পুষে রাখতে?? তবে সবচেয়ে কষ্ট লাগে এতদিন পরে এই বিচার করতে এসে যখন রাজনৈতিকভাবে সবকিছু বিবেচনা করা হয়।

যেইসব বীরাঙ্গনা নারী এই সব কুকুরদের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে তারা কি একদিনের জন্যও শান্তির ঘুম ঘুমাতে পারবে না? তাদের দোষ টা কি? তারা নিজেদের উৎসর্গ করে এদেশে পতাকা উড়িয়েছে?

মহান আদালতের প্রতি অবমাননা করা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।এ কাজ আমি মরে গেলেও করব না, কিম্বা আইন কখনই নিজের হাতে তুলে নিব না। শুধু একটি কথাই বলব স্বাধীন হয়েও আমরা এখনও বিভিন্নভাবে পরাধীন। অন্তত একটিবারের জন্য হলেও নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতা ভোগ করার অবকাশ দিন। তবে হ্যাঁ একটি মানবতাবিরোধী অপরাধীও যেন বাদ না যায়।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:১৮

এ.আর.রায়হান বলেছেন: কথা ঠিক ....... :-|

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.