নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Allah Tumer Bhalobasha Chai...Tumake Jara Bhalobashe Tader Bhalobasha Chai.

আল্লাহ তোমার ভালবাসা চাই, তোমাকে যারা ভালবাসে তাদের ভালবাসা চাই।

Abdullah Arif Muslim

একজন মুসলিম যে আত্মসমর্পন করে আল্লাহর কাছে, হোক সেটা তার ইচ্ছার পক্ষে বা বিপক্ষে।

Abdullah Arif Muslim › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাজহাব মানা ওয়াজিব বা ফরজ।

০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:০৯

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম।

সকল প্রশংসা আল্লাহ তায়ালার যিনি আমাকে এই ব্যাপারে কিছু লেখার তৌফিক দান করেছেন।

সূরা আনআম-১২৫> আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করতে চান, দ্বীনের জন্য তার হৃদয়কে প্রশস্ত করে দেন।



-

-

-

-

-

-

-

উপরের হেডিং এ একটা শব্দ এ্যাড করিনি সেটা হলো, ""বেশ কিছু মানুষ বলে"" মাজহাব মানা ওয়াজিব বা ফরজ। । যাক মূল কথায় যাই।



ভাই আমাদের জ্ঞান খুবই সামান্য। তবে যেটা জানব সেটা যেন ভাল মতো জানি সেটাই উচিত। যেমন আপনি যদি একটা হাদিস জানেন তো সেটা ভালো করে জানা দরকার।



=> প্রথমতঃ- আল্লাহর রাসুল এর সাথে সব সময় সব সাহাবী থাকতেন না। কেউ নবীর থেকে একটা হাদিসের বাণী শুনলে সেটা পৌছে দিতেন অন্যের নিকট। যেমন আবু হুরাইরা রাঃ নবীজি সাঃ এর অনেক বাণী পৌছে দিয়েছেন অন্যান্য সাহাবীদের নিকট। যেমন বিদায় হজ্বের সময় ১ লাখেরও বেশী সাহাবী ভাষন শ্রবণ করেছেন। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে গিয়েছেন।



এখানে মূল পয়েন্ট হলো, নবীর সাহাবারা সবাই সব হাদিস জানতেন না।

=============================================



=> দ্বিতীয়তঃ- আল্লাহর রাসুল মারা যাবার পর খোলাফায়ে রাশেদীন এর যুগে অসংখ্য সাহাবা বিভিন্ন দেশে দেশে চলে গেছেন ইসলামের দাওয়াত নিয়ে। কেউ সিরিয়া, কেউ ইরাক। তখন যেই সংখ্যক সাহাবা জীবিত ছিলেন তাদের থেকে যারা শিক্ষা গ্রহণ করেছেন তারা তাবেয়ী। তাবেয়ীরাও সকল সাহাবাদের পান নাই। যেমন ইমাম আবু হানিফা রহঃ উনি খুব কম সংখ্যক সাহাবীকে পেয়েছেন। তবে কতজনকে পেয়েছেন সেটা নিশ্চিত না। উনি ৮০ হিজরীতে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং ১৫০ হিজরীতে মৃত বরণ করেন।



সুতরাং সকল তাবেয়ী সকল সাহাবাদের পান নাই। তাই অন্যান্য স্থানপরিবর্তন কারী সাহাবাদের নিকট রক্ষিত হাদিসগুলো তাদের অজানা ছিল।



এখানে মূল পয়েণ্ট তাবেয়ীরা সকল সাহাবাদের পান নাই।

=============================================



=> তৃতীয়তঃ- মাজহাবের ইমাম গণঃ ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) জন্ম গ্রহণ করেছেন ৮০ হিজরীতে। তিনি প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পর যতগুলো হাদিস পেয়েছেন এবং সংরক্ষণ করেছেন সেগুলোর উপর ভিত্তি করেই ফতোয়া দিয়েছিলেন। একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, উনার সময় তিনিই ছিলেন ইমামে আজম। তবে যেহেতু তিনি সকল সাহাবাদের হাদিস সংগ্রহ করতে পারেন নাই, সকল সাহাবাদের সাক্ষাত পান নাই এবং যেহেতু হাদিস এর ধারক সাহাবারা বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলেন তাই তিনি যতগুলো হাদিস পেয়েছেন তার উপরেই ফতোয়া দিয়েছেন।

তবে ইমাম আবু হানিফা রহঃ এর মূল কথা ছিলঃ-



"ইযা সহহাল হাদিসু ফা হুয়া মাজহাবা" অর্থ্যাত বিশুদ্ধ হাদিস পেলে সেটাই আমার মাজহাব বা মতামত। (১/৬৩ ইবনু আবিদীন এর হাশিয়া, পৃঃ ৬২ ছালিহ আল-ফাল্লানীর, ১/৪৬ শামী)



ইমাম আবু হানিফাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল হে শায়খ, যদি এমন সময় আসে যখন আপনার কথা কোন সহীহ হাদিসের বিপরীতে যাবে তখন আমরা কি করব?



তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তখন তোমরা সেই সহীহ হাদিসের উপরই আমল করবে এবং আমার কথা প্রাচীরে/দেয়ালে নিক্ষেপ করবে।



এ কথা কে বলেছিলেন, ইমাম আবু হানিফা রহঃ নিজে। লক্ষ করবেন প্লিজ।



--------------------------------------------------------------------



=> ঠিক একই ভাবে ১৩৫ হিজরিতে জন্মগ্রহন কারী ইমাম শাফেঈ (রহঃ) এর বক্তব্য হলো,



তোমরা যখন আমার কিতাবে রাসুলুল্লাহ সাঃ এর সুন্নাহ বিরোধী কিছূ পাবে তখন আল্লাহর রাসুলের সুন্নাত অনুসারে কথা বলবে। আর আমি যা বলেছি তা ছেড়ে দিবে। (৩/৪৭/১ আল হারাবীর, ৮/২ খত্বীব, ১৫/৯/১ ইবনু আসাকির, ২/৩৬৮ ইবনু কাইয়িম, ১০০ পৃঃ ইহসান ইবনু হিব্বান)



=> ৯৩ হিজরীতে জন্মগ্রহণ কারী ইমাম মালেক রহঃ এর বক্তব্যও হলো একই,

ইমাম মালেক বিন আনাস (রহঃ) বলেছেন, আমি নিছক একজন মানুষ। ভূলও করি শুদ্ধও বলি। তাই তোমরা লক্ষ্য করো আমার অভিমত/মতামত/মাজহাব এর প্রতি। এগুলোর যতটুকু কোরআন ও সুন্নাহ এর সাথে মিলে যায় তা গ্রহণ করো আর যতটুকু এতদুভয়ের সাথে গরমিল হয় তা পরিত্যাগ করো। (ইবনু আবদিল বর গ্রন্থ (২/৩২)



=> ১৬৪ হিজরীতে জন্মগ্রহনকারী ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল রহঃ ছিলেন ১০ লক্ষ হাদিসের সংগ্রহ কারী। সবচেয়ে বেশী হাদিস উনার মুখস্থ ছিল এবং উনার সংগ্রহে ছিল। উনার লিখিত গ্রন্থ মুসনাদে আহমাদ এ মাত্র ২৩০০০ এর মতো হাদিস লিপিবদ্ধ আছে।



এখানের মূল পয়েন্ট হলো, চার ইমাম সহ সেই সময়ের সকল ইমামই ছিলেন মোটামুটি এক জমানার। তারা সকলেই তাদের সংগৃহিত হাদিস এর উপর ভিত্তি করে ফতোয়া দিয়েছিলেন। তাদের সবার বক্তব্য একই ছিল। তবে পরবর্তীতে অন্যান্য ইমামরা আরো ব্যাপক ভাবে হাদিস সংগ্রহের জন্য এক জনের সাথে অন্য জনের দ্বিমত হয়েছে।



এখানে মূল পয়েন্ট হলো, সকল ইমামই কোরআন ও সহীহ হাদিস মেতে নিতে বলেছেন।



অতএব, এতক্ষণ পর্যন্ত পাওয়া পয়েন্টগুলো হলো

১) নবীর সাহাবারা সবাই সব হাদিস জানতেন না।

২) তাবেয়ীরা সকল সাহাবাদের পান নাই।

৩)সকল ইমামই কোরআন ও সহীহ হাদিস মেতে নিতে বলেছেন।

=============================================



এখন যদি আপনি এবং সারা বিশ্বের মানুষই কোরআন ও সহীহ হাদিস মানি তাহলে আমাদের মধ্যে কোন গড়মিল বা বিভেদ সৃষ্টি হবে না। সবাই একসাথে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো। কিন্তু আপনি যদি বলেন মাজহাব মানতে। তাহলে এই মুসলিম জাতি কখনো এক হতে পারবে না। সকলে দলে দলে বিভক্ত হয়ে যাবে। যেমন হানাফী, শাফেঈ, হাম্বলী, মালেকী, আহলে হাদিস, আহলে কোরআন, শিয়া, সুন্নী, কুর্দি, দেওবন্দী, বেরলভী ইত্যাদি ইত্যাদি।



উপরের যতগুলো গ্রুপে মুসলিমরা ভাগ হইছে তার একটাই কারণ মাজহাব বা মতামতকে তাকলীদ বা অন্ধ অনুকরণ করা। প্রত্যেক গ্রুপই তাদের ইমামদের, বুজুর্গদের মাজহাব বা মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে গ্রুপে গ্রুপে ভাগ হয়েছে এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ দল নিয়ে সন্তুষ্ট।



=============>



এখন দেখেন যারা ইমামদের তাকলীদ বা অন্ধ অনুসরণ করে নিজ নিজ দল নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে যেমন হানাফী, শাফেঈ, আহলে হাদিস ইত্যাদি এবং কোরআন ও সহীহ হাদিস ত্যাগ করে, তাদের ব্যাপার আল্লাহ কি বলেছেনঃ-



প্রথম দলিলঃ-

সূরা রুম-৩১-৩২> (হে নবী) আপনি মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হবেন না যারা দ্বীনের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়ে যায়, যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে সন্তুষ্ট।



=> এই আয়াতে আল্লাহ তাদের মুশরিক বলে আখ্যায়িত করেছেন যারা কোরআন ও সহীহ হাদিস ছেড়ে ইমামদের আলেমদের বুজুর্গদের তাকলীদ করে তাদের। যেমন শীয়ারা। তারা তাদের বুজুর্গদের মাজহাব বা মতামতকে কঠোরভাবে মানে। বুঝতে চায় না কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা।



দ্বিতীয় দলিলঃ-

সূরা আনআম-১৫৯> যারা দ্বীনকে খন্ড বিখন্ড করে, দলে দলে বিভক্ত হয় তাদের সাথে (হে নবী) আপনার কোন সম্পর্ক নাই।



=> এই আয়াতে যারা দলে দলে বিভক্ত হয় তাদের সাথে নবীর সম্পর্ক না থাকার কথা বলা হইছে। যাদের সাথে নবীজি সাঃ এর সম্পর্ক নাই তাদের সাথে আমাদের মুসলিমদেরও কোন সম্পর্ক নাই।



আপনারাও যদি দলে দলে বিভক্ত হন, ইমামদের তাকলীদ করেন, তাহলে আপনাদের সাথেও নবীজি সাঃ এর সম্পর্ক থাকবে না। আর যার সাথে নবীজি সাঃ এর সম্পর্ক নাই, তার সাথে আমাদের সম্পর্কের তো প্রশ্নই উঠে না। যদি আপনারা কোরআন ও সহীহ হাদিস মেনে নিতে রাজি থাকেন তাহলে আপনারা আমাদের মুসলিমদের দ্বীনি ভাই। আর যদি না মেনে নেন তাহলে এই আয়াতটা আপনাদের জন্য



সূরা নিসা-৪:১১৫> যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ (কোরআন ও হাদিস অমান্যের মাধ্যমে) করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।



আল্লাহ নো দ্যা বেস্ট।

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:২০

েশখসাদী বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন । ধন্যবাদ । ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি হলো আল-কুরআন ও হাদিস । ইসলামে দলাদলির কোন স্হান নাই । কুরআন ও হাদিসের উপর কোন কথা নাই।

আমার পোষ্ট সমূহে আপনার কোন মন্তব্য পাই না । আমরা যারা ইসলামের উপর ব্লগে লিখি ..তাদের একজন অপর জনকে উৎসাহ দেওয়া উচিত এবং সহযোগিতা করা উচিত । যেমন করে সাহাবীরা করেছেন । এতে করে আমাদের ঐক্য দৃঢ় হবে । কি বলেন ?

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৩৯

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: অবশ্যই এবং আমি সব সময় চেষ্টা করি ইসলামের উপর লিখিত ব্লগগুলোতে মন্তব্য করতে। ভবিষ্যতে আপনার কোন পোষ্ট চোখের সামনে পড়লে ইনশাল্লাহ মন্তব্য দিব।

২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৪:২৬

বিকেল বলেছেন: ++++ ... pretty much usefull as wel as documentary post... thanks to clarify ...

৩| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:০৬

তাশফিকাল বলেছেন: সহমত ও প্লাস।
আমাদের কর্মপদ্ধতি নিয়ন্ত্রিত হবে সম্পূর্ণ কুরান ও হাদীসের আলোকে। আমাদের ধর্মীয় জ্ঞান সীমাবদ্ধ হওয়ার কারনেই মাজহাবের অনুসরন, তাই নয় কি?
মাজহাব আমাদের সাহায্য করে সঠিক পথে চলতে, তাই বলে তা ফরজ-ওয়াজিব এর সাথে গুলিয়ে ফেলা কাম্য নয়। মাজহাব যদি কোন ক্ষেত্রে কুরান-হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে তা অমান্য করাই কর্তব্য।
সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৩৯

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: মাজহাব যদি কোন ক্ষেত্রে কুরান-হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তবে তা অমান্য করাই কর্তব্য। সুন্দর """মন্তব্যের"" জন্য ধন্যবাদ।

৪| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৫:২৬

এফ এম-৯৭ বলেছেন: আমার মতে, মাযহাব নিয়ে টানাটানি করা উচিত নয়। ইমামরা সবাই ভালো। একজনের মানবো আর আরেকজনকে ভুল বলবো এমন কোনো কথা নেই।
কু'রআন হাদিস পড়ে যে ইমামের মতামত নিজের কাছে সঠিক মনে হবে, তাই মানা উচিত।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪২

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ভাই, ভূল বোঝাবুঝির দিন শেষ। সব এখন পরিষ্কার। সম্মানিত ইমামগণ নিজেদের বক্তব্য দিয়ে গেছেন এবং আমাদের ওছিয়ত করে গেছেন। এখন আমাদের উচিত সত্যটা গ্রহণ করা। আর নিজের কাছে কোনটা সঠিক সেটা মূল বিষয় না। বরং কোরআন ও সহীহ হাদিস কি বলে সেটা মূখ্য বিষয়। ইমামের মত মানা উচিত নয়। কোরআন ও সহীহ হাদিস মানা উচিত। ধন্যবাদ।

৫| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫১

ব্লুম্যাজিক বলেছেন: মাজহাব সম্পকে অনেক কিছু জানার আছে আসলে। ধন্নবাদ আপনাকে। মাজহাব সম্পরকে বিস্তারিত জানার জন্য একটা ভাল বইয়ের রেপারেঞ্ছ দিলে অনেক কৃতজ্ঞ থাকব। নুতন বছরের শুভেচ্ছা রইল। ভাল থাকবেন।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪৩

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: যদি আমি কখনো এ রকম কোন বই পাই অবশ্যই আপনার সাথে শেয়ার করব ইনশাল্লাহ।

৬| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩১

কান্টি টুটুল বলেছেন: সূরা আনআম-১৫৯> যারা দ্বীনকে খন্ড বিখন্ড করে, দলে দলে বিভক্ত হয় তাদের সাথে (হে নবী) আপনার কোন সম্পর্ক নাই।

সূরা রুম-৩১-৩২> (হে নবী) আপনি মুশরিকদের অন্তর্ভূক্ত হবেন না যারা দ্বীনের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং দলে দলে বিভক্ত হয়ে যায়, যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে সন্তুষ্ট।

কোন একটা বিষয়ের প্রাসঙ্গিক আয়াত তুলে ধরা.....আপনার এই গুনটা আমি বেশ পছন্দ করি।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪৪

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: জাজাকাল্লাহ। আর আমি আপনার একটা কথা স্মরণ রেখেছি এবং খুব শীঘ্রই সেটা পোষ্ট আকারে প্রকাশ করবো। সেই চরম বিষয়টা হচ্ছে-প্রচলিত তাবলীগ জামাত।

৭| ০১ লা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৩

ভারসাম্য বলেছেন: ইজমায়ে উম্মাহ অবশ্যই বড় একটা পথ। তবে এই ইজমা'র নামে মাজহাব কে অকাট্য ভাবা অযৌক্তিক। একটা বিশেষ সময়ে কোন বিষয়ে যদি ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ও যুগের পরিবর্তনে ইজমাও পরিবর্তিত হতে পারে।

হাদীছের চেয়েও ইজমার গুরুত্ব আমার কাছে বেশি মনে হয়। কেন বেশি সেটা নিয়ে অন্য সময় আলোচনা হতেও পারে।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৫২

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: আপনি বললেন, হাদীছের চেয়েও ইজমার গুরুত্ব আমার কাছে বেশি মনে হয়।

=> আপনার মনে হতেই পারে। আবার আপনার কাছে কোরআনের থেকেও ইজমার গুরুত্ব বেশী হতে পারে। তবে সেটা একান্তই আপনার। আর আলোচনার জন্য আমি সর্বদাই প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

৮| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৭:০৭

বুলবুল আহ্‌মেদ বলেছেন: ঈমামে আজমের ৬ লক্ষ হাদীস মুখস্ত ছিল। ইমামরা বহু হাদীসের ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলেন এই জঘন্য অপবাদ আপনারা শুরু করেছেন দুইশত বছর হল। ১২০০ হিজরী ধরে কেউ মাযহাব নিয়ে প্রশ্ন তোলে নাই। হঠাত এক ঘড়ির মেকারের কথায় আপনারা নাচা আরাম্ভ করলেন।

কোন দিন শুনছেন হানাফী ও শাফেয়ী দুই মাযহাব যুদ্ধ করার জন্য ময়দানে গেছে। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ শিখতে হলে মাযহাবের লোকদেরকে দেখেন। দ্বীনের ব্যাপারে দ্বিমত সাহাবীদের সময়েও ছিল। আকীদা ঠিক রেখে এই ধরনের দ্বিমত কে রাসূল সাঃ আল্লাহর রহমত বলেছেন।
বস্তুত আপনাদের সাহাবী, ঈমা্‌ আলেম, ইজমা না মানা কথাগুলো শিয়া দেরকেই খুশি করে।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১০:৩৮

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ঈমামে আজমের ৬ লক্ষ হাদীস মুখস্ত ছিল।
=> তাইলে আপনের এই ইমামে আজম কেন কোন বই লিখে গেলেন না। উনার লেখা তো একটা বইও নাই। ইমাম শাফেয়ীর কিতাবুল উম, ইমাম মালেক এর মুয়াত্তা মালেক, ইমাম হাম্বল এর মুসনাদে আহমাদ। সকল ইমামদেরই সংগৃহিত হাদিসের বই ছিল কিন্তু আপনার ইমামে আজমের তো লেখা কোন বইই নাই। মাথা দিয়া পাহাড় ঠেলার চেষ্টা করবেন না। কোন দলিলের ভিত্তিতে বলেন যে ইমামে আজমের ৬ লক্ষ হাদিস মুখস্ত ছিল? পারলে প্রমাণ দেখান। যেই শাস্তি দিবেন মাথা পাইতা নিমু। আর যদি প্রমাণ না দেখাইতে পারেন তো থাপড়াইয়া কানা পট্টি ফাটাইয়া ফালাইমু। যদি রাজী থাকেন বইলেন।

===========================================

ইমামরা বহু হাদীসের ব্যাপারে অজ্ঞ ছিলেন এই জঘন্য অপবাদ আপনারা শুরু করেছেন দুইশত বছর হল।

=> শুধূ ইমামরা নন বরং অনেক সাহাবারাও। কারণ সব সময় সব সাহাবা রাসূলের পাশে ছিলেন না। যেমন মুয়াজ রাঃ কে ইয়েমেনে গর্ভনর হিসেবে পাঠানো হইছিল। উনি সেখান থেকে ইয়েমেনে যাওয়ার পর নবীর নতুন নতুন হাদিসগুলো উনি জানতেন না। মাথা দিয়ে পাহাড় না ঠেইলা তাকলীদ না কইরা কোরআন ও হাদিস বুঝার চেষ্টা করেন।

===========================================

১২০০ হিজরী ধরে কেউ মাযহাব নিয়ে প্রশ্ন তোলে নাই। হঠাত এক ঘড়ির মেকারের কথায় আপনারা নাচা আরাম্ভ করলেন।

=> উপরের পোষ্ট পড়লে এই রকম বোকার মতো প্রশ্ন করতে পারতেন না। আপনি কি জানেন হানাফী মাজহাবে মদ খাওয়া জায়েজ? হেদায়া ৪র্থ খন্ড, ৪৮২ নং পৃষ্ঠা।

আপনারা এতটাই অজ্ঞ যে তাকলীদ ছাড়া আর কিছু পারেন না। আপনারা আসলে হানাফী মুসলিম, শুধূ মুসলিম না। আপনারা ইমাম আবু হানিফার ইবাদাত ছাড়া অন্য কারো ইবাদাত করেন না।

-----------------------------------------------------------------

কোন দিন শুনছেন হানাফী ও শাফেয়ী দুই মাযহাব যুদ্ধ করার জন্য ময়দানে গেছে।
=> না তবে দুই মাজহাব ইসলামকে দুই টুকরো করে রেখেছিল। যারা দ্বীনকে টুকরো টুকরো করে তারা মুশরিক। এভাবে টুকরো করার কারণে কোনদিনই মুসলিমরা এক হতে পারবে না। তবে আপনি আমাকে বলেন রাসূল সাঃ এর যুগে এই দুই মাজহাব কই ছিল? নাকি নিজেদের স্বার্থ্ সিদ্ধির জন্যই এই মাজহাবী দলাদলি সৃষ্টি করেছেন?

-----------------------------------------------------------------

দ্বীনের ব্যাপারে দ্বিমত সাহাবীদের সময়েও ছিল।
=> হ্যা দ্বীনের ব্যাপারে দ্বিমত ছিল। কিন্তু যখন হাদিস এসেছে তখন সবাই চুপ হয়ে গেছেন। যেমন নবীর মৃতুর পর কোথায় কবর দেওয়া হবে সেটা নিয়ে বিতর্ক শুরু হইছিল। তখন হাদিস শুনার পরই সব বিতর্ক বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মাজহাবী ক্ষেত্রে অতীতে ছিল দ্বিমত। কিন্তু যখন সকল হাদিস আমাদের সংগ্রহে এসে গেলে এবং সত্য প্রকাশিত হলো তখন আপনাদের মতো কিছু লোক কোরআন ও হাদিস থেকে মুখ ফিরিয়ে ব্যক্তির দিকে চলে গেছেন। আমরা ডাকি আপনাদের কোরআন ও সহীহ হাদিসের দিকে। আর আপনি ডাকেন ইমামদের তাকলীদ বা অন্ধ অনুকরণ করার দিকে। দ্বিমত এক জিনিস আর সত্য প্রকাশিত হওয়া ভিন্ন জিনিস।

-----------------------------------------------------------------

আকীদা ঠিক রেখে এই ধরনের দ্বিমত কে রাসূল সাঃ আল্লাহর রহমত বলেছেন।

=> এটাও নবীর নামে মিথ্যারোপ। এটা একটা জাল হাদিস যা ফাজায়েলে আমল এ আছে।

মূল হাদিসটা হলো, ""উম্মতের মতবিরোধ রহমত""।

আপনাদের ভিত্তি হলো জাল হাদিস আর আমাদের ভিত্তি হলো সহীহ হাদিস। আর নবীর নামে মিথ্যারোপ করবেন না।

============================================
বস্তুত আপনাদের সাহাবী, ঈমা্‌ আলেম, ইজমা না মানা কথাগুলো শিয়া দেরকেই খুশি করে

=> আমরা কোরআন হাদিস ও সাহাবাদের মানি। এতে যদি শিয়ারা খুশি হয় তাতে আমাদের কোন সমস্যা নাই। কিন্তু আপনারা যেই ইমাম ও ইজমা মানেন সেটাই শিয়াদের খুশি করে কারণ তারাও আপনাদের ডাইসেই তৈরী। তারাও ইমাম ও ইজমা, মাজহাব মানে। আপনাদের আর তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য নাই।

৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৯

মদন বলেছেন: সোজা প্রিয়তে...

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:০৫

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: জাজাকাল্লাহ। আল্লাহ যেন আমাদের ""সোজা"" জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন । আমীন।

১০| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০

কায়সার আহমেদ কায়েস বলেছেন: প্রথমে আপনার নামের পাশে এই শিরোনামটা দেখে আমি খুব অবাক হলামতারপর পোস্ট টা পড়ে বুঝলাম।কোন মাজহাব এ অন্ধ বিশ্বাস করা ঠিক নয়।ইসলাম ধর্মের মূল ভিত্তি হলো আল-কুরআন ও হাদিস ।

েশখসাদী বলেছেন:
আমার পোষ্ট সমূহে আপনার কোন মন্তব্য পাই না । আমরা যারা ইসলামের উপর ব্লগে লিখি ..তাদের একজন অপর জনকে উৎসাহ দেওয়া উচিত এবং সহযোগিতা করা উচিত । যেমন করে সাহাবীরা করেছেন । এতে করে আমাদের ঐক্য দৃঢ় হবে । কি বলেন ?

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:০৭

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ''মিথ্যা আরম্ভ হয় নিজের ভুল কে অস্বীকার করার মাধ্যমে'' চরম হেডিং। অবাক হইলে আর কি করবেন? কাথা গায়ে দিয়া একটা ঘুম দেন।

অবশ্যই এবং আমি সব সময় চেষ্টা করি ইসলামের উপর লিখিত ব্লগগুলোতে মন্তব্য করতে। ভবিষ্যতে আপনার কোন পোষ্ট চোখের সামনে পড়লে ইনশাল্লাহ মন্তব্য দিব।

১১| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১২

যাযাবরমন বলেছেন: মাজহাব মানা ওয়াজিব বা ফরজ মনে করা বেদাত।

এখানে দেখেন Click This Link

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১০

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: আমি কোনটাই মনে করি নাই। লেখার প্রথমেই বলছি যে """বেশ কিছু মানুষ বলে""। তবে হুজুররাই এই ক্ষেত্রে অগ্রণী। আসলে তাদের সেইভাবেই শিখানো হয়।

১২| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৩

নোটার্হম বলেছেন: @ বুলবুল আহমেদ
আপনার মন্তব্যে উল্লেখিত ঘড়ির মেকার কে ? একটু খোলাসা করে কন । আপনার কথা সত্য হলে আমরা যারা কম জানি তারা হয়ত সাবধান হতে পারতাম।
মাজহাব শুধু চারটি নয় ।বরং অগণিত । সম্মানিত ও বিজ্ঞ লেখক আমার চাইতে এ বিষয়ে নিশ্চয় বেশী জানেন । প্রধান চারটি মজহাবের কথাই আমরা অনেকে জানি। বাকীদের নাম সঙ্গত কারণে কালের আবর্তে বিলীন হয়ে গেছে বলে আমরা অনেকে তাদের নামও জানিনা। তবে যে চারজন সম্মানিত ও বিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের নামে চারটি মজহাব চালু আছে তারা প্রত্যেকেই জ্ঞানী গুনী একনিষ্ঠ মুসলিম ছিলেন বলে হাতে গুনা দুচারজন হিংসুক ও মোনাফেক ছাড়া সকল যুগের সকল মুসলিম মনে করেন। তাদেরকে মুসলমানেরা সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ থেকে ইমাম বলে সম্বোধন করেন। তবে এরূপ কোন ইমামই নিজ থেকে বলেননি আমি অমুক ইমাম......., কোন ইমামই ( যাদের নামে মাজহাব প্রচলিত) বলেননি "আমি আমার নামে একটি মাজহাব চালু করে গেলাম, তোমরা আমার নামের মাজহাব অনুসরণ করো" ।নামীয় মাজহাব প্রচলন হয় উক্ত ইমামদের ( যাদের নামে মাজহাব প্রচলিত ) তিরোধানের অনেক পরে। অনুরূপভাবে উক্ত ইমামদের ( যাদের নামে মাজহাব প্রচলিত ) তিরোধানের অনেক পরেই ফতোয়া দেয়া হয় "প্রত্যেককে কোন না কোন মাজহাব অনুসরন করতে হবে "।মাজহাব মানা অর্থাৎ কোন মাজহাব অনুসরণ করা হারাম কি হালাল, জায়েজ কি নাজায়েজ,এ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করা থেকে আমি বিরত থেকে শুধু মাজহাবের ইতিবৃত্ত উল্লেখ করলাম,যা হয়ত অনেকে জানতেই চাননা।,

তাই আমি যা মন্তব্য করলাম, এতে কোন অসঙ্গতি বা ভূল তথ্য থাকলে মেহেরবাণী করে উল্লেখ করুন। তবে আমার দেয়ার তথ্যের কোন তথ্যসূত্র আমার কাছে না চেয়ে বরং আপনিই তথ্যসূত্র দিন যদি আমার মন্তব্যে কোন ভুল /অসঙ্গতি থাকে।

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:১৫

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ভাই জানেন কিনা জানি না, ইমাম আবু হানিফা কোন গ্রন্থ লিখে যান নাই। ইমাম আবু হানিফা রহঃ মারা গেছেন ১৫০ হিজরীর মতো সময়ে। আর উনার নামে রচিত বই হেদায়া লেখা হইছে ৫৭০ হিজরীতে। উনার মৃতুর ৪২০ বছর পর একটি বই লেখা হয় এবং নাম দেওয়া হয় ইমাম আবু হানিফার মাজহাব এটা। এই হানাফী মাজহাবের প্রবর্তক ইরাকের হামিদ বিন সুলায়মান। এ ব্যাপারে ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতে পোষ্ট দিব। ধন্যবাদ।

১৩| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০২

নোটার্হম বলেছেন: হয়ত পড়েছেন। যদি না পড়ে থাকেন তাহলে নিম্নের বইটি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি-----
ইসলমিক ফাউন্ডেশান কতৃক প্রকাশিত
আবু ছাঈদ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ কতৃক লিখিত বই
" ফিকাহ শাস্ত্রের ক্রমবিকাশ"
ধন্যবাদ। আচ্ছালামু আলাইকুম

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২০

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ওয়ালাইকুম আসসালাম। ইনশাল্লাহ পড়ার চেষ্টা করব। জাজাকাল্লাহ।

১৪| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১৬

মেগামেন বলেছেন: এই বিষয়ে সবচেয়ে ভাল লেকচার আমি এইটা পেয়েছি। সকল সংশয়, প্রশ্ন ধুলিকনার মত উড়ে যাবে।

১৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫৪

মোস্তাফিজুর রহমান হ্নদয় বলেছেন: Abdullah Arif Muslim ভাইয়া
আপনার সকল পোস্ট ই আমার খুব ভালো যে ভাবে রেপারেন্স সহ কোরআনের আয়াত দিয়ে উপস্থাপন করেন, অনেক কিছু জানতে পারি তবে কমেন্ট করার সাহস পাই না । আপনার থেকে আরো অনেক কিছু জানতে পারবো আশা করছি । ধন্যবাদ

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:২০

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: জাজাকাল্লাহ। ভালো থাকবেন মোস্তাফিজ ভাই।

১৬| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১২ বিকাল ৩:৩১

Neeljosona বলেছেন: নির্দিষ্ট মাজহাব মানা কিভাবে ফরজ বা ওয়াজিব হবে? ফরজ বা ওয়াজিব নবী করিম (সাঃ) জিবীত থাকতে নির্ধারণ করে গেছেন।

১৭| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:০১

নযােকট বলেছেন: +++++

১৮| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৪৫

কামরুজ্জামান (নয়ন) বলেছেন: আমি হানাফি মাজহাব এর অনুসারি হলেও আমার প্রথম পরিচয় আমি মুসলমান। মাজহাব মানা যদি ফরজ বা ওয়াজিব হত তাহলে রাসুল (সা) এর মাজহাব কি? অতএব মাজহাব নিয়ে নিজেরা শক্তিখয় না করে সকল মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

১৯| ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:৫৯

মাহমুদ। বলেছেন: সহমত ।সোজা প্রিয়তে

২০| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৩

রফরফ বলেছেন: বুলবুল আহ্‌মেদ বলেছেন: ঈমামে আজমের ৬ লক্ষ হাদীস মুখস্ত ছিল।=> তাইলে আপনের এই ইমামে আজম কেন কোন বই লিখে গেলেন না। উনার লেখা তো একটা বইও নাই। ইমাম শাফেয়ীর কিতাবুল উম, ইমাম মালেক এর মুয়াত্তা মালেক, ইমাম হাম্বল এর মুসনাদে আহমাদ। সকলইমামদেরই সংগৃহিত হাদিসের বই ছিল কিন্তু আপনার ইমামেআজমের তো লেখা কোন বইই নাই। মাথা দিয়া পাহাড় ঠেলার চেষ্টাকরবেন না। কোন দলিলের ভিত্তিতে বলেন যে ইমামে আজমের ৬ লক্ষ হাদিস মুখস্ত ছিল? পারলে প্রমাণ দেখান। যেই শাস্তি দিবেন মাথা পাইতা নিমু। আর যদি প্রমাণ না দেখাইতে পারেন তো থাপড়াইয়া কানা পট্টি ফাটাইয়াফালাইমু। যদি রাজী থাকেন বইলেন।
=========================================== লেখককে বলছি ইমাম আবু হানিফা রহঃ লিখিত হাদিসের কিতাবের নাম কিতাবুল আছার ।

২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:৪৩

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: কিতাবুল আছার ইমাম আবু হানিফার পরবর্তী বিদ্বানদের লেখা। তার কোন এক ছাত্র খুব সম্ভব মুহাম্মদ আল সায়বানী নামক লোক লিখেছে। অন্যের লেখা বই ইমাম আবু হানিফার নামে চালানো কতটা যৌক্তিক? এটা কি মিথ্যারোপ না ইমাম আবু হানিফার প্রতি?

২১| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১২ দুপুর ২:৪৯

আবদুস সবুর খান বলেছেন: মাযহাব সম্পের্ক আপনার মূল বক্তব্যটা বলবেন কি ???

২৭ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:৩৭

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ধন্যবাদ। আগে একবার আপনার সাথে কথা বলছিলাম। সামনে বলেছিলাম আরো ব্যাপক আকারে কথা বলব। ইনশাল্লাহ কিছুদিনের মধ্যেই আপনাকে আহবান জানাবো কথা বলার জন্য। আমি এরকম আহবান অতীতেও জানিয়েছি অনেক কে এবং কথাও বলেছি। আমাদের এক ভাই থেকে জানতে পারলাম যে অতীতে আপনার বক্তব্য মেনে নিয়ে ভবিষ্যতে কথা বলব বলেছি। কিন্তু এটাকে আপনি আপনার বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এটা আপনার উচিত হয় নাই।

যাই হোক, আমার বক্তব্য আমি উপরে বিস্তারিত ভাবেই বলেছি। যদি না বুঝেন আবার পড়েন। তারপরও যদি না বুঝেন যেই জায়গায় সমস্যা সেই জায়গা সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। যেই সব মাজহাবীদের নিকট সত্য প্রকাশের পরও তারা যদি তা গ্রহণ না করে দ্বীনকে খন্ড খন্ড করে বিভক্ত করে, তবে তাকে আমরা মুশরিক মনে করি। আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।

২২| ০২ রা মে, ২০১২ দুপুর ১২:০২

আবদুস সবুর খান বলেছেন: তা হযরত উনাদেরকেও কি মুশরিক মনে করেন ...



আরব বিশ্বের সর্বনন্দিত লিখক শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহঃ) (মৃঃ ৭২৮ হিঃ) লিখেছেনঃ

“ মুসলিম উম্মাহর ‘ইজ্মা’ উপেক্ষা করে মায্হাব চতুষ্টয়ের বিপরীতে কোন মায্হাব রচনা বা গ্রহণ বৈধ হবে না। ”

( ফাত্ওয়া-ইবনে তাইমিয়্যাঃ পৃ – ২/৪৪৬ )

ইচ্ছামত চার মায্হাবের যখন যেটি খুশি সেটি অনুসরণ করা সকল ইমামের ঐক্যমতে হারাম বা অবৈধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

(ফাত্ওয়া-ইবনে তাইমিয়্যাঃ পৃ – ২/২৪১ )


এবং

শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ দেহলভী (রহঃ) (মৃঃ ১১৭৬ হিঃ), তাঁর সুপ্রসিদ্ধ কিতাব হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগায় লিখেনঃ

“ সু-বিন্যস্ত গ্রন্থবদ্ধ এ চার মায্হাবের উপর সকল ইমামগণের ‘ইজ্মা’ তথা ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ”

(হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগাঃ পৃ – ১/১২৩ )

১২ ই মে, ২০১২ রাত ১:৪১

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: ধন্যবাদ। ইদানিং ব্লগে খুব কম সাইনইন করা হয়। তাই উত্তর দিতে দেরী হলো।

আপনি জানতে চেযেছেন আমি ইবনে তাইমিয়াহ (রহ:), শাহওয়ালী উল্লাহ দেহলভী (রহ:) এদের মুশরিক মনে করি কি-না?

উত্তরঃ না। আমরা মাজহাবীদের মুশরিক মনে করি। কিন্তু কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মুশরিক বলতে হলে মুশরিক বলার শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। যেমন উনারা যেই ফাতওয়া দিয়েছেন সেটা কোন দলিলের ভিত্তিতে দিয়েছেন, যদি দলিল দিয়ে থাকেন তবে সেটা কি কোন সহীহ হাদিস বা কোন আয়াতের অথবা কোন সাহাবার বিপরীতে গেছে কি না। যদি কোন ভূল ইজতিহাদ করে থাকেন তবে সেটার জন্য তিনি পুরষ্কার পাবেন। তবে উনাদের ইজতিহাদে যদি ভূল থেকেও থাকে তবে সেটা কেউ খন্ডন করে দিয়েছিল কি না। ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় আছে। উনাদের ভূল যদি কেউ খন্ডন করিয়ে দেয় যেভাবে আমি আমার পোষ্টে দিয়েছি সেভাবে বা আরো ভাল করে কেউ যদি তাদের দাবী খন্ডন করে দেওয়ার পরও হানাফী মাজহাবের অনুসারী হয়ে থাকে তবে তাকে মুশরিক বলি। তবে আমরা কেউই শিউর না যে উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গকে তাদের ভূল শুধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল কি না। তবে আপনার নিকট সত্য তুলে ধরা হয়েছে। আর পক্ষান্তরে আপনি কোরআন হাদিস আল্লাহ ও তার রাসুল সাঃ এর বাণী থাকা সত্ত্বেও আলেমদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন।

মূল কথা আমরা কোন আলেমের তাকলীদ করি না। হানাফীরা ইমাম আবু হানিফার নাম শুনলে বেহুশ হয়। আর আহলে হাদিসরা ইবনে তাইমিয়াহ, ইমাম কাইয়ুম, দেহলভী (তাদের সবাইকে আল্লাহ শান্তিতে রাখুন) তাদের নাম শুনলে বেহুশ হয়।

আপনার নিকট আমার প্রশ্ন:- উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ বা তাবেয়ীরা কি ইসলামিক শারীয়াহর দলিল ?

আমাদের মতে ইসলামীক শারীয়াহর দলিল হলো কোরআন ও হাদিস। তবে তাবেয়ীদের এবং অতীতের সালফে সালেহীনদের সেই সব বক্তব্য মেনে নেই যেগুলো কোরআন ও সহীহ হাদিসের সাথে মিলে যায়। তাদের এমন কোন দলিল মানি না যা কোরআন ও হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক।

আপনি যেভাবে তুলে ধরলেন যে উপরোক্ত ব্যক্তিবর্গ নবীতূল্য, বা ভূলের উদ্ধে। ইমাম আবু হানিফা রহঃ কে নিয়ে সামনে বিশাল পোষ্ট দিব। তখন ইনশাল্লাহ হানাফী বিশেষজ্ঞ অর্থ্যাৎ আপনাকে ও অন্যান্য হানাফী মাজহাবের ব্যক্তিবর্গকে আহবান করব কথা বলার জন্য।

এবার উপরের করা আমার প্রশ্নের উত্তর দেন।

২৩| ০৫ ই মে, ২০১২ ভোর ৫:২১

রকিবুল আলম বলেছেন: [yt|http://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=BrLOdTV1anI







১২ ই মে, ২০১২ রাত ১:২৩

Abdullah Arif Muslim বলেছেন: জাজাকাল্লাহ। হানাফীদের এগুলো দেখিয়ে লাভ নেই। তাদের আলেমগং যা বলছে সেটাই তাদের নিকট চূড়ান্ত।

২৪| ০৫ ই মে, ২০১২ ভোর ৫:২৩

রকিবুল আলম বলেছেন: বাংলা ভিডিও দেখেন

২৫| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৩ সকাল ১০:৩৯

ইমরান ভাই ১ বলেছেন: আল্লাহ আমাদেরকে মুসলিম হিসেবে মরার তাওফিক দাও আমিন।
জাজাকাল্লাহ খাইরান।
:) :)

২৬| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১২:৫৭

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: ভাই আপনি যথেষ্ট বিভ্রান্তিকর কথা বলেছেন

২৭| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০০

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: ”রাবেতাতুল আলামিল ইসলামী’র আল মাজমাউল ফিকহী (ফিকহী বোর্ড) ফুরুয়ী বিষয়ে ইখতিলাফের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেনঃ
আকীদা ও বিশ্বাসগত বিষয়ে মতভেদ হচ্ছে ﻳﺠﺐ ﺃﻥ ﻻ ﻳﻜﻮﻥ অর্থাৎ তা না হওয়া অপরিহার্য। আর আহকাম ও বিধানের বিষয়ে যে মতভেদ তা ﻻ ﻳﻤﻜﻦ ﺃﻥ ﻻ ﻳﻜﻮﻥ অর্থাৎ তা না হওয়া অসম্ভব।
এতে শায়খ ইবনে বায (রঃ) ও শায়খ আবদুল্লাহ উমর নাসীফ এর মতো সালাফী আলেমদের স্বাক্ষরও আছে।
ফুরুয়ী মাসয়ালায় এই ইখতিলাফ যা ‘না হওয়া অসম্ভব’ ( ﻻ ﻳﻤﻜﻦ ﺃﻥ ﻻ ﻳﻜﻮﻥ ) এগুলো কি আজকের যুগে শুরু হয়েছে?
এগুলো কি এক-দুই দিনে, দুই-এক বছরে বাহাছ-বিতর্ক করে সমাধান করা, ঐক্যমতে পৌঁছানো সম্ভব?
তাহলে মুসলিম উম্মাহ কি এখন এসব ফুরুয়ী ইখতিলাফের সমাধান বের করতে আর কোন মাসয়ালায় কোন ইমামের ইজতিহাদ উত্তম তা বের করতে গিয়ে সকল সময় ব্যয় করতে থাকবে?
নাকি মূল ও বড় বড় সমস্যার সমাধানে সময় দিবে?
ধরুন, বিতরের নামাজের ব্যাপারে ৫/৬ মাস বিভিন্ন মাদ্রাসায় হাঁটাহাটি করে, বিভিন্ন আলেমদের মতামত জেনে, তাদের সকল যুক্তি-দলীল জেনে, নিজেরা আবার সেগুলোর বিচার-বিশ্লেষণ করে আমরা আমাদের বুঝ অনুযায়ী একটা স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে সামর্থ হলাম। এরপর আবার হটাৎ সামনে আসলো রফে-ইয়াদাইনের হাদিস, এরপর আত্তাহিয়াতুতে আঙ্গুল নাড়ানো, এরপর আসলো ঈদের নামাজে ১২ তাকবীরের হাদিস, এরপর আসলো তারাবীর নামাজের ৮ রাকাতের হাদিস, এরপর আসলো কোন দিন ঈদ – স্থানীয় চাঁদ নাকি বিশ্বব্যাপী চাঁদ এই আলোচনা ইত্যাদি।
এখন এই রকম প্রত্যেকটা মাসয়ালায় যদি আমরা ৩/৪ মাস করে হাঁটাহাঁটি করে সব পক্ষের মতামত, যুক্তি-তর্ক, দলীল-পত্র সাধ্যমতো যাচাই–বাছাই করে চলতে থাকি, আমাদের সারাটা জীবনই তো তাহলে এই পথে কেটে যাবে।
এইভাবে ফিকহের প্রত্যেকটা মাসয়ালায় সঠিক মত বের করার চেষ্টায় ব্রতী হওয়া কি প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জরুরী?
বর্তমানে উম্মতের এই দুর্যোগের সময়ে এসব ফুরুয়ী মাসয়ালার পিছনে কতটুকু সময় দেয়া যুক্তি-বুদ্ধি-ইনসাফ ও হিকমতের দাবী বলে আপনি মনে করেন?

২৮| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০১

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: (যে আরবী ভাষা জানে না, হাদিসে ও ফিকহ শাস্ত্র ইত্যাদি কিছুই জানে না) দলীল-প্রমাণ ছাড়াই সরাসরি ফতোয়া / মাসয়ালা জেনে নেয় এবং সেই অনুযায়ী আমল করে, তাহলে সেটা কি তার জন্য হারাম হবে?

২৯| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০১

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: (যে আরবী ভাষা জানে না, হাদিসে ও ফিকহ শাস্ত্র ইত্যাদি কিছুই জানে না) দলীল-প্রমাণ ছাড়াই সরাসরি ফতোয়া / মাসয়ালা জেনে নেয় এবং সেই অনুযায়ী আমল করে, তাহলে সেটা কি তার জন্য উচিৎ হবে?

৩০| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০২

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: যদি দলীল ছাড়া মাসয়ালা জানার সুযোগ না থাকে, এমতাবস্থায় এই ব্যক্তি কিভাবে যে কোন আলেমের কাছ থেকে মাসয়ালা জানবেন? সে তো আরবী ভাষা, তাফসীর, হাদিস, ফিকহের উসুল ইত্যাদি কিছুই বুঝে না?
নাকি দ্বীন ইসলাম সাধারণ মুসলমানদের জন্য দলীল না বুঝলেও দলীলসহ মাসয়ালা জানতে বাধ্য করেছে?

৩১| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০৪

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: ধরে নিন, আমরা হানাফী মাজহাবের অনুসারী। আমরা বর্তমানে বিতর নামাজ সেইভাবে আদায় করি যেভাবে হানাফী মাজহাবে উল্লেখ আছে। এখন যদি আমরা হটাৎ একদিন নীচের এই দুইটা হাদিস কোন সাধারণ শিক্ষিত মুসলমান ভাই এর মুখ থেকে শুনিঃ
রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিতরের প্রথম দুই রাকাতে সালাম ফেরাতেন না।’ আরেকটি বর্ণনায় আছে: ‘তিনি তিন রাকাত বিতর পড়তেন আর শুধু শেষ রাকাতে বসতেন।” [আন-নাসাঈ ৩:২৩৪, আল বায়হাকী ৩:৩১]
ইবনে ওমর (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর বর্ণনা যে তিনি সালামের মাধ্যমে প্রথম দুই রাকাতকে তৃতীয়টির থেকে আলাদা করতেন, এবং তিনি বলেন, রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এভাবে পড়তেন। [ইবনে হিব্বান ২৪৩৫]
এই দুইটা হাদিস শুনিয়ে আমাদের ঐ ভাই আমাদেরকে বললেন, বিতরের নামাজ হানাফী নিয়মে পড়লে হবে না। বরং হয় তিন রাকাত পড়লে হয় মাঝখানে না বসে সরাসরি ৩য় রাকাতে উঠে দাঁড়াতে হবে। অথবা ২ রাকাত পর সালাম ফিরিয়ে আলাদা এক রাকাত পড়তে হবে।
এখন আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণের মানে কি এটাই যেঃ
আমরা আর কোন যাচাই-বাছাই না করে, এই সাধারণ শিক্ষিত ভাই এর কথায় আমাদের বিতরের নামাজ পরিবর্তন করে ফেলবো?

৩২| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০৫

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: অথচ তিনি এখনো আমাদেরকে জানাতে পারছেন না যেঃ
– বিতরের নামাজের ব্যাপারে অন্য আর কি কি হাদিস আছে, সেগুলির সাথে এই হাদিসের সম্পর্ক কি?
– অন্য কোন হাদিসের মাধ্যমে এই হাদিস কি মানসুখ হয়ে গেছে কিনা?
– অন্য কোন হাদিস এই হাদিসের অর্থকে খাস করে দিচ্ছে কিনা?
– এই হাদিসে ব্যবহৃত শব্দগুলোর অর্থ কি জাহির (সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট) নাকি এর শব্দগুলো থেকে বিভিন্ন অর্থ নেয়ার সুযোগ আছে?
– এই হাদিস যদি অন্যান্য সনদে বর্ণিত হয়ে থাকে – তাহলে এই সনদ থেকে শক্তিশালী অন্য কোন সনদের হাদিসের মতনের সাথে
এর তারতম্য আছে কিনা?
– এই হাদিসের রাবীরা নিজেরা এই হাদিসের উপর আমল করছেন কিনা?
– এই হাদিস ফেলী হলে একই ব্যাপারে ক্বাওলী কোন হাদিসের সাথে এর বিরোধ আছে কিনা?
– এই হাদিসে ব্যবহৃত শব্দের অর্থ কোন স্তর থেকে নেয়া উচিত হবেঃ ইবারাহ, দ্বলালাহ, ইকতিদা, নাকি ইশারাহ স্তর থেকে?
– এই হাদিসের উপর ভিত্তি করে সাহাবা, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীনগণ (রাদিয়াল্লাহুম আলাইহিম আজমাঈন) কিভাবে আমল
করেছেন?
– সাহাবাগণের (রঃ) আমলে এই হাদিসের পক্ষে-বিপক্ষে আমল পাওয়া যায় কিনা?
– এই হাদিসের ব্যাখ্যায় তাবেয়ীন ও তাবে-তাবেয়ীনগণ কি বলেছেন? তাঁদের মাঝে এর ব্যাখ্যায় দ্বিমত ছিলো কিনা?
– এই হাদিসের সাথে অন্য হাদিসের বিরোধ থাকলে এই হাদিসগুলোর মধ্যে সমন্বয় হবে কিনা? নাকি একটির উপর আরেকটি তারজীহ (প্রাধান্য) পাবে, নাকি দুইটার উপরই আমল স্থগিত থাকবে?
– আবার সমন্বয় হলে কিভাবে হবে? এই হাদিসগুলোর ব্যাপারে কোন আলেমের সমন্বয় উত্তম?
– তারজীহ দেয়া হলে কিসের ভিত্তিতে তারজীহ দেয়া হবে? কোন মুজতাহিদের তারজীহ দেয়া এই ব্যাপারে উত্তম হয়েছে?
– সার্বিকভাবে এই হাদিসের অর্থ ও ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অমুক ইমামের ইজতিহাদ সঠিক নাকি অন্য কোন মুজতাহিদ ইমামের ইজতিহাদ সঠিক?
– যদি দুইজন মুজতাহিদ ইমামের ইজতিহাদে, এই হাদিসের ব্যাখ্যা ও প্রয়োগে পার্থক্য হয়ে থাকে, তাহলে দুই মুজতাহিদ ইমামের মাঝে এই হাদিস থেকে মাসয়ালা ইস্তেমবাতের ক্ষেত্রে কার ফিকহের উসুল (দলীল থেকে হুকুম বের করার মূলনীতি) অধিক শক্তিশালী ও অধিক উপযোগী ছিলো?
– এই দুই ইমামের ইজতিহাদগত মতপার্থক্যের ব্যাপারে হাদিসের ও ফিকহের অন্যান্য ইমামরা কি কি বক্তব্য দিয়েছেন, যার মাধ্যমে বুঝা যায়, এই মাসয়ালায় কোন ইমামের ইজতিহাদ সঠিক?
– যদি পরবর্তী ইমামরাও এই মাসয়ালায় দ্বিধা-বিভক্ত থাকেন, তাহলে কোন পক্ষের উসুল এই ক্ষেত্রে শক্তিশালী ছিলো? আর আমরা কোন কোন ভিত্তির উপর এই দুই উসুলের মাঝে যে কোন একটিকে শক্তিশালী মনে করে সেই পক্ষের মতকে অধিক গ্রহণযোগ্য মনে করছি? ইত্যাদি
উপরুক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর না শুনে / না জেনে উপরুক্ত হাদিস দুটো শুনা মাত্রই কি সাথে সাথে আমাদের জন্য আমল পরিবর্তন করে ফেলা উচিত হবে?

৩৩| ১৭ ই অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১:০৯

আবু আঈমান বিন শাহাদাত বলেছেন: এছাড়াও রাসুলুল্লাহ (সাঃ) উম্মত ফিতনায় পড়তে পারে, ভুল বুঝতে পারে এই আশংকায় কাবাঘর পুনঃনির্মান করতে যাননি। এখন এই দেশের অধিকাংশ সাধারণ হানাফী মুসলমান ভুল বুঝতে পারেন, তখন তাওহীদের সঠিক কথাই তাদের সামনে তুলে ধরা যাবে না, মাজহাব বলতে কিছু নেই।
– কারো তাকলীদ করা যাবে না।
– তাকলীদ সর্বাবস্থায় হারাম। ইত্যাদি।
ইমাম ইবনে তাইমিয়া (রঃ) এর ঐ কথার ব্যাপারে আপনার অভিমত কি যেখানে তিনি অন্য কোন আলেমের তাক্বলীদ ব্যতীত কিংবা অন্য শক্তিশালী কোন দলীল ছাড়াই নিজ মাজহাবের বিপরীত আমল করাকে নফসের খায়েশাত বলে উল্লেখ করেছেন?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.