| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খুব ভাল একটা মেয়ে সারা। যে উত্তরার একটা কিন্ডারগোর্টেন স্কুলে- ঢাকা প্রিক্যাডেট এ চাকুরী করে, কিন্তু তার ছেয়ে মেয়েদেরকে খুব উচ্চ শিক্ষিত করবে এই আশা নিয়ে। অরণ্য যে কিনা খুব ছোট একটা চাকুরী করে আর তার চিন্তাও সারার মত ছেলে মেয়েদেরকে উচ্চ শিক্ষিত করবে। কিন্তু সারা হঠাৎ করে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। বারডেম, ওমেন মেডিকেল, ল্যাব এইডন, আনোয়ার খান মর্ডান ইত্যাদিতে ২/৩ বছর যাবত চিকিৎসা করিয়ে কোন লাভ হয়নি। এর উপরে অরণ্য ও সারা সর্বস্বান্ত ও ঋণ গ্রস্ত হয়ে পড়ে। তখন তাদেরে শিশু কন্যাকে দিয়ে দেয় একটা মানবিধাকার কর্মী দম্পতির কাছে। যারা নিঃসন্তান ও সন্তানাদি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। অরণ্য ও সারা দুজনেরই পিতা মাতা ভাই বোন নেই। বন্ধুদের ঋণ সাহায্যে একটি বাচ্চাকে নিয়ে তারা কোন মতে চলছিল। কিন্তু সারার অবস্থা ক্রমশঃ আরো অবনতির দিকে। অরণ্যর চাকুরীটাও চলে যায়, অনিয়মিত অফিস করার কারণে। এভাবে নিজেদেরকে সাথে শিশুটাকেও না কষ্ট দিয়ে, এ অবস্থায় তারা সেই একই শর্তে পুত্র কে দত্তক দিতে চায়। ঠিক একই শর্তে (১) যাদের কোন সন্তান নেই বা হবে না। (২) বাচ্চাকে উচ্চ শিক্ষিত করবে। (৩) প্রতি মাস শেষে দুর থেকে বাচ্চাকে দেখে যাবে জাস্ট নিশ্চিত হবে যে সে কেমন আছে । কিন্তু কখনো দাবী করবেনা। যেভোবে কন্যা সন্তানকে দত্তক দেওয়া হয়েছে। পোষ্টে তাদের ছেলে মেয়ে দুজনেরই ছবি দেওয়া হয়েছে।
আমার অফিস শ্যামলীতে। যদি কেহ এই শর্তে দত্তক নিতে চান যোগাযোগ করতে পারেন।
মোবাইল : ০১৭৪৩৩৮৪২১১
ইমেইল : [email protected]
২|
২৮ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:০৬
আবু জাফর স্টান্ডার্ড বলেছেন: পোষ্টটি ফেসবুকে শেয়ার করা হয়েছে। আপনিও শেয়ার করতে পারেন। যেন বাচ্চাটা একটা প্রপার ফ্যামিলি পায়।
৩|
২৮ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:১৪
বনসাই বলেছেন: আপনি কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করুন। আপন সন্তানকে এভাবে দত্তক দেয়ার প্রয়োজন হবে না। তাদেরকে বিস্তারিত জানান। দু'টি শিশুই আলোকিত মানুষ হয়ে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করবে ইনশাল্লাহ।
কথা বলুন এখানে; যেকোনো অফিসে।
৪|
২৮ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: আমার আর্থিক অবস্থা ভালো হলে- অবশ্যই আমি দত্তক নিতাম।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে মার্চ, ২০১৭ বিকাল ৩:৫৬
করুণাধারা বলেছেন:
আন্তরিক শুভকামনা সারা, তার সন্তান এবং আপনার জন্যও। আল্লাহ যেন তাদের সাহায্য করেন।
পোস্ট টা পড়ে মন খারাপ লাগল।