| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেকী ভদ্রলোক
বন্ধু যদি বন্ধুত্বের মর্যাদা না দেয়, তাহলে সে প্রকৃত বন্ধু নয়। আর ফুল যদি ঘ্রাণ না ছড়ায় তাহলে সে ফুল বাগানে থাকার উপযুক্ত নয়। (ইয়ার আগর ইয়ার না বাসদ, ইয়ার হারগেজ ইয়ার ইয়ার নিস্ত... গুল আগর খুশবু না বাসদ ক্বাবেলে গুলজার নিস্ত---শেখ সা’দী)
বিএনপি নামক দলটির মাথায় ঘিলু বলে কিছু আছে কিনা সে ব্যপারে আমার ব্যপক সন্দেহ আছে । বিএনপি আগাগোড়াই সুবিধাবাদী মাথামোটাওয়ালাদের একটা দল। এরা মনে হয় একটু সামান্য নিকট ভবিষ্যতের বিষয় সম্পর্কেও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
বাংলাদেশে যদিও কাগজে-কলমে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অরাজনৈতিক; তবে বাস্তবে সেটা পাগলেও বিশ্বাস করে না ।
তত্ত্বাবধয়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বাতিল হওয়ার পর থেকেই বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করে সেই সরকারের অধিনে জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে...কিন্তু তাদের সেই আন্দোলনকে আওয়ামী লীগ সরকার থোড়াই কেয়ার করে ফুঁৎকার দিয়ে উড়িয়ে দিচ্ছে...আর আসছে দিনগুলোতে সরকার তাদের চিল্লা-চিল্লিতে কর্ণপাত করবে এমন সম্ভাবনা নাই বললেই চলে । ঠিক এই অবস্থায় চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিএনপি চরম বোকামির পরিচয় দিলো ।
এখন এই সিটি নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থক প্রার্থীরা জিতুক আর হারুক, শেষ বিচারে লাভ হবে আওয়ামী লীগের....এমনকি আওয়ামী লীগ তার বৃহত্তর স্বার্থে নিজেদের প্রার্থীদের বলিও (হারিয়ে) দিতে পারে। প্রশ্ন হতে পারে বৃহত্তর সেই স্বার্থটা কী? যার জন্য আওয়ামী লীগ নিজের প্রার্থীদের বলি দেবে!
বিষয়টা হলো- আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। বর্তমান সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা যদি হেরে যায় বা রাজনৈতিক খেলার ছলে দলীয়ভাবে হারিয়ে দেয়া হয়, আর বিএনপি প্রার্থীরা জেতে তাহলে বিএনপি কোন মুখে দলীয় সরকার বাদ দিয়ে তত্ত্বাবধায়কের জন্য আন্দোলন করবে? তাদের অবস্থানটা তখন কোথায় দাঁড়াবে? তত্ত্বাবধায়কের জন্য কথা বলার নৈতিক অবস্থানটা কি তারা হারিয়ে ফেলবে না?
অপরদিকে আওয়ামী লীগ তখন বরাবরের মতো বড় মুখ করে বলতে পারবে যে, তাদের অধীনে যে কোন নির্বাচনই অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। সুতরাং এদেশে তত্ত্বাবধায়ক বলে কিছু আর কোনদিন আসার সুযোগ বন্ধ হওয়া এখন সময়ের ব্যপার মাত্র।
২|
১৪ ই জুন, ২০১৩ রাত ৮:২০
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মোটেই না। ভাই আরও বড় গলায় বলতে পারবে- জনগণ এই সরকার চায়না। এই নির্বাচনেই প্রমাণ হয়েছে- সরকারের জনপ্রিয়তা শূণ্যের কোঠায়!
সুতরাং সরকার যা চায় ত নয় আমরা যা চাই তাই জনগণের আকাঙ্খা। আমাদের দাবী লই চুদুরবুদুর চইলত ন ![]()
(রাজনীতিবিদের ভাষায়)
দেখা যাক। কোথাকার জল কোথায় গড়ায়?????
৩|
১৪ ই জুন, ২০১৩ রাত ৮:২৪
পিপাসার্ত বলেছেন: ১৯৯১ এর বিএনপির সময়েও আওয়ামী লীগ সিটি নির্বাচনে অংশ নিছে। শুধু তাই না, ঐ সময়ে মেয়র ও ছিল আওয়ামী লীগের। তারপরও তত্ত্বাবধায়ক আন্দোলনে তারা সফল। কারন জাতীয় আর সিটি নির্বাচন যে আলাদা তা দুই দলই বুঝে। বিএনপির প্রতি সফট কর্নার থাকলে যোগ দিন। দেশের জন্য রাজনীতি করুন। দুই দলেরই নীতি ঠিক থাকলেও নেতারা ঠিক নাই। ভাল লোকের রাজনীতিতে বড়ই প্রয়োজন।
৪|
১৪ ই জুন, ২০১৩ রাত ১০:২১
ক্যাপ্টেন ম্যাকক্লাস্কি বলেছেন:
বিএনপি-জামাট সবচেয়ে বড় মাইর খাইছে হেফাজতি মাইর!
সরকার আল্লামা সফিরে ম্যনেজ কইরা, বাবুনগরিরে রিমান্ডে নিয়া একটা বড় কাজ করছে, হেফাজতিদের কানে ধইরা বাইরাইতে বাইরাইতে তাদের রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটানো হইছে।
এইটা এ সময়ের আওমীলীগের সবচেয়ে বড় অর্জন!
সিটি নির্বাচনে এর একটা প্রভাব থাকবেই!
জনতার মনস্তত্ত বলে "সবাই শক্তিশালিদের বিজয়ীদের পক্ষেই থাকতে চায়"।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই জুন, ২০১৩ রাত ৮:১৮
যোগী বলেছেন:
না বিএনপি পাগল না, হেরা জাতে মাতাল বাট তালে ঠিক। এরা গাছের গোড়ারটাও খাইবো আগারটাও খাইবো?