নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মেকী হলেও আমি কিন্তু ভদ্রলোক...!

মেকী ভদ্রলোক

বন্ধু যদি বন্ধুত্বের মর্যাদা না দেয়, তাহলে সে প্রকৃত বন্ধু নয়। আর ফুল যদি ঘ্রাণ না ছড়ায় তাহলে সে ফুল বাগানে থাকার উপযুক্ত নয়। (ইয়ার আগর ইয়ার না বাসদ, ইয়ার হারগেজ ইয়ার ইয়ার নিস্ত... গুল আগর খুশবু না বাসদ ক্বাবেলে গুলজার নিস্ত---শেখ সা’দী)

মেকী ভদ্রলোক › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজনীতির বলি নিরীহ সংখ্যালঘূ সম্প্রদায়...

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৪:২৮

*** কয়েক দিন ধরে তথাকথিত মূলধারার গণমাধ্যমের খবর না পড়ার চেষ্টা করছি...কারণ বাংলাদেশের গণমাধ্যমের খবর পড়া আর গোলক ধাঁধায় চক্কর খাওয়ার মধ্যে তেমন কোন তফাৎ নেই...

কোন এক মনিষী বাংলাদেশের গণমাধ্যমের চরিত্র আর বেশ্যার দেহের পবিত্রতার মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলে মনে করেন না...

যাদের এখনও বিবেচনাবোধ বলে ন্যূনতম কিছু অবশিষ্ট আছে, তারা এ মহান মনিষীর বক্তব্যের সাথে ভিন্নমত পোষণ করবেন বলে মনে হয় না। (কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম যে একেবারে নেই এমনটা বলা অবশ্য ঠিক হবে না)

যাক, এখনও ফেইসবুকের কল্যাণে কিছু কিছু খবর অনিচ্ছা সত্ত্বেও জেনে যেতে হচ্ছে...

তেমনই একটি খবর- সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘূদের উপর হামলা...

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছি বলে আজকাল নিজের উপর খুব ঘৃণা হয়...ঘৃণা হয় এদেশের সেসব মানুষদের প্রতি, যারা ক্ষমতার জন্য করতে পারে না এমন কোন কাজ নেই! এদেশে সংখ্যালঘূরা স্বাধীনতার পর থেকে সব সময়ই রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতার বলি হয়ে আসছে...এবারও ব্যতিক্রম কিছু নয়। তবে সম্ভাব্য যেসব কারণে সংখ্যালঘূদের উপর হামলা হচ্ছে, তা কিছুটা নিম্নোক্ত কারণে হতে পারে বলে আমার মনে হয়-

* মনে করা হয়, এদেশে সংখ্যালঘূরা আওয়ামীলীগের সাপোর্টার। তাই আওয়ামীলীগ সরকারের অধীনে যেনতেনভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে সরকারবিরোধীরা ও একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী জামাত-শিবির চক্র এসব সংখ্যালঘূদের সহজ টার্গেট বানিয়েছে।



* ৫ জানুয়ারির সবাধ, অসুষ্ঠু, পক্ষপাতদুষ্ট ও জালিয়াতীর নির্বাচন নিয়ে সর্বত্র মানুষের মধ্যে যে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, সেটাকে ধামা-চাপা দেয়ার উদ্দেশ্যে সরকারের প্রচ্ছন্ন মদদে এসব হামলার ঘটনা ঘটছে।



* বাম-আওয়ামীলীগ মহাজোট সরকার বহির্বিশ্বের কাছে এই বার্তা দিতে চাচ্ছে যে, তারা ক্ষমতায় থাকতেই মৌলবাদী-জঙ্গিরা এভাবে সংখ্যালঘূদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, তারা ক্ষমতা ছেড়ে দিলে কী অবস্থা হতো...?



* আরেকটি কারণ হতে পারে, জামাতকে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাধীনতাবিরোধী এ দলটিকে নিষিদ্ধ করার অজুহাত পাকাপোক্ত করার উদ্দেশ্যে এসব হামলার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।



যদিও এসব হামলার সাথে জড়িত হিসেবে জামাত ইসলামের কথাই সবচেয়ে বেশি বলা হচ্ছে... আমার কথা হলো, জামাত হোক আর যে-ই হোক এসব ন্যাক্কারজনক বর্বরোচীত ও কাপুরুষোচীত হামলার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, লোক-দেখানো নয়; বরং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। যদিও যারা সর্বস্ব হারিয়েছে, মানবতা আর বিচারের মত বড় বড় গালভরা বুলিতে তাদের কোনোই লাভ হবে না। কপাল চাপড়ানো ছাড়া তাদের কী-ইবা করার আছে? তারপরও অপরাধীদের সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষতিপূরণ পেলে কিছুটা শান্তনা হয়তো পাবে।

তবে নিরীহ সংখ্যালঘূদের উপর এসব হামলা ঠেকাতে ব্যর্থতার দায় সরকার কোনভাবেই এড়াতে পারবে না... কারণ প্রত্যেকটা মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব। তবে এ কথাও সত্য, যদি সরকার বা কোন পর্যায়ে আওয়ামীলীগ এসব হামলার সঙ্গে ন্যুনতমও জড়িত থাকে, তাহলে বিচারের আশা করা (অন্তত বাংলাদেশে) পাগলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়...

আশঙ্কা করি, পূর্বের সকল ঘটনার মতই এবারের এসব হামলার ঘটনাও ধামাচাপা পড়ে যাবে। তবে আমি আশা করতে চাই, আমার আশঙ্কা যাতে সত্য না হয়!

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৫:১২

হাতীর ডিম বলেছেন: আপনার লেখায় মনে হচ্ছে আপনি জানেন হামলা আওয়ামীলীগ করছে। এমন কোন প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন কি?
সংখ্যা লঘু শব্দটা বর্জনের অনুরোধ করছি। এদেশে জামায়াত শিবির ছাড়া আর সবাই বাঙ্গালী।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৫:৪৬

সবুজ সংকেত বলেছেন: আওয়ামী লীগের মতো কূটকৌশলে পারদর্শী একটি দলের জন্য এস কোন ব্যাপারই না ৷

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ ভোর ৬:০৯

মুনেম আহমেদ বলেছেন: সহমত।ভাল লিখেছেন

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:১৮

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

বিম্পি-জাশি চক্রের ককটেল বোমা, আগুনে পুড়িয়ে কাবাব বানানো সহ সকল প্রানঘাতি হামলাকেই চুপা শুশিলরা সাজানো বলে সরকারকে দায়ী করে চিপা মন্তব্য করে যাচ্ছে, কোন প্রাথমিক তথ্য প্রমান ছাড়াই!

উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপিয়ে 'অভিযুক্তদের পাপ' হালকা করার জন্য বিভিন্নভাবে চেষ্টা করেই যাচ্ছে।

এরা গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন মারা যাওয়ার পরও সাজানো ঘটনা বলে
এই গোষ্ঠিরা এখনো বলে ৭১এর বুদ্ধিজীবি হত্যা ভারতীয়দের কাজ!
মালালাকে হুমকি দিয়ে ঘোষনা দিয়ে সাবধান করে কয়েক দিন পরে গুলি করা হয়েছিল। এর পরও এই গোষ্ঠি মালালা ঘটনা আমেরিকানদের সাজানো বলে ধারনা করে। নাইন ইলেভেনের ধ্বংশকান্ডকেও তাই মনে করে।
লাদেন হত্যাকেও বলে কাল্পনিক!

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ৯:৫২

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: যারাই এটা করে থাকুক তীব্র নিন্দা জানাই,,,,,,,,,তবে আমার মনে কিছু প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে,,,,,,এত চিৎকার, এত সময় ধরে ঘরবাড়ি পুরলো অথচ আ’লীগের একজন সমর্থকও সেখানে গেল না,,,,,কেন !!! নিরাপত্তাবাহিনী কি করছিল,,,তারা কেন খবরটা পায় নাই,,,,,,,,!!! ওখানে দুই জন ক্যানডিডেটই আসলে আ’লীগের,,,,,,,,,,পরে একজন কলস মার্কা আর একজন আ’লীগ হতে মনোয়ন পাওয়া নৌকা মার্কা,,,,,,,,,,,,,,,। আসলে তাদের ভিতর কি হয়েছিল,,,,,,,,,,,!!

৥ হাসান কালবৈশাখী --- আমি মনে হয় আপনার চেয়ে বয়সে বড়ই হবো,,,,,,,,,আর আমি একজন মনে প্রাণে আ’লীগ,,,,,। কিন্তু এই ঘটনার পর হতে আমার অবস্থান অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে,,,,,,কারণ দল অন্যায় করলেও সাপোর্ট করবো !!! এমন পাগল অন্তত আমি নই,,,,,,,,,,,,,,

এখানে দেখলেই একটু পরিষ্কার হবেন এবং আরো দেখুন

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ১২:০০

অেসন বলেছেন: যে সমস্ত এলাকায় সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে খেয়াল করে দেখুন, সে এলাকাগুলিতে জামাত- শিবিরের সহিংসতা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সেখানে
জামাত জড়িত না থাকলে এই ঘটনা ঘটতো না। সেখানে আওয়ামী লীগ
নেতাকে হত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে।
তবে সরকার জানাসত্বেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়নি এটা হয়তোবা
তারা রাজনৈতিক ফায়দা নিয়েছে। আওয়ামী বিদ্রোহী প্রার্থীর প্রচ্ছন্ন সমর্থনের অভিযোগ আছে। আক্রান্তরা এক ঘন্টা আগে থেকে জানতো, কারা আক্রমনকারী তাও জানে। আওয়ামী লীগ জড়িত বলে জামাত- শিবির
সহ ধর্মীয় রাজনীতির সমর্থক গোষ্ঠী এর থেকে দায় এড়াতে পারে না।

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:০৬

মি. ফেসবুকিস্ট বলেছেন: ভালো লিখেছেন..... একমত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.