নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুন্দর মনের মানুষরা স্বাগতম

আবু তাশফীন

পাকি রাজাকরের বাচ্চারা সাবধান। ছাগলামি করলে ব্যান।

আবু তাশফীন › বিস্তারিত পোস্টঃ

১৯৭৪ সালের দূর্ভিক্ষ : Wiki বনাম বাস্তবতা

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

নোট: পাঠকদের ধৈর্য সহকারে পড়ার ও মন্তব্য করার অনুরোধ রইল।



১৯৭৪ সালের ভয়াবহ দূর্ভিক্ষে ১০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছে। অথচ, উইকি অত্যন্ত দায়সারা ভাবে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আমরা এখানে প্রমাণ সহকারের বাস্তবতাকে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।



Wiki information

==============

ইংরেজী উইকির ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশের এই দূর্ভিক্ষের উপর Bangladesh famine of 1974 শীর্ষক ৫-৬ লাইনের ছোট লেখাটি পড়ে যে কেউ ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের ঘটনাকে গুরুত্বহীন মনে করবেন এবং ভূল তথ্য পাবেন। এর পেছনে যে প্রকৃতপক্ষে সদ্য স্বাধীনতা প্রাপ্ত বাংলাদেশ সরকার ও প্রশাসনের সীমাহীন দূর্নীতি ও লুটপাট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি, মুক্তিযুদ্ধে সাহায্যকারী ভারত সরকারের লুটপাট - এরকম কারণগুলো মূলত দায়ী - উইকির নিবন্ধে সে সব কিছুই আসেনি।



উইকির নিবন্ধে দূর্ভিক্ষের জন্য দায়ী করা হয়েছে দু'টি কারণ:

১) a combination of natural disasters (cyclones, droughts and floods) in the early 1970's: আশ্চর্য ব্যাপার! ১৯৭০ এর ঘুর্নিঝড়ের পরপর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাসে এদেশের মানুষ না খেয়ে মরেনি। তাহলে ১৯৭০ সালের ঘুর্নিঝড়ের কারণে কেন ১৯৭৪ সালে মানুষ মরবে। পাগলেও একথা বিশ্বাস করবে না। আর কারণ যদি তাই হয়ে থাকে, তাহলে ১৯৭২-৭৪ পর্যন্ত ৩ বছরে বাংলাদেশ সরকার কি করেছিল? (এ আলোচনায় পরে আসছি)



২) various local and internationally influenced socio-political factors: the U.S. had withheld 2.2 million tonnes of food aid: মানুষ এতো কান্ডজ্ঞানহীন কিভাবে হয়? আমেরিকর সাহায্যের জন্য কেন আমাদের বসে থাকতে হবে? এরা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে ছিল, হেনরী কিসিন্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি উপাধি দিয়েছে, তারা পাকিদের দোসর -- কেন বাংলাদেশ সরকার আমেরিকার সাহায্যের আশায় বসেছিল? কেন ভারত-রাশিয়া-ইসরাঈল-ভুটান, যারা বাংলাদেশের প্রাথমিক স্বীকৃতিদাতা, সাহায্য নিয়ে এগিয়ে এলনা? এরাই তো তৎকালীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু!



মজার ব্যাপার হলো, socio-political factors গুলোর মধ্যে প্রকৃত কারণগুলো উইকি লিখেনি!





বাস্তবতা:

=========

এবার আসুন দেখি ১৯৭৪ সালের দূর্ভিক্ষের জন্য তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার ও ভারতীয় আগ্রাসন কতটুকু দায়ী।



১) ৫০০০ কোটি টাকার সম্পদ ভারতে পাচার:

দুইশ বছরের ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ যা পারেনি, ২৫ বছরে পাকিরা যা করার সাহস পায়নি, মাত্র ৩ বছরে হিন্দুস্হানী মাড়োয়ারী বঙ্গবন্ধুরা (!) তাই করেছে। লুটপাটের খতিয়ান:



ক. ধান-চাল-গম (৭০-৮০ লাখ টন, গড়ে ১০০ টাকা ধরে): ২১৬০ কোটি টাকা।

খ. পাট (৫০ লাখ বেলের উপরে): ৪০০ কোটি টাকা।

গ. ত্রাণ-সামগ্রী পাচার: ১৫০০ কোটি টাকা।

ঘ. যুদ্ধাস্ত্র, ঔষধ, মাছ, গরু, বনজ সম্পদ: ১০০০ কোটি টাকা।

-------------------------------------

সর্বমোট: ৫০০০ কোটি টাকা (প্রায়) (সূত্র: জনতার মুখপত্র, ১ নভেম্বর ১৯৭৫)





ভারতীয় অমৃতবাজার দৈনিক (১২ মে ১৯৭৪) থেকে, ভারত সরকার ২-২.৫ শত রেলওয়ে ওয়াগন ভর্তি অস্ত্র-শস্ত্র স্হানান্তর করেছে, যার বাজার মূল্য আনুমানিক ২৭০০ কোটি টাকা। এছাড়াও, চীন থেকে জয়দেবপুর অর্ডিনেন্স ফ্যাক্টরী থেকে অস্ত্র নির্মানের কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ভারতে স্হানান্তরিত হয়। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে '৭৫, পৃ:৫২৮-৫৩১)



২) পাটের মুকুট স্হানান্তর:

বাংলাদেশের পরিবর্তে রাতারাতি আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের মুকুট পরল ভারত। ফারাক্কা চুক্তির নামে বাংলাদেশকে মরুভূমি করার চক্রান্ত, টাকা বদলের নামে অর্থনীতি ধ্বংস, বর্ডার বাণিজ্যের নামে ভারতের বস্তপঁচা মালের বাজার। বাংলাদেশের শিল্প কারখানা থেকে যন্ত্রাংশ চুরি করে আগরতলায় পাঁচটি নতুন পাটকল স্হাপন! (আখতারুল আলম, দু:শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃ: ১১৫-১১৬)



৩) সৌখিন দেশপ্রেমিকদের অর্থনৈতিক শোষণ:

স্বাধীনতার পর কি হলো? এক সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা চলল অর্থনীতি ধ্বংসের। উৎপাদন কমে গেল, শ্রমিক অসন্তোষ বেড়ে গেল। কলকারখানা ধ্বংস হলো। গুপ্ত হত্যা শুরু হল। কোন এক অশুভ শক্তি যেন বাংলার মানুষকে নিয়ে রক্তের হোলি খেলায় মেতে উঠল। সেসব সৌখিন মানুষ চারখার করে দিল বাংলার মানুষের স্বপ্নসাধ। চোরা কারবারের লাইন তারা আগেই করে রেখেছিল। প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সরকারী কর্মচারী, অসাধু ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। সরকারী সমর্থনপুষ্ট না হলে এমন অবৈধ ব্যবসা সম্ভব না ... শুধু তাই নয়, ভেজালে চেয়ে গেল সারা দেশ।



দীর্ঘ ৩ টি বছর আমরা এমনটি প্রত্যক্ষ করেছি। আমাদের চোখের সামনে চাল-পাট পাচার হয়ে গেছে সীমান্তের ওপারে, আর বাংলার অসহায় মানুষ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দ্বারে দ্বারে। (মেজর অব: মো: রফিকুল ইসলাম বীরোত্তম: :শাসনের ১৩৩৮ রজনী, পৃ: ১১৯-১২৬)



৪) শক্তিশালী চোরাচালানী সিন্ডিকেট:

সীমান্তের ১০ মাইল এলাকা ট্রেডের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হলো। এর ফলে ভারতের সাথে চোরাচালানের মুক্ত এলাকা গড়ে উঠে। পাচার হয়ে যায় দেশের সম্পদ। (আবুল মনসুর আহমদ: আমার দেখা রাজনীতির ৫০ বছর, পৃ: ৪৯৮)



এর ফলে চোরাচালানীদের যে শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছিল, তা আজও আছে এবং তা দেশের অনুন্নত অর্থনীতির জন্য দায়ী।



৫) তাজুদ্দীন কর্তৃক মুদ্রামান হ্রাস:

এক অভাবনীয় ও অচিন্তনীয় ঘটনা। ১ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে তাজুদ্দিন এক আদেশ বলে দেশের মুদ্রামান ৬৬% হ্রাস করেন। এর আগে বাংলাদেশের মুদ্রামান ভারতের চেয়ে বেশি ছিল। তাজুদ্ধীনের আদেশে দেশের অর্থনীতি মুদ্রাস্ফিতি বেড়ে গেল ও জনজীবনে দ্রব্যমূল্য হল আকাশচুম্বী।



এছাড়া ভারত-বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্পূরক আখ্যা দিয়ে ভারতে পাট বিক্রির নিষেধাজ্ঞা উঠে গেল। নাম মাত্রমূল্যে বা জালটাকায় পাট পাচার শুরু হল। (অলি আহাদ: জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫ থেকে '৭৫, পৃ:৫২৮-৫৩১)





৬) ভারত জালনোট ছেপে অর্থনীতি ধ্বংসের আয়োজন করে:

বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া ধনসম্পদের পরিবর্তে আরো যে সব মহামূল্যমান (!) ধনসম্পদ আসত সেগুলোর মধ্যে ছিল ভারতে ছাপা বাংলাদেশী জাল নোট। এর পরিণাম এতই ভয়াবহ যে তাজুদ্দীন বলতে বাধ্য হয়েছেন, 'জালনোট আমাদের অর্থনীতি ধ্বংস করিয়া দিয়াছে'। (আব্দুর রহিম আজাদ: ৭১ এর গণহত্যার নায়ক কে: পৃ: ৫২)





৬) ক্ষমতাসীনদের স্বীকারোক্তি:

বাংলাদেশের কতিপয় নেতার বিদেশে ব্যাংক ব্যালান্স রয়েছে, তারা অনবরত দেশ থেকে মুদ্রা পাচার করে দিচ্ছে। ফলে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদ্ন্ড ভেঙ্গে পড়ছে। দেশের মানুষ কাপড়ের অভাবে মরছে, আর এক শ্রেণীর মানুষ লন্ডনে কাপড়ের কল চালু করছে। (তাজুদ্দীন, জনপদ ১১ মার্চ ১৯৭৪)



দেশ স্বাধীনের দুদিনেই শুরু হল হরিলুট। শিল্প কারখানায় অস্তিত্বহীন শ্রমিকের নামে মাহিনা লুট, পাটকলগুলিতে যন্ত্রাংশ ক্রয়ের নামে লুট, বস্রশিল্পে তুলা ও সুতা কেনায় কোটি কোটি টাকা লুট, ১৯৭১ এর অবাঙ্গালীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে লুট, ১৬ ডিভিশন নামের ভূয়া মুক্তিযোদ্ধার নামে সরকারী সম্পদ লুট। (এম এ মোহায়মেন: বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামীলীগ, পৃ ১৪, ৪৪)





৭) কলকাতায় রাজনৈতিক নেতাদের যৌন ট্রিপ, গায়ক ও নর্তকী আমদানী:

'কয়েকদিন আগে তোমাদের কিছু নেতা কলকাতা এসেছিল কিছু নমকরা গায়ক-নর্তকী ভাড়া করার জন্য। যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে এরকম কাজ শুধু অনৈতিকও নয়, অমার্জনীয়। দু:খ হয়, তোমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে আমারও কিছু অবদান ছিল।' (কবি বুদ্ধদেব বসু, আমার দেশ : আমার স্বাধীনতা, পাক্ষিক পালাবদল। নোট: পালাবদলের ব্যাপারে জনৈক ব্লগার আপত্তি তোলা সত্ত্বেও কবি বুদ্ধদেব বসু সর্বজনগ্রাহ্য বলে এসূত্র দেয়া হলো।)



লুটপাট সমিতির সদস্যরা তখন কোলকাতার অভিজাত পাড়ার হোটেল, বার, রেস্তোরায় বেহিসেবী খরচের জন্য 'জয় বাংলার শেঠ' উপাধী পেয়েছিল। সেখানে মুক্তহস্তে খরচ করতো, বিলাসবহুল ফ্লাটে থাকতো। সন্ধ্যের পরে হোটেল গ্র্যান্ড, প্রিন্সেস, ম্যাগস, ব্লু ফক্স, মলিন র‌্যু, হিন্দুস্হান ইন্টারন্যাশনালে দামী পানীয় ও খাবারের সঙ্গে পাশ্চাত্য সংস্কৃতি উপভোগ করতো। সারার রাত পার করে ভোর বেলা ফিরতো নিজেছের বিলাসবহুল ফ্লাটে। (শরীফুল হক ডালিম, যা দেখেছি যা বুঝেছি যা করেছি, পৃ ১২০-১২২। নোট: ডালিম বঙ্গবন্ধুর স্বঘোষিত খুনি, বিতর্কিত। তার বক্তব্যের সাথে কবি বুদ্ধদেব বসুর বক্তব্য মিলে যাওয়ায় এই সূত্র রাখা হলো।)







পরিশেষ:

=========

পরিশেষে, উইকি কি ১৯৭৪ সালের দূর্ভিক্ষের উপরের প্রকৃত কারণগুলো লিখবে, নাকি গঁদবাঁধা দু-একটি দূর্বল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষদের বিভ্রান্ত করবে? তবে উইকি যাই করুক, আমাদের আমাদের ইতিহাস জেনে শিক্ষা নিতে হবে।







আরো প্রকৃত সত্যের জন্য পড়ুন ঢাবির প্রফেসর নুরুল ইসলামের প্রবন্ধটি

মন্তব্য ৪১ টি রেটিং +১৮/-১২

মন্তব্য (৪১) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৩

শরীফ উদ্দীন বলেছেন: আপনার সাহসী, সুন্দর, তথ্য বহুল পোষ্টের জন্য সাধুবাদ জানাই। শত +++++++++++। সোকেশে রাখলাম।

২| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৪

রাগিব বলেছেন: উইকির কর্তৃপক্ষ কে ভাই? উইকির হেডকোয়ার্টারের সামনে আসেন ভাই অবস্থান ধর্মঘট করি। কী ষড়যন্ত্র!!

তথ্য থাকলে নিজে যোগ করেন না কেনো? উইকিপিডিয়ার কোনো নিবন্ধ নিজে নিজে লেখা হয়ে যায় না। কেউ লিখলে লেখা বাড়ে। অমুক নাই কেনো, তমুক নাই কেনো, তার জবাব হলো আপনি আমি যোগ করি নাই বলেই নাই।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৯

আবু তাশফীন বলেছেন: আপনাকে উইকির একজন বলে ব্লগ থেকে জানতে পেরেছি। আপনার দেশপ্রেমের ব্যাপারেও কোন সন্দেহ নেই। আমি সময় ও উইকিতে লেখার অভিজ্ঞতা না থাকায় আপনাকে দেশের পক্ষে কাজটি করার অনুরোধ করছি। প্লিজ।

৩| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৬

শরীফ উদ্দীন বলেছেন: উইকির মত এত বড় একটি পিডিয়ার এমন দায়িত্বহীন লেখা সাজেনা।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০১

আবু তাশফীন বলেছেন: জায়গা মতো সবাই দায়িত্বহীন । রাগিব ভাই উইকির একজন। উনাকে অনুরোধ করেছি। দেখি, উনিও দায়িত্বহীন হয়ে যান কিনা।

আমার আশংকা মিথ্যা হলে, ভাল লাগবে, দেশের উপকার হবে।

৪| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:৫৮

রাফা বলেছেন: আপনি কার দালাল ?আপনিও তো ভূল তথ্যই দিচ্ছেন "ঈসরাইল " তৎকালীন সরকারের বন্ধু ছিল অথচ আমেরিকা কে ঠিকই শত্রু বলছেন।লুটপাট করার মত ধন-সম্পদই পেলেন কোথা থেকে।যদি দুর্ভিক্ষে প্রাপ্ত সাহায্যের কথা বলতেন তবুও মানা যেতো।

দালালী করবেন ভাল কথা ;কিন্তু ভুল তথ্য গুলোকে যুক্তিপুর্ণ করুন অন্তত।আপনারা যেখানে স্বিকার করেন না ৯ মাসে ৩০ লক্ষ শহীদ হয় নাই সেখানে ৭৪-এর দুর্ভিক্ষে ১০ লক্ষ লোক মারা গেছে ।ব্যাপারটা কি অযৌক্তিক মনে হয় না ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৬

আবু তাশফীন বলেছেন: আমি ভারত-পাকি কারো দালাল নই। আমি বাংলাদেশের দালাল। আপনি কি বাংলাদেশের দালাল হবেন। হলে আসুন এক হই, দেশের জন্য কাজ করি।

১৯৭২-১৯৭৪ সাল পর্যন্ত যেসকল ধন-সম্পদ লুট হয়েছে সেগুলোর খতিয়ান পত্রিকা/বই থেকে সূত্র সহকারে দেয়া হয়েছে পোস্টে।

৩০ লাখ শহীদের ব্যাপারে আমি কিছু বলি নাই। উইকির লেখায় প্রথম লাইন দেখুন, দূর্ভিক্ষে মৃতের সংখ্যা ওভার ১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ্যের অধিক বলা হয়েছে।

৫| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৫

রাগিব বলেছেন: আপনার পোস্টেই লিংক আছে। ঐ লিংকে ক্লিক করেন। পাতা ওপেন হলে পাতাটার উপরের দিকে "এডিট" বাটনে ক্লিক করেন। ্নির্ভরযোগ্য তথ্য সূত্র সহ তথ্য যা নাই বলে দাবি করেন, যোগ করে দেন। অমুক নাই, তমুক নাই, উইকির বিচার চাই কথা না বলে এবং সব কাজ অন্যে করে দিবে এই আবদার না করে নিজেই কাজ করেন।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:০৮

আবু তাশফীন বলেছেন: আমি চেষ্টা করব।

আপনি নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দায়িত্ব পালন না করে দায়িত্বহীনতার যে প্রমাণ দিলেন সেজন্য আপনাকে কি বলব ভেবে পাচ্ছিনা।

পাঠকরাই, সুবিচারক হবেন আশা করি।

৬| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১০

রাগিব বলেছেন: জ্বী, আমার দায়িত্বজ্ঞান অতি কম। আর আপনার সময় অত্যন্ত মূল্যবান, আর আমার সময় অঢেল, সব কাজ আমিই করবো। যে সময় এখানে বসে বিশাল পোস্ট দিয়েছেন, তার অনেক কম সময়েই উইকিতে তথ্য যোগ করতে পারতেন। সব দায় সব দায়িত্ব অন্যের ঘাড়ে না দিয়ে নিজেই করে দেখান। আপনার সময়ের মূল্য যেমন আছে, আমারও আছে। ধন্যবাদ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১০

আবু তাশফীন বলেছেন: ধন্যবাদ, চেষ্টা করবো।

৭| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৪

রাজর্ষী বলেছেন: ঐটুকুই আপনাদের ইতিহাস। তাই না? ঐটুকুকে বেচতে হবে বারবার। কারন দেখাতে হবে না যে পাকিদের অধিনে কত ভালো ছিলাম আমরা? হায়রে পাকি মন।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৬

আবু তাশফীন বলেছেন: পাকি আমলে ভাল থাকলে বাংলাদেশ কেন?

আওয়ামীলীগের ৭২-৭৫, ৯৬-০১ কোনটিই এরশাদের ৮১-৯০ এর চেয়ে ভাল নয় বলে আমি মনে করি। আর বিএনপি-জামাতি আমল? নাইবা বললাম।

৮| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:১৫

অচেনা সৈকত বলেছেন: হ্যাঁ ভাই, উইকিতে আপনি লিখে লিখে উইকিকে তথ্যসমৃদ্ধ করুন। আপনার মত লোকজনকেই উইকি হারিকেন দিয়ে খুঁজছে। তাড়াতাড়ি উইকিকে ত্রুটিমুক্ত করুন।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৭

আবু তাশফীন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২২

রাফা বলেছেন: আপনার সমস্যা কি ?এই বলছেন উইকির প্রতিবেদন বনাম বাস্তবতা ;আবার বলছেন উইকির তথ্য গ্রহণ করতে।ব্যাপারটা কি স্ববিরোধীতা নয় ?

আপনার শিরোনাম কি বলে ?

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:২৮

আবু তাশফীন বলেছেন: আমি মৃতের সংখ্যা নিয়ে কথা তুলিনি, তুলেছি দূর্ভিক্ষের কারণ গুলো নিয়ে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩২

আবু তাশফীন বলেছেন: আমার লেখায়, অলি আহাদ, মেজর অব: মো: রফিকুল ইসলাম বীরোত্তম, আবুল মনসুর আহমদ, তাজুদ্দীন, কবি বুদ্ধদেব বসু, এম এ মোহায়মেনের বক্তব্যের সূত্র উল্লেখ আছে। ইনারা সবাই দেশের সর্বজনগ্রাহ্য জাঁদরেল রাজনীতিবিদ বলে জানি। ইনাদের আপনার চিনতে কষ্ট হলে দয়া করে জানাবেন।

উনাদের লেখা বইগুলো সংগ্রহ করে পড়বেন আশা করি।

১০| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭

মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: তথ্যের উৎস যদি শরিফুল হক ডালিম হয় তাহলে বলার কিছু নেই। সাথে যোগ করেছেন পাক্ষিক পালাবদল। উৎসটা চমৎকার!!! বিদ্যাজাগতিক গবেষণায় কোনটির বাজার মূল্য নেই।
................................................................................................
৭৪ এর দুর্ভিক্ষ নিয়ে যেমন অতিকথন আছে তেমনি অনেক সত্য কথনও নেই। ভাল হতো আপনি সেদিকে নজর দিলে। শিরোনাম দেখে লেখাটিকে খুব একাডেমিক মনে হয়েছিল। পড়ে মনে হয়েছে রাজনৈতিক লিফলেট।
.........................................................................................
ভাল হতো ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের কার্য-কারণগুলোর সমগ্রতা নিয়ে কথা বললে। আ'লীগ সরকারের সময়ে সুশাসনের যে সমস্যা ছিল তার সাথে এর সহসম্পর্ক ছিল না আমি সেটি বলছি না। কিন্তু এটি মূদ্রার একটি পিঠের অংশ মাত্র। তার সাথে স্থানীয়, আঞ্চলিক এবং অবশ্যই আন্তর্জাতিক উপাদান সংশ্লিষ্ট ছিল। সুতরাং একাডেমিক শিরোনামের লেখাকে রাজনৈতিক লিফলেট না বানানোই ভাল। অবশ্যই আমরা রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন লেখা চাই। কিন্তু রাজনৈতিক লিফলেট নয়।
পুনশ্চ: পালাবদল, মেজর ডালিম এগুলো বিদ্যাজাগতিক আলোচনার কোন সূত্র হতে পারে না।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৬

আবু তাশফীন বলেছেন: আমার লেখায় চেষ্টা করেছি বিতর্কিত সূত্র ব্যবহার না করার চেষ্টা করেছি। মেজর জলিল কে বাদ দিয়েছি। ডালিম অবশ্যই বিতর্কিত, বঙ্গবন্ধুর খুনি। পালাবদল সম্পর্কে আমার আইডিয়া কম, এখন বাজারে তেমন চোখে পড়েনা।

এছাড়া অলি আহাদ, মেজর অব: মো: রফিকুল ইসলাম বীরোত্তম, আবুল মনসুর আহমদ, তাজুদ্দীন, কবি বুদ্ধদেব বসু, এম এ মোহায়মেনের বক্তব্যের সূত্র উল্লেখ আছে। ইনারা সবাই দেশের সর্বজনগ্রাহ্য জাঁদরেল রাজনীতিবিদ বলে জানি। ইনাদের অনেকে আওয়ামী রাজনীতিক ও মন্ত্রী ছিলেন।

উনাদের লেখা বইগুলো সংগ্রহ করে পড়বেন আশা করি।

আপনার পরামরশের জন্য ধন্যবাদ। আওয়ামী আকাম দেখলে মাথা ঠিক থাকে না।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৪৭

আবু তাশফীন বলেছেন: কবি বুদ্ধদেব বসু কলকাতার।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫০

আবু তাশফীন বলেছেন: পালাবদল গ্রহণযোগ্য না হলেও কবি বুদ্ধদেব বসু অবশ্যই গ্রহণযোগ্য।

১১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৮:৫৩

রাতুল২০০৮ বলেছেন: আফনে ভাই বিরাট ছাগু

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৫

আবু তাশফীন বলেছেন: তাই নাকি? প্রমাণ দিন।

আপনার সমর্থিত দলের বিপক্ষে গেলেই ছাগু।

এখন বুঝলাম, রাজাকারের বাচ্চাদের কথা - ৯ নম্বর সেক্টর কামান্ডার মেজর জলিল কেন রাজাকার, সিরাজ শিকদারকে কেন খুন করা হল।

আমার ব্লগে রাজাকার ছাগুদের ছাগলামির জন্য ব্যান মারা হয়।

১২| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৫

ফালতু মিয়া বলেছেন: ভাইরে সত্য কথা লিখলেই আপনি ছাগু, পাকি দালাল ইত্যকার অভিধায় পুরস্কার পাবেন। এই বদমায়েশরা সত্যকে সব সময় আড়ালে রাখতে চায়। আপনি যতই সত্য তুলে ধরুন তারা তা মানতে নারাজ। এ জন্যই এদেশের কোন উন্নতি দেখতে পাই না।

চালিয়ে যান, +

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:১৭

আবু তাশফীন বলেছেন: পাকি বা ভারতীয় নয়, বাংলাদেশের দালাল দলে যোগ দিন।

ধন্যবাদ।

১৩| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৩৭

রাজর্ষী বলেছেন: বাংলাদেশের দালাল হতে হলে আওয়ামী লীগের আবদানকে স্বীকার করতে হবে। আতীত ভুলের গঠনমুলক সমালোচনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতি, দর্শন যে স্বাধীনতার আকৃতি প্রদান করেছে সেসব জানতে হবে। আর যদি কেউ বর্তমানের গতানুগতিক আপরাজনীতি( যা সব দল করছে) আর একদলীয় বাকশাল এইসব দিয়ে আওয়ামী লীগকে শুধুমাত্র একটা দানব হিসাবে দেখেতে চায় তারা কোন মানসিকতার তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:৫০

আবু তাশফীন বলেছেন: আওয়ামীলীগের আবদানকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। আল্লাহ প্রকৃতই ৭১ সালে আমাদের প্রতি রহম করেছেন, না হলে এখনকার পাকিস্তাকে দেখলে গা শিউরে উঠে।

দু:খের বিষয়, আওয়ামীলীগের রাজনীতি ও দর্শন স্বাধীনতার আকৃতি প্রদান করলেও, স্বাধীনতা পরবর্তী ৭২-৭৫ সাল ও ৯৬-০১ সালে আওয়ামী শাসনে দেশের মানুষ এই রাজনীতি ও দর্শনের অন্তসারশূন্যতায় দেখতে পেয়েছে। নতুবা, স্বাধীনতার মাত্র ৩ বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধুকে কেন হারাতে হল, কেনইবা তার হত্যায় মানুষ খুশি হয়েছিল। আর কেনই বা ২০০১ সালের নির্বাচনে মানুষ রাজাকারদের ভোট দিয়ে এমপি মন্ত্রী বানালো? এবার ক্ষমতায় গেলেও, আওয়ামীলীগ কি সে প্রত্যাশিত নেতৃত্ব দিতে পারবে? মনে হয় না। সেই পুরোনো, নতুন বোতলে পুরান মদই এখনো আছে। তা আওয়ামীলীগের রাজনীতি ও দর্শন।

তাই বলছি, মূদ্রার এই পিটটিও আমাদের ভেবে দেখতে হবে।

১৪| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭

রাজর্ষী বলেছেন: বংগবন্ধু হত্যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধীরা আর আতিবিপ্লবী কমিউনিস্টরা যারা মুক্তিযুদ্ধ শেষ হইলেও অস্ত্র জমা দেয় নাই বরং সর্বাহারার আর গনবাহীনি নামে বিশৃংখলা করতেছিলো খালি তারা খুশি হইছিলো। আর খুশী হইছিলো সম্রাজ্যবাদী আমেরিকা কারন এটাতো তাদের ষড়যন্ত্রের ফসল।

৭২-৭৫, যুদ্ধ বিদ্ধস্থ একটা দেশ, মুসলিম অনেক দেশ আমাদের স্বিকার করে নাই, আমেরিকা আর তাদের পরাজিত দালালরা নিরন্তর ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে, দেশের মানুষ তখনও বিভক্ত, মানুষের হাতে অস্ত্র, প্রাকৃতিক দুর্যোগও নাকি ছিলো এমন একটা পরিস্থিতিতে আপনে নিজেই কল্পনা করেন তো কতটুকি কি করার আছে? একটা নির্বাচিত সরকারকেও আমরা ৫ বছর সময় দেই বর্তমানের স্থিতিশীল সময়ে তারপর বলি ব্যার্থ, সফল খুব কমই বলি আমরা আর সেই রকম একটা ভাংগাগড়ার সময় মাত্র তিন বছরে আওমীলীগ আর বংগবন্ধু এমনই ব্যার্থ হয়ে গেলো যে তাকে খুন করতে হলো সপরিবারে। আজব!! আপনের নিজের বিবেচনাকে প্রশ্ন করেন তো? কি দরকার ইতিহাস জানার। আর সত্যকার ইতিহাস জানলে দেখবেন যে কতটা নিষ্ঠুরভাবে তা বিকৃত করা হইতেছে, আর এইসব বিকৃতিতে আসলে আমাদের হাজার বছরের মধ্যে সবচেয়ে গৌরবজনক অর্জনকে হেয় করা হইতেছে।

আর ৯৬-০১, আমি নিজে দেখছি কতটা কি হইছে। আমি এরশাদ বিএনপিও দেখছি। অতএব আমার জানা আছে কে কি করেছে। আগ্রহ থাকলে পড়ে এই ব্যাপারে কথা হবে।

আমি খুবই বিএনপি-জামাত ঘেষা একটা ফ্যামিলি থেকে এসেছি। আপনে যা যা বলতেছেন আমি ছোট বেলা থেকে সেসব পড়ে শুনে আর জেনে এসেছি। কিন্তু আমি দেখেছি সেসব ছিলো বাযাসড, বিকৃত তথ্য যা লম্বা সময় ধরে তৈরী করা হয়েছে যার মৌলিক উৎস আসলে আমাদের স্বাধীনতাকে যথেষ্ট আবেগ দিয়ে উপলব্ধি না করা। আমি চরম পর্যায়ের জাতীয়তাবাদি, আমি মনে করিনা কোন দোহাইতেই আমরা অন্য জাতির অধিনে থাকতে পারি, সেটা মুসলিম হোক আর যাই হোক।তাই আমি সেসব ইতিহাস গুলোকে আবার পড়েছি একটি বাংগালী মানসিকতা আর দৃষ্টিভংগি নিয়ে। শোনেন ইতিহাসে একটা সত্য বলে কিছু নাই। যেটা আমাদের জন্য সত্য সেটা পাকিস্তানের জন্য মিথ্যা। ইতিহাস হয় শুধু মাত্র বিজযীদের জন্য সুতরাং আমাদের ইতিহাস আমাদের পক্ষেই লিখতে হবে। এখানে কোন পরিসংখ্যান আর সত্য মিথ্যা নাই।

আমি এসব নিয়া বেশী যুক্তি দিয়া তর্ক করিনা, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আবেগ নিয়া চলি। কিন্তু আপনে মনে হলো কিছু যুক্তিদিয়ে কমেন্টের জবাব দিচ্ছেন তাই কস্ট করে এত বড় কমেন্ট করলাম। আশা করি খালি শুনে নয় বিচার বিবেচনা দিয়ে যাচাই করবেন ইতিহাসকে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৩

আবু তাশফীন বলেছেন: আপনার কথাগুলো সত্যি ভাল লাগলো। আমার বলার খুব বেশি নেই। শুধু এটুকু বলব - বইপত্র ও মিডিয়া (পত্রিকা, টিভি) থেকে আমিও প্রকৃত ইতিহাস পাই না। আল্লাহই জানেন আসলটা কি। এজন্য বর্তমান সময়, যতটুকু নিজে দেখি-শুনি, তার উপর নির্ভর করি।

আর আপনার কথায়, আওয়ামীলীগকে দানব হিসেবে না দেখলেই বরং দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

সবাই মিলে দেশের কাজ করবে এটাই কামনা।

আপনাকে অন্তর থেকে ধন্যবাদ মূল্যবান সময় দিয়ে কমেন্ট লেখার জন্য।

১৫| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:০২

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: আমাদের আমাদের ইতিহাস জেনে শিক্ষা নিতে হবে।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:২৩

আবু তাশফীন বলেছেন: জ্বি।

১৬| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৮

রাতুল২০০৮ বলেছেন: জনাব,এখন যদি আপনারে পা্কিস্তানের নাগরিক হয়ে যাবার আমন্ত্রন জানানো হয় কি করবেন? চলে যাবেন নাকি এ দেশে থাকবেন?

১৭| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৫

ফজলে এলাহি বলেছেন: ++++++++++

খুবই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আউট করেছেন। তবে হাঁ, সময় সুযোগ করে উইকিতে যোগ করতে পারলে ভালো হবে।

১৮| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪

অভ্র বলেছেন: রাগিবের মন্তব্যে হাসি পেলো । সে উইকির এডমিন , তার কাজই তো এখানে । অথচ তার নাকি সময় নাই !

১৯| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫০

দেশী পোলা বলেছেন: সব ছাগুর গুস্টি ম্যাঁ ম্যোঁ করতে এসে গেছে,

লেখক বলেছেন, "আমার ব্লগে রাজাকার ছাগুদের ছাগলামির জন্য ব্যান মারা হয়",

নিজের জবান দিয়েছেন, এখন সত্যতা প্রমান করুন

২০| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

মাহমুদ রহমান বলেছেন: উইকির উপর দোষ দেয়ার কোন মানে নেই। উইকির উপর নির্ভরশীল হওয়ারও কিছু নেই। দেশের মানুষ প্রকৃত সত্যটা জানুক, সেটাই কাম্য।

আপনি লেখাটা উইকিতে ভুক্তি-অভুক্তির উদাহরণ না তুলে এমনিতেই লিখতেন... সেটাই ভাল হতো।

তবে অবশ্যই তথ্যগুলো এমন যা প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষের জানা উচিত।

২১| ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১:২৬

ইকারাস ইমন বলেছেন: গদাম

২২| ২৬ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৩০

গুগলরকস বলেছেন: চুদির ভাই, তরে গদাম...পাকি গো গু খা

২৩| ২৬ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪২

এম. মাসুদ আলম. বলেছেন: তথ্য বহুল। চমৎকার! ++++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.