নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুন্দর মনের মানুষরা স্বাগতম

আবু তাশফীন

পাকি রাজাকরের বাচ্চারা সাবধান। ছাগলামি করলে ব্যান।

আবু তাশফীন › বিস্তারিত পোস্টঃ

জামাত ও ইসলামকে একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলায় আজ এই পরিণতি!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:০৯

জামাতিরা নিজেদের ইসলামের রক্ষক দাবী করলেও অনেকে মনে করেন এরা ধর্ম ব্যবসায়ী এবং ইসলামের মধ্যে ফিতনা সৃষ্টিকারী। কাদিয়ানীদের মতোই এরা একটা ফেরকা। কিছু লোক মনে করেন, এরা পাকিস্তান পন্হী / ভারত বিরোধী রাজনৈতিক দল। এদিকে জামাতিরা নিজেদের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবী করে।



তবে শাহবাগ আন্দোলনের মধ্যে যে জনিসটি বেরিয়ে এল তা হচ্ছে, অনেকে জামাতের বিরোধিতা করতে গিয়ে যেভাবে ইসলামের বিরোধিতা করেছে, তা এদেশের ইসলামপ্রিয় মানুষদের ক্ষেপিয়ে তুলেছে। অথবা, বলা যায় জামাত সাধারণ মানুষদের ফুসলিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে। আরো একটি ব্যাপার, অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দল, যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে এবং শাহবাগ আন্দোলনের আগ পর্যন্ত এই ব্যাপারে মাঠে নামেনি, তারাও আজ ইসলাম রক্ষার নামে মিছিল সমাবেশ করছে।



এর পেছেনে যে বিষয়টি দায়ী বলে আমি মনে করি তা হল, অনেকে জামাতের বিরোধিতা করতে গিয়ে ইসলামের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছে। বিশেষ করে আধা-নাস্তিক ও নাস্তিক ব্লগার/সাংবাদিকরা অগ্রনী ভূমিকা রেখেছে। তাদের সেসব ইসলাম বিরোধী লেখা-লেখি তথ্যপ্রযুক্তির এদিনে

ফেসবুক, টুইটার ও অন্যান্য ব্লগ ও সামাজিক সাইটে সহজে পাওয়া যায়। (যেমন, প্রিয় ব্লগার রাজিব হত্যার পরে তাঁর ব্লগ ও ইসলাম বিরোধী লেখা গুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে।) সরকারও এহেন ইসলাম বিরোধী লেখকদের সমর্থন দিচ্ছে বলে আজকে একটি দৈনিকে প্রকাশ পেল। লেখাটিতে অভিযোগ, প্রকাশ্যে ধর্ম ও আদালত অবমাননার পরেও এসব নাস্তিক ব্লগার ধর্মদ্রোহী কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।



তাই আমি মনে করি, জামাতের বিরোধিতা করতে গিয়ে ইসলামের বিরোধিতা সঠিক নয়। যুদ্ধাপরাধীরা নিপাত যাক, কিন্তু ইসলামের অবমাননার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৮:১৯

এস দেওয়ান বলেছেন: যা সত্যি তা উঠে আসবেই । ইসলাম সম্মন্ধে কেউ সত্যি কথা লিখলে তা ইসলাম অবমাননা কেন হবে ? অন্ধ যুগে মানুষ আর কত কাল থাকবে ?

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৫২

আবু তাশফীন বলেছেন: সত্য সবার ঊপরে। ধন্যবাদ।

২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:২৩

হাবিব০৪২০০২ বলেছেন: ধার্মিক এক্সট্রিমিস্ট আর এইসব ধর্মবিদ্বেষিদের মধ্যে কোনোই পার্থক্য নেই! এরা দুই গ্রুপই সমাজে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প সমান ভাবে ছড়ায়!!

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৫৩

আবু তাশফীন বলেছেন: ধার্মিক এক্সট্রিমিস্ট ও ধর্মবিদ্বেষী দুদলই সমাজের ক্ষতিকারক। ধন্যবাদ।

৩| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩০

মনসুর-উল-হাকিম বলেছেন: জামাত ও ইসলামকে একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলায় আজ এই পরিণতি! জামাতের বিরোধিতা করতে গিয়ে ইসলামের বিরোধিতা সঠিক নয়। যুদ্ধাপরাধীরা নিপাত যাক, কিন্তু ইসলামের অবমাননার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৫৪

আবু তাশফীন বলেছেন: একমত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৪| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৩৩

বিডি ফুল বলেছেন: বাংলাদেশে বসে যারা ইসলাম কে গালি দেয় ওদের গদাম দিয়ে এখন বের করার সময় হয়েছে, তসলিমার পরিণতি অপেক্ষা করছে ওদের জন্য।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৯:৫৫

আবু তাশফীন বলেছেন: মারামারি না করে লেখা-লেখি, আইনি লড়াই ভালো। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সবার আছে, কিন্তু অন্যদের বিশ্বাসে আঘাত করে নয়। ধন্যবাদ।

৫| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০৬

কিংব্লগার বলেছেন: রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য রাজনীতিবীদারা ধর্মের উপর আঘাত করবে আর সাধারণ জনগন তথা ইসলাম প্রিয় বাংলার লক্ষ জনতা তা সইবে না।

৬| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ সকাল ৭:০৩

আবু তাশফীন বলেছেন: thik bolechen,

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.