| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আলোকিত চিন্তা
আলোকিত চিন্তা হচ্ছে সর্বোত্তম চিন্তা। এ চিন্তার মাধ্যমে সটিক সিদ্ধান্তে আসা যায়।
নাস্তিকতা যদি ফ্যাশন হয় বলার কিছু নেই। এরা স্রোতের টানে আনে স্রোতেই ভেসে যায়। ক্ন্তিু নস্তিকতা যাদের জ্ঞানলব্ধ অর্জন, বিশ্বাস বা সমন্বিত শিক্ষা তাদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলবো আমরা কতটুকুই বা জানতে পেরেছি। আমাদের শিক্ষা এত তাড়াতাড়ি আমাদের ফিক্সড হওয়ার মত উপকরন কি দিতে পারে বা পেরেছে? অনেক প্রশ্ন প্রশ্নই রয়ে গেছে। নাস্তিক কিংবা আন্তিক কেউ কি রেশনাল লজিক ব্যবহার করে চুড়ান্ত পয়েন্টে আসতে পেরেছে? আমরা সকলে একটা ইকুইলিবিরিয়াম পয়েন্টে এসে সান্তনা খুঁজি।
যাই হোক সত্য বুঝতে চাওয়া আর সত্যের মুখোমুখি হ্ওয়া এবং সত্যের কাছাকাছি যাওয়া কোনটাই এক ব্যাপার নয়। অনেকে আমরা সব কিছু বুঝে ফেলার ভান করি। কেউ আবার নিজের মত করে বুঝি। কেউই আমরা সহনশীল মাত্রায় বুঝিনা। সহনশীল এজন্য বললাম কারন আমাদের দেশে পরস্পর বিপরীত চিন্তার বা আদর্শের দুজন পাশাপাশি বসতে পারে না। এক জনের চিন্তা বা আদর্শ আর এক জনের জন্য অসহনশীল হয়ে ওঠে। কেউ কারোর চিন্তাকে শ্রদ্ধা করেনা।
কথা বলছিলাম যারা ইসলাম সম্পর্কে বুনিয়াদী পড়াশুনা না করে ঢিল মারে তাদের ব্যাপারে। ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারনা পেতে হলে কয়েকটি বিষয় সম্পর্কে জানা বাধ্যতামূলক।
১। কোরআনের তাফসীরঃ তাফসীর না পড়ে যদি কেউ বলে আমি ১০০০ বার কোরআন পড়েছি। কোন লাভ নেই। সম্পূর্ন কোরআন অর্থসহ মুখস্ত করলেও কোন লাভ হবেনা। তাফসীরের মধ্যে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য হলঃ
ক) তাফসীরে ইবনে আব্বাস
খ) তাফসীরে ইবনে কাসীর
গ) তাফসীরে জালালাইন
ঘ) মারেফুল কোরআন
ঙ) ফি জিলালিল কোরআন
এছাড়া আরো অনেক তাফসীর আছে। তাফসীর পড়ার পর আপনার নাসেক মানসুখ বুঝতে হবে। কোন কোন আয়াত রহীত হয়ে গেছে তা। কোন কোন আয়াতের বিধান কার্যকর হবেনা।
২। হাদীসঃ কোরআন মুখস্ত করে ফেলেছেন। তাফসীর পড়ে ফেলেছেন। নাসেক মানসুখ ও বোঝেন কিন্তু হাদীস পড়েন নি। এরফলে যেটা হবে আপনি ইসলামের এ্যাপলিকেশন বুঝবেন না। গরমের ওয়াজ শীতে করে ফেলবেন। বিধান বা আইনের প্রায়োগিক ক্ষেত্র বা প্রেক্ষাপট হাদীস ছাড়া বুঝবেন না। উদাহরন হিসাবে বলা যেতে পারে, আপনি কোরআন পড়ে দেখলেন সেখানে দাসীদের সাথে সেক্স করার কথা বলা আছে। আপনি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন এরকম একটা জঘন্য ধর্ম নিয়ে আর কি জানবো?
এজন্য আপনাকে বিদায় হজের ভাষনের হাদীস টা জানা লাগবে।
হাদীসের গ্রন্থ্যগুলো হলোঃ
ক) সহীহ বুখারী
খ) সহীহ মুসলিম
গ) আবু দাউদ
ঘ) তিরমিজি
ঙ) ইবনে মাজাহ
চ) নাসাঈ
ছ) মুয়াত্তা ইবনে মালেক
জ) মুসনাদে আহমাদ
এছাড়া আরো অনেক হাদীস গ্রন্থ্য আছে যেগুলিতে অনেক জাল এবং দূর্বল হাদীসের সংমিশ্রণ থাকাতে তা আওতায় আনা হয় না।
৩। সীরাতঃ সীরাত হল রাসূল (সাঃ) এর জীবনী। সীরাত জানা একটা অতি আবশ্যিক বিষয়। সীরাত না জানলে আপনি ঐ সময়কে বিশ্লেষন করবেন কি করে? বিখ্যাত ও গ্রহনযোগ্য সীরাত হলঃ
ক) আর রাহীকুল মাখতুম
খ) সীরাতে ইবনে হীসাম
গ) সীরাতে মোস্তফা
ঘ) সীরাতে মুহাম্মদ
৪। ইজমা
৫। কিয়াস
৬। তাওহীদ
৭। আকাঈদ
৮। আছার বা সাহাবাদের কথা বা জীবনী।
৯। খিলাফতের ইতিহাস।
১০। খিলাফতের বিধানের এ্যাপলিকেশন।
নিরপেক্ষ দৃষ্টি নিয়ে পড়েন সত্যি বুঝতে একটু ও কষ্ট হবে না ইনশাআল্লাহ । শত্রুতা নিয়ে নয়, পড়ার সময় আপনি চিন্তা করবেন আমি কোন কিছু সাপোর্ট করি না যেটা সত্য সেটাই আমার ধর্ম । আপনারা আকর্ষীত না হয়ে পারবেন না । যেটা পারেনি আবুল হোসেন ভটাচার্য, ডঃ শিবশক্তি স্বরূপজী সহ অসংখ্য গুনীজন । এরপর আপনিই সিদ্ধান্ত নিবেন .......
©somewhere in net ltd.