| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মোগল সম্রাট
মানুষ মানুষের জন্য , জীবন জীবনের জন্য একটু সহানুভুতি কি মানুষ পেতে পারেনা...ও বন্ধু...

ঈদ মানে ঘরে ফেরা। ঈদ মানে মায়ের হাতের রান্না, বাবার অপেক্ষা, ভাই-বোন-আত্নীয় পরিজন আর পুরোনো বন্ধুদের মিলনমেলা। কিন্তু সেই ঘরে ফেরার পথটাই যেন প্রতি বছর হয়ে উঠে সবচেয়ে অনিশ্চিত যাত্রা।
দেশে ঈদ যাত্রায় প্রতি বছর ২৫০ থেকে ৩৫০ জন মানুষের মৃত্যু হয় এবং তা কখনো কখনো তা ৪০০ ছুঁয়ে যায়। ২০২২ সালে ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায় প্রায় ৩৭৬ থেকে ৩৯৮ জন মানুষ। ২০২৩ সালে প্রায় ২৮৫ জন। ২০২৪ সালে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দেখা যায় ৩৬৭ থেকে ৪০৭ জন পর্যন্ত মানুষ মারা গেছে। ২০২৫ সালে শুধু ঈদুল ফিতরেই প্রায় ৩২২ জন আর ঈদুল আজহায় তা বেড়ে প্রায় ৩৯০ জনে পৌঁছায়।
এই সংখ্যাগুলো ফি-বছর কাগজে ছাপা হয়, টিভির পর্দায় ভাসে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করে তারপর হারিয়ে যায়। কিন্তু যাদের নাম ছিল এই সংখ্যার ভেতরে তারা তো আর হারিয়ে যায় না। তাদের জন্য একটা ঘর অন্ধকার হয়ে যায় চিরকালের জন্য।
কেউ হয়তো বাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে তাকিয়ে ভাবছিলো আর একটু পরেই বাড়ি পৌছাবো। কেউ হয়তো মা'কে ফোনে বলছিলো- 'মা আমি আসতেছি'
ঈদ আর তাদের কাছে আসেনি কোনদিন। সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো আমরা এই চিত্রটার সাথে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। সংবাদে নিহতের সংখ্যা দেখি একটু থমকে যাই তারপর আবার স্বাভাবিক হয়ে যাই।
এদেশের মানুষের সবচেয়ে আনন্দের যাত্রাটা এখনো প্রতি বছর এতটা অনিরাপদ। ২০২৬ সালের চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো আসেনি। হয়তো আসবে, আগের বছরের মতোই কোনো এক সংখ্যায় থেমে যাবে।
ঈদ তো ফিরে আসার উৎসব। কিন্তু এই দেশে অনেকের জন্য ঈদ মানেই ফিরে না আসার গল্প।
ঢাকা।
২০শে মার্চ, ২০২৬ খৃষ্টাব্দ।
ছবিঃ অন্তর্জাল।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: গতকাল বিএনপির উপর বিষম চাপ গিয়েছে ; একদিকে ট্রেন দুর্ঘটনা অপরদিকে লঞ্চ দুর্ঘটনায় সাধারন মানুষের মন খারাপ । সবাই বলাবলি করছে গতবারের মতো দশদিন বন্ধ রাখা ঠিক ছিলো।

ইনটেরিম আমলেই ভালো ছিলাম.