![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের চোখে ধরা পড়েছে এক অস্পষ্ট আলোর বিন্দু, যা পৃথিবী থেকে মাত্র ৪ আলোকবর্ষ দূরের (প্রায় ১.৪ পারসেক) আলফা সেন্টরি এ নামের নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এটি হতে পারে সরাসরি চিত্রায়িত সবচেয়ে কাছাকাছি কক্ষপথে ঘূর্ণনরত গ্রহের সন্ধান।
এই গ্যাসীয় দৈত্য গ্রহটি রয়েছে তার নক্ষত্রের “হ্যাবিটেবল জোন” বা বাসযোগ্য অঞ্চলে — সেই ‘একদম ঠিকঠাক’ দূরত্বের এলাকায়, যেখানে জীবনের বিকাশ সম্ভব, কারণ সেখানে গ্রহের পৃষ্ঠে তরল জল টিকে থাকতে পারে।
পূর্বে অধিকাংশ এক্সোপ্ল্যানেট বা সৌরজগতের বাইরের গ্রহকে খুঁজে পাওয়া গেছে পরোক্ষ প্রমাণ থেকে, যেমন নক্ষত্রের অবস্থানগত কাঁপুনি দেখে। আলফা সেন্টরি তারামণ্ডলে এর আগেও তিনটি গ্রহ এভাবে চিহ্নিত হয়েছিল।
প্রথমবার এই গ্রহের অস্তিত্বের আভাস পাওয়া গিয়েছিল ২০২১ সালে একটি ভূ-ভিত্তিক মানমন্দির থেকে। এবার ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির জ্যোতির্বিজ্ঞানী অনিকেত সাংঘি ও তার সহকর্মীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের মিড-ইনফ্রারেড ইন্সট্রুমেন্ট (MIRI) ব্যবহার করে আলফা সেন্টরি এ-কে নতুনভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
নক্ষত্রের খুব কাছাকাছি কক্ষপথে থাকা গ্রহ খুঁজে পাওয়া কঠিন, কারণ নক্ষত্রের তীব্র আলোকছটায় গ্রহ ঢাকা পড়ে যায়। এই সমস্যার সমাধানে JWST ব্যবহার করেছে ‘করোনোগ্রাফিক মাস্ক’, যা নক্ষত্রের আলো আংশিকভাবে আড়াল করে সম্ভাব্য গ্রহের অস্পষ্ট চিহ্নকে দৃশ্যমান করেছে।
গ্রহটির ছবি পাওয়ার পর সাংঘি বলেন, “আমি সম্পূর্ণ বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলাম। কয়েক মুহূর্ত নীরব থেকে আমি যা দেখছিলাম তা উপলব্ধি করতে হয়েছিল।” টিমটি প্রায় এক বছর ধরে ডেটা পুনঃবিশ্লেষণ করেছে, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় এটি কোনো অপটিক্যাল বিভ্রম নয়। বারবার বিশ্লেষণেও আলোর সেই ছোট্ট বিন্দুটি রয়ে গেছে। সাংঘির ভাষায়, “আমরা একে ‘মুছে ফেলতে’ পারিনি।”
---nature.com
০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:১৬
প্রগতি বিশ্বাস বলেছেন: অনুগ্রহপূর্বক মূল খবরটি পড়তে পারেন : Click This Link
০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:২৪
প্রগতি বিশ্বাস বলেছেন: আমি :
অন্য কোন গ্রহে প্রাণ আছে বা নেই এটা কত % নিশ্চিত করে বলা সম্ভব?
ChatGPT said:
এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানের অবস্থান হচ্ছে — আমরা শতভাগ নিশ্চিতভাবে বলতে পারি না যে অন্য কোনো গ্রহে প্রাণ আছে বা নেই।
এর কারণ মূলত পর্যবেক্ষণ ও প্রমাণের সীমাবদ্ধতা।
এটা বোঝাতে কয়েকটা মূল পয়েন্ট দিচ্ছি—
সরাসরি প্রমাণ নেই
আমরা এখন পর্যন্ত পৃথিবীর বাইরে কোনো জীবিত প্রাণ, মাইক্রোব বা জীবাশ্ম খুঁজে পাইনি।
তাই নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে আছে বা নেই — শুধু বলি "এখনও পাওয়া যায়নি"।
সম্ভাবনার মাত্রা
বৈজ্ঞানিকভাবে, সম্ভাবনা নির্ধারণে statistical estimation (যেমন Drake Equation) ব্যবহার হয়।
এতে নক্ষত্র সংখ্যা, গ্রহ সংখ্যা, বাসযোগ্য অঞ্চলের পরিসংখ্যান ইত্যাদি ধরা হয়।
এর ভিত্তিতে অনুমান করা যায় যে মহাবিশ্বে প্রাণ থাকার সম্ভাবনা খুবই বেশি, কিন্তু সুনির্দিষ্ট % দেওয়া যায় না, কারণ অনেক ভেরিয়েবল এখনো অজানা।
ডেটার সীমাবদ্ধতা
আমরা কেবল সৌরজগতের কয়েকটা গ্রহ/উপগ্রহ ঘনিষ্ঠভাবে পরীক্ষা করেছি (মঙ্গল, ইউরোপা, এনসেলাডাস ইত্যাদি)।
বিলিয়ন বিলিয়ন এক্সোপ্ল্যানেট আছে, কিন্তু তাদের খুব সামান্য অংশেরই মৌলিক তথ্য আমাদের কাছে আছে।
বৈজ্ঞানিক সতর্কতা
বিজ্ঞানীরা "প্রমাণ ছাড়া দাবি" করতে চান না।
তাই বলা হয় — “Life beyond Earth is possible, but not yet detected.”
সংক্ষেপে — % দিয়ে বলা সম্ভব না, বরং বলা যায় প্রমাণ মেলেনি, তবে সম্ভাবনা অস্বীকার করা যায় না।
আমি চাইলে আপনাকে Drake Equation-এর ভিত্তিতে আনুমানিক হিসাব দেখিয়ে দিতে পারি, যেটা বিজ্ঞানীরা ব্যবহার করেন "প্রাণ থাকার সম্ভাবনা" মডেল করতে।
আপনি চাইলে আমি সেটা বাংলায় ব্যাখ্যা করে হিসাব করে দিতে পারি।
২| ০৮ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:২৫
কামাল১৮ বলেছেন: যখন পাওয়া যাবে তখন ভাবলেও চলবে।
০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:১৪
প্রগতি বিশ্বাস বলেছেন: সেটাই ভাবছি।
৩| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১০:১০
রাজীব নুর বলেছেন: ভিনগ্রহ বিশাল রহস্যের আধার।
তবে সেখানে মানুষ নেই। এলিয়েন নেই।
০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:১৪
প্রগতি বিশ্বাস বলেছেন: এলিয়েন আছে বা নেই, কোন বক্তব্যই সঠিক বলে আমার কাছে মনে হয়না।
৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:০৯
কথামৃত বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: ভিনগ্রহ বিশাল রহস্যের আধার।
তবে সেখানে মানুষ নেই। এলিয়েন নেই।
Stardust Theory ঃ মানুষের দেহের প্রায় ৯৬% অংশ কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। এই মৌলগুলো নক্ষত্রের কেন্দ্রে বা সুপারনোভা বিস্ফোরণের সময় তৈরি হয়েছিল। ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, সোডিয়াম ইত্যাদি ভারী মৌলগুলোও নক্ষত্রের অভ্যন্তরে বা মৃত্যুর সময় সৃষ্টি হয়েছে।
মানুষের দেহের উপাদান প্রকৃতপক্ষে মহাবিশ্বের বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, এবং এগুলোর অনেকগুলোই নক্ষত্রের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার মাধ্যমে সৃষ্ট। এই উপাদানগুলো পরে সুপারনোভা বা অন্যান্য মহাজাগতিক ঘটনার মাধ্যমে মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ে এবং নতুন নক্ষত্র, গ্রহ ও জীবনের উপাদান গঠন করে।
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি অন্যান্য গ্যালাক্সির সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। উদাহরণস্বরূপ, গাইয়া-এনসেলাডাস গ্যালাক্সি নামের একটি প্রাচীন গ্যালাক্সি প্রায় ১০ বিলিয়ন বছর আগে মিল্কিওয়ের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল, যার ফলে নতুন নক্ষত্র ও উপাদান আমাদের গ্যালাক্সিতে যোগ হয়।
এছাড়াও, ইন্টারগ্যালাক্টিক মিডিয়াম থেকে কিছু উপাদান মিল্কিওয়েতে প্রবেশ করতে পারে।
সুতরাং, মানুষের দেহের উপাদান মিল্কিওয়েতে তৈরি হলেও কিছু উপাদান গ্যালাক্সির বাইরের সূত্র থেকেও আসতে পারে।
মহাবিশ্বে সবকিছুই আন্তঃসংযুক্ত, এবং আমরা সত্যিই "নক্ষত্রের সন্তান"
অতএব, সেখানে মানুষ বলেন কিনবা এলিয়েন বলেন সেটা থাকতেই পারে।
৫| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ বিকাল ৩:০১
এইচ এন নার্গিস বলেছেন: খুব ভালো লাগলো লেখা টি । যা কিনা আমার একটা প্রিয় বিষয়।
১০ ই আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১:২০
প্রগতি বিশ্বাস বলেছেন: ধন্যবাদ
৬| ০৯ ই আগস্ট, ২০২৫ বিকাল ৩:১৭
এনামেল হউক বলেছেন: As said earlier, if you argue that anything is possible, then what stops an organism from floating in space without needing a planet to live on?
If you need to rely on ChatGPT to compile a response, then you shouldn't write an article on the topic in the first place!
৭| ১১ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:১৫
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
৮| ১১ ই আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১১:৪০
রানার ব্লগ বলেছেন: এই পৃথিবীতে মানুষ নিজেই এলিয়েন । তারা এখানকার আদি বাসিন্দা না । কোন না কোন ভাবে তাদের এখানে স্থানান্তর করা হয়েছে ।
আমার মনে হয় কোরানে উল্লেখিত জ্বীন জাতিই এলিয়েন । যারা নিজেদের অদৃশ্য করে রাখার ক্ষমতা রাখে । এবং তারা ভিন্ন কোণ গ্রহে বাস করে । বিভিন্ন তথ্য উপাত্তে বোঝাই যায় তারা বেশ এ্যাডভান্স ।
৯| ১১ ই আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ২:৪১
কথামৃত বলেছেন: রানার ব্লগ বলেছেন: এই পৃথিবীতে মানুষ নিজেই এলিয়েন । তারা এখানকার আদি বাসিন্দা না । কোন না কোন ভাবে তাদের এখানে স্থানান্তর করা হয়েছে ।
জীবন মহাকাশে ভ্রমণ করে উল্কা বা ধূমকেতুর মাধ্যমে পৃথিবীতে পৌঁছেছে। যদি মানুষের ডিএনএ-তে cosmic signatures পাওয়া যায়, তবে এটি রোমাঞ্চকর হবে! মানুষ পৃথিবীর আদি বাসিন্দা নয়—এই ধারণাটি একটি চমকপ্রদ হাইপোথিসিস, যা এক্সোজেনেসিস বা প্যানস্পারমিয়া তত্ত্বের সাথে মিলে যায়। কিছু বিজ্ঞানী ও দার্শনিক প্রস্তাব করেছেন যে মানবসভ্যতা বা তার পূর্বসূরিরা মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে এসে থাকতে পারে, হয় প্রাকৃতিকভাবে (উল্কার মাধ্যমে) বা কোনো উন্নত প্রাণীর হস্তক্ষেপে। যদিও এর সরাসরি প্রমাণ নেই। এটি একটি মজাদার কল্পনা, কিন্তু বর্তমানে এটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের চেয়ে Sci-Fi-এর কাছাকাছি। হয়তো ভবিষ্যতে কোনো প্রমাণ মিললে আমরা জানতে পারব! আপনি কি মনে করেন—মানুষের "আসল বাড়ি" অন্য কোথাও হতে পারে?
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:২৪
এনামেল হউক বলেছেন: It's an f-ing gas giant — not habitable for any known organisms. If you argue that anything is possible, then what stops an organism from floating in space without needing a planet to live on? Clickbait title.