নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সত্যের জয় অনিবার্য

সত্যকে খুঁজি সব সময়

অপ্রিয় হলেও সত্য

নাথিং

অপ্রিয় হলেও সত্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

দাঁড়ি রাখবো কেন?

২১ শে এপ্রিল, ২০১৪ ভোর ৫:৫৫

¤ ময়ূরের সৌন্দর্য হল পেখমে, সিংহের সৌন্দর্য হল কেশরে,

আর পুরুষ জাতির সৌন্দর্য হল দাড়িতে।



যাদের জন্মগত ভাবেই দাঁড়ি হয় না তাদেরকে মাকুন্দ বলা হয়ে থাকে। আর তারা দাঁড়ির জন্য এতই আফসোস করে যা ভাষাই প্রকাশ করা অসম্ভব। তবে যাদের দাঁড়ি উঠে না তারা তা সহজেই বুঝতে পারবে।



আর কিছু ভাই আছে তারা এই দাঁড়িটা রাখতে চায় না। তাদের অনেকেই বলে থাকে, দাড়ি রাখলে মেয়েরা পছন্দ করে না, প্রমিকা পছন্দ করে না বা স্ত্রী পছন্দ করে না। তাই দাঁড়ি রাখি না।



আচ্ছা কখনো কি ভেবে দেখেছেন, দাঁড়ি রাখলে তো আপনার প্রমিকা বা স্ত্রী পছন্দ করে না, কিন্তু দাঁড়ি না রাখলে যে, এমন ব্যক্তি পছন্দ করে না যার সুপারিশ ব্যতীত জান্নাতে যাওয়া যায় না।



এখন আপনে কাকে খুশি করবেন, আপনার প্রেমিকাকে ? না এমন ব্যক্তিকে (রাসূল সাঃ) যার সুপারিশ ছাড়া জান্নাতে যাওয়া না?

যদি জান্নাতে যেতে চান তাহলে তাহলে কিন্তু অবশ্যই দাঁড়ি রাখতে হবে।

এখন আপনেই চিন্তা করুন কি করবেন জান্নাতে যাবেন নাকি স্ত্রীকে খুশি করবেন ?



এখন কথা হলঃ

দাঁড়ি রাখা কি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত?



তা জানার জন্য নিম্নের হাদীসগুলো দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন।

১. দাড়ি বাড়াও।

(বুখারী, মুসলিম শরীফ)

২. দাড়ি পূর্ণ কর।

(মুসলিম শরীফ)

৩. দাড়ি ঝুলন্ত ও লম্বা রাখ। (মুসলিমশরীফ)

৪. দাড়ি বহার রাখ।

(মাজমাউল বিহার)

৫. দাড়ি বেশী রাখ

(বুখারী, মুসলিম)

৬. দাড়িকে ছাড়, অর্থাৎ কর্তন করো না।

(তাবরানী)



দাঁড়ির ব্যাপারে সাহাবায়ে কেরামের আমল :

১.হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা.যখন হজ্জ্ববা উমরা আদায় করতে, তখন স্বীয়দাঁড়ি মুষ্টি করে ধরতেন, অতঃপর অতিরিক্ত অংশ কেটে ফেলতেন।

(বুখারী শরীফ- ২/৮৭৫)

২. হযরত আবু হুরায়রা রা. স্বীয়দাঁড়ি ধরতেন, অতঃপর অতিরিক্ত অংশকেটে ফেলতেন।

(মুসান্নাফ লি-ইবনি আবি শাইবা- ১৩/১১২)

আর রাসূল (সাঃ) বলেছেন, তোমরা আমার এবং আমার সাহাবাদের সুন্নাতকে আকঁড়ে ধর।



দাঁড়ির ব্যাপার ফুকাহায়ে কেরামের উক্তি:

১. হানাফী মাযহাবের কিতাবশরহে মুনহাল ও শরহে মানজুমাতুর আদবেরমধ্যে লিখেছেন, নির্ভরযোগ্য ফতোয়া হলদাড়ি মুন্ডানো হারাম।

২.মাওলানা আশেকে এলাহী মিরাঠী রহ.তার প্রণিত “’”দাড়ি কী কদর ও কীমত”কিতাবে চার মাজহাবের ফক্বীহগণের মতামত শাফেয়ী মাজাহাবের প্রামান্যগ্রন্থ “আল ওবাব” হতে উদ্বৃত করেছেন :ইমাম ইবনুর রাফ’আ বলেন, ইমামশাফেয়ী রহ. “আলউম্ম” কিতাবে লেখেনযে, দাড়ি কাটা হারাম।

৩. মালেকী মাজহাব মতেও দাড়ি মুন্ডনকরা হারাম। অনুরূপভাবে ছুরতবিগড়ে যাওয়া মত ছেটে ফেলাও হারাম।(কিতাবুল ওবদা)

৪. হাম্বলী মাজহাবের কিতাব “শাহহুলমুন্তাহা” ও “শরহে মুজ্জুমাতুল আদব” এরউল্লেখ হয়েছে যে, নির্ভরযোগ্য মত হলদাড়ি মুন্ডন করা হারাম।

অনুরূপ অন্যান্য গ্রন্থাকারওদাড়ি রাখা ওয়াজিব হওয়ারব্যাপারে মাননীয় ইমামদের ইজমা (ঐকমত)বর্ণনা করেছেন।

দাড়ি কর্তনকারী আল্লাহ পাকের দুশমনদের মধ্যে গণ্য হওয়ার সম্ভাবনা: ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রহ. নিজ রচিত “কিতাবুজ্জুহুদে”­ আকীল ইবনে মোদরেকসালামী হতে উদ্ধৃতি করেন যে, আল্লাহজাল্লা শানুহু বনী ইস্রাইলের এক নবীরনিকট এই অহী প্রেরন করেন যে, তিনি যেন নিজ কওম বনী ইস্রাইলকে একথা জানিয়ে দেন যে,

তারা যেন আল্লাহ তা’য়ালার দুশমনদের বিশেষ খাদ্যশুকরের গোশত না খায় এবং তাদের বিশেষপানীয় অর্থাৎ শরাব(মদ) পাননা করে এবং তাদের শিক্ল ছুরত (আকৃতি)না বানায়। যদি তারা এমন করে অর্থাৎ শুকরের গোশত খায়, বা মদ পান করে,অথবা দাড়ি মুন্ডায় বা ছোটকরে (ফ্রেন্সকাট করে) অথবা বড় বড় মোচরাখে, তা’হলে তারাও আমার দুশমন হবে,যেমন তারা আমার দুশমন। (দালায়েলুলআসর)



কওমে লূতের নিন্দনীয় বৈশিষ্ট্য ওধ্বংসের কারন:

প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইবনে আসাকেরসহআরো কতিপয় মুহাদ্দিস হযরত হাসান রা.হতে নবী করীম স. এর এই মুবারক হাদীসবর্ণনা করেন যে, দশ প্রকার পাপে লূতসম্প্রদায় ধ্বংস হয়েছিল;তন্মধ্যে দাড়ি কাটা, গোঁফ বড়রাখা অন্যমত।



আরো জানতে এখানে দেখুনঃ

Click This Link



তাই আসুন আমরা আল্লাহ সুবানুহুতা’'য়ালার কাছে দু'আ করি তিনি যেন আমাদের সকলকে দাঁড়ি রাখার গুরুত্ব অনুধাবনকরে দাঁড়ি রাখার তৌফিক দান করেন এবং যারা দাঁড়ি সম্পর্কে আজেবাজে মন্তব্য করে তাদের হেদায়াত দান করেন।

আমীন।

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ৯:৫৮

নিজাম বলেছেন: ধন্যবাদ। আল্লাহ আমাদের দাড়ি রাখার তৌফিক দান করুন।

২| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১০:১০

সত্য৭৮৬ বলেছেন: ইমান ইসলামের মূল ভিত্তি। মুমীন/ বিশ্বাসীদের জন্য দাড়ি রাখার ব্যাপারে যদি আল-কোরআনে কোনরূপ নির্দেশ দেয়া হত, তাহলে নামাজ, রোজা, হজ, যাকাতের মত হাদিছ অনুসারে একেবারে মাপজোক করে দাড়ি রাখাও সকল মুসলিমের জন্য ফরজ/ওয়াজিব হয়ে যেত। আল-কোরআনের বিধান অনুসারে ইসলামের মৌল বিষয়গুলোর সাথে দাড়ি রাখার শর্ত নেই বটে। তবে বিভিন্ন হাদিছের বক্তব্য অনুসারে মুসলিমের জন্য দাড়ি রাখা রাসূলের (সাঃ) সুন্নত হিসেবে প্রমাণিত হয়। অনেকে বেশ বড় দাড়ি রাখেন। আবার অনেকে কেটে ছেটে পরিপাটি করেও রাখেন। কিন্তু তাই বলে বিনা কারনে সেইরূপ দায়সারা গোছের দাড়ি রাখা উচিত নয়, যা দেখে না রাখার মতই মনে হয়। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে এক মুষ্টি অপেক্ষা কম দাড়ি না রাখার বিষয়টি একটি মানদন্ড হতে পারে। কিন্তু তাই বলে এটিকে সবার ক্ষেত্রে ওয়াজিব ভেবে নেয়া এবং দাড়ি সেভ করাকে হারাম সাব্যস্ত করা ঠিক নয়

অনেকে বেশ বড় দাড়ি রাখেন। আবার অনেকে কেটে ছেটে পরিপাটি করেও রাখেন। কিন্তু তাই বলে বিনা কারনে সেইরূপ দায়সারা গোছের খোঁচা খোঁচা দাড়ি রাখার অভ্যাস করা উচিত নয়, যা দেখে না রাখার মতই মনে হয়। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে এক মুষ্টি অপেক্ষা কম দাড়ি না রাখার বিষয়টি একটি মানদন্ড হতে পারে। কিন্তু তাই বলে এটিকে সবার ক্ষেত্রে ওয়াজিব ভেবে নেয়া এবং দাড়ি সেভ করাকে হারাম সাব্যস্ত করা ঠিক নয়। আল্লাহর বিধান কোন বিশেষ স্থান, কাল ও পাত্র নয় বরং গোটা বিশ্বের মানুষের জন্যই প্রেরিত হয়েছে। সমগ্র মানবজাতির মাঝে স্রষ্টারই ইশারায় বৈচিত্রময় স্বভাব ও রুচিবোধ সম্পন্ন মানব সন্তানের আবির্ভাব ঘটেছে। সবার রুচিবোধ যে এক রকম নয় তা মহান আল্লাহতায়ালা খুব ভাল করেই জানেন। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই তিনি হালাল-হারামের যে সীমা নির্ধারণ করেছেন, প্রকৃতপক্ষে তার লিস্টটা খুবই ছোট এবং নিঃসন্দেহে মানুষের জন্য কল্যাণকর বটে। আল-কোরআনে বিশ্বাসীদের জন্য দাড়ি রাখার নির্দেশ দেয়া হয়নি বা দাড়ি কাটার ব্যপারে নিষেধাজ্ঞাও আরোপিত হয়নি। এই সার্বজনীন ঐশী গ্রন্থে বিশ্বাসীদের সম্পর্কে যে পরিচয় ও পথনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, দাড়িওয়ালা বিশ্বাসীর সাথে দাড়িবিহীন বিশ্বাসীর কোনই বিভেদ নেই। মৌলিক ও উদার দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে আল্লাহর নির্দেশিত সৎকর্ম পালনই একজন সাচ্চা মুসলিম/ মুমীনের পরিচয় বহন করে।

আল কোরআন-

সূরা আন নিসা (মদীনায় অবতীর্ণ)- (০৪:৬৪) বস্তুতঃ আমি একমাত্র এই উদ্দেশ্যেই রসূল প্রেরণ করেছি, যাতে আল্লাহর নির্দেশানুযায়ী তার অনুসরণ করা হয়। যখন তারা নিজেদের উপর জুলুম করেছিল, তখন যদি তোমার কাছে আসত এবং আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত এবং রসূলও তাদের জন্য ক্ষমা চাইত, তবে অবশ্যই তারা আল্লাহকে ক্ষমাশীল ও পরম-দয়ালু রূপেই পেত।

মহান আল্লাহতায়ালা আল-কোরআনে হালাল ও হারাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কাজেই জীবন পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনটি গ্রহণ এবং কোনটি বর্জন করতে হবে তা আল্লাহর সেই নির্দেশ অনুসারে ফয়সালা করা এবং বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা-সাধনা করা বিশ্বাসীদের জন্য ফরজ। বর্তমানে আল-কোরআনের ফরজ নির্দেশসমূহ পালন সংক্রান্ত রাসূলের (সাঃ) তরিকা (সুন্নাত) জানার জন্য সহী হাদিছের উপরে আমাদের নির্ভর করতে হয়। তাই (০৪:৬৪) নং আয়াত অনুসারে আল-কোরআনের নির্দেশের সাথে সরাসরি সম্পর্কীত সহী হাদিছ অনুসরণ করা আমাদের জন্য ওয়াজিব এবং জানার পর সঠিকভাবে না মানা গোনাহ্। আর যারা এই সকল ফরজ/ওয়াজিব সরাসরি অস্বীকার করে বা অবিশ্বাস করে তারাই অবিশ্বাসী অর্থাৎ কাফির।

এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ব্যাপারে আল-কোরআনে বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। অর্থাৎ পারিপার্শিক অবস্থা ও পরিস্থিতি অনুসারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার মানুষের বিবেকের উপরে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। যেহেতু আল্লাহর রাসূলের মধ্যে সকল মানুষের জন্য, বিশেষ করে বিশ্বাসীদের জন্য উত্তম নমুনা রয়েছে। তাই সরাসরি আল-কোরআনের নির্দেশের সাথে সম্পর্কীত নয়, জীবন ঘনিষ্ট এরূপ বিষয়গুলোকে রাসুলের (সাঃ) কথা, কর্ম, ও সম্মতি অনুসারে পালন করাই হলো সুন্নতের অনুসরণ করা। জীবনের সাথে সংশ্লিষ্ট সব কিছুই 'সুন্নত' অনুসারে পালনের চেষ্টা করা আমাদের জন্য ইবাদত তুল্য এবং এতে 'সোয়াব/পূণ্য' অর্থাৎ পার্থিব ও পরকালীন ভালাই রয়েছে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে 'সুন্নত' অনুসারে পালন করতে না পারলে 'গুনাহ' হবে না। কিন্তু 'সোয়াব/পূণ্য' প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হতে হবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে পার্থিব ক্ষতি হবারই সম্ভাবনা রয়েছে।

সকল সুন্নত পালনের মধ্যে কম-বেশি সোয়াব রয়েছে। সহী হাদিছ মতে দাড়ি রাখা সর্বকালের জন্যই রাসূলের (সাঃ) সুন্নত হিসেবে প্রমাণিত হয়। মুসলিমদের জন্য তিনি দাড়ি রাখারই পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ কারন ছাড়া দাড়ি কেটে ক্লিন সেভ্ড হওয়া সঙ্গত নয়। কারন দাড়ি কামিয়ে ফেলার মধ্যে সোয়াব নেই, বরং পার্থিব ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ক্ষতি যত ক্ষুদ্রই হোক না কেন, হেলা করে আদর্শ মানব রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সুন্নত ছেড়ে ক্ষতির মধ্যে লিপ্ত থাকা ধর্মবোধ সম্পন্ন সাবধানিদের জন্য মোটেই শোভা পায় না।

মানুষের স্বভাব-ধর্ম ও মানুষের জন্য সুন্দরতম আদর্শ রাসূলের (সাঃ) সুন্নত অনুসারে দাড়ি রাখার মধ্যেই মুসলিমদের জন্য ইহকালীন ও পরকালীন অশেষ 'সোয়াব/পূণ্য' অর্থাৎ পার্থিব ও পরকালীন ভালাই রয়েছে। কাজেই শৈথিল্য ভাব ছেড়ে গুরুত্ব সহকরে বিষয়টি বিবেচনা করার যথেষ্ট প্রয়োজন রয়েছে। সেইসাথে মোচ ছোট করার ব্যাপারে খুবই সচেতন থাকতে হবে। মোচ বড় রাখা কারো জন্যই স্বাস্থ্য সম্মত নয়। অনেক ক্ষেত্রে বিশেষ করে খাদ্য গ্রহণের সময় অরুচিকর পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে। তেমনি যেন কোনরূপ হাস্যকর ও অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রেখে রুচিবোধ অনুসারে পরিপাটি করে দাড়ি রাখার ব্যাপারেও যত্নশীল হতে হবে।

সৎকর্মের পাশাপাশি রাসূলের (সাঃ) সকল সুন্নত/আদর্শকে সঠিকভাবে জেনে তা মানার জন্য সবাইকে স্বচেষ্ট হতে হবে। বাড়াবাড়ি ছেড়ে হিকমতের সাথে ও ধৈর্য সহকারে রাসূলের (সাঃ) সুন্নত পালনের জন্য পরস্পরকে আহ্বান জানানো আমাদের কর্তব্য। মহান আল্লাহতায়ালা যেন সত্য ও সুন্দরকে চেনার, জানার ও মানার ব্যাপারে আমাদের হৃদয়ের প্রশস্ততা দান করেন।

৩| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ২:২৭

সরল পথের পথিক বলেছেন: আসলে সৌন্দর্য যে কোথায় তাও যেন আমরা ভুলতে বসেছি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.