| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আনোয়ার,চট্টলা
আমি মুসলিম। সুন্নী বা শিয়া নই, শখ লেখালখি। ব্যক্তিজীবনে আমি স্বাধীনমনা, ধর্মভীরু নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। কোন দল বা মতের কাছে জিম্মি নই। ঘৃনা করি ধর্মীয় গোঁড়ামী ও ধর্মের নামে মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমার একমাত্র লক্ষ্য।
৭১-এর অপরাধের কারণে জামাতের নিবন্ধন বাতিল হয়নি। হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে 'আল্লাহর উপর পুর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' উঠিয়ে দেয়ার কারনে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিষয়টি তুলে দিয়ে সেকুলারিজম ( ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত রাস্ট্র ব্যাবস্থা ) সংবিধানে সংযোজনের ফলেই জামাতের নিবন্ধন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হয়েছে। জামাতের গঠনতন্ত্রে 'সকল ক্ষমতার উৎস আল্লাহ' এই বিশ্বাসটি বর্তমান সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় নিবন্ধন বাতিল হয়েছে। 'আল্লাহর উপর পুর্ণ বিশ্বাস' বা 'আল্লাহ সকল ক্ষমতার উৎস' এই বিশ্বাস -প্রতিটি প্রকৃত মুসলমানের। এটা মুসলমানের অন্যতম মৌলিক বিশ্বাস। আর এই বিশ্বাস থাকার কারণে দল হিসাবে জামাতের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।
এটা একেবারে কনক্রিট সত্য যে, এই বিশ্বাস থেকে আমি একজন মুসলমান হিসাবে মোটেই বিচু্যত হতে পারি না। নাগরিক হিসাবে আমারও নিবন্ধন রয়েছে। এখন পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান যে সেকুলার সংবিধান, এর আওতায় আমার নিবন্ধন বাতিল হবে কিনা কর্তৃপক্ষের কাছে আমার জিঞ্জাসা।
নিবন্ধন বাতিল হলে আমি ভোট দেবার অযোগ্য হব। নানা কেচাল থেকেও বেঁচে যেতে পারবো।
নির্বাচন কমিশন থেকে একটা স্পষ্ট দিক নির্দেশনা চাই।
২|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ ভোর ৪:২০
নিষ্কর্মা বলেছেন: ধান্ধাবাজ হৈলে এমনই হয়। 'আল্লাহর উপর পুর্ণ বিশ্বাস' কথাগুলোর অর্থ কিন্তু 'আল্লাহ সকল ক্ষমতার উৎস' নয়। জিয়া এই অর্থের বিকৃত রূপকেও মানেন নাই, না তার দল বিম্পি মানে। এমন মনগড়া ব্যাখ্যা দিতে পারে তারাই, যারা মনে প্রাণে স্বাধীন বাংলাদেশকে মানে না, মানতে পারে না।
মাদ্রাসায় যে পরিমাণ বাঙলা পড়ানো হয়, তাতে এই দুনিয়াতে ব্লগ লেখার মত ক্যাপাসিটি থাকার কথা না।
৩|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৮
প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার আলী জুয়েল বলেছেন: প্রথমত, জামায়াত নীতিগতভাবে জনগণকে সব ক্ষমতার উৎস বলে মনে করে না। সেইসঙ্গে আইন প্রণয়নে জনপ্রতিনিধিদের নিরঙ্কুশ ক্ষমতাকেও স্বীকার করে না।
দ্বিতীয়ত, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুসারে কোনো সাম্প্রদায়িক দল নিবন্ধন পেতে পারে না। অথচ কাজে কর্মে ও বিশ্বাসে জামায়াত একটি সাম্প্রদায়িক দল।
তৃতীয়ত, নিবন্ধন পাওয়া রাজনৈতিক দল ধর্ম-বর্ণ-লিঙ্গের কোনো বৈষম্য করতে পারবে না। কিন্তু জামায়াতের শীর্ষপদে কখনো কোনো নারী বা অমুসলিম যেতে পারবে না।
চতুর্থত, কোনো দলের বিদেশে কোনো শাখা থাকতে পারবে না। অথচ জামায়াত বিদেশের একটি সংগঠনের শাখা। তারা স্বীকারই করে- তাদের জন্ম ভারতে, বিশ্বজুড়ে তাদের শাখা রয়েছে।
অল্প জানিয়া বেশী ফাল পারিয়া বেড়ানো ঠিক না। জানার পরিধি বাড়ান।
৪|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:০০
প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার আলী জুয়েল বলেছেন: ‘না-পাকিস্তান’ ‘না-বাংলাদেশ’
সংবিধানের সঙ্গে গঠনতন্ত্র সাংঘর্ষিক হওয়ায় জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেছে হাই কোর্ট
এই দুইটা পড়েন।
৫|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৪:০১
প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার আলী জুয়েল বলেছেন: আপনার প্রোফাইলের সাথে আপনার পোস্ট সাংঘর্ষিক:
আমি মুসলিম। সুন্নী বা শিয়া নই, শখ লেখালখি। ব্যক্তিজীবনে আমি স্বাধীনমনা, ধর্মভীরু নিরীহ প্রকৃতির মানুষ। কোন দল বা মতের কাছে জিম্মি নই। ঘৃনা করি ধর্মীয় গোঁড়ামী ও ধর্মের নামে মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টিকারীদের। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনই আমার একমাত্র লক্ষ্য।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১:৩৯
হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
অকারনে আল্লার দোহাই দিবেন না।
এদেশে সবাই আল্লাকে মেনে নামাজ কালাম চালিয়ে যাচ্ছে।
জামাত শিবির কোন ইসলামিক দল নয়। এরা হল ধর্ম ব্যাবসায়ী। একটি ফ্যাসিস্ট সন্ত্রাসি দল।
Click This Link