নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Al Firdaws

Al Firdaws

সত্যবাদিতায় আপোষহীন

Al Firdaws › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইসলামি ব্যবস্থার প্রতিরক্ষা প্রতিটি আফগানের জন্য ফরজ

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:৫৬

ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব ও ইসলামি ব্যবস্থার সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে কাবুলে দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেমদের এক সম্মেলনে জারি করা সাম্প্রতিক ফতোয়ার প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত মন্ত্রী মৌলভী মুহাম্মাদ খালিদ হানাফি হাফিযাহুল্লাহ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের আগ্রাসন সংঘটিত হলে তা প্রতিরোধ করা প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ব্যক্তিগত ফরজ দায়িত্বে পরিণত হবে।

নূরিস্তান প্রদেশে অবস্থিত একটি জিহাদি মাদরাসায় প্রদত্ত বক্তব্যে খালিদ হানাফি হাফিযাহুল্লাহ জানান, কাবুলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত খ্যাতনামা আলেমদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে সর্বসম্মতিক্রমে এ ফতোয়া জারি করা হয়েছে। ফতোয়ায় উল্লেখ করা হয়, কেউ যদি ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের ইসলামি ব্যবস্থা বা রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বে আঘাত হানে, তবে সেই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে জিহাদ করা প্রতিটি আফগানের ওপর ফরজে আইন হিসেবে বর্তাবে।

এদিকে কাবুলে আলেমদের এই ফতোয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন পাকিস্তান উলামা কাউন্সিলের প্রধান তাহির মাহমুদ আশরাফি। তিনি বলেন, আফগান ও পাকিস্তানি আলেমদের অবস্থানের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য নেই এবং উভয় পক্ষই আফগানিস্তানের ভেতরে যেকোনো ধরনের আগ্রাসন ও সহিংসতার বিরোধিতা করে। তিনি আফগান সরকারকে এর বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের ভূমি যেন কোনোভাবেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহার না হয়—এ বিষয়ে তাদের অবস্থান সুস্পষ্ট।

এর আগে কাবুলে অনুষ্ঠিত আলেমদের ওই সমাবেশে বর্তমান ব্যবস্থার প্রতি সমর্থন, দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা, অন্য দেশের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার প্রতিরোধ, বিদেশি সংঘাতে আফগানদের সামরিক সম্পৃক্ততার বিরোধিতা এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

কাবুলের আলেমদের জারি করা এই ফতোয়া ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে আলেমদের অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতে সংঘাত নিরসন, পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.