| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
২০ ডিসেম্বর, শনিবার আফগানিস্তানের বিভিন্ন প্রদেশে চলতি বছরে প্রথম তুষারপাত হয়েছে। দীর্ঘদিনের খরার কবলে থাকা কৃষক ও সাধারণ মানুষের মনে এ তুষারপাত নিয়ে এসেছে আগামী কৃষি মৌসুমের সমৃদ্ধির নতুন আশা। পাশাপাশি, এটি বায়ুদূষণ ও রোগব্যাধি কমাতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
দেশের মাইদান ওয়ার্দাক, গজনি, লোগার, বামিয়ানসহ একাধিক প্রদেশে এই তুষার ও বৃষ্টিপাত হয়েছে। মাইদান ওয়ার্দাকের জগহাতু জেলাতে গত মৌসুমে ভয়াবহ খরায় ফসল নষ্ট হয়েছিল, খাল ও কুয়া শুকিয়ে গিয়েছিল।
স্থানীয় কৃষক মুহাম্মাদ আকবর জানান, গত মৌসুমে খরায় তাদের সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়। এখন এই তুষারপাত তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তারা আশা করছেন, বৃষ্টি-তুষারপাত অব্যাহত থাকলে আগামী বছর ফসল ভালো হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলতি বছরে বৃষ্টিপাতের অভাবে ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত নানা ধরনের রোগ বৃদ্ধি পেয়েছিল। বর্তমান তুষারপাত ও বৃষ্টিপাত শুধু খরার প্রভাব কমাবে না, বরং বায়ুদূষণ ও ধূলিকণা দূর করে পরিবেশ পরিষ্কার করবে, যা রোগব্যাধি কমাতে সহায়ক হবে।
মায়দান ওয়ার্দাকের স্বাস্থ্যকর্মী হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘খরা, দূষিত বায়ু ও উচ্চ তাপমাত্রার কারণে এ বছর অনেক মানুষ অসুস্থ হয়েছিল। এখন তুষারপাত হয়েছে, আশা করা যায় এ রোগব্যাধি কমে যাবে।’
এদিকে, গজনির বাসিন্দা হায়াতুল্লাহ তাকাল বলেন, স্বাভাবিকভাবেই এই তুষারপাত খরার মাত্রা কমিয়ে গজনির ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বাড়াবে। তবে কঠিন শীত মৌসুমে দুস্থ পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোরও আহ্বান জানিয়েছেন কিছু নাগরিক।
যদিও তুষারপাতকে নিয়ামত হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং এটি কৃষি, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি ইতিবাচক সংকেত বয়ে এনেছে তবে শীতের তীব্রতা ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কাও রয়েছে।
©somewhere in net ltd.