| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির মধ্যে দখলদার ইসরায়েলের কাছে ৬.৬৭ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর শুক্রবার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আক্রমণাত্মক হেলিকপ্টার এবং অত্যাধুনিক সামরিক যানবাহনসহ আরও ৬.৬৭ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র কিনছে সন্ত্রাসী ইসরায়েল।
এরই মধ্যে এসব অস্ত্র কেনার অনুমতিও দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। অনুমোদিত অস্ত্র চালানের মধ্যে রয়েছে ৩০টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, যা ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় গণহত্যার সময় ফিলিস্তিনিদের ওপর আক্রমণ করার জন্য ব্যবহার করেছে।
৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে যে, দখলদার ইসরায়েলকে ৩.৮ বিলিয়ন ডলারে ৩০টি অ্যাপাচি এটাক হেলিকপ্টার এবং ১.৯৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের সাঁজোয়া যানসহ আমেরিকার তৈরিকৃত অস্ত্র কিনতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, অ্যাপাচি হেলিকপ্টারগুলি বোয়িং এবং লকহিড মার্টিন নামক মার্কিন প্রতিষ্ঠান দখলদার ইসরায়েলের কাছে বিক্রি করবে। রয়টার্স জানায়, এর আগের চুক্তিতে ৭৪০ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র ও সরঞ্জাম প্রদান করা হয়েছে ইসরায়েলকে, যার মধ্যে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের হালকা ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ছিল।
দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী অধিকৃত পশ্চিমতীর এবং গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপকভাবে এসকল অ্যাপাচি এটাক হেলিকপ্টার ব্যবহার করেছে।
গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় দুর্বৃত্ত ইসরায়েলের বর্বর হামলায় কমপক্ষে ৭১ হাজার ৬৬২ জন নিরস্ত্র ও নিরপরাধ ফিলিস্তিনি গণহত্যার শিকার হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর ইসরায়েলে বিলিয়ন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জামও পাঠায়, এসব অস্ত্র যা মূলত বিক্রয়ের পরিবর্তে সহায়তা হিসেবে পাঠানো হয়।
মানবাধিকার গোষ্ঠী এবং জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা ক্রমাগতভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। তাদের মতে গাজায় গণহত্যা পরিচালনার জন্য ইসরায়েল এসব অস্ত্র ব্যবহার করছে।
২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও, যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের ওপর সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি সত্ত্বেও এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০ জনকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েল।
©somewhere in net ltd.