নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লিখা লিখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

মুক্তমনা

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজ যে বন্ধু, কাল সে শক্রও হতে পারে, মুখোমুখি সমরে আমিরিকা রাশিয়া ও চীন : পারমানবিক মারনাস্র নিরস্ত্রীকরণ প্রসঙ্গ

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৯:২৭


পোষ্টটি পাঁচটি পর্যায়ে সংগঠিত , প্রথমত: গত ৬ই এপ্রিল ২০১৭ তারিখে সিরিয়ায় আমিরিকার টমাহক ক্ষেপনাস্রের আঘাত প্রসঙ্গ, দ্বীতীয়ত: জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমিরিকার পারমানবিক বোমা হামলার সচিত্র একটি বিবরণ, তৃতিয়ত: বিভিন্ন সময়কালে পারমানবিক সমরাস্রের বিস্তার ও হুমকি প্রদর্শন প্রসঙ্গ, চতুর্থত : শান্তিপুর্ণ ব্যবহারের নাম করে পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রকারান্তরে কৌশলে পারমানবিক বানিজ্যায়ন, পরিশেষে পারমানবিক ধংসযজ্ঞের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে সচেতনা জাগ্রতকরন বিষয়ক আলোচনা।

বিশ্বে ঘটে যাওয়া সামরিক কর্মকান্ডের যে দিকেই তাকানো যাকনা কেন শুধু দেখা যায় 'আজ যে বন্ধু, কাল সে শত্রু হতেও পারে'। সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আর পুতিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মনে হয় খেটে যাবে কথাটা ? আমেরিকা ও রাশিয়া কি ফিরে যাবে সেই পরিচিত বৈরিতায়? ট্রম্পের নির্দেশে সিরিয়ায় ঝাঁপিয়ে পড়ল আমেরিকা। রাশিয়ার প্রত্যক্ষ আশ্রয়ে টিকে থাকা আসাদের সেনাবাহিনীকে ‘শিক্ষা’ দিতে সিরিয়ার শায়রত বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে পর পর ক্ষেপণাস্ত্র হানল মার্কিন ফৌজ।

ছোড়া হচ্ছে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র। ছবি: রয়টার্স।

গত ৬ এপ্রিল সিরিয়ার বিমান ঘাঁটিতে ট্রাম্পের ছুড়ে দেয়া ৫৯টি টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়ার দৃশ্যে মনে হচ্ছে তিনি সরাসরি রাশিয়ার সাথে সম্পর্কের দুয়ারটি বন্ধ করে দিলেন। ইদলিব প্রদেশের খান শেইখুন শহরে আসাদের বাহিনীর রাসায়নিক হামলার জবাব দিতেই এই পাল্টা আক্রমণ বলে জানানো হয়েছে। রাসায়নিক হামলার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছিলেন এই আক্রমণের।

উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়েছে টমাহক হামলার পর শায়রত বিমানবন্দরের অবস্থা। ছবি( নিউ ইয়র্ক টাইমস )।

তবে অসমর্থিত সূত্রে খবরে জানা যায় হোমস প্রদেশের ওই বিমানঘাঁটি এই হামলায় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। নিহত হয়েছেন কয়েক জন সিরীয় সেনাও।

দিন কয়েক আগে আসাদের সরকার ইদলিব প্রদেশে ‘বিদ্রোহী’ দমনে রাসায়নিক হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। ওই হামলায় অন্তত ২০ শিশু-সহ ৭০ জনের মৃত্যু হয়। অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু মানুষ ( নিউ ইয়র্ক টাইমস) । ইদলিবে রাসায়নিক গ্যাস হামলায় হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়ছে বলেই দেখা যায় । সেখানে ৩৩ শিশুসহ অন্তত ৮৯ জন নিহত হওয়ায় এর দায় ওই অঞ্চলের আসাদ বিদ্রোহীদের উপর চাপায় রাশিয়া ( দৈনিক ইত্তেফাক , তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৭)
Graves of the dead are still fresh from funerals the day before, the red soil still upturned. (Photo the Guardian)

সিরিয়ার যেখান থেকে রাসায়নিক হামলা চালানো হয়েছিল, সেই সেনা ক্যাম্পে পাল্টা হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন ডোরাল্ড ট্রাম্প ।রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের নিয়ম লঙ্ঘন করে সিরিয়ার আসাদ সরকার নিষিদ্ধ রাসায়নিক হামলা চালিয়েছে বলে ট্রাম্পের অভিমত । যেখানে টমাহক হামলা চালানো হয়েছে, তার কাছাকাছি রাশিয়ার সেনা ক্যাম্পও রয়েছে। তবে আগে থেকেই এই হামলার খবর তাদের জানিয়ে দেওয়ার ফলে রুশ সেনারা নিরাপদ স্থানে সরে যায় । মার্কিন পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এমনটা নয় যে এই হামলার পর সিরিয়ায় বর্তমানে মার্কিনীদের যে নীতি চলছে সেটা থেকে তারা সরে আসাবে ।

যদিও এই হামলার আগে আমেরিকা রাশিয়ার সেনাকে জানিয়েছিল , তথাপি ট্রাম্প অনেক ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন বলেই দেখা যায় ।সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের অবসানে এর পর ঠিক কোন পথে আমেরিকা চলতে চায় তাও পরিষ্কার নয়। রাশিয়া অবশ্য আমেরিকার এই হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে । ক্রেমলিন মার্কিন প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, এ রকম হামলা চালালে মার্কিন-রুশ সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরতে পারে।

সিরিয়ায় আমিরিকার টমাহক মিসাইল এটাকের পরে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের মুখপাত্র Igor Konashenkov বক্তব্য রাখছেন ( Photo : Tass )

A Russian defence ministry statement, read on state television, said the US attack had been “ineffective” and claimed Syrian authorities were looking for 36 Tomahawk missiles that fell outside the base and missed the target. The statement also confirmed Russia would stop cooperation and communication with US forces in Syria.

সব মিলিয়ে এই হামলার পরে মধ্য এশিয়া জুড়ে অস্থিরতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা এবং সেটা কোন দিকে গড়ায় সেটাই ভাবার বিষয় ।

অনেকেই এখন উত্তর কোরিয়া বিষয়েও আশঙ্কিত। কারণ, এর মধ্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, চীন কোনও ব্যবস্থা না নিলে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে একাই ব্যবস্থা নিতে পারে আমেরিকা। সেখানেও সামরিক অভিযানের আশঙ্কা রয়েছে। যার জবাব দিতে তৈরি উত্তর কোরিয়াও। এরকম ক্ষেত্রে চীনও যে চুপ করে বসে থাকতে পারবে না সেটা বলাই যায় । তাই একই সঙ্গে রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে লড়াই-এর জন্য কি প্রস্তুত ট্রাম্প ? ভবিষ্যতের গর্ভে তার উত্তর লুকিয়ে আছে। বিশ্ব শান্তির জন্য তাই এ মহুর্তে সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন ।

North Korea is apparently 'prepared' to attack at 'any time'

How Trump can stop North Korea's nuclear threats against the U.S.

অপর দিকে বিভিন্ন ইস্যুতে চীনের সাথে এই মহুর্তে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয় পড়লে পরিনতি কি হতে পারে তা তুলে ধরেছে আমিরকার রান্ড কর্পোরেশন ( Research and development is an American nonprofit global policy think tank) ।

রান্ড করপোরেশন হেড কোয়ার্টার , সান্টা মনিয়া কালিফর্নিয়া

দক্ষিণ চীন সমুদ্র বা সাউথ চায়না সী-কে কেন্দ্র করে আমেরিকা যেভাবে একের পর এক উস্কানীমূলক ব্যবস্থা দিচ্ছে, এতে করে যদি সত্যিই এ অঞ্চলে আমেরিকা এবং চীনের মধ্য যুদ্ধ শুরু হয় তাহলে সম্ভাব্য কি ঘটতে পারে তা নিয়ে আমেরিকার রান্ড কর্পোরেশন দুই দেশের ১০ টি গুরুত্বপুর্ণ Click This Link সামরিক ক্ষমতা যাচাই করে একটি নতুন স্কোর কার্ড প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। রা ন্ড কর্পোরেশন বলেছে শুধুমাত্র স্প্রাটলী আইল্যান্ডএবং চীনের তাইওয়ান আক্রমন নিয়ে যুদ্ধ হলে উভয় পক্ষের যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হবে তাতে আমেরিকা এবং চীনের সামরিক শক্তির ভারসাম্যের বিরাট পরির্তন হবে ।

স্প্রাটলী আইল্যান্ড চীনের তৈরী কিতৃম দ্বীপ (The Spratly Islands dispute is an ongoing territorial dispute between Brunei, China (People's Republic of China), Malaysia, the Philippines, Taiwan, and Vietnam, concerning ownership of the Spratly Islands
উল্লেখ্য যে দক্ষীন চীন সাগরে স্প্রাটলী আইল্যান্ড নিয়ে ব্রনাই , চীন , ফিলিপাইন, তাইওয়ান , মালএশিয়া এবং ভিয়েতনামের মধ্যে টেরিটরিয়াল বিরোধ রয়েছে । চীন দক্ষীন চীন সাগরে আবার একটি কিতৃম দ্বীপও সৃস্টি করেছে ।

স্প্রাটলী আইল্যান্ড চীনের তৈরী কিতৃম দ্বীপ

রান্ড জানিয়েছে বেইজিং এর হাতে থাকা প্রায় ১৪০০ ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র দিয়ে খুব সহজেই ওকিনাওয়া দ্বীপে অবস্থিত আমরিকার কাডেনা বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করে দেয়া সম্ভব।

আর তা যদি হয় তাহলে, আমেরিকার বিমান বাহিনীর জন্যে চীনে আঘাত হানা বিরাট সময় ব্যয়কারী দুরত্বের বিষয় হয়ে দাড়াবে, কারন সেক্ষেত্রে আমেরিকাকে তাদের আলাস্কা, গুয়াম বা হাওয়াই বিমান ঘাঁটি থেকে চীনের উপর আক্রমন করতে হবে। এই দুরত্বের কারনে চীনও নিজেদের আক্রমনকে পূনরায় আরো কার্যকর করার জন্য যথেষ্ঠ সময় পাবে। রান্ড আরো জানিয়েছে ২০১৭ সালের কাল্পনিক সাত-দিনের যুদ্ধে তাইওয়ানকে রক্ষা করতে আমেরিকার কমান্ডাররা চীনে যুদ্ধ চালানোর জন্য ঘাঁটিই খুঁজে পাবে না।

বিষয়টিকে মাথায় রেখেই আমিরিকা ইতিমধ্যে দক্ষীন চীন সাগর অভিমুখে supercarrier USS John C. Stennis, পাঠিয়ে দিয়েছে

তবে, দীর্ঘ সময় ব্যাপী যুদ্ধে আমেরিকা যদি সুবিধা পায়ও এবং জিততেও থাকে তবে মনে রাখতে হবে এসময়ে কিন্তু আমেরিকার নৌবাহিনী এবং সেনাবাহিনীর উপরও ভয়াবহ হুমকি বাড়তে থাকবে চীনের পক্ষ থেকে ।

তবে, স্প্রাটলীর যুদ্ধক্ষেত্রে, আমেরিকার স্টিল্থ যুদ্ধবিমান গুলো ভাল করবে। কারন এটা মেইনল্যান্ড চায়না হতে ৮০০ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। তবে আমেরিকার লং-রেঞ্জ (দুরপাল্লার) ক্ষেপনাস্ত্রগুলো চীনের যেকোন বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে আট ঘন্টার মধ্যে তাইওয়ানের আশেপাশের ৪০টির মত বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখে আমেরিকা। রান্ড তাদের রিপোর্ট আরো বলেছে, যুদ্ধ শুরু হলে ওয়াশিংটন যখন এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারের উপর নির্ভর করবে, তখন বেইজিং এর তৈরী আধুনিক এ্যান্টি-শিপ-ব্যলিস্টিক-মিসাইল আমেরিকার নৌবাহিনীকে বিরাট হুমকিতে ফেলে দেবে। কারন বর্তমানে চীনের আধুনিক গোয়েন্দা সংস্থা, প্রযুক্তিগত নজরদারী এবং ডুবোজাহাজের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন হবে।

চীন ১৯৯৭ সালের পর একদিকে তাদের জল-থেকে-স্থল যুদ্ধের ক্ষমতা দ্বিগুন বাড়িয়েছে,অপরদিকে তাদের ডুবোজাহাজ বিধ্বংসী ক্ষমতারও উন্নয়ন করেছে।

Chinese front line nuclear attack submarine.


তবে আমিরিকাও তাদের Computer-based rendering of Virginia class attack submarine তৈরী করে রেখেছে

এ প্রসঙ্গে রান্ড কর্পোরেশন জানিয়েছে, তাইওয়ানের ক্ষেত্রে জল-থেকে-স্থল আক্রমনে আমেরিকা চীনের উপর ভয়াবহ ধ্বংস যজ্ঞ চালাতে পারবে। রান্ড এর মতে, চীনের ৪০ ভাগ উভচর জাহাজ গুলো আমেরিকার এই আক্রমনে ধ্বংস হবে। এতে করে চীনা সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে তাদের নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও ক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

আমেরিকা ২০০২ সাল থেকে তাদের কৃত্রিম উপগ্রহের ক্ষমতা বাড়িয়েছে যাতে করে শত্রুর উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটকে বিকল করে দেয়া যায়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রের গতিপথ পাল্টানো যায় বা শত্রুর গোয়েন্দা স্যাটেলাইটকে ধ্বংস করা যায়। রান্ড পরামর্শ দিয়েছে, আমেরিকার তৈরী উচ্চ-শক্তির লেজার সিস্টেম দিয়েও চীনের পুরো মহাকাশ কার্যক্রম ধ্বংস করে দেয়া যাবে। তবে চীনও বসে নেই ।

CHINA is developing an arsenal of first-strike space-lasers that could destroy NATO satellites neutralising the west’s ability to fight back in any conflict.

The lasers will take out US and European satellites from the ground killing off the Washington’s ability to launch intercontinental ballistic missiles in retaliation.

রান্ডের প্রতিবেদনে তাই এ কথাও বলা হয়েছে যে ২০০৭ সালে বেইজিং-এর স্যাটেলাইট বা ভূ-উপগ্রহ বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্রের সফল উতক্ষেপনের ফলে আমেরিকার যোগাযোগ স্যাটেলাইট গুলো বিরাট হুমকির মধ্যে রয়েছে। এছাড়াও আরো ভয়ের ব্যাপার হলো চীনের কাছে আছে রাশিয়ার তৈরী জ্যামিং সিস্টেম।

পারমানবিক যুদ্ধ প্রসঙ্গ

যদিও চীন ধীরে সুস্থে তাদের পারমানবিক শক্তি বাড়াচ্ছে, তারপরও আমেরিকার পারমানবিক আক্রমনকে প্রতিহত করে পাল্টা আক্রমন করা চীনের জন্য কঠিন হয়ে যাবে। কারন এমুহুর্তে আমেরিকার পরমাণূ বোমার মজুদ চীনের মজুদের তুলনায় বেশী। রান্ডের প্রতিবেদন মতে, এক্ষেত্রে আমেরিকা চীন থেকে ১৩ গুন এগিয়ে আছে।

ব্রান্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের বর্ধমান সমর শক্তি এ অঞ্চলে আমেরিকার প্রভাবকে সঙ্কুচিত করবে। এছাড়া আমেরিকার সাথে যুদ্ধে না জিতেও চীন বেশ কিছু লক্ষ্য পূরণ করতে পারবে। তবে এটা ঠিক, দুই পক্ষই যুদ্ধের কারনে যদি ভয়ানক ক্ষতির সম্মূখীন হয় তবে আমেরিকা আগের মতো কখনই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে পারবেনা।

এ প্রসঙ্গে বলা যায় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধকালে আমিরিকার ভয়াবহ তান্ডব লীলা জাপান কিছুটা ভুলে গেলেও ( কারণ জাপান পারমানবিক মারনাস্র উৎপাদন বন্ধের বিষয়ে নন- সাপোর্টিভ দেশের কাতার ভুক্ত যা লিখাটির শেষের দিকে দেখানো হয়েছে ) যদিউ জাপান হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে স্মৃতি নির্মান করে তা উদযাপন করে নিয়মিতভাবে )। তাই এই প্রায় ভুলে যাওয়া হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ দৃশ্যাবলী এখন যা শুধু আমিরিকার ন্যাশনাল অআর্কাইভে সংরক্ষিত আছে সেখান থেকে তুলে আনা হল এখানে ।

প্রথমেই দেখানো হল পারমানবিক বোমা ফেলার আগে ৬ই আগস্ট সকালে হিরোশিমা শহড়টি কত প্রানবন্ত ছিল । আজ থেকে ৭০ বছর আগে ১৯৪৫ সনের আগস্ট মাসের ৬ তারিখ সকাল ৮.১৫ মি. Little Boy নিক নামে ৪৪০০ কেজি ওজনের একটি পারমানবিক বোমা অআমিরিকা কতৃক ফেলা হয় জাপানের হিরোসিমা শহড়ে ।

বোমা ফেলার পুর্বে হিরোসিমার দৃশ্য । পারমানবিক বোমা ফেলার পরে মহুর্তেই পুরে যাওয়া শহড়টিতে শুধুমাত্র কয়েকটি বিদ্যুত খাম্বা দেখা যায় ।

Colonel Paul Tibbets নামে পাইলটের পরিচালনায় Enola Gay নামের B-29 Superfortress bomber টি হতে বোমাটি নিক্ষেপ করা হয় ।

আমিরিকার মারিয়ানা দ্বীপের টিনিয়ান বিমান ঘাটি হতে যাত্রা শুরুর প্রাক্কালে B-29 Enola Gay বোমারো বিমানের ground crewদের সাথে পা্ইপে ধুমপান রত Colonel Paul Tibbets এর ছবি ( US Air Force Reauter)

৬ ই আগস্ট ১৯৪৫ বিমানটির ককপিটে বসে টেক অফের সময় Enola Gayর পাইলট Colonel Paul W Tibbets হাত নেড়ে অভিবাদন করছে (US National Archives)

Little Boy নামের আনবিক বোমাটি Enola Gay's bomb bay তে লোড করার পুর্ব মহুর্ত ( US National Archives )

বোমাটি ভুমি হতে ২০০০ ফুট উপরে থাকতেই ১৫০০০ টন TNT তেজস্ক্রিয় ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে বিস্ফোরিত হয় ।
বোমাটি ফেলার বিমান থেকে দেখা যায় সারা শহড়টি ছেয়ে গেছে ব্যঙগের ছাতার মত ঘন মেঘে (National Archives )

বিমান হতে ছুড়ে দেয়া বোমাটি কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই হিরোসিমা শহড়ের ১৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায় এবং শহড়টির ৬০% ভবন ধংস করে ম্টিতে মিসিয়ে দেয় ।

বোমা ফেলার পর আকাশ হতে তোলা হিরোসিমার ক্ষয়ক্ষতির একটি চিত্র (National Archives )

৬ আগস্ট ১৯৪৫, হিরোশিমার শহড় হতে ১.৩০ কি মি , দুরে অবস্থিত জাপানী অআর্মী ডিভিশনাল ব্যারাক মাটির সাথে মিশে যায় (National Archives )

৬ আগস্ট ১৯৪৫, আনবিক বোমা ফেলার পরে হিরোশিমার একটি ধংসপ্রাপ্ত ভবন (National Archives )

বোমার আঘাতে তাৎক্ষনিকভাবেই হিরোশিমায় ৮০০০০ মানুষ মারা যায় , কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই মৃতের সংখ্যা ১৪০,০০০ পৌঁছায় যা হিরোশিমার মোট ৩৫০.০০০ এর প্রায় অর্ধেক ।

ধংসস্তুপের মধ্যে পুড়ে যাওয়া একটি ফায়ার ইঞ্জিন ( US National Archives )

৯ আগস্ট ১৯৪৫, হিরোশিমার Otagawa River embankment এ জরুরী বিভাগে বোমায় অআক্রান্ত লোকজনদেরকে দেখা যাচ্ছে ( Yotsugi Kawahara/Hiroshima Peace Memorial Museum/Reuters)

The Prefectural Industry Promotion Building, যা পরবর্তীতে Hiroshima Peace Memorial, Atomic Bomb Dome or Genbaku Dome হিসাবে পরিগনিত হয় (AFP)

এপ্রিল ১২, ১৯৪৬, যে সমস্ত বৈমানিকেরা হিরোশিমায় পারমানবিক বোমা ফেলেছিল তারা খোলা জীপে করে নিউ ইয়র্কে যুদ্ধাবসানের বছর পুর্তিতে হাসিসুখে প্যারেড করছে ( US National Archives )

১৯৪৬ , পারমানবিক বোমা বিষ্ফোরনের এক বছর পরে ধংসস্তুপের ভিতরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিধ্যস্ত ভবন ( Keystone/Getty Images)

সিরকা ১৯৪৭ : বোমা বিম্ফোরণের দুই বছর পরে বোমাক্রান্ত মানুয়ের হাতে তার Circa প্রভাব (Getty)

বোমা ফেলার দই বছর পরে টোকিও ইম্পেরিয়াল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে আনবিক বোমাক্রান্ত ভিকটিমদের পিঠে ফুসকীপড়া রোগের দৃশ্য (Getty )

১৯৪৮ : হিরোশিমায় বোমা বর্ষনের তিন বছর পরে জাপানি জনতা দুর হতে দাঁড়িয়ে ব্যাথাতুর চোখে অআনবিক বোমার বিভিসিকাময় দৃশ্য দেখছে (AFP )

হিরোশিমার তিন দিন পরে আরো একটি বড় আনবিক বোমা ফেলা হয় নাগাসাকিতে । ৪৫০০ কেজি আনবিক বোমাটির নিক নেম ছিল Fat Boy নামক বোমাটি Bockscar নামক বোমারু বিমান হতে ছোড়া হয় নাগাসাকিতে । বোমাটির আঘাতে নাগাসাকিতে ৩৯০০০ হতে ৮০০০০ লোক প্রাণ হারায় । জাপান ১৫ ই আগস্ট ১৯৪৫ এ অআত্ম সমর্পন করে ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে ।
২৯ মার্চ ১৯৪৬, নাগাসাকিতে বোমা বহনকারী Bockscar বোমারো বিমানটিকে Roswell বিমান ঘাটিতে দেখা যায় ( AFP )

৯ ই আগস্ট ১৯৪৫ সনে নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত Fat Boy আনবিক বোমাটি (US National Archives )

৯ ই আগস্ট ১৯৪৫ সনে নাগাসাকিতে নিক্ষপ্ত বোমাটি হতে আকাশে মাশরুম মেঘ কুণ্ডলীর মত দেখা যায় (Reuters)

নাগাসাকি উপর নেমে আসা বোমা থেকে তৈরী তেজস্ক্রিয় ধুম্রকুঞ্জ 9.6km ৯.৬০ কিলোমিটার দূর থেকে দেখা যায় (Nagasaki Atomic Bomb Museum/Getty Images)

বোমা ফেলার পর নাগাসাকির বিধ্যস্ত অবস্থার দৃশ্য (US National Archives)

আনবিক বোমা নিক্ষেপস্থলে গড়ে তোলা হিরোশিমার পিস মেমোরিয়াল পার্কে নির্মিত স্মৃতি মিনার (Atomic Bomb Dome, Chris McGrath / Getty Images)


দেশ ভিত্তিক পারমানবিক অস্রের মওজুদ

পারমানবিক ক্ষতাধর পৃথিবীর ৯টি দেশের কাছে এখন প্রায় ১৭০০০ মানব বিধংসী মারনাস্র রয়েছে । দেশ ভিত্তিক পরিসংখ্যান নিন্মরূপ :
রাশিয়া : ৮৫০০,
অআমিরিকা:৭৭০০
ফ্রান্স : ৩০০
চীন : ২৫০
বৃটেন ২২৫
পাকিস্তান : ১২০
ভারত : ১১০
ইসরাইল ( অঘোষিত ) : ৮০
উত্তর কোরিয়া : ৬ হতে ৮ টি
সুত্র : Click This Link

নাগাসাকিতে বোমা ফেলার পরে সাম্প্রতিক কাল পর্যন্ত এই আনবিক শক্তিধর দেশগুলি বিভিন্ন সময়ে পারমানবিক মারনাস্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন যুদ্ধ উপলক্ষে । এর মধ্যে বেশী হুমকি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাস্ট । বিভিন্ন সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও অস্তিতিশীল পরিস্থিতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট কমপক্ষে ১৪ বার আনবিক মারনাস্র হামলার হুমকি দিয়েছে । ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় অআমিরিকা কমপক্ষে ৪ বার পারমানবিক হুমকি দিয়েছে এবং দক্ষীন কোরিয়াকে হুমকি দিয়েছে কমপক্ষে এক ডজনবার । ফকল্যান্ড নিয়ে যুদ্ধের সময় বৃটেন আর্জেন্টিনাকে হুমকী দিয়েছে একবার , ২০০৬ সনে ফ্রান্স ইরানকে নিউক্লিয়ার থ্রেট দিয়েছে , কিউবান মিজাইল ক্রাইসিসের সময় রাশিয়া আমিরিকাকে দিয়েছে eyeball to eyeball পারমানবিক হুমকি এবং রাশিয়া ১৯৫৬ সনে সুয়েজখাল ইস্যু নিয়ে বৃটেন ও ফ্রান্সকে পারমানবিক মারনাস্র প্রয়োড়গের হুমকি দিয়েছে । তা্‌ইওয়ান নিয়ে চীন দিয়েছে আমিরিকাকে এই মারনাস্র ব্যবহারের হুমকি । কারগিল যুদ্ধ নিয়ে পাকিস্তান ইন্ডিয়াকে পারমানবিক অস্র ব্যবহারের হুমকি দিয়েছিল বলে জানা যায় ( Click This Link )
১৯৯৯ সনে কাশ্মীরের কারগিলে পাক ভারত যুদ্ধ

পারমানবিক যুদ্ধ সরঞ্জামের পিছনে একটি দেশ বিশেষ করে আমিরিকা কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে তার কোন হিসাব বা পরিসংখ্যান কথনো প্রদান করেনা । তবে বিশেষজ্ঞগন একটি আনুমানিক হিসাব তৈরী করতে পারেন অনায়াসে । The Stimson Center নামে একটি সংগঠন হিসাব করে দেখিয়েছে ২০১৭ সন হতে ২০২২ সন পর্যন্ত কেবল মাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনবিক সরঞ্জমাদি খাতে কমপক্ণে $৭১৯.০৯ বিলিয়ন ডলার হতে $ ৭৬১.০৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে ।

নিউক্লিয়ার সরঞ্জামের পিছনে আনবিক শক্তিদর দেশগুলি যে পরিমান অর্থ ব্যয় করে তা দিয়ে অনায়াসেই বিশ্বের সকল এলাকার দরিদ্র দেশগুলির অন্ন , বস্র , বাসস্থান , শিক্ষা , চিকিৎসা ও আন্যান্য মানবিক চাহিদা পুরণ করা যায় অনায়াসে ।

The foundation of the International Red Cross’ মনে করে যে তাদের হাতে যে পরিমান সম্পদ ও ক্ষমতা এখন আছে তা দিয়ে শুধুমাত্র এখনকার যুগের একটি আনবিক বোমার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ কোন দেশের মাত্র একটি নগড়ের ক্ষয় ক্ষতি মোকাবেলাতেও সমর্থ হবেনা , তাই আন্তর্জাতিক রেডক্রস বিশ্বব্যপি জোড়ালো আবেদন রাখছে আনবিক সরঞ্জামের বিলুপ্তি সাধনের জন্য । তাদের মতে এই খাতে যে পরিমান অর্থব্যয় হবে তা দিয়ে অনায়াসে বিশ্বকে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত করা যায় খুবই অল্প সময়ের ভিতরে ।

পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র প্রসঙ্গ


আলোচনার শুরুতেই বলে নেয়া ভালো যে, নতুন কোনো তাত্ত্বিক বিতর্ক সৃষ্টি করা এই লেখার উদ্দেশ্য নয় । তবে বর্তমান বিশ্বে আরো অনেক কিছুর মতোই পরমাণু বিদ্যুতেরও একটা রাজনীতি রয়েছে বলে সর্বত্রই শুনা যায় । আলোচনার শুরুতেই এটা আমাদের মাথায় রাখা দরকারযে ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে আমেরিকানরা ৬ আগস্ট জাপানের হিরোশিমা এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা হামলা চালিয়ে যে অসংখ্য মানুষ হত্যা করে তার সকলই ছিল সাধারণ নিরাপরাধ (সামরিক গ্যরিসনে থাকা হাতে গুনা কয়েকজন সৈন্য ব্যতিত ) । এখানে লক্ষ্য করার বিষয় হলো – ‘শহর’ নির্বাচন। আমেরিকানরা কিন্তু জাপানের রাজধানী টোকিওতে সেই বোমা হামলা চালায় নি। অর্থাৎ জাপানের যে শহরে ধনিক শ্রেণীর বসবাস, রাজনৈতিকদের বসবাস, যারা যুদ্ধ পরিচালনা করে, তাদেরকে অক্ষত রেখে এমন দুইটি শহর বেছে নেয়া হয়, যেখানে বসবাস ছিল শ্রমজীবী মানুষদের। এখানে মূলত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কাজ করেছিল। একটি হল শ্রেণীপ্রশ্ন দ্বিতীয়টি হলো জাপানের শ্রমজীবী মানুষের মন । সেই মন থেকে সোভিয়েত বিপ্লব বা সমাজতান্ত্রিক ভাবনা মানসকে গুড়িয়ে দেয়া।

মার্কিনিরা সেদিন এই পারমাণবিক বোমা হামলা চালিয়ে ছিল জেনেভা প্রোটোকলকে অস্বীকার করে। ১৯২৫ সালে বিশ্বের যে ১৪৬টি দেশ জেনেভা প্রোটোকলে স্বাক্ষর করেছিল, তার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ছিল। ওই প্রোটোকলে বলা হয়েছিল, সনদে স্বাক্ষরকারী দেশগুলি যুদ্ধে বিষাক্ত গ্যাস, রাসয়নিক ও জৈব অস্ত্রের ব্যবহার করবে না। এই জেনেভা প্রোটকল ভেঙে মার্কিনিরা জাপানে আক্রমন চালায়। এর কোন প্রয়োজনিয়তাই ছিলনা বলেই অনেকে মনে করেন এমন কি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র ভিত্তিক আন্তর্জাতিক
American Friend Service Committee ( AFSC)

স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা American Friend Service Committee ( AFSC) গত ১৬ জুলাই ২০১৪ তারিখে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বলেছে
Prior to the bombings, the then Chairman of the Joint Chiefs of Staff, Admiral Leahy, advised President Truman that “a surrender of Japan can be arranged with terms that can be accepted.”
Understanding that Japan’s defeat was inevitable, in 1944 Emperor Hirohito had appointed Suzuki Kantro as Japan’s Prime Minister with the mandate to negotiate an end to the war with the United States. Japanese diplomats approached U.S. diplomats in Lisbon and the Vatican, and the OSS (the forerunner to the CIA) in Switzerland, urging a negotiated end to the war with the condition that the emperor be permitted to remain on his throne. With the Truman Administration’s commitment to unconditional surrender, these Japanese demarches were ignored.
সুত্র: Click This Link

১৯৫৭ সালে মার্কিন উদ্যোগে জাতিসংঘের অধীনে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সি (IAEA) গঠন করতে সমর্থ হয়। সংস্থাটির প্রধান কাজ হলো পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসুচির সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে এমন এক নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে করে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র ছাড়া অপর কোনো রাষ্ট্র পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসুচি থেকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির কর্মসুচিতে যেতে না পারে। একইভাবে এই এনার্জি এজেন্সি গঠন করার ফলে সারা পৃথিবীর উপর গুটি কয়েক রাষ্ট্রের যেমন আধিপত্য বজায় থাকবে তেমনি পরমাণু চুল্লি রপ্তানির ব্যবসায়ে মার্কিনি কোম্পানিগুলির বিশাল বাজার সৃষ্টি হবে। আমাদের এটা জেনে রাখা দরকার, পরমাণু চুল্লি রপ্তানির বাণিজ্যে এখনও মার্কিনিদের আধিপত্য বজায় রয়েছে। তবে এর মধ্যে রাশিয়াও যুক্ত হয়েছে । বাংলাদেশও রাশিয়ার সহায়তায় রূপপুরে একটি পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র রূপপুরে একটি পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে ।

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের একটি কল্পিত মাষ্টার প্লান

রাশিয়ার চেরনোবিল ও জাপানের পরমানু বিদ্যুত কেন্দ্রের বিপর্যয়ের কথা কমবেশি আমরা সকলেই জানি । এ নিয়ে কথা বাড়িয়ে পোষ্ট টিকে লম্বা করতে চাইনা । তবে এ ব্যাপারে কোন মারাত্মক ক্ষতিকর দিক নিয়ে সকলকে সচেতন হওয়ার জন্য অনোরোধ তো করাই যায় । পরমানু বিদ্যুত কেন্দ্রের আকস্মিক কোন বিপর্যয় ছাড়াও এর লিক হয়ে যাওয়া বর্জ হতে দুরারোগ্য কেনসার , লিউকেমিয়া এবং মারাত্মক ধরণের gastro-intestinal illnesses এর সৃস্টি হতে পারে । এটা এখন সকলেরই জানা কথা যে Atomic bomb was fueled by plutonium. Plutonium is a byproduct of civilian nuclear power plants. A typical 1,000 megawatt light water reactor produces 400-600 pounds of plutonium each year, enough to manufacture between 22 and 33 nuclear weapons. Regarded as the most toxic substance, a millionth of a gram of plutonium can cause skin cancer. If inhaled, a fragment of plutonium the size of a grain of pollen will almost inevitably cause lung cancer. If ingested, plutonium will likely result in bone or other cancers. নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট হতে এখন সহজেই নিউক্লিয়ার যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরী করা যায় যেটা ভারত ও পাকিস্তান করেছে , ইরানও চেষ্টা করছে । নিউক্লিয়ার ওয়েপন এখন ৭০ বছরের পুরাতন একটি প্রযুক্তি , ফলে পদার্থ বিজ্ঞান নিয়ে পি এইচ ডি করছে এমন একজন ছাত্রের পক্ষরই আনবিক যুদ্ধ সরঞ্জাম তৈরীর কারিগরি ডিজাইন প্রনয়ন করে দেয়া সক্ষম , শুধু লাগবে প্রয়োজনীয় অর্থ ও সম্পদ ,আর কুকাজের জন্য সম্পদের কোন অভাব হয়না এটা ভুতে জোগায় মানুষ মারার জন্য ।

তাই বলা যায় কেও আমাদেরকে শান্তি দিতে পারবেনা যতক্ষন পর্যন্ত না আমরা সচেতন হই ।

একটি প্রশ্ন থেকেই যায় বিশ্ব কি একটি পরমাণু অস্ত্র মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবে ?

জাপানে হিরোশিমায় আনবিক বোমা ফেলার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ পারমাণবিক বিজ্ঞানী এটা প্রতিরোধের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান বরাবর আবেদন করেছিলেন । এ-বোমা হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই বিশ্বের সকল স্থান হতেই পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয় । জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার সম্পুর্ণভাবে বন্দের জন্য ২৪ শে জানুয়ারী ১৯৪৬ সনে প্রথম রেজল্যুশন গৃহীত হয় ।

এর পর কয়েক দশক ধরে বায়ুমন্ডলে পারমাণবিক পরীক্ষা বন্ধ করার জন্য বিশ্বব্যপী আন্দোলন ঘনিভুত হয়ে উঠে এবং পারমানবিক বোমার ‘’কম্প্রিহেনসিভ টেস্ট ব্যান ট্রিটি (CTBT ) করার জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, এবং অন্যান্য পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশকে বাধ্য করার জন্য চাপ দিতে থাকে ।

১৯৬৮ সালের দিকে এই জনপ্রিয় আন্দোলন দেশে দেশে অ -পারমাণবিক সরকার এবং নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফারেশন চুক্তি (এনপিটি) (Nuclear Nonproliferation Treaty (NPT) নিগোশিয়েট করতে সক্ষম হয় । চুক্তিটি ছিল তিনটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত ১) অ -পারমাণবিক জাতি সমুহ কখনো যেন মিথ্যা শপথ এর মাধ্যমে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশে পরিনত না হতে পারে ২) শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করার অধিকার প্রত্যেকের থাকবে; এবং ৩) চুক্তির ষষ্ঠ ধারা অনুযায়ী পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ গুলি তাদের হাতে থাকা পারমানবিক অস্ত্র নিস্ক্রীয় করবে । কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি এখনো পূর্ণ তা পায়নি বরং পারমানবিক অস্র তৈরীকারী দেশের সংখ্যা এবং এর মজুদ কেবল বেড়েই চলেছে ।

১৯৮০ সনে বিশ্বব্যপী জমে উঠা Halt the Nuclear Arms Race যা Freeze Movement নামে সমধিক পরিচিত ছিল তা আমিরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রিগানকে রাশিয়ার সাথে পারমানবিক মারনাস্র নিস্ক্রীয় ও সীমিত করন নিগোসিয়েশনে যেতে বাধ্য করেছিল । কিন্ত এটাও পারমানবিক অস্র বিস্তারে মুলত কোন ভুমিকাই রাখতে পারেনি ।

বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দাবীর প্রেক্ষেতি the International Court of Justice (ICJ) The International Court of Justice (ICJ) is the principal judicial organ of the United Nations (UN). It was established in June 1945 ১৯৯৬ সনে পারমানবিক অস্র ব্যাবহারকে সতর্ক বানী দিয়ে একটি রুলিং জারি করে ।

The International Court of Justice (ICJ)

ICJ এর রুলিং এ বলা হয় There exists an obligation to pursue in good faith and to bring to a conclusion negotiations leading to nuclear disarmament in all its aspects under strict and effective international control । ICJ এর এডভাইজরী অপিনিয়নের উপর ভিত্তি করে ২০১৪ সনের মে মাসে মার্শাল দ্বিপপুঞ্জ সরকার সাহসিকতার সাথে ICJ এবং জাতীয় আদালতে বিশ্বের ৯টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশের বিপক্ষে এনপিটি এবং সাধারণ আন্তর্জাতিক আইন চুক্তির ধারা ভঙ্গ ও তা বাস্তবায়নে তাদের ব্যর্থতার জন্য মামলা দায়ের করে ।
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ ( ১৯৮৬ সনে পুর্ণ স্বাধিনতা প্রাপ্ত প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দ্বীপ দেশটির লোক সংখ্যা মাত্র ৫২৬৩৪জন (২০১৩সনের আদমশুমারী)। এখানে উল্লেখ যে ১৯৪৬ সন হতে ১৯৫৮ সন পর্যন্ত শীতল যুদ্ধকালীন (Cold War) সময়ে অআমিরিকা মার্সাল দ্বিপপুঞ্জের কিছু দ্বীপে মোট ৬৭টি পরিক্ষামুলক পারমানবিক বিস্ফোরণ ঘটায় এর মধ্যে
Castle Bravo https://en.wikipedia.org/wiki/Castle_Bravo নামে সবচেয়ে বড় বোমাটির ( (১০৫০০ কেজি ওজনের ) মোট তেজস্ক্রীয় ক্ষমতা ছিল ১৫ মেগাটন যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাহৃত বোমার থেকে ৭২০০ গুনের ও বেশী ক্ষমতাসম্পন্ন ছিল ।
https://en.wikipedia.org/wiki/Castle_Bravo
Castle Bravo mushroom cloud এর দৃশ্য

মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের একটি এরিয়াল ভিউ

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন মিন মিনে গলায় কিছু কর্মসুচী যথা New Agenda Coalition তুলে ধরলেও তা NPT এর য়ষ্ঠ ধারা বাস্তবায়নে কোন প্রভাব রাখতে পারেনি । দুনিয়ার প্রায় ১০০টি দেশের সমন্বয়ে Intergovernmental Conferences on the Humanitarian Consequences of Nuclear Weapons আনবিক অস্র নিক্রিয়করন ও তা উৎপাদন বন্ধে দাবী তুললেও আনবিক ক্ষমতাধর ৫ টি দেশ (P-5 nuclear powers ) যথা ইউ এস এ , রাশিয়া , বি্রটোন , ফ্রান্স এবং চীনকে কোন রূপ চাপে ফেলতে পারেনি । এর সাথে ব্ঙগের ও ঠেং মেলা অবস্তার মত পাকিস্তান , ভারত , উত্তর কোরিয়া ও ইজরাইল ও যুক্ত হয় ও অআনবিক বোমা ও মিজাইল তৈরী ও মজুদ বাড়িয়েই চলে পারমানবিক বিধ্বংসী ক্ষমতার মুর্তী।

ভয়ংকর পারমানবিক বোমার অগ্নিমুর্তী

তবে ২০১৩ সনে জাতি সংঘ Open-Ended Working Group এর মাধ্যমে আনবিক মারনাস্র উংপাদন ও ব্যবহারের বিপক্ষে তাদের অবস্থন পুর্ণব্যক্ত করে এবং এ বিষয়ে বহুমুখী সুপারিশও রাখে ।

কিন্ত এর প্রয়োগ দেখা যায় শুধু উত্তর কোরিয়া আর ইরানের বিপক্ষে , বাকী সব যেন ধুয়া তুলশি পাতা ।

নিউক্লিয়ার প্রলিফিকেশন ট্রিটি (NPT) এর পর্যালোচনা প্রতি ৫ বছর অন্তর জাতি সংঘে অনুষ্ঠিত হয় । সর্বশেষ এর পর্যালোচনা হয়েছে গত এপ্রিল- মে মাসে । তাই এখন এর একটি মধ্যমেয়াদী মুল্যায়ন আবশ্যক হয়ে পরেছে । যতদুর জনা যায় এছরের এপ্রিল/ মে মাসে এর একটি মধ্য মেয়াদী মুল্যায়ন হতে পারে ।
এথানে উল্লেখ্য যে গতবছর ২৭ শে অক্টোবর ২০১৬ তে পারমানবিক মারনাস্রের উৎপাদন ও ব্যকহার বন্ধের জন্য জাতিসংঘে একটি যুগান্তকারী রেজুলেশন গৃহীত হয় ।

জাতিসংঘের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গত দুই দশক ধরে বহুপাক্ষিক পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ প্রচেষ্টার পথে পক্ষাঘাতের অবসান ঘটায়

পরবর্তীতে ডিসেম্বর ২০১৬ তে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পারমানবিক মারনাস্র বন্দের লক্ষে রেজুলেশন গ্রহনের জন্য একটি ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয় ।যদিও এই ভোটাভোটির সময়ে নিম্মে দেখানো দেশগুলি নন সাপোর্টিভ http://www.icanw.org/why-a-ban/positions/ ভোট দেয় ।
Albania,Australia, Belgium, Bosnia & Herzegovina,Bulgaria, Canada, China, Croatia,Czech Republic
Estonia, France, Germany, Greece, Hungary, Iceland, India, Israel, Italy, Japan( Japan, which is the only nation ever to be attacked with nuclear weapons, voted against the UN resolution to begin negotiations in 2017 on a treaty prohibiting nuclear weapons. It claims that US nuclear weapons are essential for its security. সত্যিই বিচিত্র বটে !!! ) ।
Latvia, Lithuania, Luxembourg, Micronesia, Monaco, Montenegro, North Korea, Norway, Pakistan, Poland, Portugal, Romania, Russia, Slovakia, Slovenia, South Korea ,Spain, Turkey, United Kingdom , United States = ৩৯টি দেশ

তার পরেও জাতিসংঘে একটি রেজুলেশন গৃহীত হয় যার আওতায় সকল প্রকার পারমানবিক অস্র নিষিদ্ধকরনের বিষয়ে ২০১৭ সনের জুন ও জুলাই মাসে নিউ ইয়র্কে একটি নিগোশিয়েশন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে ।

এখানে উল্লেখ্য যে International Campaign to Abolish Nuclear Weapons (ICAN) পৃথিবীর ১০০টি দেশে ছড়িয়ে থাকা একটি বেসরকারী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন , যারা nuclear weapon ban treaty জন্য বিশ্বব্যপী শক্তিশালী ভুমিকা রাখছে যেন ২০১৭ সনে জুন -জুলাইতে অনুষ্ঠিত সন্মেলনে পারমানবিক সমরাস্র বন্ধের জন্য একটি বৈশ্বিক এগ্রিমেন্টে পোঁছতে পারে । যে কেও এইলিংক অনুসরণ করে ICAN এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন , রাখতে পারেন পারমানবিক অস্রমুক্ত বিশ্ব গড়তে বলিষ্ট মতামত কিংবা ভুমিকা । এই পোষ্টের মুল উদ্দেশ্য এটাই । উপরে উল্লেখিত ৩৯ টি নন সাপোর্টিভ দেশের তালিকা হতে দেখা যায় বিষয়টি কতই না কঠীন হবে!!! এ সময়ে আমরা যার যার অবস্থান হতেই সোচ্চার কন্ঠে দাবী তুলতে পারি বিশ্বের সকল জাতি সত্তাই যেন মানব সভ্যতা বিধ্বংসি পারমানবিক অস্র প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে পার সমন্বিত ভাবে ।

উল্লেখ্য যে Information is power , তাই যতবেশী তথ্য আমরা জানতে পারব এবং একে অপরকে জানাতে পারব ততই আমাদের সচেতনতা বাড়বে এবং পারমানবিক মারনাস্র নিরস্রিকরনে বৈশ্বিক জনমতগঠন প্রক্রিয়াটিও শক্তিশালী হবে ।

ধন্যবাদ এতক্ষন সাথে থাকার জন্য

তথ্য ও ছবি সুত্র : সংস্লিষ্ট স্থানে উল্লেখ ও লিংক দেয়া হয়েছে

মন্তব্য ১৫৮ টি রেটিং +৩৮/-০

মন্তব্য (১৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৯:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



চীন সরকারের কাছে একজন চীনা সৈনিকের বা চীনা মানুষের মুল্য ১ জন সোমালিয়ান থেকেও কম, হয়তো ৫০০ ইঁদুরের সমান। ফলে, তারা একবার আমেরিকার সাথে হয়তো যুদ্ধে যাবে অবস্হা বুঝার জন্য; তবে এখন নয়, তারা আরো কিছুদিন জীবনকে উপভোগ করার পর; এই প্রথম তারা ডলার ও ভাতের মুখ দেখেছে গত ৪০০ বছরে।

উ: কোরিয়ার কিমদের মগজের সমস্যাকে কাজে লাগিয়ে চীনারা আমেরিকার সাথে যুদ্ধ লাগায়ে অবস্হা বুঝতে চাচ্ছে। আমেরিকায়ও কমবুদ্ধিমানরা জেনারেল ফেনারেল হয়ে বসে আছে; পেন্টাগণে বসে বিশ্ব জয় করছে কম্প্যুটারে।

তবে, উত্তর কোরিয়ার কিম জংকে সরায়ে দিয়ে, মিলিটারীকে ডলার দিয়ে, ২ কোরিয়া এক করে, আমেরিকা জয়ী হতে পারে, চাইলে; মানে চাইনীজ তৈরি রোবট থেকে চিন্তামুক্ত হতে পারে।



০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , নিউইয়র্কে যদি সে সময় থাকেন তাহলে ICAN সাথে যোগাযোগ করে পারমানবিক অস্র নিষিদ্ধকরনের বিষয়ে ২০১৭ সনের জুন ও জুলাই মাসে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য নিগোশিয়েশন আলোচনায় ভুমিকা রাখতে পারেন :)

২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৯:৫৮

অর্ক বলেছেন: khub valo laglo, onek kichu janlam. hoyto juddho asonno. amra boddo asahay! puro prithibi dhangsho hote pare juddher karone.

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


শী জিনপিং'কে কোন ধরণের সন্মান দেখেনো হয়নি ট্রাম্পের পক্ষ থেকে; চীনারা অপমান বোধ করেছে সম্ভবত; শী জিনপং'এর সাথে মিটিং'ত বসে ট্রাম্প অকারণ নেভিকে কমান্ড দিচ্ছিলো সিরিয়ায় টমাহক পাঠাতে; ডিনারের পর, শীকে জানানো হয় যে, সিরিয়ায় টমাহক আক্রমণ চালানো হয়েছে; এই ধরণের ইডিওসী অন্য কোন আমেরিকা হয়তো করার কথা ভাববে না। ফলে, চীন আমেরিকার ব্যাপারে ভয়ংকর কিছু ভাবলে হতবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আবার আসার জন্য ।
শী জিনপং ট্রাম্পকে দাওয়াত দিয়েছে , ট্রাম্প সেটা কবুল করেছে । দেখা যাক ট্রাম্পের কপালে কি আছে ।

৪| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:২০

বিজন রয় বলেছেন: !!!!!!!!!!?????????????!!!!!!!!!!!!!!

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দাদাগু, যখন পড়বে একখান তখন এমনো করতে পারবেন না!!!! , এক সেকেন্ডও সময় কি পাবেন তখন????
অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৩০

মোঃ কাওছার ইসলাম বলেছেন: মুসলমানরা নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করায় বড় শক্তিগুলো তাদের অস্র পরিক্ষা করার সুযো পাচ্ছে।
কারো পোষ মাস কারো সর্বনাশ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সে জন্যইতো বলা হয় সকলের মাঝে সচেতনতা আসুক । ঠিকই বলেছেন নীজেদের মধ্যে হানাহানি বন্ধ না হলে বৃহত শক্তিগুলি তাদের অস্র পরীক্ষা করতেই থাকবে ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৬| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , সে জন্যইতো বলা হয় সকলের মাঝে সচেতনতা আসুক । ঠিকই বলেছেন নীজেদের মধ্যে হানাহানি বন্ধ না হলে বৃহত শক্তিগুলি তাদের অস্র পরীক্ষা করতেই থাকবে ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এটা পুরান আর নতুন ইতিহাস

৭| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:০৫

নুসরাত জাহানি ইলা বলেছেন: ভাল লিখেছেন।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ নুসরাত জাহানি ইলা পোষ্টটি ভাল লাগার জন্য
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৮| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:৫১

শাহজালাল হাওলাদার বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেক সময় ব্যয় করে অনেক তথ্য বহুল পোস্ট দেয়ার জন্য।
চলমান ঘটনার আপডেট দিতে থাকুন।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোস্টটি তথ্যবহুল মনে হওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
দোয়া করবেন যেন আপডেট দিতে পারেন ।

৯| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৫

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: পুরো লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়লাম এবং কিছু বিরল ও ভয়াবহ দৃশ্যের ছবি দেখলাম। বিশ্বকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার চেষ্টা এ যাবত ব্যর্থ হয়েছে এবং আমার ধারনা আগামীতেও ব্যর্থ হবে। তারপরেও এ বিষয়ে আপনার পোস্টে উল্লেখিত তথ্যগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মানব জাতির ইতিহাসই এ কথা বলে যে সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ কলহপ্রিয়। ক্ষমতা ও শক্তির অনৈতিক ব্যবহার মানব জাতির ইতিহাসকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে। সেখানে মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিকতা নেহাতই ফাঁপা বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

যাই হোক, পরাশক্তিগুলোর মধ্যে যদি সত্যি সত্যিই যুদ্ধ বেধে যায় আর সেই যুদ্ধে পরমানু অস্ত্রের ব্যবহার হয়, তাহলে সেই যুদ্ধের ইতিহাস পড়ার জন্য দুনিয়ায় কোন মানব সন্তান বেঁচে থাকবে বলে আমার মনে হয় না। সকলের সংযত হওয়া উচিৎ।

ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক কষ্ট করে এই জাম্বো পোষ্টটা মনযোগ দিয়ে পাঠের জন্য । পারমানবিক অস্র নিষিদ্ধকরনের বিষয়ে ২০১৭ সনের জুন ও জুলাই মাসে নিউ ইয়র্কে একটি নিগোশিয়েশন আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে । International Campaign to Abolish Nuclear Weapons (ICAN) পৃথিবীর ১০০টি দেশে ছড়িয়ে থাকা একটি বেসরকারী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন , যারা nuclear weapon ban treaty জন্য বিশ্বব্যপী শক্তিশালী ভুমিকা রাখছে যেন ২০১৭ সনে জুন -জুলাইতে অনুষ্ঠিত সন্মেলনে পারমানবিক সমরাস্র বন্ধের জন্য একটি বৈশ্বিক এগ্রিমেন্টে পোঁছতে পারে । ICAN এর একজন নিয়মিত সাবসক্রাইবার হিসাবে মনে হলো তাদের মহতি প্রচেষ্টার সাথে আমরাও কিছুটা শরীক হতে পারি যার যার অবস্থান হতে । সেই বিবেচনায় মুলত এই পোস্ট টি দেয়া হয়েছে । আমাদের স্কুল কলেজের ছাত্রদের কথা বিবেচনা করেও পোষ্টটিকে একটু সেভাবে স্ট্রাকচারড করা হয়েছে , জানিনা এটা তাদের কোন উপকারে আসবে কিনা ।

অামি জানি আমাদের কোন সচেতনতাই অস্র ব্যবসায়িদেরকে দমাতে পারবেনা বরং আমাদেরকে দমানোর জন্যই তারা প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে । কিন্তু আল্লার মাইর দুনিয়ার বাইর । নীজের আগুনে তারা হয়ত নীজেই পুরে মরবে, যদিউ কামনা করি আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুন , সকলের মাঝে শুভ বুদ্ধির উদয় হোক ।

আপনার গল্প কবিতায় পারমানবিক বোমার ভয়াবহতার বিষয়গুলি কোন না কোন ভাবে তুলে ধরলে এর বিপক্ষে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা রাখি ।

ভাল থাকুন এ শুভ কামনা রইল ।

১০| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:৩৮

নাইম রাজ বলেছেন: মনযোগ সহকারে পোস্ট পড়লাম,সবমিলিয়ে যা বুঝতে পারলাম তাতে ভয়াবহ অবস্থা দেখা যাচ্ছে।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ নাইম রাজ , ঠিকই বলেছেন ভয়াবহ অবস্থা ,আর এই অবস্থা সৃস্টি করছে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্টা করার ধ্বজাধারিরা , কি বিচিত্র সেলোকাস!!! শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া মনে হয় তেমন কিছু করার নেই , তবে সর্বশক্তিমান অাল্লার কাছে সাহা্য্য কামনা করি অাল্লাহ যেন আমাদেরকে রক্ষা করেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:৪৭

করুণাধারা বলেছেন:

তথ্যবহুল ও বিরল ছবিসমৃদ্ধ পুরো পোস্টটিই ভাল লেগেছে- বেশী ভাল লেগেছে পারমানবিক বোমার বিধংসতার রূপ আর আমাদের রূপপুর নিয়ে অংশটুকু। কোন কারনে যদি কখনো দুর্ঘটনা ঘটে তাহলে যে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তার পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

ধন্যবাদ পোস্টটির জন্য।

চারটি পর্যায় উল্লেখ করেছেন কিন্তু দ্বিতীয়ত কথাটি।দুবার উল্লেখ করেছেন।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটি ভাল লাগার জন্য । আমাদের রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুত কেন্দ্রের বাস্তবায়ন কাজ এগিয়ে চলছে । কামনা করব সরকার যেন এর নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ্য গুরুত্বের সাথে দেখেন যেন কোন রকম দুর্ঘটনা না ঘটে , এ ব্যপারে শুধু সরকার নয় সকলকেই সচেতন হতে হবে । কোন দুর্ঘটনা ঘটলে আমরা শেষ, এক মহুর্তো সময় পাবনা এর পক্ষে বিপক্ষে কিছু বলার জন্য!!!
ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য , সংশোধন করে দিয়েছি ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:০০

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: পারমানবিক বোমা সভ্যতার অভিশাপ!


পারমানবিক বোমাহীন পৃথিবীর স্বপ্ন আমরা দেখতেই পারি, তবে এটা নিয়ে যাদের ভাবা কথা তারা আসলেই কি আমাদের মতো করে ভাবছেন???


সুন্দর পোস্ট!:)

প্লাস!:)

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ রহমান ভাই , ঠিকই বলেছেন পারমানবিক বোমা সভ্যতার অভিশাপ!
আপনার পাঠক নন্দিত কবিতায় পারমানবিক বোমাহীন পৃথিবীর স্বপ্ন দেখান,
এই কামনাই করি , একটি কবিতার আবেদন পারমানবিক বোমার থেকেও
অনেক বেশী শক্তিশালী । দুষ্টরা বোমার থেকে কবিতাকেই বেশী ভয় পায় ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:১১

সুমন কর বলেছেন: তথ্যবহুল চমৎকার পোস্ট। আংশিক পড়লাম। পরে আস্তে আস্তে পড়তে আসবো....
+।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দাদা অনেক ধন্যবাদ , ভাল লেগেছে এটা কিছুটা পাঠ করেছেন বলে । কোন সমস্যা নেই সময় সুযোগ নিয়ে পড়েন , তবে কবিতায় কোন না কোন ভাবে এই ভয়াবহ অবসম্থার কিছু চিত্র তুলে ধরলে উপকার হবে বলে মনে করি ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৪| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:১৮

ধ্রুবক আলো বলেছেন: অনেক বিস্তারিত আলোচনা মূলক পোস্ট +++++
খুব সুন্দর সাজানো লেখা, ধন্যবাদ।

চীনা প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে আমেরিকা নিয়ে বলি এরা পৃথিবীর সবচেয়ে উশৃঙ্খল জাতি। এরা অন্যের সুখ দেখতে পারে না, জাতিসংঘ এদের কথায় উঠে উঠে। প্রথম কমেন্টে চাঁদগাজী ভাই ভালো কথা বলেছেন।
দুই কোরিয়া এক হলে আমেরিকা যুদ্ধ করার সাহসও পাবে না।

তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ বাধবে আজ হোক আর কাল! এখন যুদ্ধ যদি বাধে আমেরিকা কোরিয়া মাঝখানে আমরা খুব বিপদে পরবো, ।

আমি, আপনি কেউই চাইনা যুদ্ধ বাঁধুক কিন্তু আমেরিকা তা চায় না!

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটি সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য ।
লক্ষ্য অর্জনে আবেদনময়ী করার জন্য পোষ্টটিতে বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলা প্রয়োজন মনে হয়েছে ।

সবচেয়ে দুর্ভাগ্য জনক হল আনবিক বোমা খেয়েও জাপান আনবিক বোমা নিরস্রীকরণে নন-সাপোর্টিভ দেশের তালিকাভুক্ত ।
বিশ্বের প্রভাবশালী ৪০টির মত দেশ আনবিক বোমা নিরস্রীকরণে নন-সাপোর্টিভ দেশের তালিকাভুক্ত। ধারনা করা হচ্ছে যত কথাই বলা হোক না কেন এর বিস্তার ঘটেই চলবে ।

সঠিক কথাই বলেছেন আনবিক বোমার বিষয়ে আমেরিকাই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশ । তাদের কথার ও আচরণের কোন মিল নেই ।

ঠিকই বলেছেন চাদগাজীর কথাটা ঠিকই বলে মনে হয় ।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধলে পৃথিবীতে কেও বাচবে বলে মনে হয়না, আমরাতো অবশ্যই বিপদে পড়ব ।

আমিরিকা মনে করছে তার কিছুই হবেনা , কিন্তু আড়ালে যে তার সুর্য হাসে সে কি তা জানে !!!

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৫| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:২০

ধ্রুবক আলো বলেছেন: আপনার একটা পোষ্ট আমি প্রিয়তে রেখে দিছি কিন্তু সময়ের অভাবে পুরো পড়তে পারিনাই। তাই এখনও অবধি কোনো মন্তব্য করি নাই সেই পোষ্টে!

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সেই পোষ্টটিকে প্রিয়তে নেয়ার জন্য । কোন অসুবিধা নেই ধিরে সুস্থে সেটা পাঠে মন্তব্য করেন । আপনার মন্তব্য থেকে আমার অনেক কিছু শিক্ষনীয় আছে । :)
শুভেচ্ছা রইল

১৬| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৫৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আলী ভাই অনেক প্ররিশ্রম করে যে তথ্য উপাত্ত সুন্দর করে সাজিয়ে পোস্টের রুপ দিলেন তা পড়ে সব অংশের বিস্তারীত বুঝার সেই ক্ষমতা না থাকার কারণ বার কয়েক পড়ে দেখেছি। হয়তো সেই দিনকেই আমরা কিয়ামতের কোন এক পলক বলতে পারি। কিন্তু কিয়ামত হবে তার চেয়েও বয়াবহ! প্রত্যেকটি সৃষ্টকে সেই বয়াল দিনের মুখাপেক্ষি হতে হবে। অাল্লাহ আমাদের সালামতে রাখুন।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ রহমান ভাই কষ্ট করে কয়েকবার পোষ্টটি পাঠের জন্য । এটা আমারই অক্ষমতা সুন্দর ভাবে সহজ করে প্রকাশ করতে পারিনি । বিস্তারিত লিখতে গেলে পোষ্টের আকার ভয়াবহ আকারে বড় হয়ে যেতো ।
পারমানবিক ভয়াবহতার বিপক্ষে একটি শক্তিশালি আবেদনময়ী পোষ্ট তৈরী করা বেশ কঠিন কাজ । আশা করি কোন শক্তিমান লেখক এই দুরুহ কর্মটি সম্পন্ন করবেন ।

কেয়ামততো অবশ্যই হবে , এবং সেটা যে হবেই তা বুঝা যায় মানুষের ক্ষমতা দেখেই , আর সর্বশক্তিমান আল্লার ক্ষমতা সম্পর্কেতো আমাদের কোন ধারনাই নাই । ইস্রাফিল ( আ,) যখন আল্লার হুকুমে শিঙ্গায় ফু দিবেন তখন মহুর্তেই এই জগত ধংস হয়ে যাবে । মানুষের সৃস্ট এক অতি সাধারন আনবিক বোমার আঘাতে হিরোশিমার মত ১৩ বর্গমাইলের একটি শহড় যেখানে ধংসস্তুপে পরিনত হতে পারে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে সেখানে আল্লার অসীম ক্ষমতায় জগত ধংস হতে কত কম সময় লাগবে তাকি কল্পনা করা যায় । দোয়া করি আল্লাহ আমাদেরকে যে কোন বিপর্যয় হতে সহি সালামতে রাখুন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

১৭| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৬

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: ২য় বিশ্বযুদ্ধ এর পর আমেরিকা অথনৈতিক ও সামরিকভাবে সবার ধরা ছোয়ার বাইরে চলে গেছে। চায়নার সাথে আমেরিকা যুদ্ধ মানে চীনাদের নিজেদের ভূখণ্ড বাচানোর লড়াই। আমেরিকারর এয়ারক্রাফট কেরিয়ারগুলো সামরিকদিক দিয়ে তাদের খুব এগিয়ে রেখেছে। সারাবিশ্ব তো দূরে থাক খুদ এশিয়ায় নাকি প্রযুক্তিগত ভাবে জাপানিজ আর্মি এগিয়ে। আর জাপান আর দক্ষিন কোরিয়ায় আমেরিকানদের ঘাটি থাকায় তারা বেশ সুবিধা পাবে। চায়নাদের মেইন ফাইটার যে এফ ২৫ কেবল যুদ্ধ পারফর্ম করার মত আর তাদের স্টেজিক বোম্বারগুলো মোডিফায় করা, এ তুলনায় মাকিনীদের আছে প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বিভিন্ন ধরনের ফাইটার ও স্টেলথ বোম্বার।

তবে চীনাদের আছে, এন্টিসীপ মিসাইল, যার গতি মেক ২১, যা আমেরিকান সীপ গুলোর মাথা ব্যথারর কারন। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংন্থা থেকে শুনা যায়, তারা ৩ টা এয়ারক্রাফট কেরিয়ার সহ বিভিন্ন যুদ্ধ জাহাজ তৈরি করে লুকিয়ে রেখছে।

তবে কাগজেকলমেরর হিসাব আর যুদ্ধ ময়দান আলাদা কথা বলে। ভিয়েতনাম যুদ্ধ, কোরিয়ান ওয়ার হারের অভিজ্ঞাত ও আমেরিকার সামরিকভাবে এগিয়ে থেকে।

অনেক ধন্যবাদ চরম সুন্দর তথ্যবহুল পোস্টের জন্য।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার তথ্যবহুল সুন্দর মন্তব্য পাঠে খুবই খুশী হলাম ।
অনেক নতুন তথ্য জানতে পারলাম ।

আপনি ঠিকই বলেছেন জাপান আর দক্ষিন কোরিয়ায় আমেরিকানদের ঘাটি থাকায় তারা বেশ সুবিধা পাবে অবস্থান জনিত কারণে , নিন্মে দেখা যেতে পারে

এ বিষয়টি রান্ড করপোরেশন তাদের স্কোর কার্ড প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে সুন্দরভাবে:
In virtually any East Asian scenario, U.S. Air Force and U.S. Navy aircraft would play a critical role in blunting Chinese attacks. Since 1996, the United States has improved existing aircraft and introduced so-called fifth-generation aircraft, including the F-22 and F-35.

তবে ঠিকই বলেছেন কাগজে কলমের হিসাবের সাথে বাস্তবের অনেক ফারাক । দেখা যাক আল্লাহ কি রেখেছেন কপালে ,
কামনা করি বিশ্বে শান্তি আসুক , একটি প্রাণও যেন ঝড়ে না যায় অকালে ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৮| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৪২

বিজন রয় বলেছেন: ফলাফল শূন্য।

বর্তমানে সবদেশ আরো যুদ্ধবাজ।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ দাদা , অাবার আসার জন্য ।
ঠিকই বলেছেন চারিদিকে যুদ্ধবাজ
শুধু বাড়তেছে । উপাই কি হবে?

১৯| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৩

রিফাত হোসেন বলেছেন: যুদ্ধ কাম্য নয় কিন্তু দেয়ালে পিঠ যদি .... তখনই যুদ্ধ কে সমর্থন করি।
তার জন্য প্রস্তুতি থাকা ভাল।

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাল কথা বলেছেন ।
তবে প্রস্তুতিটা কি । আনবিকের মোকাবেলায় মানবিক হলে ভাল হয় ।
জিতলে ফলাফল ভাল ।
শুভেচ্ছা রইল ।

২০| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:২১

পুলহ বলেছেন: মার্শাল আইল্যান্ড এর মামলার কনসিকুএন্স কি হয়েছিলো?
আপনার পোস্ট মানেই অজানা অনেক তথ্যের সমাহার। তবে সব থেকে বেশি ভালো লাগে আপনার রেফারেন্স যখন উল্লেখ দেখি। পরের পর্বগুলোর জন্য অপেক্ষায় রইলাম।
শুভকামনা এবং অসাধারণ পোস্টে +++++

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পুলহ । মার্শাল আইল্যান্ড এর মামলার শুনানী এখনো চলছে । দেখা যাক কি হয় ।
এর লিগাল টিমকে নীচের ছবিতে দেখা যেতে পারে ।

The legal team representing the Republic of the Marshall Islands at the ICJ ​
in The Hague. (Image by Rick Wayman, Nuclear Age Peace Foundation)

পরের পর্বের বিষয়ে আগ্রহের কথা শুনে খুশী হলাম

শুভেচ্ছা রইল ।

২১| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪২

সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
পানির নিচের এই ভয়াবহ দানবটা দেখলে আমার জানি কেমন শিরশির করে উঠে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাই ভয়ের কারণ নাই ,
আমাদেরও আছে


২২| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৮

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক ভালো হল বহুল সমালোচিত হৃদয়বিদারক ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিতসহ পোষ্ট পেয়ে। এখান থেকে অনেক কিছু জানা হয়ে যাবে এই পোষ্ট থেকে। আমি এখন পুরোপুরিভাবে পড়তে পারলাম না। এই পোষ্টটি মনোযোগ সহকারে আরো কয়েকবার পড়তে হবে। আপাতত একটু পড়েছি। এখন প্রিয়তে থাকুক। আইপিএল দেখছি, এখন পড়াতে মনোযোগ হচ্ছে না।


অনেক ভালো পোষ্ট ভাই। অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। শুভকামনা জানবেন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ নয়ন ভাই । অনেক বড় পোষ্ট পড়তে পড়তে একটু কষ্ট হবে । কি করব ভাই লিখতে লিখতে বড় হয়ে যায় । অল্প কথায় লিখার ক্ষমতা এখনো অর্জন করি নাই ম অল্প কথায় সুন্দর করে প্রকাশ করতে অনেক জ্ঞান লাগে । দোয়া করবেন যেন সে রকম লিখতে পারি । সময় করে পুরাটা পড়ে নিলে ভাল লাগবে ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৩| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সন্ধ্যার পর থেকে এই পোস্টে আছি।নিঃসন্দেহে একটি পরিশ্রমী পোস্ট !
দুর্লভ কিছু ছবি আর পারমাণবিক অস্ত্রের বিশ্ব হুমকি নিয়ে চুলচেরা আলোচনা বেশ ভাল লেগেছে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দীর্ঘ সময় নিয়ে পোষ্টটি পাঠের জন্য । পারমানবিক অশ্রবিস্তার রোধে সকলকে সাথে নিয়ে একটি গনসচেতনতা সৃষ্টির মানসে এই পোষ্টটির অবতারনা । জানি আমাদের সচেতনতা তেমন কোন ফল দিবেনা , তবু একটি নিরাপদ বিশ্বের জন্য আমরা সকলে মিলে আওয়াজতো তুলতে পারি, এর সুফলতো এক দিন না একদিন আসবেই , কোন প্রচেশ্টাই বৃথা যায়না , আমি এই নীতিতে বিশ্বাস করি ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

২৪| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সন্ধ্যার পর থেকে এই পোস্টে আছি।নিঃসন্দেহে একটি পরিশ্রমী পোস্ট !
দুর্লভ কিছু ছবি আর পারমাণবিক অস্ত্রের বিশ্ব হুমকি নিয়ে চুলচেরা আলোচনা বেশ ভাল লেগেছে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দীর্ঘ সময় নিয়ে পোষ্টটি পাঠের জন্য । পারমানবিক অশ্রবিস্তার রোধে সকলকে সাথে নিয়ে একটি গনসচেতনতা সৃষ্টির মানসে এই পোষ্টটির অবতারনা । জানি আমাদের সচেতনতা তেমন কোন ফল দিবেনা , তবু একটি নিরাপদ বিশ্বের জন্য আমরা সকলে মিলে আওয়াজতো তুলতে পারি, এর সুফলতো এক দিন না একদিন আসবেই , কোন প্রচেশ্টাই বৃথা যায়না , আমি এই নীতিতে বিশ্বাস করি ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

২৫| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৫৮

নীলপরি বলেছেন: আমার উপরের সহব্লগারের সাথে আমি একমত । আপনার প্রতিটা পোষ্টই অনেক পরিশ্রমের ফসল । এটাও তাই ।

এককথায় অনবদ্য লেখনী । ++++++++

শুভকামনা ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্টটিতে এত এত প্লাস দেখে উৎফুল্ল হলাম।
পোষ্টের বিষয় শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

ভাল থাকার শুভকামনা রইল

২৬| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৫৯

আবু মুছা আল আজাদ বলেছেন: স্যার কি বলব এক কথায় অসাধারণ ও অনেক সমৃদ্ধ পোস্ট।

তবে স্যার আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে যা মনে হয় তাহল- ১৯১৭ সালের পর থেকে আমেরকিাকা-রাশিয়ার মধ্য কোন দ্বন্দ বাস্তবে ছিল না। যা ছিল ১৯১৭ এর পূর্বে। ১৯১৭ এর বিপ্লবে তার সমাধান হয়ে যায়।

বিশ্বকাপানো সেই স্ণায়ু যুদ্ধ যা জন্য অমেরিকার সেনারা উত্তর মেরু দিয়ে কতিপয় রাজহাস উড়ে যাওয়া দেখে রাশিয়া আকম্রন করার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়।
সে রাশিয়াকেই আমেরকিা(জায়োনিস্ট এলিট) কোন প্রয়োজন ছাড়াই ১৯৩৩ সালে স্বীকৃতি, ১৯৪৯ এর পারমানবিক বোমার সকল কিছু সরবরাহ করল, ইসরাঈল রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করল আমেরকিা অথচ তার কথিত পরম শত্রু রাশিয়া ৩ দিনের মধ্যই স্বীকৃতি দিল। ২ য় বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রান্সে কমুনিস্ট বিপ্লবের সকল কাজই শেষ শুধু স্বীকৃতি বা শক্তির সমর্থন দরকার ছিল রাশিয়া চাইলে পারত কিন্তু উল্টোটচা করল, ভিয়েতনাম? কোরয়িা, ইন্দোনিিশিয়া? গালফ ওয়ার? সহ অস্যংখ্য ইস্যু.................. একই ভুমিকা। ১৯৯১ এর ভাঙ্গণ সেটিও সেই গোপন বন্ধূত্তের জন্যই।

এখন সিরিয়া এবং ইরাকে যেটা হবে সেটা হল আমেরকিা আইএসএসকে সাহায়্য করবে রাশিয়া আইএসএসকে মারবে যখন পুরো অবস্থা জটিল হবে ঠিক তখন ঐ এলাকা সম্পূর্ন দখল করবে এবং তা গ্রেটার ইসরাঈলের সাথে যুক্ত হবে।

বিষয়টা এমন থিসিস-এন্টি থিসিস-সিনথিসিস আবর্তনের ন্যায়/অর্ডার আউট অব কেওস

আর বর্তমান চীনকে আরো শক্তিশালী করা হবে যাতে সে যুদ্ধে টিকে থাকতে পারে (সর্বশেষ পর্যন্ত নয়)। চীন প্রথম ভিয়েতনামে আক্রমন করবে এর পর হান্টিংটন সাহেব যেভাবে বলেছেন সেভাবে ঘটনা চলতে থাকবে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৪:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুব সুন্দর বিশ্লেষনের জন্য ।
কথাগুলি ঠিকই বলেছেন ।
তবে তাদের এই যুদ্ধ খেলায় আমাদের তৃতীয় বিশ্বের লোকজন বেগোড়ে প্রাণ হারাচ্ছে এটাই চিন্তার বিষয় ।
তবে আমাদের জন্য এটম বোম ফিট করে রাখা হলেও তাদের জন্য রয়েছে তাদেরই তৈরী খারাজিয়ানরা , এরা যে কখন কাকে ধরবে তাত আপনার পোষ্ট থেকেই দেখে আসলাম কিছুটা । ওজা মরে নীজের সাপের কামরে , কথাটা যুগ যুগ ধরে ফলে আসছে । তাদের বেলাতেও ফলবে দুদিন আগে আর পরে । পৃথিবীর ইতিহাসের বিলিয়ন বিলিয়ন বছর সময়ের কাছে কয়েকশ বছর সময় সেতো একান্তই কয়েক মহুর্ত ব্যতিত আর কিছুই নয়।চোখের পলকেই তারা ডুমস ডে দেখতে পাবে ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৭| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১০:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী ,




পোস্ট দেয়ার সাথে সাথেই অফলাইনে পড়েছিলুম সকালে ।
বেশ কিছু দুর্লভ ছবি, সাথে বর্ণনা সবটা মিলিয়ে অনবদ্য ।
"আজ যে বন্ধু, কাল সে শক্রও হতে পারে" এর চেয়ে অলিখিত সত্য মনে হয় আর নেই ।
যা-ই বলুন , মানুষ ক্ষমতার কাছে ধরাশায়ী । পারমানবিক অস্ত্র সেই ক্ষমতার স্ট্যাটাস সিম্বল । "ওঁম শান্তি "বলে চেল্লাচেল্লি করলেও নটে গাছটি মুড়োবে না । সব শেয়ালই ধোঁয়া তুলসি পাতার মতোই পাক-পবিত্র এবং তাদের একই "রা" ।

দেখা যাক সামনের দিনগুলিতে কি হয় । কিন্তু আশাবাদী নই ।

++++++



১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৫:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শত ব্যস্ততার মাঝেও সময় করে এই লম্বা লিখাটি পাঠে আপনার মুল্যবান সময় দেয়ার জন্য ।
ঠিকই বলেছেন ভাই , মানুষ ক্ষমতার কাছে ধরাসায়ী । মুখে তাদের শান্তির বাণী , অন্তরে তাদের বিষ মাখা তীর । এখন তা শুরু হয়েছে ছোড়া মুসলিম বিশ্বের উপরেই । জানিনা এর শেষ কোথায় । তবে আমরা আশাবাদী এর শেষ একদিন হবেই ।

মহানবী বলে গছেন, যুদ্ধ রহিত হবে মুসলিমদের মাঝে ঈমান আসবে যবে । আমাদের কথা হল, মানুষের উপর নয় আঘাত হানতে হবে আনবিক শক্তিধর দানবের মনে, তাহলেই কেবল দুর হয়ে যাবে যত কালিমা অসুন্দর, শুদ্ধ হবে দুষিত সব হদয় অন্তর। আনবিক শক্তির দাপট বন্ধ হবে, ,ট্রাম্প আর পুতিনতন্ত্র ধ্বংস হবে, সমগ্র ধরনী হবে নন্দন কানন সম ভুমিতে স্বর্গ হবে এইটুকুই শুধু বাসনা মম ।

যুদ্ধ এক অভিশাপ রক্ত ধ্বংস ক্রন্দন, এর ফলে থেমে যায় গতি ধারা জগতের যত সব স্পন্দন। তাাই অস্র দিয়ে নয় ,হত্যা দিয়ে নয়, রব উঠুক সারা বিশ্বে শান্তির বাণী, প্রকম্পিত হোক মানুষের হুংকাঁরে, জাগ্রত হোক বিবেক পাষন্ড মাঝারে, তাহলেই আসবে শান্তি আর শান্তি দুনিয়া জোড়ে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১:৫৫

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: এমন লেখায় মন্তব্যই বাতুলতা।। (আমার ভাবনায়)।। শুধু পছন্দ।।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৫:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , পোষ্টটি পছন্দ হয়েছে শুনে ভাল লাগছে ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

২৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৮:৩৭

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ভাই পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে গেলাম। তবে খুবই তথ্যনির্ভর লেখা ভালো লেগেছে।








ভালো থাকবেন নিরন্তর। ধন্যবাদ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি তথ্যনির্ভর মনে হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
দোয়া করি আপনার ক্লান্তির অবসান হোক ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৩০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৯:৪০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: গতকালই পড়েছিলাম সময়ের কারনে মন্তব্য করতে পারিনি। সুন্দর পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
যারা এই সব বোমার আঘাতে মারা গেছে তাদের কথা ভাবলেই গায়ের ভেতর কেমন শিরশির করে উঠে।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
ঠিকই বলেছেন যারা এই সব বোমার আঘাতে মারা গেছে তাদের কথা ভাবলেই গায়ের ভেতর কেমন শিরশির করে উঠে।
আর যেন কেও বোমার অআঘাতে মারা না যায় ,বিশ্ব যেন হয় শান্তির আবাস চলুন সকলে মিলে সে দোয়াই করি ।
শুভ কামনা রইল ।

৩১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১০:৫৮

নতুন নকিব বলেছেন:



প্রথমেই প্রানঢালা ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি ড. আলী ভাইকে। কষ্ট করে এত তথ্যাদির সমন্বয়ে বৃহত একটি পোস্ট উপস্থাপন করায়। এ ধরনের পোস্টকে শুধু শিক্ষনীয় বললে ভুল হবে। এগুলো জ্ঞানের আকরতুল্য।

দ্বিতীয়ত শুভকামনা রাখছি- International Campaign to Abolish Nuclear Weapons (ICAN) সংগঠনটির কর্তাব্যক্তিদের বলিষ্ঠ উদ্যোগের প্রতি। যারা nuclear weapon ban treaty এর জন্য বিশ্বব্যপী শক্তিশালী ভুমিকা রাখছে।

তৃতীয়ত আশাবাদ ব্যক্ত করছি- পৃথিবীর ১০০টি দেশে ছড়িয়ে থাকা বেসরকারী আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন International Campaign to Abolish Nuclear Weapons (ICAN) এর উদ্যোগে আয়োজিত 'পারমানবিক অস্র নিষিদ্ধকরনের' বিষয়ে ২০১৭ সনের জুন ও জুলাই মাসে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য নেগোসিয়েশন আলোচনা বৈঠকটি যাতে সফল হয়। বড় রাষ্ট্র ছোট রাষ্ট্র সকল ভেদাভেদ ভুলে পৃথিবী নামক গ্রহটিকে পারমানবিক অস্র মুক্ত মনুষ্য বসবাসের উপযোগী একটি আদর্শ নিরাপদ আলয় হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এ উদ্যোগ যেন যথাযথ কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম হয়, সে কামনাই করছি।

আলী ভাই,
বরাবরের মতই অসাধারনত্বে অনন্য এই পোস্টটির জন্য আবারও ধন্যবাদ জানিয়ে যাচ্ছি আপাতত:। পোস্ট বিস্তারিত পড়ে আবার সময় পেলে মন্তব্যে আসার ইচ্ছে থাকল।

ভাল থাকবেন অহর্নিশ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটি নিয়ে বিস্তারিত মুল্যায়নের জন্য ।
পোষ্টের মুল বিষযটি নিয়েই বলেছেন কথা, যা দেখে ভাল লাগল ।
এ পোষ্টের মুল উদ্দেশ্যটাই ছিল
'পারমানবিক অস্র নিষিদ্ধকরনের' বিষয়ে ২০১৭ সনের জুন ও জুলাই মাসে নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য নেগোসিয়েশন আলোচনা বৈঠকটি যাতে সফল হয় সে লক্ষ্যে International Campaign to Abolish Nuclear Weapons (ICAN) এর উদ্যোগকে জোড়ালোভাবে সমর্থন করা , বিশ্বব্যাপী জন সচেতনতা গড়ে তোলা ।
পোষ্টটি ভাল করে পাঠের পর আবার আসবেন শুনে খুশী হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৩২| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:৩১

শারমিন আক্তার কৃষ্ণকাঠি বলেছেন: ভাল লিখেছেন।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি ভাল লাগায় ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৩৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৩

অরুনি মায়া অনু বলেছেন: এই পারমানবিক বোমা পৃথিবীকে একদিন ধ্বংস করে দিবে। যুদ্ধ নয়, শান্তিই কাম্য।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মুল্যবান অনুভুতির প্রকাশ এবং যুদ্ধ নয় শান্তি কামনার জন্য ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:১৩

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

অনেক শ্রমসাধ্য পোস্ট। বিষয়টিও সমসাময়িক। লেখাটিতে অনেক চিন্তার খোরাক আছে।

একটি কঠিন সময়ে আমরা বসবাস করছি। শান্তি বা সমঝোতার কথা বলার মতো নেতা প্রায় নেই। যারা আছেন, তারা ক্ষমতাহীন, প্রভাবহীন। বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের মধ্যে সামন্তবাদি মনোভাব না কমলে, শান্তির আশা করা যায় না। ক্ষুদ্র রাষ্টগুলোর উচিত নিজেদের মধ্যে শক্তি সঞ্চয় করা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা; এবং আঞ্চলিকভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে একতা ও আস্থার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত করা।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
আপনার ব্ক্তব্যের সাথে সহমত
শুধু সহমতই নই এর যথাযথ বাস্তবায়নের
জন্যও জোড়ালে দাবী জানাই ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:১৯

বীরেনদ্র বলেছেন: লেখাটি সুন্দর, অনেক তথ্যবহুল কিন্তু অনেক দীর্ঘ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লেখাটি সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
দীর্ঘ এ লেখাটি কষ্ট করে পাঠের জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৩৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১১:৩৪

মুনতাসির নাসিফ (দ্যা অ্যানোনিমাস) বলেছেন: গুড পোস্ট, গুড ইফোর্ট এবং ইনফরমেটিভ ওয়ান টু অ্যাপ্রিশিয়েট ....
অনেকদিন পর ভালো একটা ব্লগপোস্ট পেলাম ব্লগে চোখ বুলাতে এসে ....
পোস্টে প্লাস এবং শুভকামনা রইলো নিরন্তর ....
প্রিয়তে গেল ....

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৫:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: প্রসংসায় মুগ্ধ ।
পোষ্টটি ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
আপনার বছর দুয়েক আগের তবে সর্বশেষ
পোষ্টে একটি ছোট মন্তব্য রেখে এসেছি
দয়া করে দেখে নিলে খুশী হব ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৭| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১:২৭

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: কারন "রজনীতিতে পারমানেন্ট শত্রু যেমন কেউ নেই, তেমনই মিত্রও।।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৬:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ যতার্থ বলেছেন ।
শুভেচ্ছা রইল

৩৮| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১:৪৩

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

''''''''অামার মতে শিরোনামটা এরকম হওয়া উচিত, ''বর্ধিঞ্চু চীন ও ধূর্ত অামেরিকার সাক্ষাৎ হচ্ছে অাজ''।

অর্থনৈতিক, সামরিক, সামাজিক, রাজনৈতিকভাবে অামেরিকা এখনও চীন থেকে অালোকবর্ষ দূরে অবস্হান করছে। তবে যে স্পেস শিপে করে চীন এগুচ্ছে তাতে পশ্চিমারা যতটা ভাবছে তার চেয়েও বেশি গতিতে চলছে এটা।

যে চীনের ২০০০ সালের আগে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এ ২০০'র মধ্যে ছিল না। সেখানে আজ ৫০'র ঘরে ঢুকে গেছে। এত দ্রুত উত্থান। তার মানে হচ্ছে তারা আগে পণ্য নকল করে ফায়দা লুটেছে। আর এখন গবেষণা খাতেও দেদার টাকা ঢালছে।

যে চীনের ২০০০ সালের আগে গ্লোবাল ফরচুন ৫০০ কোম্পানীর লিস্টে নিচের দিকে গুটিকয়েক কোম্পানী ছিল। সেখানে আজ প্রথম পাঁচটার তিনটাই চীনের। ৫০০'র মধ্যে ১০৩ টি চীনের। যে চীনের কিছুদিন আগেও বলার মতো কোনো প্রযুক্তি কোম্পানি ছিল না, সেখানে হুয়াই, জেটটিই, লেনোভো, টেনসেন্ট ইত্যাদি বিশ্ব এমনকি পশ্চিমা বিশ্বেও দাপিয়ে ব্যবসা করছে।

আর এগুলোই হচ্ছে আমেরিকা তথা পশ্চিমা বিশ্বের ভয়। সন্মান হারানোর ভয়। অাভিজাত্য হারানোর ভয়। অবস্থান হারানোর ভয়। আধিপত্য হারানোর ভয়। ক্ষয়িঞ্চু পশ্চিমা অর্থনীতি ও সমাজ------ বর্ধিঞ্চু চীনের এই উত্থান ভালো চোখে না দেখায় স্বাভাবিক। কে চায় এক বনে দুই রাজার বসবাস?

সামনে আরো কিছু অপেক্ষা করছে বিশ্ব রাজনীতির মারপ্যাঁচ দেখার। বিশেষ করে ভারত-চীন দ্বৈরথ যার কলকাঠি পশ্চিমাদের হাতে। তবে আশার কথা হচ্ছে মুসলিম দেশগুলোর মাথামোটা সরকার কিংবা মোল্লারা এই নিয়ে তেমন না ভাবলেও চলবে। কারণ ছাগলদের কোনো কিছু করার সামর্থ যখন নেই তখন চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কীই বা করতে পারে'''

উপরের লেখাটা ব্লগার চাঁদগাজী সাহেবের একটা লেখায় মন্তব্য করেছিলাম। প্রাসঙ্গিক হওয়ায় এখানে দিলাম।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৬:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটি ভাল লেগেছে জেনে ।
অআপনার দেয়া শিরোনামটি অআমার খুবই পছন্দ হয়েছে ।
পরের পর্বটি এ শিরোনামেই দেয়ার ইচ্ছা রাখি প্রবলভাবে ।

ঠিকই বলেছেন অর্থনৈতিক, সামরিক, সামাজিক, রাজনৈতিকভাবে অামেরিকা
এখনও চীন থেকে অালোকবর্ষ দূরে অবস্হান করছে। আপনার দেয়া
বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের তুলনামুলক অবস্থানের চিত্রটি আমার এ পোষ্টটিকে
সমৃদ্ধ করেছে ব্যপকভাবে । আশা করি আপনার মন্তব্যের বিষয়গুলি
পাঠকের নজড়ে পড়বে ।

চীনকে পশ্চিমাদের ভয়ের স্বরূপটি প্রকাশ করেছেন অতি অল্পকথায় সুন্দরভাবে ।
যতার্থই বলেছেন সামনে আরো কি যে অপেক্ষা করছে বিশ্ব রাজনীতির মারপ্যাঁচ এ,
গতকালের সংবাদে দেখলাম সিংগাপুর নিকট হতে ইউ এস নেভাল ফ্লিট রওনা
দিয়েছেউত্তর কেরিয়া অভিমুখে, জানিনা সেখানে সিরিয়ার মত ঘটনা কিছু না ঘটে ।
আমার মনে হচ্ছে চীন, ইউ এসএ এবং উত্তর কোরিয়া বিষয়ে ভাল একটি
পোষ্ট আসতে পারে আপনার কলম ধরে, আমরাও জানতে পারব অনেক না
জানা কথা বিস্তারিত ভাবে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:৪৬

রিফাত হোসেন বলেছেন: সামুতে বছর ৭ কি ৮ বছর আগে ঠিক মনে নাই্, এই আণবিক বোমা + পাওয়ার প্লান্টের উপর নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে, ছোটখাট ব্যাখ্যাসহ পোষ্ট করেছিলাম। আমি বরাবরই এই জাতীয় বোমার বিরোধী + নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট এর পক্ষেও নাই। নবায়নযোগ্য শক্তিকে বেশী প্রাধান্য দিয়ে থাকি।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৬:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য । আপনার মুল্যবান পোষ্টটি দেখার প্রবল ইচ্ছা আছে । আপনার গত ১১ বছরের হাজারের অধিক পোষ্টের ভিতর সেটা খুঁজে বেড় করা একটু কষ্টকর । যদি দয়া করে লিংকটা দেন তাহলে দেখে আসব এক দৌঁড়ে । অাপনার মত আমিউ নবায়নযোগ্য শক্তিকে বেশী প্রাধান্য দিয়ে থাকি। খুশী হলাম আপনার প্রাধান্যটুকু দেখে । এ বিষয়ে সকলের সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন ।

শুভেচ্ছা রইল

৪০| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:০৮

আশিক হাসান বলেছেন: গত ৬ই এপ্রিল ২০১৭ তারিখে সিরিয়ায় আমেরিকার টমাহক ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাত প্রসঙ্গ - এই ক্ষেত্রে কয়েকটি সম্ভবনাকে যোগ করতে চাই , সেগুলো হল:

১। প্রথমত আসলেই কি সিরীয়ার আসাদ সরকার এই রাসায়নিক আক্রমণ পরিচালনা করেছে কিনা? কারন ইতিমধ্যে সিরীয়ার আসাদ সরকার অধিকাংশ এলাকা বিদ্রোহীদের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে, এমনকি সাম্প্রতিক আইএসএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধগুলোতেও আশাতীত সাফল্য লাভ করেছিলো। যেই কাজটি আসাদ সরকার এর পূর্বে যখন কোনঠাসা অবস্থায় ছিলো তখন করলোনা আর যখন সে বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে সে তখন গর্দভের মত এই রাসায়নিক আক্রমন চালিয়ে আমেরিকাকে সুযোগ করে দিবে সরাসরি আক্রমন চালানোর জন্য - এ বিষয়ে আমার সন্দেহ কাজ করছে। কারন ইতিমধ্যে আমেরিকা এরকম বহু ষড়যন্ত্রমূলক আক্রমণ পরিচালনা করেছে বিগত সরকারের আমলে ( বিশেষ করে বুশের আমলে )।

২। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিষয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহের অবকাশ আছে, বিশেষ করে যখন স্বয়ং আমেরিকার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে একের পর এক তদন্ত আদালতের কার্যক্রম চলমান এবং রাশিয়ার সাথে গোপন আতাঁতের খবর বেশ অনেকটা প্রতীয়মান , সেখানে এধরনের রাসায়নিক অস্ত্রের আক্রমনের বিরুদ্ধে টোমাহক ক্রুজের আক্রমন কিছুটা হলেও দেশের এবং বিশ্বের জনগনের দৃষ্টি অনত্র সরাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

৩। রাশিয়ার সাথে সাম্প্রতিক সৃষ্ট বৈরীতা ডোনাল্ডের বিরুদ্ধে চলমান তদন্ত প্রক্রিয়াকে কিছুটা প্রভাবিত করতে পারে।

৪। কিছুদিন আগে নম চমেস্কি ডোনাল্ডের ব্যাপারে সাবধান করে বলেছিলেন যে অভিবাসীদের তাড়াতে তিনি যে কোন ধরনের ঘৃন্য পরিকল্পনা করতে পারেন (Noam Chomsky: Is it fair to worry about Trump staging a false flag terrorist attack?) একইভাবে দেশবাসী তথা বিশ্ববাসীর ফোকাস কে ডাইভার্ট করার জন্য এই রাসায়নিক আক্রমন কোন ঘৃন্য পরিকল্পনার অংশ কিনা কে জানে।

সবশেষে এই দীর্ঘ তথ্যবহুল পোস্ট কষ্ট করে লেখার জন্য লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর বিশ্লেষনমুলক মন্তব্যের জন্য ।
আপনার বলা কথা একেবারে অমুলক নয়,
রাশিয়াতো বলেই দিয়েছে এই রাসায়নিক হামলা
আসাদের নয় , এটা বিদ্রোহীদের কাজ ।
মন্তব্যের অপরাপর বক্তব্যেও যুক্তিকতা আছে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:৪৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: মানুষের উচিৎ মানব মঙ্গলের জন্য কাজ করা, সেখানে তারা করছে উল্টো। একে সভ্যতা বলা যায় কিভাবে? এতো এক চরম অসভ্যতা।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল ।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: কিন্তু তারাতো জগতে শান্তি প্রতিষ্টা করবে বলেই কিছু কিছু দেশে ধংস যজ্ঞ চালায় !!! তাদের ভুলগুলি ধরিয়ে দেয়া দরকার ।

৪২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:৫০

প্রামানিক বলেছেন: অনেক তথ্যবহুল পোষ্ট। পড়ে অনেক কিছু জানা হলো। ধন্যবাদ

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১২:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্ট তথ্যবহূল হয়েছে জেনে খুশী হলাম ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১:০৩

ভাবনা ২ বলেছেন: অসাধারণ তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্ট , পাঠে অনেক কিছু জানা গেল ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট অসাধারণ অনুভুত হওয়ায় ধন্যবাদ ।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি কেন তথ্যবহুল মনে হল জানালে খুশী হব ।

৪৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৫২

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

তথ্যবহুল পোষ্ট। বিজ্ঞান মানুষের জীবন যেমন সহজ করে, ঠিক তেমনি বিজ্ঞানের অপব্যহারও মানুষের মৃত্যর কারণ হয়ে দাড়িয়েছে । মানুষ মানুষের জন্য ,জীবন জীবনের জন্য কিন্তু দিন দিন যেন পৃথিবীতে মানুষ হয়ে মানুষের শত্রু হয়ে উঠছে ।


পড়ে অনেক কিছু জানা হল ভাই ।
ধন্যবাদ; ভালো থাকুন।

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, ঠিকই বলেছেন বিজ্ঞান মানুষের জীবন যেমন সহজ করে, ঠিক তেমনি বিজ্ঞানের অপব্যহারও মানুষের মৃত্যর কারণ হয়ে দাড়িয়েছে । মানুষের হাতে এমন ক্ষমতা হয়ে গেছে যে মহুর্তেই পৃথিবীকে ধংস করার জন্য মেতে উঠতে পারে । কিন্ত এটা তারা জানেনা আল্লাহ চাইলে তাদের বোম গুলা নাও ফুটতে পারে । এগুলি ফুটাতে গিয়ে দেখবে এগুলি ভাইরাসে খেয়ে ফেলছে !!!

মানুষ মানুষের জন্য ,জীবন জীবনের জন্য এটাই বড় কথা ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৫৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:

১৩ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , আপনার জন্যও রইল নববর্ষের শুভেচ্ছা ।

৪৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৪:৫০

ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: পোস্ট প্রিয়তে নিয়ে রাখলা।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৫:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:৪৮

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: বৈশাখী শুভেচ্ছা রইল ভাই,
শুভ নববর্ষ।

নতুনত্ব আর মুখময় হোক আগামী দিনগুলো।
শুভকামনা সবসময়।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৪:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , বাংলা নতুন বছর আপনার জন্যও বয়ে আনুক অনেক সাফল্য এ কামনাই করি ।

৪৮| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৩

TaবিZ FaরুK বলেছেন: আপনি বিখ্যাত হিট ব্লগার, ফেবুতে অনেকের কাছে আপনার প্রশংসা শুনি। আপনার এই লেখাটার শিরোনাম আর শুরুটা খুবই বিরক্তিকর হয়েছে কিছুটা আগামাথা ছাড়া ধরণের, বাকিটা খুবই চমৎকার।






নববর্ষের শুভেচ্ছা।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪৯| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ১:৪৮

জুন বলেছেন: অনেক কিছু বলার আছে ডঃ সাহেব । আসছি শীঘ্রই ।
+

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, খুব চিন্তায় ছিলাম , অধির আগ্রহে থাকলাম ।
শুভেচ্ছা নিবেন ।

৫০| ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৫৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কি হবে সামনের দিনগুলায় কে জানে- তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি আসন্ন তবে। আল্লাহ রক্ষা করুন দাংগা হাংগামা

সুন্দর পোস্ট প্রিয়তে নিলাম

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৩:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শুকরিয়া জানাই খোদার তরে এসে দেখেছেন বলে । প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন । দোয়া করেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যেন না হয় , আল্লাহ বড়ই মেহেরবান , তিনি ইচ্ছা করলে ও অআমরা চাইলে দাংগা হাংগামা বন্ধ করে দিতে পারেন মহুর্তেই ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৮:৩৪

জুন বলেছেন: ড: এম আলী প্রথমেই আসি আপনার লেখার শিরোনাম নিয়ে । বন্ধু হতে চেয়েছিলাম শত্রু বলে গন্য হোলাম এটা গানের কলি হলেও বাস্তবে রাজনীতিতে আজীবনের বন্ধু বলে কিছু নেই । আমি ইতিহাসের ছাত্রী তাই যাই পড়ি না কেন মন চলে যায় সেই পুরনো দিনে ।
আপনি হয়তো শুনেছেন ১৭৫৬ সালে অস্ট্রিয়া দেশটির উত্তরাধিকার আর সাত বছর ব্যাপী যুদ্ধের পর ফ্রান্সের আয়লা শ্যাপেলে যে বিখ্যাত চুক্তি হয়েছিল তাতে অস্ট্রিয়া দেখেছিল তাদের দীর্ঘদিনের মিত্র বৃটেন যুদ্ধে সহায়তা করার জন্য অস্ট্রিয়ার কাছ থেকে কি বিশাল মুল্য দাবী করেছিল । আর তার ফলেই তাদের দীর্ঘ এবং গভীর বন্ধু বৃটেন শত্রু হলো আর যে শত্রু ছিল ফ্রান্স সে মিত্র হলো । আর প্রুশিয়া যা আজকের জার্মান সে কি করে দীর্ঘদিনের শত্রুতা ভুলে ইংল্যান্ডের কাছাকাছি হলো অনলি ফর ব্যালান্স অভ পাওয়ারের জন্য । এটাই বিখ্যাত কুটনৈতিক বিপ্লব নামে ইতিহাসে পরিচিত । আমি খুব সংক্ষিপ্ত ভাবেই তুলে ধরলাম ।

আর জাপান ও কিন্ত নিষ্ঠুরতার কিছু কম করেনি ২য় মহাযুদ্ধের সময় । তার চিনহ আমি স্বচক্ষে দেখে এসেছি মায়ানমারের মান্দালয়ের সেগাই পর্বতে , থাইল্যান্ডের কাঞ্চনাবুড়িতে । সেই মিউজিয়াম দেখলে গা শিউড়ে উঠে যাদের দিয়ে অমানুশিক পরিশ্রমে বানিয়েছিল সেই বিখ্যাত ডেথ রেলওয়ে । তারপর আমি তাদের মলিন, করুন জাপানী সৈনিকদের সিমেট্রিটা দেখতে গিয়েছিলাম ইয়াঙ্গনে । এটা ছবি ব্লগ সময় করে দেখতে পারেন ।
এখানে
তারপর ও হিরোশিমা নাগাসাকির সাধারন জনগনের উপর এটম বোমা ফেলে শহর দুটো ধ্বংস করা কোনভাবেই সহ্য করার মত নয় । যেমন নয় আমেরিকার ভিয়েতনামের সাধারন জনগনকে নাপাম বোমায় ঝলসে দেয়া ।
আমার ছেলের ক্লাশ মেট জাপানী ছাত্র এত ভদ্র আমি খুব কমই দেখেছি । ছেলে জিজ্ঞেস করেছিল তোমরা কথায় কথায় এতবার আরিগাতো বলো আর মাথা ঝুকাও কেন ? উত্তর আমাদের দেশের শাসকবর্গ ২য় মহাযুদ্ধ পরবর্তী জনগনকে আগের জাপানীদের নিষ্ঠুরতা হিংস্রতা মন থেকে মুছে ফেলার জন্য আপ্রান চেষ্টা করেছে এবং শতভাগ সফল হয়েছে । আমি নিজের চোখে দেখেছি আমার ছেলের জাপানী প্রফেসর আমার ছেলের সাথে কথা বলতে গিয়ে কত দ্রুততায় মাথা ঝুকিয়ে আরিগাতো বলে কথা শুরু করেছে যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।
আর আমরা আরো উস্কে দিয়ে জাতিকে বিভক্ত করে ফেলি ।

আর উত্তর কোরিয়া চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধু বলেই আমরা সবাই জানি । চীনা প্রধান হোয়াইট হাউসে গিয়ে ট্রাম্পের সাথে কি একটু চা বিস্কিট খেলো এখন শুনছি চীন নাকি কিম জং উনকে বকে দিয়েছে পারমানবিক পরীক্ষা বা আমেরিকা আক্রমনের ব্যাপারে তার ছেলে মানুষী বা পাগলামীর জন্য । চীনের সমর্থন ছাড়া। উত্তর কোরিয়া বিশাল কিছু করতে পারবে বলে মনে হয় না। তাছারা তার মিসাইল পরীক্ষাও ব্যার্থ হয়েছে। রাশিয়ার সাথে সিরিয়া নিয়ে আমেরিকা লাগতে পারে হয়তো ।
তারপর ও আমরা চাইনা আরেকটা যুদ্ধ লাগুক । যদিও অঘোষিত যুদ্ধ চলছেই বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ।
অপেক্ষায় ..।
+

১৭ ই এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ জুন আপু খুব সুন্দর ঐতিহাসিক মুল্যায়ন করেছেন ঘটনা প্রবাহের ।
সঠিক কথাই বলেছেন , আসলে রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রু মিত্র বলতে কিছু নেই।
বৃটেন ফ্রান্ম শত বছর যুদ্ধ করলেও এখন তারা একে অপরের মিত্র ।
জাপান ভুলে গেছে তার উপরে আমিরিকার এটম বোম ফেলার কথা,
তারা এখন প্রকাশ্যেই বলছে আমিরিকা তার নীজের নিরাপত্তার কথা
বিবেচনা করে তাদের বুকে ফেলেছিল এটম বোমা । এখন তারা
আনবিক বোমা নিশ্ক্রীয়করণের জন্য নন-সাপোর্টিভ দেশের কাতারে
গিয়ে অবস্থান নেয় , বিষয়টা উঠে এসেছে আমার লিখাতেও কিছুটা।
উত্তর কোরিয়া আর আমিরিকার বিষয়টা এবং এতে চীনের ভুমিকা
এখন গভীর সন্দেহের চোখে বিশ্ববাসী দেখা শুরু করেছে । যেমনটি
হয়েছিল তোরাবুরায় যখন তারা লাদেনকে খুঁজে, সে তখন নাকি
বসা ছিল আমিরিকার তত্বাবধানে নিরাপদ স্থানে ।

যাহোক , আপনার সাথে সহমত , আমরা আর একটা
যুদ্ধ চাইনা কোন প্রকারেই , চাই বিশ্ব শান্তি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১০:১০

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: আপনার প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ না হলেও এই কবিতটি অনেকটা সেই ধাচের যেমনটি আপনি ১২ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে বলেছিলেন!

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ রহমান ভাই । দেখে অআসলাম সে কবিতাখানি, দুটো কথা বলে এসেছি সেখানে ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ১১:৫৬

রোকসানা লেইস বলেছেন:
বন্ধুর মুখোশে শত্রু একটু যদি স্বার্থের এদিক ওদিক হয়।
কেউ কাউকে ছাড় দিবে না। আর এই নেতাদের সাধারন কেন চিন্তা নাই! সব সময় কারো না কারো সাথে লেগে থাকার এত সময় পায় কই এরা।
লেখার বিশ্লেষন ভয়াবহ রকম ভালো হয়েছে।
কিন্তু শত্রুতা চাইনা চাই বন্ধুত্ত।
কিন্তু পৃথিবী ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে। অস্ত্রের ঝনঝনানি শুনতে যাদের ভালোলাগে তাদের অর্থের কোন অভাব নাই অথচ না খেয়ে থাকা কোন রকমে চলা মানুষ ধুকছে অর্থের জন্য।
দুবছর আগে আজকের দিনে জাপান পৌঁছেছিলাম। হিরোসিমা গিয়েছিলাম কদিন পর। ধ্বংস যজ্ঞের কোন চিহ্ন নাই শুধু একটুখানী স্মৃতি ধরে রেখেছে। তবে মিউজিয়ামে ঘুরে মাথা ঘুরেছে।
টিট ফর ট্রিট এভাবে দিতে হয়!!
দ্যা রেলওয়ে ম্যান" ছবিটা দেখেছেন আশা করি না দেখলে দেখে নিবেন।
জাপানে হিরোশিমায় আনবিক বোমা ফেলার আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ পারমাণবিক বিজ্ঞানী এটা প্রতিরোধের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান বরাবর আবেদন করেছিলেন । এ-বোমা হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই বিশ্বের সকল স্থান হতেই পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয় । জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার সম্পুর্ণভাবে বন্দের জন্য ২৪ শে জানুয়ারী ১৯৪৬ সনে প্রথম রেজল্যুশন গৃহীত হয় ।

কিন্তু এই তো এখনও গ্যাসবোম দিয়ে শিশুদেরও মেরে ফেলা হলো। তাদের দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার দৃশ্য ভাইরাল হলো তারপরও এমন বোমা বানানো কি বন্ধ হবে পৃথিবীতে।
শুনেছি তাজমহল বানানোর পর কারিগরের আঙ্গুল কেটে দেয়া হয়েছিল। আমাদের মসলিন শিল্পের তাঁতীদেরও আঙ্গুল কেটে দিয়েছিল ব্রিটিশ।যেন তারা নতুন করে তেমন সৌন্দর্য়ের কিছু তৈরি করতে না পারে। তেমন এই ভয়াবহ বিষয়ের বানানোর পদ্ধতি সব মুছে ফেলা যেত যদি মানুষের স্মৃতি থেকে তবে বেশ হতো।

১৮ ই এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বন্ধুর মুখোশে শত্রু দারুন বলেছেন , এখন উপায় কি ?
তাহলে শত্রুকেই এখন থেকে মনে করব আসল বন্ধু !!
সুমেরুর বরফ যে ভাবে গলছে তাতে মনে হয় আমরাতো এমনিতেই ভেসে যাব ,
দরকার কি আর হবে আনবিক বোমার কথা চিন্তা করে ।

জাপানীরা হিরোসিমাকে ভুলে গেছে
তাদের মাথায় আছে সুযোগ পেলে
বাকী দুনিয়াকে হিরোসীমা বানাবে
তাইতো আনবিক বোমা নিরস্রীকরণে তারা
নন-সাপোর্টিভ দেশের কাতারে ঠাই নিয়েছে ।

পারমানবিক বোমা ফুটলে কারো উপায় নাই
এ কথাটা বুঝে আসলে ভাল , আর না বুঝলে
জীবনটা সকলেরই যাবে যে শুধু বিফলে ।

গ্যাস বোমা দিয়ে নারী পুরুষ শিশু মারে
মনুষ মেরে করে তারা হাসাহাসি
চারিদিকে তাদের অস্রের ঝনঝনানী
জানেনা তারা নমরুদের কাহিনী ।

নমরুদ মরেছিল শুনে মশার ভনবনানী
অত্যাচারী অহংকারীদের পতনের জন্য
পারমানবিক বোমার প্রয়োজন হবেনা
শুধু একটি মশা নাসিকা দিয়ে প্রবেশ
করলেই কাজ হবে অনেকখানী !!!!
তখন নমরুদের মত নীজের পায়ের
জুতা খুলে নীজেই নীজের চাদিতে
বারি মেরে তালু ফেটে অক্কা পাবে
বুঝবে তখন কত ধানে কত চাল !!!!

মুঘলেরা তাজমহল কারিগরদের হত্যা করেছিল বলে
নিয়তীর বিধানে যমুনা গর্ভে তারা বিলীন হয়ে গেছে ।
বিটিশেরা মসলিন কারিগরের আঙ্গুল কেটেছে বলে
তাদের সাম্রাজ্যে যেখানে আগে সুর্য অস্ত যেতনা
এখন তারা সুর্যের মুখ কদাচিত দেখে , তাদের
সাম্রাজ্য ছোট হতে হতে গিয়ে ঠেকেছে ইংল্যান্ড আর
উত্তর আয়ারল্যান্ডের ছোট ছোট দুইটা দ্বীপে!!!

আনবিক বোমা যারা বানিয়েছিল শুনেছি সবগুলি নাকি
মরার আগে স্মৃতিনাশ হয়ে মুখে ফেনা তুলে মরেছে !!!

অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য
শুভেচ্ছা রইল ।

৫৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৩

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: তাই বলা যায় কেও আমাদেরকে শান্তি দিতে পারবেনা যতক্ষন পর্যন্ত না আমরা সচেতন হই ।
একটি প্রশ্ন থেকেই যায় বিশ্ব কি একটি পরমাণু অস্ত্র মুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে পারবে ?

২০ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১০:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় কবি ভাই ।
পরম করুনাময় অাল্লাহ ইচ্ছা করলে
বিশ্বে একটি পরমাণু অস্ত্র মুক্ত পরিবেশ
সৃষ্টি হয়ে যেতে পারে যে কোন মহুর্তে।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫৫| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৬

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: যদি আরেকটি যুদ্ধ নামে
হাফেজ আহমেদ

মাতৃকোল হতেই ছুটেছি মোরা,
ছুটে চলেছি গ্রাম বাংলার কাদা মাখা মেঠো পথ হতে,
শহর নগর আর স্বদেশের সীমান্ত পেরিয়ে,
এ প্রান্ত হতে ও প্রান্তে, দিক হতে দিগন্তে।
জল, স্থল আর আকাশ পথ পাড়ি দিয়ে,
দেশ-বিদেশে, শহরে-বন্দরে ছুটেছি আজও,
ছুটেছি আমি , ছুটেছে জগত ,
ছুটেছে মানব কুল, যে যার মত, অবিরত।
এ এক উদ্দেশ্যহীন পথ চলা
যে পথের সীমান্ত অজানা।

পশ্চাতপট তার সোনার হরিণ
অগ্রভাগে সে রাক্ষুসে নেকড়ে,
মিটে যাবে জীবনের অমৃত অাস্বাদন
যেদিন অগ্রে উদিত হবে,
সেদিন পাবেনা সময় শোধরাতে,
অলিক স্বপ্নের হবে অবসান, শেষ গন্তব্যে।
সেই শেষ সীমানা, আছে কার জানা?
তবে কী উন্মাদের মতো আত্মহারা হয়ে ঐ
সুনিশ্চিত মৃত্যুর পথে হাটছি?

এ পথে দিশেহারা মানবের কষ্টগুলো যার যার মত,
কেউ বুজেনা কারো দুঃখ।
বানিয়েছে অস্ত্র, বানিয়েছে বস্ত্র,
ঔষুধের সন্ধানে নিত্য মসগুল,
ঐ ছন্নছাড়ার খাদ্যদানা মরনাস্ত্রে বিনিয়োগ, কতটা নিভূল?
প্রশ্ন করো, একবার নিজেকে প্রশ্ন করো।

নিঃস্বের শ্রমের অলংকারে পূর্ণ যেই রাষ্টভান্ডার,
সেই ধনভান্ডার প্রলয়কারী চর্চায় মরিয়া।
অতঃপর লাশগুলো নিঃস্বের,
লাশগুলো রুগ্ন, বৃদ্ধ, নারী, শিশুর।

জন্মের দাগ কুপতে প্রবল নেশায়
মেতেছে জ্ঞানী,
মেতেছে গুনি, মেতেছে প্রলয়কারী চর্চায়।
কিন্তু যদি আরেকটি যুদ্ধ নামে চিত্রপটে,
যদি মানব বিলুপ্তি ঘটে,
যদি বসুধা হরিয়ে যায়,
তবে ভেবেছো কী জ্ঞানী হে !
কোথায় রবে জন্মের দাগ তোমার?

যদি পৃথিবী না থাকে,
কোথায় রবে মোর কবিতা?
যদি মানব না থাকে,
কে পড়বে মোর কবিতা?

বৃথা যাবে আমার সমস্ত রাত জাগা,
যদি আরেকটি যুদ্ধ নামে।

মৃত্যুকে গন্তব্য আমি কিভাবে বলি?
যদি কবিতার মৃত্যু না হয়,
কবিতা কি পারে রুখতে আরেকটি যুদ্ধ?
কবিতাকে কিভাবে আমি চিরন্তন ভাবি?
যেখানে ভূ-প্রলয়, নিশ্চয়।

হে মানব !
তবে ফিরে দেখ অতীত,
ডানে বামে তাকাও,
ভেবে নাও কোন পথে যাবে, গন্তব্য কোথায়?
পূর্বে নাকি পশ্চিমে, নাকি শুদ্ধতায়।
তবে তুমি কোন পথে ছুটছো?
কি চাই তোমার? কার জন্য? কেন চাই?
অতঃপর কাকে তুমি জ্ঞানী ভাবো?
এরা যদি জ্ঞানী হয় তবে অজ্ঞানী কে?
এরা যদি সভ্য হয় তবে সন্ত্রাসী কে?

অন্যকে বদলানোর ক্ষমতা তোমার নেই,
তবে চেন তুমি কে? কি তোমার পরিচয়?
কোন পথে ছুটছো?
নিজেকে প্রশ্ন করো, এ পথের শেষ কোথায়?

কপিরাইট
লেখক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: প্রিয় কবি ভাই
এক অসাধারণ কবিতা
আমার পোষ্টকে নিয়ে গেল
অনেক উচ্চতায় ।

অন্যকে বদলানোর ক্ষমতা তোমার নেই,
তবে চেন তুমি কে? কি তোমার পরিচয়?
কোন পথে ছুটছো?
নিজেকে প্রশ্ন করো, এ পথের শেষ কোথায়?

সঠিক কথা বলেছেন ,
অন্যকে বদলানোর ক্ষমতা কারো নেই,
এ পথের শেষ কোথায় তাও জানা নেই,
তবে জানি অচীনপুরের ঠিকানায় একদিন
সকলকে যেতেই হবে এর কোন মাফ নেই।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫৬| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৮:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: প্রিয় কবি ভাই
এক অসাধারণ কবিতা
আমার পোষ্টকে নিয়ে গেল
অনেক উচ্চতায় ।

অন্যকে বদলানোর ক্ষমতা তোমার নেই,
তবে চেন তুমি কে? কি তোমার পরিচয়?
কোন পথে ছুটছো?
নিজেকে প্রশ্ন করো, এ পথের শেষ কোথায়?


সঠিক কথা বলেছেন ,
অন্যকে বদলানোর ক্ষমতা কারো নেই,
এ পথের শেষ কোথায় তাও জানা নেই,
তবে জানি অচীনপুরের ঠিকানায় একদিন
সকলকে যেতেই হবে এর কোন মাফ নেই।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ডাবল কেন হয়ে যায় তা বোধগম্য হচ্ছনা !!!

৫৭| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২১

আমি চির-দুরন্ত বলেছেন:
আর কুকাজের জন্য সম্পদের কোন অভাব হয়না এটা ভুতে জোগায় মানুষ মারার জন্য ।ভুত টা থেকে আমাদের যেনো আল্লাহ হেফাযত করেন।আমিন।


আমিরিকা:৭৭০০

উত্তর কোরিয়া : ৬ হতে ৮ টি

কোরিয়ার সাহসের

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৫:৫৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।
ভুত টা থেকে আমাদের যেনো আল্লাহ হেফাযত করেন।আমিন।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫৮| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৮:২৭

বিলুনী বলেছেন: অনেক তথ্যসমৃদ্ধ পোষ্ট
অনেক নতুন বিষয় জানা গেল ।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৯:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটিকে তথ্যসমৃদ্ধ অনুভুত হওয়ায়
শুভেচ্ছা রইল ।

৫৯| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: খালি মারামারি :(

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে মারামারি দেখার জন্য
কামনা করি মারামারি বন্দ হোক চিরতরে
দুনিয়াটা ভরে যাক শান্তির নীড়ে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬০| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে মারামারি দেখার জন্য
কামনা করি মারামারি বন্দ হোক চিরতরে
দুনিয়াটা ভরে যাক শান্তির নীড়ে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১২:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আবার একই অবস্থা

৬১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৫

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: দোয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

অদ্য এমন দোয়ার বড় প্রয়োজন।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আবার আসার জন্য ।
ঠিকই বলেছেন আজ আমাদের
সকলের জন্য দোয়া বড় প্রয়োজন
আল্লাহ সকলের মঙ্গল করুন , আমীন

৬২| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ২:১৯

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: প্রিয় ভাইয়া, আপনার পোষ্টগুলো এতটাই নিখুঁত যে কিছু বলার ভাষা রাখিনা। আচ্ছা, থাক সেই কথা, এবার মূল কথা বলতে চাই, কথাটি হলো আপনার কাছে সহজে বাংলা মাত্রা শেখা এবং সনেট সম্পর্কে এমনইভাবে পরিপূর্ণ একটি পোষ্ট কি আশা করতে পারি। যদি সম্ভব হয় তবে আশা করি আমার মত অনেকেই উপকৃত হবে। ধন্যবাদ।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৪:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় কবি ভাই , আমার পোষ্ট নিয়ে আপনার মুল্যায়নে আমি অনুপ্রানীত ।
আপনার অনুরোধের প্রক্ষেতি সবিনয়ে জানাই কবিতার মাত্রা ও সনেট নিয়ে লিখার মত
কোন যোগ্যতা আমার নাই । এ ব্লগে বাংলা সাহিত্যের অনেক শিক্ষক আছেন যারা
এ বিষয়ে অনেক বিজ্ঞ । তাছাড়াও এ ব্লগে সনেট ও কবিতার ছন্দ ও মাত্রা নিয়ে
অনেকেই মুল্যবান পোষ্ট দিয়েছেন ।

নীচে তার কিছু লিংক দেয়া হল একটু দেখে নিতে পারেন । লিংক অপেন না করতে পারলে আমাকে জানাবেন ,
সবগুলি আমার ডাউন লোড করা আছে । এখনই আপনার ব্লগে গিয়ে এগুলির লিংক দিয়ে দিব , তাতে বেশী
সুবিধা হবে ।

সনেট কিছু জরুরী তথ্য
http://www.targetsscbangla.com/sonnet


সনেটের অন্ত্যমিল ও পঙ্‌ক্তি-বৈচিত্র্য : প্রথম পর্ব
http://www.somewhereinblog.net/blog/farihanmahmud/29538784

চতুর্দশপদী
https://bn.wikipedia.org/wiki/চতুর্দশপদী


নিন্মের লিংক হতে কবিতার ছন্দ ও মাত্রা নিয়ে দেখতে পারেন মুল্যবান একটি লিখা
কবিতার কথা: তিন প্রকার ছন্দ
https://blog.mukto-mona.com/2010/09/03/10283/

শুভেচ্ছা রইল

৬৩| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৩৪

বিলুনী বলেছেন: প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধকালে আমিরিকার ভয়াবহ তান্ডব লীলা জাপান কিছুটা ভুলে গেলেও ( কারণ জাপান পারমানবিক মারনাস্র উৎপাদন বন্ধের বিষয়ে নন- সাপোর্টিভ দেশের কাতার ভুক্ত যা লিখাটির শেষের দিকে দেখানো হয়েছে ) যদিউ জাপান হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে স্মৃতি নির্মান করে তা উদযাপন করে নিয়মিতভাবে )। । আসলেই এটা বিস্ময়কর ।

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১২:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সঠিক অবস্থাটি বুঝার জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৪| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৯:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সঠিক অবস্থাটি বুঝার জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৫| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ সকাল ৭:৩১

সামিউল ইসলাম বাবু বলেছেন: কঠিন একটি সময় পারকরছে বিশ্ব

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৩:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অতি খাটি কথা বলেছেন ।
সত্যিই বিশ্ব আজ কঠিন সময় পার করছে ।
একমাত্র আল্লাই পারেন আমাদেরকে রক্ষা করতে ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৬৬| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৩

ভাবনা ২ বলেছেন: এগুলি সকলি আমিরিকা রাশিয়া ও চীনের অস্র বেচার খেলা ।
আজকের সংবাদ পত্রে দেখলাম আমিরিকা দক্ষিন কোরিয়ায়
ক্ষেপনাস্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে দিবে । কি বুঝা গেল এখানে
আমিরিকার শত শত কোটি ডলারের বানিজ্য হবে । তাই তারা
তলে তলে এর জন্য উত্তর কোরিয়াকে কি মঝাটাই না দিবে !!!

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৪:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , ভাল কথা বলেছেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৭| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ১১:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , ভাল কথা বলেছেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৮| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ রাত ৩:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


লন্ডনে কয়টি বাংলা পত্রিকা আছে?

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ ভোর ৫:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , লন্ডনসহ ইউ এস এ , জাপান , কানাডা, অন্ট্রেলিয়া হতে অনলাইনে প্রকাশিত সকল বাংলা পত্রিকা নীচে লিংক থেকে পাঠ করতে পারবেন । এছাড়াও অনলাইনে নাই এমন দু চারটি পত্রিকাও আছে ।
সকল প্রবাসী অন লাইন বাংলা পত্রিকা
http://www.allbdnewspaper24.com/all-bangla-probashi-newspaper.html

৬৯| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ দুপুর ২:৪৯

জেন রসি বলেছেন: যুদ্ধের বিকল্প অনেক পথ আছে। কিন্তু তবুও মানুষ যুদ্ধে জড়িয়ে পরে। কারন সাধারন মানুষের হাতে তেমন কোন ক্ষমতা নেই। সব রাষ্ট্রেই কিছু মানুষ বিভিন্ন কৌশলে মাস পিপলের ইচ্ছা অনিচ্ছা সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে। কখনো কম্যুনিজমের নামে, কখনো মুক্ত বাজার অর্থনীতির নামে, কখনো ধর্মের নামে আবার কখনো জাতীয়তাবাদী আগ্রাসনের নামে। কিছু মানুষ যেভাবেই হোক নিজেদের স্বার্থের যুদ্ধ মাস পিপলের উপর চাপিয়ে দিতে পারছে। আর আমরা যারা সাধারন জনগন তারাও অথরিটিকে নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হচ্ছি। বরং নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।

২৮ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: যুদ্ধের বিকল্প অনেক পথ আছে। কিন্তু তবুও মানুষ যুদ্ধে জড়িয়ে পরে। কারন সাধারন মানুষের হাতে তেমন কোন ক্ষমতা নেই। সব রাষ্ট্রেই কিছু মানুষ বিভিন্ন কৌশলে মাস পিপলের ইচ্ছা অনিচ্ছা সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে। কখনো কম্যুনিজমের নামে, কখনো মুক্ত বাজার অর্থনীতির নামে, কখনো ধর্মের নামে আবার কখনো জাতীয়তাবাদী আগ্রাসনের নামে। কিছু মানুষ যেভাবেই হোক নিজেদের স্বার্থের যুদ্ধ মাস পিপলের উপর চাপিয়ে দিতে পারছে। আর আমরা যারা সাধারন জনগন তারাও অথরিটিকে নিয়ন্ত্রন করতে ব্যর্থ হচ্ছি। বরং নিয়ন্ত্রিত হচ্ছি।

বক্ত্যবের সাথে শতভাগ সহমত

অনেক ধন্যবাদ সাথে শুভেচ্ছা রইল ।

৭০| ১৬ ই মে, ২০১৭ সকাল ১০:০০

আরিফ শাহরিয়ার জয় বলেছেন: আপনারা আছেন বলেই অনেক কিছু জানতে পারি
শুভকামনা আপনার জন্য

১৭ ই মে, ২০১৭ সকাল ৮:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অআরিফ শাহরিয়ার জয়,
আমরা সকলেই একে অপরের কাছ হতে জানি
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৭১| ১৭ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:১৪

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:



পরমানু অস্ত্র যতটুকু হুমকীর ততটুকুই নিরাপত্তার! এই ধরনীর শক্তি ভারসাম্য রক্ষায় আরো কিছু দেশের পারমাণবিক শক্তির প্রয়োজন! বিশেষ করে আমাদের!

১৭ ই মে, ২০১৭ সকাল ৮:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , একদম সঠিক কথা বলেছেন ,
পারমানবিকের চেয়েও শক্তিশালী আরো একটি অস্র আছে
সেটি ভালবাসা , তা দিয়ে আমরা বিশ্ব করবো জয় ।
আর আমরা প্রত্যেকই একটা এটম বোমা
সময়মত বিস্ফোরিত হব ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৭২| ০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৯:৩৮

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:




আমাদের পররাষ্ট্রননীতি Friendship to all malice to none. এটি মেনেই সব হওয়া উচিত। ভালবাসা তাতো লাগবেই। এতেই যদি হয় তবে তাই হোক! ভাল কিছুই হবে আশা করছি!

০১ লা জুন, ২০১৭ রাত ৯:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবদ , ভাল লাগল কথা ,
দোয়া করবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৭৩| ০২ রা জুন, ২০১৭ রাত ৯:৩৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দেরীতে হলেও পড়তে পেরে নিজেকেই ভাগ্যবাদ মনে হয়।
এমন চমৎকার তথ্যবহুল এবং গভীর বিশ্লেষনী লেখা লাইন অব ডেস্টিনেশন
সঠিক রেখে এগিয়ে সফল সমাপ্তিতে দারুন এক পূর্নতায় পৌছানো সত্যি অতুলনীয়।

মানুস নিজেকেই নিজে ধ্বংসের জন্য কত প্রচেষ্টা করছে। ভাবলে হাসি পায়!

ক্ষমতা আর দম্ভের পরিণতিতে সে নিজেও যে নাই হয়ে যাবে- তাও ভূলে যায়!

সত্যিই পৃথিবী এক ভয়ংকর বাস্তবতার মূখে দাড়িয়ে!
মনে পড়ছে কোরআনের এক আয়াত-
-তখন যে মরবে সে জানবেওনা কেন সে মারা গেল!!!!
এইরকম সময় আর মৃত্যুরই কি মূখে নয় আম সাধারন ৯০ ভাগ পৃথিবীবাসী!!!!!

++++

০৩ রা জুন, ২০১৭ রাত ১:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মন্তব্যের এত সুন্দর কথায় খুব খুশি হলাম
কোরানের আয়াতের কথা শুনতে পেরে
নীজকে পুণ্যবান মনে হলো ।
শুভেচ্ছা রইল

৭৪| ০৩ রা জুন, ২০১৭ রাত ২:০৪

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আমি আজ পুরোপুরিভাবে পড়ে একটু চিন্তিত মনে হচ্ছে নিজেকে। যদি চিন রাশিয়া আমেরিকা যুদ্ধ লাগে তো আমাদেরও সমস্যা হবে!! আর পারমানবিক যুদ্ধ তো পুরো পৃথিবীর জন্যই ভয়াবহ হবে।

জানিনা কি হবে!! ট্রাম্প কি সমস্যাই বাঁধায় কিনা!!

০৩ রা জুন, ২০১৭ রাত ২:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, চিন্তার কোন কারণ নাই, রাখে আল্লা মারে কে ।
আগামীকাল ইনসাল্লাহ রমজান মাসে আল্লার কাছে দোয়া চেয়ে একটি পোষ্ট আসতেছে ।
আল্লা কাকে দিয়ে কি কাজ করাবেন তা শুধু তিনিই জানেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৭৫| ০৩ রা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:০৮

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক আস্বস্ত হলাম আপনার প্রতিউত্তরে। রাখে আল্লাহ্ মারে কে। আমারও একই ভরসা।
কৃতজ্ঞতা রেখে গেলাম ভাই প্রতিউত্তর।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দু:খিত বিলন্বিত উত্তরের জন্য । ইদানিং কোন নোটিশ পাচ্চিনা বলে খুঁজে খুুঁজে দেখতে হয় ।
খুশী হলাম আপনার কথামালায় ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৭৬| ২৬ শে জুলাই, ২০১৭ ভোর ৫:৩৯

আংশিক ভগ্নাংশ জামান বলেছেন: পুরো পোষ্টটা পড়ে আমার আমার অনুভূতি হচ্ছে আমরা একটা পৃথিবী নামক জ্বলন্ত চুল্লির উপর বসে আছি।আমেরিকা,রাশিয়া,চীন তিনটি দুষ্টু দেশ সেই চুল্লিতে আগুন ধরিয়ে দিলেই দাউতাউ করে জ্বলে উঠবে সেই চুল্লি।অঙ্গার হবে পৃথিবী।

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনি যতার্থ বলেছেন । শুনে ভাল লাগল
দু:খিত বিলন্বিত উত্তরের জন্য । ইদানিং কোন নোটিশ পাচ্চিনা বলে খুঁজে খুুঁজে দেখতে হয় ।
খুশী হলাম আপনার কথামালায় ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৭৭| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:১২

এম আর তালুকদার বলেছেন: পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। পোস্ট পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলেও অনেকটা আঁতকে উঠলাম।
http://www.somewhereinblog.net/blog/mrttalukder/30203437

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ঠিকই বলেছেন , অনেক কিছুই আঁতকে উঠার মত ।
পাঠান্তে সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৭৮| ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৫:১৬

এম আর তালুকদার বলেছেন: Click This Link

৭৯| ১৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: গোগ্রাসে গিললাম :)

আমিও সামরিক বিষয়ে নানা লেখা পড়ি।

চমৎকার তথ্যবহুল পোস্ট......

তবে বড়ো লেখা পড়ার অভ্যাস আছে।

পোস্টটা প্রিয়তে নিলাম।

১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ২:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বড়ো লেখা পড়ার অভ্যাস যে আছে তাতো বুঝায় যায়,
তা না হলে কি কেও এই বড় লেখা পড়ে :)
পোষ্টটি প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.