নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লিখা লিখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

মুক্তমনা

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশ প্রসঙ্গসহ দেশ বিদেশের রত্ন - পাথর ( gemstone ) বানিজ্য নিয়ে একটি মুক্ত আলোচনা

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৮:১১


রত্নের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরদিনের। পান্না, হীরা, মুক্তা, পোখরাজ, অপ্যাল, গোমেদ ইত্যাদি রত্ন-পাথরগুলোর বেশীর ভাগই খনিজ পদার্থ। শত শত বছর ধরে প্রচন্ড চাপ ও তাপে ভূগর্ভে সৃষ্টি হয়ে থাকে রত্ন-পাথর। সৌন্দর্য চর্চার পাশাপাশি একে নিয়ে দেশে দেশে চলছে নৈতিক ও অনৈতিক বানিজ্য। নৈতিকতা ও অনৈতিকতার বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পুর্বে এর পরিচয়গুলি একটু সংক্ষেপে দেখে নেয়া যাক । পৃথিবীতে প্রায় ১৩০ ধরনের মুল্যবান খনিজ পাথর আছে যা কেটে কুটে রত্ন-পাথর তৈরী করা যায় । যে সমস্ত খনিজ পাথর সচরাচর রত্ন পাথর হিসাবে ব্যবহৃত হয় তার মধ্যে Andalusite, Axinite,Benitoite,Bixbyte (Red beryl), Cassiterite,Clinohumite,Iolite, Kornerupine Natural moissanite, প্রভৃতি প্রধানতম । নীচে উল্লেখ যোগ্য কয়েকটি রত্ন-পাথরের সচিত্র পরিচিতি দেয়া হল । এছাড়াও রত্ন পাথর সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানার জন্য এখানে CLICK করতে পারেন ।

এন্ডালুসাইট (Andalusite)

একটি ধূসর, সবুজ, বাদামী, বা গোলাপী aluminosilicate খনিজ যাকে কাটাকাটি ও পলিস করে রত্ন পাথরে রূপান্তর করা যায় , স্পেনের Andalusia এলাকায় প্রথম আবিস্কৃত হয় বলে এই রত্ন পাথরটিকে Andalusite নামে অভিহিত করা হয় । নীচের চিত্রের বাদিকেরটি কাটিং পুর্ব একটি Andalusite পাথরের ছবি। বর্ণ এবং আকার ভেদে এর ক্যারট প্রতি দাম ৫০ ডলার হতে ২৬০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে ।


এক্সিনাইট জেমসস্টোন (Axinite Gemstones)

অ্যাক্সিনাইট ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনিয়াম বরেট সিলিকেট খনিজ পদার্থ হতে এই দুস্প্রাপ্য রত্ন পাথরটির উদ্ভব ঘটে । এক্সিনাইট নামটি গ্রিক শব্দ থেকে উদ্ভূত হয়েছে যার অর্থ 'কুঠার'। Axinite এর বর্ণ তার সঠিক গঠন অনুসারে পরিবর্তিত হতে পারে, তবে অধিকাংশই স্বর্ণালী বাদামী বর্ণের হয় । বর্ণ অনুযায়ী প্রতি ক্যারটের দাম ৭০ ডলার হতে ৫০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে


বেনিটোয়েট ( Benitoite)

বেনিটোয়েট একটি উজ্জ্বল নীল রত্ন পাথর যা বেয়ারিয়াম, টাইটানিয়াম এবং সিলিকা সমন্বয়ে গঠিত। এই বিরল রত্নটি ক্যালিফোর্নিয়ার সান বেনিটো কাউন্টিতে প্রথম পাওয়া যায় বলে বেনিটোয়েট হিসাবেই এর নামকরন হয়েছে । আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি ক্যারট বেনিটোয়েটের দাম প্রায় ১৫০০ হতে ৪০০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে


রেড বিয়ারিল (Red Beryl)

রেড বিয়ারিল একটি অত্যন্ত বিরল প্রজাতির বেরিল খনিজ পাথর যা খুবই কম পরিমানে মেঙ্গানীজ হতে লাল রং এর স্ফটিক এ রূপান্তরিত হয় । সমগ্র বিশ্বের মধ্যে, রত্ন হিসাবে ব্যবহার উপযোগী স্ফটিক শুধুমাত্র একটি অবস্থানেই পাওয়া যায়, শুধু মাত্র যুক্তরাস্ট্রের বীবর কাউন্টির উটাহ ওয়াহ ওয়াও পর্বতমালা মধ্যেই এই রুবি-ভায়োলেট পওয়া যায় । উটাহ জিওলজিক্যাল সার্ভে অনুমান করে যে প্রতি ১৫০০০০ রত্ন মানের পাথরের মধ্যে লাল বেরিলের একটি স্ফটিক পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক বাজারে উৎকৃষটমানের এই রেড বেরিলের বাজার দাম প্রতি ক্যারট ১০০০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে


ক্লিনহাউমাইট রত্ন পাথর (Clinohumite Gemstone)

ক্লিনহাউমাইট ১৮৭৬ সালে প্রথম আবিষ্কৃত হয়। সাম্প্রতিক সময় পর্যন্ত এটি বিশ্বের দশটি দুষ্প্রাপ্য রত্ন পাথরের মধ্যে একটি বলে গন্য । ইতালির নেপলসের মাউন্ট ভেসুভিয়াস এর বিস্ফোরণ নিকটবর্তী স্থান হতে প্রথম ক্লিনহিউমাইট আবিষ্কৃত হয় । কোন কোন দেশে যথা পাকিস্তানে এটা "মাউন্টেন অগ্নি" রত্ন- পাথর হিসাবেও পরিচিত । আকার এবং বর্ণ অনুযায়ী এর প্রতি ক্যারটের আন্তর্জাতিক বাজার দাম ৫০০ হতে ২০০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে


আয়লইট( iolite)

এটা অপেক্ষাতৃত সস্তা রত্ন পাথর । আন্তর্জাতিক বাজারে শ্রীলংকান আয়লইটের দাম ক্যারট প্রতি ১০০ হতে ১৫০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে ।


বৈদুর্যমণি বা (Cats Eye )

হলুদ , সবুজ বা খয়েরি রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম ক্রাইসোবেরিল (Chrysoberyl)। এই রত্নটির মূল উপাদান হল বেরিলিয়াম, অক্সিজেন ও অ্যালুমিনিয়াম (BeO.AI2O2) । এটি ১৮৮৪ সালে প্রথম গ্রিনল্যান্ডে আবিষ্কৃত হয় এবং ড্যানিশ জেমোনলজিস্ট আন্দ্রিয়াস Kornerup এর নামে এর Kornerup নামকরন হয় । বাদামী বা হলুদ স্ফটিক ফর্মে এটিকে পাওয়া যায় যা সাধারণত একটি অতি বিরল রত্ন পাথর। এটিকে কখনও কখনও Prismatine হিসাবেও উল্লেখ করা হয়। বাদামী হলুদ বর্ণের ৪.৩৮ ক্যারটের একটি শ্রীলংকান বৈদুর্যমণি রত্ন পাথরের (Chrysoberyl Cat Eye ) বাজার দাম ক্যারট প্রতি ৬০০ ডলার বা ২৬২৮ ডলার/গ্রাম ।


প্রাকৃতিক Moissanite

এযাবতকালের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক Moissanite রত্ন পাথরটি আবিষ্কৃত হয়েছে ইস্রায়েলে । আকার ও উজ্জলতা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে Moissanite এর দাম ক্যারট প্রতি ২০০ ডলার হতে ৭০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে


পোখরাজ বা Sapphire

স্বচ্ছ বা হালকা হলুদ কিংবা হালকা নীল রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টোপাজ (Topaz)।মূল উপাদান অ্যালুমিনিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং ফ্লোরিন [AI2SiO4(OH/F)2] । সাধারণত এর স্ফটিকগুলি খড়-হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে, তবে তারা বিভিন্ন বর্ণেরও হতে পারে যেমন সবুজ, নীল, গোলাপী, ধূসর বা সাদা। নীচের ছবিতে দেখানো সর্ব বায়ের পাথরটি পলিশ পুর্ব একটি পোখরাজ পাথর ও সর্ব ডানেরটি একটি বিখ্যাত আমিরিকান গোল্ডেন পোখরাজ পাথর । আকার ও কোয়ালিটি ভেদে আন্তর্জাতিক বাজারে পোখরাজের দাম ২০ ডলার হতে ২৫০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে

পোখরাজ পাথরটি বিভিন্ন নামে ও সাজে গয়নার মধ্যে রত্ন হিসাবে ব্যবহৃত হয় , নীচে ছবিসহ দেখানো হল

পুষ্পরাগ মনি ( Yellow Sapphire )

সংস্কৃত নাম পুষ্পরাগ মনি , বাংলায় পোখরাজ নামেও পরিচিত , ইংরেজীতে yellow sapphire , এর বর্ণ হরিদ্রাভাব যুক্ত , সাদা ও সামান্য বাদামী । সর্বডানের টি ১৮ ক্যারট হোয়াইট গোল্ডের উপরে স্থাপিত যার বাজার মুল্য প্রায় ৩০০০ ডলার । তবে আকার ও গুনগতমান অনুযায়ী পুষ্পরাগ মনির আন্তর্জাতিক বাজার দর ক্যারট প্রতি ১৫০ হতে ২০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে

এটি শ্রী লংকা, জাপান , ব্রাজিল , আমিরিকা , বার্মা ও থাইল্যান্ডে পাওয়া যায় । জ্যোতিষ শাস্রমতে যাদের প্রচুর অর্থ উপার্জন হয় কিন্তু অর্থের উপরে কোন নিয়ন্ত্রন থাকেনা , যারা অর্থকে ধরে রাখতে পারেনা , যাদের প্রতিপত্তি ও সন্মানের অভাব রয়েছে বেকারদের কর্মপ্রাপ্তি ঘটেনা , রাজনৈতিক সফলতা হচ্ছেনা , দাম্পত্য জীবনে অসন্তোষ , পরনিন্দা কুড়াতে হচ্ছে, চরিত্র ভ্রষ্ট হচ্ছে প্রভৃতি রোধে পোখরাজ ধারণে উপকার হয় । উল্লেখ্য সকল প্রসংশাই একমাত্র সৃষ্টিকর্তার। এখানে রত্ন পাথরের সকল গুনাগুন ও বর্ননা জ্যোতিষীদের ভিত্তিতে দেয়া হয়েছে। মানুষের কর্মেই মানুষের ভাগ্য বদলায়, এর সাথে এই পোষ্ট লেখকের বিশ্বাস যুক্ত নয় । যাহোক এই পাথরটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যথা ইয়েমেন , ব্রাজিল , যুক্তরাস্ট্র , স্কটল্যান্ড , আয়ার ল্যান্ড, শ্রীলংকা , জাপান, দক্ষীন আফ্রিকা , মায়ানমার , সাইবেরিয়াতে পাওয়া যায় ।

নীলা Blue Sapphire

নীল বা হলুদ বর্ণের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2) । এটা নীল কান্তমনি নামেও পরিচিত । নীলা কয়েক প্রকারের হতে পারে যথা ইন্ত্রনীলা, স্টারনীলা, , গঙ্গাজলনীলা , অপরাজিতা নীলা , পীতাম্বরনীলা , রক্তমুখী নীলা ইত্যাদি । নীলা স্বচ্ছ উজ্বল নীল আভাযুক্ত রত্ন । নীলাকে আরবী/ফার্সী/উর্দুতে ইয়াকুত বলে । হোয়াইট গোল্ডের উপরে ১৪ ক্যারটের নীলা আংটির ( মাঝের ছবি) বাজার দাম প্রায় ৩২০০ ডলার , তবে আন্তর্জাতিক বাজারে নীলার প্রতি ক্যারটের বাজার দাম প্রায় ২০০ ডলারের ঘরে উঠানামা করে ।

জ্যোতিষি রাশি চক্রমতে মকর ও কুম্ভ রাশির রত্ন এটি । এটি যাদের জন্য উপযোগী তাদেরকে অধিক ধনশালী ও ঐশ্বর্যশালী করে । মনকে শক্তিশালী করে ও সাহস যোগায় । কাশ্মীর অঞ্চলে ভাল জাতের নীলা পাওয়া যায় । অস্ট্রেলিয়া , আমিরিকা , মনটানা , শ্রলংকা, ও জার্মানীতেও ভাল মানের নীলা পওয়া যায় । তবে কাশ্মীরি নীলা পৃথিবী বিখ্যাত ।

রুবি( Ruby)/ চুনি

রুবি একটি লাল রঙের রত্ন পাথর, লাল ও গোলাপী আভার এই রত্নটিরও বৈজ্ঞানিক নাম কোরান্ডাম (Corundum), অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেনই হল এর মূল উপাদান (AI2O2)। রুবি ঐতিহ্যগতভাবে একটি কার্ডিনাল রত্ন , এটা একসঙ্গে নীলকান্তমণি, পান্না, এবং হীরা সঙ্গে আসতে পারে । নীচের চিত্রে (সর্ব বাদিকেরটি ) একটি পলিশপুর্ব রুবি/চুনি রত্ন পাথর ।

রুবি রাগ অনুরাগের পাথর হিসাবে পরিচিত । এটাকে অনেক সময় চুনি , পদ্মরাগ মনিও বলা হয় , আবার কেও কেও এই পাথরটিকে রত্নরাজও বলে থাকেন । যাদের প্রশান্তির সাথে পরিপুর্ণতা প্রয়োজন তাদের জন্য রুবি একটি উতকৃষ্ট রত্নপাথর বলে জ্যোতিষবাবুরা মনে করেন । চুনি রত্নের তীব্র মাত্রার শক্তি ক্ষমতা রয়েছে বলে মনে করা হয় , তাই এটা নেতা-নেত্রী রাজা বাদশা এবং ধর্ম প্রচারকদের বুদ্ধি দৃপ্ত নির্দেশনা এবং মহত সিন্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে খুব পছন্দের পাথর হিসাবে বিবেচিত হয় বলে জ্যোতিষরা বলে থাকেন ।

কথিত আছে রুবি ঘোরতর অন্ধকার জীবন কাটিয়ে আলো নিয়ে আসতে সাহায্য করে । তবে জ্যোতিষ শাস্র মতে সবার জন্য এটা নয় , যাদের রবি ( সুর্য ) অশুভ শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোয্য । বলা হয়ে থাকে নীজের হাতে ভালবাসা তৈরী করা এবং কিভাবে সুখী হওয়া যাবে তা রুবি ধারনের পর থেকেই বুঝা যাবে । যাদের সন্তান ধারণ হয়না তাদের জন্য এ পাথর উত্তম বলে জ্যোতিষিরা দাবী করেন ।

পান্না বা Emerald

সবুজ বা স্বচ্ছ রঙের এই রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম বেরিল (Beryl)। বেরিলিয়াম, সিলিকন, অক্সিজেন এবং অ্যালুমিনিয়াম হল মূল উপাদান (3BeO.AI2O3,6SiO2)। সবুজ বর্ণ নিয়ে এটা গঠিত । এমারলড একটি সাইক্লোসিলেট , যার ষ্ফটিকে অসংখ্য ত্রিভুজাকৃতির বৈশিষ্ট বিদ্যমান , ফলে এটা মুল্যবান রত্ন পাথরে পর্যবেসিত । নীচের ছবিতে দেখানো কলম্বিয়ান রত্ন পাথর দিয়ে তৈরী স্বর্নের উপরে স্থাপিত ১৮ ক্যারটের অঙ্গুরীয়টির দাম ১৫০০০ ডলার অর্থাৎৎ প্রতি ক্যারট এর দাম প্রায় ১০০০ ডলার ।

ক্ষমতার পাথর হিসেবে পান্না দৈহিক, আবেগ ও আধ্যাত্মিক ভারসাম্যের প্রস্তাব করে। যদিও পান্না সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির পাথর, কিন্তু এটা বস্তুবাদী পাথর নয়। জ্যোতিষ শাস্রমতে পান্না হচ্ছে নিরাময়কারী , সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির পাথর , এটা আধ্যাত্মিক প্রবৃদ্ধি , স্পষ্ট দর্শন , স্মৃতি শক্তি, বুদ্ধিমত্তাযোগানো , অনুপ্রেরণা , আনন্দ , অন্তজ্ঞান , সংবেদনশীলতা, ভালবাসা , রোমাঞ্চ , সৌন্দর্য , , প্রশান্তি , ন্যায়বিচার , বন্ধুত্ব ও ঐকতাকে উৎসাহিত করে । ভালবাসার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা আনয়ন করে ।

হীরা ( Diamond)

হীরা হল সবচেয়ে শক্ত স্বচ্ছ আলোক বিচ্ছোরণ ক্ষমতা সমপন্ন একটি খনিজ পাথর যা জেমস জুয়েলারীতে ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয় । হীরার ইংরেজী ডায়মন্ড শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ এডামাস ( ADAMAS) হতে যার অর্থ হল কঠিন বা অপরাজেয় । হীরা সত্যই অপরাজেয়, হীরা দিয়েই কাঁচ কাটা যায় । হীরা সর্বাপেক্ষা জ্যোতির্ময় রত্ন । লক্ষ বছর পুর্বে মৃত্তিকার অনেক নীচে নিখাদ কার্বন থেকে আগ্নেয়গিরির তাপ ও চাপে হীরার জন্ম । হীরাকে আরবীতে অলস্পাস বলা হয় । জ্যোতিষ শাস্রমতে সম্পদ , সুখ ও বিজয়ের প্রতিক বলে হীরাকে ধারণ করা হয় , সৌন্দর্য, শিল্পকলা , স্বামী স্ত্রীর সুখী দাম্পত্য জীবন গড়তে হীরা খুবই ফলদায়ক । ওজন ও আকৃতিভেদে প্রতি ক্যারট হিরার বাজার দাম প্রায় ১৫০০০ ডলার ।

যদিও বর্তমানে পৃথিবীতে হীরা খুবই দুস্প্রাপ্য ও মুল্যবান তবু এটা ধনাঢ্যদের এনগেজমেন্ট রিং এর সেন্টার পিছ হিসাবে স্থান করে নিয়েছে । হীরা আলো –ঝলমলে পাথর । হীরার বহুতলে আলো বার বার একে বেকে যায় বলেই তৈরী হয় বহু রঙা আলোর ফোয়ারা । রত্ন বিজ্ঞানীরা হীরাকে তার ভিতরের উজ্বল্যতা অনুযায়ী বর্ণের দিক হতে তিন ভাগে ভাগ করেছেন যথা (১) নীল সাদা রঙের হীরা (২) হলুদ সোনালী রঙের হীরা (৩) লাল রঙের হীরা । তবে বিন্দু ও রেখা বর্জিত সাদা উজ্বল হীরাকে শ্রেষ্ঠ বলে মনে করা হয় এবং একে কমল হীরা বলেও ডাকা হয় । খনি হতে পাওয়ার সাথে সাথে হীরা উজ্বল ও জ্যোতির্ময় থাকেনা , একে কেটে পলিশ করে উজ্বল জ্যোতির্ময় করে গড়ে তোলা হয় ।

রেড ডায়ামন্ড সবচেয়ে দামী এবং দুষ্প্রাপ্য । পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩০ টির মত রেড ডায়ামন্ড পাওয়া গেছে এর অধিকাংশই আধা ক্যারটেরও কম ওজনের । ১৯৯০ সনে আলতো প্রনাবিয়া নামে এক ব্রাজিলীয় কৃষক আবিতাজিনহু নদীতে ৫.১১ ক্যারটের সবচেয়ে বড় লাল হিরকটি পায় । ২০০২ সালে এটা রত্ন পাথর ব্যবসায়ী Shlomo Moussaieff ৮ মিলিয়ন ডলারে কিনে নেয় । এর বর্তমান প্রাকলিত বাজার মুল্য ২০ মিলিয়ন ডলারের মত দাঁড়িয়েছে । তবে অন্যান্য ছোট খাট রেড ডায়মন্ডের বাজার দাম ১ মিলিয়ন ডলারের মত

কোহিনুর

কোহিনূর নামে খ্যাত হীরক খণ্ডের ইতিহাস অতি দীর্ঘ এবং বর্ণাঢ্য। এর ইতিহাসের সূচনা ১৩০৪ খ্রিস্টাব্দে। এটি বিভিন্ন রাজা বাদশাহ ও শাসকের হাত ঘুরে এখন সংরক্ষনের জন্য স্থান পেয়েছে টাওয়ার অফ লন্ডনে। কোহিনূর শাব্দিক অর্থ 'আলোর পর্বত' । হীরক খণ্ডটির ওজন ১০৬ ক্যারট । এর বর্তমান বাজার মুল্য সম্পর্কে কোন তথ্য নেই তবে ধারনা করা করা হয় বৃটিশ ক্রাউন সংগ্রহে থাকা ১০ হতে ১২ বিলিয়ন ডলারের জুয়েলারী ভুবনের মধ্যে এই কোহিনুরটি একটি অন্যতম ।

টাওয়ার অফ লন্ডন ( Tower of London)

কোহিনুরের ইতিহাস হতে জানা যায় ষোড়শ শতাব্দীতে এটা মালওয়ার রাজাদের অধিকারে ছিল এবং পরবর্তীকালে তা মোগল সম্রাটদের হাতে আসে এবং সম্রাট শাহজাহান নির্মিত ময়ূর সিংহাসনের শোভা বর্ধন করে।সিংহাসনটি ছিল ১০৮টি বড় আকৃতির চুনি পাথর আর ১১৬টি পান্না দিয়ে তৈরী । আর সিংহাসনের ওপর থাকা শামিয়ানা যে ১২টি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল সেগুলোর পুরোটাই মুক্তাখচিত। সম্রাট শাহজাহান এরপর এতে জগৎ বিখ্যাত হীরা কোহিনূর স্থাপন করেন।

শাহ জাহান ও তার ময়ূর সিংহাসন

সম্রাট শাহজাহানের পর সম্রাট আওরঙ্গজেবের কাছে ছিল এই হীরাটি । এই সময় কোহিনুরের স্থান ছিল মুঘল কোষাগারে। পরে মুহম্মদ শাহ রঙ্গিলার কাছে ছিল এই হীরাটা। উইকির মতে আওরঙ্গজেব তাঁর রাজধানী লাহোরে নিয়ে আসেন, কোহিনুর হীরার স্থান হয় তাঁর নিজ হাতে গড়া লাহোরের বাদশাহী মসজিদে ।

বাদশাহী মসজিদ , লাহোর , পাকিস্তান

মোগল সাম্রাজ্য যখন বিক্ষিপ্ত ও ধংসের দ্বারপ্রান্তে তখন নাদির শাহকে আমন্ত্রণ জানানো হয় মুসলিম শাসনের গৌরবোজ্জ্বল দিন ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করার জন্য । নাদের শাহ ১৬৯৮ – ১৭৪৭ পর্যন্ত শাহ হিসাবে ইরানের শাসনকর্তা ছিলেন । ১৭৩৯ সালে নাদের শাহ আগ্রা ও দিল্লি দখলের পর সেখান থেকে প্রচুর ধন-সম্পদের সঙ্গে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় হীরাখচিত ময়ূর সিংহাসনটিও নিয়ে যান ।

১৭৩৯ সনে কারনাল যুদ্ধে দিল্লীকে পরাভুত করার কালে নাদির শাহ

কিন্তু তিনিও বেশীদিন কোহিনুর ধরে রাখতে পারেননি । আততায়ীর হাতে নাদির শাহ খুন হয়ে যাওয়ার পরে হীরা চলে যায় তার আফগান জেনারেল আহমেদ শাহ দুররানীর কাছে। তাঁর মৃত্যুর পর হীরা আসে তাঁর সন্তান তিমুর শাহর কাছে। তিমুরের কাছ হতে জামান শাহর হাতে আসে, সেখান থেকে সুজা উল মূলকের কাছে। তিমুর শাহর ছোট ছেলে সুজা উল মূলক তাঁর সৎ ভাই মাহমুদের কাছে পরাজিত হয়ে কাশ্মীরের গভর্নর আতা মুহাম্মদ খানের কাছে বন্দী হন ১৮১১ সালে। কিন্তু পাঞ্জাবের শিখ রাজা মহারাজ রঞ্জিত সিং সুজা কে উদ্ধার করেন এবং তাকে পরিবার সমেত লাহোরে পাঠিয়ে দেন। পরিবর্তে সুজা উল মূলক ১৮১৩ সালে রঞ্জিত সিং এর হাতে তুলে দেন কোহিনুর হীরা
উইকিপিডিয়া তথ্য মতে জানা যায় রঞ্জিত সিং উইল করে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরকে দিয়ে যান এই হিরা , তবে এই হীরা আদৌ ঐ মন্দিরে স্থান পেয়েছিল কিনা সে সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায়না সঠিকভাবে ।

পক্ষান্তরে অনেক লিখা হতেই জানা যায় রঞ্জিত সিং মারা গেলে হীরার মালিক হন তাঁর ১১ বছরের ছেলে মহারাজ দিলীপ সিং । কিন্তু ১৮৪৯ সালে ব্রিটিশরা দখল করে নেয় পাঞ্জাব আর বলা চলে দিলীপ সিং এর হাত থেকে কেড়ে নেয় কোহিনুর হীরাটি। এইভাবে এই উপমহাদেশের কাছ হতে হাতছাড়া হয়ে যায় অন্যতম মহামূল্যবান সম্পদটি। লর্ড ডালহৌসি ১৮৫০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষ থেকে মহারানী ভিক্টোরিয়ার হাতে তুলে দেন হীরাটি।

লর্ড ডালহৌসি ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি হাউস

১০৬ ক্যারট ওজনবিশিষ্ট কোহিনূরটি স্থান পায় বৃটিশ মুকূটে। উপমহাদেশেরএক সময়ের অহংকার এখন বৃটেনে

১৮৮২ সালে কোহিনুর শুভিত রাজ মুকুট পরিহিত মহারাণী ভিক্টোরিয়ার ছবি

১৮৫০-এ দলীপ সিংহ ছিলেন নাবালক। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, নাবালক রাজাকে চাপ দিয়ে কোহিনুর নেওয়া হয় এবং সেই যুক্তিতেই ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতার সময় এবং তার পরে ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দেও বর্তমান রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাজ্যাভিষেকের সময় কোহিনুর প্রত্যর্পণের দাবি তুলেছে ভারত। কিন্তু চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে তা খারিজ করে দিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।

কোহিনূরের মালিকানা নিয়ে আশির দশকেও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ইরান, ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, এর সত্ত্ব দাবি করেছিল। তবে বৃটিশ সরকার সব দাবিই প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এসকলদাবী অযৌক্তিক বলে আখ্যায়িত করেছে


গোমেদ বা Garnet

গোমেদ স্বচ্ছ , উজ্বল লালচে বর্ণের পাথর । পাথরটিকে উর্দুতে গোমেদ বলা হয় । এর ভিতরের দিকে সুক্ষ বুদ বুদ এর মত দেখা যায় । অনেক পন্ডিত ও মনিঋষির মতে গোমেদ ধারণে হঠাত কোন দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে ও অমঙ্গলকে দূরীভূত করে । হস্তরেখা বিজ্ঞানে এবং রাশিচক্রে রাহুর রুক্ষ দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য ও রাহুর অশুভ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্য গোমেদ রত্ন ধারণ করার কথা জ্যোতিষেরা বলে থাকেন ।
[imghttp://i.imgur.com/fAygz4e.jpg]

অপ্যাল( Opal)

রাসায়নিক সূত্র হিসাবে opal হল সিলিকা বা সিলিকন ডাই অক্সাইড এর একটি hydrated ফর্ম (SiO2 nH2O) । গঠনকালে পরিবেশগত অবস্থার উপর নির্ভর করে Opal বিভিন্ন বর্ণের বা বিভিন্ন গঠণের হতে পারে । একটি খাটি অপ্যাল রত্ন পাথরের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ৩০০০ ডলারের মধ্যে উঠানামা করে । তবে অপরিশোধিত অপ্যালের দাম অনেক কম । নীচের ছবির বাম দিকে দেখানো পাথর খন্ডটি সবচেয়ে মূল্যবান অপ্যালগুলির মধ্যে একটি। এটি ১১ ইঞ্চি লম্বা ও ৪ ইঞ্চি উচ্চতা ও ১৭০০০ ক্যারট ওজন বিশিষ্ট একটি অপ্যাল পাথর । ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় এটার দাম ২৫০০০০ অস্ট্রেলীয় ডলারে প্রাককলিত হয়েছিল।

জ্যোতিষিদের মতে এই রত্ন ব্যবহারে সব বিষয়ে জয়ী হওয়া যায় বলে প্রাচীনকালে রাজা বাদশাগন অতি যত্নের সাথে একে ব্যবহার করতেন ।অপ্যাল (Opal) তীব্র কামনা থেকে রক্ষা করতে অদ্বিতীয়। রাশিচক্রে চন্দ্র ও শুক্র গ্রহের উপর রত্ন হিসাবে অপ্যাল খুবই ফলদায়ক । শত্রুদমন, কাজে কর্মে সফলতা, মানসিক শান্তি, শরীর ও স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ সহায়ক বলে জ্যোতিষীগন বলে থাকেন ।

ইংল্যান্ডের মহারানী ভিক্টোরিয়ার কাছে এই রত্ন ছিল খুবই প্রিয় , সুন্দরী নারীদের কাছেও এটা খুবই প্রিয় । ওপাল তীব্র কামনা হতে রক্ষা করতে অদ্বিতীয় । মধ্যযুগের লেখকেরা অপ্যালকে ঐন্দ্রজালিক পাথর বলে উল্লেখ করেছেন । মেক্সিকো, ব্রাজিল জাপান , লিবিয়া , ও অস্ট্রেলিয়ায় মুল্যবান অপ্যালের প্রধান উৎস ।
আন্দামুকা অপ্যাল নামে একটি অপ্যাল রত্নহার রানী এলিজাবেথ- ২ কে উপহার হিসাবে প্রদান করা হয়, এটি কুইন অফ অপ্যাল নামেও এখন বিশ্ব রত্ন-পাথর মার্কেটে পরিচিত।


নীলকান্তমণি বা ফিরোজা বা Tarquous

অস্বচ্ছ নীল বা নীলাভ সবুজ রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম টারকোয়েস (Tarquous)। কপার, ফসফরাস, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ফ্লোরিন হল মূল উপাদান [CuO(AI2O3(P2O3)2, 9H2O]। এটা বেশ দামী এবং মূল্যবান রত্ন পাথর । এর অনন্য আকৃতির কারণে হাজার হাজার বছর ধরে অতি প্রিয় একটি রত্ন পাথর হিসাবে অলঙ্কৃত হয়ে আসছে । তবে সহজে একে নকল করার সুবিধার কারণে এবং কৃত্রিম ফিরোজা প্রবর্তনের মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে এটি অনেকটা নিশ্প্রভ হয়ে পড়েছে, এমনকি বিশেষজ্ঞদের কাছেও এটা সনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে ।

তবে ফিরোজা সৌন্দর্যের প্রতিভু রত্ন । বর্ণের দিক থেকে সবুজ , উজ্বল আসমানী নীল । এই রত্ন পাথরটিকে সংস্কৃতে পায়বজ, ফারসীতে ফিরোজা আর ইংরেজীতে Turquoise বলে । এটা পারস্যের জাতীয় রত্ন । ইসলামী ধর্মাবলম্বীরা সর্বোতকৃষ্ট রত্ন বলে ভূষন করে থাকেন । খৃষ্টান ধর্মাবলম্বরীরা এই রত্নকে শুভদায়ক মনে করেন । ফিরোজা রত্ন ব্যবহারে প্রকৃত স্বামী স্ত্রি , প্রেমিক প্রেমিকা সম্পর্ক গাঢ়তর হয়ে থাকে এবং পারিবারিক শান্তিসমৃদ্ধি রক্ষায় যথেষ্ট উপকারী হিসাবে জ্যোতিষিরা বলে থাকেন । খাঁটি ফিরোজা অতি উচ্চমুল্যে বাজারে বিক্রি হয় ।ইরানী ফিরোজা খুবই উতকৃষ্ট মানের । নকল ফিরোজা বাজরে পওয়া যায় , নকল ফিরোজা ওজনে ভারী হবে বা আপেক্ষিক গুরুত্ব বেশী হবে । আসল এর ভাল মানের ফিরোজার প্রাপ্তিস্থান মিশর , সৌদি আরব, তুর্কী, কালিফোর্নিয়া , অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাস্ট্র ,ইরাক , ইরাণ প্রভৃতি দেশ ।

কৃত্তিম উপাদানের রত্ন-পাথর

মুল্যবান খনিজ পাথর ছাড়াও কৃত্তিম উপাদান দিয়ে রত্ন পাথর সম অলংকারাদি তৈরী হচ্ছে , উল্লেখযোগ্যগুলি হল হাই-লিড গ্লাস , সিনথেটিক কিউবিক ঝিড়কনিয়া , ও সিনথেটিক মসাইনেট ।

কাঁচের গহনা

মানব ইতিহাসের প্রথম দিকে গ্লাস মূল্যবান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। পাথর যুগে, চকচকে পাথরগুলিকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ছুরির মত তৈরি করে শিকাড়ের কাজে ব্যবহার করা হত । অধুনা গ্লাসকে সহজেই নিন্মের চিত্রের মত রূপ দিয়ে আকর্ষনীয় করা যায় ও তা দিয়া গড়া যায় আকর্ষনীয় গহনা সেট ।


কিউবিক জিরকনিয়া (Cubic zirconia )

হীরার সমতুল্য ক্ষমতা আছে বলে হীরার বিকল্প রত্ন হিসাবে একে ব্যবহার করা হয়। Cubic zirconia (or CZ) is the cubic crystalline form of zirconium dioxide (ZrO2) এটা রত্ন পাথরের মধ্যে সবচেয়ে কমদামী । ডানের কিউবিক জিরকনের আংটিটির বাজার দাম মাত্র ৬০ ডলার ।


জৈব উপাদানের তৈরী জেমস - রত্ন
বিভিন্ন প্রকারের জৈবিক উপাদানের রত্ন রয়েছে যার মধ্যে প্রবাল, আইভরি ও মুক্তা উল্লেখযোগ্য ।

প্রবাল বা Corel

এটি অ্যান্টোজোয়া শ্রেণীভুক্ত সামুদ্রিক প্রাণীজ পদার্থ। এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবের মৃতদেহ।শুধুমাত্র সমুদ্রের নীচেই পাওয়া যায়।গাঢ় রক্তবর্ণ বা হলুদাভ রক্তবর্ণ, গেরুয়া সাদা রঙের রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন (CaCO3)। এটি সিলিন সিনডিয়ার যুক্ত একটি গঠন যাতে রয়েছে অভ্যন্তরীণ বা বহিরাগত চুনযুক্ত স্ফটিক সদৃশ্য স্কেলিটন । এই ধরণের স্কেলিটন যুক্ত প্রাণীর কঙ্কালদেরও প্রবাল বলা হয়। এগুলিকে কেটে কুটে পলিশকরে তৈরী করা হয় আকর্ষনীয় গহনা সেট ।

এই প্রবাল রত্বের দ্বারা বহু রোগের উপশম হয় বলে জ্যোতিষ বাবুরা বলে থাকেন ।রোমানরা ছেলে-মেয়েদের গলায় প্রবাল রত্ন ধারণ করাত বিপদ আপদ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে এবং শিশুদের দোলনায় প্রবাল দন্ড লাগিয়ে রাখত । ইতালীতে প্রবালের মালা ধারন করা হয় কু'নজর এড়ানোর জন্য। জানা যায় প্রবাল রত্নে পদ যুগল সুস্থ্য থাকে বলে ব্যালে নৃত্য শিল্পীরা একে ভাগ্যের পাথর বলে মনে করেন।

আইভরি ( Ivory)

মুলত হাতি ও ওয়ালরাসের দাঁত হতে যে আকর্ষনীয় অলংকারাদি তৈরী করা হয় তাই আইভরি হিসাবে রত্ন মার্কেটে খুবই উচ্চ দামে বেচা কেনা হয়ে থাকে । নীচের ছবিতে আইভরি হতে তৈরী একটি 'ইভ ফ্লোরাল সিলভার এবং আইভরি' গয়না সেটের ছবি দেখানো হল। এরকম একটি গয়না সেটের আন্তর্জাতিক বাজার দাম ৭০ হতে ৮০ ডলার যা বাংলা দেশী মুদ্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকার মত ।


মুক্তা বা Pearl

এটি খনিজ পদার্থ নয়, প্রাণীজ পদার্থ। স্বাভাবিক মুক্তা ঝিনুকের মাংসল শরীরের ভিতর পাওয়া যায়। সাদা রঙের এই জৈব রত্নটির বৈজ্ঞানিক নাম Organic Gems। মূল উপাদান হল ক্যালসিয়াম, কার্বন ও অক্সিজেন(CaCO3) । মুক্তা চকমকি মতি বিশেষ । আরবীতে লুলুউ বলে । বর্ণের দিক হতে সাদা , হরিদ্রাভ , কৃষ্ণাভাযুক্ত ও রূপালী আভাযুক্ত হয়ে থাকে । সব ঝিনুকে মুক্তা জন্মায় না । সাগরবাসী ঝিনুকের ও ঝিল পুকুরের ঝিনুকের দেহে যে মুক্তা তৈরী হয় তার প্রস্তুতি খুবই সরল । হঠাৎ একটি বালুকনা যদি ঝিনুকের দেহে ঢুকে পড়ে , তখনই তাকে ঘিরে স্তরে স্তরে রসক্ষরণ হয় । সেটাই কালক্রমে পরিনত হয় মুক্তায় । বহু প্রকারের মুক্তা রয়েছে । রয়েছে সাগরবাসী, নদী ও ঝিলের ঝিনুকের মুক্তা , ঝিনুকের সে সকল মু্ক্তার নাম মাদার অফ পার্ল (Mother of Pearl), রয়েছে শুক্তি মুক্তা বা Oyster Pearl, এই মুক্তাটিই বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় , রয়েছে শঙ্খমুক্তা বা Conch pearl এগুলি গোলাপী রঙের খুব দামী মুক্তা ।

শুক্তি মুক্তা পাওয়া যায় আরব সাগর , বঙ্গোপসাগর , পারস্য উপসাগর , অস্ট্রেলিয়া , জাপান , বোম্বে , শ্রীলংকা, মাদ্রাজ প্রভৃতি দেশের সাগরচারী ঝিনুক বা শুক্তির গর্ভে । এই মুক্তাটিই বাজারে সবচেয়ে বেশি বেচা কেনা হয় ।

সমুদ্রচারী বিশাল এক ধরণের শঙ্খের মধ্যে জন্মায় শঙ্খমুক্তা বা Conch pearl এগুলি গোলাপী রঙের খুব দামী মুক্তা । শুনা যায় বিশেষ এক বনবিহারী অজগর সাপ কিংবা ব্যাঙের মাথায় এক ধরণের মুক্তা পাওয়া যায় , তবে তা গল্প কাহিনীতেই দেখা যায় বাস্তবে কেও এদের দেখা পেয়েছেন বলে জানা যায় নি ।

বুড়ু হাতির দন্ত কোষ ও মস্তকে গজায় গজমুক্তা , এ গুলি গুলাকার দিপ্তিহীন ।

গজমুক্তা বা গজমণি কিংবা গজমতি বিশেষ প্রকারে হাতির শরীরে প্রস্তুত হয়ে থাকে । অনেকে বিশ্বাস করেন যে মূল্যবান এই গজমতি মহালক্ষীর বিশেষ পছন্দের। যার প্রভাবে প্রভুত ধনসম্পত্তির মালিক হওয়া যায়।

বাংলাদেশে মুক্তা চাষ

শুধু সাগরের ঝিনুকের মুক্তাই নয়, আজকাল পুকুরেও মুক্তার চাষ শুরু হয়েছে দেশে দেশে, যাকে কালচার্ড পার্ল বলে । জাপান ও ভারতে এ ধরণের মুক্তা প্রচুর উৎপন্ন হচ্ছে । বাংলাদেশও প্রণোদিত উপায়ে মুক্তা উৎপাদনে সফলতা এসেছে এই সাফল্যকে বাণিজ্যিকভাবে বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে সম্প্রতি স্থাপিত হয়েছে দেশের প্রথম মুক্তা গবেষণাগার। ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএফআরআই) স্থাপিত এ গবেষণাগার মুক্তা উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে । দেশব্যাপী জরিপ চালিয়ে এ পর্যন্ত স্বাদু পানির ৫ ধরনের মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুক পাওয়া গেছে। গবেষণা অব্যাহত রাখলে বাংলাদেশের অনুকূল পরিবেশে বিপুল পরিমাণ মুক্তা উৎপাদন সম্ভব। এ কাজে দেশের লক্ষ লক্ষ বেকার যুবক যুবতি নিয়োজিত হতে পারবে । এর সুফল হবে বহুমুখী ।

গবেষণায় দেখা গেছে, একটি ঝিনুক থেকে সর্বোচ্চ ১২টি মুক্তা তৈরি হয়। ছয় মাসে সর্বোচ্চ ৫ মিলিমিটার এবং গড়ে ৩ মিলিমিটার আকারে মুক্তা তৈরি হয়। এর আগে এই আকারের মুক্তা তৈরিতে সময় লেগেছিল ১২ থেকে ১৮ মাস। এ পর্যন্তা কমলা, গোলাপি, সাদা, ছাই এই চার রঙের এবং তিন আকারের (গোল, চৌকা , আঁকাবাঁকা) মুক্তা পাওয়া গেছে। এ মুক্তা দিয়ে তৈরী হচ্ছে মিঠা পানির মুক্তার গহনা সেট । ছবিতে দেখানো মুক্তার সেট পরিহিত ছবিটি সামুর শ্রদ্ধেয় সহ ব্লগার শায়মা আপুর সৌজন্যে প্রাপ্ত , সে জন্য তাঁর প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা রইল ।

জ্যোতিষীরা বলেন রাশিচক্রে এটা কর্কট রাশী ও চন্দ্র গ্রহের রত্ন । এই রত্ন সততা, বিশ্বাস , আনন্দের ধারক । সৌন্দর্য , দেহ এ মনের শান্তি রক্ষার্থে শুভ ফলদায়ক । আয়ুর্বেদ মতে মুক্তাভস্ম মহা উপকারী ঔষধ । কথিত আছে মুক্তা রতি শক্তি বৃদ্ধির সহায়ক । জ্যোতিষ মতে চন্দ্র হল মনকারক গ্রহ । মানবমনে তার প্রভাবের ফলে মানুষের মনও হয়ে উঠে দ্রুতগামী । তাই বলা হয়ে থাকে যারা অকারণ দুশ্চিন্তা করে থাকেন অথবা আকাশ কুসুম রচনা করা যাদের নেশা , তারা মুক্তা ধারণ করে সুফল পেতে পারেন ।


জেমস নিয়ে প্রাচীন মিথস

মানব ইতিহাসে রত্ন -পাথর নিয়ে অনেক পৌরাণিক কাহিনী এবং কিংবদন্তি রয়েছে । রত্ন- পাথর কি মানুষের উপকার করতে পারে ? এ নিয়ে রয়েছে নানা কাহিনী , এর কিছু বিবরণ নীচে দেয়া হল ।

নীলা

নীলাকে নিয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় পৌরাণিক কাহিনীটি প্রাচীন গ্রিসের। এটা আন্তরিকতা এবং স্থিতিশীলতার প্রতীক । তাই আজও ভিক্টোরিয়ান জুয়েলারীতে ( রিং, ব্রেসলেট, নেকলেস,) নীলা বহূল পরিমানে ব্যাহৃত হচ্ছে । আশ্চর্যজনকভাবে এই পাথরের পৌরাণিক কাহিনী আধুনিক ও সাম্প্রতিক কালেও ছড়িয়ে পড়েছে ।

হিরা

প্রাচীন গ্রীক এবং রোমানরা বিশ্বাস করে যে হিরা হল নক্ষত্র থেকে পতিত ভগবানের ছায়া এবং স্ফোলিঙ্গ । প্লেটো হীরা সম্পর্কে লিখেছেন, এটা একটা স্বর্গীয় জীবিত আত্মা । রোমানরা হীরা পরতেন কারণ তারা বিশ্বাস করতেন এইগুলি জীবনের সমস্যা সমাধানে যাদুকরী ক্ষমতা প্রয়োগে সক্ষম, বিশেষ করে যুদ্ধের সময় সাহস যোগাতে অদ্বিতিয় । প্রাচীনকালের রাজাগণ হীরা এবং অন্যান্য মূল্যবান পাথর সাথে ভারী চামড়ার ব্রেসলেট পরে যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতেন, কারণ বিশ্বাস করা হত হীরা তাদেরকে যাদুকরি শক্তি যোগাবে । রোমানরা মনে করত তারাই ভাগ্যবান যারা তাদের ব্রেসলেটের মধ্যে ঐন্দ্রজালিক হীরা ব্যবহার করতে পারবে ।

পান্না

প্রাচীন রোমান পন্ডিত প্লা্‌ইনী লিখেছেন পান্নার মধ্যে ভবিষ্যদ্বাণী করার একটি অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা রয়েছে । তাই রোমান সম্রাট নিরো গল্ডিয়েটরদের নজরদারির জন্য পান্না সানগ্লাস পরতেন। পান্না তার মালিকের মেমোরি বৃদ্ধি ও বুদ্ধিমত্তা বাড়ায় । কিছু কিংবদন্তি মতে পান্না হল মৎসকন্যার ধন, যা নাবিকদেরকে ঝড় বিপদের সময় নিরাপদ রাখে।

প্রাচীন রোমানরা বিশ্বাস করতেন যে সমুদ্রের দেবতা নেপচুনের কাছে পান্না পবিত্র তাই নাবিকরা সমুদ্রের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এই পান্নাকে ব্যবহার করত ।

রুবি/চুনি

রুবি নিয়ে সবচেয়ে প্রাচীন প্রবাদটি হল, যে বাম হাতে এটা পরিধান করবে সে ভাগ্যমান হবে । হাজার হাজার বছর ধরে রুবি বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন পাথর হিসাবে বিবেচিত । বলা হয়ে থাকে পৃথিবী সৃস্টির সময় বিধাতা যখন বারটি মুল্যবান পাথর সৃস্টি করেছিলেন তখন এর মধ্য়ে রুবী ছিল সবচেয়ে মুল্যবান পাথর এবং বাইবেলে রুবি প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে যে জ্ঞানের মুল্যের পরেই রূবির মুল্যমান । রুবিকে তাপ ও শক্তির প্রতিনিধিত্বকারী বলে মনে করা হত । প্রাচীন জনগোষ্ঠির লোকেরা মনিটিকে বুলেট বোমা হিসাবে ব্যবহার করত কারণ তারা বিশ্বাস করত যে একটি পানি ভর্তী পাত্রে একখন্ড রুবী রাখা হলে মহুর্তেই তা ফুটন্ত পানিতে পরিনত হয়ে যাবে ।

নীলকান্তমণি

প্রাচীন সভ্যতাগুলি বিশ্বাস করত যে পৃথিবীটাই একটি বিরাট নীলকান্তমণির উপর স্থাপন করা হয়েছিল, যা তার প্রতিফলন দিয়ে আকাশকে নীল রং করেছে। প্রাচীনকালে, নীলকান্তমণিকে ঈর্ষাবিরোধী এবং এমনকি বিষক্রিয়ার বিরুদ্ধেও সুরক্ষার জন্য বিবেচিত হত । একটি সাধারণ বিশ্বাস ছিল যে একটি বিষাক্ত সাপকে যদি নীলকান্তমণির উপরে রাখা হয়, তাহলে তা দ্রুত মরে যাবে! মনে করা হত নীলকান্তমণি ঐশ্বরিক অনুগ্রহের প্রতিনিধিত্বকারী তাই এটা রাজা বাদশাদের জন্য পছন্দের রত্ন ছিল। ব্রিটিশ ক্রাউন জুয়েলারীর অনেকগুলিই বড় নীল নীলকান্তমণি দ্বারা সুশুভিত , এমনকি প্রিন্স চার্লস লেডি ডায়ানার সাথে এনগেজমেন্টের জন্য একটি নীলকান্তমণি অঙ্গুরীয় বেছে নিয়েছিলেন।


পোখরাজ

মিশরীয়রা বিশ্বাস করত যে পোখরাজ সূর্য দেব রা’য়ের সোনার গহ্বরে রঙিন ছিল। প্রাচীন গ্রিকরা বিশ্বাস করত যে এর মধ্যে মানুষের শক্তি বৃদ্ধি করার অদৃশ্য ক্ষমতা রয়েছে। রোমানরা জুপিটারের সাথে পোখরাজ জড়িত আছে এবং একে সূর্যের দেবতাও হিসাবেও গন্য করত ।

সুর্য দেবতা রা এর প্রতিকৃতি

উনিশ শতকে রাশিয়ায় গোলাপী পোখরাজ আবিষ্কৃত হয়। রত্নটি এতটাই চিত্তাকর্ষক ছিল যে, কেবল জার, তার পরিবার এবং যাদের তিনি এর মালিকানা দিয়েছেন তারাই ব্যবহার করতে পারত । পর্তুগিজ রাজ মুকুটটি বিশাল আকারের পোখরাজ এর নমুনা।

ফিরোজা

প্রাচীন কাল হতেই মনে করা হত যে ফিরোজা মন্দ কাজ বা প্রভাব হতে রক্ষার জন্য একটি প্রতিরক্ষামুলক ব্যবস্থা হিসাবে কাজ করে কারণ এর অনেক আধ্যাতিক বৈশিষ্ট আছে বলে বিশ্বাস করা হত । প্রাচীন মেক্সিকোতে, ফিরোজা দেবতাদের জন্য সংরক্ষিত ছিল এবং মর্তের মানুষরা এর ব্যবহারযোগ্য ছিল বলে মনে করা হতোনা । এশিয়ায় বিশেষ করে দক্ষিন পুর্ব অঞ্চলে কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ফিরোজা ধারণকে একট কার্যকর সুরক্ষা বলে বিবেচনা করা হত । মার্কিন যুত্তরাস্ট্রে বিশ্বাস ছিল এটা ধারণে শিকাড় বা লক্ষ্য বস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষমতা দান করে ।

মুক্তা

দীর্ঘ দিন ধরে "রত্ন রানী" হিসাবে মুক্তা পরিচিত । মুক্তা সম্পর্কে রয়েছে বেশ কিছু কিংবদন্তি । চায়নিজরা বিশ্বাস করে ড্রাগন আকাশে মেঘের সাথে যুদ্ধ করার ফলে সেখান হতে বৃস্টির সৃস্টি হয় এবং সেই ঝড়ে পড়া বৃষ্টিবিন্দু ঝিনুক গিলে ফেলায় সে গুলি মুক্তায় পরিনত হয় ।

প্রাচীন গ্রিকরা বিশ্বাস করত যে মুক্তার গহনা পড়া নববধুর দাম্পত্য জীবন সুখের হবে এবং মুক্তার মালা পরিধান করে থাকলে কোন দিন কোন কারণেই তাদের অশ্রুবিন্দু ঝড়বেনা ।


আসল নকল রত্ন পাথর ও তার উপকারীতা নিয়ে কিছু কথামালা

প্রাকৃতিক বা খাঁটি রত্নগুলো দুষ্প্রাপ্য ও মূল্যবান তাতে কোন সন্দেহ নেই । এগুলি অনেক সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। আসল রত্নের মূল্য প্রচুর। রাজা-বাদশারাই সেগুলি ব্যবহার করতে পারে। যেমন কোহিনুর হিরা । একরকম বহু মূল্যবান রত্ন মণিমাণিক্য দিয়ে রাজা-বাদশা-রানিদের মুকুট, কোমরবন্ধ, বাজুবন্ধে খোচিত করে পরিধান করা হত । কোন রাজা কত শৌখিন কত তাঁর রত্নভাণ্ডার আছে তা দেখানোর আয়োজন চলত পোশাকে-মুকুটে।

সেই মহামূল্যবান রত্নের মর্যাদা এখন গ্রহশান্তির জন্য তলানিতে এসে ঠেকেছে। এখন ঠগ-প্রতারক জ্যোতিষীবাবুদের রুজিরোজগারের পথ দেখাচ্ছে। রত্ন (Gems) এখন পাথরে (Stone) এসে জলের দামে বিকোচ্ছে। মামলা-মোকদ্দমা জিতিয়ে দিচ্ছে, সন্তানের চাকরি পাইয়ে দিচ্ছে, মেয়ের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে, অশান্ত সংসারে শান্তি ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি আজ এগিয়ে এসেছে রত্নকে সুলভ করার কাজে যাতে জ্যোতিষবাবুরা খেয়েপড়ে বেঁচে থাকতে পারে ।

কৃত্রিম উপায়ে রত্ন-পাথর তৈরি করতেও সক্ষম হয়েছে মানুষ। যদিও আসল রত্ন দেখতে পাওয়া খুবই কঠীন তবুও সুযোগ পেলে রত্ন-পাথর আসল কি নকল সেটা জেনে নেওয়া যেতেই পারে । রত্ন-পাথর আসল কি নকল বোঝার জন্য অভিজ্ঞ চোখ প্রয়োজন। প্রথমত, রত্ন-পাথরের আকৃতি, রং, স্বচ্ছতা ও এর ভিতর সুক্ষ্ণ যেসব অবাঞ্চিত পদার্থ থাকে, তার বিন্যাস দেখে প্রাথমিক ধারণা তৈরি করতে হবে।এ ব্যাপারে সঠিক ধারণা পাওয়ার জন্য অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য নিতে হবে। তবে রত্ন-পাথর যাচাই করার সব চেয়ে ভাল উপায় হল রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক (Refractive Index)যাচাইকরা। রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাংক জানা থাকলে তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে রত্ন-পাথরের সঠিক পরিচয় পাওয়া সম্ভব। কারণ কোনো বিশেষ রত্ন-পাথরের প্রতিসরণাঙ্ক নির্দিষ্ট, এর হেরফের বিশেষ দেখা যায় না। যেমন হিরের প্রতিসরণাংক ২.৪১৭। এ ছাড়া বিচ্ছুরণ (Dispersion)ধর্ম যাচাই করেও রত্ন-পাথর আসল কিংবা নকল তা যাচাই করা সম্ভব। তাছাড়া রত্ন-পাথরের কাঠিন্যতা (hardness),আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific gravity) ইত্যাদি ধর্ম যাচাই করে সহজেই নকল ও আসল রত্ন-পাথর চেনা যায় ।



রত্ন পাথরে জ্যোতিষি ভাষ্য

রত্ন পাথর আসল হোক কিংবা নকল হোক – জ্যোতিষীগন সেগুলি ব্যবহার করার নিদান দেন গ্রহশান্তির জন্য। তারা বলে থাকেন গ্রহদের যেমন নিজস্ব তেজ বিকিরণের ক্ষমতা আছে, প্রতিটি রত্মেরও তেমনই পৃথক পৃথক তেজ আহরণের ক্ষমতা আছে। সূর্য এবং গ্রহমণ্ডল থেকে বেরিয়ে আসা এই আলোকরশ্মিই আমাদের উপর নানাভাবে কাজ করে। ভুগর্ভে বা সমুদ্রগর্ভে যে সকল রত্ন-পাথর সৃষ্টি হয় তাহাও ওই সৌররশ্মিরই রাসায়নিক ক্রিয়ার ফল। তাই জ্যোতিষেরা বলে থাকেন রত্ন-পাথর ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায় ।

পশু বা মানুষের রক্ত গায়ে মাখলে মানুষের শরীরের রক্তাল্পতা কমে যায় বলে যারা বিশ্বাস করেন তাদের মানসিক সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ আছে বলে ধরে নেয়া যায় । সরাসরি লোহা চিবিয়ে খেলে বা শরীরে টন টন লোহা বাঁধলেও রক্তাল্পতা যে সারবে না তা হলফ করে বলা যায় ।তবে রত্নগুলির সৌন্দর্য অস্বীকার করা যায় না। রত্ন দিয়ে শরীরের বিভিন্ন অংশ সাজিয়ে নিতে কার-না ভালো লাগে। কিন্তু গ্রহশান্তির নামে নীলা-পোখরাজ মানুষকে পরিয়ে দেয়া বা তার মাথায় বাড়ি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া সেটা মেনে নেয়া যায়না । ভয় দেখিয়ে, রত্ন কিনতে মানুষকে বাধ্য করার বিষয়টি অবশ্যই প্রতিবাদের যোগ্য । মানুষের শরীরে রত্ন-পাথরের কোনো ভূমিকা নেই। রত্ন-পাথরের কোনো ক্ষমতা নেই। ভালো কিছু করার ক্ষমতাও নেই, খারাপ কিছু করারও ক্ষমতা নেই। দুষ্ট প্রভাব বলতে যেমন কিছু নেই, তেমনি দুষ্ট প্রভাব হটানোরও কোনো ক্ষমতা রত্ন-পাথরের নেই রত্ন-পাথর মানুষের শরীরে কোনো বিক্রিয়া করে না। সারা শরীরে যেখানেই রত্ন-পাথর বাঁধা হোক না কেন , সেটা শুধু একটাই কাজ করবে সৌন্দর্য আভিজাত্য বৃদ্ধি। তা না হলে রত্ন পাথর শ্রমিক ও কারিগর যারা মাসের পর মাস বছরের পর রত্ন পাথর নিয়ে পরে থাকেন তাদের দিন কেন কাটে করুন হালে , তাদের প্রত্যেকেরইতো রাজা বাদশাহ বা সুসাস্থ্যের অধিকারী হিসাবে দেখা যেত !!

বেশ বিজ্ঞের মতো জ্যোতিষেরা চরম আত্মবিশ্বাসের উপর ভর দিয়ে বলে থাকেন – রত্ন-পাথর বিভিন্ন ক্ষতিকারক রশ্মি শোষণ করে মানুষের শরীরকে রক্ষা করে। উল্লেখ্য পৃথিবীর ওজোনস্তর পেরিয়ে সরাসরি ক্ষতিকর রশ্মী পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা অসম্ভব।এক-আধটু রশ্মি যে পৃথিবীতে আসে না, তা নয়। তবে সেই রশ্মি রত্ন-পাথর কেন -- পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত এমন কিছু আবিষ্কার হয়নি, যা দিয়ে ওইসব রশ্মি আটকে দিয়ে মামলা-মোকদমা ইত্যাদি জিতিয়ে দেওয়া যায়। বিজ্ঞানে এসব ধান্দাবাজির কোনো জায়গা নেই।
জ্যোতিষ বিষয়ক কিতাবগুলিতে দেখা যায় নীলা ধারণে ক্যান্সার সেরে যাবে। হিরে বা পীত পোখরাজ ধারণে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পাওয়া যায় । পীত পোখরাজ ধারণ করে বৃহস্পতিকে খুশি করতে পারলে বন্ধ্যা নারীও গর্ভবতী হবে। নেতা-মন্ত্রীও হওয়া যায়। এরকম কঠিন কঠিন রোগ সারাতে পারে রোগীরা। তাহলে আর দরকার কী চিকিৎসা আর চিকিৎসকের ? দরকার কি এত খুন খারাবি করে দেশে অশান্তি হরতাল ডেকে ক্ষমতার মসনদে যাওয়ার , মুল্যবান রত্ন ভান্ডার গায়ে চড়িয়েই তো মন্ত্রি মিনিষ্টার হওয়া যায় !!

জুয়েলারির মালিক, রত্ন-পাথর বিক্রেতা, উৎপাদনকারী, খননকারী, উত্তোলনকারীদের একমাত্র ভরসা এই জ্যোতিষ পন্ডিতেরাই । জ্যোতিষরাই একমাত্র সক্ষম নিন্মবিত্ত মধ্যবিত্ত সাধারণদের মধ্যে রত্ন-পাথর বিক্রি করা সুযোগ করে দেয়ার । রত্ন-পাথর বিক্রির বাজার তৈরি করে দিয়েছেন এই জ্যোতিষবাবুরাই। নাহলে একচেটিয়াভাবে ধনীরাই শুধুমাত্র রত্ন ব্যবহার করত। গরীব দেশে এর ব্যাবসা কী জম জমাট হত ?

বর্তমানে জ্যোতিষেরা জ্যোতিষকে শাস্ত্র বলে চালাতে চায়, অনেকে আবার একটু দুঃসাহসিক হয়ে একে বিজ্ঞানও বলে থাকেন। বৈদিক যুগে জ্যোতিষ বলতে বোঝাত দিন, বছর, ঋতু ইত্যাদির গণিতসিদ্ধ বিচার পদ্ধতি।সেখানে আছে গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থানের সঙ্গে বৃষ্টি ও কৃষি সম্বন্ধীয় বিষয়। এই গ্রহ-নক্ষত্রদের সঙ্গে মানুষের ভাগ্য যুক্ত করা হয়নি।এই জ্যোতিষে ভবিষ্যকথন নেই, ভাগ্যকথা নেই, গ্রহ-নক্ষত্রের অহেতুক রাগরোষের কথা নেই। এই জ্যোতির্বিজ্ঞান গ্রিস যাযাবরদের হাত ধরে জ্যোতিষ হয়ে গেছে । মানুষের ভাগ্য গণনার ফাকিবাজী পদ্ধতি এতদিন টিমটিম করত , যত দিন যাচ্ছে, মানুষের চাহিদা বাড়ছে, যতই না পেয়ে হতাশ হচ্ছে ততই জ্যোতিষীদের রমরমা বাড়ছে। গলিতে গলিতে এখন জ্যোতিষী গড়াচ্ছে। রত্ন- পাথরের ব্যবসা রমরমা হচ্ছে ।

বিশ্বের কয়েকটি বিখ্যাত রত্ন –পাথর উৎপাদনকারী দেশ

কলম্বিয়া

বিশ্বের মোট Emerald এর শতকরা ৭০-৯০ ভাগ যোগান দিয়ে থাকে কলম্বিয়া ।
কলম্বিয়ার পার্বত্য অঞ্চলে পাওয়া যায় বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এমারেল্ড ।

আফ্রিকা

উৎকৃষ্ট মানের ডায়মন্ড আহরনের জন্য আফ্রিকা বিশ্বব্যাপী পরিচিত । এই আশ্চর্যজনক পাথর সরবরাহে সর্বাধিক অবদানের জন্য উল্লেখযোগ্য দেশগুলি হলো দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র, ঘানা, সিয়েরা লিওন, দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা, অ্যাঙ্গোলা , তানজানিয়া এবং মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র।

পূর্ব আফ্রিকায় কেনিয়া, তানজানিয়া এবং মোজাম্বিকের মতো দেশগুলি রুবি, নীলকান্তমণি, "তানজানাইট" পান্না, আলেকজান্ডারাইট, অ্যাকারমারিয়ার, রোডোলাইট এবং "tsavorite" গার্ডেন এবং টেমপ্লেইন উৎপন্নের জন্যও পরিচিত।

শ্রীলংকা

রত্ন পাথর উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে শ্রীলংকা অন্যতম , ৫০ টিরও বেশি বিভিন্ন ধরণের রত্ন পাথর পাওয়া যায় শ্রীলংকায় যার মধ্যে নীলকান্তমণি অন্তর্ভুক্ত । শ্রীলংকা রত্ন পাথরগুলি ধনী দেশগুলির নিকট সবচেয়ে জনপ্রিয় । বিভিন্ন ধরনের বহুমূল্যবান রত্ন গুলি সেখানে থাকার কারণে একে " ভারত মহাসাগরের ট্রেজার বক্স" নামেও অভিহিত করা হয় । শ্রীলংকার রতনপুরাতে অবস্থিত পাহাড়ী এলাকায় একটি বিখ্যাত রত্ন আহরণ কেন্দ্র রয়েছে, যা "জেম টাউন" নামে পরিচিত। শ্রীলংকার সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন পাথরগুলি গ্রেট ব্রিটেন ও রাশিয়ার মত বিভিন্ন দেশের রাজকীয় জহরত হিসাবে ব্যাবহৃত হচ্ছে ।

শ্রীলংকার রতনপুরায় অবস্থিত আদম চুড়া (Adam’s Peak) পাহাড় যা শ্রী পদ ( Holy Foot) নামেও পরিচিত ।

কিংবদন্তি বলছে বুদ্ধ তার পাদদেশটি প্রথম এখানে রেখেই দ্বীপটির চারপাশে ঘুরেছিলেন , যা চূড়ার পিছনে একটি বড় পদচিহ্ন হিসাবে রেখে চলেছে। সেখানকার খ্রিস্টান এবং মুসলমানগন বিশ্বাস করেন যে সৃস্টি কর্তার আদেশে বেহেস্ত হতে ফেরেশতাগন কতৃক হযরত আদম ( আ.) প্রথম এখানেই পতিত হয়েছিলেন , আর হিন্দুরা এটিকে ঈশ্বর শিবের পদাঙ্ক হিসেবে মনে করেন । সমস্ত প্রধান ধর্মের কাছে পবিত্র এই সুন্দর পাহাড়ী তীর্থস্থানটির পাদদেশে পাথরের ভাজে ভাজে পাওয়া যায় মহামুল্যবান রত্ন পাথর, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল রুবি, নীলকান্তমণি, স্পিনিল, ফাইনেস্ট ক্রিসোব্রেল (ক্যাট-আই এবং আলেক্রেড্রিটি সহ), পোখরাজ, ট্যুরিজমিন, কোয়ার্টজ, পেরিডট, চন্দ্র পাথর, গারনেট, জিরকন এবং অন্যান্য রত্ন পাথর ।

মায়ানমার

বিশ্বের সর্বাধিক রুবী উৎপাদনকারী দেশ হল মায়ানমার, বিশ্বের মোট রুবীর প্রায় ৯০% মায়ানমার সরবরাহ করে থাকে ।
মায়ানমারের মোগোক (Mogok ) পৃথিবীর সবচেয়ে খ্যাতনামা রত্ন খনি। সবচেয়ে ব্যয়বহুল চমৎকার রত্ন পাথর সরবরাহ করার কারণে এটা “Valley of Rubies” হিসাবে পরিচিত, । মোগোকের সবচেয়ে উৎপাদিত পিট হল সাফারি খনি যা প্রতিদিন ৮০০ গ্রাম রত্ন পাথর উৎপাদন করে যা হতে দৈনিক প্রায় ৪০০০ ক্যারেট রত্ন পাথর পাওয়া যায়।
মায়ানমারের অন্যান্য মূল্যবান রত্ন পাথরের মধ্যে রয়েছে যা নীলকান্তমণি, স্পাইন , ইম্পেরিয়াল জেড প্রভৃতি। এই দেশটির রত্ন পাথরের বেশিরভাগই এশিয়ান দেশগুলি যথা থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বাজারকে সমৃদ্ধ করে ।

মোগোক (Mogok ) এর পাহাড়ী এলাকার রত্ন পাথর খনি হতে রুবী সংগ্রহ


অস্ট্রেলিয়া

বিশ্বের মোট অপ্যাল উৎপাদনের প্রায় ৯০ ভাগই উৎপাদিত হয় অস্ট্রেলিয়ায় ।
অস্ট্রেলিয়া বিভিন্ন ধরণের বর্ণালী Opal সরবরাহ করে। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় খনিগুলি নিউ সাউথ ওয়েলসের কোবর পেডিতে অবস্থিত। কোবর পেডির পুরনো খনিগুলি এখন সুন্দর সুন্দর ভূগর্ভস্থ ঘরে পরিণত হয়েছে।


রত্ন খনি শ্রমিক শোষন ও নির্যাতন

খনি থেকে অথবা পাহাড় কেটি জেমস আহরন একটি শ্রমসাধ্য কাজ আবার এটাকে গেমলিং এর সাথেও তুলনা করা যায় । বলা হয়ে থাকে ৬০০ মন পাথর ভাঙলে নাকি মাত্র এক তোলা হিরা পাওয়া যায় । একারণে এর সাথে জড়িত শ্রমিকদেরকে একদিকে করতে হয় কঠোর পরিশ্রম আরদিকে করতে হয় অনিশ্চিত আয় অর্জনের জীবন যাপন । খনি ও পাহাড় কেটে রত্ন পাথর সংগ্রহের চিত্র প্রায় সব দেশে একই রকম ।

প্রায় সর্বত্রই দেখা যায় ঝুকিপুর্ণ কাজের জন্য শ্রমিকদেরকে দেয়া হয়না নিরাপদ ইউনিফর্ম , ফলে প্রায়ই তারা মারাত্মক দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে থাকে ।

দক্ষীন আফ্রিকায় একজন নারী খনি শ্রমিককে কোমরে দড়ি বেধে ক্রেন দিয়ে খনি গর্ভে নামানোর দৃশ্য


মায়ানমারের Mogok Stone Tract এ রুবীর সন্ধানে ছোট্ট বালিকাটি পাথর ভাঙ্গার মত কঠিন কাজেরত


রত্ন পাথর আহরনের ফলে মানব ও পরিবেশ বিধ্বংসী প্রভাব

দেশে দেশে রত্ন পাথর শিল্পের মানব বিধ্বংসি ফলাফল জগতবাসি প্রত্যক্ষ করছে । আফ্রিকার কয়েকটি অঞ্চলে হিংস্র সংঘর্ষের জন্য হীরা ব্যবহার করা হয়েছে বলে বহু কথাই মিডিয়াগুলিতে রয়েছে ।

বিংশ শতাব্দির শেষ প্রান্তে ডায়মন্ড সংঘাত নিয়ে সেহরালিয়্ন ,এঙ্গোলা ও কঙ্গোর মধ্যে হয়েছে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ । ১৯৯৪ সনে সেহরালিয়নের Revolutionary United Front (RUF)সেখানকার হিরক অঞ্চলের নিয়ন্ত্রন নেয়ার সময় পঞ্চাশ হাজারের বেশী মানুষ হত্যা করেছে এবং [link|https://en.wikipedia.org/wiki/Sierra_Leone_Civil_War|প্রায় ৪.৫০ মিলিয়ন মানুষকে গৃহছাড়া করেছে।
অপরদিকে সাম্প্রতিককালে দেখা গেছে রত্ন-পাথর ব্যবসাটি কিছু দেশকে যেমন মায়ানমারের সামরিক শাসনকে সমর্থন করে গেছে । সামরিক শাসন বন্দের জন্য আমিরিকা সহ বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলি মায়ানমারের রত্ন ব্যবসা বয়কটের আহ্বান জানানোর পরেও মায়ানমারের সামরিক সরকার নিয়মিতভাবে রঙ্গিন রত্ন পাথর নিলামে বিক্রয় অব্যাহত রাখে , যার ফলে এই আহবান সত্বেও প্রতি বছর মায়ানমার হতে গড়ে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিশ্ব রত্ন বানিজ্য হয়েছে । মায়ানমারের রত্ন খনিগুলি সামরিক কর্তৃপক্ষের দখলীভুত হয়ে ব্যাপক ভূমি বিধ্বংসী কার্যকলাক, জঞ্জাল, চাঁদাবাজি, জোরপূর্বক শ্রম, শিশু শ্রম, পরিবেশ দূষণ এবং অনিরাপদ কাজের পরিবেশ সহ কঠোর অবস্থার দ্বারা রত্ন পাথর শ্রমিকেরা ক্রমাগত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেমসস্টোন মাইনিং এলাকায় খনি শ্রমিকেরা দুষিত পানি নিয়মিত ব্যবহার করছে । ফলে তারা বায়ু ও জলবাহিত রোগ শোকে ভুগছে । সে সাথে ব্যপকহারে ভুমি ক্ষয়তো ঘটেই চলেছে । সার্বিক ইকোসিসটেমে বিরূপ প্রভাব পড়ছে উদাহরন স্বরূপ বলা যায় কোরাল রিফ এ ব্যাপক ক্ষতি সহ ভুঅভ্যন্তরে গুহার সৃষ্টি করছে ।


রত্ন পাথর বানিজ্যে অনৈতিকতা

সাম্প্রতিক বছরগুলিতে রত্ন পাথরগুলি বিশ্বের বিলাসী পণ্য বাজারে গুরুত্বপুর্ণ স্থান দখল করে নিয়েছে । Wall Street Journal মতে টপ কোয়ালিটি রুবী রত্ন পাথরের প্রতি ক্যারটের দাম ১৯৭৫ সনে যেখানে ছিল ২৫০০ ডলার সেখানে ২০১৭ সনে এর দাম ৫৩৯২৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে । নীল sapphire এর দাম ১০০০ ডলার হতে বেড়ে ১৫১০০ ডলার হয়েছে ।

অনেক দেশে যেমন পাকিস্তানে রত্ন পাথরের এই অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি কতৃপক্ষের নজড়ে পড়েনি । এই রত্ন পাথরের ব্যবসাকে ইনফরমাল মার্কেটিং ক্যাটাগরী হিসাবে গন্য করে একে সর্বপ্রকার প্রকার কঠীন নজরদারীর বাইরে রাখা হয়েছে । একটি
ইনফরমাল শিল্প খাত হিসাবে বহুবিদ অশুভ কায়দা কানুন নিয়ে এই রত্ন -পাথরের ব্যবসাটা দুনিয়া জোড়ে ফুলে ফেপে উঠেছে, এটা মুলত এখন wonderland for criminals


অনেক দেশ বিশেষ করে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে এই জেমস্‌ বানিজ্য কতৃপক্ষের অগোচরে অসাবধানতায় বেড়ে উঠলেও বিশ্বের ইনডাসট্রি লিডারগন কিন্তু তাদের চোখ কান খোলা রেখেছে। সুযোগ নিতে তারা মোটেও কোন ছাড় দোয়নি । নব্বই দশকে খনি হতে হিরা আহরন কার্যক্রমে যেমন অনৈতিকতা দেখা গিয়েছিল ঠিক একইভাবে জেমসস্টোন পলিশিং এবং এর রংগীন মুর্তী দেয়ার ক্ষত্রেও অনেক অনৈতিকতার ছাপ দৃষ্ট হচ্ছে । নিউ ইয়র্কের একটি জুয়েলারী দোকানে যে রত্ন পাথরটি বিক্রয় হয় তা খনি হতে আহরণের পর কাটিং , সেটিং এবং কালারিং এর পর প্রায় অর্ধ ডজন হাত বদল হয়ে যখন জুয়েলারী দোকানে পৌঁছায় তখন সেই পলিস্ড কালার্ড জেমস্টোনের আদি নিবাস নির্ধারণ করা খুবই কঠীন হয়ে দাঁড়ায় কারন এই হাত বদলগুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই থাকে আনডকুমেন্টেড । এ গুলি সনাক্ত করার জন্য কোন উপযুক্ত মেশিনও নেই সবার কাছে ।

যদিও International Colored Gemstone Association (ICA) জাতি সংঘের সহায়তায় এ লক্ষ্যে কিছু কাজ করছে তার পরেও এই ব্যবসার অনৈতিকতার বিভিন্ন চোরাগুপ্তা অন্ধি সন্ধি গুলি বন্দ হয়নি, বরং ক্রমেই তা বেড়ে চলেছে ।

যতই প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করা হোক না কেন ক্রিমিনালগন ঠিকই তাদের রাস্তা বের করে নিচ্ছে । উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে এখন বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কাজ যথেষ্ট পরিমানে হচ্ছে যা বিশ্ববাসীর নজড়ও কাড়ছে ।

Gem cutters ply their trade in Namak Mandi, the historic gem bazaar in Peshawar’s old city.

আফগানিস্তানের অফিসিয়াল জিউলজিকেল সার্ভে প্রতিবেদন অনুযায়ি দেখা যায় তারা তাদের ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের মুল্যবান খনিজ পাথরের চোরাচালান বন্ধ করতে পারছেনা কোন মতেই । কুখ্যাতভাবে এ গুলির অধিকাংশই কড়াকড়ি নজরদারী এড়িয়ে খুব সহজেই পাহাড়ী পথ বেয়ে টরকাম বর্ডার পারি দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে পাকিস্তানের পেশোয়ারে । আফগান কতৃপক্ষ সবসময় অভিযোগ করে আসছে পাকিস্তান এই কাঁচা রত্ন পাথরগুলিকে কাটিং সেটিং ও প্রয়োজনীয় রং মাখিয়ে জুয়েলারী প্রোডাকশনে এর ভেলু এডিশন বাড়িয়ে বানিজ্য করার মানষে তলে তলে উদার নীতি পালন করে চলছে ।

পাকিস্তানের সরকারী উদার নীতির ফলে অনেক কিছুই ঘটছে । আফগান মুলুক হতে কাঁচা রত্ন পাথর পাকিস্তান , সেখান হতে গায়ে রং ডং মাখিয়ে পারি দিচ্ছে কলমবিয়াতে , যার রয়েছে জেমসস্টোন বানিজ্যে বিশ্বজোড়া সুনাম । উল্লেখ্য জেমসন্টোন বানিজ্যে দেশ ভিত্তিক সুনামের য়থেস্ট মুল্য রয়েছে । কলম্বিয়ার খাটি রত্নের কথা সকলেই জানে , ফলে কলম্বিয়ান রত্ন হিসাবে এর দামটাও বৃদ্ধি পায় সেরকম ভাবে ।

কলম্বিয়ার অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানগন কতৃক খাটি রত্ন পাথর প্রক্রিয়াকরনের দৃশ্য

অনুরূপভাবে বার্মিজ তথা মায়ানমারের রত্ন পাথরেরও যথেষ্ট কদর রয়েছে বিশ্ব বাজারে যা আফগান পাথর হতেও বেশী মুল্য ধরে । তাই পাকিস্তান হতে আফগান পাথরগুলি থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পাড়ি দিয়ে অন্যরূপ ধরে বার্মীজ রত্ন পাথর হিসাবে বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করছে দেদারছে ।

উপরে বর্ণিত প্রক্রিয়ায়, রত্ন পাথরের উৎসের প্রকৃত ইতিহাস মুছে ফেলা হয়। শুধু কি তাই এগুলি জংগী অর্থায়নেও ব্যবহৃত হচ্ছে । উত্তর আফগানিস্তানের একটি জংগী গোষ্ঠি সেখানকার রত্ন পাথরগুলি যে কোন মাদক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করে দিতে পারে, যারা পরে পেশোয়ারের একটি ব্যবসায়ী গুষ্ঠির মাধ্যমে সেগুলিকে কলম্বিয়ার কাছে হস্তান্তর করতে পারে , যেখানে তা আবার কলম্বিয়ার রত্ন পাথরের সাথে মিশে বিশ্ব বাজারে প্রবেশ করে। কানাডায় একজন ব্যক্তি যখন একটি জহরত পান্না কিনেছেন তিনি কি তখন জানতে পারবেন যে এগুলি জঙ্গিদের জন্য অস্ত্র ক্রয় কিংবা আফগানিস্তানের ড্রাগ ব্যাবসায়ীদের জন্য অর্থ লুণ্ঠনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে ।

আর একটি অনৈতিক কাজ হচ্ছে বৈদেশিক বানিজ্যে রত্ন পাথরের বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে উচ্চ শুলক হার পরিহার করা , সে সাথে আন্ডার ইনভয়েসিং তো আছেই । অনেক সময় মুল্যবান রত্ন পাথরগুলিকে piece of coloured glass পরিচয়ে সুলভে শুল্ক পথ পাড়ি দেয়ার কথাও শুনা যায় বিভিন্ন সময়ে ।

এসব বিষয়ে বাংলাদেশর কথাও সকলেরই কম বেশি জানা আছে । ভারতীয় Gems and Jewelry Export Promotion Council (GJEPC) এরজুয়েলারী প্যানেলের আহ্বায়ক পঙ্কজ পারিখ বলেছেন Bangladesh is one of the big market for gems and jewelry in the region even with high import duties. And even with 67 percent (reduced duty on diamonds to 15 per cent from 67 per cent last year) duty on imported jewelry products, the country is a hot bed for smuggled items. Indian products are finding their way through Dubai to Bangladesh .

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩০০০ কোটি টাকার জুয়েলারী বানিজ্য হয় এর মধ্যে ভারত হতে বাংলাদেশে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার জুয়েলারী রপ্তানী হয় বলে পারিখ উল্লেখ করেছেন । এই বানিজ্যটি কি সঠিকভাবে হয়, না রত্ন পাথর নিয়ে বিশ্ব বানিজ্যের মতই এখানেও কোন বিচিত্রতা আছে তা শুধু কতৃপক্ষই বলতে পারেন ।

ভারতীয় সস্তা পাথরে বাংলাদেশী রত্ন পাথরের মার্কেট সয়লাব

ভারত সহ বিদেশ হতে যে সমস্ত রত্ন পাথরগুলি দেশে আসছে সেগুলির চক মকা দৃশ্য কিছুটা দেখা যাক নীচে
বিভিন্ন রত্ন পাথর বিক্রেতার ওয়েব সাইট হতে সংগৃহীত রত্ন পাথরের ছবি -১

বিভিনান রত্ন পাথর বিক্রেতার ওয়েব সাইট হতে সংগৃহীত রত্ন পাথরের ছবি -২

এখানে উল্লেখ্য আসল রত্ন পাথরকে এত মসৃন চকচকে পালিশ করা যায়না ও তা করাও হয়না ,খালী চোখে নয় যন্ত্রের সাহায্যে সেগুলির সঠিকতা নিরোপন করা যায় । যন্ত্রে ফেলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জেমস পাথরের বৈশিষ্ট যথা ( আপেক্ষিক গুরুত্ব , ক্যারট বা ওজন , প্রতিসরণাংক) ইত্যাদি তালিকার সাথে মিলিয়ে ধরা যায় পাথরটি নকল না আসল , কিন্তু সে ব্যবস্থা কি আমাদের রত্ন পাথর বিপনী বিতান গুলিতে আছে? না তা মানা হয় ? ক্রেতা সাধারণই বা সে সম্পর্কে কতটুকু ওয়াকেবহাল , তবে নিশ্চিত করে বলা যায় রত্ন পাথর বিক্রেতাগন সাথে নিয়ে জ্যোতিষবাবুর প্রেসক্রিপশন শুধু ক্রেতাদের মাথাতেই হাতুরীর ঘা মারছেন আর পকেট হাতরিয়ে নিচ্ছেন তাদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে ।

একটি আন্তর্জাতিক জেমসস্টোন ইন্ডাসট্রির এই ওয়েব লিংক এ ব্রাউজ করলে বিশ্বব্যপী রত্ন পাথর বিক্রেতাদের নাম ঠিকানা পাওয়া য়ায় , এখানে অনুসন্ধানে বাংলাদেশি বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষঠানের নাম ঠিকানা পওয়া যায় যারা রত্ন পাথর আমদানি ও বিপনণে নিয়োজিত আছে বলে দেখা যায় । তাদের বিভিন্ন ওয়েব সাইট হতে সংগ্রহীত কিছু রত্ন পাথরের বাংলাদেশী বাজারে বিক্রয় দাম নীন্মে দেখানো হলো , এ লিখাটির উপরের অংশে বিভিন্ন রত্ন পাথরের আন্তর্জাতিক বাজার দাম সম্পর্কে সংস্লিষ্ট পাথরগুলি আলোচনা কালে উল্লেখ করা হয়েছে , এখন নীচের চিত্রটি হতে সচেতন পাঠক যা বুঝার বুঝে নিতে পারেন অনায়াসে ।

৩০০০ টাকা হতে ৬০০০ টাকা মুল্যমানের রত্ন পাথরের ছবি ( প্রতি পিছ পাথরের দাম, কিনতে গেলে ওজন জানা যাবে )

৬৫০০ টাকা হতে ১৮০০০ টাকা মুল্যমানের রত্ন পাথরের ছবি ( প্রতি পিছ পাথরের দাম,কিনতে গেলে ওজন জানা যাবে )

ভারত , মায়ানমার ও থাইল্যান্ডের রত্ন ব্যবসায়ীদের লুলোপ দৃষ্টি বাংলাদেশের সম্প্রসারমান জুয়েলারী মার্কেটের প্রতি । এখানে নতুন করে পুজিবাদি অর্থনীতির বিকাশ ও নব্য ধনাঢ্য শ্রেণীর সৃস্টি হচ্ছে অসাধারণ দ্রুত গতিতে । দেশে এখন কোটিপতির সংখ্যা লক্ষাধিক । ধন্যাঢ্য গুষ্ঠির কাছে রত্ন পাথর পরিধান ও সংগ্রহে রাখা এখন আভিজাত্যের প্রতিক । খুব কম সংখ্যকই ধনাঢ্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী , বড় চাকুরীজীবি এমনকি ধর্মীয় নেতা পাওয়া যাবে যাদের গায়ে ও হাতের আংগুলে রত্ন পাথর কিংবা রত্ন পাথরের গহনা নেই । এটাকে নিরোৎসাহিত করার কোন উপায় নাই , এর সাথে যুক্ত হয়েছে জ্যোতিষ বাবুদের ভয় দেখানো ও আশাবাদী কথামালা । সবদিক বিবেচনায় দেখা যায় এটা এদেশে এখন একটি দ্রুত বিকাশমান শিল্পকলা ও বানিজ্যিক কার্যক্রম হিসাবে পরিগনিত । রত্ন পাথর ও জুয়েলারী প্রক্রিয়াকরণ , পলিশিং, ডিজাইন প্রনয়ন, যোগান ও বিপননের সাথে দেশের প্রায় ৫ লক্ষ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিয়োজিত আছে ।

দেশের ছোট বড় প্রায় সকল শপিং মলের জুয়োলারী দোকান গুলিতে বিভিন্ন প্রকারের জুয়েলারী ও রত্ন পাথরের বিপুল পরিমান নয়নমুগ্ধকর সমাহার এখন সকলেরই নজর কাড়ে ।

জুয়েলারী শিল্পে এগুলির যোগান ও বিপনন সম্পর্কে লিখতে গেলে এই পোষ্টের কলেবর অনেক বড় হয়ে যাবে । তবে এ বিষয়গুলি প্রায় সকলেরই জানা । জুয়েলারী বৈধ ও অবৈধ পথে যে ভাবে আসছে তার চিত্র অনেক সময় মিডিয়াতেও ফলাও করে প্রকাশিত হচ্ছে , জানা যায় অমুক তমুক বিমান বন্দরে কত হাজার তুলা স্বর্ণালংকার ধরা পরেছে । তবে এটা মুলত সিসটেমের বাইরে যা চলে যায় তার অতি ক্ষুদ্র অংশই দৃষ্টিগোচর হচ্ছে । তবে সিসটেমের মোরকে যেগুলি আসে তার খবর কে রাখে । শুনা যায় সেগুলির কিছু যায় উৎপাদনে আর কিছু যায় চোরাচালানে কিংবা বিবিধ বিষয়ের দাম পরিশোধনে । যাহোক সে ভিন্ন কথা ।

আমাদের কথা হলো, এই বিকাশমান শিল্পটি হতে কিভাবে সর্বোচ্চ নৈতিক সুযোগ সুবিধা নেয়া যায় সেটাই বিবেচনা করা । এ শিল্পের বিভিন্ন দিকের উপরে প্রয়োজন কিছু মৌলিক তথ্যের আদান প্রদান ক্রেতা বিক্রেতা ও এর কলাকুশলি সকলের জন্যে । দেশে এ সম্পর্কে ব্যাপক জন সচেতনতা না থাকায় এর সুফল হতে অনেকেই বঞ্চিত । এ শিল্পে ক্রেতা ও বিক্রেতা ও শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থ রক্ষার জন্য দেশের কতৃপক্ষ এগিয়ে আসতে পারেন । গড়ে তুলতে পারেন গবেষনা ও প্রশিক্ষন কেন্ত্র । জনগনকে জেমস বৈষিষ্ট ও প্রকৃত জেমস সনাক্ত করনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও গবেষণা পরিষদ ( BCSIR) প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে পারেন । ভারত ও থাইল্যাণ্ডে জেমস নিয়ে গড়ে উঠেছে বিশাল বিশাল গবেষনা ও প্রশিক্ষন কেন্ত্র, সে তুলনায় আমাদের এখানে এখন পর্যন্ত নামকা ওয়াস্তে জুয়েলারি ম্যানুফ্যাকচারিং বা গহনা তৈরির কাজে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক), এর নকশা প্রশিক্ষন কেন্দ্র হতে কিছু কার্যক্রম পরিচালিত হয় বলে জানা যায় । বাংলাদেশ জুয়েলারী সমিতির কার্যকলাপ শুধু তার মেম্বারদের স্বার্থ রক্ষার্থেই সীমিত এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটটি দীর্ঘদিন ধরে শুধু আন্ডার কনসট্রাকশন হিসাবেই দেখা যায় , তবে সেখানে তাদের পার্টনার হিসাবে ভারতীয় Gems and Jewellery Export Promotion Council (GJEPC), কেই দেখা যায় ব্যাসায়িক স্বার্থে।

তাই কথা হলো এই মহুর্তে দেশে দক্ষ একদল জেমলজিস্ট বা সুদক্ষ প্রফেশলাল রত্ন শ্রমগুষ্ঠি গড়ে তুলা বিশেষ প্রয়োজন । এরা বিকাশমান এই শিল্পের চাহিদার সাথে তাল রেখে দেশ ও বিদেশের শ্রম বাজারে নিয়োগলাভের সুবিধাও নিতে পারবে । আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে একজন দক্ষ জেমলজিস্ট এর প্রারম্ভিক বাৎসরিক বেতন ৩০০০০ ডলার হতে শুরু হয় । একজন লেবরেটরী জেমলজিষ্টএর বেতন ৪০০০০ হতে ৬৫০০০ ডলার , জেমসন্টোন এপ্রাইজারের বেতন ৫০০০০ হতে ৭০০০০ ডলার ,জেমসস্টোন জুয়েলারের বেতন ৩০০০০ হতে ৬৫০০০ ডলার । জেমলজির উপরে বাংলাদেশে কোন কলেজ বা বিশ্ব বিদ্যালয় ডিগ্রী কোর্স নেই, তবে পৃথিবীর অনেক দেশই জেমলজির উপরে স্নাতক (সন্মান) , ডিপ্লোমা ও স্বল্প মেয়াদী সার্টিফিকেট কোর্স পরিচ্লনা করে থাকে । যথা যুক্ত রাজ্যের বার্মিংহাম সিটি বিশ্ববিদ্যালয়েGemmology and Jewellery Studies - BSc (Hons) কোর্স
Canadian Institute of Gemologyতে জেমলজির উপরে ডিপ্লোমা কোর্স
থাইল্যান্ডের Asian Institute of Gemological Sciences এ ডিপ্লোমা কোর্স
এছাড়াও ব্যাংককের GIA হতেও জেমিলজির উপরে গ্রাজুয়েট কোর্স পরিচালনা করা হয় । ভারতের মোম্বাই , নিউইয়র্ক ও লন্ডনেওGIA এর শাখা কেম্পাস আছে । শুধুমাত্র নিউ ইয়র্ক ছাড়া অন্য সকল কেম্পাসেই বিদেশী ছাত্রদের জন্য স্কলারশীপেরও ব্যবস্থা আছে । এখানে CLICK করে বিস্তারিত জানা যেতে পারে । আগ্রহী কেও যদি এটা না দেখেন তা হলে স্কলারশীপের সুযোগ মিস হয়ে যেতে পারে, ২০১৭/১৮ সেসনের জন্য স্কলারশীপের আবেদনের সময় কাল হলো আগস্ট হতে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ।

আন্তর্জাতিক জেমলজি সোসাইটিও( IGS ) রত্ন পাথর শিল্পের বিভিন্ন দিকের উপরে সার্টিফিকেশন কোর্স পরিচালনা করে থাকে । অপেক্ষাকৃত কম টিউশন ফি ( ৪০০ ডলারের মত) দিয়ে অন লাইনেও এ কোর্স করা যায় । আগ্রহী যে কেও এখানে CLICK করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন ।

পরিশেষে বলতে চাই স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বিস্তৃত মুল্যবান এ রত্ন- পাথর শিল্পটিকে শুধু মাত্র রত্ন ব্যাবসায়ী , জ্যোতিষবিদ ও দেশের ধনাঢ্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বিকাশমান এ শিল্পটিকে দেশের নিন্ম থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে নৈতিক , সামাজিক ও অর্থনৈতিক কল্যান মুখি কর্মকান্ডে পরিনত করার প্রচেষ্টা গ্রহন এবং সে আঙ্গীকে তা প্রয়োগ একান্ত কাম্য । ভাগ্য পরিবর্তন, বিপদ হতে মুক্তি কিংবা আরোগ্য লাভের নিমিত্ত ব্যবহৃত না হয়ে এটা ব্যাবহৃত হোক কেবলি সৌন্দর্যময়ী ও কল্যানমুলক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ।

ধন্যবাদ কষ্ট করে এতক্ষন সাথে থাকার জন্য ।

ছবি সুত্র : কৃতজ্ঞতার সহিত অন্তরজাল
কথা ও তথ্য সুত্র : প্রসঙ্গিক ক্ষেত্রে যথাস্থানে লিংক দেয়া হয়েছে ।

মন্তব্য ১৮৭ টি রেটিং +৪২/-০

মন্তব্য (১৮৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৮:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


"প্লেটো হীরা সম্পর্কে লিখেছেন, এটা একটা স্বর্গীয় জীবিত আত্মা । "

-প্লেটো আসলেই তা লিখেছে? নাকি কাব্য করতে গিয়ে পাগলামী করেছেন?

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৮:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রথম মন্তব্য দানের জন্য, কিছুতো কাব্যিক পাগলামী করেছেন, তবে তাঁর পাগলামী কথামালা নিয়ে পরবর্তীতে অনেকই diamond theory লিখা হয়েছে ।
বিশ্ব আলোরনকারী Plato's Diamond in the Meno হতে সংগৃহীত
Plato as a precursor of Gerard Manley Hopkins's "immortal diamond." An illustration shows the prototype of the figure D discussed at the diamond theory


অনেক শুভেচ্ছা রইল

২| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৮:৩৭

অপ্‌সরা বলেছেন: মাই গড!!!!!!

ভাইয়া এ তো রত্ন ভান্ডারের সাত দুগুনে চোদ্দ কাহন!!!!!!!!!!!!!!! #:-S B:-) :-B


তবে যাই বলো তাই বলো সামু ব্লগেরও আরেক রত্ন হয়ে থাকবে এই রত্ন ব্লগারের লেখা রত্ন পোস্ট!!!!!!!!!!


প্রিয়তে রেখে দিলাম! :)

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।
জানইতো কেও রত্ন পেয়ে খুশি , কেও না পেয়ে করে কত আহাজুরী,
আর এটা নিয়ে দেশে দেশে কতই না কান্ডকির্তী
তাই সাত দুগুনে চোদ্দ কাহন না হয়ে কি উপায় আছে :)
খুশী হলাম রত্ন পোষ্ট বলার জন্য :)

অনেক অনেক শুভ তকামনা রইল ।

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল

৩| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৮:৪১

অপ্‌সরা বলেছেন: তোমার এই বিশাল রত্নভান্ডারের ছবি দেখে আমার ক্ষুদ্র রত্ন ভান্ডারের ছবিও দিতে ইচ্ছা হলো এবার ভাইয়া! :)

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অসাধারান ছবি আগে পেলে পোষ্টের ভিতরে প্রয়োগ হত
যাহোক এখন অআমার পোষ্টটিকে করে সৌন্দর্যমন্ডিত ।

অমর দাবী রইল তোমার সুন্দর সুন্দর কিছু রত্ন ভান্ডার নিয়ে
একটি পোষ্ট দাও , যক্ষের ধনের মত আগলে রেখোনা
সকলের জন্য উন্মোক্ত করে দাও ,পারলে মিউজিয়াম গড়
প্রয়োজনে টিকেট কেটে দেখব :)

শুভেচ্ছা রইল

৪| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৮:৪৬

কবি হাফেজ আহমেদ বলেছেন: পোষ্টটি পড়তে অনেক সময় লেগেছে। এখানে রত্ন পাথর নিয়ে যে আলোচনা করা হয়েছে তাতে অনেকগুলো বিষয় ফুটে উঠেছে, যা আমার অজানা ছিলো। পোষ্টটি সময় করে আবারও পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। এমন একটি পোষ্টটের জন্য কৃতজ্ঞতা এবং অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। ভালো থাকবেন, শুভকামনা।

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সবাইতো চায় রত্ন ভান্ডারটি বিশাল হোক , তাই অআমার এ পোষ্টটি একটু বড় হয়ে গেল , কি করব কথা যে ফুরায়না ।
রেফারেস্মের জন্য কাজে লাগতে পারে বিবেচনায় এটা বড়ই করে ফেললাম । ভেবেছিলাম পর্ব করে দিব , কিন্তু দেখলাম পর্ব করে দিলে এর আসল মেরিটটা কিছুটা নিশ্প্রভ হয়ে যাবে , বরং এক সাথে থাকলে অনেক ভাল হবে । যাহোক পোষ্টের বিষয়ে আপনার কৃতজ্ঞতার কথা জেনে খুশী হলাম , আমিউ কৃত্জ্ঞ কষ্ট করে পাঠ করেছেন বলে ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৫| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:০০

সুমন কর বলেছেন: আপাতত, ভালো লাগা।

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপাতত যে ভাল লেগেছে তাতেই আমি মহাখুশী :)
শুভেচ্ছা রইল

৬| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:০১

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:
দারুণ পোস্ট। প্রিয়তে রেখে দিলাম।

এই জিনিসগুলো কি জানতে পারলে খুব উপকার হতো। গত বছর কিনেছিলাম একজন রত্নবিক্রেতা'র কাছ থেকে। আমার বিভিন্ন দেশে কয়েন জমানোর শখ। কিন্তু, আজ পর্যন্ত জদিস করতে পারিনি এগুলো কি।

সোনালী রঙের এই বস্তুগুলো কি?





০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১০:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট দারুন অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ , প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞ ।
আপনার দেয়া ইমেজগুলি দেখে অামি মুগ্ধ । আমি আর্কিওলজিষ্ট নই
তাই একে সঠিকভাবে সনাক্ত করতে পারবনা , এটাকে বাস্তবে
দেখলে আরো ভাল লাগতো । তবে ছবিতে যেটুকু দেখা গেল তাতে
মনে হয় এটা আয়রন যুগের প্রথম দিককার সময়ের কোন ধাতব
মুদ্রা কিংবা কোন রাজকীয় সাংকেতিক ছাপের জন্য তৈরী হতে পারে ।
আয়রন যুগে খ্রিস্টপুর্ব ৬৫-৫০ সনে মৃদ্রাতে যে ধরনের চিহ্ন প্রয়োগ
হত আপনার দেয়া ইমেজ গুলিতে প্রায় সে রকমেরই চিহ্ন দেখা যায় ।
নীচের স্বব্যাখাত ইমেজটি দেখতে পারেন ।

মধ্য যুগের হলে তাতে ল্যাটিন গ্রীক , ইংলিশ বা আরবী অক্ষরের ছাপ
দেখা যেত সাথে পশুপাখী বা রাজা বাদশাহদের ছবি দেখা যেত ।
কিন্তু আপনার দেয়া ইমেজে সে রকম কিছু দেখা না যাওয়ায়
মনে হয় এটা অনেক অনেক পুরাতন একটি সংগ্রহ যার দাম
রত্ন পাথরের থেকেও অনেক বেশীই হবে । তাই এগুলি নিয়ে আপনি
আমাদের আর্কিওলজি ডিপার্টমেন্টের সাথে যোগাযোগ করে
দেখতে পারেন , তবে নীজের মালিকানা ডকুমেন্টটা সংগ্রহ করে
রাখবেন , বলা তো যায়না , যা দিনকাল পরেছে !!!

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৭| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:০২

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন: এগুলো অপর পিঠের।


০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১০:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনুগ্রহ করে উপরের প্রতিউত্তর টা দেখে নবেন ,
সেখানে এ বিষয়ে আমার কিছু কথা বলা হয়েছে ।

৮| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:০৬

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: রত্ন পাথরের সাথে এস্ট্রোলজির একটা গভীর সম্পক আছে যা ইতিমধ্যে আপনি উল্লেখ করেছেন। আমি নিজে একটা ক্যটস আই ব্যবহার কড়ি। তবে আমাদের দেশে অধিকাংশ পাথর নকল এবং এর মুল্য খুব চড়া। রাশিভেগ এ রত্ন পাথর ব্যবহারের যেমন উপকারিতা আছে তেমন ভুল পাথর ব্যবহারের ফলে অনেক শারিরিক ক্ষতি ও হতে পাড়ে।

তারপর আপনাকে ধন্যবাদ জানাতে হয়, আপনি কোন পোস্ট দেওয়ার পর ধন্যবাদ ছাড়া আর কোন কিছু বলার থাকে না, কেননা যা কে বলে এ টু যেড নিখুত ইনফরমেশন।

অনেক সময় বাংলা উইকিপিডিয়া তে অনেক কিছু সম্পকে এ তথ্য পায় যা কিনা আপনার পোস্টে পাই। তাই আপনার এই বিষয় অনসারে লেখা গুলো বাংলা উইকিপিডিয়া পোস্ট করা দরকার আরো সমদ্ধ করার জন্য।

তথ্যবহুল এমন আরো অনেক পোস্ট পাবো আশাকরি।

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১১:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অআপনার কথা মালায় অনুপ্রানীত হলাম । ঠিকই বলেছেন রাশিভেদে এ রত্ন পাথর ব্যবহারের যেমন উপকারিতা আছে তেমন ভুল পাথর ব্যবহারের ফলে অনেক শারিরিক ক্ষতি ও হতে পারে । এ বিষয়েজ্যোতিষীরা বলেন যাদের মামলা সংক্রান্ত ঝামেলা রয়েছে তাদের জন্য ক্যাটস আই পাথর বা শ্রীলঙ্কান বৈদূর্যমণি পাথর বেশ উপকারী। যাদের ব্যক্তিগত জীবন, ব্যবসায় বা চাকুরি জীবনে অথবা পারিপার্শ্বিক প্রকাশ্য ও গোপন শত্রু রয়েছে তাদের জন্য ক্যাটস আই পাথর খুব উপকারী।ক্যাটস আই পাথর যে কোন খারাপ দৃষ্টি অথবা খারাপ আত্মার প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে।এ পাথর ধারনে ধর্ম কর্মে আকর্ষণ বাড়তে পারে।স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধিতে এ পাথর উপকারী।যে মানুষ গুলো ব্যক্তিগত জীবনে কোন সিদ্ধান্ত নেবার আগে খুব বেশী সিদ্ধান্ত হীনতায় ভোগে তাদের মনোবল বৃদ্ধি এবং মানুষিক শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে।ক্যাটস আই পাথর ব্যবহারে হারানো সম্পদ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনকি বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরনো ব্যবসায় নতুন করে ফিরে পাওয়া যেতে পারে।বিশেষ করে যারা বাজী ধরতে পছন্দ করে বা যারা রিস্ক নিয়ে ব্যবসায় করতে পছন্দ করে তাদের জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারে ক্যাটস আই পাথর অথবা যারা আধ্যাতিক চিন্তা ভাবনায় জড়িত তাদের জন্য এ পাথর উপকারী। কিন্তু যদি রাশির সাথে না মিলে আর নকল পাথর হয় তাহলে সব উল্টা হয়ে যেতে পারে !!!!!!

অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য
শুভেচ্ছা রইল ।

৯| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ৯:৪৮

অপ্‌সরা বলেছেন: রত্ন ভান্ডার নিয়ে পোস্ট দেবো!!!!!!!!

না বাবা যদি ডাকাত আসে!! :(

শেষে পরীর দেশে উড়তে গিয়ে কোমর ভেঙ্গে মরবে তো!!!!!!!!!

তবে যাই বলো তাই বলো ভাইয়া তুমি এক অল রাউন্ডার গবেষক!!!!!

রত্নভান্ডারের পোস্টখানি সত্যিই বিস্ময়কর!!!!!!!!

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১১:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভয় নেই আপুমনি ডাকাতে ধরলে বলে দিবে
সব সামুতে দিয়ে দিছি লুটে নাও সেখান হতে,

তারপরে তারা আসুক এখানে তখন
দেখবে গন ধোলাই কাকে বলে !!!
তুমি পাংখা মেলে উড়ে যাবে
পরীর দেশে, তোমার নাগাল
ডাকাতেরা কোনদিনই পাবেনা ।

অলরাউন্ডার কিনা জানিনা
তবে জানি ধরাশায়ী গবেষক !!!

পোষ্ট বিষ্ময়কর মনে হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

১০| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১০:১৪

নিশাত১২৩ বলেছেন: ওরে বাবা এযে দেখি বিশাল ধন রত্নের কারবার! খাটুনির পোস্ট। ++++

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১১:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন রত্নের কারবার বিশাল করাইতো ভাল ,
ধন রত্ন কামাতে হলে একটু কষ্টতো
করতেই হবে ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১১| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১০:২৫

ধ্রুবক আলো বলেছেন: ভাই, অনেক বড় পোষ্ট ক্লান্ত হয়ে গেছি :-<
এবং অনেক তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট +++++++++++++

০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১১:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্ট সমৃদ্ধ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ
ক্লান্ত হওয়ার জন্য সমবেদনা রইল সাথে
আখের ও বেলের সরবত আপনার জন্য ।



শুভেচ্ছা রইল

১২| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১০:৪১

মোহাম্মাদ আব্দুলহাক বলেছেন: টাওয়ার অফ লন্ডন আমার ঘরের পাশে। হেঁটে গেলে আধাঘণ্টা লাগবে।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১২:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ জেনে খুশী হলাম,
সেখানে কোহিনুর কেমন
দেখলেন জানাবেন ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৩| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১১:২৪

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:

ছবি আছে একজন রাজার।



আমি নেট ঘেটে পেয়েছি, আমার কয়েনগুলো সাসানিয়ান এই কয়েনের মতো- Click This Link

কিন্তু, কয়েনের মত পাতলা নয়, বরং ভারী। অনেক পুরুও। অনেকটা সম্রাট আকবরের আমলের সিলের মত।

অনেকের কাছে জিজ্ঞাসা করেছি কেউ বলতে পারেনি।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১২:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ , আপনার লিংক ফলো করে দেখলাম এটা
ancient Persia. Sasanian Kingdom. King Khusro II, 590 - 627 AD
সময়কালের হতে পারে , তবে আকবরের আমলের বলে মনে হয়না
তবু আপনি এর কিছু ইমেজ ব্রিটিশ আর্কিওলজিকেল এসোসিয়সনে
পাঠিয়ে তাদের কাছে এর সঠিক পরিচয় জানতে চাইতে পারেন ।
নীচে তাদের লিংক দেয়া হল ।
http://thebaa.org/contact/

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: নীচে মানবীর ১৬ নং মন্তব্যটি অনুগ্রহ করে দেখতে পারেন ।

১৪| ০১ লা মে, ২০১৭ রাত ১১:৫৮

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: পোষ্টটাকেও রত্নই মনে হয়। তবে পারলে এক সময় মোহাম্মদ আলীকে নিয়ে একটা পোষ্ট দিলে অনেক খুশী হব।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১২:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ফরিদ ভাই ।
মোহাম্মদ আলী অআমার খুবই প্রিয় ব্যক্তিত্ব
তাঁর প্রদর্শনী ফাইট দেখেছিলাম ঢাকা স্টেডিয়ামে
যখন তাকে বাংলাদেশের সন্মানসুচক নাগরিকত্ব
দেয়া হয়েছিল । চেষ্টা করব তাকে নিয়ে পোষ্ট দিতে
বিষয়টা মাথায় রাখলাম ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৫| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১২:১৮

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: আমি সত্য বলতে লজ্জা খুব কমই পাই। আগে আমি রত্ন সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। একটা ধারণা ছিল শুধু যে রত্ন খুব মূল্যবান। কিন্তু রত্ন যে এক ধরণের পাথর সেটাই জানতাম না। আজ রত্ন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরে ভালো লাগলো। সেজন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা রাখছি পোষ্টে। অনেক ইতিহাস সম্বলিত পোষ্ট তো প্রিয়তে থাকবেই। কারণ, আরো বিশদভাবে পড়তেই হবে সময় করে।

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা জানবেন সবসময়।
আপনার সুস্থতা কামনায়। শুভেচ্ছা রইল।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ২:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সত্যিকথা বলতে কি রত্ন পাথর সম্পর্কে আমারো ধারণা খুবই অস্পস্ট ছিল । ছোট সময়ে দেখতাম অামাদের মরুব্বীরদের কেহ হজে গেলে আসার সময় খুব সুন্দর সুন্দর পাথর ওয়ালা তসবিহ নিয়ে আসতেন। বলতেন এগুলিতে মুল্যবান পাথর আছে । তখন মনে করতাম এগুলি বুজি সৌদি আরবের মরুভুমিতে বালুর মধ্যে পাওয়া যায় , অনেকে বলতেন পাহাড় হতে এগুলি গড়িয়ে গড়িয়ে ঝর্ণার সাথে নীচে নেমে আসে । এটা শুনার পরে বাল্যকালে কয়েক বন্ধুতে মিলে সুসং দুর্গাপুরের উত্তরে গারো পাহাড়রের কাছে যেখানে ছড়া বেয়ে পাহারের পানি নেমে আসে সেখানে এই রত্ন পাথর কুড়াতে যাই । পাথর তো পাই নাই বরং ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীদের দেখে কোন মতে জীবন নিয়ে পালাই । বড় হয়ে জানলাম রত্ন পাথর আসলে কি এবং কেমন , আর কার কি কাজে লাগে ।

প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভ কামনা রইল

১৬| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১২:৫৭

মানবী বলেছেন: রত্ন সম্পর্কে অসাধারন তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট!

"কিন্তু গ্রহশান্তির নামে নীলা-পোখরাজ মানুষকে পরিয়ে দেয়া বা তার মাথায় বাড়ি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়া সেটা মেনে নেয়া যায়না । ভয় দেখিয়ে, রত্ন কিনতে মানুষকে বাধ্য করার বিষয়টি অবশ্যই প্রতিবাদের যোগ্য । মানুষের শরীরে রত্ন-পাথরের কোনো ভূমিকা নেই। রত্ন-পাথরের কোনো ক্ষমতা নেই। ভালো কিছু করার ক্ষমতাও নেই, খারাপ কিছু করারও ক্ষমতা নেই।"

- সম্পূর্ণ সহমত!
দুঃখজনক যে আজকের একবিংশ শতাব্দীতেও মানুষের মাঝে কি ভীষণ কুসংস্কারের চর্চা!

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan's Tuition) এর শেয়ার করা ছবিটি নিঃসন্দেহে ইন্টারেস্টিং। খোদাইকৃত হরফ দেখে ancient Persiaর হবার সম্ভাবনা বেশি মনে হলো। এই দুটো কয়েন যদি জেনুইন হয়ে থাকে, অতি অতি উচ্চমূল্যের সম্পদ এবিষয়ে নিশ্চিত!
এদের ইমেজ ভালোভাবে গ্রহন করে কয়েন দুটো নিরাপদ কোথাও সংরক্ষণ করে রাখা ভালো! হয়তো কিছুই নয়, শুধুই রেপ্লিকা মাত্র, তারপরও নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বন জরুরী। পরামর্শনুযায়ী ব্রিটিশ ও আমেরিকাম আর্জিওলজি এসোসিয়েশনের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো।




চমৎকার পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:১১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মানবী মনযোগ দিয়ে এত লম্বা পোষ্টটি পাঠের জন্য । রত্ন পাথর যতই মুল্যবান হোক সে গুলি যে শুধুমাত্র কিছু দুষ্প্রাপ্য সুন্দর সুন্দর সুন্দর পাথর তা সকলে মিলে শেয়ার করে আলোচনা করা জন্যই মুলত এই পোষ্ট । তবে যেহেতু এর উৎপাদন ( মুক্তা) , পক্রিয়া করণ ও বিপনণের সাথে দেশের লক্ষ লক্ষ লোক জড়িত এবং এর অগনিত ক্রেতা সংখ্যাও সমাজের সকল স্তরেই আছেন সেহেতু এই শিল্প ও বানিজ্যিক কার্যকলাপ হতে এই বিশ্বায়নের যুগে নৈতিকতার ভিতরে থেকে আমরা কিভাবে সুফল পেতে পারি সে দিকটা সবাই ভেবে দেখতে পারি ।

আপনি ঠিকই বলেছেন শা্ইয়্যানের টিউশন যে ছবি দুটি দেখিয়েছেন তা যদি আসল হয়ে থাকে তবে তা সম্ভবত ১৪০০ বছর আগের সাসানিয়ান রাজত্ব কালেরই হবে । সে জন্য জনাব শাইয়্যানের টিউশন এর উচিত হবে এই মুল্যবান সম্পদ দুটিকে সঠিকভাবে উপযুক্ত আর্কিউলজিস্টের মাধ্যমে যাচাই করে দেখা ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১৭| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১:১৪

ধ্রুবক আলো বলেছেন: আরে ভাই, অতটা ক্লান্ত হই নাই ;)
ঠান্ডা সরবতের জন্য ধন্যবাদ।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুশী হলাম তেমন ক্লান্ত না হওয়ার কথা শুনে ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

১৮| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


এগুলোর সবকিছুই মানিলন্ডারিং'এর কাজে লাগছে।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ঠিকই বলেছেন,সে জন্যইতো
মাদক ও রত্ন ব্যাবসায়ীদের জন্য সুন্দর সুন্দর
নজরকাড়া ক্যাসিনু গড়ে উঠেছে জনমানব শুন্য
মায়ানমার সীমান্তে গোল্ডেন ট্রায়াংগেলে-

Casino in Myanmar side


“Laos Vegas” casino in Laos side


তবে থাইল্যান্ডে গেমলিং নিষিদ্ধ থাকায় গোল্ডেন ট্রায়াংগেলের থাই অংশে গড়ে উঠেছে বৌদ্ধ মুর্তী ভবন , তার পরেও থাইরা মেকং নদী পাড়ী দিয়ে লাউস মায়ানমার অঞ্চলে থাকা ক্যাসিনোতো যায় , কারা কেন যায় সেতো বুঝাই যায় !!!
Buddha on the Thailand side

১৯| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১:৩৫

নতুন বলেছেন: পাথরে উপকার হয় শুধু যে বিক্রি করে তার... এটা পুরাই ধান্দাবাজি

কিন্তু আপনার পোস্ট একটা রত্ন :) অনেক তথ্য আছে এটা একত্রে পাওয়া কস্টকর... +++

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সঠিক কথা বলেছেন ভাই শুনে খুব খুশী হলাম ।
কিন্তু কথা হল অআভিজাত্য রক্ষনে ও বিয়ে
পার্বনে বর বধুর জন্য এটা যে চাই চাই
তার কি হবে !!!!!

পোষ্টকে রত্ন অনুভুত হওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

২০| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১:৪৫

নাইম রাজ বলেছেন: পোস্ট সযতনে আপাতত বন্দি করলাম পরে বিস্তারিত জানাবো ।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ খুবই খুশী হলাম শুনে ।
শুভেচ্ছা রইল

২১| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ২:৫১

মহেড়া বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন, অনেক মূল্যবান লিখা বটে। পুরোটি পড়েছি। অনেক কিছু জানলাম। কৃতজ্ঞতা।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ কষ্ট করে পুরোটা পড়েছেন শুনে খুবই খুশী হয়েছি ।
ভয় ছিল এত বড় লেখা পুরাটা পাঠকে পড়ে কিনা কে জানে ।
এখন আশ্বস্ত হলাম কথা শুনে, কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

২২| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:০৫

কল্পদ্রুম বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার পোস্ট পড়লাম।ভালো আছেন নিশ্চয়ই?এত রত্নের সমাহারে চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার মত অবস্থা।ক্যান্সার ভালো হ্য় কিনা জানিনা।আমার ব্যক্তিগত পছন্দ নীলকান্তমণি(blue sapphire)।নীল রঙটাই এখানে মুখ্য কারণ।রেড ডায়মন্ড বিষয়ে পড়তে গিয়ে মনে পড়লো ডিক্যাপ্রিও এর ব্লাড ডায়মন্ড চলচ্চিত্রের কথা।

০২ রা মে, ২০১৭ ভোর ৪:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: খুশী হলাম আপনি এসে দেখায় ।
ভাল আছি, আপনিও আশা করি ভাল আছেন ।
আপনার পছন্দের বেশ দামী রত্ন পাথর নীলকান্তমনি
দেখেতো আমারো চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ার অবস্থা !!

দি স্টার অব আদম নামের বিশ্বের সবচেয়ে বড় নীলকান্তমণি বা নীলা পাথরটি পাওয়া গেছে শ্রীলঙ্কায়।
১৪০৪.৪৯ ক্যারেটের তারকা চিহ্নিত এই নীলাটির বাজারমূল্য নাকি ১৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

ভাল সংবাদ দিয়েছেন ব্লাড ডায়মন্ড চলচ্চিত্রটা দেখতে হবে ।

শুভেচ্ছা রইল

২৩| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:২৫

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: দুর্গাপুর পাহাড়ে রত্ন খোঁজার গল্পটা শুনেও ভালো লাগলো ভাই।
সুন্দর প্রতিউত্তর পেয়ে মুগ্ধতা জানিয়ে গেলাম।

শুভকামনা রইল।

০২ রা মে, ২০১৭ ভোর ৪:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ নয়ন ভাই
আপনার মুগ্ধতায় প্রিত হলাম
শুভেচ্ছা রইল ।

২৪| ০২ রা মে, ২০১৭ ভোর ৫:২৬

রোকসানা লেইস বলেছেন: এত্ত রত্ন দেখে দু চারটা তুলে নিতে ইচ্ছা করছে। তবে প্রথম ছবির ঝুল ঝাপ্পরগুলো কখনো পরব না। দু একটা হীরা জহরত দেয়া যায় নাকি? ;)
কোহিনূরের সাথে দেখা হয়েছিল। ভাবছিলাম সেটা লিখব। আপনি তো লিখে দিলেন কষ্ট কমে গেলাে।
এখন মনি মানিক্য রত্ন গহনা তৈরি ছাড়াও ঘরে ব্যবহার যে ভাবে হচ্ছে পৃথিবীটাকে কেটে কুটে একদম একাকার করে দেয়া হচ্ছে।তলানী ফকফকা হয়ে গেলে আমরা উপর থেকে গড়িয়ে নিচে পরব কিনা বলেন।

এত্ত রত্ন দেখে দু চারটা তুলে নিতে ইচ্ছা করছে। তবে প্রথম ছবির ঝুল ঝাপ্পরগুলো কখনো পরব না। দু একটা হীরা জহরত দেয়া যায় নাকি? ;)
কোহিনূরের সাথে দেখা হয়েছিল। ভাবছিলাম সেটা লিখব। আপনি তো লিখে দিলেন কষ্ট কমে গেলাে।
এখন মনি মানিক্য রত্ন গহনা তৈরি ছাড়াও ঘরে ব্যবহার যে ভাবে হচ্ছে পৃথিবীটাকে কেটে কুটে একদম একাকার করে দেয়া হচ্ছে।তলানী ফকফকা হয়ে গেলে আমরা উপর থেকে গড়িয়ে নিচে পরব কিনা বলেন।


ভালো লাগল রত্ন ভাণ্ডার লেখা




ভালো লাগল রত্ন ভাণ্ডার লেখা



০২ রা মে, ২০১৭ ভোর ৬:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
হায় হায় বলে কি ঝুল ঝাপ্পরগুলি না পড়লে ঐ গুলির কি গতি হবে !!!!,
তবে এখন না পড়লেও তেমন ক্ষতি নাই , সে গুলিতো পড়েছিলেন প্রথম দিবসে
সে দিনতো পার হয়ে গেছে অনেক আগেই :)

যত পারেন নিয়ে যান মনি মানিক্য হীরা খুশীমনে ,কোনটা পছন্দ জানান দিলে
দিয়ে দিতাম এখানেই ।

কোহিনুর নিয়ে অল্পই লিখেছি , একে নিয়ে লিখা যায় মহা কাব্য । তাই একে নিয়ে লিখেন আপনি । শুনেছি আওরঙ্গজে্ব শাহজাহানকে অযোগ্যতার জন্য বন্দি করে কয়েদখানায় তাকে দিয়েছিল তার সাধের ময়ুর সিংহাসনে স্থাপিত কোহিনুরটি তুলে । তাঁর হাতে দিয়ে বলেছিল কোহিনুরের আলোর প্রতিসরনে কয়েদ খানার জানালার ফোকর দিয়ে তার প্রিয় তাজমহল দেখে নিতে !!!

খনি হতে মনি মানিক্য তুলে নিলে ভয় নাই যদি থাকেন অপাল মাইনের কাছে,
কানাডার কোন অংশে আছেন জানা নাই , তবে ভয় নাই যদি থাকেন কানাডার
একমাত্র অপ্যাল মাইনিং এলাকার কাছাকাছি যা west of Vernon BC থেকে
মাত্র ২৫ কিলোমিটার দুরে । কারণ অস্ট্রেলিয়ায় দেখা গেছে অপাল মাইনিং এর
পরে সেখানে ভুগর্ভে তৈরী হয়েছে সুন্দর বাড়ীঘর যা দেখায় নিন্মের মতন করে


কানাডায় খনি হতে অপ্যাল মাইনিং করে পরে কি ভাবে সুন্দর রত্ন তৈরী করে তা দেখতে পাবেন
নিন্মর ওয়েব লিংকে। সেখানে গেলে পাবেন একটি ভিডিও, যথাস্থানে ক্লিক করে দেখতে পাবেন --
https://www.opalscanada.com/

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৫| ০২ রা মে, ২০১৭ ভোর ৫:২৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: লেখাটা দুবার হলো কেন বুঝলাম না। আর ছবিটা গতকালই তুলেছি।

০২ রা মে, ২০১৭ ভোর ৬:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ছবিটা খুব সুন্দর হয়েছে । মন্তব্যের ঘরে লিখে কোন কারনে লিখাটির একদম উপরে বাদিকে স্টারটিং পয়েন্টে এন্টার কি তে চাপ পড়লে লেখাটি কপি হয়ে নীচে ডাবল হয়ে যায় , একটু খেয়াল না করলে বুঝা যায়না , দ্বিতীয়বার আসা লেখাটি মুছে না দিয়ে লিখা পোষ্ট করে দিলে করার কিছু থাকেনা , ডাবল লেখা এসে যায় , যাহোক আমি বুঝতে পেরেছি, কোন অসুবিধা নাই ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

২৬| ০২ রা মে, ২০১৭ সকাল ১০:০০

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: সময় করে পড়লাম। জানলাম অনেক কিছু। কষ্টসাধ্য পোষ্ট স্বীকার করতেই হবে।
কি আর দিব ভাইয়া তাই শুধু ধন্যবাদই দিলাম। আর অনেক শুভ কামনা রইল।

০২ রা মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনার ধন্যবাদ ও শুভকামনাই অনেক পাওয়া ।
অনেক কিছু জানতে পেরেছেন জেনে খুশী হলাম ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৭| ০২ রা মে, ২০১৭ সকাল ১০:১১

পান্হপাদপ বলেছেন: এত সুন্দর লেখা।অসাধারন।

০২ রা মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: লেখাটি অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৮| ০২ রা মে, ২০১৭ সকাল ১১:১৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: সর্বনাইশা পোস্ট ওরে বাপসসসসসসসসসসসসসসসসসস

আমার সবগুলো আংটি চাই

এখন দেন-দিতে হবে কিন্তু

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৮:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খাইছে রে আপুমনি,
পোষ্টটাকে একেবারে সর্বনাশা বানাই ফালাইলেন :)
সবগুলি আংটি দিয়া দেয়া হল


শুভেচ্ছা রইল

২৯| ০২ রা মে, ২০১৭ সকাল ১১:৪০

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:
আপনাকে এবং মানবীকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৮:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ

৩০| ০২ রা মে, ২০১৭ সকাল ১১:৫৫

শাইয়্যানের টিউশন (Shaiyan\'s Tuition) বলেছেন:



আর, আকবরের আমলের মোহর বা সিল মনে হওয়ার কারণ হচ্ছে, এই ছবিগুলো। আকবরের আমলে এই মোহরগুলো প্রচলিত ছিলো।

মোহর নিয়ে অনেক ইন্টারেস্টিং কাহিনী আছে ভারতবর্ষে। এ নিয়ে কোন কাহিনী এখন পর্যন্ত চোখে পড়েনি সামুতে। তাই, আপনার কাছ থেকে প্রাপ্য থাকলো লেখাটি।


০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৮:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ, প্রাচীন সংগ্রহ নিয়ে আমার আগ্রহ খুব কম। বিষয়টি বুঝিও কম।
মনে হচ্ছে এ বিষয়ে আপনি পোষ্ট দিলে আমরা অনেক কিছু জানতে পারব।

শুভেচ্ছা রইল



৩১| ০২ রা মে, ২০১৭ দুপুর ১২:৩৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: রত্ন উইকিপিডিয়া!!!!

অসাধারন লাগল!

++++++++++++++

অট: আপনাকে উৎসর্গিত কবিতাখানা আপনার অভাবে ইয়াতিম হয়ে আছে ;) দেখেন নি বোধ হয়!!!!!

০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ১:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোষ্টটিকে অসাধারণ ও রত্ন উইকিপিডিয়া হিসাবে অনুভুত হওয়ায় ।
দেখে এসেছি কবিতাটি , উৎসর্গের জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৩২| ০২ রা মে, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৬

আরিফ শাহরিয়ার জয় বলেছেন: এমন পোষ্ট পাওয়া আমাদের ভাগ্যের ব্যাপার।

আপনার মঙ্গল কামনা করি।

০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ১:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানবেন , প্রচুর পরিমানে অনুপ্রেরণা পেলাম ।
শুভ কামনা রইল ।

৩৩| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ৯:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বরাবরের মতই একটি ব্লক ব্লাস্টার পোস্ট। প্রিয়তে রইল।

০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ১:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় লিটন ভাই
কস্ট করে এই বড় আকারের পোষ্টটি দেখেছেন বলে ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
নিরন্তন ভাল থাকুন এ কামনাই রইল ।

৩৪| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১১:২৭

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:
ভাই অসাধারণ ও কষ্টসাধ্য পোষ্ট বটে ! রত্ন পাথরের সমন্ধে অনেক কিছু জানা হল ! আমিও হাতে শিবালনী গোমেদ ও রক্ত প্রবাল পাথর ব্যবহার করি ! রত্ন পাথরের গুনাগুন আছে কিনা সঠিক জানি না ,তবে হাতের সৌন্দয হিসাবে ব্যবহার করি ।

০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ২:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মাশাল্লা মুল্যবান দুটি রত্ন পাথর পরিধান করে আছেন ।
যদিউ পাথরে আমার বিশ্বাস নাই তবু জ্যোতিষ বাবুরা এ দুটি পাথরের উপকারীতার বিষয়ে যা বলে থাকেন তা হল নিন্মরূপ , বলাতো যায়না যদি কাজে লাইগ্যা যায় তাহলে সৌন্দর্যের সাথে আপনি খুবই ভাগ্যমান হবেন :)

শিবালনী ( শিলনী) গোমেদ

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে শিলনী গোমেদ পাথরের উপকারিতা সমূহ নিন্ম রুপঃ
এই গোমেদ পাথর রাহু নামক গ্রহের খারাপ প্রভাবের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং যে কোন নেগেটিভ মানুষিক চিন্তা এবং খারাপ শক্তি থেকে থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করতে পারে।
যে সকল মানুষের পায়ে পায়ে সমস্যা, একটার পর একটা সমস্যা লেগেই থাকে অথবা কোন কাজে হাত দিলেই সমস্যা এসে হাজির হয়, তাদের জন্য উপকারী রাশি রত্ন পাথর হচ্ছে এই গোমেদ পাথর।
এই পাথর ব্যবহারে মানুষের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা এবং মানুষিক সমস্যায় উপকার পাওয়া যেতে পারে।
এই পাথর ব্যবহারে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়, লক্ষ্য অর্জনে পরিষ্কার দিকনির্দেশনা পাওয়া যায়, বিশেষ করে যে সকল শিক্ষার্থী বা চাকুরীজীবীরা গবেষণা মূলক কাজের সাথে জড়িত তাদের জন্য গোমেদ পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।
গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন পেশায় উন্নতি এবং সামাজিক ও আর্থিক দিকে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
এটা ব্যবহারে মৃগী রোগ, অ্যালার্জি, চোখের সংক্রামক, সাইনাস, পাইলস ও বুক ধরফরানো রোগে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
কিছু কিছু সময় এটা ক্যান্সার, রক্ত রোগ, ফোঁড়া, কুষ্ঠ, অন্ত্রের সমস্যা, অবসাদ ও উচ্চ রক্ত চাপের সমস্যায় উপকার করতে পারে।
এই গোমেদ পাথর ধারনে এর ব্যবহারকারী ৫টি প্রধান উপকার পেতে পারেন, যেমনঃ ধ্যান করা, আর্থিক উন্নতি, ধর্মীয় বিশ্বাস বৃদ্ধি, যৌন শক্তি বৃদ্ধি এবং মানুষিক শান্তি।
পারিবারিক জীবনে সুখ বৃদ্ধি জন্য স্বামী স্ত্রী দুজনেই গোমেদ পাথর ব্যবহার করে দেখতে পারেন। গোমেদ পাথর ধারনে ভালোবাসা, মিল এবং শান্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।
এই গোমেদ পাথর ব্যবহারে যে কোন কালো জাদু থেকে মুক্ত থাকা যেতে পারে, ফলে শত্রু থেকে আগিয়ে থাকা যায় এবং প্রতিযোগটায় সফলা পাওয়া যেতে পারে।
যে সকল মানুষ অনেকের মাঝে বক্তব্য দিয়ে থাকে তাদের মধ্যে শক্তির জোগাড় করতে পারে।
যে সকল মানুষ কম্পিউটার সম্পর্কিত চাকুরী, সরকারী চাকুরী, আইন পেশায় জড়িত এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাথে জড়িত তাদের জন্য বিশেষ উপকারী হতে পারে এই গোমেদ পাথর।

রক্ত প্রবাল

প্রথমত রক্ত প্রবাল পাথর শত্রুতার মাঝে জয় পেতে সাহায্য করে থাকে। যে কোন বাধা থেকে পরিত্রাণ, শত্রুকে পরাজিত করে জয় পেতে সাহায্য করে।
যাদের বিয়েতে সমস্যা বা নানান বাঁধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের জন্য রক্ত প্রবাল পাথর ব্যবহার উপকারী হতে পারে।
সম্পদ লাভ বা সম্পদ বৃদ্ধিতে মঙ্গল গ্রহের প্রভাব থেকে থাকে বলে রক্ত প্রবাল পাথর এ সংক্রান্ত কাজে উপকারী।
অলসতা দূর করে কাজে সঠিক ভাবে মননিবেশ করে কাজ কে সফল ভাবে শেষ করার জন্য রক্ত প্রবাল পাথর শক্তি যোগায়।
রত্ন পাথর রক্ত প্রবাল পাথর রক্তকে পরিশুদ্ধ করে। ফলে হৃদপিণ্ড ভালো থাকে।
মঙ্গল গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারনে খিটমিটে মেজাজ, অতিরিক্ত রাগ, অধৈর্য, কাজে কর্মে অস্থিরতা হয়ে থাকে। তাই এ বিষয় গুলোতে ভালো ফল পাওয়া যায়।
যাদের আর্থিক কাজে বাধা থাকে, আর্থিক লেনদেনে সমস্যা হয়, আয়ের সাথে ব্যয়ের সামঞ্জস্য থাকেনা তাদের জন্য রাশি রত্ন পাথর রক্ত প্রবাল পাথর ব্যবহার উপকারী।
রক্ত প্রবাল পাথর শয়তানি দৃষ্টি এবং কালো জাদু থেকে মুক্ত রাখে।
যে সকল মানুষ ঋণের জালে আটকা পরেছে, বা যারা ঋণের বোঝা বহন করছে তাদের জন্য মঙ্গলের ভালো প্রভাবের জন্য রত্ন পাথর রক্ত প্রবাল পাথর ব্যবহার গুরুত্ব পূর্ণ।
রক্ত প্রবাল পাথর পরিবারের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে সাহায্য করে। সন্তানের মঙ্গল অথবা সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য রক্ত প্রবাল পাথর ব্যবহার করা উপকারী।
প্রবাল ব্যবহারে সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব, সৌন্দর্য ও ঐক্য বৃদ্ধি পায়।
প্রবাল পাথরের আংটি হিট স্ট্রোক থেকে বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
প্রবাল দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি করে।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩৫| ০২ রা মে, ২০১৭ রাত ১১:৪৫

সোহানী বলেছেন: ও মাই গড!!!!!!!! এসব কি............ এত্তো সুন্দর!!!!!!!!! টিউলিপ না হয় কিনলাম বাট এগুলাের টাকা পাবো কই?????

যাক্ শেষ পর্যন্ত আসলেন আপনার রত্ন ভান্ডার নিয়ে!!!!!!!!!!!

যাইহোক সোনা দানা হীরা জহরত থাকবে ক্লিউপেট্রা কিংবা ডায়নার মাথায় অথবা থাকবে ৮০ বছরের কোটিপতি বৃদ্ধের ষোড়শী সুন্দরী স্ত্রীর গলায়..... আমার মতো আদার ব্যাপারীর জাহাজের খোঁজ নিয়ে লাভ কি???

তবে কানাডার মতো জায়গায় যখন এসব রত্ন পাথরে ভাগ্য বদলানোর এড দেখি তখন নিজেই হাসি নিজের মনে। এখনো মানুষ শিক্ষিত হলো না...

রয়েল ওন্টারিও মিউজিয়ামের চোখ ঝলসানো পাথর ও তার উৎস দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছিলাম। তখন বুঝেছিলাম কেন রত্ন নিয়ে এতো মারামারি চলে...
.

০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।
বিশেষ ধন্যবাদ জুনাপুর পোষ্টে একটি মন্তব্যের ঘরে জেমস নিয়ে
আমি কাজ করছি বলে আপনার অনুমানটির জন্য,
সত্যিই আপনার বুঝার অপুর্ব এক ক্ষমতা আছে ।
আমি নিশ্চিত টিউলিপের মত অাপনার সংগ্রহে যে পরিমান
জেমস আছে তাতে এক মিউজিয়াম হবে অনায়াসে :)

ঠিকই বলেছেন জেমস নিয়ে কানাডার মত উন্নত দেশে জ্যোতিষ বাবুদের বিজ্ঞাপন দেখে অবাক লাগে , তবে এটা শুধু কানাডায় নয় তাবত ধনী দেশেই দেখা যায় যেখানে বাংলা পত্রিকা আছে সেখানেই এরকম চলে , এর ক্রেতাও কিন্তু কম নয় ।

এই মন্তব্যের ঘরে রয়েল ওন্টারিও মিউজিয়ামের চোখ ঝলসানো পাথরের ছবি দেয়ায় আমার এ পোষ্টটি অনেক সমৃদ্ধ হয়েছে
সে জন্য কৃতজ্ঞতা র্‌ইল ।

রয়েল ওন্টারিও মিউজিয়ামের জেমস গ্যাল্‌রীতে প্রায় ৩০০০ এর মত দুস্প্রাপ্য ও মুল্যবান জেমস আছে,
সেখানে The Light of the Desert at 900 carats, the largest faceted cerussite gem in the world রয়েছে,
দেখলে সত্যিই চোখ ধাঁধিয়ে যায়


অনুরোধ থ্ওকল ওন্টারিও মিউজিয়ামে অনেক সুন্দর সুন্দর এক্সিবিশন হয় , সেগুলি নিয়ে পোষ্ট দিলে আমরা অনেক কিছু দেখতে ও জানতে পারতাম ।
অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৬| ০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ৩:৫৫

সোহানী বলেছেন: হাহাহাহাহা..."সত্যিই আপনার বুঝার অপুর্ব এক ক্ষমতা আছে"............ আলীভা।ই কি খাবেন বলেন, ঠান্ডা না গরম!!!

আমি নিশ্চিত টিউলিপের মত অাপনার সংগ্রহে যে পরিমান জেমস আছে তাতে এক মিউজিয়াম হবে অনায়াসে ............... :-B :-B :-B :-B .............. হায় আল্লা আলী ভাই আপনি দেখি নিজেই পাথর ছাড়া জ্যোতিষ হয়ে গেছেন।

সোনা দানা হীরা জহরত থাকবে ক্লিউপেট্রা কিংবা ডায়নার মাথায় অথবা থাকবে ৮০ বছরের কোটিপতি বৃদ্ধের ষোড়শী সুন্দরী স্ত্রীর গলায়........ আমি এর কোনটার মধ্যেই পড়ি না ভাইজান।

নেন রোমের জেমস্ এর ছবি...

০৩ রা মে, ২০১৭ ভোর ৪:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসাধারন ছবি , দেখে মুগ্ধ ।
এবার কানাডায় গেলে এই মিউজিয়ামের জেমস গেলারী দেখতে ভুল হবেনা ।
যত কথাই বলেন, জ্যোতিষী গননায় বলে আপনার সংগ্রহে
মুল্যবান জেমস সমাহার আছেই , ভয় নাই ডাকাতে ধরবেনা ,
সব সামুতে ডেলে দেন :) ডাতাত এলে বলবেন সব সামুতে
সেভ করে রেখেছি, পারলে সেখানে যাও !!!!

৩৭| ০৩ রা মে, ২০১৭ সকাল ১০:২৮

জুন বলেছেন: পুর্ন শ্রদ্ধা রেখে বলছি ড: এম আলী এমন কাজ শুধু আপনার দ্বারাই সম্ভব । এসব রত্ন নিয়ে আমিও কিছুটা পড়াশোনা করেছি তবে লিখতে গেলে এত ব্যাপক লিখতে পারবো না । পোষ্টটি মনে হলো আপনার মাথার মুকুটে আরেকটি নতুন রত্ন সংযোজন করেছে । অসামান্য পোষ্টে অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো ।
স্বর্নের গহনার চেয়ে রত্ন খচিত গহনাই ( জড়োয়া ) আমার কাছে এক সময় বেশী ভালোলাগতো ।
আপনার উল্লেখিত মগক রুবির দুটি আঙ্গটি আমার সংগ্রহে আছে । আর এসব কেনা হয়েছে মায়ানমার সফরে গিয়েই । এখন এসবের প্রতি আর আগ্রহ না থাকায় দেখতেও আর উৎসাহ পাই না ।
মগক রুবি নিয়ে আমার লেখা কবিতাটি আপনাকে উৎসর্গ করলাম ডঃ এম আলী ।
পদ্মরাগমনি
উল্লেখ্য পোষ্টের ছবির আঙ্গটির মালকিন আমি নই :)
+

০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ১২:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় জুনাপু, এত ব্যস্ত সময়ের মাঝেও এই মোটামোটি বড় আকারের পোষ্টটি মনযোগ দিয়ে দেখার জন্য ।
অাপনার চিয়াংমাই ভ্রমনের পোষ্টের জুয়েলারী শপের ছবি দেখে আমার এই রত্ন পাথর নিয়ে লেখার ধারণাটি প্রথমে মাথায় ঢুকে ।তার পরে এ নিয়ে আপনার সাথে মন্তব্য ও ছবি বিনিময় কালে ধারনাটি আরো পাকা পোক্ত হয় । সে জন্যে কৃতজ্ঞতা জানাই প্রথমেই ।

ভয়ে ভয়ে ছিলাম পোষ্ট টি বিতর্কিত হয়ে যায় কিনা সে কথা ভেবে । কারণ রত্ন পাথরের ভাগ্য লিপি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক কথাই আছে এতে, আমি জানি আমাদের সুধি সমাজের অনেকেই রত্ন পাথর ব্যবহার করেন তাদের জ্যোতিষী ভাগ্য লিপিতে বিশ্বাস করেই । যাহোক সে ভয় এখনো আছে ।

স্বর্নের গহনার চেয়ে রত্ন খচিত গহনাই ( জড়োয়া ) যে আপনার মত শিল্প সচেতন মানুষের কাছে বেশি ভাল লাগবে সেটাইতো স্বাভাবিক। তদুপরি মুল্যমানে স্বর্ণের চেয়ে রত্ন পাথরের দামই অনেক বেশী, কোন কোন রত্ন পাথরের দাম মিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে :)

পদ্মরাগমনি কবিতাটি আমার নামে উৎসর্গ করায় আমি একাধারে মুগ্ধ ও কৃতজ্ঞ। কবিতাটি দেখে এসেছি ও সেখানে আমার কিছু কথা বলা এসেছি । এই কবিতাটি আগে দেখা হলে রত্ন পাথর নিয়ে আপনাকেই একটি জম্পেস পোষ্ট দেয়ার জন্য অনুরোধ করতাম সবার আগে , এত সুন্দর করে এ রত্ন সম্ভারের বিবরণ দেয়া আমার সাধ্যের একেবারে বাইরে । যাহোক ,হলফ করে বলতে পারি আপনার পদ্মরাগমনি নিয়ে লেখা কবিতাটি বেঁচে থাকবে যুগ য়ুগ ধরে। পদ্মরাগমনির সাথে কবিতায় স্বাসত বাংগালি পরিবাবের চিরায়ত প্রথা যথা বিদেশ হতে ফেরার কালে উপহার সামগ্রী এনে পরিবারের সকলকে দেয়ার পরে একান্ত সংগোপনে তাঁর প্রিয় উপহারটুকু জীবন সংগিনীর হাতে তুলে দেয়ার কাব্যিক বিবরণ এর জন্য কবিতাটি বেঁচে থাকবে অনেক দিন ধরে ।

আমার পোষ্টের লেখাটির শেষ অংশে নীচে দেয়া বোল্ড করা লেখাটুকুর দিকে একটু বিশেষ নজর দেয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ থাকল ।
ব্যাংককের GIA হতেও জেমিলজির উপরে গ্রাজুয়েট কোর্স পরিচালনা করা হয় । ভারতের মোম্বাই , নিউইয়র্ক ও লন্ডনেওGIA এর শাখা কেম্পাস আছে । শুধুমাত্র নিউ ইয়র্ক ছাড়া অন্য সকল কেম্পাসেই বিদেশী ছাত্রদের জন্য স্কলারশীপেরও ব্যবস্থা আছে । এখানে CLICK করে বিস্তারিত জানা যেতে পারে । আগ্রহী কেও যদি এটা না দেখেন তা হলে স্কলারশীপের সুযোগ মিস হয়ে যেতে পারে, ২০১৭/১৮ সেসনের জন্য স্কলারশীপের আবেদনের সময় হলো আগস্ট হতে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ।
আমি জানি আমাদের দেশের তরুন তরুনীরা খুবই মেধাবী , তাদের কেও আগ্রহী হলে এই GIA স্কলারশীপ ধরতে পারে অনায়াসে । সম্ভব হলে আরো একটু বিস্তারিত কিছু জানতে পারলে আপনার কোন পোষ্টে তা উল্লেক করলে জানতে পারত আরো বহু লোকে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।


৩৮| ০৩ রা মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:১৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন:
প্রতিউত্তরের জন্য ধন্যবাদ ভাই !

শিলনী গোমেদ ও রক্ত প্রবাল সম্পকে অনেক অজানা তথ্য জানা হল । যদিও এই পাথর দুটি আমি হাতে ব্যবহার করি কিন্তু এর উপকারিতা জানা ছিল না ।আর আপনার মত এ সকল বিশ্বাসও করি না । শুধুমাত্র হাতে সৌন্দয্য.. ।তবে এসব ব্যবহারে ধনী হওয়া, রোগমুক্তি, ভাগ্য বদলানোর যে গল্প প্রচলিত সেগুলো শুধুই রূপকথা হতে পারে। যদি এমন হতে তবে সাবাই নিউটন, রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন, নীলস বোর, বিল গেটস কিংবা স্টিভ জবসের মত হতে আংটি বা পাথর ব্যবহারে করে ভাগ্য বদল করে নিত।। B-) =p~

ধন্যবাদ ভাই ।
ভালো থাকুন সবসময় .....

০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ১২:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অনেক ধন্যবাদ প্রিয় কবির ভাই ।
আপনি সঠিক কথাটিই বলেছেন , রত্ন পাথরে যতি ভাগ্য বদল হতো
তবে সাবাই নিউটন, রবীন্দ্রনাথ, আইনস্টাইন, নীলস বোর, বিল গেটস
কিংবা স্টিভ জবসের মত হয়ে যেত আংটি বা রত্ন পাথর ব্যবহারে করে ।।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৯| ০৩ রা মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৩

সালমান মাহফুজ বলেছেন: এত তথ্য জোগাড় করা নিশ্চয়ই এই নেটের যুগেও শ্রমসাধ্য ও ধৈর্যের ব্যাপার ! আর তথ্যগুলো আমাদের হাতে একত্রিত করে পৌঁছে দেবার জন্য অবশ্যই আপনাকে সাধুবাদ ।

এমন রত্মফলানো পোস্ট ! অবশ্যই প্রিয়তে ।

০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ১২:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ প্রসংসায় অনুপ্রানিত হলাম ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল

৪০| ০৩ রা মে, ২০১৭ রাত ৮:০২

কাছের-মানুষ বলেছেন: আমার রত্ন নিয়ে খুব বেশী জানা ছিল না এবং রত্ন যে এত প্রকার হতে পারে তার সম্পর্কেও বেশী কিছু জানতাম না ।
পোষ্ট পড়ে প্রথমে ভেবেছিলাম রঙ অনুসারে বুঝি নামে ভিন্নতা হয় কিন্তু পোখরাজ বা Sapphire দেখলাম বিভিন্ন বর্নের হয় [খড়-হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে, তবে তারা বিভিন্ন বর্ণেরও হতে পারে যেমন সবুজ, নীল, গোলাপী, ধূসর বা সাদা। ভেবেছিলাম ] । আশ্চর্য হলাম একই উপাদান দিয়ে তৈরি পাথরের ভিন্ন নাম দেখে যেমন নীলা Blue Sapphire এবং রুবি( Ruby)/ চুনি । [অ্যালুমিনিয়াম এবং অক্সিজেন দিয়ে গঠিত ! ]

নামের ভিন্নতাকি প্রতিসারন উপর কি নির্ভর করে হয় !!!

আমি সবসময় অভাক হই এই ভেবে পাথরের এত মূল্য হতে পারে ! একমাত্র হিরা দ্বারা কাচ কাটা যায় ছাড়া বাকিগুলোর সৌন্দর্যবর্দন ছারাও আর কোন কাজ দেখছি না !!!

হিরা নিয়ে এই তথ্যটা ভাল লাগল প্রাচীন গ্রীক এবং রোমানদের তারা বিশ্বাস করে যে হিরা হল নক্ষত্র থেকে পতিত ভগবানের ছায়া এবং স্ফোলিঙ্গ । সত্যি কথা হচ্ছে শুধু হিরা নয় সব পাথরই নক্ষত্র থেকে এসেছে একসময় । কারন নক্ষত্র হাইড্রোজেন পুরিয়ে হিলিয়াম , এবং শেষে হিলিয়াম পুরে ভারি উপাদান অক্সিজেন এবং কার্বন তৈরি করে, পরিবর্তিতে সুপারনোভা আকারে বিস্ফোরিত হয়ে কোন না কোন নক্ষত্র ধুলিকনা থেকে সৃষ্টি আমাদের এই পৃথিবী সেই হিসেবে সব পাথরই নক্ষত্রের ধুলিকনা !!

চমৎকার তর্থমূলক পোষ্ট । পড়ে সমৃদ্ধ হলাম । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।


০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ৩:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ।
রত্ন পাথরের নামের ভিন্নতা সম্ভবত প্রতিসারনাঙ্কের উপর নির্ভর করেনা , আমার ভুলও হতে পারে ।
যদিও Blue Sapphire ও Ruby এর কেমিকেল প্রপার্টি একই যথা এগুলি comprised of material Aluminum Oxide (AI 2O3).তার পরও নামকরণ কেন ভিন্ন হয় যে আসলেই এক বিরাট বিস্ময় । তবে Blue Sapphire এর প্রাকৃতিক রংগ কিন্তু নীলই বটে, খনি হতে আহরনের সময় ততটা নীল থাকেনা পরে একে তাপ দিয়ে প্রসেস করে নীলের প্রকাশ করা হয় আরো ভাল করে,-

অপর দিকে Ruby একটি red variety of corundum। তবে বলা হয়ে থাকে রাবার হতে নাকি রুবির নাম করন হয়েছে


আবার এও বলা হয়ে থাকে বিশ্বের সেরা দামী রুবিটি যা জেনেভায় ১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রয় হয়েছিল তা নাকি ১৩ শতকের কবি রুমির বিখ্যাত রুবি নামক কবিতা অনুযায়ী রাখা হয়েছিল , ঠিক জানিনা কোনটি সত্য্য ।

আপনার মন্তব্যের শেষ অংশ টুকু আমার পোষ্টকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে সে জন্য কৃতজ্ঞতা রইল ।

শুভেচ্ছা রইল

৪১| ০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ২:২৫

উম্মে সায়মা বলেছেন: রত্ন নিয়ে আপনার গবেষণা দেখে বিস্মিত ড: এম এ আলী ভাই! অসাধারণ...। প্রিয়তে নিলাম। এখন পুরোটা পড়তে পারিনি। পরে সময় করে পড়ব :) পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। শুভ কামনা।

০৪ ঠা মে, ২০১৭ ভোর ৪:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ,
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
অনেক বড় পোস্ট , ঘরেইতো নিয়ে যাচ্ছেন ,
যখন সময় সুযোগ হবে তখন পড়ে নিলেই হবে ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৪২| ০৪ ঠা মে, ২০১৭ দুপুর ১২:১৪

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: ক্ল্যাসিক পোস্ট। অসাধারণ বললেও দশ শতাংশের বেশি বলা হয় না। এই লেখাটির জন্য তথ্য উপাত্ত ও ছবি সংগ্রহের কাজে আপনাকে যে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়েছে, তা' ভেবেই তো আমার গায়ে জ্বর চলে আসছে। এই ধরনের লেখা ব্লগের চেয়ে প্রিন্ট মিডিয়ায় বেশি মানানসই। তারপরেও আপনি আমাদের জন্য ব্লগে পোস্ট দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

০৪ ঠা মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় আশরাফুল ভাই । আপনি ঠিকই ধরেছেন পোস্টটির জন্য আমাকে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়েছে । জেমস যারা ব্যবহার করেন কিংবা এর সাথে যারা পরিচিত আছেন তারা সকলেই এ বিষয়ে অনেক তথ্য জানেন বলেই আমার বিশ্বাস ।
তবে যেহেতু এটা এখন বাংলাদেশে বহুল ভাবে মিশে গিয়েছে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে, সেহেতু নৈতিক ভাবে এর উন্নয়নের দিকটিকে একটু হাই লাইট করার মানসে এই পোষ্টটি দেয়া । শুরুতে মনে করি লিখাটি ছোটই হবে কিন্ত কথার পরে কথা চলে আসায় এটা আকারে বেশ বড় হয়ে যায় , কষ্ট করে লিখাটিকে তখন আর কাটাকাটি করতে ইচ্ছা করেনা , তাছাড়া অল্প কথায় প্রকাশ করার জন্য যে পরিমান প্রাজ্ঞতা ও বিজ্ঞতা থাকা দরকার তার কোনটিই আমার নাই ।

আপনার সুপরামর্শটুকু আমার ভাল লাগল । কিন্ত কি করব ভাই , প্রিন্ট মিডিয়া সে তো অনেক ঝক্কি ঝামেলা , সামুর এই অনলাইনের মত এমন দিল দরিয়া আর কোথায় পাব কে নিবে প্রিন্ট মিডিয়ায় এ অভাবজনের যেমন তেমন একটি লিখা । তাছাড়া অনলাইনের মত পাঠক ফিডব্যাক প্রিন্ট মিডিয়্তে পাব কোথায় , শুধু কিছু বুঝা যায় পাঠক কি পরিমান বই কিনল তা দিয়ে । ইনসটেন্ট পাঠক ফিডব্যকটাও প্রভুত আনন্দ দেয় , বাঁচবই বা আর কতদিন , মরার আগে প্রিয় পাঠককুলের ফিডব্যাকটাওতো কিছুটা দেখে যাওয়া গেল এটাই বা আনন্দ কম কিসের :)

কৃতজ্ঞতা জানানোর জন্য আমার কৃতজ্ঞতাটুকু জানবেন ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৪৩| ০৪ ঠা মে, ২০১৭ দুপুর ১:০৩

সামিয়া বলেছেন: অনেক অনেক তথ্যে ঠাসা পোস্ট।
আপনি এত তথ্য কোন সব স্থান থেকে সংগ্রহ করেন?
ইন্টারনেট? বই? আর কি কি??
আপনি যখন ভাবেন আপনি এই বিষয়টি নিয়ে লিখবেন সেই সময় থেকে শুরু করে পোস্ট টি প্রকাশ করা পর্যন্ত কতদিন সময় নেন?? তথ্য সংগ্রহে কি বাস্তবে আপনার আশেপাশের মানুষ কে কাজে লাগান? এই যেমন স্টুডেন্ট কলিগ বাড়ির লোকজন ইত্যাদি? ধৈর্য আপনার অনেক আছে সেটা সবাই বুঝবে, লেখার ক্ষেত্রে যাদের ধৈর্য নেই তাদের বাড়ানোর উপায় কি ? আমি কোন টপিক নিয়ে পোস্ট লিখলে ১৫ /২০ মিনিটের বেশি টাইম নেই না তাও সরাসরি অনলাইনে ঢুকি লিখি এই টাইপ। খুবই অধৈর্য আমি। ছবি ব্লগ যখন পোস্ট দেই তখন কি যে বিরক্ত লাগে একটু টাইম বেশি লাগে বলে,

আপনার পোস্ট থেকে অনেক কিছু শিখতে পারছি। কৃতজ্ঞতা জানাই, ভালো থাকবেন।

০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ১১:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ বোন সামিয়া, পোষ্টটিকে তথ্যপুর্ণ অনুভুত হওয়ায় খুশি হলাম ।
তথ্যগুলি তো অবশ্যই অন্তরজাল ও বই থেকে সংগৃহগীত । ইনসটিটিউশনাল লগ ইন ফ্যাসিলিটি থাকায় প্রায় অনেক খ্যাতিমান
ই-লাইব্রেরীতে প্রয়োজনে প্রবেশ করতে পারি তাছাড়া গুগল মামুরবাড়ীতো আছেই । আর কি কি সেটাইতো কথা , আমাদের সামুও কিন্ত বিশাল এক লাইব্রেরী , অনেক কিছুই জানা যায় ও পাওয়া যায় এখান হতে, এাই পোষ্টের মুক্তার মালা পরিহিত ছবিটি পেয়েছি শায়মাপুর কাছ হতে , জেমস নিয়ে প্রাথমিক ধারনা পেয়েছি জুনাপুর একটি পোষ্ট হতে , কোহিনুরের ইতিহাস কিছুটা পেয়েছি সামুর সহব্লগারের একটি পোষ্ট হতে ( সুত্রের লিংক দেয়া হয়েছে পোস্টে ব্যবহৃত তথ্যগুলির পাশে), অনেক বিজ্ঞ পাঠকের মন্ত্ব্যব্যগুলি হতেও অনেক তথ্য এমনিতেই হাতে এসে পরে ।

কোন একটি ভাবনা মাথায় ঢুকার পরে তা সামুতে আসতে আমার অনেক সময় নেয় ( যদি সেটা সাম্প্রতিক কোন বিষয়ের উপরে না হয়ে থাকে ) , কয়েক মাসও কেটে যায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও সেগুলির সঠিকতা নির্নয়ের জন্য ক্রস চেকিং এ , অনেক সময় ভিন্ন ভিন্ন সুত্র হতে পাওয়া তথ্যের মধ্যে দেখা যায় আকাশ পাতাল পার্থক্য । যাহোক ভাবনা থেকে পোষ্ট প্রসবে সময় নেয় অনেক । এইতো দেখবেন মন্তব্য একটা রেখে এসেছি আপনার ঘরে, সেখানে দেখতে পাবেন ভাবনার উৎপত্তি , তথ্য সংগ্রহে আশেপাশের মানুষকে কেমন করে অনুরোধ করি । প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য আশেপাশের মানুষ গুরুত্বপুর্ণ উৎস ।বাড়ীর লোকজন তাদের কথা কি আর বলব , চারজনের ছোট সংসার , ছেলে মেয়ে দুটি নীজেদের জগত নিয়েই মহাব্যস্ত , গিন্নী সেও ঘর সংসার তার চাকরী বাকরী নিয়েই আছে , সময় কোথায় তার , বরং লিখার সময় তথ্যের বদলে হাজারটা বায়না নিয়ে মহা ঝামেলা তৈরীতে থাকে ন্যস্ত :) । কলিগ ও ছাত্ররা উৎস বটে,তাদের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা যায়, জানা যায় অনেক তথ্য সে জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ ।

আমার বিবেচনায় একটি লিখা হতে সাময়িক প্রাপ্তির বিষয়টি বাদ দিয়ে লেখার বিষয়বস্ত সংস্লিষ্ট বিশযাবলীকে দীর্ঘ মেয়াদে একটি রেফারেনস মুলক লেখায় পর্যবেসিত করতে চাইলে লেখাটির প্রতি ধৈর্য চলে আসবে এমনিতেই , নীজেই বুঝা যাবে লেখাটিকে প্রয়োজনীয় তথ্যের গাথুনী দিয়ে কতটুকু করতে হবে সমৃদ্ধ ।

তবে আপনার মত মেধাবী যারা তারা হয়ত বা খুব সহজেই ১৫/২০ মিনিটের মধ্যেই একটি আকর্ষনীয় পোস্ট দিয়ে দিতে পারেন অন লাইনেই , এমন মেধাবীদের প্রতি আমার অন্তরের অন্তন্থল হতে শ্রদ্ধা জানাই । আমি কিন্ত একজন অতি স্লো লারনার । তারাতারি লিখাতো দুরে থাক, কোন কোন শব্দ ও লাইন লিখতে গিয়ে তার যতার্থতা নিরোপনে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দেই তার পরেও ভুল যে কত হয় তার নেই কোন সীমা পরিসীমা , তদোপরি বাংলায় স্লো টাইপের সমস্যাতো আছেই । ছবি ব্লগে টাইম বেশী নেয় সেটা মেনে নিতেই হয় । তবে লেখাটিকে সংক্ষিপ্ত করার জন্য ছবিগুলি বেশ উপকারী হয় , ব্যলেন্সটা সেভাবেই আমি করে নেই ।

যাহোক দোয়া করবেন লিখালিখিটা যেন চালিয়ে যেতে পারি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।


৪৪| ০৪ ঠা মে, ২০১৭ দুপুর ২:০৪

কাছের-মানুষ বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রতি উত্তরের জন্য ।

০৬ ই মে, ২০১৭ দুপুর ২:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনার প্রতিউ ধন্যবাদ রইল

৪৫| ০৪ ঠা মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: কিন্ত কি করব ভাই , প্রিন্ট মিডিয়া সে তো অনেক ঝক্কি ঝামেলা , সামুর এই অনলাইনের মত এমন দিল দরিয়া আর কোথায় পাব কে নিবে প্রিন্ট মিডিয়ায় এ অভাবজনের যেমন তেমন একটি লিখা । তাছাড়া অনলাইনের মত পাঠক ফিডব্যাক প্রিন্ট মিডিয়্তে পাব কোথায় ,

আপনার প্রতিমন্তব্যের এই অংশটুকুর ব্যাপারে দুটো কথা বলি। ভালো লেখা পেলে প্রিন্ট মিডিয়ার কর্ণধাররা অবশ্যই তা' ছাপবে। যেমন- এই লেখাটি যে কোন মাসিক বা সাপ্তাহিক পত্রিকায় ( অর্থাৎ সাময়িকীতে ) পাঠালে তারা নিশ্চয় ছাপবে। এমনকি দৈনিক পত্রিকায়ও ছাপা হতে পারে। আমি এই মুহূর্তেই বই আকারে প্রকাশ করতে বলছি না। সেটা একুশের বইমেলার সময় ভেবে দেখতে পারেন।
তবে অনলাইনের মতো পাঠকের ফিডব্যাক প্রিন্ট মিডিয়াতে পাওয়া যায় না, এটা ঠিক। কিন্তু লেখক হিসাবে আপনার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেলে দেখবেন পাঠক নিজে থেকে আগ্রহী হয়ে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের মতামত দেওয়ার চেষ্টা করবে। তারা পত্রিকার অফিস থেকে আপনার ফোন নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ করবে।

ধন্যবাদ ডঃ এম এ আলী।

০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ১১:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ , আপনার সু পরামর্শটুকু মনে রাখব ।
ফিডব্যাকের বিষয়ে আপনার কথামালায় খুবই অনুপ্রানিত হলাম ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৪৬| ০৪ ঠা মে, ২০১৭ রাত ৮:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী ,




আহা মরি মরি... রতনে সাজিয়ে ঝিকমিক করে তোলা একটি পোষ্ট । এমন পোস্ট দেয়া যাকে মানায় , তার মনেও যে পুষ্পরাগ মনির ছড়ানো হরিদ্রাভ বাদামী দ্যুতির আমেজ লেগে আছে সারাক্ষন বলাই বাহুল্য !
প্রচন্ড সমৃদ্ধ পোস্ট , কি তথ্যে , কি বর্ণনায় , কি ছবিতে । বানিজ্যের তলে তলে যে পকেট কাটার মহোৎসব চলে , সে ধুরন্ধরতার বয়ান ও আছে এখানে । ভালো লেগেছে বাংলাদেশের মানিক্য ক্রেতাদের সতর্কীকরণের বিষয়টি সহ এই শিল্পের বিকাশে পোস্টের প্রস্তাবগুলো ।

প্রিয়তে নয়, "ভারতীয় সস্তা পাথরে বাংলাদেশী রত্ন পাথরের মার্কেট সয়লাব " শেষের এই অংশটুকু কপি করে রাখলুম ।
ভালো থাকুন । শুভেচ্ছান্তে ।

০৫ ই মে, ২০১৭ রাত ১:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ধন্যবাদ , কাব্যিক মন্তব্যে আমি মুগ্ধ ।
যা বলতে চেয়েছি অনেক কথায় ইনিয়ে বিনিয়ে,
তা অতি সহজ সরল কাব্যিক ভাষায় প্রকাশ
করে এ পোষ্টের মুল সুরটিকে ফুটিয়ে তুলেছেন
সুন্দর করে । এই ছোট কটি কথা আমার
এ পোষ্ট টিকে নিয়ে গেছে অনেক উচ্চতায়,
শ্রদ্ধাবনত চিত্তে কৃতজ্ঞতা জানাই তব পরে।
যে টুকু কপি করে রাখলেন তাতেই আমি ধন্য ।

শুভেচ্ছা রইল ।


৪৭| ০৫ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:২৪

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: ভাইয়্যারে এতো সব রত্ন পাথর দেখে আমার মাথা হেড হয়ে গেছে। অসাধারণ পোস্ট। সরাসরি প্রিয়তে।

০৫ ই মে, ২০১৭ রাত ১:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট টি অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ
প্রিয়তে নেয়ার জন্য অনুপ্রানীত ও কৃতজ্ঞ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৪৮| ০৫ ই মে, ২০১৭ সকাল ৮:০০

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আপনার পোষ্টে আবার জেগে উঠল ঘুমন্ত ইতিহাস।

০৫ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৪:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , ঘুমন্ত ইতিহাস জাগল কিনা জানিনা ,
তবে আপনার আবার অাগমনে ধন্য হয়েছি ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৪৯| ০৫ ই মে, ২০১৭ সকাল ১১:২৯

সিনবাদ জাহাজি বলেছেন: প্রিয়তে রেখে দিলাম।
:)

সামান্য কিছু ছাড়া এ ব্যাপারে আমার কোনো ধারনাই ছিল না।

অনেক কিছুই জানতে পারলাম। ধন্যবাদ

০৬ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: কিছু জানাতে পেরেছি বলে নীজকে ধন্য মনে করছি
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৫০| ০৬ ই মে, ২০১৭ সকাল ১০:০৮

সামিয়া বলেছেন: আরে ভাইয়া মেধাবীর কিছু নেই, কথায় আছে বোকারা ভুল করে বেশি এবং হেসে খেলে , তাই অমন কম সময়ে লিখে পোস্ট করে ফেলার সাহস করি! তাছাড়া তথ্যবহুল পোস্ট লিখলে এত সহজে কখনোই হত না।
আমি আপনার লেখা পড়েই অনুমান করেছি আসলে এ ধরনের অসাধারণ নিখুত আর্টিকেলের জন্য মাস ভর ভাবতে হয় অনেক ডিসকাশন অনেক বই অনেক ওয়ার্ক।
আপনি হলেন আমার ভার্সিটি লাইফে পাওয়া ওই সকল মহান শিক্ষকদের মতন যারা এত এত জানে তবু জানার পিপাসার শেষ নেই তাদের এবং সেই জ্ঞান সেই বিদ্যা সবাইকে বিলিয়ে দিতে তৎপর সারাক্ষন। সেই সকল শিক্ষকদের কথা শুনতেও শান্তি শান্তি লাগে।
আর সায়মা আপুর ছবি বিদেশি মডেলদের পাশাপাশি বেশ মানিয়ে গিয়েছে। এটাও ঠিক জুন আপুর পোস্ট ও অনেক তথ্যবহুল থাকে। তার দুইটা পোস্ট আমার অনেক ভালোলেগেছে।
সবশেষে শ্রদ্ধা রইলো আপনার প্রতি।।

০৬ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৪:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনার এমন সুন্দর মায়াময়ী মন্তব্যে আমি আপ্লুত ।
আপনার ইউনিভার্সিটির ঐ গুণী শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা রইল ।
আপনি যথার্থই বলেছেন সায়মা আপুর ছবি বিদেশি মডেলদের পাশাপাশি বেশ মানিয়ে গিয়েছে। এটাও ঠিক জুন আপুর পোস্ট ও অনেক তথ্যবহুল থাকে। । তবে আপনার পোষ্ট ও কিন্তু কম তথ্য বহুল থাকেনা , সেখানেও আমি পেয়েছি অনেক অনেক মুল্যবান তথ্য , আপনার পেষ্টের ছবিগুলি অনেক কথাই যায় যে বলে , সেখান হতেও আমি তুলে নিয়েছি মুল্যমান কিছু তথ্য :)

অনেক অনেক শ্রদ্ধাপুর্ণ শুভেচ্ছা রইল ।

৫১| ০৬ ই মে, ২০১৭ দুপুর ১২:৪৬

নীলপরি বলেছেন: আবারো অনবদ্য একটা পোষ্ট । প্রিয়তে রাখলাম । +++++++

Blue Sapphire - টা আমায় দেওয়া যায় কি ?

আপনার অধ্যবসায়ের প্রতি আমার বিনম্র কুর্ণিশ রইলো ।

শুভকামনা ।

০৬ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ ,
প্রিয়তে রাখার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল ।


Blue Sapphire টা অবশ্যই দেয়া যায় :)
তবে মহা মুছিবতে পড়ে গেছি কোনটা যে আপনাকে দেয়া যায় । বাজারে নীলা বা নীল কান্তমনি বা Blue Sapphire নামে যে সমস্ত রত্ন পাথর পাওয়া যায় সে বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হল দেয়ার আগে ।

নীলকান্তনির গুণগতমানএর সঠিকতা বুঝার জন্য নীচের বিষয়গুলি যথা The four "C's" -- color, cut, clarity and carat weight প্রভৃতি বিবেচনায় নিতে হয় বলে জানা যায় ।

The easiest way to understand sapphire is to start with some basic grading distinctions: synthetics, cabochons, diffusion treated stones, heated stones and unheated stones.

Synthetic sapphires are real sapphires (aluminum oxide), but they have been created in a laboratory using a technique such as the Verneuil process (also known as flame fusion). Synthetic sapphires are mainly used in cheap commercial jewellery .These tend to sell for around $25-30 a carat.

Cabochons tend to be the most affordable of the quality natural blue sapphires. they are usually heat treated to improve the color and clarity. High quality blue sapphire cabochons usually sell for around $50 to $500 per carat, depending on size and color.

The least expensive faceted blue sapphires are stones that have been diffusion treated with beryllium to improve the color. these diffused stones on offer at under $500 a carat.
Most of the high quality blue sapphire in the market has been heat-treated to improve the color and clarity. a very good heated blue sapphire in the 1 carat size may sell for $200 to $600 a carat, with very fine stones in the $800 to $1,200 a carat range.

Unheated sapphires with excellent color, cut and clarity are the top of the line. Depending on size, prices can vary from $2,000 to $10,000+ per carat. The record price at auction was slightly over 3 million dollars for a 22.66 carat Kashmir sapphire that was sold by Christie's in New York in 2007. So for the moment it can be said that $135,000 per carat is the top price for blue sapphire.

তাই আপনাকে এই কাশ্মিরী Unheated blue sapphire টিই সানন্দ চিত্তে দেয়া হল নীচে ।


অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫২| ০৬ ই মে, ২০১৭ দুপুর ১:৪৭

ডি মুন বলেছেন: দুর্দান্ত পোস্ট !!!
+++
প্রিয়তে নিয়ে রাখলাম ।

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে এত বিস্তারিত একটা পোস্ট দেয়ার জন্যে।
রত্ন সম্বন্ধে অনেক অজানা তথ্য জেনে সমৃদ্ধ হলাম।

০৬ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃত্জ্ঞ ।
কিছু জানাতে পেরেছি বলে নীজকে ধন্য মনে করছি ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৫৩| ০৭ ই মে, ২০১৭ রাত ২:৫৬

গুলশান কিবরীয়া বলেছেন: ও বাবা !! এতো কিছু !! খুবই সুন্দর পোস্ট । এই পোস্ট আমার ব্লগে সংরক্ষিত করে নিলাম ।

কোহিনুর পাথরটি দেখার সৌভাগ্য আমার হয়েছে । তবে বর্তমান রানী এই কোহিনুর হীরা দিয়ে তৈরি মুকুট পড়েন না, অর্থাৎ রানীর ক্রাঊনে কোহিনুর নেই , তার মা পরতেন ঐ কোহিনুর সম্বলিত মুকুট টি ।

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনার সুন্দর তথ্য সম্বলিত পোস্টের জন্য ।

০৭ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপনার ব্লগে সংরক্ষনে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

এটা দেখার সৌভাগ্য আমারো হয়েছিল ।
আপনিউ এটা দেখেছেন শুনে খুশী হলাম । রাণীর বিষয়ে তথ্য দানের জন্য ধন্যবাদ ।
কবিতাটি একটু আগেই দেখে আসলাম , সুন্দর লিখেছেন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৫৪| ০৭ ই মে, ২০১৭ সকাল ৯:৫৫

নীলপরি বলেছেন: প্রতিউত্তরেও অনেক কিছু জানলাম । কাশ্মিরী Unheated blue sapphire - - টা পেয়ে খুব খুশি হলাম । :)

আর এতো বিবেচনা করে আমায় এটা দেওয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

শুভকামনা ।

ভালো থাকবেন ।

০৭ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৩:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , পছন্দ হয়েছে জেনে খুশী হলাম ।
শুভ কামনা রইল।

৫৫| ০৯ ই মে, ২০১৭ দুপুর ১২:৩০

জুন বলেছেন: বেশ কয়েক বছর আগে ইতালী বেড়াতে গিয়েছিলাম । রোম থেকে নেপলস হয়ে আমরা যাবো বিখ্যাত আগ্নেয়গিরির উদ্গীরনে ভস্ম হয়ে যাওয়া একসময়ের জৌলুসপুর্ন নগরী পম্পেই দেখতে । তার আগে স্থানীয় সময় বারোটায় গাইড লাঞ্চে নিয়ে গেল । সাথেই বিশাল এক প্রবাল কারখানায় । সেটা দেখাও ছিল আমাদের সুচীতে যাও হোক , যেখানে প্রবালের কাটিং পলিশিং এবং গহনা তৈরী হচ্ছে ।এ ছাড়াও আমার ২১ দিন ইতালী ভ্রমনে আরো কতগুলো প্রবাল কারখানায় গিয়েছি। আর আপনিতো ভালো করেই জানেন ইতালীতে উন্নত মানের প্রবাল হয়ে থাকে । সত্যি বলতে কি ভারতীয় যেই প্রবালের ছবি আপনি দিয়েছেন তেমন প্রবাল আমি সেখানে দেখি নি । বুঝতে পারছি না ইতালীয় প্রবালগুলোই নকল কি না :(
আমাদের জ্যোতিষীরা শুধু অল্প শিক্ষিত লোকেদের উপর দিয়েই এ ব্যাবসা করছে তা নয়। আমি অনেক শিক্ষিত মানুষকেও ঘন্টার পর ঘন্টা তাদের তথাকথিত চেম্বারে বসে থেকে তাদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তাদের দোকান থেকেই পাথরের নামে প্লাস্টিক বা কাচ কিনতে দেখেছি । এ ক্ষেত্রে তাদের প্রধান এবং জোরালো উদাহরন হলো আমাদের প্রিয় নবীও আকিক পাথরের আংটি পড়তেন। সত্যি সেলুকাস কি বিচিত্র এই দেশ ।
ভারতের মহীশুরে ঘুরতে গিয়ে মাইসোর প্যালেস দেখে বের হবো এমন সময় ধুতি পড়া এক লোক ডাকলো । উনি জ্যোতিষি । আমার আবার এই ব্যাপারে যথেষ্ট কৌতুহল । সামনে গিয়ে দাড়াতেই দেখলাম অনেক রকম পাথর সাজিয়ে বসে আছে। আমার জন্ম তারিখ জিজ্ঞেস করে জানলো জুন । আর মিথুন রাশির রত্ন মুক্তা অত্যন্ত সস্তা একটি জিনিস । সাথে সাথে মুখ ফিরিয়ে গম্ভীর গলায় বল্লো "আপ যাইয়ে"। :`>

১১ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্যের জন্য । সামু দিন দুয়েক যাবত ধীরগতি থাকায় উত্তর দিতে বিলম্ব হলো ।
তার পরেও প্রথম দিন লিখে পোষ্ট করার পরে চাকা ঘুরতে ঘুরতে দেখি লেখা গায়েব , সেভ না করে পোষ্ট দেয়ায় লিখাটি আর খুঁজে পায়নি ।

ভারতীয় প্রবাল গুলি কি মনে হয় আপনার কাছে? ভুমধ্য সাগরের তলদেশে প্রায় ৩০০ মিটার পানির নীচ হতে তুলা প্রবাল কেটে কুটে পলিস করে ইটালিয়ান ব্রান্ডে লাল প্রবাল হিসাবে তারা বাজারে ছাড়ে । বিখ্যাত প্রবাল ব্রান্ডের নামেই ভারতীয়তা তাদের প্রবাল ইটালিয়ান প্রবাল হিসাবে বাজারে ছাড়ে । আসল প্রবালের দাম যেখানে অনেক বেশি সেখানে ভারতীয় সবচাইতে দামী লাল প্রবালটি তারা মাত্র ১৫০০০ ভারতীয় রুপীতে বাজারে ছাড়ে ।

এখন আপনিই বলেন আসল প্রবালকে কি এত চকচকা করা যায় কিংবা এই দামে বাজারে ছাড়া যায় !!!!!

ইটালিতে প্রবালের প্রসেসিং কারখানা দেখতে পেরেছেন শুনে খুশী হলাম , আমি অনেক চেষ্টা করেও কোন জেমস প্রসেসিং কারখানার সংরক্ষিত এলাকর ভিতরে যেতে পারিনি , আপনি সৌভাগ্যবান দেখতে পেরেছেন বলে ।

মাইসুরের টিপু সুলতানের রাজবাড়ী দেখতে গিয়ে আমরাও পড়েছিলাম জ্যোতিষ আর পাথর বিক্রেতার খপ্পরে । আমি বেরিয়ে আসতে পারলেও সাথে থাকা উচা পদের এক অফিসার ধরা খেয়েছিলেন দারুন ভাবে । তার হাতে থাকা বিভিন্ন প্রকারের রত্ন পাথেরের আংটি থাকায় জ্যোতিষবাবু বুঝেছিল পেয়েছি বেটারে । আমিউ দেখলাম দাদা খুব অানন্দ চিত্তে গুটি কয়েক সস্তা পাথর নিয়েছেন কিনে । বললাম দাদা তুমি ধরা খেয়েছ ভাল করে । তিনি হেসে বলছেন দেশ হতে আসার সময় অনেকেই বলে দিয়েছেন ভারত থেকে ভাল রত্ন পাথর নেয়া হয় যেন তাদের জন্যে । তিনি আরো বললেন কাল টাকার মালিকের অভাব নাই আমার দফতরে , তাদের কাছে এ পাথর দিয়ে বানিজ্য হবে ভাল করে । তিনি একগাল হেসে বললেন দাদা ধরা আমি খাই নাই , তবে ধরা খাওয়াব সকলেরে । কি বুঝলেন এ জগতে হায় কেও ঠকেনা একেবারে !!!!

অনেক শুভ কামনা রইল

৫৬| ১১ ই মে, ২০১৭ রাত ২:১৫

পুলহ বলেছেন: শ্রদ্ধেয় ড. আলী ভাই। পোস্টটা দুই/তিনদিন আগে পড়া শেষ করেছি, কোন একটা কারণে কমেন্ট করা হয়ে ওঠে নি।
রত্ন পাথরের জ্যোতিষ গুণাগুণ টাইপ অংশটা বাদে বাকিটা পড়ে আমি মুগ্ধ এবং বিস্মিত। রত্ন-পাথর নিয়ে আমারো আগ্রহ ছিলো, আপনার এ পোস্ট সে আগ্রহ পুরোপুরি পূরণ করেছে।

নেটে খুঁজলে অনেকের অনেক রকম পোস্ট পাওয়া যায়, কিন্তু সবার দেয়া সব তথ্যের ওপর আস্থা রাখা যায় না। আপনার আগের পোস্টগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়েছে- আপনার রেফারেন্সগুলো নির্ভরযোগ্য; এবং এটা আপনার লেখার বিরাট একটা পজিটিভ দিক। তাছাড়া আপনি নিজেও একজন পিএইচডি (ব্লগে কোন একজনের কমেন্টে দেখেছিলাম), সুতরাং, আপনিও বোধকরি তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার ব্যাপারে সংবেদনশীল এবং স্ট্রিক্ট থাকেন।
জ্ঞান-অন্বেষণে আপনার অধ্যবসায়কে সম্মান জানাচ্ছি।
ভালো থাকুন সব সময় এই শুভকামনা।

১২ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: হা কয়েক দিন সামু খুবই স্লো ছিল । ইচ্ছে করলেও সব জায়গায় বিচরণ করা যায় নাই ।
রত্ন পাথর বেচা কেনা , অলংকারে এর প্রয়োগ , এর বিপনন ও আরো আরো অনেক কাজে আমাদের দেশের প্রায় ৫ লক্ষাধিক মানুষ নিয়োজিত আছেন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে । আশির দশকে Micro Industries Development Studies ( MIDAS ) নামে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন (যার কার্যক্রম অাছে বাংলাদেশেও) আমাদের গহনা শিল্পের রপ্তানী সম্ভাবনা নিয়ে একটি স্টাডি করেছিল আমিরিকান বিশেষজ্ঞ ড: মেলুনীর লিডারশীপে , ঐ সমীক্ষায় এই বান্দাও কিছুটা কাজ করেছিল । তার পরে এই গহনা শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে তেমন কোন উল্লেখযোগ্য কাজ চোখে পড়েনি । অনেকদিন পরে আমার মনে হল এই গহনা শিল্পটির সম্ভাবনা নিয়ে একটু নারাচারা করি । এ পর্যায়ে দেখা গেল এ গহণা/অলংকার শিল্পের সাথে রত্ন পাথর জড়িয়ে আছে আস্টে পৃষ্টে । তাই মনে করলাম রত্ন পাথর নিয়ে দেখিনা একটু পড়াশুনা করে এটার এখন কি হাল বিশ্ব জুরে, আমাদের দেশেও এটা আছে এখন কি ভাব ধরে । যা পেলাম স্থান কাল ভেবে তার অল্প কিছু তুলে ধরলাম এ পোষ্টে ।

রত্ন পাথর নিয়ে মানুষের অনেক ধরনের বিশ্বাস অবিশ্বাস আছে । তবে এটা অবিশ্বাস করার উপায় নাই মানূষতো বেঁচে আছে অনেক কিছুকেই বিশ্বাস করে । কথায় বলে বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদুর । তবে বিশ্বাসে বা অবিশ্বাসে কিছু এসে না গেলেও এর আর্থনৈতিক ও বানিজ্যিক সম্ভাবনা যে আছে তাত মানতেই হবে । তাই সম্পুর্ণ নৈতিকতার ভিতর থেকে কি ভাবে এর সম্ভাবনাটুকুকে কাজে লাগানো যায় তা তুলে ধরাই ছিল আমার লেখাটির মুল লক্ষ্য ।

অনেক ধন্যবাদ এসে দেখে মুল্যবান মন্তব্য করে যাওয়ার জন্য ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫৭| ১১ ই মে, ২০১৭ দুপুর ১:১৮

জেন রসি বলেছেন: মেগা পোস্ট। একেবারে সবকিছুই তুলে ধরেছেন। রত্ন পাথরের জ্যোতিষ গুনাগুনে বিশ্বাস নেই। যদিও আমাদের দেশে এটা খুবই জমজমাট একটা ব্যবসা। মানুষও অন্ধের মত বিশ্বাস করে। আমার কাছে ইন্টারেস্টিং লেগেছে পুকুরে মুক্তা চাষের ব্যাপারটা।

ধন্যবাদ এম এ আলী ভাই এভাবে আমাদের অনেক কিছু জানার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। :)

১২ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ জেন রেসি ।
রত্ন পাথরে আমারো বিশ্বাস নাই
তবে রত্ন পাথরকে নিয়ে আসলে কি কি ঘটতেছে
সেটাই একটু তুলে ধরতে চেষ্টা করেছিলাম ।
রত্ন পাথরের একটা ভাল গুনাগুন আছে তা হল
টাকাওয়ালাদের পকেট হাতরাতে এর কোন জুরি নাই!!

পুকুরে মুক্তার চাষ নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী
এটা দিয়ে অনায়ায়েই হতে পারে অল্প জায়গায়
ভেলু এডেড শিল্প কর্ম দেশের আনাচে কানাচে ।

ভাল গুনগত মানের মুক্তার রয়েছে বিশাল বিশ্ব বাজার
একবার বাংগালীকে হুজুগে মাতাতে পারলে দেশর
গ্রামীন এলাকায় এর হবে ব্যপক বিকাশ । শহড়
কেন্দ্রিক পোশাক শিল্পের চেয়ে গ্রামমুখি একটি
শিল্প কর্ম গড়ে উঠতে পারে, যেখানে অগনিত
নারী পুরুষের সুযোগ হতে পারে কর্মসংস্থানের ।
উদ্যোগটা নিতে হবে জোরে সুরে । জ্যোতিষ
বাবুদেরে কায়দা করে ক্যানভাসে ও কেম্পেইনে
লাগাতে পারলে দেশের টাকাওয়ালা এ খাতে
অর্থ বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে পারে বলে
মনে করি । জ্যোতিষীদের কথা মালায় অনেকেই
হিপটোমাইজ হয়ে যায় সহজেই , একবার লাইন
ধরাতে পারলে তাদেরকে আর ঠেকায় কে !!!

মুল্যবান সময় নিয়ে মেগা পোষ্টটি
দেখে মুল্যবান মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য
খুব খুশী হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৫৮| ১১ ই মে, ২০১৭ রাত ১১:৩২

তোমার জন্য মিনতি বলেছেন: পোষ্টে কৃতজ্ঞতা রইল।

১২ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ
শুভ হোক ব্লগে আপনার বিচরণ ।
কবিতাগুলি দেখা হবে বিলক্ষন ।
শুভেচ্ছা রইল

৫৯| ১৩ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৪:১১

বর্ষন হোমস বলেছেন: পোষ্ট পড়ে কিছু রত্ন হাতে নেওয়ার ইচ্ছে জাগল।কিন্তু পরক্ষণেই মনে পড়লো পকেটে কানা কড়িও নেই।

যাহোক অসাধারণ পোষ্ট।বর্ণনা চমৎকার।তাছাড়া পোষ্ট সাজিয়ে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছেন।শুভকামনা রইলো।

১৩ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।
আপনার পকেটে কানা কড়ি নেই দেখে
আমারো মনে পড়ল সুজন সখির গানের কথা

সব সখিরে পার করিতে নেব আনা আনা
তোমার বেলায় নেব সখি তোমার কানের সোনা
সখি গো, আমি প্রেমের ঘাটের মাঝি
তোমার কাছে পয়সা নিব না।।
----------
ও সুজন সখিরে
প্রেমের ঘাটে পারাপারে দরাদরি নাই
মনের বদল মন দিতে হয়

থাকো সখি ঋণী থাকো কড়ি লব না
সখি গো, আমি প্রেমের ঘাটের মাঝি
প্রেম ছাড়া প্রাণে বাঁচি না


তেমনি আমার কাম লেখালিখি
আমার লেখা কেও না পড়িলে
আমিও প্রাণে বাচিনা ।
যত পারেন রত্ন পাথর নিয়ে যান
কোন কড়ি নিবনা ।

সুন্দর প্রসংসার জন্য অনুপ্রাণিত

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল


৬০| ১৪ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:৫৭

নাগরিক কবি বলেছেন: মিয়ানমারে খুব ভাল রুবি পাওয়া যায় তবে দাম একটু বেশি বর্তমানে। আর থাইল্যান্ড এর জেমস গ্যালারিতে ঢুকার পর একটা ট্রেনে চাপিয়ে দিয়েছিল। সেই ট্রেন একটি গুহার ভিতর নিয়ে যায়। সেখানে ওরা কিভাবে খনি থেকে এই হিরে তুলে বাজার পর্যন্ত নিয়ে আসে তার একটি সচিত্র তুলে ধরে। দেখে খুব মজা পেয়েছিলাম

আপমার পোস্ট গুলো সব সময় অনেক বিশদ। প্রায় আমার মাথার উপর দিয়ে যায় |-) ছোট মাথায় এত কিছু ঢুকে না।

তবে শায়মা আপুর ছবিটাও দিলেন। এই ছবি ফেবুতে অনেকে চুরি করেছে অলরেডি B-)

১৪ ই মে, ২০১৭ রাত ২:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক তথ্য জানা গেল ।
থাইল্যান্ডের রত্ন পাথরের খনির ভিতরের ছবি দেখতে পারলে ভাল লাগত ।
শায়মাপুর ছবিটা লাগানোর আগে উনার পারমিশন নেয়া হয়েছিল,
ফেবুতে যারা নিয়েছে তাদের শায়মাপুর প্রতি আমার মত কৃতজ্ঞতা
জানানো উচিত ছিল ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

৬১| ১৫ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৪:২৩

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: রত্ন নিয়া এতটা লেখা পড়া কখনো করিনি, এমন কি আপনার লেখাটাও শেষ করতে পারিনি। তবু একুটু বুঝতে পেরেছি রত্ন শুধু দুঃখই বাড়ায়। দেখা গেছে এই রত্ন খনিতে যারা কাজ করে তাদের জীবনের খুব একটা উন্নয়ন হচ্ছেনা, বরঞ্চ পরিবেশ আর বায়ু, পানি দূষণে ওরাই সব থেকে ভুক্তভোগী।



এতো পরিশ্রমী পোষ্ট আপনি দেন যা ভাবতে আমার কাছে অবাক লাগে, ধন্যবাদ আলী ভাই।

১৬ ই মে, ২০১৭ রাত ১:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে কষ্ট করে এটা পাঠ করার জন্য ।
ঠিকই বলেছেন ম এটা শুধু দু:খই বাড়ায় যারা হার ভাঙ্গা
পরিশ্রম করে এটা উৎপাদন করে তাদের জন্য ।
আর যারা এটা নিয়ে হরেক পদের বানিজ্য করে
তাদের গায়ে গতরে চর্বী উপচে পড়ে !!!

পোষ্ট দিতে হলে একটু পরিশ্রম হবেই , আপনারই পরিশ্রম কম হয় না কি ?
আপনি যে ভাবে দিবানীশি বনে বাদারে ঘুরেন তাতে পরিশ্রম মনে পরে হয় আরো বেশী ।
শুভ কামনা রইল

৬২| ১৫ ই মে, ২০১৭ রাত ৮:০৩

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: গোটা পরিবার নিয়ে আপনার রত্ন খুব যত্ন সহকারে উপভোগ করলাম। আমার দুই মেয়েও সামুর ব্লগার। তাদেরকে আপনার অনুসারী হতে বলছি।

১৬ ই মে, ২০১৭ রাত ১:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , পরিবারের সকলকে নিয়ে রত্ন পাথর উপভোগ করার জন্য ।
মামনিদের জন্য আমার শুভেচ্ছা রইল । আমি নিশ্চিত টেলেন্টেড মামনিদের
লিখাগুলি অবশ্যই খুব সুন্দর ও উচ্চমানের হয় ।
ভাল থাকার শুভকামনা রইল

৬৩| ১৫ ই মে, ২০১৭ রাত ৮:৪৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: উপস্থিতি জানিয়ে গেলাম !

১৬ ই মে, ২০১৭ রাত ১:৪৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপুমনির আগমনেই আমি ধন্য
পোষ্ট হলো পুর্ণ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৪| ১৬ ই মে, ২০১৭ ভোর ৫:৩৫

জীবন সাগর বলেছেন: অনেক কিছু জেনে গেলাম পোষ্ট থেকে

শুভ সকাল ভাই

১৬ ই মে, ২০১৭ ভোর ৬:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
কিছু জানাতে পেরেছি জেনে ভাল লাগল

শুভেচ্ছা রইল ।

৬৫| ১৬ ই মে, ২০১৭ সকাল ৭:৪০

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: বনে বাদারে ঘুরতে পারাটা সব সময়ই আমার কাছে আনন্দের মনে হয়, শারিরীক পরিশ্রম কিছুটা যদি হয়ও সেটা আনন্দ উচ্ছাসের নিচে চাপা পড়ে যায় কখন সেটা আমি টেরই পাইনা ভাই, ধন্যবাদ।

১৭ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ, কঠীন পরিশ্রমের পরে যে জিনিষ
আমাদের সন্মুখে উপস্থাপন করেন তাতে আমাদের মনপ্রাণ যায় ভরে ।
আপনার সাথে আমাদেরো আনন্দ তাতে ধরে ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৬৬| ১৬ ই মে, ২০১৭ দুপুর ২:৫০

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: ইসলামে নারী নেতৃত্ব বিষয়ক আমার পোষ্টটি জমে উঠেছে। আপনার মন্তব্য না হলে পোষ্টের অপূপূর্ণতা থেকে যায়। এক্ষেত্রে আপমি এ আর ১৫, কাঙ্গাল মুরশীদ, এ আর ১৫ এর লিংক থেকে শাহজালাল এর পোষ্ট দেখে মন্তব্য করলে মহা মূল্যবান মন্তব্য পাওয়া যেতে পারে।

১৭ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ , সময় করে দেখে আসব , তবে নারী নেতৃত্ব কেন,
কোন নেতৃত্ব নিয়েই কথা বলার যোগ্যতা যে আমার নাই ।

শুভেচ্ছা রইল

৬৭| ১৬ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: পোস্টটা এতা দিন পরে চোখে পড়লো!!!!!!!!!!


যাক আজ আপাতত প্রিয়তে!!! পরে একবার আসব!:)

১৭ ই মে, ২০১৭ ভোর ৪:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ ,
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
অপেক্ষায় রইলাম আপনার মুল্যবান কথা শুনার জন্য ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৬৮| ১৭ ই মে, ২০১৭ সকাল ১১:৩৬

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আপনার রত্নগুলো বার বার দেখতে ইচ্ছে করে তাই বার বার দেখতে আসি! যদি কিছু মনে না করেন। আল্লাহ আপনাকে আরো আরো পোষ্ট করার তাওফিক দান করুন-আমিন।

১৭ ই মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখায় খুশী হয়েছি ।
অন্য একটি লেখা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি ।
তবে সময় করে ইনসাল্লাহ নতুন পোষ্ট দিব ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৬৯| ১৯ শে মে, ২০১৭ রাত ১১:০২

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। ধন্যবাদ

১৯ শে মে, ২০১৭ রাত ১১:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট না হয় চমৎকার হল ,
কিন্তু আপনি কেমন আছেন সেটাই জানতে চাই আগে ।
ভাল থাকুন সুন্থ থাকুন এ কামনাই করি ।
শুভেচ্ছা রইল

৭০| ২১ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৪:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেকদিন হলো পোস্টের বয়স

২১ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৫:০৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আগ্রহ প্রকাশের জন্য । অন্য একটি লেখায় একটু ব্যস্ত সময় কাটছে । তবে আসব নতুন কোন লেখা নিয়ে , অামার লম্বা চওরা লেখা একটু সময় বেশী লাগছে । তবে সময় ভাল কাটছে আপনাদের সুন্দর সুন্দর মুল্যবান লেখা পাঠ করে ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৭১| ২১ শে মে, ২০১৭ রাত ৯:৫৫

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: কষ্টকরে দেন সেজন্য আপনার পোষ্ট আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে। অপেক্ষায় খাকলাম আপনার নতুন উপস্থাপনার। সে পর্যন্ত আল্লাহ আপনাকে সার্বিক ভাবে ভাল রাখুন সে কামনা করি-আমিন।

২২ শে মে, ২০১৭ রাত ২:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ফরিদ ভাই । আমার বংলা টাইপিং এর গতি খুবই স্লো । লেখা আগায় না একেবারেই , লিখে যাচ্ছি , রমজানের মধ্যে মনে হয়না সময় করে উঠতে পারব নতুন কোন লেখা দেয়ার জন্য । মাগরেব হতে ফজর পর্যন্ত সময়টা ইবাদতের মধ্যেই কাটানোর নিয়ত রাখি, দোয়া করবেন, অল্লাহ যেন তৌফিক দেন ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৭২| ২২ শে মে, ২০১৭ সকাল ১১:০৭

তামান্না আক্তার কেয়ামনি বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। ধন্যবাদ

২২ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৫:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ কেয়ামনি , পোষ্ট চমৎকার অনুভুত হওয়ার জন্য খুশী হলাম ।

শুভেচ্ছ রইল ।

৭৩| ২২ শে মে, ২০১৭ সকাল ১১:৩০

এনায়েত হোসাইন বলেছেন: রত্ন নিয়ে আপনার গবেষণা দেখে বিস্মিত ড: এম এ আলী ভাই! অসাধারণ...। প্রিয়তে নিলাম। এখন পুরোটা পড়তে পারিনি। পরে সময় করে পড়বো ।

২২ শে মে, ২০১৭ রাত ৮:০৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , পরে এক সময় পড়ে নিলে খুশী হব ।
শুভেচ্ছা রইল

৭৪| ২৫ শে মে, ২০১৭ রাত ১২:৪৯

কল্লোল পথিক বলেছেন:


দারুণ পোস্ট গো দাদা!সোজা প্রিয়তে।

২৫ শে মে, ২০১৭ রাত ১:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অনেক দিন পর দাদাকে পেয়ে কি যে খুশি লাগছে
তা বুঝাই কি করে ,সুগন্ধী কবরী ফুলের শুভেচ্ছা রইল ।



প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা রইল ।


৭৫| ২৫ শে মে, ২০১৭ রাত ৯:৪২

মিঃ আতিক বলেছেন: একটা প্রশ্ন জানার ছিল ভারত, পাকিস্তান এমনকি আফগানিস্তানও যদি কোহিনুরের দাবী করতে পারে আমারা এই দাবির অংশীদার নই কেন?

২৫ শে মে, ২০১৭ রাত ১০:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , ভাল কথা বলেছেন ।
কোহিনুর দাবীদার হিসাবে কিছু কিছু জায়গায় বাংলাদেশের নাম উঠে এসেছে । তবে উপযুক্ত প্রমান না পাওয়ায় এর দাবীদার হিসাবে বাংলাদেশের নাম জোড় দিয়ে বলা যাচ্চেনা এ মহুর্তে , হাতে যদি ভাল প্রমান থাকে তবে জানালে খুশী হব । তবে যারাই এটা দাবী করুক না কেন মনে হয় সেটা ফেরত পাবেনা । বিষয়ট নীচের তুলে দেয়া অংশ পাঠে বুঝা যেতে পারে :
The legendary Kohinoor diamond may never return to India. The government today told the Supreme Court that it cannot force the United Kingdom to return the famous jewel to India since it was neither stolen nor forcibly taken away, but gifted to the British.
Citing a 43-year-old law that does not allow the government to bring back antiquities taken out of the country before independence, the Centre's counsel, Solicitor General Ranjit Kumar, told the apex court that the 105.602 carats diamond was handed over to the East India Company by Maharaja Ranjit Singh after he lost in the 1849 Sikh War.
Under the provisions of the Antiquities and Art Treasure Act, 1972, the Archaeological Survey of India (ASI) takes up the issue of retrieval of only such antiquities as have been illegally exported out of the country.
The Supreme Court, which was hearing a Public Interest Litigation (PIL) filed by All India Human Rights and Social Justice Front seeking directions to the High Commissioner of the UK for the return of the diamond besides several other treasures, has given the Centre six weeks to file a detailed reply.
The PIL has made Ministry of External Affairs and Ministry of Culture, High Commissioners of the UK, Pakistan and Bangladesh as parties to the case. It has also sought return of the "ring, sword and other treasures of Tipu Sultan, Bahadur Shah Zafar, Rani of Jhansi, Nawab Mir Ahmad Ali Banda, and other rulers of India."
Earlier this month, the Culture Ministry had said in its reply to a Right To Information (RTI) query filed by news agency PTI that the ASI is not in a position to process the matter. To a question seeking details of items which are in the UK's custody and India wants to claim them back, the Culture Ministry said "There is no list available with the Archaeological Survey of India about the items in Britain's custody".
Later, the Supreme Court asked the government to clarify its stand on the PIL seeking return of Kohinoor to the country. "Everybody is claiming the Kohinoor. How many countries are claiming Kohinoor? Pakistan, Bangladesh, India and even South Africa. Somebody here is also asking for the Kohinoor. Do you know about it?" the apex court bench headed by Chief Justice TS Thakur asked.
সুত্র : Click This Link
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৭৬| ২৭ শে মে, ২০১৭ রাত ১:১৭

আখেনাটেন বলেছেন: ওরেব্বাস, আপনার পক্ষেই শুধু এইরকম জেম পোষ্ট সম্ভব। প্রিয়তে রাখলাম পরে সময় করে পড়া যাবে।

২৭ শে মে, ২০১৭ রাত ১:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মন্তব্যে প্রিত হলাম ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জনবেন ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৭৭| ২৮ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৪:০৪

বিলুনী বলেছেন: অনেক সুন্দর হয়েছে । বাংলাদেশে মুক্তার চাষ বেশ ভাল ভাল লেগেছে ।

২৮ শে মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট সুন্দর মনে হওয়ায় ধন্যবাদ

৭৮| ৩১ শে মে, ২০১৭ সকাল ১১:৫৫

ভাবনা ২ বলেছেন: রত্ন পাথর আসল হোক কিংবা নকল হোক – জ্যোতিষীগন সেগুলি ব্যবহার করার নিদান দেন গ্রহশান্তির জন্য। তারা বলে থাকেন গ্রহদের যেমন নিজস্ব তেজ বিকিরণের ক্ষমতা আছে, প্রতিটি রত্মেরও তেমনই পৃথক পৃথক তেজ আহরণের ক্ষমতা আছে। সূর্য এবং গ্রহমণ্ডল থেকে বেরিয়ে আসা এই আলোকরশ্মিই আমাদের উপর নানাভাবে কাজ করে। ভুগর্ভে বা সমুদ্রগর্ভে যে সকল রত্ন-পাথর সৃষ্টি হয় তাহাও ওই সৌররশ্মিরই রাসায়নিক ক্রিয়ার ফল। তাই জ্যোতিষেরা বলে থাকেন রত্ন-পাথর ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায় ।
খাটি সত্যকথা । ভাল লেগেছে । ধন্যবাদ ।

৩১ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৫:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্ট ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৭৯| ৩১ শে মে, ২০১৭ দুপুর ১:৩৭

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেকদিন হয় আপনার নতুন কোন পোষ্ট পাই না ভাই!!

কেমন আছেন? আপনার সুস্থতা কামনায়
শুভকামনা জানবেন।

৩১ শে মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে খবর নেয়ার জন্য । ভাল আছি , আশা করি আপনিও ভাল আছেন ।
রমজানে লেখালেখিতে সময় একটু কম দিতে পারছি । তবে দু এক দিনের মধ্যে
একটি লেখা দেয়ার আশা রাখি , লেখার কাজ চলছে ।
শুভ কামন রইল ।

৮০| ৩১ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৫:০৯

বে-খেয়াল বলেছেন: আপনার প্রতিটি পোষ্টে জানার অনেক কিছু আছে এই পোষ্টটিও তার ব্যতিক্রম কিছু নয়, বেশ ভাল লাগলো অনেক কিছু জানার ছিলো। ভাল থাকবেন, শুভেচ্ছা রইলো।

৩১ শে মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রসংসা শুনে উৎসাহিত হলাম ।
ভাল থাকার শুভ কামনা রইল

৮১| ৩১ শে মে, ২০১৭ বিকাল ৫:৪৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার বিস্তারিত কথন ! চমৎকার রত্ন পাথর আসলে সবাই ই মন কেড়ে নেয়; সাথে এর গুনাগুন ও জানলাম
এর সাথে জড়িত প্রাকৃতিক বিপর্যয় এবং অসাধুতা ও উঠে এসছে আপনার লেখায় ।

ধন্যবাদ আপনাকে ; শুভকামনা :)

৩১ শে মে, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , পোষ্টের কথন ভাল লেগেছে জেনে খুব খুশি লাগছে ।
দুবাইতো রত্ন পাথরের বিশাল বাজার, সেখান হতেই
তার অনেকগুলি আসে আমাদের দেশে বিবিধভাবে।
লেখাটির মুল দিকটি নজরে পরায়

৮২| ০৩ রা জুন, ২০১৭ সকাল ৯:২৬

নীলপরি বলেছেন: ব্যস্ত আছেন খুব বোধহয় । অথবা আমার লেখাগুলিই মানসম্মত হচ্ছে না । আসলে আপনার বিশ্লেষণমূলক মন্তব্য না পেলে পোষ্ট অসম্পূর্ণ মনে হয় । অভ্যেস হয়ে গেছে । :) সময় পেলে অবশ্যই যাবেন । আমন্ত্রণ রইলো ।

শুভকামনা ।

০৪ ঠা জুন, ২০১৭ সকাল ৭:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , আমার ছোট একটা পোস্ট এর লেখা নিয়ে দিন কয়েক ব্যস্ত ছিলাম । ব্লগের সকল লেখায় যথাযথ সময় দিতে পারি নাই গুণী জন নীজকে কি মান সম্পন্ন বলে ? সেটাতো আমরা পাঠকেরা বলব , আর সে কথাতো লেখা পাঠের সময় বলে দিয়ে আসি । আমার ছোট্ট লেখাটি একটু আগে পোষ্ট করে ভার মুক্ত হলাম কিছুটা । তাই আসছি এক্ষুনি ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৮৩| ০৩ রা জুন, ২০১৭ দুপুর ২:০২

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: এম এ আলী ভাই, আপনার এ মাসের লেখা বের হওয়ার প্রত্যাশায় অপেক্ষায় আছি।

০৪ ঠা জুন, ২০১৭ সকাল ৭:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অপেক্ষার কথা শুনে খুশী হলাম । লেখা একটা পোষ্ট করেছি কিছুক্ষন আগে । জাপানী সৈনিক নিয়ে আপনার অসাধারণ লেখাটি পাঠ করে এসেছি কিছুক্ষন আগে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৮৪| ০৪ ঠা জুন, ২০১৭ রাত ১২:১৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:
রত্ন পাথর অনেকের নিকট যথেষ্ট আকর্ষনীয় যুগ যুগকাল হতেই। নানা রকম চমকপ্রদ সব বাহারিয়া পাথরের কারুকাজে সজ্জিত পোষ্টের শেষাংশ বেশ কঠিন। বাস্তবতার মলিন চাদরে ঘষে উজ্জ্বল হওয়া রত্ন পাথর মেহনতিদের অধরা হয়ে থেকে যায় বিলাসী বার্কিংহাম প্যালেসে। রাজ রতন ভান্ডারের শোভা বর্ধক এই মনি মুক্তোদানা গুলোতে শত মজুরের ঘাম ঝকঝক করছে আর সকলে আমরা শুধু দেখছি পাথরের দ্যুতি!


যাকগে, আপনার লেখাটি যথেষ্ট পরিশ্রমের ফসল। লেখাটি দুর্দান্ত ইনফরমেশন দিয়ে বাধাই ককরা সেই সাথে সকল মানবিকতা বিকশিত করেছে!

০৪ ঠা জুন, ২০১৭ সকাল ৭:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আমার পোষ্টের মুল অন্তরনিহিত কথাগুলি সুন্দরভাবে উঠে এসেছে
আপনার মুল্যবান মন্তব্যের কথামালাতে ।
কৃতজ্ঞতা জানাই, অনুপ্রাণীত হলাম দারুনভাবে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৮৫| ১৯ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ২:৩৪

গেম চেঞ্জার বলেছেন: এত বড় আর্টিকেল!! আপনার পারসিভিয়ারেন্স দেখে আমি জাস্টু মুগ্ধ!!

এই আর্টিকেল কি অন্য কোথায় প্রকাশ হয়েছিল?

১৯ শে জুলাই, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুগ্ধ হওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

এই আর্টিকেলটি অন্যকোথাও এখনো প্রকাশ হয়নি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৮৬| ২২ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১১:০৭

গেম চেঞ্জার বলেছেন: এত বড় আর্টিকেল!! আপনার পারসিভিয়ারেন্স দেখে আমি জাস্টু মুগ্ধ! ু এটা আসলে ভুলক্রমে এসেছে।

কিছু মনে করবেন না।

আর্টিকেল এভাবে লিখলে আমার সাজেশন হলো- ব্যক্তিগত ব্লগে এটার একটা কপি রাখতে পারেন। :)

১৬ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দু:খিত বিলন্বিত উত্তরের জন্য । ইদানিং কোন নোটিশ পাচ্চিনা বলে খুঁজে খুুঁজে দেখতে হয় ।
খুশী হলাম আপনার কথামালায় , মুল্যবান পরামর্শটা মেনে চলব ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৮৭| ২৫ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১:৩২

রোকসানা লেইস বলেছেন: এখন আপনা কি "ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এটা আবার কোন দূর্ভিসন্ধি? খবর নাই কেন :)""

সাগরপাড়ে শেষ পর্বটা আপনার অপেক্ষায় আছে জানিয়ে গেলাম B-)

২২ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ২:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিলম্বে উত্তর দানের জন্য দু:খিত । নোটিশ পাইনি বলে এসে দেখা হয়নি । তবে সাগর পার হতে ঘুরে এসেছি অনেক আগেই ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৮৮| ০১ লা আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১১

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: এক কথায় মুগ্ধ । রত্ন সম্পর্কে ধারণ, তাদের গোড়াপত্তন, ইতিহাস, আন্তর্জাতিক বাজার, মূল্য, তাদের ঘিরে যাবতীয় কুসংস্কার, বানিজ্য প্রথা- বৈধ অবৈধ, চোরাচালান, বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, শ্রমিক নির্যাতন চর্চা, ইডুকেশনাল ইভেন্ট ! কী নেই এই পোস্টে !
নিশ্চয় অনেকদিন লেগেছে এমন একটা আর্টিক্যাল বানাতে ?

আপনি ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য না, তার থেকে বেশিকিছু পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন ।

২২ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৩:০৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিলম্বে উত্তর দানের জন্য দু:খিত ।
সময়মত নোটিশ পাইনি বলে এসে দেখা হয়নি ।
আপনার প্রসংসামুলক কথায় আমি অভিভুত ।
ঠিকই ধরেছেন , পোষ্টটি লিখতে আমার কিছুটা
সময় লেগেছে ।


অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৮৯| ২১ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১১:৫০

কালীদাস বলেছেন: খুবই ইনফরমেটিভ পোস্ট, টেনে ধরে রেখেছিল পুরাটা সময়। অনেকগুলোর খালি নামই জানতাম, আলাদাভাবে চিনতাম না; আজকে পরিচয় হল। ছোটবেলায় অনেক গল্প/উপন্যাসে পড়তাম ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়ার জন্য সাগরে অভিযান। লেখাটা ভাল লাগার আরেকটা কারণ হল আপনার নিজের সাবজেক্টে আপনার স্কিল ;) যখনই যেটা ভাবছিলাম পড়তে পড়তে, একটু পরেই দেখি সে জিনিষ খানিকটা হলেও টাচ করে গেছেন। আসলে যত সুন্দরই হোক না কেন, গরীব দেশগুলোর জন্য অভিশাপ এই দামী পাথর। ভেবে দেখেন, কয়টা দেশ আজ পর্যন্ত ধনী হতে পেরেছে লুটেরাদের হাতে দেশের খনি তুলে দেয়ার পরও? বাংলাদেশের কথা আলাদা, আমরা বিনা পরিশ্রমে সাফল্য চাই বলেই সবখানে ধরা খাই।

এরকম পরিশ্রমী পোস্ট দেখলেও শান্তি।
ভাল থাকুন :)

২২ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৩:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: দির্ঘ কলেবরের পোষ্ট টি পুরোটা পড়েছেন শুনে খুশী হলাম ।
পোষ্ট টি দেখে শান্তি অনুভব করায় অনুপ্রানীত হয়েছি ।
আপনার থিসিস পোষ্ট টি দেখেছি দিন কয়েক আগে
একটি অনুরোধ সেথায় রেখে এসেছি ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৯০| ২২ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ৯:৫৫

কালীদাস বলেছেন: অফটপিকে বলছি: স্যরি, নোটিফিকেশন না পাওয়ায় রিপ্লাই দেয়া হয়নি, এখন ডিটেইলড রিপ্লাই দিয়েছি। একটু দেখবেন দয়া করে। এবং অনেক ধন্যবাদ রইল পাঠের জন্য।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এখানে এসে বলার জন্য ।
নোটিফিকেশন সমস্যায় আমিউ দারুন ভাবে ভুগছি । দেখে এসে এসেছি অনেক আগেই । দু এক কথা সেখানেই বলে এসেছি ।
তবে সেটা রিপোষ্ট না দিলেও এর খেকে ভাল হবে থিসিস লেখার বিষয়ে আপডেট কিছু দিলে ।

৯১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৩৫

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: পাথর গুলো যেভাবে চকচক করে! দেখলে ব্যবহারের চেয়ে খেতেই মনে চায়। =p~
সুন্দর তথ্যমূলক পোস্ট। রত্নের উপর মাইক্রো এনসাইক্লোপিডিয়া বলা যায়।


২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ মোহেবুল্লাহ অয়ন । বুঝা গেল রত্ন পাথর সব দিক দিয়েই রত্নময় , দেখতে যেমন খেতেও তেমন ।
রত্ন পাথরগুলি চিবিয়ে ও চুষে খায় খনিতে কাজ করা অনেক মেহনতি শ্রমজীবি মানুষের জীবন ।

শুভেচ্ছা রইল

৯২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৭ রাত ১০:৫৫

মোহেবুল্লাহ অয়ন বলেছেন: ঠিক বলেছেন। আসলে আমরা নিজেরা নিরাপদ থাকাতে এসব শ্রমজীবি মানুষদের কষ্ট অনুভব করিনা। :(

৯৩| ৩১ শে মে, ২০১৯ ভোর ৪:৪৫

বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম -
ইংল্যান্ডের বাজারে ব্লু সেপায়ার দেখি আজ জানলাম এটা নীলকান্তমণি...
জীবনে জানার শেষ নাই।।।


শ্রদ্ধা রইলো।

৩১ শে মে, ২০১৯ সকাল ৭:৫৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ , কিছু জানতে পারছেন শুনে খুশী হলাম ।
ঠিকই বলেছেন , জানাজানির কোন শেষ নাই
তবে বলবনা জানার চেষ্টা বৃথা তাই , বরং
বলব জানার জন্য পরস্পরের মিথক্রিয়া চাই ।

শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.