নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

মুক্তমনা

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

চোখ বুঁজে সুখ দু:খ চিন্তা

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১৭


চোখ আমার বন্ধ হয়ে আসে দু:খিত যখন হই
জানি এখনকার সব ঘটনাগুলি বেশ খারাপই
চোখ বুঁজে এক থেকে দশ তক গননা শেষে
ভাবি সব দু:খ এতক্ষনে বুজি চলেই গেছে ।

যা ছিল আগের মত সে সবই আমি চাই
পড়ার ঘরে দেয়ালে টানানো পোষ্টারের মতই
ঠিকমত এক হতে দশ তক গুনতে পারলেই
মনে হয় সবকিছু বুজি হয়ে যাবে আগের মতই।

আশায় থাকি আমার চারপাশে থাকা লোকজন
খুঁজে বের করবে কেমনে হবে দুখের অবসান
কিন্তু চিৎকার শুনি আর দেখি তাদের লড়াই
সেটাই আরো বেশী শুনি যা মোরে কাঁদাতেই চায় ।

শয়নে গিয়ে চোখের পাতা তখন আবারো করি বন্ধ
স্বপনে দেখতে পাই কেও যেন এসে হাসায় আমায়
কষ্ট ভুলে নির্মল মনে হয় যখন তাকে বলতে শুনি
সকল কিছু একদিন সুন্দর হয়ে ধরা দিবে তোমায়।

কষ্টের লগনে মানবের কাছে এটা কেবলই প্রতিশ্রতি
জগতটা এতটাই বিশাল যে মানুষ বুঝতেও পারেনা
চোখে এত সব অশ্রু নিয়েও মানুষ এখনো হাসতে পারে
মানবের মত আশ্চর্যজনক বলুন আর কি আছে জগতে ।

ছবি সুত্র : গুগল অন্তর্জাল

মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৯

ইসিয়াক বলেছেন: চমৎকার লেখনী শ্রদ্ধেয় ।
শুভকামনা রইলো।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ।
আপনার প্রতিও
রইল শুভকামনা।

২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪১

করুণাধারা বলেছেন: সকল কিছু একদিন সুন্দর হয়ে ধরা দিবে তোমায়।

এই আশাই আমাদের অনুপ্রেরণা! একদিন অবশ্যই দুঃখের অবসান হবে।

সুখ দুঃখের চিন্তা ভালো লাগলো; ভালো থাকুন।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ,
আমারো কামনা থাকল
সকল অকল্যান নিপাত যাক
সকল কিছু একদিন সুন্দর হয়ে
ধরা দিক সকলের তরে ।
শুভেচ্ছা রইল

৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

বলেছেন: কবিতার প্রতিটি লাইনে লাইনে চরম বাস্তবতা খেলা করছে।
ভালো লাগলো খুব।
সত্যিই চমৎকার লিখেছেন।


ধন্যবাদ অনেক।

১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় ল ভাই ।
কি করব বলেন মনে হয়
পুরা জাতিটাই আজ হতাশায় নিমগ্ন
কে জাগাবে আশা, যে দিকেই তাকাই
শুধু দেখি বিবিধ প্রকারের ভাষা ।
কেবলি মনে পরে কবি নজরুলের কথা
দুলিতেছে তরি, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ,
ছিঁড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মৎ?
কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যৎ।
এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার।

৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪৯

সোহানী বলেছেন: চোখ বন্ধ করে অপেক্ষায় থাকি সেই ছোটবেলার মতো। যেন চোখ খুললেই মায়ের হাতের মুঠোয় ভরা সব চাওয়া পাওয়া পেয়ে যাবো মূহুর্তেই। কিন্তু কিছুই পাই না, আবারো বন্ধ করি, আবারো, আবারো..............।

মানুষ আর পশুতে কিংবা গোল্ড ফিসের সাথে কি খুব পার্থক্য? সব কিচুই হারিয়ে আবারো দাঁড়িয়ে যাই...।

কবিতার প্রতিটি বাকেঁ বাকেঁ সে সত্যই ফুটে উঠেছে। অনেক দিন পর কবিতা ;)

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
চোখ বন্ধ করে অপেক্ষায় থাকি সেই ছোটবেলার মতো। যেন চোখ খুললেই মায়ের হাতের মুঠোয় ভরা সব চাওয়া পাওয়া পেয়ে যাবো মূহুর্তেই। কিন্তু কিছুই পাই না, আবারো বন্ধ করি, আবারো, আবারো..............।
খুবই মুল্যবান কথা বলেছেন।

মানুষ পশু আর গোল্ড ফিসের মধ্যকার পার্থক্য ঘুচে গিয়ে সকলের মাঝে
যেদিন ঐক্যতান গড়ে উঠবে সেদিনই পৃথিবী হবে শান্তিময় ।
কামনা করি শান্তির ললিতবানী ফুটে উঠুক সকলের লেখায়
ঘুচে যাক যতসব অন্যায় , অনিয়ম, অমানবিকতা ।
চলুক বোন সোহানীর কলম জগতের সকল মোহনীয়তা নিয়ে
তবে তা ফলার মত বিধুক গিয়ে যতসব অসুরদের গায়ে ।
শুভেচ্ছা রইল

৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
কষ্ট ভুলে নির্মল মনে হয় যখন তাকে বলতে শুনি
সকল কিছু একদিন সুন্দর হয়ে ধরা দিবে তোমায়।

কবিতার প্রতিটি কথাই চরম বাস্তবতায় ধাপে ধাপিত । আর
এভাবেই হয়তো বেঁচে থাকা ও আমাদের জীবনের নিয়ম ধারা

খুব সুন্দর করে লিখেছেন। অনেক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।
এভাবেই হয়তো বেঁচে থাকা ও আমাদের জীবনের নিয়ম ধারা
বলুন কাহাতক আর মেনে নেয়া যায় জীবনের এমনতর ধারা
যমদুত যে রয়েছে জীবনের দোর প্রান্তে খাড়া ।
পরিবর্তনের গান কাওকে না কাওকে
তো গাইতেই হবে। চোখ বন্ধ করে
থাকলে যে প্রলয় বন্ধ হবেনা
একথা মেনে নেয়া ছাড়া
বলুন উপাই কি আছে।
ধন্যবাদ সুন্দরতম
অনুভবের জন্য ।

শুভেচ্ছা রইল

৬| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৬

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: বাস্তব লিখেছেন।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ বাস্তবতা অনুভবের জন্য । আমরা সকলেই জানি অনেক বাস্তবই বড়ই কঠিন , দু:সময়ের জন্য হলেতো কথাই নাই ।
তবে এটাও ঠিক যে দু:সময়ের অন্ধকার কখনো কখনো আমাদের জীবনের সবচেয়ে উজ্জ্বল মুহূর্তটির দ্বার খুলে দেয় ।
জীবন মানে নিরন্তর ছুটে চলা, পদে পদে বাধা-বিপত্তি, প্রতিকূলতায় রক্তাক্ত ক্ষতবিক্ষত হওয়া, সে ক্ষত মুছে আবার প্রবল আগ্রাসে ঝাঁপিয়ে পড়া, সংগ্রাম এবং সাফল্য এই তো জীবন চলার পথে চরম বাস্তবতা । সহজে জেতার আনন্দ কোথায়? বাধা যত বিশাল, বিজয়ের আনন্দও ততোই বাঁধভাঙ্গা । এই ঝলমলে রোদ যতদিন হাসবে, এই পাখির কলকাকলি, এই গাছের পাতায় হাওয়ার দোলায় ঝিরঝির শব্দ যতদিন আমরা শুনবো, ভোরের খোলা হাওয়ায় বুকভরে শ্বাস নিতে পারবো সেদিনই অনুভব করব জীবনের চরমতম বাস্তবতা ।

শুভেচ্ছা রইল

৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৫৫

রাবেয়া রাহীম বলেছেন: সত্যি মানুষ বড়ই অবাক করা প্রানী

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম ।
খুবই মুল্যবান কথা বলেছেন , সত্যি মানুষ বড়ই অবাক করা প্রাণী, তার অনেক কথাই আমরা না জানি ।
মানুষের অবাক করা বৈশেষ্টের নেই কোন সীমা পরিসীমা , একজনের চেহারার সাথে সহজে মিল খুঁজে পাওয়া যায়না অপরের চেহারা। মানবের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশী হলো তার তুলতুলে জিহ্বা, কি অবাক করা কান্ডই না ঘটে অনেক সময় শুধু মানবের কথায় । মানুষ সব স্মৃতিই প্রায় দীর্ঘদিন মনে রাখে তবে ঘুম ভেঙ্গে যাবার ৫ মিনিট পরেই স্বপ্নের অর্ধেক স্মৃতি তার লোপ পায়..!!তার মানে দীর্ঘ দিনের সুখের কথা ভুলে গিয়ে বেশী করে মনে রাখে সাময়িক দু:সময়ের কথা । পৃথিবীতে মানুষের চেয়েও অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন প্রাণী থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে অবশেষে মানুষের নিকটই নত করতে হয় মাথা, অথচ স্বজাতির শক্তিমানের কাছে অনেকেরই ঝড়ে পড়ে হীনতা আর দীনতা । কোন বিষয় নিয়ে যে প্রশ্নই উপস্থিত হোকনা কেন মানুষ তার একটা জবাব দিয়ে প্রতিপক্ষকে বশ করার জন্য করে যায় চেষ্টা । মহিলারা দিনে গড়ে ৭ হাজার শব্দ বলে, যেখানে পুরুষরা বলে মাত্র ২ হাজার শব্দ!!মানুষের গবেষনার ফল দেখুন হয়ে গেল কত উল্টা , আপনার ৬ শব্দের মন্তব্যের জবাবে বলেছি কত বেশী কথা ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৮| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:২০

নীল আকাশ বলেছেন: বর্ষার অঝোর বৃষ্টি যেমন সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যায়, আবর্জনা ধুয়ে মুছে ফেলে আবার নতুন করে তোলে; ঠিক এভাবেই প্রতিটা মানুষই চায় কোন কিছু হঠাৎ এসে জীবনের সব দুঃখ, না পাবার হাহাকার, বেদনা আর বিষাদময় ক্লেদাক্ততা মুছে পরিষ্কার করে দিয়ে যাবে। আর এই জন্যই মনে হয় বর্ষার দিনে বৃষ্টি পড়ার ক্রমাগত রিনিঝিনি শব্দে সবার হৃদয় উদাস হয়ে যায়। সবাই অপেক্ষা করে হুট করেই যেন সব কিছু আমূল বদলে যায়। নতুন ক রে আবার সব কিছু শুরু করতে পারবে। মরীচিকা নাকি কূহেলীকা?

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য । নীল আকাশের মেঘগুলি আকাশের নীলে নীলে ভাসে রোদ্র ছায়ার খেলায় মাঝে মাঝে অদ্ভুত হাসে। মানুষের কষ্ট আছে সুখ আছে, আছে কত যে বেদনা, তবু আমাদের জীবন থমকে দাঁড়ায় না যদিও প্রাণের চাওয়া আসে না ফিরে । দেশ থেকে দেশান্তরে যাই উড়ে উড়ে, আমাদের অতৃপ্ত মন হারানো সুখ খুঁজেই মরে। বৃষ্টি হয়ে মাঝে মাঝে ঝরে যায়, কিছু ভাসে কান্নায়, কিছু ঝড়ে পরে আগুনের ফুলকি হয়ে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে চায় ধরার এ বুক হতে যত সব অন্যায় অবিচার । এখন কেবল নিরবে নয় সরবেই কামনা করি সেই স্ফুলিঙ্গসম অশ্রুকনা ভাসিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের পুণ্য মাতৃভুমির যতসব আবর্জনা ।
শুভেচ্ছা রইল

৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৩:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন: অসাধারণ

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতাটি অসাধারণ অনুভুত হ ওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

১০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




জীবনে সহস্র জটিলতা নিয়ে মানুষ এক বিচিত্র প্রানী।
সোহানীর মতোই বলি, মানুষ চোখ বন্ধ করে অপেক্ষায় থাকে সেই ছোটবেলার মতো। কখন আসবে সেই ময়ুরপঙ্খী নাও ! কিন্তু কিছুই আসে না, মানুষ আবারো চোখ বন্ধ করে, আবারো, আবারো..............।

অনেকদিন পরে কবিতা লিখলেন বাস্তবের। শেষের লাইন দু'টি পরম বাস্তব।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
যতার্থ বলেছেন জীবনে সহস্র জটিলতা নিয়ে মানুষ এক বিচিত্র প্রাণী ।
সোহানীর কথামালার সাথে আপনার সাথে আমিউ সহমত । মানুষ আবারো চোখ বন্ধ করে, আবারো, আবারো..,,,, তবে যত বারই হোক না কেন স্বপনে জাগরনে খোলা কিংবা বন্ধ চোখে আমরা কিছু বিষয় দেখতে পাইনা একেবারেই, যথা হিংসা, প্রেম, ঘৃণা ইত্যাদি কি আমরা চোখে দেখি, এগুলি কেবলি অনুভবের বিষয়। যার অনুভুতি যত তীহ্ম সে তত বেশী বিষয় দেখতে পাবে ।
আবার বড় দৃশ্যের প্রেক্ষাপটে আমাদের দৃষ্টি অতি সীমাবদ্ধ সেহেতু এই পৃথিবীতে নিজেকে অতি ছোট মনে করা খুবই সহজ। তাই ক্রমাগতভাবে আমাদের নিজেকে স্মরণ করে দেয়া প্রয়োজন যে সত্যই আমাদের দৃষ্টি শক্তি যথেষ্ট ক্ষীন । এ প্রেক্ষাপটে একথা নির্দ্ধিধায় বলতে পারি যে আমার দৃষ্টি এতই ক্ষীন যে নীজেকেই দেখতে পারিনা ভাল করে, আর এই সহজ ভাবনা আমার ভিতরে সকল সময়েই কাজ করে? তাই বলে এটা কিন্তু সকলের জন্য নয় , মানুষের চোখ দুটি যদিও খুবই ছোট,তবে তারা বিশাল বিশাল জিনিস দেখতে পায়। যেমনটি আপনার লেখা কিংবা মন্তব্যসকল পাঠে সে কথাই বারে বারে মনে করে দেয় ।

আমার লেখাগুলি কবিতার পর্যায়ে পড়ে কিনা তা এক বিচার্য বিষয়। আমি নীজেই এগুলিকে কবিতার মত দেখায় লেখা বলে ডাকি। কিছু ছান্দসিক ও কতক অছান্দনিক শব্দপ্রয়োগে কিছু অনিবার্য ভাবার্থের বাক্য বিন্যাস ব্যতিত এটা আর কিছু নয় । এতে শুধু থাকে কিছুটা আবেগ-অনুভূতি, উপলব্ধি ও চিন্তা করার সংক্ষিপ্ত রুপ সাথে কিছু উপমা-উৎপ্রেক্ষা ও চিত্রকল্পের একটি স্বআন্দোলিত ভাষারূপ । এর বাইরে একটি সত্যিকার কবিতার স্বরূপ যে এতে অনুপস্থিত তা নীজেই ভাল করে জানি । তবে আপনার মত একজন স্বনামধ্য গুণি কবির মুখে এটা কবিতার অভিধায় অভিহিত হয়েছে দেখে ধন্য হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

১১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: কবিতার পরতে পরতে ভালোলাগা।

বাস্তাবধর্মী লিখা।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ এসে দেখার জন্য ।
কবিতাটি বাস্তবধর্মী ও আপনার কাছে ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১২| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
মানুষ সৃস্টির বিস্ময়
মানুষ স্রষ্টার আয়না
মানুষ অদ্ভুত রকম বোকা
মানুষ নিজেই নিজেকে চেনেনা।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সহি কথা বলেছেন
মানুষ নিজেই নিজেকে চেনেনা
তাইতো লালন সাই বলেন
ও যার আপন খবর আপনার হয় না।
একবার আপনারে চিনতে পারলে
যাবে অচেনারে চেনা।

ও সাঁই নিকট থেকে দূরে দেখায়
যেমন কেশের আড়ে পাহাড় লুকায় দেখ না ।

আত্মারূপে কর্তা হরি
নিষ্ঠা হলে মিলবে তারি ঠিকানা,
বেদ বেদান্ত পড়বি যত
বাড়বে তত লখনা।

আমি আমি কে বলে মন,
যে জানে তার চরণ শরণ লও না
ফকির লালন বলে মনের ঘোরে রে,
হলাম চোখ থাকিতে কানা।


তেমনি বলি চোখ থাকতে হলাম কানা
না হ'ল নীজকে জানা ।

শুভেচ্ছা রইল

১৩| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৪

জুন বলেছেন: আপনার কবিতার মতই আমিও ভাবি চোখ খুল্লেই হয়তো দেখবো যেমনটি চেয়েছি ঠিক তেমনটি হাজির ।
না এ বড় বাস্তব আর নিষ্ঠুর দুনিয়া , চাওয়া আর পাওয়ার সাথে বিস্তর ফারাক । তারপর ও আমরা আশায় আশায় কাল গুনে চলি । প্রানীকুলের মাঝে বড়ই হতভাগা আমরা ।
অসাধারন সুন্দর কবিতাটিতে অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো ডঃ এম এ আলী ভাই ।
কবিতা লিখুন প্রবন্ধের ফাকে ফাকে এমনটি ।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন এ বড় বাস্তব আর নিষ্ঠুর দুনিয়া
চাওয়া আর পাওয়ার মাঝে ফারাক বিস্তর ।
তা্‌ইতো জীবনানন্দ দাস লিখেছেন
জানি আমি; তবু, এই পৃথিবীর ফসলের ভূমি
আকাশের তারার মতন
ফলিয়া ওঠে না রোজ — দেহ ঝরে — ঝরে যায় মন
তার আগে!
এই বর্তমান — তার দু — পায়ের দাগে
মুছে যায় পৃথিবীর পর,
একদিন হয়েছে যা তার রেখা, ধূলার অক্ষর!
আমারে হারায়ে আজ চোখ ম্লান করিবে না তুমি —
জানি আমি; পৃথিবীর ফসলের ভূমি
আকাশের তারার মতন
ফলিয়া ওঠে না রোজ —
দেহ ঝরে, তার আগে আমাদের ঝরে যায় মন!


ঠিক তেমনটিই এখনো দেখি
নিষ্টূর এই পৃথিবীতে ক্রমেই মরে আর ঝরে যাচ্ছে আমাদের সুন্দরতম মন
মানবিকতা ক্রমেই হতেছে অপসারন সর্বত্রই দুবৃত্তায়ন করছে জায়গা ধারন
দেখিনা সহজ কোন উপাই যেভাবে হতে পারে এমনতর অবস্থার অবসান।
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

শুভেচ্ছা রইল ।



১৪| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

শায়মা বলেছেন: মানুষ আশা নিয়ে বাঁচে তাই দুঃখ ভুলে সুখ খোঁজে ......

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৫৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: আপুমনি চারদিকে অবস্থা যা চলছে তাতে করে
দু:খ ভুলে সুখ পাওয়া মনে হয় খুব একটা সহজ কাজ হবেনা
তবে সুনির্মল বসুর মত রাজ্য জোরে যদি
হবুচন্দ্রের আইন করে দেয়া যায় জারি
যেখানে হয়েছে বলা

হবুচন্দ্র রাজা বলেন, গবুচন্দ্রে ডেকে--
'আইন জারি করে দিও রাজ্যেতে আজ থেকে,
মোর রাজ্যের ভিতর
হোকনা গরীব, ভদ্র কিম্বা ইতর,
কাঁদতে কেহ পারবেনা'ক, যতই মরুক শোকে,
হাসবে আমার যতেক প্রজা, হাসবে যত লোকে।
শান্ত্রী-সেপাই, প্যায়দা-পাইক ঘুরবে ছদ্মবেশে,
কাঁদলে কেহ, আনবে বেঁধে, শাস্তি হবে শেষে।'
বল্লে গবু-- 'হুজুর,--
গাড়ীর তলে কারুর যদি থেঁতলিয়ে যায় দেহ,
কিম্বা যদি কোনো প্রজার কান দুটি যায় কাটা,
সত্যিকারের বিপন্ন হয়ে যদি,
তবুও কি সবাই তারা হাসবে নিরবধি?'
.........................................
রাজা বলেন,---'গবু,
আমার আইন সকল প্রজার
মানতে হবে তবু।
কেউ যদি হয় খুন বা জখম,
হাড্ডিতে ঘুণ ধরে,
পাজঁরা যদি ঝাঁঝরা হয়ে
মজ্জা ঝ'রে পড়ে,
ঠ্যাংটি ভাঙে, হাতটি কাটে,
ভুঁরিটি যায় ফেঁসে,
অন্ধকারে স্কন্ধকাটা
ঘাড়টি ধরে ঠেসে,
কিম্বা যদি ধড়ের থেকে
মুন্ডুটি যায় উড়ে,
কাঁদতে কেহ পারবে নাক বিশ্রী বিকট সুরে।
হবু চন্দ্রের দেশে---
মরতে যদি হয় কখনো, মরতে হবে হেসে।
রাজার আদেশ কেউ যদি যায় ভুলে,
চড়তে হবে শূলে।'


কেবল এমন হলেই
মনে হয় দেশে
উল্টে যাবে রীতি,
হররা-হাসির হট্রগোলে,
অট্র-হাসির অট্ররোলে,
জাগবে তুফান নিতি।

শুভেচ্ছা রইল

১৫| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৩২

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: পদ্যে কিছু অসাধারণত্ব রয়েছে, যা পদ্যের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে দিতে ব্যাপক ভুমিকা রেখে আলী ভাই।


ভালো থাকুক মানুষ নিজের পরিচয়ে৷

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই তাজুল ইসলাম,
পদ্যে কিছু অসাধারনত্ব রয়েছে শুনে খুশী হলাম।
খুবই উত্তম কামনা করেছেন
ভালো থাকুক মানুষ নিজের পরিচয়ে৷

শুভেচ্ছা রইল

১৬| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন:


মানুষ কাঁদবে, হাসবে দু:খে ভাসবে এই চীরাচরিত সত্যগুলোইতো মানব জীবন। কবিতায় অনেক ভাল লাগা।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মানুষের জীবন, প্রতিটি পদক্ষেপই দুঃখ সুখের দোলায় চলছে। অবধারিত দু:খ ও সুখের মধ্যে প্রতিক্ষন মানুষের বসবাস। বয়ে চলে জীবনের গতি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সম্মুখিন হতে হয় বাধা বিপত্তির। তবুও ছুটে চলা। জীবনের গতি নিয়ে চলা। সবাইকে কোন না কোন ভাবে দুঃখ সুখের গন্ডি পেড়িয়ে যেতে হয়। এর মধ্যে সীমানা খোজে নিতে হয়। আমরা নিজের স্বার্থের একটু বাইরে চলতে পারলে সকলেরই জীবন হতো সুন্দর ।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৭| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। ++
শুভকামনা জানবেন।

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:১১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাল অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভ কামনা রইল

১৮| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: মানুষ আশ্চার্য এক সৃষ্টি । :)

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
যতার্থ বলেছেন মানুষ আশ্চার্য এক সৃস্টি । ধন্যবদ মুল্যবান কথামালার জন্য । মানুষের সৃষ্টি রহস্য অআশ্চর্যজনকই বটে ।
মহান আল্লাহ তায়লা নিজের প্রত্যক্ষ সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তারপর সেই মানুষের মধ্যেই বংশ বিস্তারের এমন শক্তি সৃষ্টি করে দিয়েছেন যার ফলে তার শুক্র থেকে তারই মতো মানুষের জন্ম হতে থাকে। এক্ষেত্রে ভূমির সারবস্তুসমুহ একত্র করে একটি সৃষ্টি-নির্দেশের মাধ্যমে তার মধ্যে এমন জীবন, চেতনা ও বৃদ্ধিবৃত্তি সৃষ্টি করে দিয়েছেন যার সাহায্যে মানুষের মতো একটি আশ্চর্য সৃষ্টি অস্তিত্ব লাভ করেছে, এটি ছিল একটি কর্মকুশলতা। আবার দ্বিতীয় কর্মকুশলতা হচ্ছে, আগামীতে আরো মানুষ তৈরি করার জন্য এমন একটি অদ্ভূত যন্ত্র মানুষের নিজের কাঠামোতেই রেখে দিয়েছন যার গঠন প্রকৃতি ও কার্যধারা দেখে মানবীয় বিবেক-বুদ্ধি সম্পর্কে বিস্ময়ে শুধু বিমূঢ়ই হতে হয় । মানব সৃষ্টির এ সূচনা পর্বের বিস্তারিত অবস্থা অনুধাবন করা আমাদের পক্ষে কঠিন। মাটির পিণ্ড থেকে কিভাবে মানুষ বানানো হলো তারপর কিভাবে তাকে আকার আকৃতি দান ও তার মধ্যে ভারসাম্য কায়েম করা হলো এবং তার মধ্যে প্রাণ বায়ু ফুঁকে দেবার ধরনটিই বা কি ছিল এসবের পূর্ণ তাৎপর্য বিশ্লেষণ আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে তিনি মানুষের জন্য যে একটি সুন্দর জীবন দর্শন এবং একটি নৈতিক ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক জীবন এবং কিছু সামাজিক ও ধর্মীয় আইন বিধানের ব্যবস্থা দিয়েছেন আবার সেগুলি জানার বুঝার ও মেনে চলার একটি বাধ্যবাধকতা দিয়েছেন সেগুলি কিন্তু আশ্চার্যজনক কিছু নয় । এ জীবন দর্শন ও নৈতিক-সাংস্কৃতিক ব্যবস্থার মূলনীতি অনুসরন করা হলে মানুষের দৃষ্টি স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিম্ন জগতের পরিবর্তে উর্ধ জগতের দিকে উঠতে থাকবে এবং এই জগত হতে সকল প্রকার অন্যায় অবিচার বিদুরিত হবে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩২

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর।

১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্টটি মনোমুগ্ধকর অনুভুত হয়েছে শুনে খুশী হলাম ।
আশা করি আপনার ভারত সফর আনন্দঘন হয়েছে ।
আপনার সফরের উপর ভিত্তি করে সচিত্র একটি ভ্রমণ পোস্ট
সামুতে উস্থাপন করলে আমাদের সকলের কাছে খুব ভালো
লাগবে ।

শুভেচ্ছা রইল

২০| ১৬ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৪১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই ,

মানবের মত আশ্চর্যজনক বলুন আর কি আছে জগতে -আসলেই নেই কিছু ।
একই সাথে সুখী ও দুঃখী । মায়াময় আবার ক্রূর । একই হাতে সভ্যতা গড়ে আবার সেই হাতেই সভ্যতা ধ্বংসে পারঙ্গম ।
একই সাথে আশাবাদী ও হতাশ ।
খুবই আশ্চর্য রকমের মানুষ ।
কিন্তু এই সব দ্বান্দ্বিকতা সাথে থেকেও যেন সব সময় আপনি অনেক ভালো থাকেন সেই কামনা সব সময়ের ।

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিলম্বিত উত্তরের জন্য দু:খিত ।
খুবই সুন্দর করে অতি সংক্ষেপে মানবের বৈশিষ্ট
তুলে ধরেছেন প্রতি মন্তব্যের ঘরে।
মানূষ সুখি দ:খি । মায়াময় আবার ক্রুর
আশাবাদি আবার হতাস ।

তবে আমরা সবাই আশাবাদিই
হতে চাই ।

শুভেচ্ছা রইল

২১| ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: "সেটাই আরো বেশী শুনি যা মোরে কাঁদাতেই চায়" - এটাতো আমার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য! আমিও নিত্য তাই শুনি এবং দেখি, যা আমাকে শুধুই ব্যথিত করে চলে।
মানুষ কখনো মাটির মত সর্বংসহা, আবার কখনো সুনামির ঢেউ এর মত উত্তাল হতে পারে।
কবিতা ভাল লেগেছে, কবিতায় নিজের অনুভূতি খুঁজে পেয়েছি, তাই কবিতায় ষোলতম প্লাস + +।

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিলম্বিত উত্তরের জন্য দু:খিত ।
আসলেই আমরা আমরা যা চাইনা শুনতে তাই যেন বেশী।
অতি গুঢ় কথা বলেছেন মানুষ কখনো মাটির মত সর্বংসহা,
আবার কখনো সুনামির ঢেউ এর মত উত্তাল হতে পারে।

কবিতাটি ভাল লেগেছে ও কবিতায় নীজের অনুভুতি
খুঁজে পেয়েছেন শুনে খুশী হয়েছে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল


২২| ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বাস্তব......


সময়ের স্রোতে ভেসে যাওয়া জীবনের গান.....

২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সময়ের স্রোতে ভেসে যাওয়া জীবনের গান
আপনার কথায় কবিতাটি পেল যেন তান।

শুভেচ্ছা রইল

২৩| ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


সকল দু:খ, কষ্ট, ভাবনার সময় মানুষ নিজের জগতে আশ্রয় নেন।

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
একেবারে সঠিক কথাটিই বলেছেন
সকল দু:খ, কষ্ট, ভাবনার সময় মানুষ নিজের জগতে আশ্রয় নেন
শুভেচ্ছা রইল

২৪| ২৫ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৩৫

আদৃতা মেহজাবিন বলেছেন:
বাহ্ খুব ভালো লাগলো।

২৫ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লেখা ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম ।
ব্লগে স্বাগতম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৫৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ডোরা কাটা দাগ দেখে বাঘ চেনা যায়
বাতাসের বেগ দেখে মেঘ চেনা যায়
মুখ ঢাকা মুখোশের এই দুনিয়ায়
মানুষকে কী দেখে চিনবে বলো - মানুষকে কী দেখে চিনবে বলো ।।

ডঃ এম এ আলী ভাই, ১৯৭৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাসুদ রানা’ ছবির গান এটি। এ ছবিতে মাসুদ রানা রূপে নায়ক সোহেল রানা (মাসুদ পারভেজ) অভিনয় করেছেন গানটিতে। আর ছবির পরিচালক, প্রযোজকও ছিলেন তিনি। সে সময়ে এই গানের অর্থ কতোটুকু বুঝতে পেরেছিলাম সঠিক মনে নেই তবে সময়ের সাথে সাথে এই গানের অর্থ প্রকট হয়ে সামনে দেখা দিচ্ছে।

সময় আমাদের অনেক কিছুই দেখাতে বাধ্য করে - আমরা সম্ভবত সময়ের হাতের পুতুল (এটি আমার ধারণা)


২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


ঠিকই বলেছেন মানুষ চেনা বড় দায়
আপনার মন্তব্যের আমাকে নিয়ে গেল সেই কৈশোরের দিন গুলিতে । মনে পরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক রোমেনা আফাজ রচিত দস্যু বনহুর এর কথা । এর সবগুলি পর্বই পড়েছি সেই স্কুলে পড়াশুনা কালেই। চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অঞ্জনা অভিনীত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবিটির নাম ছিলো "দস্যু বনহুর"। ছবিটি আমি দেখেছি ,ছবিটিতে "দস্যু বনহুর" চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন চিত্রনায়ক সোহেল রানা। এতে আরও অভিনয় করেছিলেন প্রয়াত চিত্রনায়ক জসিম। ছবিটির "ডোরা কাটা দাগ দেখলে বাঘ চেনা যায়" গানটি দারুন জনপ্রিয়তা পায়।আমরাও মাঝে মধ্যে প্রয়োজন বোধে গানটি গাইতাম কারো চরিত্রের শক্তিমত্তা বুজনোর জন্য ।

শুভেচ্ছা রইল

২৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৫২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: হাসিতে মানুষ কান্না লুকায়
লুকায় বেদনা, কষ্ট, যাতনা
তবু বেঁচে থাকর সাধ মরেনা।

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট নিয়ে
অনেক নিগুঢ় কথাই যেন শুনতে পেলাম।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৭| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৩৬

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন:

মানুষ আশ্চর্য এক জীব। নিজেই যেখানে নিজের কাছে অচেনা তাই অন্যকে চিনবো কিভাবে ?

কোলকাতার ব্যান্ড : গড়ের মাঠ ও মহীনের ঘোড়াগুলো।গানটা মাঝে মাঝেই কানে বাজে খুব। আপনার অসামান্য কবিতা মস্তিষ্কে জমা রাখলাম। ভালো থাকবেন। নিচের গানটা আপনার জন্য।
"বাড়লে বয়স সবাই মানুষ হয় কি
শুনলে কথা মানুষ চেনা যায় কি
চেনা সহজ নয়, চিনতে লাগে ভয়
বলি তায়, মানুষ চেনা দায়।"

২৮ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
দারুন এক ব্যন্ড এর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
গড়ের মাঠ ও মহীনের ঘোড়াগুলো
এক কথায় এদের সখের প্রাণ গড়ের মাঠ।
এদের গান ধাঁধার থেকেও জটিল
খিদের থেকেও স্পষ্ট
যেমন আপনি তুলে ধরেছেন
বাড়লে বয়স সবাই মানুষ হয়
কি?
শুনলে কথা মানুষ চেনা
যায় কি?

তারপরে হয় বলা
চেনা সহজ নয়, চিনতে
লাগে ভয়!
বলি তায় মানুষ চেনা
দায়!
হায়রে বলি তায় মানুষ
চেনা দায়।


অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৮| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: বাস্তবতা নিহিত সুন্দর কাব্য !

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
যদিউ শেষে এই ! চিহ্ন , তারপরেও কাব্য সুন্দর হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।

২৯| ২৮ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




যায় দিন ভালা যায় আসে দিন বুড়া - অর্থাৎ অতীত ভালো ছিলো ভবিষ্যত খারাপ। বিভিন্ন সংবাদে প্রচার হচ্ছে বাংলাদেশ আর্থিক মন্দায় পড়ার সম্ভবনা আছে! এখন আর্থিক মন্দায় না পড়লেও সংবাদমাধ্যম সংবাদ ছড়িয়ে তা বাস্তব করার চেষ্টায় অবিরত কাজ করে যাবে। - ডঃ এম এ আলী ভাই, এটি পরিক্ষিত সংবাদমাধ্যম দেশের ক্ষতি ছাড়া ভালো কিছু কখনো করেছে আমার মনে পড়ে না। দেশে পেঁয়াজ সমস্যা কিছুই না আরো অনেক বড় সমস্যা আসতে পারে।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

দৈব পাকে ঘটে যাওয়া কিংবা কারো কোন ভুলে বা দু;স্কর্মে কিছু ঘটে গিয়ে দেশে কোন ইস্যু তৈরী হলে তা নিয়ে সাময়িক কিছুদিন সামাজিক যোগযুগ মাধ্যম কিংবা বিশেষ কিছু সংবাদ মাধ্যমে হৈ চৈ সোরগুল তোলা যায় কিন্তু দৈব পাকের ঘটনাগুলিকে দেখা যাচ্ছে বেশ নিপুন হাতেই দমিয়ে দিতে অন্যপক্ষ বেশ পারঙ্গমতা দেখাচ্ছে। অপরদিকে পালতোলা নৌকার মত প্রতিকুল হাওয়াকে নীজেদের অনুকুলে নিয়ে যাচ্ছে । ছোট খাট বিষয়ে সৃষ্ট ইস্যু হতে তারা নীজেদের রক্ষাকবচ কি হতে পারে তা জেনে যাচ্ছে । মুখে যে যাই বলূক নীজেদের শক্তি ও ভিত্তি সম্পর্কে সকলেই ভাল জানে। যাহোক দেশের মঙ্গল হোক ভাল হোক একামনাই রইল ।

৩০| ২৯ শে নভেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

মিরোরডডল বলেছেন: “জগতটা এতটাই বিশাল যে মানুষ বুঝতেও পারেনা
চোখে এত সব অশ্রু নিয়েও মানুষ এখনো হাসতে পারে”

শেষের কথাগুলো খুবই ভালো লেগেছে

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
শেষের কথাগুলি ভাল লেগেছে শুনে খুশী হলাম ।
শুভেচ্ছা রইল

৩১| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১০

জাহিদ হাসান বলেছেন: ভালো লাগল।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৩২| ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৫৩

নজসু বলেছেন:




ভালোলাগায় ভালোবাসা।

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভলোলাগায় ভালোবাসা
অন্তরে জাগালো আশা ।
শুভেচ্ছা রইল

৩৩| ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:২৮

নেক্সাস বলেছেন: অসাধারণ দ কবিতা। কবিতার দূর্দিনে তবুও কেউ কেউ সত্যিকারের কবিতা লিখে । পাঠ মুগ্ধতা রেখে গেলাম কবি

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা অসাধারণ অনুভুত হওয়ায় ধন্যবাদ
পাঠে মুগ্ধ হয়েছেন শুনে ভাল লাগল ।
শুভেচ্ছা রইল

৩৪| ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪০

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: আপনি সব্যসাচী লেখনী গুণ সম্পন্ন! সবক্ষেত্রে,সবদিক দিয়েই দুর্দান্ত।

অফ টপিক: কালকে আসছেন তো?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.