নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

মুক্তমনা

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ওগো পর্ণমোচী বন ঘুচাও তোমার এ ভুষণ

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:১৪

যে অঙ্গের নেই আর কোন প্রয়োজন
সে অঙ্গের উদ্দেশ্য হয়ে গেলে পুরন
তার ঝরে যাওয়াই প্রকৃতির নিয়ম
যেমন শীত আগমনী পর্ণমোচী বন।
পাতা তবে ঝড়ে গেলেও
পত্রহীন গাছেও ফুটে ফুল
আগুন জড়া ফাগুনে যেমন
রক্তীম পলাশ আর শিমুল।

কিছু প্রাণীর অঙ্গও যেমন এলান্ডারের মত
রেইনডিয়ার তার জন্ম নেয়ার পরে ফিবছর
নিজের শিং নিজে নিজেই করে কর্তন
স্বাপদদের কাছে নীজকে করতে গোপন।
হরিনের শিং এর মত কতক মানুষের
দুধদাঁত ঝড়ে যায় সেইযে শিশুকালেই
তারপরও সাপের মতন খোলস বদলে
ছোবল মারে সকলের চোখের গোচরেই।

ডালের ফাকে শোণ শোণ বাতাশের শব্দ
পত্রহীন শাখাগুলি নিদ্রাহীন বেদনায় আঁকা
অনেক আগুন ঝড়া অশ্রু জল ফেলে
থেকোনা আর তুমি পত্র ঝড়াদের দলে।

চিরহরিৎ তরু হয়ে ঘুচাও এ কদর্য গড়ন
ফুলে ফলে কবরি সাজে থাক সারাটি জীবন
পারিজাত মঞ্জরিত লীলার সঙ্গিনী রূপ ধরি
বেণুবনে নীড় রচে সকল স্বর্গসুখ লহ কাড়ি।


ছবিসুত্র : কৃতজ্ঞতার সহিত গুগল অন্তর্জাল

মন্তব্য ৬৫ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (৬৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


সবাই প্রকৃতিকে ধারণ করে টিকে থাকছে কোটী বছর; শুধু মানব জাতি প্রকৃতিকে বশে আনতে গিয়ে নিজেই পরাজিত হতে যাচ্ছে ক্রমেই

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
দেখা যাক জলবায়ু সস্মেলনে চাহিদামত ২ বিলিয়ন ডলার পাওয়া গেলে
তা দিয়ে সুন্দর বনের সুন্দরী গাছের মরন কতটুকু ঠেকানো যায় ।

২| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৭

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৩| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৩৩

মিরোরডডল বলেছেন: in a word Beautiful !!!
পলাশ শিমুল পাগল করা সুন্দর

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার মন্তব্যটিউ হয়েছে সুন্দর।
শুভেচ্ছা রইল।

৪| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আলী ভাই,
পর্ণমোচী বনের নিরাভরণ ও আগুনঝরা রঙের ভরা আভরণ দুটো রূপেই সুন্দর ।আমাদের পর্ণমোচীর একটা ফটো সেই সাথে ---

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ পর্ণমোচীর একটি সুন্দর ছবি দেয়ার জন্য।
বরফের উপর পর্ণমোচী বনও দেখায় সুন্দর ।
বিশেষ করে শীতের আগমনে ঝরে যাওয়ার
আগে পাতার রং বদলানোর সময় ।

পর্ণমোচী উদ্ভিদের বেশ কিছু সুবিধাও রয়েছে। জল সংরক্ষণের জন্য অথবা শীতের আবহাওয়ায় বেচে থাকার জন্য পর্ণমোচী উদ্ভিদকে পাতা ঝরিয়ে ফেলতে হয়, পরবর্তী বৃদ্ধি মৌসুমে অবশ্যই তাদেরকে নতুন পাতা ছাড়তে হয়। এজন্য তাদেরকে যেসব সম্পদ ব্যবহার করতে হয়, চিরহরিতের ক্ষেত্রে তার দরকার পড়ে না। অন্যদিকে শীতকালে পাতা ঝরানোর ফলে উদ্ভিদ কীটপতঙ্গের হাত থেকে রক্ষা পায়। পত্র মেরামত এবং একে কার্যক্ষম রাখার চাইতে কেবলমাত্র একে হারানো এবং পুনরায় গজানো অধিকতর শ্রেয় বলে মনে করে। পাতা ঝরানোর ফলে ক্যাভিটেশন কমে যায় যা উদ্ভিদের জাইলেম ভেসেলকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে যেখানে পর্ণমোচী বন দেখতে পাওয়া যায় যাদের রয়েছে নিজস্ব বাস্তুতন্ত্র, বনতলের বৃদ্ধি, মৃত্তিকার গতিময়তা। সেখানে এর প্রয়োজন আছে। ঝড়াপাতাকে তারা সুচারুভাবে পরিবেশের কাজে লাগায় ।

তবে আমি মুলত আমাদের দেশের কথাই ভাবছি। আমাদের দেশের বনভূমির বিশাল অংশ জুরে আছে শাল বন। এমন এক শালবনের প্রান্তেইআআমার দেশের বাড়ী । এই শালবনের সাথে জড়িয়ে অআমার বাল্যকালের অনেক স্মৃতি । আমি দেখেছি প্রায় সারা বছরই এই গাছের পাতা সবুজই থাকে। শীতের শেষে পুরোনো পাতা ঝরিয়ে দুই-তিন মাসের জন্য নেড়া হয়ে যায় ওরা। দাঁড়িয়ে থাকে নতুন পাতা, ফুল-ফল আসার অপেক্ষায়।এর পর মায়াবী রঙে রাঙিয়ে জন্ম নেয় নতুন পাতা। নেড়া হওয়ার পর শাল গাছের নতুন পাতার রং যাঁরা দেখেননি, তাঁদের কাছে এ এক অবাক করা অনুভূতি। নতুনের পাশাপাশি ঝরে পড়া পুরনো শালপাতা জমা হয় গাছের পাদদেশে। এই ঝেড়ে ফেলে দেওয়া তাদের হলুদ শুকনো পাতা ‘বারুদের’ মতো বনভূমির চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বনভূমির ইতি উতি জমা হতে থাকে শালপাতার ‘বারুদের’ স্তূপ। প্রাকৃতিক নিয়মেই এই ডাঁই হয়ে থাকা শালপাতা ধীরে-ধীরে বনভূমিতে তৈরি করে জৈব সার। উর্বর করে বনের মাটি, খাদ্যের জোগান দেয় গাছপালাদের আর বড়, সুন্দর-সাবলীল হতে সাহায্য করে। নানান বীজ, নানান চারা এই পুষ্ট মাটির রস নিয়ে বনভূমিকে করে তোলে আরও ঘন, আরও সুন্দর। মাটির উপর শালপাতার পুরু আচ্ছাদন মাটির উপর বর্ম স্বরূপ। এটা বনের পরিবেশকে নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করে। এই প্রাকৃতিক নিয়মের উপর ভর করেই সমৃদ্ধ হয় গোটা শাল বনের বন্যপ্রাণ তথা বন্যপ্রাণীর জীবনচক্র।

এটাও দেখেছি শীতকালে দেশের শুস্ক আবহাওয়ায় কোথাও না কোথাও জমা শাল পাতার স্তূপে আগুন ধরে। আগুনের লেলিহান শিখা প্রথমে শুকনো শালপাতার সাহায্য নিয়ে ধীরে-ধীরে বনভূমির নীচে আধা শুকনো গাছ, গুঁড়ি, পড়ে থাকা কাঠ থেকে শক্তি সংগ্রহ করে ক্রমে রুদ্রমূর্তি ধারণ করে। তার পর তার সাম্রাজ্য বিস্তারে নানান সবুজ লতা-পাতা, ছোট-ছোট নানান প্রজাতির গাছ, গাছের চারা, বর্ষায় সময় গজিয়ে ওঠার অপেক্ষায় আগামী নতুন উদ্ভিদের কন্দ, বীজ ও মূল, মাটির নানান উপকারী জৈব-অজৈব পর্দাথ, প্রাণীদের জ্বলিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে এগিয়ে যায় আরও সামনে। ছড়িয়ে পড়ে বনভূমির অন্য প্রান্তে। এই লেলিহান আগুনে বন্যপ্রাণীরা ভয় পেয়ে দিক্‌ভ্রান্ত হয়ে ছুটতে থাকে। হারিয়ে যায় ওদের বাসস্থান, মারা পড়ে ওদের ছোট বাচ্চারা। এমনকি, বড় প্রাণীরা অনেকেই হয় আংশিক ভাবে মারাত্মক ঝলসে যায়, না হয় একেবারেই মারা পড়ে। আতঙ্কের রেশেই অনেক প্রাণীর বংশবৃদ্ধি ব্যাহত হয়। গাছে বাসা করে থাকা পাখিরা আগুনের হাত থেকে বাঁচতে যে দিকে পারে পালাতে থাকে। যারা পারে না তারা মারা পড়ে। মাটির উপরিভাগ পুড়ে পাথরের মতো নিস্প্রাণ, ভঙ্গুর এবং জৈব-অজৈব পর্দাথবিহীন এক পর্দাথের রুপ ধারণ করে। বড়-বড় শাল গাছের কান্ডের উপর তার একমাত্র সংবহনপ্রণালি তন্ত্রের পুরু ছাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে তার শারীরবৃত্তীয় কাজ ব্যাহত হয়। ব্যাহত হয় তার বৃদ্ধি, পরিপাকপ্রণালী এবং বংশবৃদ্ধির নানান প্রয়াস। বেশ কিছু গাছ মারা পড়ে। মাটির উপর ছড়িয়ে মাটিকে আকড়ে থাকা শিকড়ের জাল পুড়ে ছিন্ন হয়ে যায়। আলগা হয় মাটি, পরবর্তী বর্ষায় প্রবল ভূমিক্ষয় দেখা দেয়। দেখা দেয় বৃষ্টির জল ধরে রাখার অক্ষমতা। সব মিলে অপূরণীয় ক্ষতি হয় পরিবেশের ,ক্ষতি হয় শাল বনের।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ রোখার বিষয়ে আমাদের করণীয় কিছু নেই। তা প্রাকৃতিক নিয়মেই হবে, যদি হওয়ার থাকে , কিন্তু বাংলাদেশে এরকম পাকৃতিক দুর্যোগ বা দাবানল খুবই কম হয় । তবে বর্তমানে বনে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা ইচ্ছাকৃত ভাবে সংঘঠিত হতে দেখা যাচ্ছে। কিছু মানুষ আগুনে পুড়ে যাওয়া শুকনো কাঠ-জ্বালানি সংগ্রহ করার জন্য বা বনের জমি জবর দখলের কারণে বা নিছক মজা করার জন্য আগুন লাগায়। মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রন দিন দিন কঠিনই হচ্ছে । তাই নেহায়েত আবেগের বসে বলা পর্ণমোচী তুমি চিরহরিৎ হয়ে যাও ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৫| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৮

হাবিব স্যার বলেছেন:



কোথা গেলে হারিয়ে তুমি হে প্রকৃতি মাতা
আমাদের কাঁদিয়ে?

দারুণ একখান কবিতা উপহার দিলেন আলী ভাই।
শুভ সকাল

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা দারুন অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
সঠিক কথাই বলেছেন প্রকৃতি যেন দিন দিন হারিয়েই যাচ্ছে ।

তাইতো চৈতালিতে - সভ্যতার প্রতি
কবিতায় কবি গুরু রবিন্দ্রনাথ লিখেছেন-
দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর,
লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর
হে নবসভ্যতা! হে নিষ্ঠুর সর্বগ্রাসী,
দাও সেই তপোবন পুণ্যচ্ছায়ারাশি,
গ্লানিহীন দিনগুলি, সেই সন্ধ্যাস্নান,
সেই গোচারণ, সেই শান্ত সামগান,
নীবারধান্যের মুষ্টি, বল্কলবসন,
মগ্ন হয়ে আত্মমাঝে নিত্য আলোচন
মহাতত্ত্বগুলি। পাষাণপিঞ্জরে তব
নাহি চাহি নিরাপদে রাজভোগ নব--
চাই স্বাধীনতা, চাই পক্ষের বিস্তার,
বক্ষে ফিরে পেতে চাই শক্তি আপনার,
পরানে স্পর্শিতে চাই ছিঁড়িয়া বন্ধন
অনন্ত এ জগতের হৃদয়স্পন্দন।


শুভেচ্ছা রইল

৬| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৩

নীল আকাশ বলেছেন: আলী ভাই,
জামার্নীতে পারমানবিক বিদ্যুতকেন্দ্র সব বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে পরিবেশে কথা ভেবে। আমরা গন্ডমূর্খরা সুন্দরবন কেটে পারমানবিক বিদ্যুতকেন্দ্র বসাচ্ছি। কি দারুন তাইনা? পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিচ্ছে জার্মানি

একটা দেশের নূন্যতম ২৫% বনভূমি থাকা প্রয়োজন পরিবেশে ভারসাম্য ধরে রাখার জন্য। দেশে এখন সেটা নেমে ১০% এর নীচে নেমে এসেছে। বর্তমান সরকারের মনে হচ্ছে একটা এজেন্ডা হলো সেটা ৫% এর নীচে নামিয়ে নিয়ে আসা।
ছবিগুলি খুব সুন্দর লেগেছে। তবে ছবি সাথে কবিতাগুলি অসাধারণ হয়েছে।
আচ্ছা আপনি কেন কবিতা লিখে পোস্ট করেন না? বিভিন্ন পোস্টে আমি আপনাকে আমি সবসময় দারুন সব কবিতা মন্তব্যে লিখে দিয়ে আসতে দেখি!
ভালো থাকুন, সব সময়। ব্লগ ডে তে কি আসছেন? আসলে দেখা হতো!
শুভ সকাল, এবং শুভ কামনা রইল।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মন্তব্যে মুল্যবান অনেক কথা বলেছেন ।
আপনার দেয়া লিংক ফলো করে প্রথম আলোর সংবাদ ভাষ্যটি দেখে আসলাম। প্রথম আলোতে এটা
আমি সেসময়েই দেখেছিলাম ,এখন গিয়ে দেখি অনেক পাঠকই বিষয়টির উপর সুন্দর সুন্দর মন্তব্য রেখছেন ।
একজন লিখেছেন
আপনারা হুদাই টেনশনে আছেন!
রূপপুর পারমানবিক প্রকল্প হতে এখন পর্যন্ত এক কিলো-ওয়াট বিদ্যুৎও কি পাওয়া গেছে?
পাবেন না, কারণ ওখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কোনো আলামত নাই!
আর বর্জ্যের কথা ভাবছেন? এমন ভয়ানক বর্জ্য তৈরি হতে যে কাঁচামাল লাগে সেটাই তো কিনবে না! তাই বর্জ্যের ভয়াবহতা নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু আছে বলে মনে হয়না!

এখনতো আবার সেখানকার কর্মকর্তাদের বাসাবাড়ীতে বালিস টালিস কেনাকাটা, উঠা নামানোতেই তারা বেশ ব্যস্ত আছে।

হ্যাঁ আমাদের বনভুমির পরিমান আশংকা জনকভাবে কমে যাচ্ছে। সামাজিক বনায়নও কাংখিত পর্যায়ে হচ্ছেনা ।
বন রক্ষার জন্য আরো বেশী করে কার্যকর ভুমিকা পালন প্রয়োজন ।

ছবি ও কবিতা অসাধারণ হয়েছে শুনে ভাল লাগছে । অনুপ্রনীত হলাম ।

এইতো কবিতা লিখে পোষ্ট করলাম । কবিতা লেখা কি সহজ কাজ। অল্প কথায় তার ভিতরে বহুভাব ঠেসে দেয়া সেকি চাট্টি খানি কথা । কবিতা লিখতে গিয়ে ভেবে হই সারা ।তবে কারো কোন পোষ্ট পাঠে যদি কবিতা লেখার ভাবে পেয়ে বসে তবে সেখানেই লিখে ফেলি কবিতার মত দেখায় কিছু কথা মালা । মনে হয় কবিতাটি সেই লেখাটিরই প্রাপ্য । তাই সেটাকে সেখানেই প্রোথিত করে আসি ।আমার লেখা প্রায় হাজার দশেকের বেশী মন্তব্য আছে । এর প্রায় অর্ধেক দিয়েই করা যায় একটি পৃথক পোষ্ট , আবার তার মধ্যে হয়তবা রয়েছে শত মত কবিতায় লেখা মন্তব্য । সেগুলি কিছু পাঠক যে পাঠ করেছেন তাতেই আমি সন্তোষ্ট । ধন্যবাদ বিষয়টি আপনার নজরে পরার জন্য ।

ব্লগ ডের জন্য নিবন্ধন নিয়েছি । আপ্রান চেষ্টা করব উপস্থিত থাকার জন্য ।

শুভেচ্ছা রইল

৭| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতাটি মনোমুগ্ধকর অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
অনেক অনেক অনুপ্রানীত হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৮| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: অসাধারণ

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতাটি অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

৯| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

ইসিয়াক বলেছেন: খুবই চমৎকার।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতাটি চমৎকার অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১০| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর হয়েছে ভাইয়া

নীল ভাইয়ার সাথে একমত

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা অসম্ভব সুন্দর হয়েছে শুনে খুশী হলাম ।
কবিতা লেখার গুরু কে ছিল জানতে চাইবেন না :)
কৃতিত্বের প্রাপ্য সেই ছন্দময়ীর।
শুভেচ্ছা রইল

১১| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ফিরিয়ে দা্ও অরণ্য লহ এ নগর!

সভ্যাতার নামে আত্মঘাতের পথে কি চলছে মানুষ!
পূজির দাসানুদাস হতে হতে প্রকৃতির নিত্যতা ভুলে যাচ্ছে?
প্রকৃতির যখন প্রতিশোধ নেয় তা হয় ভয়ংকর!

সময় থাকতেই জাগুক মানুষের চেতনা! মহাপ্রলয়ে নিঃশেষ হবার আগে!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অসাধারন হয়েছে মন্তব্য ।
শুধু প্রকৃতির প্রতিশোধ কেন,
যে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদও
দিনে দিনে ক্রমে ক্রমে
অতি ভয়ংকরই হয় ।

সময় এসেছে আধ মরাদের ঘা মেরে তুই জাগা ।
চলুক প্রিয় কবির প্রতিবাদী কবিতা লেখা ।

শুভেচ্ছা রইল

১২| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৫

নতুন নকিব বলেছেন:



দারুন! +++

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
প্লাসে অনুপ্রানীত ।
দারুন হওয়ার কারণ
জানতে ইচ্ছে করে !
শুভেচ্ছা রইল

১৩| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৬

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: প্রকৃতি আর প্রকৃতির সন্তানদের নিয়ে আপনার লেখাটা অসাধারণ হয়েছে আলী ভাই!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লেখাটি অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
কথায় ভীষনভাবে অনুপ্রানীত হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল ।

১৪| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:১৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার আবেদনময় পোষ্ট !
প্রকৃতির কাছে আমাদের সবাইকেই ফিরতে হয়/হবে একদিন ; তবুও এর শেষ বিন্দুটুকু ও আমরা শুষে নেই।
বেঁচে থাক প্রকৃতি বেঁচে যাক সুন্দরবন, আমাদের রক্ষা করুক বিপর্যয় হতে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:০১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: পোষ্টটি আবেদয়ময়ী অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
নাগরিক ইট-পাথরের বন্দিশালা থেকে আধুনিক মানুষ যেন বেরুতে পারলেই বাঁচে।
একসময় মানুষ ছিল প্রকৃতির সান্নিধ্যেই। পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে মানুষকে আবার প্রকৃতির কাছেই ফিরতে হবে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন ‘ব্যাক টু দ্য নেচার’ অর্থাৎ প্রকৃতির কোলে ফেরার আন্দোলনও শুরু করে দিয়েছে।
রোজকার কায়-ক্লেশ ছেড়ে প্রকৃতির সজীবতায় মিশে গেলে ভালই লাগে । ভাবুন গাছের উপর আপনার একটি বাড়ি ,খুব কাছ থেকে শুনছেন পাখির গান আর পাতা খসা শব্দ। দারুন সুখ অনুবব হবে সেই আপনার লেখা কাব্যটির মতই ।

শুভেচ্ছা রইল

১৫| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
সুন্দর ছবি ও সচিত্র বর্ণন। ধন্যবাদ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ছবি ও বর্ণনা সুন্দর হয়েছে জেনে অনুপ্রেরণা পেলাম ।
শুভেচ্ছা রইল ।

১৬| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৫০

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: প্রকৃতির শাসন যারা মানবে না তারা প্রকৃতির দাসত্ব করবে।
শুভ কামনা।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ ভোর ৬:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



খুবই মুল্যবান কথা বলেছেন। প্রকৃতির শাসন যারা মানবে না তারা প্রকৃতির দাসত্ব করবে।
তাইতো প্রকৃতির দাসত্ব হতে মুক্তির জন্য তার সাথে সমভাবাপন্ন হতে হবে, এবং প্রকৃতির সাথে নিয়মানুগ হয়ে চলতে হবে । নিয়মের বশবর্তী হয়েই মানুষ সুখী হবে। যতই মানুষ প্রকৃতি ও উহার নির্দেশকে মেনে চলবে, ততই সুখী হবে। মানব প্রকৃতি যখন পথহারা হয় তখন স্রষ্টা সৃষ্টির সেরা মানুষের প্রকৃতিকে সুশৃঙ্খল, সুসমন্নিত ও সুনিয়ন্ত্রিত করতে তার পক্ষ হতে প্রেরিত মহাপুরুষদের মাধ্যমে বার্তা প্রেরণ করেন ,জ্ঞানের বারতা ছড়ান । মানুষ জ্ঞানের দ্বারাই প্রকৃতির দাসত্ব হইতে মুক্তি লাভ করতে সমর্থ হতে পারে ।

শুভেচ্ছা রইল

১৭| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:০১

রাজীব নুর বলেছেন: সবার মন্তব্য গুলো পড়তে পোষ্টে আবার আসা। কে কি মন্তব্য করলো সেটা জানারও দরকার আছে।
আছে কিনা নাই বলেন?

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ আবার আসার জন্য।কে কি মন্তব্য করলো সেটাও জানারও দরকার আছে।
ঠিকই বলেছেন গুণী সব ব্লগারদের মুল্যবান মন্তব্যসমুহে অনেক কিছু জানার ও বুঝার মত বিষয় থাকে।
একই বিষয়ে বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মন্তব্যে সে বিষয়টির উপর তথ্য ভান্ডার সমৃদ্ধ হয়।
এগুলি অনলাইনে ইন্টারনেটে থেকে যায় বলে সামগ্রিক অর্থে অন্তরজালে বাংলা ভাষার
বিষয় ভিত্তিক তথ্য ভান্ডার বৃদ্ধি পায় ।

শুভেচ্ছা রইল

১৮| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:





ডঃ এম এ আলী ভাই,
মানুষ প্রকৃতি ধ্বংস করছে প্রকৃতি সহ্য করছে তার নিজ নিয়মে। তবে আমি বিস্বাস করি প্রকৃতিরও ধৈর্য্যের সীমা আছে। প্রকৃতির ধৈর্য্যের সীমার বাধ যেদিন ভেঙ্গে যাবে সেদিন থেকে ভয়ঙ্কর কিছু শুরু হবে যা মানুষের চিন্তা চেতনার বাইরে।

কবিতা ভয়ঙ্কর হয়েছে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ অতি মুল্যবন মন্তব্যের জন্য ।
এ দুনিয়ার প্রকৃতি একদিকে যেমন উদার অন্যদিকে প্রতিশোধ পরায়ন, কভু হয় ক্ষতিকর কভু হয় পরিবর্তনশীল ,ধ্বংসনীয় ,সর্বগ্রাসী ও বিনাশী। দুনিয়ার প্রকৃতির প্রতি কেও যখন তাদের আকাঙ্খার চরমে পৌছে ও এর দিকে বাছবিচারশুন্য ভাবে ঝুকে পড়ে ও মাত্রাছাড়িয়ে সুখ অনুভব করে তখন তাদের অবস্থা এমন হয় যা মহিমান্বিত আল্লাহ বলেনঃ
এটা পানির ন্যায় যা আমরা আকাশ থেকে বর্ষণ করি ,তাই পৃথিবীর বৃক্ষাদি উদগত হয় ,তারপর বিশুষ্কতা ও বিচূর্ণতার সময় আসে যখন বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে যায় । আল্লাহ সব বস্তুর ওপর ক্ষমতাশীল (কুরআন - ১৮:৪৫)

যে ব্যক্তি দুনিয়ার পাকৃতিক সম্পদ/নিয়ামক নিয়ে তা থেকে মাত্রাতিরক্ত আনন্দ উপভোগ করে একদিন তার চোখে অশ্রু আসবে এবং যে ব্যক্তি দুনিয়া থেকে আরাম - আয়েশ লাভ করে একদিন তার জীবনে অভাব - অনটন ও দুর্য়োগ নেমে আসবে। কেউ আরামের হালকা বৃষ্টিকে যথেচ্ছভাবে ভোগ করলে কোন এক সময় তা দুর্দশার প্রবল বৃষ্টি হয়ে তার ওপর পতিত হবে। এ দুনিয়ার পকৃতির স্বভাব এমনই যে ,সকাল বেলায় যাকে সমর্থন করে বিকেল বেলায় তাকে আর চেনেই না। যদি এর একদিক মধুর ও মনোরম হয় তবে অন্যদিক কটু ও বেদনাদায়ক হতে পারে ব্যবহারকারীর কারণে কিংবা পাকৃতিক পরিবর্তনশীলতার অমোঘ বিধানে ।

পকৃতি থেকে কেউ উপভোগ্য সংগ্রহ করলে তাকে এর দুর্যোগের দুর্দশাও মোকাবেলা করতে হয়। যে পকৃতির নিরাপত্তার পাখাতলে সন্ধ্যাবেলা অতিবাহিত করবে সকাল বেলায় সে আতঙ্কের পাখার অগ্রভাগের পালকের নিচে থাকবে। পকৃতি পরিবর্তনষীল এবং এতে যা কিছু আছে সবই কার্যকারণের উপর নির্ভরশীল । যে পকৃতি থেকে স্বল্পমাত্রায় গ্রহণ করে সে অনেক কিছু সঞ্চয় করে যা তাকে ইহকালে পরকালে সব জায়গাতেই নিরাপত্তা প্রদান করবে এবং যে এটা থেকে প্রভূত পরিমাণ গ্রহণ করে সে মূলত তাই গ্রহণ করলো যা তাকে ধ্বংস করবে ইতিহাসে এমনই ঘটতে দেখা গেছে ।

শুভেচ্ছা রইল

১৯| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

শের শায়রী বলেছেন: ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম ব্রাদার।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ভাল লাগায় আপ্লুত হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

২০| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১১

তারেক ফাহিম বলেছেন: অসাধারণ লাগলো।

ভৃণ্ড ভাইয়ার মন্তব্যও ভালো লাগছে।

প্রকৃতির শোধ কল্পনার বাহিরে।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
অসাধারণ অনুভুত হওয়ায় প্রভুত অনুপ্রেরণা পেলাম।

প্রিয় কবি ভৃগু ভাই এর মন্তব্য সবসময় মন ছুয়ে যায় ।

ঠিকই বলেছেন , প্রকৃতি যেমন উদার তেমনি প্রতিশোধ পরায়ন ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২১| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২৯

ওমেরা বলেছেন: কবিতা ও ছবি দুটোই ভালো হয়েছে ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা ছবি দুটোই ভাল লেগছে শুনে খুবই খুশী হয়েছি ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২২| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:১৭

সোহানী বলেছেন: প্রকৃতি তার নিজ রুপে সাজে সময়ে প্রয়োজনে। আর আমরা সে সাজ উপভোগ করি না, ধ্বংস করি...............

ছবি ও কবিতায় ভালোলাগা প্রিয় আলী ভাই।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ছবি ও কবিতা ভাল লেগেছে শুনে খুশী হয়েছি ।
সাধারণভাবে অনুভূতি প্রকাশ করে না বলেই প্রকৃতিকে প্রাণহীন মনে করা হয়।কিন্তু প্রকৃতি নিজ গতিতে খুবই সংবিধিবদ্ধ, ক্রিয়াশীল ও সুশৃঙ্খল। এর চিরন্তন নিয়মে কখনো ব্যত্যয় ঘটে না। মানুষ ভুলে যায় প্রকৃতির অধিকতর সুবিধাভোগী হলেও তা মানুষের জন্য শর্তহীন ও অবারিত নয়, বরং তা বিধিবদ্ধ করে দেয়া হয়েছে। মানুষের পক্ষে কোনোভাবেই স্বেচ্ছাচারী হওয়ার সুযোগ নেই। মানুষ যখন সৃষ্টির প্রথাগত নিয়মে নিজেদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তখন এই বিশ্বচরাচর গতিশীল, শান্তিময় ও আনন্দঘন হয়ে ওঠে। কিন্তু যখন এর অন্যথা ঘটে তখনই তা ছন্দ হারিয়ে ফেলে; ভারসাম্যও নষ্ট হয় এই সৃষ্টিনিচয়ের। আর এই নিয়মভঙ্গকে অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য ।

শুভেচ্ছা রইল

২৩| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের সুন্দর উত্তর দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ আবার এসে দেখে যাওয়ার জন্য ।
শুভেচ্ছা রইল

২৪| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০১

মুক্তা নীল বলেছেন:
শ্রদ্ধেয় ভাই ,
প্রকৃতির রং রুপ ও তার অবদান সেই সাথে আপনার
আন্তরিক উপস্থাপনা ভীষণভাবে নাড়া দিয়ে গেলো আমার
মনটাকেও । খারাপ লাগছে এই ভেবে ভারসাম্য রক্ষায় আমরা অনেক পিছিয়ে। আপনার উপস্থাপনা চমৎকার হয়েছে ‌।

কবিতায় ছবিসহ ভালোলাগা ।

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মন্তব্যের কথামালায় প্রীত হলাম ।
নির্বিচারে প্রাকৃতিক পরিবেশ, প্রাণিজসম্পদ ইত্যাদিকে নষ্ট করে কিছুতেই ঠিকে থাকতে পারব না আমরা। আমাদের প্রয়োজন যথাযথ জ্ঞানে এসবের সংরক্ষণ এবং নিজেদের জীবনমান উন্নয়ন ঘটানো।অনেক জায়গাতেই শত বছরের পুরনো জলাধার ভরাট করে বাড়িঘর ও নানা ধরনের স্থাপনা তৈরি করা হচ্ছে। এতে নষ্ট হচ্ছে দীর্ঘদিনের অভয়ারণ্য। আবার বনাঞ্চল বাড়িঘরে শত বছরের গাছপালা, বনজঙ্গল ইত্যাদি কেটে তৈরি করা হচ্ছে মানুষের বসতি।ইটভাটা ও বনের কাছেগড়ে উঠা শিল্প কারখানা পাকৃতিক ভারসাম্যে প্রচুর ক্ষতি সাধন করছে। আমাদের গ্রামাঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষ পশুপাখি, জীবজন্তু, প্রাণিজসম্পদ ও মৎস্যসম্পদের সঙ্গে সহবাসের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে খুব একটা ধারণা রাখে না।ফলে তারা নষ্ট করছে এসব প্রাকৃতিক সম্পদের জায়গা। প্রকৃতিতে ভারসাম্যহীনভাবে মানুষ টিকে থাকতে পারে না। মানুষের প্রয়োজন অক্সিজেন, মাছ, পশুপাখির মাংস, দুধ, ডিম এবং তাদের সংস্পর্শ এর বাইরে গিয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। নানা ধরনের অসুখ-বিসুখ, রোগ জীবাণু, ভাইরাস ইত্যাদি সৃষ্টির মাধ্যমে প্রকৃতি আমাদের ওপর প্রতিশোধ নিতে পারে। বৃষ্টি সৃজন ও পাকৃতিক ঝড় যঞ্ছা নিয়ন্ত্রনের জন্য রয়েছে বৃক্ষের প্রয়োজন । তাই পকৃতির মাঝে ভারসাম্য বজায় রাখা অতি জরুরী ।

মুল্যবান মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২৫| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:০৯

শায়মা বলেছেন: শিরোনামটাই তো মুগ্ধ হয়ে যাওয়া ভাইয়া!

ছবিগুলো যেন কথা বলে গেলো!

অনেক অনেক ভালো লাগা ভাইয়ামনি!!!!!!!!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

এসে দেখে যাওয়ায় খুশী হলাম।


ছবির সব কথাতো বলাই হয়নি ।
ভাবছি রেইনডিয়ার এলান্ডার
কিভাবে নীজের শিং নীজেই
কর্তন করে তা দিয়ে একটি
পৃথক পোষ্ট দিব । বড়ই
লোম হর্ষক হৃদয় বিদারক
কান্ড ।

শুভেচ্ছা রইল

২৬| ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৪০

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার কবিতা- বিষয় আর লিখনশৈলী দুইই!

সবচেয়ে ভালো লেগেছে প্রথম স্তবক আর প্রথম ছবিটা পড়ার সাথে সাথে ছবিটা দেখলে কেমন রিক্ততার হাহাকার জাগে...

যে অঙ্গের নেই আর কোন প্রয়োজন
সে অঙ্গের উদ্দেশ্য হয়ে গেলে পুরন
তার ঝরে যাওয়াই প্রকৃতির কানুন
যেমন শীত আগমনী পর্ণমোচী বন।


সব পুরনোকেই প্রকৃতির কানুন মেনে ঝরে যেতে হয়!

চমৎকার কবিতার লাইক!

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
কবিতা চমৎকার হয়েছে শুনে খুশী হলাম ।
ঠিকই বলেছেন সব পুরনোকেই প্রকৃতির কানুন মেনে ঝরে যেতে হয়!
আমিউ বলতে গেলে পুরান হয়ে গেছি,ঝড়ে যাওয়ার সময় ক্রমেই এগিয়ে আসছে।
আমি কেন বিধাতার অমোঘ বিধানে সকলকেই একদিন ঝড়ে যেতেই হবে ।
তবে সৎকর্ম করে হাসি মুখে চলে যাওয়ার আনন্দই হবে আলাদা :)

একথাও সত্য যে সুন্দর প্রকৃতির প্রতি মানুষের ভালবাসা যেমন চিরন্তন তেমনি মানুষের প্রতি মানুষের আকর্ষনও অপরিসীম । তাই মরনশীল মানুষ প্রকৃতি ও মানুষের সান্যিধ্যময় মানবজীবন থেকে বিদায় নিতে চায় না । জগতে অনন্তকাল ধরে জীবন উপভোগের আকাঙ্খা মানুষের চিরন্তন । প্রকৃতির অপুর্ব রূপবৈচিত্রের সঙ্গে মানুষের জীবনের রয়েছে এক মেলাবন্ধন ।মানুষ জন্ম নেয় প্রকৃতির কোলে,আর প্রকৃতির অপার সম্পদ ব্যবহার করেই সে জীবন ধারন করে । মাটির পৃথিবীর আলো বাতাস জলে আর বৃক্ষ তরুলতায় সে পায় আনন্দের স্বাদ । মানুষ একাকী ও নি:সঙ্গ বাঁচতে পারেনা । প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে ভালবাসা চিরন্তন । এই হানানোর বেদনা এতই গভীর যে তার ফলে সুন্দর পৃথিবী ও প্রিয় মানুষগুলোর জন্য তার মমতা ও ভালবাসা হয়ে উঠে আরো প্রবল । আর এ জন্যইতো কবি গুরু তাঁর কড়ি ও কোমলে থাকা প্রাণ কবিতায় লিখেছেন -
মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে,
মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।
এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে
জীবন্ত হৃদয়-মাঝে যদি স্থান পাই।
ধরায় প্রাণের খেলা চিরতরঙ্গিত,
বিরহ মিলন কত হাসি- অশ্রু-ময়,
মানবের সুখে দুঃখে গাঁথিয়া সংগীত
যদি গো রচিতে পারি অমর-আলয়।
তা যদি না পারি তবে বাঁচি যত কাল
তোমাদেরি মাঝখানে লভি যেন ঠাঁই,
তোমরা তুলিবে বলে সকাল বিকাল
নব নব সংগীতের কুসুম ফুটাই।
হাসিমুখে নিয়ো ফুল, তার পরে হায়
ফেলে দিয়ো ফুল, যদি সে ফুল শুকায়।


অনেক শুভেচ্ছা রইল




২৭| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৩৪

নার্গিস জামান বলেছেন: সুন্দর :)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ব্লগে স্বাগতম ।
কবিতা সুন্দর অনুভুত হওয়ায় ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

২৮| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৪

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: ধোঁয়ায় নিমজ্জিত মহাপৃথিবী অক্সিজেন হারায় প্রতিনিয়ত।

আপনার অসামান্য লেখনী। ছবি আর লেখায় পরিপূর্ন একটা পোস্ট। ++

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার সুললিত প্রসংসায় আপ্লোত হলাম ।
পোষ্ট পরিপুর্ণ অনুভুত হওয়ায় ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

২৯| ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১০

বিজন রয় বলেছেন: প্রথম ছবিটা অন্তর ফুড়ানো।

আজ ডিসেম্বর ০৭ তারিখ, অথচ বাংলাদেশে কোন শীত নাই।
প্রকৃতি খুব রাগ করেছে আমাদের উপর, কারণ আমরাই প্রকৃতি হন্তারক!!

অত্যন্ত ভাল পোস্ট বরাবরের মতোই।

জয়তু!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



দাদার আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম ।
ডিসেম্বরের প্রায় মাঝামাঝিতে শীত নাই ,বেশ আরামেইতো আছেন :)
এনজিওদের জন্য অশনী সংকেত , শীত বস্র বিতরন যজ্ঞ কিছুটা কমে যাবে তাদের ।
গাছ বেচে যাবে পত্র মোচন হতে। তবে গাছিরা পাবেনা রস খেজুর গাছ হতে ।
পিঠা পায়েসের ধুম যাবে কমে গ্রামে গঞ্জে । ব্লগ ডে পিঠা পর্ব থাকলে
ভাল হতো , সবে মিলে খাওয়া একসাথে মহানন্দে ।
আপনার কবিতা পাঠের আসর কেমন চলছে ?
আমার এ পোষ্টের লেখা কি কবিতার পর্যায়ে পড়ে?
জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছি আপনার ঘরে ।

শুভেচ্ছা রইল

৩০| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

জুন বলেছেন: ডঃ এম এ আলী
ছবিতো অন্তর্জাল থেকে নিয়েছেন তারপর ও তা বাছাই এ দক্ষতা সাথে অপরূপ কবিতায় প্রকৃতি যেন মুর্ত হয়ে উঠলো ব্লগের ক্যানভাসে । অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো লেখায় । এখন থেকে আপনার কবিতা নিয়মিত চাই :)
+

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ধন্যবাদ অতি সুন্দর মন্তব্যের জন্য ।
লেখা ভাল লাগার কথা শুনে ভাল লাগল ।
ধন্যবাদ কবিতা লেখায় অনুপ্রেরনা দেয়ার জন্য ।
চেষ্টা করব নিয়মিত কবিতা লেখার জন্য ।
বিষয় ভিত্তিক কবিতা লিখি বলে প্রাসঙ্গিক সুন্দর সুন্দর কথামালা জুরে দিতে পারিনা তাই কবিতা লেখা হয়ে উঠেনা । আজকালকার কবিতাতো আবার অপ্রাসঙ্গিক অপ্রয়োজনীয় কথামালায় সমৃদ্ধ না হলে অনেকের কাছে তাকে কবিতা
বলেই মনে হয় না । যাহোক দোয়া করবেন যেন কবিতা লিখতে পারি ।
শুভেচ্ছা রইল

৩১| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




কবিতায় জীবন দর্শন এঁকে গেলেন। অনবদ্য ও চমৎকার!

ঠিক যেন-
" আমি যে জলসাঘরের বেলোয়ারী ঝাড়
নিশি ফুরালে কেহ চায়না আমায় জানি গো আর।

আমি যে আতর ওগো আতরদানে ভরা
আমারি কাজ হল যে গন্ধে খুশী করা
কে তারে রাখে মনে ফুরালে হায় গন্ধ যে তার............"


আপনার লেখায় ও প্রতিমন্তব্যে এমন জীবন দর্শনেরই সুর আর তার জন্যে হাহাকারও ..................
পোস্টে ++++++++++++

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ২:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বিলম্বিত উত্তরের জন্য দু:খিত ।
মন্তব্যের কোন নোটিফিকেশন পাইনি বলে যথা সময়ে
আপনার মুল্যবান মন্তব্যটি দেখতে পাইনি।
আপনার কথায় প্রতিতি হলো হাহাহাকারটি
মনে হয় অনেকের মনেই ছড়িয়ে দিতে পেরেছি।


আমি যে আতর ওগো আতরদানে ভরা
আমারি কাজ হল যে গন্ধে খুশী করা
কে তারে রাখে মনে ফুরালে হায় গন্ধ যে তার............"


দারুন গানের কলি তুলে দিয়েছেন কে তারে রাখে মনে ফুরালে হায় গন্ধ যে তার।
তবে কিছু কিছু ব্যতিক্রমও আছে । আমি দেখেছি শীতকালে ভাওয়ালের শালবনে
শীতের আগমনে ঝরে পড়া পুরনো শালপাতা জমা হয় গাছের পাদদেশে।
এই ঝেড়ে ফেলে দেওয়া তাদের হলুদ শুকনো পাতা ‘বারুদের’ মতো বনভূমির
চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বনভূমির ইতি উতি জমা হতে থাকে শালপাতার
‘বারুদের’ স্তূপ। প্রাকৃতিক নিয়মেই এই ডাঁই হয়ে থাকা শালপাতা ধীরে-ধীরে
বনভূমিতে তৈরি করে জৈব সার। উর্বর করে বনের মাটি, খাদ্যের জোগান দেয়
গাছপালাদের আর বড়, সুন্দর-সাবলীল হতে সাহায্য করে। নানান বীজ, নানান
চারা এই পুষ্ট মাটির রস নিয়ে বনভূমিকে করে তোলে আরও ঘন, আরও সুন্দর।
মাটির উপর শালপাতার পুরু আচ্ছাদন মাটির উপর বর্ম স্বরূপ । এটা বনের
পরিবেশকে নষ্টের হাত থেকে রক্ষা করে। এই প্রাকৃতিক নিয়মের উপর ভর
করেই সমৃদ্ধ হয় গোটা শাল বনের বন্যপ্রাণ তথা বন্যপ্রাণীর জীবনচক্র।
পোক্তা ওতাজা হয় শাল বনের গাছ গাছালি ।

বড় কথা হলো একটি শাল গাছ কাটা হলে তার কাটা কাটাস্থান হতে
প্রায় কয়েক কয়েক কলস পানি নির্গত হয় সারা বেলা ধরে। তার পরে
গাছটির কাটা যাওয়া গুঢ়িতে তার নি:ষেশিত কষ হতে শক্ত হয়ে
যাওয়া শক্ত আঠালো বন্তুটি পরিনত হয় ধুপে । আর সে ধুপ জ্বালিয়ে
নিত্য সুবাস বহানো হয় বেলোয়ারী জলসা ঘরে। নীশিবসানে আতরের
গন্ধ ফুরালেও ঝড়ে যাওয়া বনের সুবাধেই পুণরায় নীশি আগমনে গন্ধ
বিধুর হয়ে সে ধুপের গন্ধ আবার ফিরে আসে বেলোয়ারী জলসা ঘরে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩২| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৮:১৮

নজসু বলেছেন:



পাতা ঝরে গেলেও পত্রহীণ গাছে ফুল ফোটে।
মানুষের মন ঝরে গেলে গেলে সেখানে আর ফুল ফোটানো সম্ভবর হয়না।

লেখার সাথে ছবিগুলো সমন্বয় অসাধারণ।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
লেখার সাথে ছবির সমন্বয় অসাধারণ হয়েছে শুনে খুশী হলাম।
মানুষের মন কেন ঝড়ে যায় , কী সমস্যা ছিল, সত্যিই মানুষ আবার পুরোনো সম্পর্ক ফিরে পেতে চায় কিনা এসব বিষয়গুলো ভালো করে ভেবে নিতে পারে। এরপর নিজেকে মানসিক ভাবে ... আলোচনা করতে পারে : যখন সে অনুভব করতে শুরু করবে যে তাদের মাঝের দূরত্বটা কমে গিয়েছে এবং নীজের প্রাক্তন প্রিয়জন তার সাথে আবার সহজ আচরণ করছে, তখন সাহস করে বলে ফেলতে পারে আবার নতুন পাতা গজানোর কথা,নতুন কুড়িতে তখন নতুন ফুল ফুটবে বলে আশা করা যায় । আশাই মানুষের জীবন ,মানুষ আশা নিয়েই বেচে থাকে ।

শুভেচ্ছা রইল

৩৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছবিগুলো যেমন সুন্দর, কবিতাটাও তেমনি। প্রতিমন্তব্যে আসা নতুন তথ্য এবং কবিগুরুর কবিতাংশ পোস্টের আকর্ষণ বাড়িয়েছে।
পোস্টে ২০তম 'লাইক' +।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.