নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মহামারী ব্ল্যাক ডেথের গর্ভ হতে জন্ম নেয়া কিছু সাহিত্য ও শিল্প কর্ম নিয়ে একটি পর্যালোচনা।

১৩ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৩১


প্রচ্ছদ ছবি সুত্র : Click This Link
আমরা অনেকেই জানি ব্ল্যাক ডেথ ( Black Death) নামে পরিচিত মানব ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর একটি মহামারী অস্বাভাবিক মারণক্ষমতা নিয়ে প্যানডেমিক হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সারা বিশ্বে। মধ্য এশিয়া কিংবা মতান্তরে ক্রিমিয়া হতে সিল্ক রুট ধরে কয়েকটি বানিজ্যিক জাহাজে ১৩৪৭ সালে ভয়াবহ প্লেগ পৌঁছে গিয়েছিল গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর কন্সটানটিনোপলে। জাহাজে থাকা কালো ইঁদূরের সঙ্গে প্লেগ কন্সটানটিনোপল থেকে ঢুকে পড়েছিল ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ সিসিলিতে। সিসিলি থেকে ১৩৪৮ সালে ব্ল্যাক ডেথ ইতালিতে পৌঁছায় এবং কিছু দিনের মধ্যেই সারা ইতালি ছেয়ে যায় ভয়াবহ প্লেগে। ইতালি হয়ে উঠেছিল মৃত্যুপুরী। এরপর ইতালিকে সেতুবন্ধন করে ব্ল্যাক ডেথ ছড়িয়ে পড়েছিল সারা ইউরোপে। যেমনটি বর্তমানে চীনের কোহান থেকে উৎপন্ন হয়ে কোভিড ১৯ আজকে পেনডেমিক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে সারা বিশ্বে । বিভিন্ন সুত্র ঘেটে জানা যায় দ্বিতীয় ব্ল্যাক ডেথ নামক মহামারীর কারণে মাত্র ৫০ বছর সময়কালে তথা ১৪০০ সালের দিকে বিশ্বের জনসংখ্যা ৪৫০ মিলিয়ন থেকে কমে গিয়ে ৩৫০-৩৭৫ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছিল বলে অনুমিত হয়েছিল সুত্র : Click This Link তখন ইউরোপের অনেক দেশই দেখেছিল মৃতের পাহাড় , মৃতদের সংকারো ছিল কঠীন ব্যপার ।
ছবি-২ : Depiction of dead bodies piled up during the pandemic (Credits: Greatcoursesdaily)

সুত্র : Click This Link
১৩৪৮ সালের সেই বিখ্যাত কালো মৃত্যুর ( Black Death ) হাত থেকে বাঁচার জন্য দশজন যুবক যুবতি দু'সপ্তাহ ধরে প্লেগাক্রান্ত ইটালির ফ্লোরেন্স থেকে দুরে গ্রামাঞ্চলের এক নির্জন ভিলায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে তারা দু সপ্তাহ ছিলেন, দিনগুলি অতিক্রম করার জন্য, দলের প্রতিটি সদস্য একটি গল্প শোনাতেন। সপ্তাহে দুই দিন বিশ্রাম বাদ দিয়ে দুই সপ্তাহের ১০ দিবস ছিল গল্প বলার দিন । এভাবে, পনেরো দিন শেষে তারা ১০০ টি গল্প বলেছেন।
ছবি-৩ : ফ্লোরেন্স , ইটালিয়ান রেঁনেসার জন্মন্থান

দশ জন যুবক যুবতির প্রত্যেকেই দশ দিনের মধ্যে এক দিবসের জন্য রাজা বা রানী হিসাবে অভিষিক্ত হতেন। রাজা রানীর দায়িত্ব ছিল সেই দিনের গল্পগুলির থিম তথা বিষয় নির্বাচন করা । দিনের গল্প বলার বিষয়গুলির মধ্যে নিন্মোক্তগুলি ছিল:
ভাগ্যের শক্তির উদাহরণ;
মানুষের ইচ্ছাশক্তির উদাহরণ;
প্রেমের গল্প যা ট্র্যাজিকালি শেষ হয়;
প্রেমের গল্প যা সুখে শেষ হয়;
মজাদার উত্তর যা বক্তার স্বার্থ সংরক্ষণ করে;
মজাদার কৌশল যা মহিলারা পুরুষদের উপর খেলেন;
মজাদার কৌশল যা লোকেরা সাধারণভাবে একে অপরে প্রয়োগ করেন ; এবং
পুণ্যের উদাহরণ।


গল্পের মূল প্লটগুলির মধ্যে রয়েছে পাদ্রিদের লালসা ও লোভকে ঠাট্টা করা, নতুন ধনী বণিক শ্রেণী ও মহৎ পরিবারগুলির মধ্যে ইতালীয় সমাজে উত্তেজনা এবং ভ্রমণ ব্যবসায়ীদের বিপদ ও দুঃসাহসিকতার কথা অন্তর্ভুক্ত করা । এগুলিতো চতুর্দশ শতকে শুরু হওয়া ইটালিয়ান রেঁনেসার মুল সুরেরই প্রতিধ্বনি।

ইটালীর রেঁনেসা যুগের সাহিত্যিক জিওভান্নি বোকাচ্চিওর (Giovanni Boccaccio) ১৩৪৮ সালে লেখা ডেকামেরন (Decameron) উপন্যাসে উঠে এসেছিল ব্ল্যাক ডেথের ভয়ঙ্কর উপসর্গগুলির সাথে মিল রেখে অনেক গল্পকথা । ডেকামেরনে রয়েছে ১০০ টি গল্পের একটি সংকলন ( সুত্র : https://en.wikipedia.org/wiki/The_Decameron )
ছবি-৪ : রেঁনেসার সাহিত্যিক জিওভান্নি বোকাচ্চিও ( ১৬জুন১৩১৩ - ২১ ডিসেম্বর ১৩৭৫)

ছবি সুত্র : https://en.wikipedia.org/wiki/The_Decameron
ডেকামেরন এর গল্পগাথা অনুসরনে জন উইলিয়াম ওয়াটারহাওস কর্তৃক কেনভাসের উপর অঙ্কিত একটি বিখ্যাত তৈল চিত্র ।
ছবি-৫ : A tale from the Decameron by John William Waterhouse

সুত্র : https://en.wikipedia.org/wiki/The_Decameron#/media/File:Waterhouse_decameron.jpg
বর্তমানে চিত্র কর্মটি Lady Lever Art Gallery, Port Sunlight, UK তে সংরক্ষিত ।
ইটালীর রেঁনেসা যুগের এই বিখ্যাত লেখকের ডেকামেরন উপন্যাসে থাকা গল্প অবলম্বনে প্রায় পাঁচশত বছর পরে আর এক বিশ্ববরেন্য ইংরেজ রোমান্টিক কবি জন কিটস ( John Keats) লিখেন ইসাবেল বা তুলসি পাত্র ( Isabel, or Pot of Basil) শিরোনামে একটি বর্ণনামুলক কবিতা, প্রকাশকাল ১৮১৮ সাল ।
উল্লেখ্য জন কিটস যক্ষাক্রান্ত হয়ে মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যান । এই স্বল্প জীবন কালেই তিনি রেখে যান কিছু কালজয়ি কবিতা ।
ছবি-৬ : জন কিটস (৩১ অক্টোবর ১৭৯৫ - ২৩ ফেব্রুয়ারী ১৮২১)

সুত্র : উইলিয়াম হিলটনের আঁকা জন কিটসের ছবি https://bn.wikipedia.org/wiki /জন_কিটস#/media/John_Keats_by_William_Hilton.jpg
জন কিটস এর ‘ইসাবেলা বা পট অফ বাসিল‌’ কবিতাটিতে একজোড়া প্রেমিক প্রেমিকার বিয়োগান্তক করুণ প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে । সুন্দরী যুবতী ইসাবেলার পরিবার তাকে উচ্চ অভিজাত বংশীয় ধনবান লোক ও তার জলপাই গাছের সাথে বিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিল। কিন্তু যুবতি ইছাবেলা তার বিত্তশালী ব্যবসায়ী ভাইদের এক কর্মচারী লরেঞ্জোর প্রেমাসক্ত হয়ে পড়ে । ইসাবেলা এবং লোরেঞ্জোর মধ্যে প্রস্ফুটিত প্রেম নিয়ে ইসাবেলার ভাইএরা হয় অসন্তুষ্ট । তাই তার ভাইয়েরা লোরেঞ্জোকে বেড়ানোর নাম করে নির্জন স্থানে পাঠিয়ে হত্যা করে জঙ্গলের মধ্যে মাটিতে পুতে রাখে । পরে লরেঞ্জো ভূত রূপে উপস্থিত হয়ে ইসাবেলার কাছে তার সমাহিত দেহটি কোথায় খুঁজে পাবে সেসব কথা বলে দেয়। ইসাবেলা সমাহিত স্থানটি খনন করে লরেঞ্জোর মাথা কেটে নিয়ে আসে এবং তুলসী গাছ লাগানো একটি পাত্রে সমাহিত করে। নীজের চোখের অশ্রু দিয়ে তাতে জল সিঞ্চন করে। অবশেষে তার ভাইএরা সন্দেহপ্রবন হয়ে পরে ,তারা পাত্রটি চুরি করে পালিয়ে যায়। ইসাবেলা দুঃখে পাগল হয়ে মারা যায়। কবিতাটিতে পরিষ্ফুট হয় যে সত্যিকারের প্রেম মসৃণ গতিতে চলতে পারেনা, একটি করুন বিয়োগান্তক ঘটনার মধ্য দিয়ে তার পরিসমাপ্তি ঘটে।

কিটস এর কবিতাটি মোট ৬৩টি স্তবকে লিখিত । এখানে সেই বিশাল কবিতাটি হতে প্রথম, মাঝের ও শেষ দিকের কয়েকটি স্তবকের একটি বঙ্গানুবাদ তুলে ধরে ইসাবেলার মর্মান্তিক জীবন কাহিনীর শুরু ও শেষটার কিছু মহুর্তের কথা তুলে ধরা হয়েছে । এখানে বলে রাখি, কিটসের মত জগত বিখ্যাত কবির কবিতায় ব্যবহৃত অপুর্ব ব্যঞ্জনাময় ও মহুমুখী ভাবধারা সম্পন্ন শব্দ সমুহ, সে সাথে মাঝে মাঝে বেশ কিছু পুরাতন ইংরেজী শব্দ মিশ্রিত কবিতাটির সহি বাংলা অনুবাদ করা আমার পক্ষে বেশ কঠীন বিষয়, তবে আলোচনার প্রয়োজনে যতটুকু পারা যায় কবিতাটির একটি সরল বঙ্গানুবাদ, বলতে গেলে ভাবানুবাদ এখানে গ্রথিত করা হলো ।

এখানে উল্লেখ্য যে, এই কবিতার অনেক জায়গায় একই চরণে লরেঞ্জো ও ইসাবেলার তৃতীয় লিঙ্গকে He এবং She দিয়ে প্রকাশ করায় এর একটি মাত্র বাংলা প্রতিশব্দ ‘সে’দিয়ে প্রকাশ করা বেশ কঠিন । তাই প্রয়োজন অনুযায়ী শব্দ দুটিকে লরেঞ্জো( যুবক) ও ইসাবেলা ( যুবতি) দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। মনে হচ্ছে বাংলা ভাষায় He এবং She এর সঠিক লিঙ্গ বিভাজন বোধক শব্দ উদ্ভাবন করা প্রয়োজন। এই লিংক ফলো করে আগ্রহী পাঠকগন সম্পুর্ণ মূল কবিতাটি পাঠ করে নিতে পারবেন ।
https://genius.com/John-keats-isabella-or-the-pot-of-basil-annotated








ছবিটি প্রি-রাফেলাইট চিত্রকর্মের রুটের সাথে যুক্ত ।


প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিভিন্ন পর্বে লেখা ডেকামেরনে অনেক মজার মজার গল্প কথার সমাহার রয়েছে। ডেকামেরনের গল্পগাথা হতে সে সময়কার অনেক কবি সাহিত্যিক ও চিত্রকরেরা বেশ কিছু সুন্দর সুন্দর চিত্র কর্মও সৃজন করেছেন। ডেকামেরন এর গল্পগাথা অনুসরনে জন উইলিয়াম ওয়াটারহাওস কতৃক কেনভাসে অঙ্কিত একটি বিখ্যাত তৈল চিত্র উপরে পুর্বেই দেখানো হয়েছে।

উল্লেখ্য ১৮৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রি-রাফেলাইট ব্রাদারহুড (Pre-Raphaelite Brotherhood) নামে ইংরেজ চিত্রশিল্পী, কবি এবং শিল্প সমালোচকদের একটি গ্রুপ ছিল।কবিতাটি প্রি-রাফেলাইট চিত্রশিল্পীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল,যদিও কবিতা কোন চিত্রকল্পের বিষয় নয়, ভাববোধ বা ভাব সৃষ্টির বিষয়ই হলো কবিতা। তাইতো কবিতাটির ভাববোধ বা সৃষ্টভাবের অনুসরনে বেশ কজন নামকরা চিত্রশিল্পী এর কয়েকটি পর্বের বিশেষ মহুর্তের চিত্র রংতুলিতে তুলে ধরেছিলেন।এদের মধ্যে প্রচ্ছদে দেখানো শিল্পকর্মটি উইলিয়াম হলম্যান হান্ট সৃজিত ইসাবেলা বা পট অফ বাসিল, যা সমসাময়িককালে বেশী খ্যাতি পায়।এই কবিতাটি অবলম্বনে আরেক খ্যতিমান চিত্রশিল্পী জন উইলিয়াম ওয়াটার হাউস Isabella and the Pot of Basil শিরোনামে সৃস্টি করেন আরো একটি সুন্দর চিত্রকর্ম ।
ছবি -৭ : জন উইলিয়াম ওয়াটারহাউস অঙ্কিত Isabella and the Pot of Basil

সুত্র : Click This Link
কিটসের কবিতা অবলম্বনে John Everett Millais ‘ইসাবেলা’( লরেঞ্জো ও ইসাবেলা নামেও পরিচিত )শীরোনামে একটি তৈল চিত্র সৃষ্টি করেন ।প্রি-রাফেলাইট শৈলীতে অঙ্কিত জন এভারেট মিল্লাইসের চিত্রকর্মটি ১৮৪৯ সালে রয়্যাল একাডেমিতে প্রথম প্রদর্শিত হয়েছিল এবং এখন এটি রয়েছে লিভারপুলের ওয়াকার আর্ট গ্যালারী সংকলনে।
চিত্রটিতে ইসাবেলাকে খুবই বিমর্ষ দেখাচ্ছিল যখন তার একজন ভাই ক্রোধের বশবর্তী হয়ে তার কুকুরটিকে লাথি মারে। মিল্লাইস সৃষ্ট ‘ইসাবেলা মধ্যযুগীয় বিবরণ প্রকাশের দক্ষতার এক চমকপ্রদ উদাহরণ, চিত্রে দেখানো ইসাবেলার বিমর্ষ , পাতলা চেহারাটি রেনেসাঁস ম্যাডোনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
ছবি -৮ : এভারেট মিল্লাইস অঙ্কিত ইসাবেলা (লোরেঞ্জো এবং ইসাবেলা নামে পরিচিত)


গিউভান্নী বোকাচ্চিউর ডেকামেরন উপন্যাস ‘লিসাবেত্তা ই ইল টেস্টো ডি বাসিলিকো’ (১৩৪৯ – ১৩৫৩) পর্বের কাহিনীর বিশেষ মহুর্তগুলি কিটসের কবিতা ইসাবেলা বা পট অফ বাসিল দ্বারা পুনরুজ্জিবিত করা হয়েছিল,যেখানে মধ্যযুগীয় ধনী ব্যবসায়ীদের বোন ইসাবেলা এবং তাদের কর্মচারী লরেঞ্জোর মধ্যকার সম্পর্কের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এখানে মিল্লাসের চিত্রকর্মটি সেই মুহুর্তটি চিত্রিত করেছে যেখানে ইসাবেলার ভাইরা বুঝতে পেরেছিলেন যে ইছাবেলা ও লরেঞ্জোর মধ্যে একটি প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে, একারণে লরেঞ্জোকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল যাতে করে তারা ইসাবেলাকে একজন ধনী আভিজাত্যের সাথে বিয়ে দিতে পারে ।
জন এভারেট মিল্লাইস ১৮৪৮-৯ সালে প্রি-রাফেলাইট চিত্রকলার প্রথম প্রবন্ধে এই বিষয়টির অবতারনা করেছিলেন। মিল্লাইস অঙ্কিত নীচের ’চিত্রকর্মটিতে দেখা যায় মধ্যযুগীয় নিন্মশেণীর প্রেমিকগন তাদের চারপাশের অন্যদের কাছে ছিল অবহেলিত, যেমন ইসাবেলা লোরেঞ্জোকে লজ্জাজনকভাবে মলিনমুখে একটি প্লেটে রক্তের কমলা পরিবেশন করছে দেখা যায় ।
ছবি - ৯ : Isabella and her lover, whose head ultimately ends up in a pot of basil.

সুত্র: Click This Link)
পরে জন হোয়াইট আলেকজান্ডার তাঁর ১৮৯৭ সনে প্রকাশিত এক কবিতায় ইসাবেলা এবং পট অফ বাসিলের কবিতাটি চিত্রিত করেছেন, বর্তমানে বোস্টনের ফাইন আর্টস মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে ।

ছবি সুত্র : Click This Link

বিপরীতে, উইলিয়াম হান্টের চিত্রটি যেন একটি ঘন কাল কেশবতী ভূমধ্যসাগরীয় চেহারাযুক্ত বহিরাগত মহিলার চিত্র ।এখানে ইসাবেলা খোলাকাশের তাকিয়ে আছে, তার বাহুদুটি কোমলভাবে মাথার খুলি দিয়ে সজ্জিত একটি পাত্রকে আলিঙ্গন করেছে, যা হান্ট ফ্লোরেন্সে দেখেছেন এমন উদাহরণের ভিত্তিতে। সে একটি গাউন জাতীয পোশাক পরে আছে, তার বক্ররেখার উপর জোর দিয়ে নাইট ড্রেস আঁকড়ে ধরেছে এবং তার পদযুগল খালি রয়েছে, যা এই চিত্রটির আরও বেশি কামুক সংস্করণ তৈরি করেছে।

উইলিয়াম হলম্যান হান্ট অঙ্কিত চিত্র কর্মটির ইতিবৃত্ত নিয়ে দু চারটি কথা প্রসঙ্গক্রমে এখানে বলা যায় ।
পুর্বেই বলা হয়েছে ইসাবেলা,বা পট অফ বাসিল অবলম্বনে চিত্রকর্মটি সম্পন্ন হয়েছিল ১৮৬৮ সালে। এটিতে নায়িকা ইসাবেলা একটি তুলসী পাত্রে তার খুন হওয়া প্রেমিক লরেঞ্জোর কাটা মাথাটি সমাহিত করে তার বেদীতে মাথা রেখে শোকাতুর থাকার দৃশ্যাবলি চিত্রিত করেছেন। উইলিয়াম হলমেন হান্ট ছিলেন প্রি-রাফেলাইট ব্রাদারহুড গ্রপের একজন খ্যতিমান ইংরেজ চিত্রশিল্পী ।
ছবি -১০ : উইলিয়াম হলমেন হান্ট ( ২ এপ্রিল ১৮২৭- ৭ সেপ্টেম্বর ১৯১০)

সুত্র Click This Link
প্রাক-রাফেলাইট ব্রাদারহুড প্রতিষ্ঠার অল্প সময়ের পরে ১৮৪৮ সনে হান্ট এই কবিতাটি অবলম্বনে একটি চিত্র তুলে ধরেছিলেন, তবে তিনি সেটিকে একটি সম্পূর্ণ চিত্রকর্মে পরিণত করেননি। চিত্রটিতে কিছু আলাদা দৃশ্যে চিত্রিত হয়েছিল যথা ইসাবেলার ভাইরা যখন তাদের ব্যবসায়ী অ্যাকাউন্টস এবং ক্রয়াদেশগুলি পর্যালোচনা করছিন সে সময় সেখানে লরেনজোকে তাদের একজন সাধারণ কর্মচারী হিসাবে চিত্রিত করা হয়েছিল।

পরবর্তীতে হান্ট তাঁর বিয়ের কিছু পরে ১৮৬৬ সালে পুনরায় এই কবিতায় ফিরে আসেন, যখন তিনি বেশ কয়েকটি আবেগঘন ঘ বিষয় আঁকতে শুরু করেন। এই সময়ে তিনি তাঁর গর্ভবতী স্ত্রী ফ্যানির সাথে ইতালিতে ভ্রমণে যান । ১৮৬৬ সালের ডিসেম্বরে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা ফ্যানি মারা যান। স্ত্রীর মৃত্যুর কয়েক মাস পরে অবিচ্ছিন্নভাবে চিত্রকর্মটি নিয়ে কাজ করেন , ১৮৬৭ সালে ইংল্যান্ডে ফিরে এসে অবশেষে ১৮৬৮ সালের জানুয়ারিতে এটি সম্পন্ন করেছিলেন। চিত্রকর্মটি আর্নেস্ট গাম্বার্ট নামে একজন বিত্তবান চিত্র ব্যবসায়ী কিনেছিলেন এবং এর একটি প্রদর্শনী করেছিলেন। উল্লেখ্য চিত্রকর্মটি ২০০৪ সনে লন্ডনে অনুষ্ঠিত নিলামে ৪.৪৬ মিলিয়ন ডলারে ডাক উঠেছিল । বর্তমানে এটি Laing Art Gallery, Newcastle Upon Tyne এ প্রদর্শনীর জন্য সংরক্ষিত আছে ।

সুত্র: Click This Link
পেইন্টিংয়ে চিত্রিত ইসাবেলা ঘুমাতে পারছে না, একটি অর্ধ-স্বচ্ছ নাইটগাউন পরে সবেমাত্র তার বিছানা ছেড়ে গেছে, সে লরেনজোর পায়ের কাছে একটি বেদী তৈরি করেছেন, তার উপরে প্রচুর পরিমাণে সূচিকর্মযুক্ত কাপড় স্থাপন করা হয়েছে। কাপড়ের উপর মাজোলিকার পাত্রটি রয়েছে, খুলি দিয়ে সজ্জিত, এতে লরেঞ্জোর মাথাটি অন্তর্নিহিত। ইসাবেলার প্রচুর চুল পাত্রের ওপরে এবং বাড়ন্ত তুলসি গাছের চারপাশে পতিত , চিত্রটি কিটসের এই কথা প্রতিফলিত করে যে ইসাবেলা "তার প্রিয় তুলসী চিরকাল ধরে ঝুলিয়ে রেখেছিল / এবং কান্নায় ভিজিয়ে দিয়েছিল"। চিত্রকর্মটিতে কামুকতা, সমৃদ্ধ রঙ এবং বিস্তৃত আলংকারিক বিষয়াদির উপর জোরালো ছাপ সমুহ হান্টের প্রাক-রাফেলাইট সহযোগীদের যথা জন এভার্ট মিলাস এর Pot Pourri, এবং দান্তে গাব্রিয়েল রোসেটির Venus Verticordia চিত্র কর্ম সমুহের ছাপ রয়েছে ।
ছবি – ১১ : এভার্ট মিল্লাত অঙ্কিত Pot Pourri

সুত্র : Click This Link
দান্তে গাব্রিয়েল রোসেটি‌র Venus Verticordia, কাজের বিকাশমান নান্দনিক আন্দোলন এবং অনুরূপ বৈশিষ্ট্যগুলি প্রতিফলিত হয়েছে
ছবি – ১২ : দান্তে গাব্রিয়েল রোসেটি অঙ্কিত ভেনাস ভার্টিকর্ডিয়া

সুত্র: Click This Link)#/media/File:Dante_Gabriel_Rossetti_-_Venus_Verticordia.jpg
Russell-art gallery and museum in Bournemouth, England চিত্র কর্মটি সংরক্ষিত আছে ।
দান্তে গ্যাব্রিয়েল রোসেটে অঙ্কিত ভেনাস ভার্টিকর্ডিয়া ঘন সবুজ বাগানে গোলাপী ফুল ঘেরা সুন্দর স্বর্নালী চুলের এক যুবতি মহিলা যা দেবী ভেনাসেরই একটি অর্ধ-নগ্ন চিত্র। তার বাম স্তনটি দৃশ্যমান, ডানদিকে অস্পষ্ট সোনালী আপেল যা তিনি তার বাম হাতে ধরেছেন। চিত্রটির মর্মার্থ হলো ভেনাসের ক্ষমতা রয়েছে মহিলাদের হৃদয়কে পূণ্যের দিকে ধাবিত করা 'Venus, Changer of the heart', derives from Latin and refers to Venus's ability to turn women's hearts towards virtue.
চিত্রটির নান্দনিক আন্দোলন হান্টের প্রাক-রাফেলাইট সহযোগী জন এভারেট মিল্লাইস এর পট পুরি এবং দান্তে গ্যাব্রিয়েল রোসেটির ভেনাস ভার্টিকর্ডিয়াতে থাকা একই রকম বৈশিষ্ট্যগুলি প্রতিফলিত করে।

এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে শুধুমাত্র চিত্রশিল্পীগনই নন এই কবিতাটিতে জন কিটসেরই অপর একটি কবিতা যথা “ সেন্ট অ্যাগনেস অফ দ্য ইভের” পূর্বসূর নিহীত রয়েছে। মধ্যযুগের বিপজ্জনক রোম্যান্স আর উদ্বেগ মিশ্রিত জন কিটসের এই কবিতাটি ১৮২০ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। কবিতাটিকে কিটসের অনেক সমসাময়িক এবং ভিক্টোরিয়ান্স উত্তরসূরিগন অন্যতম সেরা কবিতা হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন এবং ১৯ শতকের সাহিত্যে বেশ প্রভাবশালী কবিতা হিসাবেই স্বীকৃতি পেয়েছিল ।
ছবি-১৩ : Eve of St Agnes, John Everett Millaisc. 1863

সুত্র :https://www.wikiart.org/en/john-everett-millais/the-eve-of-saint-agnes-1863

কিটস তাঁর Eve of St Agnes কবিতাকে লোক-বিশ্বাসের ভিত্তিতে গড়ে তুলেছিলেন। উল্লেখ্য দরবেশ অ্যাগনেস ছিলেন ভার্জিনের পেটরন সেন্ট ।কোন মেয়ে তার স্বপ্নের ভবিষ্যতে স্বামীকে দেখতে পারে যদি সে সেন্ট অ্যাগনেস এর সমীপে নিয়মাচার মেনে প্রার্থনা করে । নিয়মটি হলো কুমারী মেয়েটি কোন প্রকার নৈশভোজ না করে বিছানায় গিয়ে প্রভুর প্রতি প্রার্থনা করার সময় পিনকুশন থেকে একটি একটি করে পিন তুলে নীজ হাতাতে (sleeve) ফুটায় আর প্রভু সেন্ট অ্যাগনেসের কাছে কাছে প্রার্থনা গীতে বলে "অ্যাগনেস মিষ্টি, এবং অ্যাগনেস ফেয়ার, এখানে, এখনই নজর দিন ; বনি অ্যাগনেস, যে বালকটি আমাকে বিয়ে করবে তাকে দেখতে দিন।" এমনভাবে নিয়মাচার মেনে প্রার্থনা করলে মেয়েটির কাছে তার কাঙ্খিত স্বামী স্বপ্নে উপস্থিত হতেন।

মোদ্দাকথা হলো, কবিতা কবিতার জন্ম দেয়, জন্ম দেয় শিল্পের , জাগিয়ে তুলে মানুষের মনে সুকুমার শিল্প সত্তার, মানুষ হয় বিনয়ী উচ্চ বিত্ত ও নিন্ম বিত্তের মাঝে বিভেদের দেয়াল ভেঙ্গে করে খান খান, জগত পায় মুক্তির দিশা । কবিতার কথা মালা অনুপ্রানিত করে চিত্রশিল্পকে আর চিত্রশিল্প অনুপ্রানিত করে কথা শিল্পকে । একটি দুর্দান্ত কাব্যগাথা দ্বারা কেমন করে উদ্দীপক সৃজনশীলতা বাড়ানো যায় তার একটি উদাহরণ হলো ১৮৯৩ সালে উইলিয়াম ওয়াটারহাউস অঙ্কিত নীচের চিত্রিটি ।
ছবি-১৪ : La Belle Dame sans Merci 1893

সুত্র : Click This Link).jpg
কোভিড ১৯ পেনডেমিক আকার ধারণ করেছে । এখন পর্যন্ত দুনিয়া জুরে ১৭.৫৬ কোটি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন ,৩৭.৯০ লক্ষাধিক মানুষ মৃত্যুবরন করেছেন( তথ্যসুত্র ওয়ার্ল্ডোমিটার), এর মধ্যে বাংলাদেশে ৮.২২ লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন যার মধ্যে ১৩হাজার মানুষ মৃত্যুবরন করেছেন। করোনার বিস্তার এখনো উর্দ্র্বমুখী। বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন যথাযথ টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে মানবদেহে এর জীবননাশী ক্ষমতা বিনাশ করতে। সকলে চেষ্টা করছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও বিবিধ প্রকারে সামাজিক দুরত্ব ও কোয়ানেন্টাইন মেনে চলে নীজে বাঁচ, পৃথিবীর মানবকুলকে বাঁচাও এ নীতি কঠোরভাবে মেনে চলতে । ব্ল্যাক ডেথের সময়কালে যেমনিভাবে রচিত হয়েছে গল্প গাথা , কবিতা চিত্র কথা, তেমনটি আমরাও গিউভান্নী বোকাচ্চিউর মত সামুর এই প্লাট ফর্মটিকে ব্যবহার করে ফ্লোরেন্সের সেই গল্পকারদের মত বিবিধ ধরনের গল্প কবিতা, চিত্রকর্ম কিংবা গঠনমুলক যে কোন লেখা জোকা দিয়ে উদ্দীপক সৃজনশীলতার চর্চা করতে পারি । অনেকেই কোভিড ১৯ এর করুন গাথা নিয়ে বেশ কিছু সাহিত্য কর্ম রচনা করেছেন এবং প্রকাশ করেছেন সামুর পাতাতে । তাঁদের সকলের প্রতি রইল অপরিসীম ভালবাসা ও শ্রদ্ধা।

উৎসর্গ
এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে এই ব্লগের একজন ব্লগার ও গুণী কবি খায়রুল আহসান গত ৪ঠা জুন ২০২১ তারিখে ‘কবিতাঃ ‘কভিড-১৯’ - মধ্য একুশে’
শিরোনামে একটি কবিতা লিখেছেন ।কবিতাটি পাঠে এতই অভিভুত হয়েছিলাম যে মন্তব্যের ঘরে আমি বলেছি "করোনা নিয়ে কবিতাটি এমন সময়ে লেখা হয়েছে যখন করোনা নিয়ে শৈল্পিক প্রকাশটি সচরাচর আর কোথাও পরিলক্ষিত হয়না । তাই এটি করোনার ভয়ঙ্কর শৈল্পিক শক্তির এক দুর্দান্ত উদাহরণ বলে মানতেই হয়"। তাঁর কবিতার কথামালায় অনুপ্রানীত হয়ে ভাবতে থাকি একটি কালোর্ত্তীর্ণ কবিতা কিভাবে কবিতার জন্ম দেয়, জন্ম দেয় শিল্পের , জাগিয়ে তুলে মানুষের মনে সুকুমার শিল্প সত্তা সেসব কথা ভাবতে গিয়ে এই পোষ্টের জন্য শুরু করি একটি লেখা । তাই অনুপ্রেরণার কেন্দ্রমুলে থাকা শ্রদ্ধেয় ব্লগার জনাব খায়রুল আহসানের প্রতি লেখাটি উৎসর্গিত।


তথ্য ও ছবি সুত্র :
যথাস্থানে লিংক যুক্ত করা হয়েছে।
পোষ্টে ব্যবহৃত ছবিগুলি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সহ সুত্রে থাকা পাবলিক ডোমেইন হতে নেয়া হয়েছে ।
এছাড়া নিন্মোক্ত সুত্র হতে তথ্যের জন্য সাহায্য নেয়া হয়েছে :
The bibliography of John Keats poetry. Available at Click This Link
( accessed on 07/06/2021)
Isabella, or the Pot of Basil (1818)। Available at Click This Link (accessed on 07/06/2021)
The Decameron , Available at https://en.wikipedia.org/wiki/The_Decameron (accessed on 07/06/2021)
La Belle Dame sans Merci। Available at Click This Link
Accessed on 07/06/21)

মন্তব্য ৬৫ টি রেটিং +২৬/-০

মন্তব্য (৬৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:১৭

মিরোরডডল বলেছেন:




জন কিটসের লেখা আর সেটার বিশ্লেষণ যেমন সুন্দর হয়েছে, পোষ্টে দেয়া ছবিগুলোও চমৎকার হয়েছে ।
স্পেশালি মূল ছবিটা দারুণ !

একজন প্রিয় ব্লগার আরেকজন প্রিয় ব্লগারকে উৎসর্গ করেছেন, এ বিষয়টাও ভালো লেগেছে ।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



লেখা ও বিশ্লেষন সুন্দর হয়েছে জেনে খুশি হলাম ।
আমাদের বিখ্যাত সকল কবিগনই বিদেশী কবি
সাহিত্যিকদের নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করতেন ।
তাদের বিষয়ে অনেক মুল্যবান লেখা আমাদের
জন্য প্রকাশ করতেন । আমাদের শিক্ষনের জন্য
সেগুলি বেশ গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রেখেছে ।

উৎসর্গ ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

২| ১৩ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩৪

মিরোরডডল বলেছেন:



জন কিটসের আমার পছন্দের দুটো কোটস

"Heard melodies are sweet, but those unheard are sweeter."

"You are always new, the last of your kisses was ever the sweetest."


১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




জন কিটসের উপরের উদ্ধৃতি দুটু আসলেই খুবই মধুর

"শোনা সুরগুলি মিষ্টি তবে অপ্রয়োজনীয়গুলি আরো বেশী মিষ্টি" "
"তুমি সবসময় নতুন,তোমার শেষ চুমুগুলি ছিল জনমের মত মিষ্ট "

মরণঘাতি যক্ষা কেরে নিল এই মহান কবিকে অকালেই।

কবির প্রতি রইল গভির শ্রদ্ধাঞ্জলী

৩| ১৩ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার মত একজন অতি সাধারণ ব্লগারকে আপনার এই জ্ঞানগর্ভ, তথ্যসমৃদ্ধ পোস্টটি উৎসর্গ করে যে সম্মান জানালেন, তাতে আমি অভিভূত হয়েছি। আপাততঃ শুধু ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গেলাম। পরে লেখাটি আদ্যোপান্ত পড়ে পুনরায় মন্তব্যে আসবো, ইন শা আল্লাহ!

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:৩৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনি বিনয়ের অবতার, তাইতো কথায় ও প্রকাশে
বিনয়ের সুর ,জ্ঞানী গুণী মানুষের এটাই আসল স্বরূপ ।
অতি সাধারণ একটি লেখার উৎসর্গ গ্রহন করেছেন
দেখে দারুন আনন্দিত হয়েছে মোর চিত্ত ।
আপনার মুল্যবান মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

৪| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:০০

জটিল ভাই বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট :)

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:৩৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্ট সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৫| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:৩১

কল্পদ্রুম বলেছেন: নিজের বিবেচনায় মনে হচ্ছে, উইলিয়াম হান্টের আঁকা ইসাবেলা অনেকগুলো অনুভূতিকে একসাথে ধরতে পেরেছে। দ্বিতীয়তে থাকবে উইলিয়াম ওয়াটারহাইজের আঁকা ছবিটি। পুরো পোস্ট জুড়ে রঙের ছড়াছড়ি।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


মুল্যায়ন একেবারে সঠিক হয়েছে ।
বুঝাই যাচ্ছে গভীর মনযোগ দিয়ে
দেখেছেন । এধরনের লেখার উপর
বোদ্ধা পাঠক পাওয়া সহজ কথা নয়।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৬| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৩:৫৭

সোহানী বলেছেন: অদ্ভুত কিছু জানলাম। ছবি, কবিতা, সমসাময়িক পরিস্থিতির সাথে তুলনা.......... অসম্ভব ভালো কিছু পড়লাম।

পরিশেষে আহবানে সমর্থন থাকলো। আমিও করোনা শুরুতে দৈনন্দিন পরিস্থিতি নিয়ে ডায়রী লিখা শুরু করেছিলাম। যদিও এক পর্যায়ে থেমে গেছে অনেক কিছুর মতো।

উৎসর্গ অবশ্যই যথাযথ। সে কবিতাটিতে চমৎকারভাবে পুরো করোনাকালীন বিষয় তুলে ধরেছেন খায়রুল ভাই।

আনেকদিন পর লিখলেন। তবে পরশ পাথরের খোঁজ এর অপেক্ষায় আছি কিন্তু।

১৪ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:২৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অদ্ভুত মনে হলেও অসম্ভব ভালো কিছু পড়লেন
জেনে অনেক অনেক খুশী হলাম ।
ভাল লাগাটাই আসলে বিরাট এক অদ্ভুত ব্যপার ।
কবিতা গল্প উপন্যাস ভাল লাগা একটি আপেক্ষিক
বিষয় । পাঠকের মন মানসিতার উপর ভাললাগা
নির্ভর করে ।সেদিক বিবেচনায় আপনি একজন
ভাল পাঠক , শুধু পাঠক কেন লেখকও বটে । দরিদ্রের
কল্যানে আপনার বই বিক্রয়ের অর্থ ব্যয়ের কথা
জানতে পরে ভাল লাগল । গনমূখী লেখিকা
সর্বদিক দিয়েই গনমুখী আর কল্যানময়ী ।

উৎসর্গ যথাযথ হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।

পরশ পাথর প্রাপ্তি নিয়ে লেখা অনেকটা এগিয়ে
আছে । লেখাটিতে কিছু ঐতিহাসিক কথামালা
থাকায় সেগুলির সত্যতা নিরুপন করে করে
লেখা এগিয়ে যেতে পারছেনা । তাই দেরী
হচ্ছে । তবে লেখার কাজ চলছে ।

শুভেচ্ছা রইল

৭| ১৪ ই জুন, ২০২১ ভোর ৬:১৯

নজসু বলেছেন:


আস সালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই। আশা করি ভালো আছেন।
আপনার এই তথ্যবহুল পোষ্টগুলো পাঠ করে কিছু বলতে পারিনা আমি। কি বলবো, কি লিখবো সেটা বুঝে উঠতে পারিনা।
তবে, অনুভব করতে পারি নিজেকে সমৃদ্ধ করেছি। জানার পরিধি বেড়েছে আমার।

জন কীটসকে আমাদের সুকান্ত মনে হয়।
কিংবা সুকান্তকেই আমার জন কীটস মনে হয়।
এনাদের ভাগ্যে পৃথিবীর আলো বাতাস আরও কিছু সময় থাকলে আমরা হয়তো আরও অনেক কিছু উপহার পেতাম।

প্রিয় ভাই, আপনার লেখাটি প্রিয়তে রেখে দিলাম। লাইক তো বটেই। অসম্ভব ভালো লেগেছে আমার।
আর ছবিগুলো এক কথায় দারুণ।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:৫১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ওয়ালাইকুম সালাম।ভাল আছি, আশা করি আপনিউ ভাল আছেন।
কিছু বলতে পারিনা বললেও আনেক মুল্যবান কথা বলে দিয়েছেন।
নীজকে সমৃদ্ধ করাসহ জানার পরিধির কোন শেষ নাই।জানার চেষ্টা
বৃথা তাই, এ কথাটি শুনেছিলাম হিরক রাজার কথামালাতে ।

আপনি ঠিকই বলেছেন জন কিটসকে আমাদের সুকান্তই মনে হয় ।
মরণব্যধি যক্ষায় আক্রান্ত হয়ে আকালে তিনি প্রান হারালেন। ইংল্যান্ডে
শীত বেশী থাকায় কাশীর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় অপেক্ষাকৃত গরম
আবহাওয়া থাকার জন্য তিনি ইতালীতে চলে গিয়েছিলেন কিন্তু তাতেও
রক্ষা মিলেনি । তিনি আরো কিছুদিন বেঁচে থাকলে আমাদেরকে অনেক
কিছুই উপহার দিয়ে যেতে পারতেন ।
লেখাট প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
ছবিগুলি দারুন হয়েছে শুনে ভাল লাগছে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।







৮| ১৪ ই জুন, ২০২১ সকাল ৯:০৬

নতুন নকিব বলেছেন:



তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট। অবশ্য আপনার প্রতিটি পোস্ট এমনই হয়ে থাকে। অজানা অনেক কিছু জেনে জ্ঞানের পরিধিকে বাড়িয়ে নেয়া যায়। উৎসর্গ যথার্থ।

ধন্যবাদ ভাই।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৩৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পোষ্টটি পাঠ করে ও দেখে মুল্যবান মন্তব্য
রেখে যাওয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

শুভেচ্ছা রইল

৯| ১৪ ই জুন, ২০২১ সকাল ১০:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার "‘কভিড-১৯’ - মধ্য একুশে" কবিতাটিতে রেখে আসা আপনার সেই মন্তব্যটি (৬ নং) পড়ে আমি তখনই ভীষণ উজ্জীবীত বোধ করেছিলাম। আজ এ পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছে, আমার সে কবিতাটি লিখা সার্থক হয়েছে। পোস্টটি "প্রিয়" তে তুলে রাখলাম।

দু'সপ্তাহে ১০ জন যুবকের গল্প বলে বলে দুঃসময়ের দুস্তর পথ পাড়ি দেবার ঘটনাটি একই সাথে কষ্টের এবং প্রেরণার। এভাবেই দুঃসময়ে সবাই একতাবদ্ধ থেকে বিপদ মোকাবিলা করতে হয়। এটাই সময়ের দীক্ষা, '৭১ সালে আমরা সবাই যা করেছিলাম। প্লেগে মৃত্যুবরণকারীদের মৃতদেহ বহনের চিত্রটা মর্মস্পর্শী!

এ পোস্ট পড়ে আরেকটা লাভ হলো। বঙ্গানুবাদ সহ জন কীটস এর সেই বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক কবিতাটির কিয়দংশ পাঠ।

পোস্টের শেষে এসে সামু'র ব্লগারদের প্রতি সৃজনশীলতা চর্চার যে আহবান জানিয়েছেন, তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইলো।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




মুল্যবান অনুপ্রেরনামুলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।
করুনা নিয়ে সৃজনশীল লেখালেখির জন্য
এ ব্লগে আপনিই পথিকৃত। আপনার দেখানো
পথেই চলা ।

কিটসের সাথে আপনি অনেক বেশী পরিচিত
সে কথা আমার কাছে ভালভাবেই অনুভুত ।

অনেক অনেক শুভকামনা রইল ।

১০| ১৪ ই জুন, ২০২১ সকাল ১০:৪৭

ইসিয়াক বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্টটি চমৎকার অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

১১| ১৪ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১২:০১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আবারও ইতিহাস ও অজানা অধ্যায় উঠে এলো আপনার পোস্টে। +++++

পাঠে অভিভূত। ধন্যবাদ।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

১২| ১৪ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১২:৩১

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: মহামারী মানুষের জীবনের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। লিখিত সাহিত্য,চিত্রকর্ম ছাড়াও মহামারীর আখ্যান এক সময় মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে গিয়ে ফোকলোরের অংশ হয়ে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বেঁচে থাকে। বিভিন্ন শিল্পীর বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ইসাবেলার রূপায়ণ মনোমুগ্ধকর। তবে প্রত্যেক শিল্পীই তাদের শিল্পে ইসাবেলার না পাওয়ার বেদনা, প্রেমিকের মৃত্যুর বিষাদ, অন্তহীন অপেক্ষা, মৃত প্রেমিকের প্রতি লালিত তার জীবন্ত ভালোবাসা, একই সাথে মৃত প্রেমিকের শোক এসব মনোজাগতিক অনুভূতিকে তাদের নিজস্ব স্টাইলে তুলে ধরেছেন। মহামারীর সময়কালে মহামারীকে উপজীব্য করে শৈল্পিক সাধনার অবতারণা ভালো লেগেছে।চমৎকার পোস্ট।উৎসর্গ যথাযথ। করোনা মহামারী শিল্পে সাহিত্যে ব্যাপক প্রভাব রাখবে বলেই মনে হয়।তবে এই মহামারী শেষ হবার পর হয়তো সেগুলো প্রকাশ্যে আসবে বলে ধারণা করি।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


যতার্থই বলেছেন মহামারী মানুষের জীবনের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে।
গিউভান্নী বোকাচ্চিউর মত সাহিত্য ও প্রাক-রাফাইলাট যুগের বিখ্যাত শিল্লী
সাহিত্যিকদের মত আমরাও রেখে যেতে পারি সৃজননশীল কর্মসম্ভার ।

বিভিন্ন শিল্পীর বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ইসাবেলার রূপায়ণ মনোমুগ্ধকর
একথা আপনার মত সকলেরই অনুভবে আসুক সে কামনাই করি ।

পোষ্টের সার কথা গুলিকে সঠিকভাবে অনুধাবন করে তুলে ধরেছেন মন্তব্যের ঘরে
ইসাবেলার না পাওয়ার বেদনা, প্রেমিকের মৃত্যুর বিষাদ, অন্তহীন অপেক্ষা,
মৃত প্রেমিকের প্রতি লালিত তার জীবন্ত ভালোবাসা, একই সাথে মৃত প্রেমিকের
শোক এসব মনোজাগতিক অনুভূতিকে তাদের নিজস্ব স্টাইলে তুলে ধরেছেন।


পোষ্ট চমৎকার ও উৎসর্গ যথাযথ হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।
করোনা মহামারী শিল্পে সাহিত্যে ব্যাপক প্রভাব রাখার
বিষয়ে আপনার যে প্রতিতি জন্মেছে তার প্রতি সমর্থন রইল ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৩| ১৪ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:২৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: ছবি আর তথ্য সমৃদ্ধ অতি চমৎকার পোস্ট।

অনেক বছর আছে আলবেয়ার কামুর লেখা উপন্যাস দ্য প্লেগ সেবা প্রকাশনীর অনুবাদ পড়ে ছিলা।
ছবি আর তথ্য সমৃদ্ধ অতি চমৎকার পোস্ট।

অনেক বছর আছে আলবেয়ার কামুর লেখা উপন্যাস দ্য প্লেগ সেবা প্রকাশনীর অনুবাদ পড়ে ছিলা।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৪২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পোষ্ট চমৎকার হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।
সেবা প্রকাশনী থেকে পএকাশিত
আলবেয়ার কামুর লেখা উপন্যাস দ্য প্লেগ
এর অনুবাদ গ্রন্থটির সংবাদ দেয়ায় আনেক
উপকার হলো , এটা সংগ্রহে নিব । বইটির
প্রচ্ছদের একটি সুন্দর ছবি যুক্ত করে পোষ্টটিকে
সমৃদ্ধ করার জন্য ধন্যবাদ ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৪| ১৪ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:৫১

দি রিফর্মার বলেছেন: অনেক গুলো বিখ্যাত ছবি ও তথ্য এক সাথে পেয়ে অনেক কিছুই জানতে পারলাম।
আপনাকে সশ্রদ্ধ সালাম ও অভিনন্দন।

শুভ কামনা রইল।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

আপনার অভিনন্দন সাদরে গৃহীত ।
আপনার প্রতিউ রইল সশ্রদ্ধ সালাম।

সে সাথে ভাল থাকার শুভ কামনা রইল ।

১৫| ১৪ ই জুন, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

আখেনাটেন বলেছেন:

কিছুদিন আগে করোনাভাইরাসকে রিলেট করে প্লেগের সময় যেভাবে সোসিও কালচারাল পরিবর্তন হয়েছিল সে বিষয়ে বিশদ একটি আর্টিকেল পড়েছিলা। আপনার এই লেখা আর একটি দিক বিস্তারিত তুলে ধরেছে। জিওভান্নি বোক্কাসিও এর 'দেকামেরন' নামে একটি সে সময়কার বাস্তব অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা রয়েছে। উনার একটি বক্তব্য ছিল এরকম, হাই মরটালিটি যেভাবে সামাজিক-সাংস্কৃতিক রেডিক্যাল পরিবর্তন ঘটায়। তারই ফলস্বরুপ হয়ত এসব চিত্রকর্ম।

অসাধারণ লেখা। পোস্টটি প্রিয়তে তুলে রাখলাম ভালো লাগা থেকে। :D

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



করোনাভাইরাসকে রিলেট করে সোসিও কালচারাল
পরিবর্তন সংক্রান্ত আর্টিকেল পড়ার জন্য খুবই লোভ
হচ্ছে । অনেক কিছু জানতে পারতাম । তথ্যটি
জানানোর জন্য ধন্যবাদ ।
প্রাক-রাফাইলাট যুগের চিত্রকর্মগুলির ভিত্তিমুল
হাই মরটালিটি প্রভাব হিসাবে সঠিকভাবে চিহ্নিত
করেছেন ।

লেখাটি অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখাটি প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভেচ্ছা রইল

১৬| ১৪ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৫৩

অপু তানভীর বলেছেন: খুবই চমৎকার পোস্ট এবং অসাধারণ ভাবে লেখা হয়েছে । ব্লগে এই ধরনের লেখা খুবই কম আছে । বিশেষ করে একটা চমৎকার ব্লগপোস্ট কিভাবে লিখতে হয়, এই পোস্টটা সেটার একটা চমৎকার উদাহরন হিসাবেই থাকবে ।
অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টটির জন্য !

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



পোষ্টটি খুবই চমৎকার এবং অসাধারণ
অনুভুত হওয়ার সাথে অনুপ্রেরণামুলক
একটি সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।

শুভকামনা রইল ।

১৭| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:১৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




মহামারী প্রান যেমন কারে তেমনি সৃষ্টিও করে নতুন নতুন ভাবনা। মৃত্যুপুরী থেকে ফিরে মানুষ তার ভয়াবহতাকে চিরস্মরণীয় করে রাখে বিভিন্ন উপায়ে।
সুন্দর সৃজনশীল এই লেখাতে জানা হলো অনেক না জানা কথা। কালো মরন থেকে শুরু করে ইতালীয় রেঁনেসা যুগের কুশলীদের ছুঁয়ে কবি জন কীটস হয়ে অনেক কিছুই উঠে এসেছে।

"ডেকামেরন" এর মতো আমাদেরও চাই কিছু " করোনামেরন" জাতীয় কিছু।
করোনা কালের দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে ব্লগের পাতায় গল্প-কবিতা-ছবি ইত্যাদি দিয়ে এই মহামারীকে অবিশ্বরণীয় করে রাখতে আপনার যে আবেদন তাতে সাড়া পড়ুক যাতে ব্লগ আর একটি "ডেকামেরন" হয়ে উঠতে পারে।

পোস্ট লাইকড+++++++++


১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সরস প্রাণবন্ত ও অতি প্রাসঙ্গিক মন্তব্যকারী হিসাবে এই সামু
পরিবারে আপনিই যে সেরা তারি আরেকটি প্রমান রেখে গেলেন
পোষ্টটি পাঠ ও দেখার পর এমনি একটি মনোমুগ্ধকর মন্তব্য করে ।

কত সহজ করে বলে গেলেন মহামারী প্রাণ যেমন কারে তেমনি
সৃষ্টিও করে নতুন নতুন ভাবনা। মৃত্যুপুরী থেকে ফিরে মানুষ তার
ভয়াবহতাকে চিরস্মরণীয় করে রাখে বিভিন্ন উপায়ে।


"ডেকামেরন" এর মতো আমাদেরও চাই কিছু " করোনামেরন" জাতীয় কিছু।
আপনার মুল্যবান এই প্রস্তাবনার সাথে পুর্ণ সহমত পোষন করছি ।
করোনা কালের দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে ব্লগের পাতায় গল্প-কবিতা-ছবি ইত্যাদি
দিয়ে এই মহামারীকে অবিশ্বরণীয় করে রাখার জন্য আপনার প্রস্তাবনাটির
বহুল প্রচার কামনা করছি । এ লক্ষ্যে আপনিই হতে পারেন অগ্রনি সেনাদের
একজন ।
"ডেকামেরন" এর মতো আমাদেরও চাই কিছু " করোনামেরন" জাতীয় কিছু।
তাই ব্লগে করোনামেরন এর উদ্যোগ নিলে আমরা আছি এর সাথে , এ কথাটি
দৃঢ়ভাবে বলতে পারি ।

এত এত প্লাস চিহ্ন সহ লাইকের কথা শুনে আপ্লুত হয়েছি

শুভেচ্ছা রইল

১৮| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




টাইপো - "মহামারী প্রান যেমন কারে " হবে < মহামারী প্রান যেমন কাড়ে
দুঃখিত।

১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



দু:খিত হওয়ার কোন প্রয়োজন নাই । হামারী সাথে ম লাগাতে হবে
এটা খুব সহজেই বুঝে নিয়েছি , এটা যে টাইপিং প্রমাদ সেটা বুঝাই
যায় । আমার যে এরকম কত হাজার হাজার প্রমাদ হয় তা কি বলতে ।
যাহোক এখানে আবার এসেছেন সেটাই আমার পরম পাওয়া ।

শুভেচ্ছা রইল

১৯| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৫৪

কঙ্কাবতী রাজকন্যা বলেছেন: এই লেখাটা আমি কাল রাতেই পড়েছি।

ভিষন ভালো লেগেছে।

আর এটা জেনে ভালো লেগেছে যে একটি মহামরীকালও কালের সাক্ষী হয়ে থাকে শিল্প ও সাহিত্যে, কাব্যে বা বন্দনায়।

এবারের করোনাকালে আমি ছাদ বা বারান্দাবাগানের শিল্প দেখেছি।যাদের শখ বা ইচ্ছে ছিলো কিন্তু সময় বা সাধ্য ছিলো না তারাও সে সুযোগ যেমন পেয়েছে তেমনই শিল্প সাহিত্যেরও প্রসার ঘটেছে তাতেও কোনো সন্দেহ নেই। তবে ব্লগে একটা চর্চা শুরু করলে ভালোই হতো। কাব্য করোনাকাল..... গল্প করোনাকাল এমন সব শিরোনামে....

১৫ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




পড়াশুনার জন্য রাতই উত্তম সময় ।
লেখাটি ভিষন ভাল লেগেছে জেনে খুশী হলাম ।

বাগান শিল্পতো জীবন ঘনিষ্ট শিল্প , মানবের তরে
এর আবেদন আরো বেশী । শৈল্পির যে কোন কাজই ভাল ।
পেনডেমিক করোনা দমন কর্মটিকেও শৈল্পিক করা হয়েছে ।
নীচে দেখুন শৈল্পিক কারুকার্যময় মাস্ক পরিহিত একটি ছবি।

ছবি সুত্র :UNICEF Click This Link
ভালই বলেছেন কাব্য করোনাকাল, গল্প করোনাকাল
এমন সব শিরোনামে কাব্য চর্যা হোক ব্লগে । এখানে উল্লেখ্য
আহমেদ জী এস প্রস্তাব রেখেছেন "ডেকামেরন" এর মতো
আমাদেরও চাই কিছু " করোনামেরন" জাতীয় কিছু
যেখানে কবিতা গল্প ও চিত্রকলার বিষয় তুলে ধরা হবে ।

শুভেচ্ছা রইল

২০| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১০:৩৯

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার লেখাটি আবার পড়লাম বেশ আগ্রহ নিয়ে। তখন কিছু পার্ট বাদ পড়েছিল। আপনিও দেখছি ভেতরে জিওভান্নির অনেক কথা উল্লেখ করেছেন। মিশর, ইতালি, গ্রিস, তুরস্ক এই দেশগুলোর ইতিহাস নিয়ে আমার সীমাহীন আগ্রহ। আমার খালি মনে হয়, এরা কতটা অগ্রসর ছিল চিন্তা চেতনায় সে সময়েও। ভাবা যায়। এক একটি চিত্র, এক একটি জীবন্ত উপন্যাস যেন....।

'ইসাবেলা ঘুমাতে পারছে না'---এই কথার মতো করোনার পট পরিবর্তনে বর্তমান বিশ্বেও যদি কোনো চিত্রশিল্পি এরকম কিছু একটি বিশ্বকে উপহার দিয়ে যায়..সেটা একটি দারুন ব্যপার হবে।

আবারও ধন্যবাদ এরকম একটি চমৎকার লেখা উপহার দেওয়ার জন্য। বহুদিন মনে থাকবে এই লেখা। :D

১৫ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আবার এসে মুল্যবান মন্তব্য রেখে যাওয়ায় খুশী হয়েছি ।
আপনিতো বিশ্বসভ্যতা বিকাশে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার গুরুত্বপূর্ণ
অবদানসমূহ নিয়ে জ্ঞানগর্ব সচিত্র ভ্রমন বিবরণ দিয়ে পোষ্ট দিয়েই
চলেছেন । সেই মুল্যবান তথ্য সমৃদ্ধ সচিত্র পোষ্ট গুলি হতে আমরা
মিশরের ঐতিহাসিক নরপতি, ফারাও, মমি, পিরামিড প্রভৃতি সম্পর্কে
জ্ঞান লাভ করেই চলেছি ।
তুরস্ক গ্রীস ও ইতালীর ইতিহাস নিয়েও বিষদ পর্যালোচনার অবকাশ
আছে।আশা করি এদিকেও একটু মনযোগী হয়ে আমাদের জানার পরিধি
বৃদ্ধিতে সহায়তা করবেন ।
আপনি যতার্থই বলেছেন করোনার পট পরিবর্তনে বর্তমান বিশ্বেও অনেক
চিত্রশিল্পি বিশ্ববাসির জন্য রেখে রেখে যেতে পারেন মুল্যবান অবদান ।

শুভেচ্ছা রইল

২১| ১৪ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:২৯

আখেনাটেন বলেছেন: করোনাভাইরাসকে রিলেট করে সোসিও কালচারাল
পরিবর্তন সংক্রান্ত আর্টিকেল পড়ার জন্য খুবই লোভ
হচ্ছে । অনেক কিছু জানতে পারতাম
--- আপনার মন্তব্যটি দেখে স্মৃতি থেকে ঘেটে শেষে পেলাম। এই আর্টিক্যালটি। :D

১৫ ই জুন, ২০২১ সকাল ৮:৫৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আবার এসে মুল্যবান আর্টিকেলটির লিংক দিয়ে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ । সেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর
চিত্রকর্ম সাথে সুন্দর কিছু বিবরণ রয়েছে । দেখতে পেলাম করোনভাইরাস কিভাবে আমাদের জীবনে
অনেকগুলি প্রভাব ফেলেছে এবং কারুশিল্পেও এর প্রভাবকে উপেক্ষা করা যায় না। এটি অনিবার্য যে
বর্তমানে শিল্পিরা তাদের বাড়ীতে অবরুদ্ধ থেকে এমন অনেক শিল্প কাজ তৈরি করছেন যা সরাসরি
এই সমস্যাটিকে মোকাবেলা করে, বা COVID-19 মহামারীটির প্রভাব পরোক্ষভাবে তাদের ভবিষ্যতের
কাজগুলিতে প্রতিফলিত হবে ।
সেখানে থাকা অনেক ঐতিহাসিক এবং বিখ্যাত পেইন্টিংগুলিতে কিছু কমিক দৃষ্ট দেখতে পাই, যেগুলি
তাদের মজাদার এবং সচেতনতার জন্য সামাজিক মিডিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করা হয়েছে। কমিক বা
হাস্যকর কাজগুলি যথা "মোনা লিসা" একটি মুখোশ পরা, বা যিশুখ্রিষ্ট একা খাচ্ছেন জাতীয় কিছু চিত্র
কর্ম কিভাবে মানুষের মধ্যে করোনার হাত হতে বাঁচার জন্য মুখোশ পরিধান ও করোনাকালে সামাজিক
দুরত্ব বজায় লাখতে উদ্বোদ্ধ করেছে তাও আর্টিকেলটির মধ্যে বলা হয়েছে ।


২২| ১৫ ই জুন, ২০২১ ভোর ৬:৪৫

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: অনেক তথ্যসমৃদ্ধ ও জ্ঞানগর্ভ এই লেখাটিতে ++
একজন শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় ব্লগারকে এই লেখাটি উৎসর্গ করার বিষয়টি খুব ভালো লাগলো।

১৫ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

লেখাটি তথ্যসমৃদ্ধ অনুভুত হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।
উৎসর্গ সাথে ঐক্য বোধ করেছেন দেখে খুশী হলাম।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

২৩| ১৫ ই জুন, ২০২১ দুপুর ১২:১০

জুন বলেছেন: মহামারী নিয়েও যে কবি সাহিত্যিকরা শিল্প আর কাব্যের ফুল ফুটিয়েছে এটাই অবাক করা বিষয় ডঃ এম এ আলী ভাই। তবে সব ছবির মাঝে ফ্লেমিং জুন ছবিটি আমায় সব সময় আকর্ষণ করে। কি নিখুত আকা অবাক হয়ে যাই। জানা হলো অনেক অনেক কিছু,সমৃদ্ধ হলো জ্ঞানের ঝুলি। বরাবরের মতই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তথ্যে পরিপুষ্ট একটি লেখায় অনেক অনেক ভালো লাগা রইলো।
আপনি কি ২০০৯ এ মুক্তি পাওয়া ইংরেজি ম্যুভি "ক্যারিয়ার" দেখেছেন? ঘটনা দেখে মনে হয় একেবারে আমাদের কোভিড ১৯ কাহিনী। তবে এটা সারা দুনিয়ায় না ছড়িয়ে শুধু আমেরিকাতেই ঘটেছিল। ছোয়াচে সেই মহামারি থেকে বাচার জন্য নিজের প্রিয় ভাইকে খুন, খাবারের অভাবে কুকুরের ঘরে মরে থাকা প্রিয় মনিবের দেহ ছিড়ে খুরে খাওয়া। এই ম্যুভিটি দেখতে দেখতে ভেবেছি ২০০৯ সালেই কি মানুষের মাঝে কোভিড ১৯ এর ধারণা ছিল? বিল গেটস এর প্রাক্তন স্ত্রী মেলিন্ডা গত বছর এক সাক্ষাৎকারে বলেছিল যে তারা দুই বছর ধরে বেসমেন্টে খাবার মজুদ করছে মহামারীর আশংকায়! তবে কি সত্যি এই বর্তমান মহামারী মানুষ সৃষ্ট!!
ভালো থাকবেন আর সুস্থ থাকবেন আর এমনি লেখায় ব্লগকে সমৃদ্ধ করবেন প্রতিনিয়ত :)

১৬ ই জুন, ২০২১ সকাল ৯:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আমাদের এই ব্লগের গুণী লেখক জুনের কাছে ফ্লেফিং জুনের ছবিটি তো ভাল লাগারই কথা :)। তবে ছবিটি
যে শুধু নামে নয় তার গুনেও ভাল লেগেছে সেটিই পরম সত্য কথা । দুর্ভাগ্য আমার ২০০৯ এ মুক্তি পাওয়া
ইংরেজি ম্যুভি "ক্যারিয়ার" আমার দেখা হয়ে উঠেনি আজো । তবে এখানে ছবিটির বিষয়ে যে বিবরণ
দিলেন তাতে করে ছবিটি দেখার জন্য ভিষন লোভ হচ্ছে । মহামারিটি মনুষ্য সৃষ্ট হলে সেটি হবে
একটি ভযানক অপরাধী ততপরতা । এদের কি বিচার হবে তা শুধু ভবিতব্যই জানে ।

যাহোক , কথা হলো মহামারী হতে উঠে আসা সাহিত্য কর্মগুলিও জীবনধর্মী কাজে কর্মে বেশ
উদ্দিপকের ভুমিকা রাখতে পারে ।
এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য ১৩ শ শতাব্দীর মধ্যভাগে ‘’ব্লেক ডেথে’’র সময়কালে রচিত সংক্ষিপ্ত
একটি গদ্যসাহিত্য ‘’ডোনা ডি স্কালোটা’’ নামক গল্পে বর্ণিত রাজপ্রাসাদ হতে বিতারিত হয়ে
নদীর বুকে আটকে থাকা এক যুবতী অভিজাত মহিলা অ্যাস্টোলট এলেনের করুণ কাহিনীর বর্ণনা
পাঠে অনুপ্রাণিত হয়ে ইংরেজ কবি আলফ্রেড টেনিসন লিখেন আরেক কালজয়ি লিরিক্যাল ব্যলড
“দ্য লেডি অফ শ্যালট" ।

টেনিসনের কবিতাটির শেষ দুটি চড়নের উদ্ধৃতি 'I am half sick of shadows,' said
The Lady of Shalott. শিরোনাম দিয়ে উলিয়াম ওয়াটার হাউস সৃজন করেন নীচে
দেখানো একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম ।

চিত্রটিতে দেখা যায় আটকে পড়া লেডি শ্যালট ঘরে বসে ছোট একটি হস্তচালিত তাতে বয়ন
করছেন সুন্দর বাহারী নক্সী করা বস্ত্র । তেমনিভাবে এখন এই করোনাকালে গৃহকোনে বদ্ধ
রমনীরা ছোট হস্তচালিত তাঁতে বুনতে পারেন বিভিন্ন ধরনের বাহারী বস্ত্র ।করোনাকালেও
জীবনধর্মী শিল্প কর্মের মাধ্যমে কিছুটা হলেও আনতে পারেন তাদের দৈন্যে ভরা জীবনে
কিছুটা হলেও সাচ্ছন্দ ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল


২৪| ১৫ ই জুন, ২০২১ রাত ১১:২৬

সোনালি কাবিন বলেছেন: অনেক কিছু জানা গেল

১৬ ই জুন, ২০২১ সকাল ৯:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

অনেক কিছু জানাতে পেরেছি জেনে ধন্য হয়েছি ।

শুভেচ্ছা রইল

২৫| ১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ১২:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:




ভীষণ রকম ভালো লাগলো। এ বিষয়ে জানার আরো আগ্রহ বাড়লো। মহামারী নিয়ে, তখনকার সাহিত্য নিয়ে এতো বিষদ আলোচনা খুব একটা পড়া হয়নি। ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, গুরুত্বপূর্ণ লিখনী আর তখনকার সমাজের চমৎকার চিত্র আছে লেখায়। মহামারী হচ্ছে চলমান বাস্তবতা, এজন্য শিল্প-সাহিত্যে এগুলোর প্রভাব পড়াটা স্বাভাবিক।

১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:২১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ভীষন রকম ভাল লেগেছে শুনে আমারও ভীষণ ভাল লাগল ।
আপনার মত গুণী একজন লেখকের জানার আগ্রহ বাড়লে
আখেরে আমাদের সকলের জন্য খুবই উপকারে আসবে ।
অনেক সৃজনশীল লেখাই উঠে আসবে আপনার ক্ষুরদার ও
জ্ঞানগর্ভ লেখনি হতে ।

ঠিকই বলেছেন মহামারি হচ্ছে একটি চলমান বাস্তবতা ।
তাই সকলে মিলে চলুন চেষ্টা করে দেখি মহান ক্ষমতাময়
খোদার কৃপায় সকলে মিলে এই মহামারীর চলমান বাস্তবতার
পথটিকে রুদ্ধ করে দেই বিশ্ব মানব জীবনের নিরাপত্তার তরে।
যা কিছু ইতিমধ্যে ঘটে গেছে এর কারণে, তার বিভিসিকা স্মরণ
করে একে তুলে ধরি বিভিন্ন মাধ্যমে যাতে করে আগত দিনগুলিতে
পৃথিবীবাসী দেখতে ও জানতে পারে মহামারী হতেও মানবজাতি
সে সময় কেমন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ।

মুল্যবান কথামালা সমৃদ্ধ মন্তব্যটির জন্য ধন্যবাদ ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৬| ১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ২:৪০

রোকসানা লেইস বলেছেন: ভেবেছিলাম সন্ন্যাস জীবন নিয়ে পোষ্ট দিয়েছেন কিন্তু এ দেখি ইতিহাসের পাতার সুন্দর লেখা এবং ছবির সমন্বয়।
খুব উচ্চমার্গিয় পোষ্ট। প্রিয়তে রাখলাম। এর স্বাধ গ্রহণ করতে হবে অল্প অল্প করে চুমুকে চুমুকে।
এখন কেবল চোখ বুলিয়ে নিলাম।

দশজন যুবক যুবতির গল্প বলাটা অনেকটা এক হাজার এক রজনীর গল্প বলার ধরন। এক একটা সময় ধারন করে রাখে এক এক রকম অধ্যায়।
শুভকামনা ভালো থাকবেন

১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সেই যে মশার কামর খেয়ে সন্যাসগিরী ছেড়েছিলাম
এখন এই বয়সে মশার কামর খাইতে কার ভাল লাগে।
যাহোক সে সকল ফেলে আসা দিনের কিসছা কাহিণী
সময় সুযোগ পেলে লিখে রেখে যাব অনাগত দিনের তরে।
লেখাটি উচ্চমার্গিয় অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ আর
প্রিয়তে নেয়ার জন্য রইল কৃতজ্ঞতা । হ্যাঁ ধিরে ধিরে
অল্প করে পড়ুন , আর নীজের দেখা ও জানার অভিজ্ঞতা
দিয়ে লিখে চলুন আপনার সরস গল্প কথা ।
ভালই বলেছেন জিউভান্নীর ডেকামেরন যেন সেই ঐতিহাসিক
আলিফ লায়লা ও লায়লার মতই মজার মজার গল্প কথার
এক বিশাল সংগ্রহ শালা। যার মধ্য হতে কিছু কাহিনী ও গল্পকে
ধারণ করে জগত বিখ্যাত কবি, সাহিত্যিক, চিত্রশিল্পীগন
তৈরী করে চলেছেন কালজয়ী সৃজনশীল চিত্রশিল্প ও মনোমুগ্ধকর
কাব্যগাথা ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৭| ১৬ ই জুন, ২০২১ সকাল ৯:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার লেখার মান নিয়ে নতুন করে আর কি বলার আছে!
আপনার লেখা পড়ে নিজেকে বা নিজের জানার পরিধি বা গন্ডিকে আরো বেশী সমৃদ্ধ করি।

ভাল লাগা রেখে গেলাম- ভাল থাকুন, সামু ব্লগের সাথে থাকুন

১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৫৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আমি জানি আপনার জানার পরিধি অনেক বিশাল ,
তা উত্তরোত্তর আরো বৃদ্ধ পাক সে কামনাই করি ।
আপনার পরিবেশিত রসগোল্লা খাওয়ার তরে
যাব সেখানে অতি ত্বরা করি ।

ভাল থাকার শুভ কামনা রইল

২৮| ১৬ ই জুন, ২০২১ বিকাল ৫:০৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট

১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

পোষ্টটি চমৎকার অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

২৯| ১৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:১৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ইসাবেলার চিত্রটি অনেক আগে থেকেই বেশ প্রিয়। এমন চমৎকার তথ্য সমৃদ্ধ লেখা !! মহামারী নিয়ে কিছু তো জানা ছিল, কিন্তু চিত্রকলা , সাহিত্য এত কিছু জানতাম না। আপনার কাছে সব সময় ই কৃতজ্ঞ , নতুন নতুন তথ্য ও জ্ঞান ভাণ্ডারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য। উৎসর্গে ও ভালোলাগা জানাচ্ছি।

১৭ ই জুন, ২০২১ ভোর ৪:২৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ইসাবেলার চিত্রটি অনেক আগে থেকেই বেশ প্রিয় বলেইতো
তাকে নিয়ে এত আলোচনা ও বিভিন্ন জনের শিল্প কর্ম রচনা।
উৎসর্গে সহমতের জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৩০| ১৭ ই জুন, ২০২১ রাত ৩:৩০

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: বরাবরের মতোই সুপরিশ্রমী পোস্ট। সুদীর্ঘ পোস্টে মনে হলো প্রবাহ দুয়েক জায়গায় একটু আলগা হয়েছে। যেমন, দশজন যুবক-যুবতি ও তাদের গল্পগুলো নিয়েই আসলে ডেকামেরন গ্রন্থ, বিষয়টি স্পষ্ট হয়নি লেখায়, অন্তত প্রথম কয়েক অনুচ্ছেদে। বরং মনে হয়েছে দশজন যুবক-যুবতি সত্যিসত্যি ১০০টি গল্প বলে প্লেগের দুঃসহ সময় পার করেছিল এবং বোককাচ্চিও তাতে অনুপ্রাণিত হয়ে অনুরূপ গল্প (কিংবা তাদের গল্পই) লিপিবদ্ধ করেছিলেন, খায়রুল সাহেব যেরকম ধারণা পোষণ করলেন পোস্ট থেকে। দশজন যুবক-যুবতি আসলে ডেকামেরন গ্রন্থেরই কাল্পনিক চরিত্র, আরব্য রজনীর কথক শেহেরজাদীর মতো।

ইতালি ভাষায় জিওভান্নি উচ্চারণ জোয়োভাননি/জিওভান্নি, গিওভান্নির মতো নয়। :)

পরিশ্রমী পোস্টে অনেক ধন্যবাদ।

১৭ ই জুন, ২০২১ ভোর ৪:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



মনযোগ সহকারে পাঠ করে মুল্যবান মন্তব্য বিশেষ করে ডেকামেরনে
সংকলিত গল্পগুলির প্রাসঙ্গিগ কথা মালাসহ এদের মুল লেখক জিউভান্নির
ইতালীয় উচ্চারন সম্পর্কে ধারনা দিয়ে সুন্দর মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
উল্লেখ্য ডেকামেরনের গল্প প্রসঙ্গে তথ্যকথা উইকিপিডিয়া হতে নেয়া হয়েছে ।
সেখানে বলা হয়েছে
The book is structured as a frame story containing 100 tales told by
a group of seven young women and three young men; they shelter
in a secluded villa just outside Florence in order to escape the Black
Death, which was afflicting the city( সুত্র : https://en.wikipedia.org/wiki/The_Decameron) যাহোক
মুল্যবান সাহিত্যকর্ম সম্বলিত বইটি সংগ্রহ করে পাঠ করার ইচ্ছা রাখি ।

৩১| ১৭ ই জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ডঃ এম এ আলী ভাই, পৃথিবীতে মানুষ টিকে থাকার জন্য প্রকৃতির সাথে যে লড়াই করেছে তাকে অস্বীকার করার নূন্যতম ব্যবস্থা নেই যে, - মানুষই আশরাফুল মাখলুকাত। মানুষকে কোনো বিশেষ শক্তি সেই শক্তি ও ক্ষমতা প্রদান করেছে যাতে মানুষ নিজের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারে।

প্রতিটি মহামারীতে যারা নির্ভয়ে নির্ধিদায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন তাদের এই বলিদান ইতিহাস সাক্ষী রেখেছে জগত সংসার তাঁদের বলিদানের কাছে কৃতজ্ঞ। আর তাই আজ আপনার লেখার মাধ্যমে যা জানতে পেরেছি আপনার কাছেও কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

আপনার প্রতি শুভ কামনা রইলো। লেখাটির গুণমুগ্ধ হয়ে প্রিয়তে রাখছি।

১৯ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৫:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অতি মুল্যবান কথা বলেছেন পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য প্রকৃতির সাথে মানুষ যে লড়াই করেছে
তাকে অস্বীকার করার নূন্যতম ব্যবস্থা নেই, যদিও মানুষ জগতের সেরা সৃষ্টি। মানুষকে আল্লাহ প্রজ্ঞা
ও প্রয়োজনীয় জ্ঞান দিয়েছেন যা সফল ও সঠিকভাবে প্রয়োগ করে আল্লার দান প্রকৃতির সকল সুযোগ
সুবিধা ব্যাবহার করে নীজের শ্রেষ্টত্ব ধরে রাখতে পারে । মানুষ যখনই তার সীমা লঙ্গন করে তখনই
বিবিধ ধরনের মহাবিপরর্যয়ের সন্মুখীন হয় ।

হ্যাঁ মানুষের মঙ্গল সাধনের প্রতি যারা নীজের জীবনকে তুচ্ছ করে নিবেদিত ছিলেন তাদের মহাত্বতার
কথা মানুষ কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্মরন রাখে জীবনভর। বিভিন্ন ধরনের স্বার্থান্বেসী কুচক্রীমহল সর্বদাই তুচ্ছ
তাচ্ছিল্য পরিহার যোগ্য বিষয়গুলি উচ্চে তুলে ধরে সেই কৃতিমানুষ কিংবা কৃতিত্বের দাবীদার সকলকে
গোয়েবলসিয় কায়দায় হেয় প্রতিপন্ন করতে চেষ্টা করে । কিছুই করার নাই ,এক কথায় তখন শুধু বলা
যায় বিচিত্র সেলুকাস ।
কামনা করি আপনার কৃতজ্ঞতা পৌঁছে যাক সেসব কৃতি মনিষিগনের কাছে ।

পোষ্টটি প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩২| ১৭ ই জুন, ২০২১ রাত ৯:২৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কীভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করবো বুঝতে পারছি না। শুধু বলতে পারি, অসাধারণ গবেষণা এবং ব্লগ আর্কাইভে একটা অমূল্য, কালজয়ী রত্ন যুক্ত হয়েছে।

শ্রদ্ধেয় খায়রুল আহসান স্যারকে পোস্টটি উৎসর্গ করায় খুব আনন্দিত হলাম।


করোনা এমন এক মহামারী, যার প্রভাব পৃথিবী থেকে কোনোদিন দূর হবে বলে মনে হয় না। এত বছর আগের প্লেগ যেভাবে এখনো ইতিহাসে রক্ষিত, করোনাও এভাবে ইতিহাসে অঙ্কিত থাকবে।

করোনার প্রভাব আমার লেখালেখিতেও চলে এসেছে, অবলীলায়। করোনার উপর লেখা আমার এই কবিতার আগে অন্য কোনো কবিতা কেউ লিখেছিলেন কিনা জানি না। এবং এই কবিতার ২ নম্বর সিকোয়েলটার অনুকরণে এখন অনেক কবিতাই দেখা যায়, ফেইসবুক ও ব্লগে এবং সারা বাংলায়।

করোনার উপর ব্লগে কেউ কেউ গল্পও লিখেছেন। করোনা একদিন চলে যাবে, প্লেগ ও গুঁটিবসন্তের মতো, কিন্তু আগামী কয়েক দশক সাহিত্যে করোনা একটা বিরাট অবস্থান দখল করবেন বলে আমার ধারণা।

অসাধারণ এই পোস্টের জন্য অভিনন্দন আলী ভাই। ইসাবেলার বাংলানুবাদও অসাধারণ হয়েছে।

১৯ শে জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




আপনার উচ্ছসিত প্রসংসাবাণীতে আমি ভিষনভাবে আপ্লুত , তবে কালজয়ি রত্ন হলো জগতবিখ্যাত কবি
জন কিটস এর বিখ্যাত কবিতা ইসাবেলা বা তার তুলসি পাত্র ও সে সময়কার অরো বিখ্যাত
শিল্লীদের সৃজনী সামগ্রী সমুহ । আমার অবস্থা হলো দেবতার পাদমুলে থেকে খানিকটা প্রসাদ লাভ করা
মাত্র। তাতেই আমি নীজকে ধন্য বোধ করছি ।

উৎসর্গের সাথে সহমত পোষন করায় উৎসর্গ স্বার্থক হয়েছে মনে করে ধন্য ধন্য হলাম ।

ঠিকই বলেছেন করু সে্নই প্লেগের কালো মৃত্যু বিভিসিকার মত ইতিহাসের বুকে চিহ্নিত হয়ে থাকবে অনেক
অনেক কাল পর্যন্ত । কোন সরকারী ঘোষনা বা পরিসংখ্যানপত্র তার স্থায়ীত্বতা হারালেও করোনা নিয়ে সৃজনশীল
সাহিত্বকর্ম করোনার বিভিসিকাময়মহুর্ত ও প্রভাবগুলিকে চিরস্মরণীয় করে তুলবে কভিড ১৯ এর চিহ্নগুলিকে
বুকে ধারণ করে ।

জেনে খুশী হলাম করুনা নিয়ে আপনার কবিতাই ছিল প্রথম সারিতে যার প্রভাব পড়েছে অন্য আনেক জায়গাতে।
এটাইতো একটি কবিতার স্বার্থকতা। অপনার কবিতাটি আমার দেখা হয়ে উঠেনি সে সময়ে, এটা আমার দুর্ভাগ্য।
কারণ কবিতাটি প্রকাশকালে আমি করুনাক্রান্ত হয়ে মুমুর্ষ অবস্থায় বেশ অনেকদিন ছিলাম হসপিটাল বেডে।

আল্লার অশেষ রহমতে ও হাসপাতালের নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিররস সেবার কারনে সুস্থ
হয়ে গৃহে ফিরেও অনেকদিন সামুতে বিচরণ করতে পারিনি। তাই সে সময়ের অনেক লেখাই থেকে যায় আমার
অগোচরে। এখন লিংক ফলো করে পাঠ করে এসেছি মাইলপোষ্ট হিসাবে চিহ্নিত হওয়ার দাবীদার কবিতাটিকে,
আমি অভিভুত হয়েছি কবিতার প্রতিটি পরতে পরতে থাকা কথামালা, মুলসুর ও ছন্দের অপুর্ব সমন্বয় দেখে ।

আমার পোষ্টটি ও ইসাবেলার বাংলানুবাদ অংশটুকু অসাধারণ হয়েছে জেনে অনুপ্রানিত বোধ করছি।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল ।

৩৩| ২০ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:৫৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই সাহেব, আবার ফিরে আসতে হলো অনেকটা আবার আসিবো ফিরে কবিতার মতো করে। ভালোবাসার মতো মূল্যবান পৃথিবীতে আর কিছুই নেই। মহামারীতে যারা হৃদয়ের উজাড় করা ভালোবাসা দিয়ে মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন তাদের জন্য ভালোবাসা থাকবে মহাকাল অনন্তকাল।

মজাদার একটি তথ্য দেই - জীবন হচ্ছে অন্ধের হাতি দর্শনের মতো। যে যেভাবে দেখে জীবন তার কাছে সেভাবে ধরা দেয়। যারা জীবনকে খেলা মনে করে তাদের কাছে জীবনটা একটা খেলার মাঠ হিসেবে ধরা দেয়। পদে পদে সেখানে হারজিত নিয়ে প্রশ্ন হয়ে উঠে। আমি জীবন দেখা মানুষ ভাই সাহেব। বড় বড় হাতি ঘোরা বাঘ তলিয়ে যেতে দেখেছি অতলে।

আপনার অত্যন্ত চমৎকার মন্তব্য উত্তরে আবার ফিরে এসেছি সামান্য তথ্য উপাত্ত নিয়ে। আপনার প্রতি অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো। ভালো থাকুন। আপনার জন্য দোয়া রইলো, ভাই সাহেব আমার জন্যও দোয়া করবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.