নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাহিত্য, সংস্কৃতি, কবিতা এবং সমসাময়িক সামাজিক বিষয়াদি নিয়ে গঠনমুলক লেখা লেখি ও মুক্ত আলোচনা

ডঃ এম এ আলী

সাধারণ পাঠক ও লেখক

ডঃ এম এ আলী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছবি ব্লগ: শান্ত শীতল সরোবরে জলে,স্থলে,অন্তরিক্ষে থাকা এক ঝাক রাজহংসের সাথে কাটানো কিছুটা সময়।(ছবি ব্লগটি প্রতিযোগীতার জন্য নয়)

২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১০:৫৫


সামুতে লগ ইন করার পরে প্রথমেই চোখে ভাসে দৃষ্টি আকর্ষন: ছবি ব্লগ প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহনের আহ্নান।
ফটোগ্রাফিতে আমি বড়ই দুর্বল, তার পরেও আমার অনেক পোষ্টে আমি ধার করা অনেক ছবি ব্যবহার করি ।
ব্লগে ছবি ব্যবহার করি বলে ছবির প্রতি সকল সময়ই আমার আকর্ষন রয়েছে। আমি জানি, এই ব্লগে খুবই উঁচুমানের
ফটোগ্রাফার রয়েছেন , তাঁদের ছবির কাছে আমার আনারী হাতের ছবি একেবারেই নগন্য। তাই প্রতিযোগীতাটি তোলা
রইল সে সকল গুণী ব্লগারদের জন্য। তবে ব্লগের একটি আহবানের প্রেক্ষিতে প্রতিযোগীতার জন্য না হলেও একটি
ছবি ব্লগ পোষ্ট দেয়ার আকাংখা হতেও এই পোষ্টের পথচলা। পুর্বে প্রথম প্রকাশের সময় প্রতিযোগীতার জন্য নয়
বলে উল্লেখ করা হয়নি বলে এখন এডিট করে শিরোনামে বন্ধনীর ভিতরে পরিস্কারভাবে কথাটি উল্লেখ করে দেয়া হয়েছে।
আমার এ ভুলের জন্য সকলের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। আশা করি বিষয়টি সকলে ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন ।
যাহোক, ইদানিং আমার দৈনন্দিন জীবনের অংশে পরিনত হওয়া কিছু অভিজ্ঞতা; ছবি যেন কথা বলে আকারে এই ছবি
ব্লগে তুলে ধরা হল।

ঘরের কাছেই মনোরম এক সরোবরে প্রায় প্রতিদিনই পড়ন্ত বেলায় রাজহংসদের মিলন মেলায় ঘুরতে যাই সপরিবারে।
সাথে নিয়ে যাওয়া কিছু গম আর ভুট্টাদানা জলে স্থলে ছড়িয়ে দিয়ে অপরুপ কিছু দৃশ্য দেখে আনন্দে হয়ে যাই
আটখানা।আনন্দঘন মহুর্তের কিছু ছবি এখানে সকলের তরে শেয়ার করা হ‌'ল বদ্ধ ঘরে বন্দি না থেকে করোনার বিষাদময়
সময়ে কোলাহলমুক্ত নির্মল পরিবেশে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঘুরাফিরায় অনুপ্রেরনার তরে। সকলেই একটু সচেষ্ট হলে এমন
অনেক জীব বৈচিত্রময় সরোবর গড়া যায় আমাদের দেশের বসতি এলাকার ধারে কাছে,শুধু কঠোর হস্তে দমন করতে হবে
জলাসয়খোর ভুমি দস্যুদেরে। যাহোক, সপরিবারে পড়ন্ত বেলায় সবোবরে কাছে গিয়ে গাড়ী হতে নেমেই হাতে
তালি দিয়ে বলি; হংস উড়ে গিয়ে তোর সাথীদেরে বলনা,রোজকার সঙ্গীরা এসে গেছে হাতে নিয়ে খাজনা (প্রচ্ছদ ছবি)
ক্ষনিকেই চিরচেনা সোয়ান আর রাজহংসের পাল (সোয়ান আর রাজ হংসের মাঝে পার্থক্য আছে) দেখে মনে বাজে,
১)আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম, ছিলাম নদীর জলে

২) খবর পেয়ে ধেয়ে আসে রাজ হংসপাল দলে দলে

উপারে কাশবন, এপারে নলখাগড়া ঝোপের পাড়ে
৩) বালিহাস পায় পায় হেটে চলছে খাদ্যের তরে

৪) ছায়া দেখেই বুঝে গেছে মিলবে খানা এখানেই আশে পাশে

হংসদলের দৃশ্য দেখতে দেখতে, খানিকটা এগিয়ে গেলে মিলবে
৫) ছোট ছোট বাচ্চাসহ আনন্দঘন দৃশ্য সরোবর কিনাড়ে

৬) তবে সকলেই কিছুটা ভয়ে থাকে মাথার উপরে তিনাকে (ঈগল) দেখলে পরে

৭) পুটলায় থাকা খাবারের আশায় হংস মহাশয় (সোয়ান) পায় পায় উঠে আসে জলের উপরে

৮) ঘোমটা দেয়া মাথা ঢাকা গৃহবধুদের দেখে রাজহংস লাজে মরে,রমনীকুল হতবিহবল এমনতর দৃশ্য দেখে

৯) লোকে বলে এই গাছের ডালে সুন্দর ফুলের মালা বেঁধে রেখে গেলে, মানত পুরণ হয় পুর্ণিমাকালে

১০)শুভ পরিনয়ের নিয়তে বাঁধা মালা দেখে জলে ভাসা রাজহংসটি যেন বলছে মানত পুরণ হবেই হবে

১১) গড়ল প্রেমে জড়িয়ে লোক দেখানো কারো মালার বাঁধন দেখে রাজহংসীটি যেন লজ্জায় মুখ ঢাকে

সত্যই সুন্দর, সত্যের নেই কোন উপহাস, নির্মল আনন্দ নিয়ে সবাই ঘরে ফিরুক একামনাই যেন রয়েছে প্রতিটি হংসের
অন্তরে। করোনা নিপাত যাক, সকলেই সুখে শান্তিতে থাক,ঘুরে বেড়াক নির্মল ও নিরাপদ প্রকৃতির বুকে। বিবিধ জাতের
হংস পালের সাথে মানুষের নিরাপদ সৌহার্দপুর্ণ আচরণ ও সহবস্থানের সুরই বাজে শান্ত স্নিগ্ধ সরোবরের চারিধারে।
নির্মল বাযু সেবনের সাথে সুখের অনুভুতি নিয়েই ঘরে ফিরি হংসকুলের সাথে আনন্দঘন কিছুটা সময় কাটিয়ে।

ছবি সুত্র :
সকল ছবি নীজ মোবাইল ফোনের ক্যমেরায় তোলা। স্থান হাইল্যান্ড,তারিখ ১৮ই জুন ২০২১, রোদ্রজ্জল অপরাহ্ন বেলা।

মন্তব্য ৬৮ টি রেটিং +২৫/-০

মন্তব্য (৬৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১০:৫৯

আমি সাজিদ বলেছেন: প্রতিটি ছবি যেন আপনার মতোন শুভ্র আর সুন্দর।

২২ শে জুন, ২০২১ রাত ৩:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

২| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:০৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হচ্ছে এই ছবি ব্লগটা প্রতিযোগিতায় একটা বিশেষ স্থান পাবে।
নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয় ভাইকে।

২২ শে জুন, ২০২১ রাত ৩:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ব্লগ কতৃপক্ষের আহ্বানে অংশ গ্রহন করতে
পারাটাকেই আমি অনেক বড় সাফল্য মনে
করছি । কামনা করি সকলের স্বতস্ফুর্ত
অংশগ্রহনে এই ব্লগ বাগান ভরে উঠোক
ছবিতে আর ছবিতে গুগল ইমেজের সংগ্রহের
মত সামু ব্লগটিও হয়ে উঠুক একটি সমৃদ্ধ
ছবি ভান্ডার । ছবির মালিককে কৃতজ্ঞতা
জানিয়ে সঠিক সুত্রসহ সেগুলি হতে পছন্দের
ছবি আমরা প্রয়োজনে করতে পারব ব্যবহার।

আপনার প্রতিউ রইল নিরন্তর শুভেচ্ছা ।

৩| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কি দারুণ!!
আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম, ছিলাম নদীর জলে
বালিহাস পায় পায় হেটে চলছে খাদ্যের তরে

ডিমে তা-রত হংসীমনি একটুখনি উঠে দাঁড়িয়েছেন বটে!
ছোট ছোট বাচ্চাসহ আনন্দঘন দৃশ্য সরোবর কিনারে

পুটলায় থাকা খাবারের আশায় হংস মহাশয় (সোয়ান) পায় পায় উঠে আসে জলের উপরে

এই ছবিগুলো অসম্ভব ভালো লেগেছে।

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ছবিগুলি অসম্ভব ভালো লেগেছে শুনে খুবই খুশী হয়েছি ।
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আপনার পছন্দের তালিকায় থাকা
ডিমে তা-রত হংসীমনি একটুখনি উঠে দাঁড়িয়েছেন বটে! ছবিটিকে
পোষ্ট হতে পরে উঠিয়ে নিয়েছি বলে।
ভাবলাম ডিমে তা দেয়ার মত একটি শ্পর্শকাতর কর্মের দৃশ্য
থাকুক লোক চক্ষুর অন্তরালে। তাই এই ছবিটিকে উঠিয়ে নিয়েছি
পোষ্ট হতে। আশা করি অবস্থাটি বুজতে পারবেন আর নীজগুণে
ক্ষমা করবেন আমারে।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৪| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:২১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



now that i call photography!

আমি আশা করেছিলাম কেউ না কেউ সিরিজ ছবি পোস্ট দিবেন। আজ সাদাকালো ছবিতে পোস্ট পেয়েছি ব্লগার অর্ক’র দেয়া বালিকাবেলা ছবিব্লগ। আর এখন আপনার রাজহাঁসের ছবিব্লগ। হাঁস মোরগের সাথে আমার বেশ ভালো বন্ধুত্ব। আমাদের গ্রামের বাড়িতে হাঁসগুলোকে আয় আয় চি চি বলে ডাক দিলেই চিক চিক করে ডাক দিতে দিতে হাঁসগুলো কাছাকাছি এসে দাড়ায় খাবারের আশায়। বিচিত্র ভাবে হাঁস মোরগ মানুষের ভাষা বুঝতে পারে।

হাঁসের হাটাচলা চলাফেরাতে দেখতে পাবেন অনেকটা ভারিক্কি ধরনের ভদ্রলোকের মতো তাঁরা হাটেন। আর রাজহাঁসের হাটাচলা তো বিশাল ব্যাপার স্যাপার। কখনো কখনো উনিশ বিশ হলেই তেড়ে আসেন।

একসাথে ঝাঁকে ঝাঁকে হাঁস দেখে অনেক অনেক ভালো লেগেছে। ছবিব্লগে গুণমুগ্ধ হয়ে প্রিয়তে রাখছি। +++


২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৪:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনি ঠিক্ই বলেছেন , হাস মুরগী মানুষের ভাষা বুঝতে পারে ।
আমার মনে পরে, হাতে একমুঠ ধান চাল নিয়ে উঠানে ছড়িয়ে দিয়ে
তি তি তি তি বলে ডাক দিলে সারা বাড়ীময় ঘুরে বেড়ানো হাস মুরগী
আর তার ছোট ছোট বাচ্চগুলি মহুর্তেই চলে আসতো বাড়ীর উঠানে।
পরে খাবার না দিয়েও শুধু হাত নেড়ে তি তি বলে ডাক দিলে মুরগ
মুরগ দৌঁড়িয়ে চলে আসত কাছে । কোন হাস মুরগী বিশেষ করে
মুরগীর বাচ্চা হারিয়ে গেলে আয় আয় তি তি বলে ডাক দিলে শুনা
যেতো হালকা সুরের চি চি ডাক , কাছে গিয়ে দেখা যেতো পায়ে চুল
জড়িয়ে মুরগীর বাচ্চা আটকা পরে আছে ঝোপের ধারে ।

ঝাঁকে ঝাঁকে হাস দেখে ভাল লেগেছে শুনে খুশি হয়েছি ।
পোষ্টটি প্রিয়তে নেয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানবেন ।

শুভেচ্ছা রইল

৫| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:২৭

শায়মা বলেছেন: ছবিগুলি দেখেই মনে হলো-

মোরা আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম......

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৪:২০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




মিথুন শব্দটি হংসের সাথেই মিলে ভাল, যদিউ বাংলা
অভিধানে এর বহুবিধ অর্থ রয়েছে । তবে হংস ছাড়া
আর কোথাও মিথুন শব্দটির প্রয়োগ দেখা যায়না আর।
মিথুন শব্দটি হংসের জন্য প্যটেন্ট রাইট হয়ে গেছে ।
কবিও একে প্রয়োগ করেছেন সুন্দরভাবে ।
তোমার টেরাটরিয়ামে রাখা হাস মুরগী গুলি
এখন কেমন আছে ? তোমার অপরুপ ছবি
ব্লগ দেখছি কবে , অপেক্ষায় আছি কালজয়ী
ছবি ব্লগের জন্য । নাকি এর মধ্যেই পোষ্ট
দেয়া হয়ে গেছে, যাহোক দেখতে আসছি
এক্ষুনি ।
শুভেচ্ছা রইল

৬| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৩১

ওমেরা বলেছেন: খুব সুন্দর হয়েছে ছবিব্লগ ।

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৪:২২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ছবি ব্লগ সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

৭| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৪০

শেরজা তপন বলেছেন: একেবারে ঝকঝকে জীবন্ত ছবি!
তার উপরে আপনার বর্ণনা- চমৎকার

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৪:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
মুল্যবান মন্তব্যে আমি অপ্লুত
এবং ভিষনভাবে অনুপ্রানিত।

শুভেচ্ছা রইল

৮| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৫৩

জুন বলেছেন: অসাধারণ অসাধারণ আলী ভাই। অনেক অনেক ভালো লাগা রইলো। সেই ছোট বেলায় পড়া ছড়া যাতে অনুস্বার শেখানো হয়। সেখানে এত্ত সুন্দর একটা হাসের ছবি ছিল ঠিক আপনার দেয়া হাসের মতই। তার জন্য ছড়াটি আমার এখনো মুখস্থ।
মাংস লোভে বংশ হাতে কংস তেড়ে যায়,
হংসগুলো ভয় পেয়ে সব ঢেউ কেটে পালায়
:)
+

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৪:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
অনেক অনেক ভাল লাগায় আমি আপ্লুত ।
ছোটকালে বাল্য শিক্ষা বইয়ে থাকা ছড়াটি
নিখুতভাবে মনে রেখেছেন দেখে ভাল লাগল।
স্বীকার করতেই হবে আপনার মেমোরি খুবই শার্প।
মাংস, বংশ , কংস, হংস শব্দ গুলিতে বেশ
কয়েটি অক্ষরের পরিচিতিও বাচ্চাদের কাছে
সুন্দর ভাবে ছড়াকারে শিখানো হয়েছে।
সে সময়কার ছড়াকারগন যে অবদান
রেখেছেন আমাদের দেশের শিক্ষা বিস্তারে
সে কথা ভেবে তাঁদের প্রতি কেবলি
আমাদের শ্রদ্ধা বাড়ে ।

শুভেচ্ছা রইল

৯| ২১ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৫৬

কামাল১৮ বলেছেন: কোন দেশে এমন দলবেধে রাজ হাসরা ঘেরাফেরা করে।

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৪:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্টটি এসে দেখায় ধন্যবাদ ।
রাজ হংসেরা দলবেধে কম বেশী সব দেশেই ঘুরা ফিরা করে।
পোষ্টে অন্যদের মন্তব্যের মধ্যেও এসব কথার অনুরনন ঝড়ে ।
শুভেচ্ছা রইল


১০| ২২ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:৫৩

রোকসানা লেইস বলেছেন: সুন্দর ছবি। এমন রাজহাঁসের দলের সাথে দেখা হয়েছিল স্টেডফোর্ডে, এভন নদী এবং শেকসপিয়ারের বাড়ির পাশের লেইকে।
হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসন, আগলি ডাকলিঙ এইসব এলাকার বনেবাদারে ঘুরে বেড়ানো এত্ত এত্ত হাঁসের জন্যই লিখতে পেরেছেন। উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপে হাঁসগুলো মনের আনন্দে মানুষের পায়ে পায়ে ঘুরে বেড়ায়। আর পানি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে উড়ে যখন আমাদের দেশ যায় তখন তাদের ধরে মজা করে খায়।

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৫:০৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


অআপনি ঠিকই বলেছেন -
স্ট্র্যাটফোর্ড-আপঅন-অ্যাভনে জন শেকসপিয়রের বাড়ির পাশের লেকে
রয়েছে রাজহংসের ভাল বিচরণ ।

এছাড়া শেক্সপিয়ারের পারিবারিক প্রতিকে রয়েছে রাজহংসের ছবি

আপনি যতার্থই বলেছেন শীতের সময়ে বালি হাসেরা হাজার হাজার
মাইল পারি দিয়ে আমাদের দেশে এসে পড়ে যায় বিপাকে। এখন অবশ্য
পরিস্থিতি অনেক পাল্টে গেছে , পরিযায়ী হাসেরা আসা যাওয়া করতে
পারছে অনেকটা নির্ভয়ে । শিকারীদেরকে শিকার করতে না দিলে আর
শিকার করা বালি হাস ক্রয় করাকে আইন প্রয়োগের মাধ্যমে কঠোরভাবে
নিয়ন্ত্রন করা গেলে লক্ষ লক্ষ বালিহাসের বিচরনে বাংলার মুক্ত জলাসয়গুলি
ভরে যেতে পারে শীতকালে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১১| ২২ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:৫৭

ঢুকিচেপা বলেছেন: চমৎকার বর্ণনা এবং অসাধারণ সব ছবি।

আপনার ১নং ছবির জন্যই বুঝি কাজী নজরুল এতো আগে গানটি লিখেছিলেন, খুব সুন্দর কম্বিনেশন।

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৫:১৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



বর্ণনা চমৎকা আর সব ছবি অসাধারণ হয়য়েছে শুনে ভাল লাগছে ।
কবি নজরুলের গানের কলিটি এখন সকলের মুখে মুখে , পেয়েছে
স্বায়িত্বতা আর হয়েছে কালজয়ি । কবির প্রতি এই সুযোগে রইল
আরো একবার অশেষ শ্রদ্ধাঞ্জলী ।
আপনার প্রতি রইল একরাশ শুভেচ্ছা ।

১২| ২২ শে জুন, ২০২১ রাত ২:২২

সোহানী বলেছেন: বুঝলাম প্রতিযোগীতার ছোঁয়া আলী ভাইয়েরও গায়েও এসে লেগেছে।

কানাডার ব্লাফার্স পার্কে দারুন সব হাঁসদের মেলা। আমি খুবই পছন্দ করি এদের সাথে সময় কাটাতে।

চমৎকার সব ছবিতে ভালোলাগা সাথে অসাধারন সব কথামালা।

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৫:১৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


আমার আগে আপনারো মনে লেগেছিল প্রতিযোগীতার ছোঁয়া
পিছিয়ে গেলেন কেন, আপনিতো পিছিয়ে যাওয়ার মেয়ে নন :)
বুজেছি, আমার মত আনারীদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেয়ার
আয়োজন। তবে আসুন ফিরে সাথে নিয়ে আপনার অপুর্ব
সব ছবি সম্ভার । আমরা দেখে দেখে চক্ষু জুরাই ।
ভাল লাগা আর অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

১৩| ২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৫:৫৪

ইসিয়াক বলেছেন:

হাঁস এমনিতেই আমার প্রিয় পাখি। মনোমুগ্ধকর ছবি ব্লগ।

২২ শে জুন, ২০২১ ভোর ৬:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



মনোমুগ্ধকর ছবি ব্লগ হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।
হাস আমারো খুব প্রিয়। মনে পড়ে ছোটকালে
হাসের সাথে পুকুরে ডুব সাতার খেলতাম ।
খোয়ার হতে হাসের ডিম বের করে আনাও
ছিল বেশ মুসকিল। ঠোকর একটা খেতেই
হতো। তার পরেও হাস ছিল খুবই প্রিয় ।

শুভেচ্ছা রইল

১৪| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৭:০৪

হাবিব স্যার বলেছেন: নয়নাভিরাম। মুগ্ধতা জানিয়ে গেলাম।

২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৭:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
নয়নাভিরাম হয়েছে শুনে ভাল লাগছে ।
মুগ্ধতার কথা শুনে অনুপ্রানিত ।

শুভেচ্ছা রইল

১৫| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৮:০৭

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: ছবিগুলো বেশ সুন্দর হয়েছে। ধন্যবাদ।

২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৮:১৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

ছবি সুন্দর অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

১৬| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৯:৫০

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: ৫,৭,১০ বেশি সুন্দর।

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৩০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুল্যবান মতামত দানের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

১৭| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৯:৫৭

শাহ আজিজ বলেছেন: মোরা আর জনমে হংস মিথুন ছিলাম

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৩২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
শুনে খুশী হলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

১৮| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ৯:৫৭

নিয়াজ সুমন বলেছেন: রাজ হংসের শুভ্রতায়। মন মজেছে মুগ্ধতায়..
ভালোবাসা আলী ভাইয়া.. :)

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুগ্ধতায় মন মজেছে শুনে খুশী হলাম ।
ভালবাসা পেয়ে ধন্য আমি ।
আপনার প্রতিউ ভালবাসা রইল ।

১৯| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ১১:২২

শেরজা তপন বলেছেন: আপনার ১০ নম্বর ছবিটা আরেকটু ভাল ফোকাসিং হলে এটা একটা অনিন্দ্য সুন্দর ইউনিক ছবি হোত- এটাও বেশ ভাল হয়েছে-

মনে হচ্ছে সে দেখতে চাচ্ছে -এই লোকটা করে কি? :)

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৩৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

ছবি তোলায় আমি বড় আনাড়ি ।
ছবি তুলতে গেলে এখন হাত কাঁপে
চোখেও দেখতে পাইনা ভাল ।

ঠিকই বলেছেন সে মনে হয় দেখতেই চাচ্ছে
লোকটা কি করে ।

শুভেচ্ছা রইল

২০| ২২ শে জুন, ২০২১ সকাল ১১:২৯

সুমন জেবা বলেছেন: হংস পর্ব বুঝি !!

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৪১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ঠিকই ধরেছেন
এটা হংস পর্বই বটে !!

শুভেচ্ছা রইল

২১| ২২ শে জুন, ২০২১ দুপুর ১২:০৯

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: দারুন হয়েছে ছবি ব্লগ। কী সুন্দর হাঁসগুলো
সময়টাও মনে হয় দারুন কেটেছে

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার কি মনে পড়ে বছর ৪/৫ আগে
মোবাইলগ্রাফী নামে আপনি ব্লগে পোষ্ট দিয়েছিলেন ,
সেখান হতেই মোবাইল দিয়ে ছবি তোলার তালিম
কিছুটা নিয়েছিলাম, আপনার মোবাইল ফটোগ্রাফীর
কোর্স কমপ্লিট করতে পারিনি বলে ভাল ছবি
তুলা শিখা হয়ে উঠলনা , এ বিষয়ে অদক্ষই
রয়ে গেলাম । কোর্সটা আবার দয়া করে শুরু
করেন, ছাত্র হয়ে যাব ।
যাহোক ছবি যেমনই হোক, সময়টি ভাল কেটেছে।
শুভেচ্ছা রইল

২২| ২২ শে জুন, ২০২১ দুপুর ২:২৭

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার হংস কাহানি..........


১০ং ছবিটা দেখে বেশ হাসলুম......। মজার :D

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


হংস কাহিনী চমৎকার হয়েছে শুনে ভাল লাগল ।
হাসাতে পেরে ধন্য হলাম । :)

২৩| ২২ শে জুন, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: স্যার কি বলব? বলার ভাষা নাই - শুধুই মুগ্ধতা । পোস্টে +++।

রাজহাস থেকে পাতহাস !!! এ যেন হাসেরই সমারোহ তবে এত গুলি হাসের মাঝে ঈগল কেন আসল এ নিয়ে ব্যাপোক টেনশনে আছি।ঐ বদ (ঈগল) ত ছো মেরেই সেরে দিবে এবং কেড়ে নিবে এত সুন্দর কোন এক হাসের প্রাণ।

আর শায়মা বনির মত আমারো প্রথমেই মনে হয়েছে - " মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম " ।বনি অলরেডি বলে ফেলেছে ।তাই আমি রেফারেন্স হিসাবে উল্লেখ করলাম।

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৫:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

আপনার মুগ্ধতায় আমিউ মুগ্ধ ।

হ্যাঁ ঈগল দেখে টেনসনে ভোগাই স্বাভাবিক ।
তবে ঈগলের চোখ হাসের চেয়ে মাছের দিকেই বেশী ।
হাস অনেক দুর থেকেই দেখতে পারে ঈগলের চক্কর ।
সাবধান হয়ে নিরাপদে লেকের কিনারে গাছের ফাকে
চলে যায় বাচ্চা সহ , তা সম্ভব না হলে বিপদ দেখলে
টুপ করে পানিতে ডুব দেয় , তাই ঈগল হাসের সাথে
সুবিধা করতে পারেনা । তবে মাছের বেলায় ঈগলের
সফলতা বেশী বলে সেদিকেই তার নজর । এ জন্য্
নামই তার মেছো ঈগল হয়ে গেছে অনেক জায়গায়।

মোরা আর জনমে হংস-মিথুন ছিলাম
বাক্যটিতে হাইফেন জুরে দেয়ার ঈঙ্গিত দেয়ায় ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল ।

২৪| ২২ শে জুন, ২০২১ দুপুর ২:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

ভাই সাহেব, প্রসঙ্গক্রমে একটি বিষয় বলা হয়নি। ছবিব্লগে পরিস্কার উঠে এসেছে পশুপাখির প্রতি আপনার নির্মল ভালোবাসা। আমার ব্যক্তিগত ধারণা যে সকল পশুপাখি মানুষের সাহচার্য পছন্দ করেন, তাঁরা সত্যিকার অর্থে মানুষকে ভালোবাসে বলেই হয়তো কাছাকাছি আসেন। ভেবে নেয় হয়তো মানুষ তাঁদের জন্য নিরাপদ।

আপনার দেয়া ছবিগুলো এতোই সুন্দর হয়েছে যে, প্রতিটি ছবির যে কোনো ছবি দশ ফিট বাই পনেরো ফিট প্রিন্ট করে বাসা বাড়ির দেয়ালে পেস্ট করা যাবে এমনকি বিলবোর্ড আকারে প্রিন্ট করলেও খুবই দৃষ্টিনন্দন হবে।

পশুপাখির প্রতি আপনার নির্মল ভালোবাসার জন্য রইলো অনেক অনেক দোয়া ও ভালোবাসা।

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৫:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনার দেয়া ছবি দেখে আমি বিস্ময়ে বিমুঢ়, হয়ে গেছি মুগ্ধ ।
আপনার হাত যে এতই পাকা জানা ছিলনা তা। সাধারণ মানের
ছবি আপনার হাতে পরে হয়ে গেছে কতই না দৃষ্টি নন্দন। বিখ্যাত
সেসব আর্কিটেক্টের ডিজাইন করা কোটি টাকার ভবনকে আপনি
এমনতরর ছবির ডিজাইন দিয়ে করছেন অনেক বেশী দৃষ্টি নন্দন ।
বুঝতে পারছি ছবিগুলার এখনই প্যটেন্ট রাইট নেয়া প্রয়োজন :)
যাহোক, আপনাকে দেয়া হলো অধিকার, যখন যতগুলি খুশী তুলে
নিয়ে আপনার সুদক্ষ হাতের ছোয়ায় এদেরকে আরো দৃষ্টি নন্দন
করে প্রয়োগ করুন সুবিধামত পছন্দের জায়গায়। ইট কাঠ কংক্রিটের
বুকে ফুটে থাকুক প্রকৃতির প্রতি ভালবাসা ।

মুল্যবান মন্তব্য ও দৃষ্টিনন্দন সৃজনশীল কাজটির জন্য রইল অভিনন্দন ।


২৫| ২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:৫৫

সামিয়া বলেছেন: ওয়াও !! অসাধারন!!!

২২ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৫:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

অসাধারণ অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

২৬| ২২ শে জুন, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,





"হংস বলাকা যেথা মেলে পাখা"র মতোই মনের পাখা মেলে উড়ে উড়ে গেলেন ছবি থেকে ছবিতে। অনবদ্য এবং প্রশান্তির।
অতি সম্প্রতি তোলা ছবির জীবনের মতোই জীবন্ত।

+++++++++



২৩ শে জুন, ২০২১ রাত ১০:১০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



অতি মনোমুগ্ধকর মন্ত্যব্যের কথামালা
আমার কাছে জীবনের মতোই জীবন্ত
অনুভুত হয়েছে ।

এত এত ++++++++ এর মর্ম অনুধাবনের
শক্তি যেন মোরে বিধাতায় দেন সে কামনাই
সদা করি মনে মনে ।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

২৭| ২৩ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৩৪

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: চমৎকার সব ছবি

২৪ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ছবি চমৎকার অনুভুত হওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।
শুভেচ্ছা রইল

২৮| ২৩ শে জুন, ২০২১ রাত ১১:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: খুবই সুন্দর সব ছবি। মনে শান্তি এনে দেয়...

এমন চমৎকার ছবিগুলো প্রতিযোগিতায় থাকবে না জেনে দুঃখ হচ্ছে।

২৪ শে জুন, ২০২১ রাত ৩:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ছবি সুন্দর হয়েছে এবং তা মনে শান্তি দিয়েছে
শুনে খুবই খুশী হলাম ।

প্রতিযোগীতায় না হলেও সামুর মাঠেতো আছি
এটাই অনেক বড় সাফল্য আমার কছে। অনেকেই
আসছেন দেখছেন তার চেয়ে বড় আনন্দ আর
কি আছে ।
আপনার দুরে কোথাও দুরে পোষ্টটিতে একটি ছোট
মন্তব্য রেখে এসেছি ।

শুভেচ্ছা রইল

২৯| ২৪ শে জুন, ২০২১ বিকাল ৪:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ভাই সাহেব, আপনাকে উৎসর্গ করে সামান্য একটি লেখা পোস্ট দিয়েছি আজ। পড়ার জন্য অনুরোধ রইলো। আপনাকে ধন্যবাদ।

২৬ শে জুন, ২০২১ রাত ২:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্টটি দেখে সেখানে ছোট একটি মন্তব্য লিখে এসেছি ।
এসে বিষয়টি জানানোর জন্য : ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছা রইল

৩০| ২৫ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:৪১

অপু তানভীর বলেছেন: বিড়াল আর এই রাজহাঁসের প্রতি আমার আলাদা একটা ভালবাসা কাজ করে সব সময় । ছোট বেলায় নানা বাড়িতে বেশ লম্বা সময় কেটেছে আমার । নানী হাস আর মুরগি ছিল অনেক গুলো । আর তাদের ভেতরে চার পাঁচটা ছিল এই রাজহাঁস । সারা বাড়ি ময় এরা মাথা উচু করে ঘুরে বেড়াতো । আমি প্রায়ই এদের পেছন পেছন দৌড়াতাম মাঝে মাঝে এরা আমাকে তারা করতো ।

আপনার ছবি গুলো দেখে সেই কথা গুলো মনে পড়লো । ছবি গুলো সব চমৎকার হয়েছে !

২৬ শে জুন, ২০২১ রাত ২:৪৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


ছবি চমৎকার অনুভুত হ ওয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

বিড়াল আর হাসের প্রতি আপনার ভালবাসা ও রাজহাসের
পিছনে বাড়ীময় দৌঁড়াতেন শুনে ভাল লাগল ।

বিড়ালের প্রতি আমারো অনেক ভালবাসা আছে এবং ছিল ।
ছোট কালে আমাদের বাড়ীতে অনেক বিড়াল ছিল । বিড়ালগুলি
বাড়ীর ধানের গোলাঘরের পিছনে , লাকরি ও পাঠশুলা রাখার
জন্য তৈরী ঘরের চিপায় চাপায় বংশ বিস্তরতো করত, তাছাড়া
মনে হয় পাড়াময় ঘুরে বিয়ে করে সঙ্গী নিয়ে আসতো । বিড়াল
গুলিকে আমি খুব আদর করতাম । বিড়ালগুলিও ছিল দুষ্টের
শিরোমনি । মাঝে মাঝে নীজেরা খাবার নিয়ে ঝগড়া করত ।
বিড়াল ঝগড়া করলে কাকা বলতেন তাদের উপরে পানি ছিটাতে,
তাদের উপরে পানি ছিটালে দেখতাম তারা আরো বেশী মাত্রায়
ঝগড়া করে । মা বলত বিড়ালে বিড়ালে জগড়া লাগিয়ে দেয়ার
চেয়ে এদেরকে দুরে কোথায় ছেড়ে দিয়ে আয়। আমি তখন কায়দা
করে বিড়ালকে বস্তার ভিতরে ভরে পিঠে করে নিয়ে মাইল খানেক
দুরে নির্জন জায়গায় ছেড়ে দিয়ে আসতাম । কিন্তু লাভ কিছু
হতোনা, কেমনে জানি নীজেই রাস্তা চিনে বিড়ালটি ফিরে
আসত বাড়ীতে আমার প্রতি ভালবাসার টানে । বিড়াল
ফিরে আসলে আমি খুব খুশী হতাম।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩১| ২৬ শে জুন, ২০২১ রাত ১২:৪৬

কল্পদ্রুম বলেছেন: চমৎকার সব ছবি দেখে ভালো লাগলো। রাজহাঁস আসলেই রাজকীয়। বিশেষত পানিতে এরা যখন দল বেঁধে ভেসে বেঁড়ায়। প্রথম ছবিতে সাদা সোয়ানের নাম কি মিউট সোয়ান? ১২ নম্বর ছবির রাজহাঁসটির নাম কি?

২৬ শে জুন, ২০২১ রাত ৩:০৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ছবি দেখে ভাল লাগায় খুশী হলাম ।
যতার্থই বলেছেন রাজকীয় বলেই
এরা রাজহাস ।
আপনি ঠিকই ধরেছেন, প্রথম ছবিতে
থাকা ঐগুলি মিউট সোয়ান ।
১২ নং ছবিতে থাকা রাজহাসটির
নাম যতদুর মনে হয় ওল্যান্ড গুজ
বা স্নেপ গুজ হতে পারে ।

এরা এখন বলতে গেলে বিরল প্রজাতির রাজহাস।
কিছু ইউরোপিয়ান কনজারভেটরিতেই এখন
এদের দেখা মিলে ।
শুভেচ্ছা রইল

৩২| ০১ লা জুলাই, ২০২১ ভোর ৫:৩৬

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: ছবি গুলো কি (Autumn) এর?

০১ লা জুলাই, ২০২১ ভোর ৬:২৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
ছবি ব্লগে স্বাগতম ।
ছবিগুলি 'সামারে'র ।

৩৩| ০৫ ই জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:০০

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: আমি ভেবেছিলাম শরৎ- এর (আপনার)

সামার ভাইকে শুভেচ্ছা।

০৮ ই জুলাই, ২০২১ রাত ১:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ধন্যবাদ

৩৪| ১৯ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: এক ঝাঁক রাজহংসের সাথে কাটানো কিছুটা সময় আপনার সাথে সাথে আমাদেরকেও নির্মল আনন্দ দিয়ে গেল! ছবিগুলো খব স্বচ্ছ ও উজ্জ্বল, বড় করে দেয়াতে আরও দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। সরোবর কিনারে ছোট ছোট বাচ্চাসহ হাঁসদুটোকে দেখে বড় ভাল লাগলো।

ঈগলেরও নিজস্ব একটা আলাদা সৌন্দর্য আছে। কিন্তু এই হংস মিথুন মাঝে পাখা মেলা ঈগলটাকে দেখে মনে ভয় জাগে। বিশেষ করে ঐ শাবকগুলোর কথা ভেবে!

নিজের মোবাইলেই যখন এত সুন্দর ছবি তুলেছেন, তখন সেগুলো প্রতিযোগিতায় দিলেন না কেন? এগুলো তো মৌ্লিক ছবি, কোন ধার করা ছবি নয়।

অনুপম ছবিব্লগে ২৫তম প্লাস! + +



২০ শে জুলাই, ২০২১ ভোর ৪:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
ছবিগুলিতে অনেক অপুর্ণতা ও
অপরিকপ্পতা থাকায় একে
প্রতিযোগীতায় দেয়া হয়নি ।
আমি জানি বিজ্ঞ বিচারকদের চোখ
অপরিপক্কতা ও অপুর্ণতাগুলি এড়াবেনা।
পরে অবশ্য অন্য আরেকটি ছবি ব্লগ
দিয়েছি প্রতিযোগীতার জন্য ,
যদিউ জানি সেগুলিতেও
অপরিপক্কতার ছাপ রয়েছে যথেষ্ট ।
প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহনের
আনন্ন্দ সকলের সাথে শেয়ার
করার জন্য একটি ছবি ব্লগই
যথেষ্ট বলে মনে করেছি ।
যাহোক অনেক গুণী ব্লগার
ও পাঠকের কাছে ছবিগুলি
অনুপম মনে হওয়াটাই
আমার কাছে অনেক বড়
প্রাপ্তি ।

শুভেচ্ছা রইল



আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.