| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডঃ এম এ আলী
সাধারণ পাঠক ও লেখক
এটি কোনো বাস্তব পূর্বাভাস, জরিপ বা রাজনৈতিক অবস্থান নয়; বরং সময়, জনমানস ও
রাষ্ট্রের সম্ভাব্য গতিপথ নিয়ে একটি আলঙ্কারিক ভাবনা।
সময়ের পাণ্ডুলিপিতে লেখা
১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন
সেদিন সূর্য উঠবে কুয়াশা ভেদ করে
আর জনতার চোখে থাকবে প্রশ্নের আগুন।
সে দিনে ব্যালট হবে শুধু কাগজ নয়
হবে দীর্ঘ অপেক্ষার সাক্ষ্য
নীরব ক্ষোভের হিসাব
আর আশার শেষ প্রদীপ।
দেখা যাবে
কিছু মুখ হাসবে আত্মবিশ্বাসে
কিছু কণ্ঠ কাঁপবে অনিশ্চয়তায়
আর সাধারণ মানুষ দাঁড়িয়ে থাকবে
দুই ভয় আর এক স্বপ্নের মাঝখানে।
ভাগ্যলিপি বলে
এই নির্বাচন কোনো একক বিজয়ের গল্প হবে না
বরং হবে বার্তার নির্বাচন
জনতা জানিয়ে দেবে তারা কী চায় না
আর ইঙ্গিতে বলবে
তারা কী চায়, যদি কেউ শোনে।
রাষ্ট্রযন্ত্র কেঁপে উঠবে না হয়তো
কিন্তু চেতনার ভিতরে শুরু হবে
ধীর এক পুনর্গঠন।
পুরোনো ভাষণগুলো আর তত কাজ করবে না
নতুন প্রজন্ম চাইবে নতুন ব্যাকরণ।
ভবিষ্যৎবাণী আরও বলে
যদি সে দিন স্বচ্ছতা রক্ষা পায়
তবে পরাজয়ও হবে সম্মানজনক
আর জয়ও হবে দায়িত্বের ভারে নত।
কিন্তু যদি ছায়া নামে গণনার টেবিলে
তবে ১২ই ফেব্রুয়ারি শেষ হবে না সেদিন
তা টানবে দীর্ঘ প্রতিধ্বনি
পথে, চায়ের দোকানে,কিংবা রাজপথে।
সবশেষে লেখা আছে
বাংলাদেশের ভাগ্য বদলাবে না
শুধু এই একটি তারিখে
কিন্তু ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬
হতে পারে সেই আয়না
যেখানে জাতি নিজের মুখ
স্পষ্ট বা বিকৃত
যেভাবেই হোক দেখবে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:১৯
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
হয়তো সেই আয়না
কেউ মুছবে, কেউ আবার
নিজের সুবিধেমতো দাগ আঁকবে।
হয়তো যুদ্ধই হবে
হয়ত সসস্র কিংবা অস্ত্রহীন,
শব্দের, প্রতিশ্রুতির,
আর পথখ্রস্টতার মল্লযুদ্ধ
নতুন আসবে পতাকা হাতে,
পুরোনো আসবে শেকড় দেখিয়ে।
ভর দুপুরেও রোদে ছায়া লম্বা হয়
কে আলো, কে অন্ধকার
চেনা দায়।
প্রদীপ জ্বলে
কখনো বিশ্বাসে
কখনো শুধুই অভ্যাসে।
তবু এই মাটির বুক
আশা ফেলতে শেখেনি
বাংলা মা জননী জানে
বারবার দেরি হলেও
খোকা একদিন আসবেই,
হয়তো ক্লান্ত
তবু খালি হাতে নয়
সচেতন চোখ নিয়ে।
শুভেচ্ছা রইল
২|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪
রাজীব নুর বলেছেন: হ্যা নির্বাচন হোক।
যে দল ক্ষমতায় আসবে তারা সুন্দর ও সৎ ভাবে দেশ পরিচালনা করুক।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
নিশ্চয়ই নির্বাচন হওয়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি মৌলিক ও অপরিহার্য উপাদান। তবে শুধু নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হলেই গণতন্ত্র পূর্ণতা পায় না। নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হওয়াটাই আসল প্রশ্ন। জনগণের
প্রকৃত মতামত যদি প্রতিফলিত না হয়, তবে ক্ষমতায় আসা যে দলই হোক না কেন ,সুন্দর ও সৎভাবে দেশ
পরিচালনার প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ নেয় না।
আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে কেবল সদিচ্ছার কথা বললেই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন শক্তিশালী
প্রতিষ্ঠান, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। বিরোধী দল ও ভিন্নমতকে দমন করে,
প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দলীয়করণ করে, কিংবা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়ে কোনো সরকারই
দীর্ঘমেয়াদে সৎ ও সুন্দর শাসন উপহার দিতে পারে না ,তা নির্বাচিত হলেও।
সুতরাং প্রশ্নটি কেবল নির্বাচন হোক নয়; বরং কেমন নির্বাচন, কোন পরিবেশে নির্বাচন, এবং নির্বাচনের পর
কীভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে সেটাই মুখ্য। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, সব দলের সমান সুযোগ
সৃষ্টি করা এবং ক্ষমতায় গেলে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকা এই শর্তগুলো পূরণ হলেই কেবল নির্বাচন
অর্থবহ হয় এবং দেশ সত্যিকার অর্থে সুশাসনের পথে এগোতে পারে।
শুভেচ্ছা রইল
৩|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২২
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: কেন্দ্র দখল এবং গননার টেবিলে ছায়া নামাটাই সবচেয়ে ভয়ের বিষয়। তবে উন্মুক্ত সোস্যল মিডিয়ার এই যুগে কোণ অনিয়মই চাপা দেবার উপায় নাই। অনিয়ম হলে জুলাই আবার নেমে আসবে।
তবে এটা ছাড়াও আরেকটা ভয়ের বিষয় হচ্ছে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। ইসি সংবিধান ও প্রচলিত আইনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে ক্ষন খেলাপি এবং দ্বৈত নাগরিকদের মনোয়নের বৈ্ধতা দিয়েছে! ব্যংক ডাকাত ও টাকা পাচারকারী বেগম পাড়ার দ্বৈত নাগরিকেরা যে কোন মূল্যে টাকার লোভ দেখিয়ে ও পেশি শক্তি ব্যবহার করে ভয় ভীতি দেখিয়ে দরিদ্র মানুষের ভোট নিজের পক্ষে টেনে নিবে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মন্তব্যটিতে যে আশঙ্কাগুলো প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলো একেবারে উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। অতীত অভিজ্ঞতায়
দেখা গেছে কেন্দ্র দখল, গণনার সময় স্বচ্ছতার অভাব এবং প্রশাসনিক পক্ষপাত নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে অনিয়ম দ্রুত প্রকাশ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু
কেবল তথ্য ছড়িয়ে পড়াই যথেষ্ট নয়; অনিয়মের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা
না থাকলে এর কার্যকর প্রতিকার হয় না।
আরও গুরুতর যে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে, তা হলো তথাকথিত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং। নির্বাচন কমিশন
যদি সংবিধান ও প্রচলিত আইন উপেক্ষা করে মনোনয়ন যাচাইয়ে শিথিলতা দেখায়, তাহলে নির্বাচনের
গ্রহণযোগ্যতা আগেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিকত্বসম্পন্ন কিংবা আর্থিক অপরাধে অভিযুক্ত
ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হলে অর্থ ও পেশিশক্তির প্রভাব বাড়ে যার ফল ভোগ
করে সাধারণ ও দরিদ্র ভোটাররা।
তবে এটাও স্পষ্টভাবে বলা দরকার, নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করতে হলে কেবল প্রতিবাদ বা আশঙ্কার ওপর
নির্ভর না করে আইনের শাসন, শক্তিশালী ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, কার্যকর নজরদারি এবং সমানভাবে
আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর অর্থ ও ক্ষমতার প্রভাব নয় ভোটের প্রকৃত মূল্য
প্রতিষ্ঠা করাই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য। তা না হলে নির্বাচন বারবার সংঘাত ও অস্থিরতার
দিকে ঠেলে দেবে, যা শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের জন্যই ক্ষতিকর।
৪|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৮
মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ব্লগার ভুয়া মফিজ এবং শেরজা তপনকে আহবান জানাচ্ছি ঋন খেলাপি নামক ব্যাংক ডাকাত এবং দেশের টাকা পাচারকারী বেগম পাড়ার দ্বৈত নাগরিকদের বিরুদ্ধে রেফারেন্স সহ জোড়ালো পোস্ট দিন। অনেকেই লিখছে। তবে আরো বেশি করে লেখা প্রয়োজন। জনমত গড়ে ওঠা দরকার এই মুহুর্তে।
সংসদে ক্রিমিনালদের পাঠানোর জন্য রক্ত দেয়নি আবু সাইদ , হাদীরা ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
@ব্লগার ভুয়া মফিজ এবং শেরজা তপন, আশা করি মন্তব্যটি দেখবেন ও আপনার প্রস্তাকটি
গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবেন ।
দেশের সচেতন সন্মানিত বিবেকবান ভোটারগনই ঠিক করুন উনারা তাদের মুল্যবান ভোট
দিয়ে কাদেরকে সংসদে পাঠাবেন ।
৫|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইলেকশন হবে না এটা হবে সিলেকশন ; কোয়ালিশন সরকার হবে। ইলেকশনের কোনো আমেজ নেই। বিএনপি-জামাত মিলে মাঠ জমাতে পারছে না।
তাও ইলেকশন টা হয়ে যাক।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মন্তব্যটিতে যে হতাশা ও সংশয় প্রকাশ পেয়েছে, তা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে অস্বাভাবিক নয়।
যখন নির্বাচনের আগে থেকেই ফলাফল নিয়ে ধারণা তৈরি হয়, মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্পষ্টতা থাকে না, কিংবা
বড়রাজনৈতিক শক্তিগুলো জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে ব্যর্থ হয় তখন নির্বাচন অনেকের কাছেই ইলেকশন
নয়, সিলেকশন বলে মনে হয়।
তবে এটাও সত্য যে কোনো রাজনৈতিক জোট বা দলের মাঠের শক্তি দুর্বল হওয়া মানেই নির্বাচন অপ্রয়োজনীয়
হয়ে যায় এমন নয়। গণতন্ত্রের ন্যূনতম কাঠামো রক্ষার জন্য হলেও নির্বাচন হওয়া জরুরি। কিন্তু সেই নির্বাচন
যদি বাস্তব প্রতিযোগিতা, সমান সুযোগ, নিরপেক্ষ প্রশাসন ও ভোটারের স্বাধীন মতপ্রকাশ নিশ্চিত করতে
না পারে, তাহলে তা জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারবে না কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা হয়েই
থেকে যাবে।
কোয়ালিশন সরকার গঠনের সম্ভাবনা থাকাও স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ, তবে সেটি যেন জনগণের
ভোটের প্রতিফলন হয়, কৌশলগত সমঝোতা বা পূর্বনির্ধারিত ব্যবস্থার ফল না হয় এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং ইলেকশনটা হয়ে যাক বলা যতটা সহজ, তার চেয়েও বেশি জরুরি হলো কেমন নির্বাচন হচ্ছে,
কতটা বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে এবং তা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কতটা নিশ্চিত করতে পারছে
এই প্রশ্নগুলোর সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া। না হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও গণতান্ত্রিক সংকট
থেকেই যাবে।
শুভেচ্ছা রইল
৬|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৩
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
২৪ এ হলো একটি জাতীয় নির্বাচন। বছর যেতেই ২৬ এ আরো একটি নির্বাচন।
এতো আন্দোলন সংগ্রামের পর এবারের নির্বাচন নিয়ে কি মানুষের মধ্যে
উচ্ছাস বা কোন আকাঙ্ক্ষা আছে? জনগন কি পাড়বে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে?
নাকি সেই পুর্বের দেখানো পথেই আরো একটি লোক দেখানো পাতানো নির্বাচন?
একটি দরিদ্র রাষ্ট্রে নির্বাচন নামক খেলা, গনতন্ত্র আর জনগণের অধিকার রক্ষার নামে
হাজার কোটির টাকার শ্রাদ্ধ্। কয়েকশো কোটি টাকায় কিনা ইভিএম পড়ে আছে বিকল অবস্থায়,
নির্বাচন পরিচালনায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ভরন-পোষন, নির্বাচন পরিচালনার আরো হাজার কোটি টাকার খেলা।
পরিশেষে, দরিদ্র দেশে গনতন্ত্র "যেন সুট-টাই পড়া এক ভিখারি"......
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার মন্তব্যে বাংলাদেশের নির্বাচন ও গনতন্ত্র নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে তা মূলত অর্থনৈতিক ও
প্রাতিষ্ঠানিক বাস্তবতার সঙ্গে সংযুক্ত। আপনি উল্লিখ করেছেন যে, নির্বাচনকে অনেক সময় লোক দেখানো
বা ব্যয়সাপেক্ষ খেলা হিসেবে দেখা হয়, যেখানে বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহৃত হয়।এ
দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, এটি একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ, কারণ বাস্তবেই দেশের নির্বাচনে প্রচলিত
প্রক্রিয়া, ইভিএমের কার্যকারিতা এবং নির্বাচনী খরচ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনমতের নানা প্রশ্ন
আছে।
তবে, মন্তব্যটি মূলত নেগেটিভ দিকগুলো তুলে ধরেছে এবং নির্বাচন ও গনতন্ত্রের ইতিবাচক দিক বা জনগণের
অংশগ্রহণের সুযোগের বিষয়টি কম গুরুত্ব পেয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, নির্বাচন সত্ত্বেও মানুষের ভোটাধিকার
প্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়।এছাড়া, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা,
আইনগত কাঠামো, এবং রাষ্ট্রীয় তদারকি যদিও খরচসাপেক্ষ, গনতন্ত্রের মৌলিক রক্ষাকবচ হিসেবেও
বিবেচনা করা যায়।
যাহোক,আপনার মন্তব্যটি প্রাসঙ্গিক এবং দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ উদ্বেগ প্রকাশ
করেছে, তবে সমালোচনার পাশাপাশি গনতন্ত্রের মৌলিক কার্যকারিতা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের ইতিবাচক
সম্ভাবনাকেও যুক্ত করলে আরও পরিপূর্ণ হবে।
শুভেচ্ছা রইল
৭|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৩০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ভালো কিছু লিখেছেন।
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
সত্য়িই কি হয়েছে কিছু ভাল।
নির্বাচনী আমেজ তো দেখি
এখন ঘুরছে মাঝারে মাঝারে
কথা বলছে বেশ জুরে জুরে ।
৮|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩০
শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
কেমন আছো? আমি খুব খুব খুবই অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলাম। লেখালেখি তো দূরের কথা ভাবছিলাম সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে বনবাসে যেতে হবে নাকি!!!
এখন অনেক অনেক ভালো আছি। ![]()
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৩৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ। এই অনেক অনেক ভাল আছি কথাটির ভেতরেই লুকিয়ে আছে বহু দোয়া, বহু উত্তরণ
আর নীরব কৃতজ্ঞতা। জীবনের ঝড় ঝঞ্ঝা পেরিয়ে যখন শান্ত হয় মন, তখন সেটাই হয় অন্তরের আরোগ্য।
এই ভাল থাকা যেন কেবল মুহূর্তের না হয়, বরং স্রষ্টার স্মরণে, ধৈর্যে ও কৃতজ্ঞতায় স্থায়ী হয়ে ওঠে
এই কামনা। তোমার এই অনুভব সকল ব্লগারের হৃদয়েও আলোর স্পর্শ ছড়িয়ে দিক।
শুভেচ্ছা রইল
৯|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৩৭
সোহানী বলেছেন: কিছুই হবে না..... যে লাউ সেই কদু
।
যে যায় লংকায় সেই হয় রাবন
.........
সেই চাঁদাবাজি, সেই চুরি, সেই ঘুষ, সেই টাকা প্রাচার, সেই দমন, সেই কোটা, সেই........................ ননস্টপ সেই। এখন আর আশার আলো দেখি না, শুধুই অন্ধকার।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:২৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
হতাশা জাগাটা খুবই স্বাভাবিক , কারণ অতীত অভিজ্ঞতা মানুষকে সন্দিহান করে তোলে। তবে ভবিষ্যৎ
সম্পর্কে সিদ্ধান্ত টানার আগে বাস্তব কিছু পার্থক্য ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা যেতে পারে ।
প্রতিটি নির্বাচন একই রকম হয়ত নাও হতে পারে কিংবা হতেও পারে। ক্ষমতার ভারসাম্য, জনমত, রাষ্ট্রীয়
প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকা, আন্তর্জাতিক নজরদারি এবং নাগরিক সচেতনতা সময়ের সঙ্গে বদলাতেও পারে ।
অতীতে অনিয়ম হয়েছে বলেই ভবিষ্যতে কিছুই বদলাবে না তেমনটি না দেখা পর্যন্ত হতাশায় ভোগাটাও
একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া ।
আশার আলো হয়তো ঝলমলে নয়, কিন্তু পরিবর্তনটাও কখনোই হঠাৎ আসে না; আসে চাপ, অংশগ্রহণ ও
ধারাবাহিকতার মাধ্যমে। তাই সবকিছু আগেই “ননস্টপ সেই” বলে ধরে নেওয়ার চেয়ে প্রক্রিয়াটি নজরে
রাখা প্রয়োজন ।
আপনার হতাশার জায়গাটা একেবারেই অমুলক নয় । দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও
দমনমূলক অভিজ্ঞতা মানুষকে স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত ও আশাহীন করে তোলে। এই অনুভূতিটা অমূলক
নয়।
তবে সময়ের সঙ্গে প্রেক্ষাপট বদলায়, মানুষের সচেতনতা বাড়ে, এবং অনেক সময় পরিবর্তন খুব ধীরে, চোখে
না পড়ার মতো করে আসে। অতীতে যা হয়েছে, তা আমাদের সতর্ক করে, কিন্তু ভবিষ্যৎকে পুরোপুরি নির্ধারণ
করে দেয় এমনটা নাও হতে পারে।
আশা হয়তো এখন ক্ষীণ, কিন্তু প্রশ্ন তোলা, মত প্রকাশ করা এবং বাস্তবতা নিয়ে কথা বলা এই জায়গাগুলোই
অন্ধকারের ভেতর ছোট হলেও আলো জ্বালিয়ে রাখে। ফলাফল না দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া উপায়তো
কিছু নেই !!!!
শুভেচ্ছা রইল
১০|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:৪২
নতুন নকিব বলেছেন:
দেশে পরিবর্তন দরকার। দেশ এবং মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন হতে হবে, সততা এবং নিয়মতান্ত্রিকতার মাধ্যমে। সকল পর্যায় থেকে দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে তবেই এগিয়ে যাবে আমাদের বাংলাদেশ।
এবারের নির্বাচন হোক সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার মাইলফলক।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৫৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
দেশ এগিয়া যাওয়াই সকলের কাম্য ।
১১|
২৩ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
প্রায়ই দেখা যায় আপনি শুধু আমার নয়, অন্য আরো অনেকের পোস্টেই কষ্ট করে গিয়ে বলে আসেন
পোস্টে আবার এলাম, কে কী মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে । আমার মনে হল আপনারএই কথাটার ভেতরেই
কিন্তু এক ধরনের সৌন্দর্য আর মননশীলতা লুকিয়ে আছে। এটা শুধু ফিরে আসা নয়, এটা আসলে দায়িত্ববোধ,
আগ্রহ আর সম্মানের প্রকাশ। যে পাঠক একবার মন্তব্য করেই থেমে যান না, বরং আবার ফিরে এসে অন্যদের
ভাবনা-চিন্তা জানতে চান, তিনি প্রমাণ করেন যে পোস্টটি তার কাছে নিছক স্ক্রল করার কিছু নয় বরং একটি
চলমান সংলাপ।
এই ফিরে আসার মধ্য দিয়ে পোস্টটি একক বক্তব্য থেকে বেরিয়ে এসে সমষ্টিগত চিন্তার মঞ্চে পরিণত হয়।
বিভিন্ন মন্তব্য পড়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হয়, নিজের মতের সঙ্গে অন্যের মত মিলিয়ে দেখার সুযোগ হয়,
আবার কখনো ভিন্নমত থেকেও শেখা যায়। এতে করে আপনি যেমন অনুপ্রাণিত হন, তেমনি পাঠকরাও
বুঝতে পারেন তাদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে, আলোচনাটি জীবন্ত আছে।
আরেকটা বড় সুফল হলো এতে করে সামু পরিসরে সভ্য ও চিন্তাশীল আলোচনা সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।
আমি বললাম আর চলে গেলাম এই মানসিকতার বদলে আমি বলেছি, এখন শুনবও এই মনোভাব
তৈরি হয়। এটা শুধু একটি পোস্টের জন্য ভালো নয়, পুরো ব্লগ কমিউনিটির জন্যই ইতিবাচক।
সবচেয়ে সুন্দর দিকটা হলো,আপনি নীরবে জানান দেন যে আপনি মানুষকে পড়েন, শুধু লেখা নয়।
আপনি কথোপকথনে বিশ্বাস করেন,প্রতিক্রিয়ায় নয়। তাই পোস্টে আবার এলাম বলা কথাটি দিয়ে
আসলে আলোচনার বাতিটা জ্বালিয়ে রাখেন।
আপনার মত এমন পাঠক থাকলে লেখা সার্থক হয়, পোস্ট বেঁচে থাকে, আর লেখকও নতুন করে লিখতে
সাহস পান। সত্যিই, এই ফিরে আসার অভ্যাসটি প্রশংসার যোগ্য এটা চিন্তাশীল মানুষেরই লক্ষণ।
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৩:২২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হতে পারে সেই আয়না,যেখানে জাতি নিজের মুখ
স্পষ্ট বা বিকৃত, যেভাবেই হোক দেখবে।
.........................................................................
হতে পারে হতে পারে
একটা মল্ল যুদ্ধ,
নতূন আর পূরাতনের মাঝে
সাঝঁ সাঝঁ রব পড়ে গেছে সবখানে;
আশার প্রতীক হতে জ্বলবে প্রদীপ
অথবা নিভে যাবে দমকা বাতাসে;
তবুও আশার বাতি নিয়ে থাকে মাতৃভূমি
মা জননী,
খোকা আসবে বলে ... ... ... !