| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ডঃ এম এ আলী
সাধারণ পাঠক ও লেখক
কাল ১২ই ফেব্রুয়ারী ভোরে
সূর্য উঠবে নতুন ঘোরে
পথে পথে কোন প্রকারে
মানুষ যাবে ভোটের ঘরে।
হাতে কারও লাল পতাকা
কারও মনে নীরব আঁকা
কারও বুকে শপথ গাঁথা
কারো মুখে নানান কথা।
মাইকে বলা শেষের বুলি
চায়ের কাপের তর্ক গুলি
ফেবুক জুরে গুজব ডালা
কেও বলছে পালা পালা।
বৃদ্ধগন বলবে শান্তি চাই
তরুণ বলবে কাজটা পাই
মায়ের চোখে সন্তানের স্বপ্ন
নিরাপদ হোক আগামী জন্ম।
ভোটের কক্ষে কৌশলি সকাল
আঙুলে দাগ জালে নির্ভেজাল
ভোটারের চিহ্ন ব্যলটে ছোট
কাগজের লেখায় ভবিষ্যৎ বাট।
বারো তারিখের ভোটের পরে
দেখবে মানুষ নয়ন ভরে
দেশের মানুষের চাওয়ার ধরন
বাংলা পায় কেমন শাসন।
২|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৭
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
১৯৭৯
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১১
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
প্রথম আলোর আজকের খবর
আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে
ভোটার উপস্থিতি কমার সম্ভাবনা
দেখছে না ইসি
এখন চারিদিকে শুধু সম্ভাবনারই খবরা খবর
তাই সবদিকেই সচেতন চোখ রাখা দরকার।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
দেশ বিদেশের সংবাদ মাধ্যমগুলির দিকে নজর লাখুন
তাজা তাজা নরম গরম খবরা খবর দেখতে পাবেন ।
ধন্যবাদ অতীত দিনের স্মৃতির পাতা তুলে দেয়ার জন্য ।
৩|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশে কোনো পলিটিকাল দলের past ভালো না যখন শাসন করেছে দেশ ; একটা যখন বেশি খারাপ কাজ করে তখন মানুষ আরেকটাকে ভোট দেয় । এরপর নতুন দলের হাতে বাশ খেতে খেতে তারা পুরান দলের আকাম কুকাম ভুলে যায় । তখন মনে হয় আগের দল ভালা আছিলো । এখানে কেউ তাই সংশোধনের চেষটা করে না ।
বাঙালির গোল্ডফিশের স্মৃতিশক্তি বলে কথা । ![]()
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২৩
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
আপনার মন্তব্যে মানুষের রাজনৈতিক হতাশা ও অভিজ্ঞতার একটা বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে এটা অস্বীকার করার
উপায় নেই। আমাদের দেশে ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাস দেখলে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি দলই শাসনামলে
কিছু না কিছু বিতর্ক, দুর্নীতি বা অদক্ষতার অভিযোগে সমালোচিত হয়েছে।ফলে ভোটাররা অনেক সময় কম খারাপ
বিকল্পের দিকে ঝুঁকে পড়ে এমন ধারণার পেছনে বাস্তব অভিজ্ঞতা কাজ করে।
তবে বিষয়টি শুধু “গোল্ডফিশের স্মৃতিশক্তি” দিয়ে ব্যাখ্যা করলে চিত্রটা কিছুটা সরলীকৃত হয়ে যায়। ভোটাররা
সবসময় ভুলে যায় এটা হয়তবা পুরোপুরি সত্য নয়; বরং অনেক সময় তারা তৎকালীন পরিস্থিতি, অর্থনীতি,
নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত জীবনের প্রভাব ইত্যাদি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। মানুষের স্মৃতি নয়, বরং প্রত্যাশা,
হতাশা এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাই অনেক ক্ষেত্রে ভোটের আচরণ নির্ধারণ করে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দলের আত্মসমালোচনা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির অভাব। রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে
যদি নীতি, আদর্শ ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের জায়গা শক্ত না হয়, তাহলে শুধু মুখ বদলালেও কাঠামোগত সমস্যাগুলো
থেকে যায়। ফলে চক্রাকারে হতাশা তৈরি হয়।
সমাধানের পথ সম্ভবত দুইদিকে একদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর ইতিহাস জানা, তাদের ভেতরে গণতান্ত্রিক
চর্চা ও জবাবদিহি বাড়ানো, অন্যদিকে নাগরিকদের সচেতন ও ধারাবাহিক অংশগ্রহণ। সমালোচনা অবশ্যই
প্রয়োজন, তবে তা যদি তথ্যনির্ভর ও গঠনমূলক হয়, তাহলে সেটাই পরিবর্তনের ভিত্তি গড়ে দিতে পারে।
হতাশা বাস্তব; কিন্তু নাগরিক স্মৃতি ও সচেতনতার সম্ভাবনাও বাস্তব। সেই সম্ভাবনাটাকেই হয়তো আরও
জাগ্রত করা দরকার, আর এ কাজটিই ব্লগারগন করতে পারেন ভাল করে ।
আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
২০০১
১৯৮৬
১৯৮১
কিছু জেলায় নির্বাচন কেন্দ্রিক সংঘর্ষ শুরু হয়ে গেছে। কালকে কতজন নিহত হয়, এটা ভাবলে ই এখন আটকে উঠি। যাক আপনার পোষ্টটিতে পুর্বের নির্বাচনে কিছু পত্রিকার হেডলাইন যুক্ত করে দিচ্ছি। সেই সবগুলো নির্বাচন ই হয়তো সামনে থেকে দেখেছেন। স্মৃতি, অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বর্ননা করার অনুরোধ রইলো।