| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
ব্রহ্মাণ্ড সংস্কৃত ভাষা থেকে উদ্ভূত আমাদের অতি পরিচিত একটি শব্দ। ব্রহ্ম এবং অন্ড এ দু'টি শব্দ থেকেই ব্রহ্মাণ্ড কথাটির উৎপত্তি। যেখানে ব্রহ্ম মানে মহাবিশ্ব এবং অন্ড মানে ডিম। তাহলে ব্রহ্ম এবং ব্রহ্মাণ্ড এই দু'টি শব্দের মাঝে পার্থক্য কি? পার্থক্যটা হচ্ছে অতুলনীয় ব্রহ্মকে ডিম রূপে তুলনা থেকেই ব্রহ্মাণ্ড কথাটির উৎপত্তি।
প্রাচীন ভারতীয় উপাখ্যান ঋগ্বেদ ও উপনিষদ এর সৃষ্টি তত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে- View this link
ব্রহ্মা (ট্রিনিটি)
কিন্তু এতকিছু থাকতে হঠাত ডিম কেন ? আমারো একই প্রশ্ন।
চৈনিক পুরাণ বিশ্ব সৃষ্টির ব্যাপারে এক জায়গায় বলছে, মহাবিশ্ব ছিল একটি ডিমের ন্যায়। প্যান গু সেই ডিমের ভেতর ১৮০০০ বছর ধরে বড় হতে থাকে তারপর সেই ডিম ভেঙ্গে বেরিয়ে আসে প্যান গু সেই ভেঙ্গে যাওয়া ডিমের উপরের অংশ দিয়ে তৈরী হয় আকাশ আর নিচের অংশ দিয়ে তৈরী হয় পৃথিবী। তারপর সেইসব খন্ডাংশ প্যাং গু নিদ্রিষ্ট স্থানে বয়ে নিয়ে যায়। এবং এই দীর্ঘস্থায়ী পরিশ্রমলব্ধ কাজের কারণে প্যাং গু একসময় ক্লান্ত হয়ে ভেঙ্গে পরে। তার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ থেকে তৈরী হয় ভূমি, পাহাড় পর্বত, তার রক্ত থেকে নদী জলাভূমি, তার শ্বাস বায়ু, তাঁর কন্ঠ বজ্র, তার চোখ চন্দ্র ও সূর্য আর এভাবেই তৈরী হয় মহাবিশ্বের।
![]()
প্যান গু
![]()
চৈনিক উপাখ্যানে বিশ্ব সৃষ্টির প্রতীক
এদিকে আবার প্রাচীন মিশরীয় এক উপাখ্যান বলছে, আদিতে এ বিশ্ব ছিল নোংরা ময়লা আবর্জনার একটি স্তূপ। দেবতা রা সেখানে রাজহাঁসের বেশে মতান্তরে বাজপাখীর বেশে এসে একটি ডিম প্রসব করে উপর তা দিতে থাকেন। সেই ডিম থেকে জন্ম নেয় দেবী হাতহুর আর এভাবেই সৃষ্টি হয় মহাবিশ্বের। এখানে উল্লেখ্য রা এবং হাতহুর কে আবার পরবর্তীতে হোরাস এবং আইসিস রুপে আলাদা বর্ণনা পাওয়া যায়।
দেবতা রা
আধুনিক সময়ে এই ডিম তত্ত্ব শুধু মিথের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকল না। ১৯৩০ এ এসে এডউইন হাবল মহাবিশ্বের গঠনের ব্যাক্ষায় নিয়ে আসলেন ভিন্ন মাত্র। হাবল নিয়ে আসলেন সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব তত্ত্ব। তিনি বলতে চাইলেন আজ থেকে প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর আগে ক্ষুদ্রাকৃতির পিন্ডের এক এক বৃহৎ বিষ্ফোরণের মাধ্যমে ফেটে চৌচির হয়ে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয়। আধুনিক পদার্থ বিদ্যায় যে ডিম ফেটে যাওয়া(!) বিগ ব্যাং তত্ত্ব নামে পরিচিত।
এদিকে কল্প বিজ্ঞানের লেখকগণ তাদের লেখনির মাধ্যমে এই মহাজাগতিক ডিম তত্ত্বের আগুনে নানা ভাবে ঘি ঢালতে থাকলেন। ১৯৭০ সলে প্রকাশ পেল পল এন্ডারসন এর ডিম তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে লেখা তার বিখ্যাত উপন্যাস তাও জিরো আবার তার পরপরই ১৯৭২ সালে প্রকাশ পেল আইজ্যাক আসিমমভ এর ডিম তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে লেখা উপন্যাস গড দেমসেলভস ।
সে যাই হোক, প্রাচীন মিথে এত্ত এত্ত ডিম তত্ত্ব থাকবে, কখনো ভারতীয় পুরাণে স্রষ্টা ব্রহ্মা আসবে রাজহাঁসে চেপে আবার কখনো মিশরীয় পুরাণে স্রষ্টা দেবতা রা রাজহাঁসের বেশে তার নিজের ডিম তা দিয়ে পৃথিবী সৃষ্টি করবে। আর চির রহস্যময় শিল্পী লিওনার্দো ডা ভিঞ্চি তা শুধুই বসে বসে দেখবে তা কি করে হয়! ডা ভিঞ্চি এই ডিম তত্ত্ব খুঁজে পেলেন হোমার বর্ণিত গ্রীক পুরাণের ট্রোজন যুদ্ধের ময়দানে। ডা ভিঞ্চি দেখলেন ট্রোজন যুদ্ধের মূল নায়িকা হেলেনের জন্মও ডিম থেকে। দেবরাজ জিউস রাজহাঁসের বেশে লেডার সাথে মিলনের কারণে লেডা দু'টি(মতান্তরে তিনটি) ডিম প্রসব করে আর সেই ডিম ফুটে জন্ম নেয়া তিন সন্তানের একজন হচ্ছে ট্রয় নগরীর হেলেন। লেডা হচ্ছে প্রাচীন গ্রীক মিথের অন্যতম কুমারী মাতা। থেটিসের রাজ এথোলিয়নের কন্যা, স্পার্টার রাজা থেন্ডারসের স্ত্রী।
ভিঞ্চি এঁকে ফেললেন তাঁর এক বিখ্যাত চিত্রকর্ম "লেডা এন্ড দ্যা সোয়ান" কিন্তু চিত্রকর্মটি কোনভাবে হারিয়ে গেল যার সন্ধান আজো মেলেনি। নিচে তাঁর চিত্রকর্মের একটি রেপ্লিকা।
যাইহোক, ভিঞ্চি পরবর্তী মাইকেলএঞ্জেলোও এঁকেছিলেন "লেডা এন্ড দ্যা সোয়ান" নামে আরেকটি চিত্রকর্ম। কিন্তু হারিয়ে গেল মাইকেলএঞ্জেলোর সেই চিত্রকর্মটিও যার খোজ আজো মিলল না। নিচে মাইকেলএঞ্জেলোর চিত্রকরমটির একটি রেপ্লিকা।
![]()
কিন্তু কোথায় সেই রাজহাঁসের ঠিকানা ? রাজহাঁসের সেই তারকা মন্ডলের নাম সিগন্যাস । শরতের আকাশে সবচাইতে প্রভাব বিস্তারকারী তারকা মন্ডল।![]()
শরতের আকাশ অনন্য সব পাখীর মেলা। বৃহৎ নক্ষত্রমন্ডল সিগন্যাস বা গ্রীক মিথের রাজহাঁসরুপী দেবরাজ জিউস হচ্ছে এই আকাশের প্রধান চালক। যা উত্তরের ক্রস নামেও পরিচিত। যার লেজের দিকের তারা দেনেব উক্ত নক্ষত্রমন্ডলের সবচাইতে উজ্জ্বল তারা। যা লীরা নক্ষত্রমন্ডলের উজ্জ্বল তারা ভেগা ( আকাশের পঞ্চম উজ্জ্বল তারা) এর মাধ্যমে সহজেই চিহ্নিত করা যায়। সিগন্যাস নক্ষত্রমন্ডলের আরেক উজ্জ্বলতর তারা অ্যালব্যারিও যা রাজহাঁসের মাথা নির্দেশ করে।
সিগন্যাসের পাশের আরেক নক্ষত্রমন্ডল অ্যাকুয়েলা গ্রীক মিথে জিউসের বাহন ঈগল হিসেবে যার পরিচিতি। এই নক্ষত্রমন্ডলের উজ্জ্বলতম তারা আলতেয়ার ।
দেনেব, ভেগা এবং আলতেয়ার একত্রে উত্তরের আকাশের বিখ্যাত গ্রীষ্মের ত্রিভুজ নামে পরিচিত।
শরতের আকাশপটের ধারাবর্ণনা সহ নাসার একটি ভিডিও চিত্র - View this link
একটি অনুমানঃ
চলে যাই আজ থেকে ১৭০০০ বৎসর আগে তৈরী দক্ষিণ ফ্রান্সের লেস্কাস গুহায় ।
প্রথমের চিত্রটি লেস্কাক্স গুহায় প্রাপ্ত একটি গুহাচিত্র। বলা হয়ে থাকে এটি হচ্ছে পৃথিবীর প্রাচীনতম মানচিত্র। যেখানে একটি উদ্ধত বাইসন, পাখীর মাথা সদৃশ একজন মানুষ এবং একটি দন্ডের উপর পাখীর ছবি।
মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ছবিটি এবং বিশ্ব মানচিত্র সমান অনুপাতে বসালে এশিয়ার একাংশ, ইউরোপ এবং আফ্রিকার একাংশের সীমানার সাথে হুবহু মিলে যায়! আবার হারকিউলিস, লীরা এবং সিগন্যাস নক্ষত্রমন্ডলের তারকার বিন্যাস উক্ত গুহাচিত্রের রেখার সাথে মিলে যায় হবহু! যেখানে পাখীর মুখ সদৃশ মানুষের চিত্রটির অবস্থান সিগন্যাস নক্ষত্রমন্ডলে। হতে পারে প্রাচীন মিশরের উপখ্যানের দেবতা রা / হোরাসের ১৭০০০ বছর আগের রূপ এটি! হতে পারে এর সবই অতি অনুমান। হতে পারে কিছুই না। কিন্তু কৌতুহলী মনের রহস্যই হচ্ছে সর্বদা রহস্য খুঁজে বেড়ানো।
শেষ করছি ইয়েটস এর Leda and The Swan কবিতাটি দিয়ে,
A sudden blow: the great wings beating still
Above the staggering girl, her thighs caressed
By the dark webs, her nape caught in his bill,
He holds her helpless breast upon his breast.
How can those terrified vague fingers push
The feathered glory from her loosening thighs?
And how can body, laid in that white rush,
But feel the strange heart beating where it lies?
A shudder in the loins engenders there
The broken wall, the burning roof and tower
And Agamemnon dead.
Being so caught up,
So mastered by the brute blood of the air,
Did she put on his knowledge with his power
Before the indifferent beak could let her drop?
** সমস্ত লেখাটি শেষ করে এনে সামান্য অসাবধানতায় ট্যাবটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে লিখতে হয় আবার নতুন করে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই সাধারণের পক্ষে একই জিনিষ নতুন করে লেখায় আগের মতো ধৈর্য রাখা সম্ভব হয়না। যেকারণে লেখাটা হয়তো অনেক এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। সেজন্য অগ্রিম ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
** ছবিসুত্রঃ ইন্টারনেট
** সকল লিংকঃ উইকিপিডিয়া
০৩ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৪৭
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: এখনো ঠিক বুঝতে পারতেছিনা ডিম আগে নাকি মুরগী আগে! তবে ভাব গতিকে মনে হচ্ছে ডিম আগে হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকলেও থাকতে পারে!!
ধন্যবাদ আরেফিন ভাই ![]()
২|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:৫৬
ফারজুল আরেফিন বলেছেন: সময় নিয়ে আগের পোস্টটা লিখার সময় ফোন আসলো - কয় কি করো? কইলাম সময় নিয়া বিজি আছি - ভাবতাছি আর পোস্ট লিখতাছি। একচোট হাইসা নিয়া কয় - তুমি 'ডিম আগে নাকি মুরগী আগে' এইটা নিয়া লিখো।
এমনও তো হতে পারে - সৃষ্টিকর্তা বিলিয়ন বিলিয়ন বছর পর পর একটা কইরা ডিম পারে।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৪
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: হা হা হা , , , ডিম আগে নাকি মুরগী আগে এইটা আসলে একটা সমস্যাই !!!
ভিঞ্চি আর এঞ্জেলোর আসল ছবি দু'টা থাকলে হয়তো আরো কিছুর খোঁজ পাওয়া যেতে পারত। কারণ এই দুইটা ছবি আসল ছবির মতো না হওয়ারই কথা। হারিয়ে যাওয়ার পর অন্যরা অনুমানের উপর ছবি দু'টো এঁকেছে। ভিঞ্চির রাফ খাতায় লেডার মুখের ছবির কিছু রাফ ডিজাইন ছাড়া এই ছবির আর কিছুই পাওয়া যায়নি।
ভিঞ্চির ছবিটি এঁকেছে ডা সেস্তো আর এঞ্জেলোর ছবিটি এঁকেছে পল রোবেন্স।
৩|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৪৩
ঘুড্ডির পাইলট বলেছেন: আপনার পোষ্ট মনোযোগ দিয়া পর্লাম , এরপর একটা বিষয় মাতাত হানলো না ! ভিঞ্চি মামায় ফডু আকার সময় নাকি মডেল হিসাবে কাউরে রাকতো ! আর হের ফডু গুলান ১৮ + মামায় তাইলে ভালাই মজা লুটছে রে ।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:১৯
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: একজন চিত্র শিল্পীর আঁকার সময় তো মডেল থাকারই কথা। তবে একজন উঁচু মানের চিত্রশিল্পীর ছবি আঁকার সময় ধ্যান জ্ঞানটা শুধুমাত্র ছবি আঁকা এবং ছবির বিষয়বস্তুর দিকেই থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তারা তো আর আমাদের মতো আজাইরা পাবলিক না যে চলতে ফিরতে উঠতে বসতে লোল পড়তেই থাকবে।
৪|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৫১
একজন আরমান বলেছেন: হুম। দারুন পোস্ট।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:২১
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আরমান ভাই ![]()
৫|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:৩১
হাসান মাহবুব বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পড়লাম পুরোটা। চমৎকার পোস্ট।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৩
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: একটা জিনিষ খেয়াল করে দেখেন হামা ভাই, একই বিষয়ের উপর দুইটা ছবি হারিয়ে গেল! কিন্তু কারণ কি ? কার লেজে এমন পা পড়ল যে যেভাবেই হোক ছবি গায়েব করে দিতে হবে! জানিনা তবে অনুমান করি চার্চ এর ঈশ্বর পুত্র বা ঈশ্বরের সন্তানের ধারণা বা কুমারী মাতার ধারণা যে অনেক প্রচীন আদি ধর্মের একটা ধারণা এটা প্রচার পেলে তো চার্চের ভাগীদার বেড়ে যায়। যীশুর নামে একক ক্ষমতা চালানো কঠিন। সেজন্য তারা হয়তো চায়নি কুমারী মাতার আদি তত্ত্বটা কারো হাত দিয়ে জনপ্রিয়তা পাক। কারণ তাহলে সাধারণ মানুষের কাছে ছলে বলে প্রচার করা যায়না যে যীশুই একমাত্র ঈশ্বর পুত্র। তাছাড়া যতদূর জানি চারটা গসপেলের মধ্যে শুধুমাত্র লুখের গসপেলেই যীশুকে ঈশ্বর পুত্র বানানো হয়েছে। ধারণা করা যায় গ্রীসের অধীবাসী হিসেবে লুখের কাছে আগেই ঈশ্বর পুত্র ধারণাটি ছিল হোমারে ইলিয়ড ওডিসির কল্যানে।
৬|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০১
জ্বীন কফিল বলেছেন: আমার লাইক বাটন আর সংগ্রহ বাটন শো করছে না। সংগ্রহে রাখা নিয়া চিন্তিত।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:১৬
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন:
৭|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০৪
জ্বীন কফিল বলেছেন: তবে হিন্দু অন্ধ ধর্মাবলম্বিরা দাবি করে বিগ ব্যাং তত্ব,স্টিং তত্ব প্রাচীন বৈদিক মুনি ঋষিদের আবিস্কার!
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৪
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: চার্চের গুরুরাও যীশুকে একমাত্র ঈশ্বর পুত্র দাবী করত। আর সেটা প্রতিষ্ঠা করার জন্য ছল, বল, কৌশল কোনটারই কমতি তারা রাখে নাই। ক্ষমতাও ছিল তাদের অফুরন্ত! কিন্তু কাজের কাজ কিছছু হয় নাই
মিথ বা প্রাচীন তত্ত্বের কোন ব্যাক্তি বা গোষ্ঠীগত মালিকানা নাই। কেউ জোর করে দাবী করলে বা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে কালের ইতিহাসে সে শুধু বেকুব হিসেবেই পরিচিত হবে ![]()
৮|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:২৫
অনিক আহসান বলেছেন: মাতৃতান্ত্রিক কুমারী মাতাতত্ব জনপ্রিয় হলে ক্যাথলিক চার্চ এর বিপদ।যীশুর সঙ্গীনি মেরি ম্যাগদালিন লাইম লাইটে আসুক পুরুষতান্ত্রিক চার্চ সেটা চায় নাই। তাই ভ্যাটিকান ছবি গুম করে থাকতে পারে। হয়তো ভ্যাটিকান আর্কাইভে কিংবা সুইজারল্যান্ডের কোন গোপন বাংকারে ঐ ২টা মাস্টার পীস লুকানো আছে।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০৬
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: সহমত অনিক ভাই। আর ভিঞ্চি এঞ্জেলোর মতো শিল্পীর এই লেভেলের চিত্রকর্ম কেউ একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে এটা মানতে পারা একটু কঠিন। আসল ছবি দুইটা পাওয়া গেলে হয়তো এই বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা আরো কিছু তথ্যের উৎসের সন্ধান পেত।
আবার দেখেন এই একই কনসেপ্টের উপর মাইকেলএঞ্জেলোর সমসাময়িক সময়ে আঁকা জর্জের ছবিটা কিন্তু ঠিকই বহাল তবিয়তেই আছে। কিন্তু ভিঞ্চি বা এঞ্জেলোরটা নাই। তাহলে ধারণা করা যায় নিশ্চই ঐ ছবি দুইটাতে এমন কিছু ছিল যেটা ভ্যাটিক্যান বা অন্য কেউ তাদের হুমকি স্বরূপ দেখেছিল। পরে রেপ্লিকা বানানোর সময় সেই জিনিষগুলা পরিবর্তন করে দিয়েছে।
৯|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:৫২
অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: ৫ম +++++
ইহা তো মেগা পোস্ট হইসে ! দারুন কিছু মিথ জানলাম
শুভকামনা
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪৫
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ অপূর্ণ ভাই ![]()
১০|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:২১
ফালতু বালক বলেছেন: ভালো লাগলো, ব্যাঙ ভাই।++++
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৫০
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ছন্দবাজ কবিকে অনেক ধন্যবাদ ![]()
১১|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৯
কালা মনের ধলা মানুষ বলেছেন: ভাই, দারুন একটা পোস্ট। অনেক পরিশ্রমী লেখা বোঝাই যাচ্ছে।
সুপার + দিলাম।
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৫৫
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: আর বইলেন্না। অতি সামান্য অসাবধানতার কারণে পুরা পোষ্ট আবার নতুন কইরা লেখা লাগছে
ধন্যবাদ ভালোলাগা জানানোর জন্য ![]()
১২|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৫
অরিন কাজী বলেছেন: প্লাস দিয়া নিয়ে গেলাম ব্রাদার, অচাম লিখছেন ++++++
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:০২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: থ্যাঙ্কু কাজী সাব। কৃতজ্ঞতার সহিত প্লাস গৃহীত ![]()
১৩|
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১:৪৯
শহিদ চৌধুরি বলেছেন: দারুণ !
অনেক ভালো লাগছে পোস্টটা !
০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ২:০৫
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ শহীদ ভাই
মিথ জিনিষটাই মনেহয় নিজ গুনেই এমন যে ছেলে বুড়ো সবাইকে ভালো লাগিয়েই ছাড়বে।
১৪|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১:০২
কল্পবিলাসী স্বপ্ন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট
নবম ভালো লাগা
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:৩৫
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ কল্পবিলাসী স্বপ্ন ভাই
নিচে ভিঞ্চির ছবির অন্য একটা রেপ্লিকার দিলাম। দেখুন উভয় ছবিতেই লেডার হাতে তিনটি ফুল রয়েছে। পাঁচ পাপড়িওয়ালা এই ফুলের নাম হচ্ছে ম্যাডোনা লিলি যে ফুল খ্রিস্ট ধর্মে মেরীর কুমারিত্বের প্রতীক! এই ফুল নিয়েও রয়েছে আবার নানা ধরনের মিথ নানা ধরনের ব্যাক্ষা।
১৫|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ২:০৭
ম্যাভেরিক বলেছেন: ডিমপুরাণ মজার হয়েছে। কিন্তু অনুমানে যা বললেন, "মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই ছবিটি এবং বিশ্ব মানচিত্র সমান অনুপাতে বসালে এশিয়ার একাংশ, ইউরোপ এবং আফ্রিকার একাংশের সীমানার সাথে হুবহু মিলে যায়!", এই হুবহু মিলে যাওয়াটি কে আবিষ্কার করল? তথ্যসূত্র কী? আমার কাছে এটি বিরাট কৌতুক মনে হচ্ছে।
আরেকটি কথা, আপনি অন্য একটি পোস্টে দাবি করলেন, এখানেও যেমন হাসান মাহবুবের মন্তব্যের জবাবে বললেন, "...যতদূর জানি চারটা গসপেলের মধ্যে শুধুমাত্র লুখের গসপেলেই যীশুকে ঈশ্বর পুত্র বানানো হয়েছে।" তারপর বললেন, ধারণা করা যায় গ্রীসের অধীবাসী হিসেবে লুখের কাছে আগেই ঈশ্বর পুত্র ধারণাটি ছিল হোমারে ইলিয়ড ওডিসির কল্যানে।" আপনি কি সব গসপেল পড়ে দেখেছেন? আমি তো জানি, যীশুকে মার্ক, মথি, যোহন লুক সবার বাইবেলেই ঈশ্বরপুত্র হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে (যদিও ঈশ্বরপুত্র টার্মটি বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে দেখতে পারে)।
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০০
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনুমান ম্যাভেরিক ভাই। লেস্কাক্স এর গুহাচিত্রের ব্যাপারে কোন কোন নির্ভরযোগ্য তথ্য আমার কাছে নাই। রহস্য সবাই পছন্দ করে তাই একটু রহস্য দেওয়ার চেষ্টা আর কি।
নাহ, গস্পেলের ২/১টা বিষয় ছাড়া আমার তেমন কিছুই জানা নেই। সবার পক্ষে সব কিছু জানা সম্ভব হয়ে উঠে না। তাই অনেক ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য কারো উপর নির্ভর করতে হয়। তবে এটা যেভাবেই জেনেছি তার উপর অগাধ আস্থা থেকেই এভাবে বলার সাহস পেয়েছি যেমন আমার গণিতের অজ্ঞতায় যেভাবে ম্যাভেরিক ভাইয়ের উপর আস্থা রাখা যায় ঠিক সেভাবে। সেজন্য যতদুর জানি কথাটা বলেছি। এটা হয়তো এভাবে বলা ভালো হতো যে "যতদুর শুনেছি।" আসলে এটা আমার ভাষার ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা হিসেবে ধরে নিবেন আশাকরি। তবে, খুব সম্ভব লুখের ব্যাপারটাই সবার বলার কথা যদিনা সে কোন চার্চের লোক হয়।
আর এই সুযোগে আপনার থেকেও একটা বিষয়ে কিছু সাধারণ তথ্য জেনে নেই। এই মৌলের ব্যাপারে সাধারণ বোধগম্য ভাবে জানতে চাচ্ছি। আগেই স্বীকার করে নেই বিজ্ঞানে আমার বিদ্যা অত্যন্ত ভয়ংকরী।
১৬|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:০৩
শহিদুল ইসলাম বলেছেন: চমৎকার তো ! অনেক অনেক ভালো লাগছে ।
অনেক কিছু জানতে পারলাম ! অনেক ধন্যবাদ পোস্টের জন্য !
০৬ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:১২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ শহিদুল ভাই
রেনেসাঁস যুগে কুমারী মাতা তত্ত্বের এই ধারণা ইউরোপে ডা ভিঞ্চির মাধ্যমেই চিত্রকলায় স্থান করে নেয়। তারপর অনেক শিল্পীই এর উপর ভিত্তি করে ছবি এঁকেছেন। শোনা যায় হারিয়েছেও অনেক শিল্পীর ছবি। দেখুন ১৫৩২ সালে আঁকা এন্থনিও এর একটি তৈলচিত্র।
১৭|
০৫ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৯:১৭
নীলঞ্জন বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম ব্যাঙ ভাই।
পোস্টে++++++++++++
শুভ কামনা।
০৬ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩৯
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নীলঞ্জন ভাই
খুব সম্ভব এই রাজহাঁস তত্ত্বটা শুধু কুমারী মাতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। হতেপারে এর পরিধি আরো বিশাল! কারণ যতটুকু শুনেছি বৈজ্ঞানিকদের কাছেও এই রাজহাঁস বা সিগন্যাস নক্ষত্রমন্ডল নানা কারণে বিশেষ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিচে আরেকটা ছবি দিলাম, বলা হয়ে থাকে এটি ভিঞ্চির রাফ খাতায় আঁকা লেডা এন্ড দ্যা সোয়ানের একটি প্রাথমিক খসড়া।
১৮|
০৬ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:২১
যাযাবর৮১ বলেছেন:
পোস্টু তে পাইছি টেস্টু
+++++
খান এবার আপনি মিষ্টু
পূর্ণতার মাঝে জীবন সাজুক
অপূর্ণতার মাঝে পূর্ণতা আসুক।
শুভকামনা সর্বক্ষণ
থাকুক সুস্থ দেহ মন।![]()
ফটু তুলছে গো যাযু কবি
কবিতার সাথে দিছি ছবি
পাবেন যে আপনি টেস্টু
না আসলে পাবো কেস্টু
০৬ ই অক্টোবর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৯
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: মিষ্টুর জন্য ধইন্যা যাবু কবি ![]()
১৯|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:২৮
মোঃমোজাম হক বলেছেন: পোষ্টগুলি বেশ পরিশ্রম করেই লেখেন দেখছি
ছবিগুলিও ভাল লাগলো।
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:০২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: মোজাম ভাই, প্রথম কথা হচ্ছে আপনার সাথে কলিকাতা ভ্রমণ করে যা বুঝেছি তাতে আমাকে তুমি করে বললে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হব।
আর পরিশ্রমের ব্যাপারটা বলতে গেলে বলতে পারেন এটা কিছুটা দায়মুক্তির চেষ্টা। মানে ভাবটা এমন যে আমি কিছু বলিনাই যা বলার উইকিপিডিয়া বলেছে
তাছাড়া এই জিনিষটার উপর আমার আলাদা একটা মমত্ববোধ আছে এই কারণে যে মিথের এই পথটা সম্পূর্ণ নিজের কৌতুহলে খুঁজেছি। যদিও পরে দেখি ব্যাপারটা অনেকেই জানে কিন্তু এটা বের করা ছিল সম্পূর্ণ আমার একক কৌতূহল। আর লুবদ্ধক নক্ষত্রের সাথে আনুবিস বা হোরাসের সাথে সিগন্যাস নক্ষত্রমন্ডল মেলানোর চেষ্টা আমার নিজের পন্ডিতি :#>
ভালো লাগা জনানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ মোজাম ভাই ![]()
২০|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১২:৩২
অথৈ সাগর বলেছেন: অসাধারন পোস্ট । ১২ তম প্লাস । জ্ঞ্যান বাড়িয়ে গেলাম
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৩৯
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অথৈ সাগর
২১|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ৩:৪৮
মৃত্তিকা মন বলেছেন: ভালো লাগলো ডিম তত্ত্ব, প্রতিটি মিথেই বেশ কিছু কমন ব্যাপার আছে দেখা যায়!
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৪:০১
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: প্রতিটি মিথেই বেশ কিছু কমন ব্যাপার আছে দেখা যায়!
সহমত!
ধন্যবাদ আপনাকে ![]()
২২|
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৪
সুখী চোর বলেছেন: এই ধরণেন মিথ জোস লাগে ... তার উপরে বাইসন সিগনাসের বিষয়টা খুব সহজে বুঝলাম।অনেকটা ওরায়ন ফ্যাক্ট এর মত ..
ভালো জানলাম +++++++
০৭ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:১০
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: ধন্যবাদ সুখী চোর
নিচে লেস্কাক্স গুহার উপর একটা লিংক দিলাম। তথ্যগুলো কতটা নির্ভরযোগ্য জানিনা। তবে পড়ে যে মজা পাবেন সেটা বলতে পারি।
View this link
২৩|
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২৮
মহামহোপাধ্যায় বলেছেন: চমৎকার একটা পোস্ট। ব্লগারকে অনেক অনেক সাধুবাদ।
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৪:৩০
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ ![]()
২৪|
২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৩৫
বর্ণালী পাল বলেছেন: পোস্ট টা পড়ে খুব ভাল লাগল ।
আই রকম লেখা পরতে আমার খুব ভাল লাগে ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:২৩
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ![]()
শুভ কামনা
২৫|
১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৭
আরজু পনি বলেছেন:
পোস্টটা মিস হয়ে গেছিলো। জানলাম আরো অনেক কিছু।
১৫ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৮
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: পোষ্টটি নির্বাচিত পাতায় না যাওয়া এবং গত মাসে আপনার নানাবিধ ব্যস্ততার কারণে হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। সে যাইহোক, শেষ পর্যন্ত পোষ্টটি পড়েছেন এবং আপনার সংকলন পোষ্টে যোগ করেছেন বলে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
শুভ কামনা
২৬|
১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৫৯
মামুন রশিদ বলেছেন: আন্ডা নিয়ে এতো প্রপাগন্ডা
যাই হোক আন্ডা কিন্তু যেনতেন জিনিষ নয়, হাজার হাজার বছরের চিন্তা আর গবেষনার ফল পদার্থের একক, কোষ বা সেল আবিষ্কার । এই কোষ বস্তুটি মুলত আনুবীক্ষনিক, সাদা চোখে আমরা ভিজুয়ালাইজ করতে পারি মাত্র । আর সবচেয়ে বড় কোষের উদাহরন হল আন্ডা, যেটা আবার প্রাণেরও আধার । তাই আদিমকাল থেকে মাহাবিশ্বের জন্ম নিয়ে যত চিন্তা বা মিথের সৃষ্টি হয় তার কেন্দ্রে বেশিরভাগ সময়ই আন্ডা'র অস্থিত্ব প্রতিয়মান ।
দারুন একটা পোস্ট, প্রায় মিস করে যাচ্ছিলাম । লেখককে ধন্যবাদ এমন কস্টসাধ্য পোস্টের জন্য । সেই সাথে ষোলতম ভাল লাগা
১৫ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪৬
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: তাহলে তো বলাই যায় যে ডিম আগে! মহাবিশ্বের আধার থেকে জীবনের আধার সবই ডিম! জগত ডিমময়
প্লাসের জন্য ধন্যবাদ মামুন ভাই
শুভ কামনা
২৭|
১৫ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৫৬
এস আর সজল বলেছেন:
১৫ ই নভেম্বর, ২০১২ রাত ২:২২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: উপহারটা দারুণ লাগল! আপনার ছবিতে হাজার প্লাস
সাথে আপনাকেও খ্রীস্টানদের একটি উৎসবের নিমন্ত্রণ!
ইস্টার
২৮|
২৫ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:০৪
এম হুসাইন বলেছেন: মাই গড, এই পোস্টটা কেম্নে যে মিস করলাম...
আমার প্রিয় টপিক......
++++++ ও প্রিয়তে
২৫ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:২৯
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: থ্যাঙ্কস মিনহাজ ভাই
বিভিন্ন কারণে মিথের দুনিয়ায় খুবসম্ভব সবচাইতে রহস্যময় তারকামন্ডল মনেহয় সিগন্যাস বা বক নক্ষত্রমন্ডল।
আপনাকে একটা ভিডিও লিংক দিচ্ছি, আশাকরি ভালো লাগবে
২৯|
২৫ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৩:৩৭
এম হুসাইন বলেছেন: সিগ্ন্যাস মিস্টরি......
থ্যাংকস মামুন ভাই, কাজে দিবো......
২৫ শে এপ্রিল, ২০১৩ ভোর ৪:১২
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন:
এ সময়ের অনেক বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ২০০ বছর পর ভুল প্রামাণিত হবে আবার অনেক নতুন নতুন তত্ত্ব আসবে। ইতিহাসের এটাই শিক্ষা
সময় করে পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ মিনহাজ ভাই ![]()
৩০|
০৮ ই জুলাই, ২০১৩ বিকাল ৪:০৫
কান্ডারি অথর্ব বলেছেন:
ডিম মামলেট করিয়া ফেলিলাম। এখন যাই দেখি অন্য কিছু পাওয়া জায় কিনা ?
০৯ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ৩:৪৭
*কুনোব্যাঙ* বলেছেন: বাজারে এই একটা জিনিষ এখনও মনেহয় ফরমালিন মুক্ত পাওয়া যায় ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১২ রাত ১১:০৩
ফারজুল আরেফিন বলেছেন: অসাধারন পোস্ট। ২য় ভালোলাগা।
ডিম তত্ত্ব বিশেষ ভালো লাগলো, ধন্যবাদ।