নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ নামের পরিচয়ে মানুষ মেলে কি?

দিনের শুভ্র আলো আমায় স্পর্শ করে না,কারণ রাতের স্নিগ্ধতার প্রেমে আমি মত্ত

আমার অভিধান

নিজের সম্পর্কে এখনো কিছু জানি না।তবে জানতে চাই।

আমার অভিধান › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুইটা খাতা খুলতে মুন চায়

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:০২

২২-০৮-২০১৪



আজ আমি চিন্তা করেছি দুইটা খাতা খুলবো।মানে দুইটা বিয়ে করবো।এই কথাটিও আজ গার্ল ফ্রেন্ডকে বলবো।দেখি সে কি বলে! আমার বিশ্বাস সে না করতে পারবে না।সে না করতে পারেও না।কারণ সে ইসলাম ধর্ম অনুরাগী।ধর্মটা সে ততটা বুঝে যতটা সে আমাকে না বুঝে।সে বলেছে,আমাকে বিন্দুমাত্রও কম্প্রোমাইজ করবে না যদি আমি ধর্মের বিরুদ্ধে যাই,নাস্তিকতাকে গ্রহণ করি।এখন আবার পূর্বের বক্তব্যে ফিরে আসি।





১— ইসলাম ধর্মে চারটি পর্যন্ত খাতা খোলা যেতে পারে বলা আছে।



২— সকলের প্রিয় ব্যক্তিত্ব, প্রিয় রাসূল হযরত মুহান্মদ (সঃ) এগারোটি খাতা খুলেছিলেন।দুঃখিত ।এগারোটি বিয়ে করেছিলেন।



Click This Link



আল্লাহ তালা বলেন,”বিবাহ কর নারীদের ম

ধ্য হতে যাকে তোমাদের ভালো লাগে, দুই

,তিন আথবা চারটি | আর যদি অসন্খা কর

যে (স্ত্রীদের মাঝে) সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে (মাত্র) একটি (বিবাহ কর)

….সুরা নিসা ০৩:০৩





অতএব ধর্ম প্রাণ মুসলমানদের উচিত নবীর সুন্নাত রক্ষা করা বাকী সুন্নাতগুলা রক্ষা করার মতোই।অর্থাৎ যেমন তিনি দাড়ি রেখেছিলেন বলে বর্তমানে তা রাখা একরকম ফরয হয়ে গিয়েছে।দাড়ি না রাখলে আজকাল খাটি মুসলমান হওয়া যায় না বা তার সুন্নাহ মানা হয় না বলা হয়ে থাকে।আবার তিনি পানজাবী পড়েছিলেন বলে এখনকার যুগে মুসলিম হিসেবে নিজেকে সকলের কাছে প্রমাণিত করতে পানজাবী নামক বস্তুটি পরিধান করতে হয়।পানজাবী না পড়লে বা দাড়ি না রাখলে যেমন মুসলমান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না সেরকমভাবে চারটা বিয়ে করাও সকলের থুক্কু সকল পুরুষের একান্তভাবে উচিত।



২৩-০৮-২০১৪



আজকে রহস্যজনকভাবে একটা ঘটনা ঘটে গেছে।ঘটনাটি হচ্ছে আমার গার্ল ফ্রেন্ডের বাবা নাকি দুইটা খাতা খুলেছিলেন তার প্রমাণ পাওয়া গেছে।এখন নাকি তাদের বাসায় দহরম-মহরম কার্যকলাপ চলছে তার বাবা এবং তার মামাদের মধ্যে।তাদের সম্ভ্রান্ত মুসলিম ফ্যামিলির কেউ এ বিষয়টিকে মেনে নিতে পারছে না।আমি আজ তাদের বাসায় গিয়েছিলাম ওকে দেখতে ,সরি আমার মামার এ কুকর্মের কথার সত্যতা যাচাই করতে।মেয়েটা আমার মামাতো বোন।তাই আমার মা একরকম জোড় করেই আমাকে তাদের বাসায় পাঠিয়েছিলেন।হুমম আমি তাদের বাসায় এসে এমন ভান ধরলাম যেনো কিছুই শুনি নি বা হয় নি।মামার একটিই মেয়ে অর্থাৎ মুন্নী(কল্পনার নাম) বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান।আমি সচারচর যেভাবে মুন্নীর রুমে গিয়ে বসে আড্ডা দেই আজো তার ব্যতিক্রম করলাম না।মুন্নীর রুমে ঢুকে দরজা-জানালার পর্দা গুলা একপাশে করে সরিয়ে রেখে সোফায় বসে ওকে একটা ঝারি দিলাম,কিরে কি করিস! আমি এসেছি দেখিস নি? কি হইছে হাহ? ল্যাং মেরে আছিস কেন?



অতঃপর মুন্নীঃ বাবা দুইটা বিয়ে করেছে।গত পরশু রাতে বাবা বাসায় আসে নি এবং সেদিন আসবে না বলে একটা ফোন দিয়েই ফোনটা অফ করে ফেলে।গতকাল সন্ধায় বাসায় আসলে "আম্মু বাবাকে জিজ্ঞেস করে, কোথায় ছিলা "?" বাবা উত্তর দেয় ছোট স্ত্রীর বাড়ি।এরপর থেকেই বাসায় আগুন জ্বলছে।মামারা এসেছেন।এখন উনারা মাকে সান্তনার বাণী শুনাচ্ছেন।এখন বলেন(আমি তাকে তুই করে বললেও সে আমাকে আপনি করেই ডাকে) আমি কি এই পরিস্থিতিতে ধেইধেই করে নাচবো!



নাচের কথা শুনে আমার মনে হলো অনেকদিন নাচ দেখা হয় না।আজ কতক্ষণ নাচ দেখালে বরং ভালোই হয়।তাই আমি উত্তরে বললাম,তো এখন নাচ।



আমার কথা শুনে ও হেসে ফেললো এবং একটা চেয়ার নিয়ে আমার সামনে এসে বসলো।



মুখোমুখি বসে কিছু কথোপকথন :



মুন্নীঃ দেখেন, বাবা এই কাজটা ঠিক করেছে! উনার মতো লোকের দুইটা বিয়ে করা মানায়!

এখন সমাজে আমরা মুখ দেখাবো কেমনে!



আমিঃ কেনো ঠিক করে নি? তাছাড়া তুই আর মামী তো বাইরে বোরখা পড়েই বের হোস।এখন বরং বোরকা চেইনজ করে ফেলবি।ব্যাস। তোদের আর কেউ চিনবে না।



মুন্নীঃ উনার বয়স কতো আপনি চিন্তা করেছেন! চুয়ান্ন বছর বয়সী একটা মানুষ দ্বিতীয়বার বিয়ের কথা ভাবলেন কি করে! ছিঃ।বাবা এই কাজটা কি করে করলেন! এইতো কয়দিন আগেই আমার একটা বিয়ের সম্বন্ধ এসেছে এবং তিনি অত্যন্ত যত্নের সাথে তাদেরকে আপ্যায়ন করলেন।আর এখন কিনা সেই লোকই বিয়ে করে বসে আছে! ছিঃ।এখন তো আমার নিজের উপরই ঘৃণা হচ্ছে।আমি এমন বাবার মেয়ে।



আমিঃ দ্বিতীয় বিয়ে তো ইসলাম সমর্থন করে।এমনকি চারটা পর্যন্ত বিয়ে করা জায়েজ বলা হয়েছে।



মুন্নীঃ আপনার সাথে কথাই বলা উচিত না। আপনি যান তো এখন।আর ভালো লাগছে না আপনাকে।



এরপরও কি আর বসে থাকা যায়! চলে আসলাম।কিন্তু দুঃখের বিষয় আমার নিজের প্রশ্নটিও আর করা হলো না।



এর ঠিক তিনদিন পর মামী ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে বাপের বাড়ী চলে যান এবং আমার মা মুন্নীকে আমাদের বাসায় নিয়ে আসেন।শোনা যাচ্ছে ,মামা নাকি বাসা বিক্রি করে দেবেন এবং ওই মহিলার ফ্ল্যাটে উঠবেন।



প্রশ্নঃইসলামে চতুর্থ বিয়ের পারমিশন দেওয়া আছে।কিন্তু আমার মামা সম্পদশালী হওয়া সত্বেও কেনো উনার দ্বিতীয় বিয়ে মেনে নিতে পাচ্ছে না মামী,মুন্নী এবং মামীর পরিবার?



**আপনার বাবা,

**আপনার বোন জামাই,

**আপনার মেয়ের জামাই প্রত্যেকেই চারটা করে বিয়ে করলে আপনি কি মেনে নেবেন?আর কেনোই বা মেনে নিতে পারবেন না যদিও ইসলাম চারটা বিয়ে সমর্থন করে।



অপরদিকে যেখানে মুহাম্মদ (সঃ) এগারোটি করতে পারেন কিন্তু অন্য পুরুষ কেনো চারটির বেশি করতে পারবে না!



ডাইরি থেকে লেখা।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৩৪

ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: ডাইরেক্ট শহীদ হইয়া যান। তাইলে জান্নাত গ্যরান্টি আছে।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৫

আমার অভিধান বলেছেন: ভাউ,কোনো শর্টকাট রাস্তা আছে?

২| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ বিকাল ৫:৫১

ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: ISIS চোখে পরে নাই এখনো......। :D :D

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৫০

আমার অভিধান বলেছেন: চোখ খুলে দেখুন আশেপাশে এমন ঘটনা অহরহ। :-P

৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৪১

টর্চ বলেছেন: আমদের হযরত মোহাম্মদ (সঃ) তিনি একের অধিক বিয়ে করেছিলেন মহৎ কোন কারনে । আর সেই একের অধিক বিয়েকে আপনি মজা করে বলছেন খাতা (আস্তাগফিরুল্লাহ)। আপনার যদি খাতা খুলতে ইচ্ছে করে তাহলে আপনার নিজের মত খুলুন, কারো সাথে তুলনা করে নয়।
কিছু মনে করবেননা । এটাই সত্য

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১:৫৩

আমার অভিধান বলেছেন: মুহাম্মদ করলেই সুন্নাত আর আমরা করলেই মুক্তমনা?তাই না!

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ২:০১

আমার অভিধান বলেছেন: আপনার কথাতে যা বুঝালেন
কৃষ্ণ করলে লীলা আর আমরা করলে বীলা( পরকীয়া)।

৪| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:৪০

নুরএমডিচৌধূরী বলেছেন: দারুন............

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১২:৩১

আমার অভিধান বলেছেন: ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.