| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি : দ্বিতীয় পত্র
শখের জাদুকর আমি। শখের বশে মাঝে মাঝে জাদুর থলেটা নিয়ে বসে পড়ি। হারিয়ে যাই জাদুর দুনিয়ায়। তারপর দেখা যায় দীর্ঘদিন ব্যাগের ধারে কাছেও ঘেঁষছি নাহ। জরাজীর্ণ আমি টা কখন যে জাদুমন্ত্রের ভিড়ে আঁটকে পড়েছি, নিজেও খেয়াল করি নি।
সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট থেকে ন্যায়ের প্রতীক থেমিসের মূর্তি অপসারণ করা হয়েছে। এতো বড় মূর্তি শুধু শুধু পড়ে থাকবে এটা জনগণ মেনে নিতে পারছে নাহ। জনগণের পক্ষ থেকে নিচে কিছু প্রস্তাব জানানো হইলো।
১. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো কোনো এক জায়গায় বসায় দেয়া যেতে পারে। এরপর ‘ক্লোস আপ সর্বকালের ১০০ কাপল (২০১৮)’ রিয়্যালিটি শো করে কপোত-কপোতীদের নাম সেখানে লিখে দেয়া হল। থেমিস ন্যায়ের মূর্তি হোক আর যাই হোক, সেটা আমাদের মাথা ব্যথা নাহ। আমাদের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারি যে কথা, ২১শে ফেব্রুয়ারিও তো একই কথা।
২. কোনো পার্কে স্থাপন করা যেতে পারে। বিকেলের অস্তমিত সূর্য দেখতে দেখতে মানুষ মূর্তি ধরে ঝুলাঝুলি করতে পারে। এতে স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে জনগণের।
৩. মূর্তিটিকে চোখে পড়ে এমন জায়গায় রেখে মন মতো টু-লেট, ব্যানার, পোস্টার লাগানোর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪. ভাস্কর্যখানা ধোলাইখালে পাঠায় দেয়া যেতে পারে। জামা-কাপড় শুকানোর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৫. ভাস্কর্যটি কোনো এক গোলচত্বরে বসানো যেতে পারে। এতে করে থেমিসের দাঁড়িপাল্লায় বসে সংসারে সমঅধিকার আদায়ের লক্ষ্যে, স্বামীদের বউয়ের বিরুদ্ধে প্রতীকী অনশন চালানো যেতে পারে।
৬. বর্ষাকালে জলাবদ্ধতায় খোলা ম্যানহলের ঢাকনার বদলে মূর্তিটা দাঁড় করায় দেয়া যেতে পারে। এতে করে সাধারণ জনগণের ম্যানহলে পড়ার দুর্ভোগ কমে যাবে।
৭. কোনো হাউজিং এস্টেটের সামনে স্থাপন করে বাচ্চাদের খাওয়ানোর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।
৮. থেমিসের পড়া শাড়িকে নিজেদের দাবি করে শাড়ি কোম্পানিগুলো অ্যাড দিতে পারে।
৯. থেমিসের মূর্তিকে বিভিন্ন মেলায় বসানো যেতে পারে। ছোট ছোট বাচ্চারা মেলায় এসে হারিয়ে গেলে সেখানে দাঁড়িয়ে বাবা-মার জন্য অপেক্ষা করতে পারে।
১০. থেমিসকে বোরকা পড়িয়ে রাস্তার মাঝে দাঁড় করিয়ে দিলে গোল চত্বর হিসেবে কাজ চালায় নেয়া যেতে পারে।
১১. থেমিস মূর্তির দুই চোখে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে শহর পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে চোরের পক্ষে এত উঁচু থেকে ক্যামেরা চুরি করা সম্ভব হবে নাহ।
১২. থেমিসের মূর্তিকে কোন এক চরে বসিয়ে স্ট্যাচু অব লিবার্টির মতো ‘স্ট্যাচু অব থেমিস’ নাম দিয়ে পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা করা যেতে পারে।
২|
২৭ শে মে, ২০১৭ রাত ১২:৩৮
দ্যা ফয়েজ ভাই বলেছেন: খুব একটা খারাপ বলেন নাই।তবে,কথা হচ্ছে থেমিসের মুর্তিটাকে গ্রিসে পাঠানোর ব্যবস্থা করা যেতে পারে যাতে সে তার জন্মভূমি তে গিয়ে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারে। ![]()
২৭ শে মে, ২০১৭ দুপুর ১২:২৩
আমি : দ্বিতীয় পত্র বলেছেন: ছিঃ ছিঃ আমাদের মান-সম্মান আছে নাহ! জাস্ট শুধু শুধু পড়েছিল সুপ্রিম কোর্টে সামনে মূর্তিটা, কোনো কাজেই আসছিলো নাহ। তাই সরায় ফেলা হলো আর কি! কাজে লাগবে এমন জায়গায় রাখা হবে মূর্তিটা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে মে, ২০১৭ রাত ৯:৪৬
আবদুল মমিন বলেছেন: মূর্তিটিকে চোখে পড়ে এমন জায়গায় রেখে মন মতো টু-লেট, ব্যানার, পোস্টার লাগানোর কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।