| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শওকত হোসেন মাসুম
আকাল-তবু স্বপ্ন থাকে বিরোধ-তবু স্বপ্ন থাকে ভাঙ্গন-তবু স্বপ্ন থাকে
আজকাল ওয়াশিংটন কনসেনসাস বা ওয়াশিংটন ঐকমত্য বলে একটা কথা খুব শোনা যায় অর্থনীতিতে। বিশেষ দাতাদের শর্ত বা সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় এই কথাগুলো বেশি শোনা যায়। বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ-এর কথা সরাসরি না বলে ওয়াশিংটন ঐকমত্য কথাটি বলা হয়।
১৯৮৯ সালে জন উইলিয়ামসন নামের একজন অর্থনীতিবিদ এই ধরণাটির প্রবর্তক। তিনি ওয়াশিংটন ডিসি ভিত্তিক ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ইকনমিকস এর একজন অর্থনীতিবিদ।
ওয়াশিংটন কনসেনসাস মূলত সংকটে থাকা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য ওয়াশিংটন ভিত্তিক তিনটি প্রতিষ্ঠানের একটি সংস্কার প্যাকেজ। আর এই তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ এবং ইউএস ট্রেজারি বিভাগ। এই তিনটি প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময় নানা ধরণের সংস্কার কর্মসূচীর কথা বলে থাকে। এসব কর্মসূচী বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশকে তাগিদ দেয়। তাগিদটা আসলে ভদ্র ভাষা, আসলে এটা শর্ত। ওয়াশিংটন কনসেনসাস হলো এসব শর্তের একটি প্যাকেজ, যাতে তিনটি প্রতিষ্ঠানেরই একযোগে স্বার্থ সংরতি হয়।
করসেনসাসে মূলত ১০টি সুপারিশ রয়েছে। যেমন, ১. আর্থিক নীতির শৃঙ্খলা।
২. সরকার কোন কোন খাতে ভর্তুকি দেবে ও বিনিয়োগ বাড়াবে তা নতুন করে ঠিক করা। যেমন, শিা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোখাতে সরকারের বিনিয়োগ ও ভর্তুকি বাড়ানো।
৩. কর খাতের সংস্কার-কর হার কমিয়ে করের আওতা সম্প্রসারণ। ৪. বাজার ঠিক করবে সুদের হার কত হবে।
৫. প্রতিযোগিতামুখী বিনিময় হার।
৬. বানিজ্য ব্যবস্থা উদার করা-বিশেষ করে আমদানিতে। যেমন, পরিমানগত বাধা তুলে নেওয়া।
৭. বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশ আরও উদার করা।
৮. রাষ্ট্রায়ত্ব প্রতিষ্ঠান বেসরকারিহাতে ছেড়ে দেওয়া।
৯. বিনিয়ন্ত্রনকরণ বা অভ্যন্তনীণ নিয়মনীতি শিথিল করা যাতে বাজারে কারো প্রবেশ বাধাগ্রস্ত না হয়।
১০. স্বাত্ত্বাধিকারের (প্রোপার্টি রাইটস) ক্ষেত্রে আইনী নিরাপত্তা দেওয়া।
এই ওয়াশিংটন ঐকমত্য নিয়ে বিশ্বব্যাপী পক্ষে-বিপক্ষে নানা বিতর্ক রয়েছে। অনেক দেশ এটি মেনে নেয়, মানে না এমন দেশও কম নয়। আবার বিনিয়োগগুরু জর্জ সরোস এবং নোবেল বিজয়ী জোসেফ স্টিগলিৎজ এর ঘোর সমালোচক। আর ল্যাটিন আমেরিকার যে দেশগুলোতো বামপন্থী সরকার রয়েছে তারা তো এর উল্টো পথে হাঁটছে। আবার চিলিকে বলা হয় এই কনসেনসাস মানা দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভাল উদাহরণ। চিলি নাকি এটি মেনে অনেক ভাল ফল পেয়েছে। যদিও স্টিগলিৎজ বলেন, চিলির সাফল্য এসেছে সরকারি খাতে থাকা কপার শিল্প এবং পুঁজি প্রবাহ স্থিতিশীল করার কারনে।
এবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গ: সরকার সরাসরি স্বীকার করে না। তবে বাংলাদেশ এর ঘোর সমর্থক, অন্তত কাজে-কর্মে। ১০টি সুপারিশের সবগুলোই বাংলাদেশ মন প্রাণ ঢেলে বাস্তবায়ন করছে। আগেও করেছে, এখনও করছে।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫১
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ভাল প্রস্তাব।
২|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৩
কৌশিক বলেছেন: অর্থ ছাড়া আলোচনায় অনাগ্রহী
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: বরং অর্থ দিয়া আলোচনা শুরু করতে পারেন।
৩|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
মুহিব বলেছেন: এই অর্থনীতির কারনে আমার শিক্ষা জীবন আজও শেষ হলনা।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: কেমনে?
৪|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: রাজনৈতিক অর্থনীতি আমারও খুব প্রিয় বিষয়ের একটি................
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আমারও, এছাড়াও ম্যাক্রো ইকনমিও আমার খুব প্রিয়।
৫|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৯
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ডেনমার্ক ভার্সাস আকবরের কেসটা মনে হয় সবচে ভালো উদাহরণ ... আকবর দুইনাম্বারী করে দেশের মুখে চুনকালী মাখছে ... কিন্তু ডেনামার্কের দুই নাম্বারীটা খেয়াল করেন
এক্জাক্ট ফিগার মনে নাই, তবে সম্ভবতঃ ৭৬ কোটি টাকা দেয়া হবে চারটি ফেরী মেরামতের জন্য, এমন চুক্তি ছিলো ... শর্ত ছিলো ডেনিস এক কোম্পানীকেই কাজটা দিতে হবে ... মানে তারা চারটা ফেরী মেরামত করবে ৭৬ কোটি টাকায় ... বাংলাদেশ দেখলো ঐ দামের চেয়ে কম দামেই চায়না থেকে চারটা নতুন ফেরী কেনা যায়(যতই নিন্মমানের হোক চাইনীজ প্রডাক্ট, একদম নতুন আর প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে এখনকার নিন্মমানের জিনিস দশ বছর আগের ভালোমানের জিনিসের চেয়ে খারাপ হবেনা -- এসব ভাবলে চিনের থেকে চারটা নতুন ফেরীই যে কেউ কিনবে) ... কিন্তু ডেনমার্ক সেখানে প্যাঁচ মারলো
এখন হিসাবটা দেখেন ... ধরেন ডেনিস সরকার ৭৬ কোটি ধার দেবে ... আর শর্টের বোঝা, যেটার ফলে ডেনিশ কোম্পানীই ঐ ৭৬ কোটি টাকা আবার নিয়ে যাবে (ধরেনসেখানে ওদের লাভ হবে হয়ত ১৬ কোটি ) ... তারপর বাংলাদেশ আবার ঐ ৭৬ কোটি টাকা শোধ করবে, সাথে ইন্টারেস্টও ...
তাইলে ডেনমার্ক কি পাইল:
মূল ৭৬ কোটি টাকা + সূদ + ৭৬ কোটি টাকা (কোম্পানীর রেভিনিউ, যেখানে ধরা গেল ১৬ কোটি নিট লাভ, ৩০ কোটি মজুরী যেটা ডেনিস ইঞ্জিনিয়াররাই পাবে, ৩০ কোটি যন্ত্রাংশ যেটা ডেনিস কোম্পানীই যোগান দিবে)
বাংলাদেশ কি পাইলো ?
৬০ কোটি টাকার সার্ভিস - ৭৬ কোটি টাকা - সূদ
এই হলো গিয়া ঘটনা
এখন আমাদের কর্তাব্যক্তিরা তারপরেও এই কনসেনসাসের ভক্ত কেনো?
বিদেশ ঋণ আর সাহায্যের মতো এত বড় অংকের টাকা একসাথে আর কোনখাত থেকে আসে? ... অন্যান্য সবখাতে সারাবছর ধরে এখান সেখান থেকে টুকটু করে টাকা এসে জমা হয়, বিদেশীটা একবারে জমা হয়, বোনাসের মতো ... বোনাসের ভক্ত কে না? ![]()
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: উত্তর তো আপনার লেখার মধ্যেই। ভাল বিশ্লেষণ। আসলেই বোনাসের ভক্ত কে না?
৬|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: আকবর ঐ কামটা একটা সাহসী কাম করছিলো
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: এইটা নিয়া সে সংসদে একটা জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিছিলো। আমি ছিলাম ঐদিন সংসদে।
৭|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২
তপন চৌধুরি বলেছেন: মুহিব বলেছেন: "এই অর্থনীতির কারনে আমার শিক্ষা জীবন আজও শেষ হলনা। "
অর্থনিতির কারনে আপনার শিক্ষা জীবন শেষ হয় নাই, বলেন অর্থের কারনে...
৮|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
আতিক একটেল বলেছেন: অর্থনীতি কথাটাই বিদঁঘুটে। অর্থের্ যদি কোনো নীতি থাকতো তাহলে তো কথাই ছিল না। সবচেয়ে নীতিহীন শব্দের নাম হল অর্থ। আর অর্থকে নীতি দিয়ে চালানোর চেষ্টাটাই হাস্যকর ও বৃথা। কি বলেন আপনারা?
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: জটিল কথাবার্তা
৯|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
তপন চৌধুরি বলেছেন: ভয়াবহ অবস্তা৷
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: কেন?
১০|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
মাহবুব সুমন বলেছেন: পাঠক হিসেবে আছি
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: পাঠকরাই তো লক্ষ্মী।
১১|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আকবর মামা নিজের আত্মীয়রে চায়নীজ কন্ট্রাক্টটা না দিলেই খেলাটা পুরা জইমা উঠত ...
তবে আমি তখন অবাক হইছিলাম আমাদের মিডিয়ার আচরণে ... আমরা মনে হয় বিদেশীদের বেশী খাতির করি ... ওদের জোচ্চুরী নিয়া কিছু বলিনা!!!
১২|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭
মুহিব বলেছেন: অর্থনীতিতে ফেল করার কারনে শিক্ষা জীবন আজও শেষ হলনা।
১৩|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
তপন চৌধুরি বলেছেন: দেখেন এইখান থিকা কিছু শিখতে পারেন কিনা৷
১৪|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: চলুক মাসুম ভাই।
আগে দুইটা আজাইর্যা পোষ্ট দিছেন।এইটা দিয়ে কমপেন্সেট হইলো।
অর্থনীতি গ্রুপ উত্তম প্রস্তাব।
জ্বিনের বাদশা'র ব্যাখাটা জটিল ভালো লাগছে।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: ব্রাজিলের সাপোর্টার মনে হইতাছে। হাহহাহাহাহা। বেশিরভাগই তো আজাইরা পোস্ট।
কমপেনসেট হইছে শুইনা ভাল লাগলো।
১৫|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমিও ব্রাজিলের সাপুটার 
১৬|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৬
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি সবসময় কালা আর গরীব দেশের পক্ষে।
নিজের কিংবা নিজের দেশের লিগ্যাসী অস্বীকার করি কিভাবে?![]()
ফাইনালে আমি নাইজেরিয়া,জিতুক না জিতুক।
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার খেলায় আর্জেন্টিনা।আপনারা বিশ্বাস না করিলেও,ইহাই সত্য।এইখানে আমি ব্যাতিক্রম।
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আমি আর্জেন্টিনার সাপোর্টার। তবে নাইজেরিয়া জিতলেও খুশি হবো।
১৭|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৩
তপন চৌধুরি বলেছেন: ব্রাজিল যেই খেলা খেলছে তাতে পুরা teamকে যে লাল কার্ড দেখায় নাই সেটাই ভাগ্য৷ তবে Argentina vs Nigeriaতে আমি Nigeriaর সাপোর্টার৷ তাদের খেলা আরো গোছালো মনে হল৷ তবে খুব লড়াই হবে এটা বলে দিতে হয় না৷
১৮|
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:২৯
ফারহান দাউদ বলেছেন: আমরা মনে হয় বিদেশীদের বেশী খাতির করি ... ওদের জোচ্চুরী নিয়া কিছু বলিনা!!!
১৯|
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩২
নিঃশব্দ শিশির! বলেছেন: ভাইরে এমনিতে অর্থনীতি পড়তে পড়তে মাথার চুল উঠে গেছে। ব্লগেও এই বিষয়।
সখের বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকতা যদি ভবিষ্যতে পেশা হিসেবে নিতে চাই তাহলে এই নিরস বিষয়টার বিটিই করতে হবে।
তারপরও সুন্দর একটি বিষয় সবাইকে জানানোর জন্য +
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
তপন চৌধুরি বলেছেন: একটা গ্রুপ করেন যেখানে অর্থনিতি নিয়ে কথা হবে৷