| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নাজমুল হক জুয়েল
মনে ও মননে রবীন্দ্রনাথ ও লালনকে ধারন করেছি তাই মানুষেই পরম ভক্তি।
১,
কী লাভ নিজেকে নিয়ে জুয়া খেলায়
জানে না জুয়রী নিজেও
শুধু জানে ঈশ্বর নামে একজন খেলোয়ার
তার প্রধান প্রতিপক্ষ এই খেলায়
তাই প্রতি বার বাজিটা রাখে
নিজের সাধ্যের অধিক উচ্চতায়
কারণ বিশ্বাস একবার যদি হারে ঈশ্বর
সুদাসলে...
১
অপেশাদার ভঙ্গিতে আমি হাতড়ে চলি
অন্ধকার অনুভূতির গহীনে
নারীর কোমল বুকে ডুব দিয়ে নিতে চাই
শেষ উত্তাপটুকু হিম হয়ে আসা দেহের পরতে।
২
শীতের রাতে কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে থাকা কুকুরে সাথে
নিজের কী ব্যবধান, তারই সন্ধান...
ইদানিং রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময়
পান মুখে কেউ যদি পায়ের উপর ছুড়ে দেয় পিক
কিংবা ভদ্রলোকদের থুক করে ছুড়ে ফেলা কফ
আমার পায়ের কিংবা প্যান্টের আকর্ষনে ছুটে আসে
আমি একবার তাকাই তাদের নির্বিকার...
মাথার ভিতরে যখন যন্ত্রণার ঘুনপোকারা
অনবরত খুটখুট শব্দ করে চলে
তখন তোমার বাড়ির গেটে দাঁড়িয়ে
সন্ধ্যার আবছায়ায় দেখি
বেতের ইজি চেয়ারটা বারন্দায় দুলছে ধীরে ধীরে,
মোটা কালো ফ্রেমের চশমার ভেতর দিয়ে
তুমি তাকিয়ে আছো আমার দিকে,
তোমার...
প্রস্থানের ঠিক আগে
তুমি একবার যদি বলো
"এভাবে চলে যাবার খুব কি ছিল প্রয়োজন"।
উত্তর শোনার অপেক্ষায়
তুমি হয়তো অধীর বড্ড বেশী।
কিন্তু আমারও কি নেই অধীরতা।
শুধু দুজনের মাঝে ব্যবধান প্রাণের স্পন্দন।
তুমি তো রাখো নি ধরে
আমি না হয় ধরেই রেখেছি
তুমি তো চাও নি হতে কবি
আমি না হয় কবিই হয়েছি
সকাল বেলা না খেয়ে অপেক্ষা
তুমি এলে না
দুপুর বেলাও একই, শুধুই অপেক্ষা
রাত্রি বেলা তোমার সাথে
শেষ কফিটা শেষ করে
মাতবো রাত্রি উদযাপনে
তবুও তুমি এলে না
তোমার জন্য আমার অপেক্ষা
আর
আমার জন্য তোমারও অপেক্ষা
মা,
তোমার জন্য শুধুমাত্র একটি দিন তুলে রাখা আমার পক্ষে সম্ভব না। আশৈশব লালিত আমার একটি উচারিত শব্দে আত্মার অনুরণন অনুভব করি। আর আত্মা ছাড়া এই দেহটার কি কোন মূল্য দেয়া...
বুকের মধ্যে বুনেছি স্বপ্নের বীজ
চেতনা আর অনুভূতির লালনে
অঙ্কুরিত স্বপ্নেরা হয় না মহীরূহ
তবুও স্বপ্নের বীজ বপন ও লালন
এরই মাঝে ক্ষয়িষ্ণু স্বপ্নের জীবনী
তবুও স্বপ্নকে আকড়ে বুকের ভেতর
দিতে চাই সঞ্জীবনী সুধার প্লাবন
যদিও স্বপ্ন...
চমৎকার এক কাণ্ড করিলেন শিয়াল মাস্টার
পাঠশালার পাঠ চুকিয়ে কুমিরের ছানার
খুলিলেন রাজনীতি আকাদেমি একখান
শুরু হলো শিক্ষণ রাত আর দিন
রাজনীতি শেখা শুরু শিয়াল ছানার
বানর ছানাগুলো লেজে ঝুলে থেকে
হাততালি দেয় আর চর্চাটা দেখে
শিয়াল...
এখন আর জ্যোৎস্নায় স্নাত হওয়া কিংবা
মধ্যরাতে স্পর্শের জন্য অধীর অপেক্ষা নেই
মাথায় বুলিয়ে দেয়া হাত দুটো অপসৃয়মান
হৃদয় থেকেও প্রস্থান আবেগি অনুভূতিগুলোর
তবে কি গন্তব্য সন্নিকটে অতি ?
জুয়ার টেবিলে বসা এক যুবক জুয়ারী
সন্তর্পণে হাতের তাসগুলো দেখে
প্রতিবার তাস স্পর্শের আগেই বলে
চোখ বুজে ঈশ্বর এবার সহায় হোন
অন্য জুয়ারীদের মুখের কোণে হাসি
এবারও বুঝি সব খোয়াতে যাচ্ছে সে
যুবক জুয়ারীকে নয় উপহাস...
তোমার শেষ কবিতাটা কবে লিখছো আমাকে নিয়ে ?
হয়তো আজ এক্ষুনি কিংবা শত সহশ্রাব্দ পরে।
কি থাকবে সেখানে, আমাদের ভালবাসার কথা ?
কখনোই নয়।
কি করে পরিচিত মানুষ আবার অপরিচিত হয়ে উঠতে পারে
কি করে...
ইদানিং আমি বড্ড ক্ষেপাটে
যখন তখন জ্বলে উঠি
পুড়িয়ে ছাই করে দিতে চাই সব
সিগারেট শলাকা তার প্রথম শিকার।
ইদানিং আমি বড্ড ক্ষেপাটে
যখন তখন হয়ে উঠি ঝড়
সবকিছু করে দিতে চাই তছনছ
স্বলালিত স্বপ্নেরা তার প্রথম...
রাতের অন্ধকারে গলির কোন এক গুপচি ঘরে
যে মেয়েটা পেটের দায়ে পুরুষ পুরুষান্তরে
ঘুরতে থাকে, বিলোতে থাকে শরীর
সেটা তার পেশা, ভাল মন্দের বাদ বিচার
জন জনান্তরে ভিন্ন ভিন্ন চেহারায় আসতে পারে
কিন্তু তাকেও ভালবাসা...
©somewhere in net ltd.