| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব
যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে, তারে বৈরাগী মন কেন দিলা রে....
(একটি গাড়ির শখ কার নেই? উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত সবাই গাড়ির সপ্ন দেখে। আমারও গাড়ির প্রতি অনেক আগ্রহ। একজন নেশাদার ড্রাইভার হিসেবে আমি যেসব গাড়ি চালিয়েছি বা যেসব গাড়ি সম্পর্কে জানি তা নিয়ে একটি সিরিজ পোস্ট শুরু করলাম। যাদের নতুন গাড়ি কেনার সামর্থ আছে তারা হয়ত হুট করে গাড়ি কিনে ফেলে, কিন্তু যাদের অঢেল অর্থ নেই তারা কম টাকায় সেকেন্ড হ্যান্ড গাড়ি কিনতে চায়। আমার এই পোস্ট তাদের কাজে লাগবে বলে আমার বিশ্বাস।)
আজকের পর্বঃ টয়োটা করোলা স্টেশন ওয়াগন ১৯৯০-১৯৯২ মডেল
javascript:void(1);
javascript:void(1);
javascript:void(1);
javascript:void(1);
javascript:void(1);
টয়োটা করোলো সিডান থেকে এটির বেশীরভাগ পর্থক্য হচ্ছে বডিতে। ছবি দেখলেই যা বুঝা যাবে। এটি মূলত কিছুটা কম ওজনের মালামাল পরিবহন করতে পারে। যারা নিয়োমিত চলাচলের সাথে কিছুটা মালামাল পরিবহনের সুবিধা চান তাদের জন্য এটি ভলো একটি গাড়ি। মালামাল পরিবহন ছাড়াও কম মূল্যের কারনে অনেকে এটি ব্যবহার করে। এটির আর একটি ভালো দিক এটি স্পীং গুলো পেচানো না হয়ে লম্বা ইস্পাতের বাকানো পাতের হয়ে থাকে যেটিকে স্থানীয় টেকনিশিয়ানরা পাতি স্পীং বলে। যার ফলে এটি বেশী ভার বহন করতে পারে আবার সহজের পাতির সংখ্যা বাড়িয়ে (অতিরিক্ত পাতি লাগিয়ে) গাড়িটি উচু করা যায় ও বেশী ভার বহনে সক্ষম করা যায়। তবে ১৩০০ সিসি ইন্জিনে বেশী ভার বহন না করাই ভালো। স্টেশন ওয়াগন ১৫০০ সিসি অল অটো মডেলেরও হয়ে থাকে। আমি এই গাড়িগুলোকে পছন্দ করি লং জার্নিতে। কারন সাধারন সিডানে ৫০-৬০ লিটার সিএনজি সিলিন্ডার লাগানো গেলেও স্টেশন ওয়াগনে ৯০-১০০ লিটার সিএনজি সিলিন্ডার লাগানো যায়। ফলে একটি গাড়ি একবার গ্যাস নিয়ে প্রায় ২৫০-২৮০ কিলোমিটার চলতে পারে।
ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাবার পথে চট্টগ্রামের পরে কোন সিএনজি স্টেশন নেই, আবার চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দুরত্ব ১৫৫ কিলোমিটার, ফলে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাতায়াতে ৩১০ কিলোমিটার রাস্তায় কোন গ্যাস পাওয়া যায় ন। ফলে তেলের উপর নির্ভর করতে হয় যাতে খরচ অনেক বেশী পরে। সেক্ষেত্রে স্টেশন ওয়াগন হলে ২৫০ কিলোমিটার পথে গ্যাস ব্যবহার করা যায়। এজন্যই শুধু মাত্র কম খরচে কক্সবাজার যাবার জন্য আমি একটি স্টেশন ওয়াগন কিনেছিলাম।
এছাড়া অনেকে নিয়োমিত গ্রামের বাড়িতে যান এবং ফেরার পথে গাছের ডাব, ক্ষেতের আলু, কিছু শাক-সবজী ইত্যাদি বিভিন্ন জিনিস সাথে আনতে চান (আমার আম্মা এ ব্যাপারে অত্যান্ত দক্ষ বলা যায়), তাদের জন্য এ গাড়িগুলো খুবই উপোযোগী।
তবে এগুলোর বসার সিটগুলো বেশী আরামদায়ক নয়। ফলে বয়স্ক যাত্রীগন এ গাড়িতে বসে আরাম পান না।
করোলার অন্যান্য মডেলের মতো এটিরও স্পেয়ার পর্টস সহজ লভ্য ও মেইন্টেন্যান্স খরচ খুব কম।
আমাদের দেশের বর্তমান বাজারে স্টেশন ওয়াগনের দাম নিম্নরূপ
ইই ৯০ স্টেশন ওয়াগন ৯০-৯১ মডেল (১৩০০ বা ১৫০০ সিসি) - ২ থেকে ৩লাখ
ইই ১০০০ স্টেশন ওয়াগন ৯২-৯৪ মডেল (১৩০০ বা ১৫০০ সিসি) - ৩ থেকে ৪লাখ
(সিএনজি সিলিন্ডারের সাইজ অনুযায়ী ও এসি থাকা না থাকার উপর দাম বেশী কম হতে পারে।)
(ছবি ক্লিক বিডি থেকে সংগ্রহীত)
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
রাজীব বলেছেন: ধন্যবাদ।
২|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৫২
চেম্বার জজ বলেছেন: "জোটেনা এক বেলা ভাত-সেখানে গাড়ির ভালো আর মন্দ"! এই সব বড়লোকি ফাইজলামো বাদ দিয়ে পারলে কর্ম সংস্থানের বিষয় কিছু লিখেন।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৫
রাজীব বলেছেন: ভালো বুদ্ধি দিয়েছেন। আমার আগামী সিরিজ হবে কর্মসংস্থান নিয়ে।
৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০১
অনিকেত বলেছেন: চালায়া যান । + +++++++++++
১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৯
রাজীব বলেছেন: এত প্লাস!
৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০২
জুল ভার্ন বলেছেন: প্রথম পর্বে প্রথম দিনই পড়েছিলাম। আজ একই সংগে ২য় পর্বও পড়েছি। গাড়ি সম্পর্কে তোমার ব্যাপক অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানের প্রসংশা নাকরে পারছিনা।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৪
রাজীব বলেছেন: আমি প্রথম গাড়ি কিনেছিলাম ২০০২ সালে। আর্থিক সামর্থ একটি কারন ছিল, তা ছাড়া আমার ভাবনা ছিল গাড়ির আসল যেই কাজ, চলাচলে সুবিধা সেটি হলেই হলো। ফলে ১,৩৫,০০০/- টাকা দিয়ে আমার প্রথম গাড়ি কেনা। সেই গাড়ি নিয়ে আমি দেশের বেশীরভাগ এলাকাতেই ভ্রমন করেছি।
পুরাতন গাড়ি কেনার আরো একটি উদ্দেশ্য ছিল। সেটি হচ্ছে পুরাতন গাড়ি বারবার নস্ট হবে আর দেখে দেখে সবকিছু শিখবো। তাছাড়া গাড়ির কাজ শেখার জন্য আমি ১ মাস একটি ওয়ার্কশপে স্পেশাল কোর্সও করেছি। তারপরও যতবার গাড়িতে কোন সমস্যা হয়েছে নিজে বসে থেকে ঠিক করিয়েছি ও দেখেছি কোথায় কি করে। আমার এক বন্ধু আছে অটোমোবাইল ইন্জিনিয়ার, তার কাছ থেকেও অনেক কিছু শিখেছি।
গাড়ির ব্যাপারটি আমার একটি নেশার মত। তবে নানান কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়ায় এখন নেশাটি ছাড়তে হচ্ছে। আর আমাদের দেশে এখন গাড়ি চালানোর রাস্তা দিন দিন কমে আসছে।
কস্ট করে আমার লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
৫|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৬
হাম্বা বলেছেন: +
৬|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:০৮
রবিনহুড বলেছেন: চেম্বার জজ সাহেবের সমস্যা কি?
উনি তো জোর করে কাউকে নসিহত করছেন না।
যার দরকার সে এটা থকে উপকৃত হবে, তাতে আপনার গা জ্বালা করার কিছুই তো দেখছি না।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৫
রাজীব বলেছেন: কি করব ভাই, জজ সাহেব বলে কথা!
৭|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:১৪
আমি বিবেক বলছি বলেছেন: @চেম্বার জজঃ না পড়লেই পারেন, হুদাই চুলকানি দেখান কেন!
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪৮
রাজীব বলেছেন: শুনেছি জজ সাহেবরা নাকি শুধুমাত্র আইনের কাছে এবং বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ।
৮|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৪
ইমন জুবায়ের বলেছেন: দরকারি পোস্ট। আশা করি অব্যাহত রাখবেন।
ধন্যবাদ।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৯
রাজীব বলেছেন: আমার সল্প জ্ঞানে যতদুর পারি লিখে যাব।
৯|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:২৯
এম্নিতেই বলেছেন: যথারীতি ভাল পোস্ট। একটা প্রশ্ন ছিল,
আমার করোলা এক্স এর সামনের বাম্পারের বাম দিকে একটা অটো এ্যান্টেনা ছিল যেটা আরেকটা গাড়ির সাথে লেগে ভেঙে গেছে। ভিতরের মোটরটা ঠিক আছে শুধু ক্যাবল থেকে বাকীটুকু গেছে। এখন পুরো সেট টাই কিনতে হবে নাকি কোন মেকানিক আছে যে ঠিক করতে পারবে। কোথায় পাওয়া যাবে বা কত খরচ পড়তে পারে?
প্রশ্নটা বড় হয়ে গেল...![]()
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৯
রাজীব বলেছেন: আমি যতদুর বুঝতে পারছি গাড়ির পিছনে এফ এম রেডিও শোনার জন্য যে এন্টেনা ব্যবহার করা হয় সেটিই আপনি গাড়ির সামনে লাগিয়েছিলেন হয়ত (যদি আমর ভুল না হয়)। সেক্ষেত্র একটি অটো এন্টেনার দাম ২৫০০ টাকা হতে পরে (এটি এক বছের আগের দাম)। মটর ছাড়া শুধু এন্টেনা ধোলাই খালে পেতে পারেন তবে অনেক খুজতে হবে।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন
১০|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৭
মুরুববী বলেছেন: সিরিজের পিছনের গুলাও পড়লাম। কাজের সিরিজ। লিখার জন্য ধন্যবাদ।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:২১
রাজীব বলেছেন: আপনাকেও পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
১১|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৩৮
এক মুসাফির বলেছেন: আপনি এমনভাবে বর্ননা দেন প্রত্যেকটা গাড়ী কিনে ফেলতে ইচছে করে।
ভাই আপনি কি চিটাগাং থাকেন?
আমার একটা গাড়ী কিনতে হেল্প করবেন?
ধন্যবাদ।
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৪২
রাজীব বলেছেন: ভাই আমি ঢাকায় থাকি। এখানে থেকে যতটুকু সম্ভব সাহয্য করতে পারি।
আর সবগুলো গাড়ি কিনে ফেলতে আমারো ইচ্ছে করে.....
১২|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১১:৫৭
মেঘের পরে মেঘ বলেছেন: ভাই, বর্তমানে কমদাম তবে চলনসই সার্ভিস দিবে, টয়োটার সেকেন্ডহ্যান্ড মডেল কোনটা ভাল হবে? দেড়লাখে কি পাওয়া যাবে?
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৪
রাজীব বলেছেন: টয়োটা করোলা ৯০ (ইই৯০) কিনতে পারেন আড়াই লাখে হয়ে যাবে।
নিশান সানি ৯০ মডেল (B13) কিনতে পারেন ২ লাখে হয়ে যাবে।
১৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৩
শারিফ বলেছেন: অনেক ভাল ++++++++++++++++++++++++
একটা গাড়ি কেনার অনেক দিন এর ইচ্ছা বাড়ির নির্মাণ এর কাজ প্রায় শেষের দিকে, ইচ্ছা বাড়ির কাজ শেষ হলেই গাড়ি কিনব। টয়োটার noah গাড়ি সম্পর্কে যদি একটু বলতেন।
আমি সিঙ্গাপুর আছি যদি সম্ভব হয় আমার সাথে একটু যোগাযোগ করবেন।
[email protected]
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১২
রাজীব বলেছেন: পড়ার জন্য ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
নোয়া নিয়েও লিখবো।
কখনো সিংগাপুরে গেলে অবশ্যই আপনার সাথে দেখা করবো।
কোথায় বাড়ি করছেন?
১৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮
নাফিস ইমতিয়াজ বলেছেন: Vai apni ekta solid car lover amar moto.
apnar email id ta din pls
[email protected]
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১২
রাজীব বলেছেন: [email protected]
১৫|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৩
অলস ছেলে বলেছেন: এ গাড়িটা চালাইছি
কেন জানি ভয় লাগতো। কমফোর্ট পাইতাম না।
আমি চালাই নিশান সানি ১৩০ওয়াই। বিরাশি সালের।
সিরিজে এইটা মনে হয় আসবে না ![]()
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৫
রাজীব বলেছেন: ৮২ মডেলে আমার অভিজ্ঞতা নাই, সেটি সম্পর্কে আপনার কাছ থেকে জানার আশা রাখি।
তবে নিশান সানি বি১৩ চালাচ্ছি অনেক দিন।
১৬|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৪৬
তিতা করোলা বলেছেন: পড়ে ভালো লাগলো। টয়োটা স্টারলেট সম্পকে কি কিছু লিখবেন ?
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১৩
রাজীব বলেছেন: স্টারলেট ৯০ বা ৯২ মডেলের জন্য করোলা ৯০ ও ৯২ মডেল দেখতে পারেন। স্টরলেট আর করোলা সিডান অনেকটা একই রকম, বডি ব্যাতীত বেশীর ভাগ পার্টস একই। সেজন্য স্টারলেট নিয়ে আলাদা কিছু লিখার পরিকল্পনা নেই।
তবে বিশেষ কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন।
১৭|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭
মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেছেন:
ভালো লাগল পড়ে
১৮|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২০
মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেছেন:
@ মেঘের পরে মেঘ corola2 windy কিনতে পারেন
কিছুদিন আগে একটা পেয়েছিলাম ভালো কনডিশন এর ১৭৫,০০০ টাকা
মডেল ৮৮ , রেজি- ৯৪ , এসি ,
১৯|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৩৫
সাহস বলেছেন: ভাইয়া এই স্টেশন ওয়াগন গুলো কত দিন সার্ভিস দিবে ??? মেইন টেইন খরচ সম্পর্কে কি একটু বলবেন ???
১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৮
রাজীব বলেছেন: ভালোভাবে মেইনটেইন করলে এখনো ১০ বছর ব্যবহার করতে পারবে।
মেইনটেইন খরচ খুবই কম। যদি সবকিছু ভালো থাকে তাহলে মাসে ৫০০০ টাকাই যথেষ্ঠ।
২০|
১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:০৬
পরপারে একা বলেছেন: GURU tomake salam .....++++++++++++
১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৮
রাজীব বলেছেন: ধন্যবাদ এবং আলাইকুম আস সালাম।
২১|
১৩ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০১
এম্নিতেই বলেছেন: আমি আসলে এফ এম এ্যান্টেনা কথা বলিনি। ফ্লাগ স্ট্যান্ডের মত জিনিসটা, শুধু পার্থক্য হচ্ছে জিনিসটা অটো। সুইচ টিপলে ভাঁজ হয়ে হয়ে ভিতরে ঢুকে যায়। জিনিসটা রেয়ার, এটাই হচ্ছে সমস্যা!
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪১
রাজীব বলেছেন: সরি, আমি আসলে জিনিসটির সাথে পরিচিত নই।
রেয়ার বলেই হয়ত এখনি দেখিনি, তাছাড়া দাসত্ব শুরু করার পর থেকে নিত্য নতুন জিনিসপত্রের খোজ বেশী রাখা হয়না।
২২|
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
শারিফ বলেছেন: বর্তমানে সাভার বাড়ি করেছি
পরবর্তিতে উত্তরার দিকে চিন্তা আছে
আর হে সিঙ্গাপুর আসলে অবশ্যই দেখা করবেন
আমার মোবাইল নাম্বার : +৬৫-৯১৭৪ ০৪৬৬
১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
রাজীব বলেছেন: ধন্যবাদ
২৩|
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩০
মোঃ খায়রুল ইসলাম বলেছেন: hello !
I Wished to buy a StationWagon
and wanted to talk to you for your suggestion
i mailed you from [email protected]
thanks for the post.
১৮ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:২৭
রাজীব বলেছেন: ব্যাস্ততার কারনে কয়েকদিন ব্লগ দখতে পারিনি। আপনাকে মেইল দিয়েছি। আপনার কোন তথ্য দরকার হেল মেইলে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।
২৪|
১৭ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১
আমি হনুমান বলেছেন: ১ম ছবিরটা রে ৩ ২ নং সাজেসট করছিলাম বাপেরে গেয়ান ও দিছি কিনতু বাদ দিছে তয় নিছে ফিলডার ১৫০০সিসি। একই জাতের মনে হয়
দেখি একসপাটরা কি বলে
১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:১৯
রাজীব বলেছেন: ফিল্ডার অনেকটা একই রকম তবে পিছনের চাকার উপর পাতি স্প্রীং এর বদলে ফিল্ডারে পেচানো স্প্রীং ব্যব হার করা হয়েছে। ফলে ফিল্ডারে অধিক ওজনের মালামাল বহন করা সহজ হবে না। তবে পারসোনাল ব্যবহারের জন্য ফিল্ডার চমৎকার গাড়ি।
২৫|
২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:০৮
সাহস বলেছেন: ফেসবুক নেম রিফাত ইমতিয়াজ। বিবিএ শেষ করলাম । অনেক খুজে খুজে আপনার পুরন লেখা খুজে বের করলাম। অনকে আগে কমেন্ট করেছিলাম। মনে নেই আপনার হয়ত। এখন গাডি কেনার যোগ্যতা হয়ছে।
ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাইছি। প্লিজ একসেপ্ট কোরুন। সাজেসন লাগবে।
------ সাহস
২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ১:১১
রাজীব বলেছেন: ইদানিং ব্লগ খুব কম দেখছি। ফেসবুকে রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করেছি। ফেসবুকেও আমি নিয়োমিত নই। ডিসকাস করার জন্য এই পোস্ট-এই লিখতে পারেন।
গাড়ি কিনতে চাচ্ছেন জেনে খুব ভালো লাগলো। যেকোন স্বপ্নের কাছাকাছি যাওয়া খুবই আনন্দের। শুভ কামনা রইলো। যেকোন সাহায্যের জন্য জানাবেন।
২৬|
২৮ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:১৭
সাহস বলেছেন: টয়োটা সেকেন্ড হ্যান্ড গাডি কিনতে চাই। বাজেট খুব বেশি না। ৪ লাখ সর্বোচ্চ। মূল উদ্দেশ্য হাত পাকানো। আর ইউনিভার্সিতে যাওয়া আসা করা। অনেক দিন ধরেই সেলবাজার , ক্লিকবিডি , বিক্রয় এ ঘোরাঘুরি করে বেশ কিছু আইডিয়া পেয়েছি। পুরনো বড ভাই রাজীব ভাই এর কার গাইড তিন বছর আগেই পডেছি। সেগুলো আবার রিভিউ করলাম। যা আইডিয়া এই টাকার মাঝে ১৯৯২/১৯৯৩ সালের টয়োটা ইডি, টয়োটা এক্স আই ভি এগুলোর আঊটলোক দেখেই ভাল লাগল । কিন্তু এই নাদান তো জাস্ট আউট লোক ই দেখতে পারে। ভেতরটার ব্যাপারে আইডিয়া নেই। ![]()
টয়োটা ইডি , এক্স আই ভি, এগুলো কেমন হবে ?
আমার চাহিদাগুলো হল
- দেখতে একটু এসি সেলুন, বা এই টাইপের হবে
- কম গ্যারেজ এ নিয়ে যেতে হবে
- দেশের বাডি জামালপুর (১৯৪ কিমি) যাব মাঝে মাঝে ![]()
-অটো গিয়ার
একটু সাজেসন চাই ।
একটা পোস্ট দিয়েছিলাম। কোণ কাজ হয় নি। আপনার কাছে জানতে চাই।
২৭|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:৪৩
রাজীব বলেছেন: ইডি বা এক্সিভ ভুলেও কিনবেন না। এক্সিভ গাড়িতি চেহারার দিক দিয়ে আমার খুব পছন্দ কিন্তু কিনলে খরচ করতে করতে হয়রান হয়ে যাবেন। আপনার বাজেতটে অটো গিয়ারের ইই৯০ বা স্টেশন ওয়াগন ১০০ কিনতে পারেন। যেহেতু জামালপুর যাবেন স্টেশন ওয়াগন ১০০ ভালো হবে। ৯০লিটারের সিএনজি সিলিন্ডার সহ কিনতে পারলে ভালো হয়। গ্যাসেই জামালপুর যেতে পারবেন।
২৮|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১:১৩
সাহস বলেছেন: রাজীব ভাই কাল থেকে ড্রাইভিং শিখতেছি। ৫৫০০ টাকা । এক মাস করাবে। প্রতিদিন ৪০ মিনিট করাতে চালাতে দেয়। সমস্যা হল ম্যানুয়েল গিয়ারে।
এবার আসল কথায় আসি।
আপনার মতামত কি হোন্ডার ব্যাপারে ? বাজেটের মাঝে এটা ছাডা দেখতে সুন্দর গাডি দেখি না । স্টেসন ওয়াগন ভাল লাগে। কিন্তু ইই ৯০ একটু বেশি পুরাতন দেখা যায়।
হোন্ডা ভিগর বা ইন্সপায়ার কেমন হবে ?
২৯|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৩৬
রাজীব বলেছেন: হোন্ডার উপর সম্ভবত একটি পোস্টে কিছুটা লিখেছি।
হোন্ডা ইন্সপায়ার ও একর্ড দুটি মডেল ব্যবহার করেছি। হোন্ডা একর্ড খুবই ভালো গাড়ি। তবে সমস্যা হলো হোন্ডা সাধারনত ১৬০০ সিসি-এর বেশী হয়। ফলে ট্যাক্স অনেক বেশী পড়ে(সম্ভবত বছরে ৩০,০০০/=)। ভিগরতো ২০০০ সিসি+ ফলে এটির ট্যাক্স আরো বেশী। আর হোন্ডা গাড়ি পুরাতন হলে গেলে তেল-গ্যাস বেশী খায়। আর পার্টস এর দাম অনেক বেশী। আমার মতে ২,৫০,০০০/- দিয়ে হোন্ডা না কিনে ৪,০০,০০০/- টোয়োটা ১০০ কিনুন অথবা ৩,০০,০০০/- ভালো দেখে ইই ৯০ কিনুন।
মনে রাখবেন হোন্ডার খরচ বছরে টয়োটার থেকে দ্বিগুন পড়বে।
৩০|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৫৫
রাজীব বলেছেন: Click This Link
Click This Link
Click This Link
৩১|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৮:৫৭
রাজীব বলেছেন: নিশান সানি কিনতে পারেন, ৩ লাখের মধ্যে ভালো মানের গাড়ি পাবেন। ১৫০০ সিসি কিনবেন। এসি সিএনজি সহ অল অটো কিনতে পারবেন। তবে টয়োটা কিনলে সবচেয়ে ভালো।
৩২|
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৩১
েবনিটগ বলেছেন: +
৩৩|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৩:১৫
নীল বেদনা বলেছেন: রাজীব ভাই, বেশ কয়েকদিন পর ব্লগে এলাম। ভালো আছেন আশা করি। আমি শেষ পর্যন্ত একটি কেরিনা মাই রোড ৯০ মডেলের (১৮০০ সিসি) গাড়ী কিনেছি। ২ টা সমস্যা আছে।
১. ইঞ্জিন কার্বুরেটর এর এবং শুধু মাত্র গ্যাসে চলে, তেলের লাইন বন্ধ। মেকানিক্স বলেছে গাড়ীটা আগে ইএফআই ছিলো। যার কাছ থেকে কিনেছি সে হেড চেঞ্জ করে কার্বুরেটর বানিয়েছে। আমি আবার হেড চেঞ্জ করে ইএফআই করতে চাই। যেন তেলেও চালানো যায়। এর কারণ মূলতঃ এসি ব্যবহার করা ও লং ড্রাইভে যাওয়া। কারণ এসি চালালে হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে গেলে রাস্তায় ধাক্কা দিয়ে গ্যাস স্টেশনে যাওয়া লাগবে। প্লাস সরকার যে কবে হঠাৎ করে গাড়ীর গ্যাস বন্ধ করে দেয় আল্লাহই জানেন। আমার প্লান ঠিক আছে কি? আপনার মতামত কি?
২. গাড়ী গরম হয়ে যায় ২০/৩০ মিনিট চলার পর। বিশেষ করে হেড লাইট বা ওয়াইপার চালালে আরও দ্রুত গরম হয়। এর সম্ভাব্য কারণ গুলো কি আর সমাধানই বা কি হতে পারে?
আমাকে চিনতে পারছেন রাজীব ভাই, এই পোষ্টে আপনার সাথে বিষদ আলোচনা হয়েছিলো গাড়ী কেনার বিষয়ে।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:২৯
রাজীব বলেছেন: নীল বেদনা , আপনার নিক আমার মনে আছে। তেল ও গ্যাস ইজের জন্য ইএফআই ইন্জিন ভালো। হেড চেন্জ করে নিতে পারেন প্রয়োজনে পুরো ইন্জিন চেন্জ করে নিতে পারেন। একসময় ৩০-৪০ হাজারে ইন্জিন চেন্জ করা যেত এখন কত জানিনা। চেক করে নিয়েন।
যেহেতু হেডলাইট বা ওয়াইপারে হিট হয়, ইলেক্ট্রিক লাইনে কোন সমস্যা আছে কিনা চেক করিয়ে নিবেন। হিটের জন্য রেডিয়েটর চেক করাবেন। দিনের বেলায় হেডলাইট বা ওয়াইপার ছাড়া এসি চালালে হিট হয় কিনা দেখবেন। ইন্জিনের পারফর্মেন্স কেমন। স্পীড ও এক্সেলারেশন কেমন? যদি স্পীড ও এক্সেলারেশন ভালো না হয় তাহলে শুধু হেড চেন্জ না করে ইন্জিন চেন্জ করে ফেলুন। কারন হেড চেন্জ করতে ১৫ হাজার বা আরো বেশী টাকা লাগবে, আর ৩০-৪০ হাজারে ইন্জিন হয়ে যাবে।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৫৫
রাজীব বলেছেন: দু:খিত, প্রথমেই কঠিন চিন্তা করে ফেলেছি।
এবার একটু সহজে বলি,
১। গাড়ি চালানোর পর, পরদিন সকালে স্টাটের আগে রেডিটরে পানি চেক করুন, ১০০ মিলি পর্যন্ত কম হলে সমস্যা নেই, যদি বেশী কমে যায় তাহলে
রেডিয়েটরের ক্যাপে সমস্যা হতে পারে, সেক্ষেত্রে নতুন ক্যাপ কিনে লাগাবেন। ভালো ক্যাপ ১৮০-২০০ টাকা, নরমালটা ৬০ টাকা। রেডিয়েটর থেকে ইন্জিনে ২টি পাইপ গেছে, সেই পাইপ দুটি লিক হতে পারে। লিক হলে ঠান্ডা অবস্থায় লিক হবে না। গরম হলে পানির চাপ বাড়ে ও রাবার পাইপও নরম হয়ে যায় তখন লিক হতে পারে। অতএব গাড়ি হিট হলে পরে রেডিয়েটরের পাইপ চেক করুন। রেডিয়েটরে লিক আছে কিনা চেক করুন। রেডিয়েটর বছরে ১ বার ওয়াশ করতে হয়। গাড়ি থেকে রেডিয়েটর খুলে ভিতরে এসিড দিয়ে ওয়াশ করা হয়। ২০০-৩০০ টাকা নিতে পারে।
২। গাড়ির কোন একটি স্পার্ক প্লাগ নস্ট হলে গরম হবে। গ্যাস কি আগের চেয়ে বেশী খায়, তাহলে স্পার্ক প্লাগ নস্ট হয়েছে। গাড়ি স্টার্ট অবস্থায় প্লাগের লাইন খুলে চেক করুন, যদি প্লাগের লাইন খুললে ইন্জিনের ঝাকি বাড়ে তাহলে প্লাগ ঠিক আছে কিন্তু যদি কোন একটি প্লাগের লাইন খুললে ঝাকি না বাড়ে তাহলে সেটি ঠিক নেই।
৩। ক্লাস প্লেট কতদিন আগে চেক করেছেন? যদি গাড়ি চালু অবস্থায় পোড়া পোড়া গন্ধ পান তাহলে ক্লাস প্লেট চেক করাতে হবে।
৪। রেডিয়েটরের ফ্যান ভালো হাওয়া দেয় কিনা চেক করুন। যদি গাড়ি সামান্য হিট হয়, মানে অনক সময় চালালেও হিটের কাটা ৬০%-৭০%-এ থাকে তাহলে বাড়তি একটি ফ্যান লাগিয়ে নিতে পারেন। পুরাতন ফ্যানে হাওয়া কম হলে চেন্জ করুন।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:০৫
রাজীব বলেছেন: হিটের কাটা কতক্ষন চালালে কত % উঠে?
২০% কত মিনিটে
৪০% --- মি
৬০%---মি
৮০%
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:০৬
রাজীব বলেছেন: আগে নরমালি হিটের কাটা কত % -এ থাকতো?
৩৪|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ৭:২৫
েবনিটগ বলেছেন: ভাই, আমি একটা toyota corolla 100 LX কিনতে চাচ্ছি, এই মুহূর্তে এটার দাম কত হওয়া উচিত? গাড়ীর দাম যে কমেছে, cellbazaar এর বিজ্ঞাপন গুলা দেখলে বোঝা যায় না।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১০:৩০
রাজীব বলেছেন: চার লাখ। সাড়ে পাচ হলে ১১০ পাবেন। আর সাড়ে ৮ বা ৯ হলে করোল্লা এক্স।
৩৫|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ২:২৪
বাবা রান্জোরদাস বলেছেন: Toyota Platz গাড়ি হিসেবে কেমন? দাম কতো হতে পারে রাজিব ভাই?
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৩৯
রাজীব বলেছেন: ১০০০ সিসি গাড়ি, সাড়ে৪ থেকে ৫ লাখ দাম। সিসি কম হওয়ায় ট্যাক্স কম, কিন্তু বয়স হয়ে গেলে এসি ভালো সার্ভিস দিবে না।
দাম ৪ হলে ঠিক আছে তবে আমার মনে হয় সাড়ে৫ থেকে ৬ লাখ বাজেট হলে করোল্লা ১১০ কিনতে পারেন।
৩৬|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১:৫৮
বাবা রান্জোরদাস বলেছেন: আমার বাজেট ৬। কিন্তু এর মাঝে করোল্লা ১১০ তো দেখি না। আচ্ছা ভাই করোল্লা ১১০ নিলে গরমে এসি চালানো যাবে? গাড়ি নিজে চালালে মাসিক খরচ কেমন হবে গড়ির পেছনে?
১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ রাত ১২:৪১
রাজীব বলেছেন: করোল্লা ১১০ খুবই ভালো গাড়ি, ১৩৩০ সিসি, নিশ্চিন্তে এসি চলবে। আমাদের দেশে করোল্লা গাড়ির খরচ সবচেয়ে কম। আমি গত ঈদের আগে খুব ভালো একটি গাড়ি পেয়েছিলাম মাত্র ৫লাখ ৬৫ হাজারে। একটু ভালো করে খুজলে আপনিও পাবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৪৮
ইচ্ছে বলেছেন: ভাল লাগলো, পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।++