| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আশিকুর রহমান অমিত
লিখতে পারি না পারি ব্লগিং টা শখ। ফেসবুকেঃ https://www.facebook.com/ashiqur.amit সত্য যতয় তিক্ত হোক সেটার পক্ষে থাকার চেষ্টা করি কিন্তু অনেক সময় তা হয়ে উঠে না। রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে যন্ত্রকৌশলে পড়াশোনা শেষ করে এখন কামলা। এক কালে রস আলোতে ফান আইডিয়া দিতাম। এখন জীবনটা রম্য হয়ে গেছে। অবসর কাটে গল্পের বই আর মজিলায় স্বেচ্ছাসেবা।
বাংলাদেশে ইঞ্জিনিয়ার তৈরির অন্যতম তিনটি প্রধান কারখানা হচ্ছে রুয়েট,চুয়েট, কুয়েট। ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শুরু করে তাদের যাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নয় বছর পূর্তিতে তাদের কে জানায় প্রানঢালা অভিনন্দন ও অনেক অনেক শুভেচ্ছা।
যদিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে রুয়েট (রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিধ্যালয় ) ৪৮ বছর, চুয়েট (চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিধ্যালয় ) ৪৩ বছর এবং কুয়েট ( খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিধ্যালয়) ৩৮ বছর পার করছে।
দেশের উন্নতিতে নানাভাবে অবদান রেখে চলেছে এই বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে বের হওয়া ইঞ্জিনিয়ার সাহেবারা। দেশে বিদেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনেকেই কর্মরত । এছাড়া আন্তর্জাতিক অনেক নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টী মেম্বার, রিসার্চার হিসেবে রয়েছেন অনেকে। নিজ কর্মদক্ষতা ও অর্জিত জ্ঞান দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দেশের নাম উজ্জ্বল করে যাচ্ছেন তারা।
তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বর্তমান ছাত্ররা নিজেদের ক্রিয়েটিভ কর্মকান্ডের দ্বারা আলোচিত হচ্ছেন। বিশেষ করে তাদের তৈরি চমৎকার প্রজেক্ট গুলোর কথা প্রায় আসে দেশীয় মিডিয়াতে। এই ছাড়া যন্ত্র নিয়ে সারাদিন থাকলেও সাহিত্য, শিল্প, ডিবেট এইগুলো সমান তালে দক্ষতা প্রদর্শন করে চলছে ছাত্ররা। প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাত্ররা আন্তর্জাতিক মানের রিসার্চ পেপার পাবলিশ করে থাকেন যদিও সংখ্যায় তুলনামূলক ভাবে তা কম। আরেকটা ব্যাপার আমাদের সামু ব্লগের অনেক নামী ব্লগার এই তিন প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র।
তবে আক্ষেপ করে বলতে হয় কিছু কথা। সাম্প্রতিক সময়ে নানান ভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলো গায়ে কালো দাগ লেগেছে। এর জন্য সম্পুর্ন ভাবে দায়ী নোংরা রাজনীতি ও প্রশাসনের মারাত্নক উদাসীনতা। বিশেষ করে ছাত্র শিক্ষক রাজনীতি সাম্প্রতিক সময়ে যে কি পরিমান প্রভাব ফেলেছে এই শিক্ষাঙ্গন গুলোতে তা সংবাদপত্রের দৌলতে সবাই জানেন।
কথাটি কতজন মানবেন জানি নাহ ইচ্ছা করলেই এই তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠানে পৌছাতে পারত। হার্ভাড এম আই টি হয়ত হওয়া সম্ভব হত নাহ কিন্তু ইন্ডিয়ার আই আই টি গুলোর সমকক্ষে পৌছানো যেত সহজেই। কারন এইখান হতে বি এস সি পাশ করা ছাত্র গুলো যখন মেধা মননশীলতার জোরে টপ ইউনিভার্সিটি গুলো শুধু জায়গা করে নেয় না নিজেদের দক্ষতার স্বাক্ষর রেখে আসে। এইখানকার শ্রদ্ধেয়ভাজন অনেক শিক্ষকেরাই আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষকদের সমতুল্য। সেখানে শুধুমাত্র আমাদের দেশের নোংরা রাজনীতি, সরকারের উদাসীনতা ও দূর্নীতির কারনে পিছিয়ে রয়েছি। এটাই সবচেয়ে বড় আফসোস।
যাই হোক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো উত্তোরতর উন্নতি করুক, ছাত্ররা গবেষনার মাধ্যমে ভূমিকা রাখুন বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের উৎকর্ষ সাধনে এবং সর্বোপরি নিজেদের মেধা দ্বারা ভূমিকা রাখুক বাংলাদেশের উন্নয়নে এই আমাদের কামনা এবং দেশের সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী।
পরিশেষে বলতে চাই আমি এই অধম রুয়েটের স্টুডেন্ট। প্রচন্ড ভালোবাসি আমার বিশ্ববিদ্যালয়কে
। এই তিনটার ছাত্র ছাত্রীগুলো ঠিক আমার মতই ভালবাসে তাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে। মোটামুটি সবাই গর্বিত এই খানে পড়তে পেরে।
একটা কথা যেন আমরা সর্বদাই মনে রাখি, এই দেশের জনগনের টাকায় কিন্তু আমরা অর্জন করছি আমাদের মূল্যবান প্রকৌশল ডিগ্রীটি। তাই এই দেশের প্রতি আমাদের দায় ও কর্তব্য কিন্তু অনেক। সেটা পূরনে যেন সবাই যথাযথ ভূমিকা রাখি।
২|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৩
মিনহাজুল হক শাওন বলেছেন: সামহোয়্যারইনের হাসিন হায়দার ভাই কিন্তুক রুয়েটের ছাত্র। ![]()
বিশ্বিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে সবাইকে শুভেচ্ছা।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৪
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: তোমাকেও শুভেচ্ছা ![]()
৩|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩০
ফিউচার আইটি বলেছেন: অজানা কিছু জানলাম . . . . ভালো থাকবেন।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৩
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ধন্যবাদ
৪|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪০
নীরব দর্শক বলেছেন: রাজশাহী বিআইটি কে বিশ্ববিদ্যালয় করার জন্য ঢাকা ও রাজশাহীতে অনেক আন্দোলন করছিলাম। ২০০৩ পহেলা সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় হবার পরের দিন আমাদের ফাইনাল রেজাল্ট দিয়ে রুয়েট সার্টিফিকেট দিয়েছিল ইইই ডিপার্টমেন্ট।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২৩
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ভাইয়া আপনাদের আন্দোলনের কথা শুনেছিলাম। ধন্যবাদ আপনাদের কে
৫|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৯
মুশাসি বলেছেন: হ্যাপি বার্থ ডে রুয়েটিয়ান,চুয়েটিয়ান এন্ড কুয়েটিয়ান্স
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:২২
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ![]()
৬|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৪২
ফ্রাস্ট্রেটেড বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো। হ্যাপি বার্থ ডে রুয়েটিয়ান,চুয়েটিয়ান এন্ড কুয়েটিয়ান্স ।
এর জন্য সম্পুর্ন ভাবে দায়ী নোংরা রাজনীতি ও প্রশাসনের মারাত্নক উদাসীনতা।
আমি এই ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করছি। সাধারণ ছাত্র রা যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও পড়ালেখা থেকে এতই দূরে থাকতে পছন্দ করে যে, তাদের ও অনেকটা দোষ দিতে হয়। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি - সপ্তাহে ১০ টির বেশি মুভি দেখে এমন ছাত্র এসব জায়গায় প্রায় ২০%। ৫ টি থেকে ১০ টি দেখে এমন প্রায় ৪০%, বাকিরা ৫ এর কম। এছাড়া কার্ড খেলা, আড্ডাবাজী এইসব ব্যাপার স্যাপার ত আছেই। এই ছাত্র রাই কিন্তু দিনে গড়ে প্রায় ৬-৭ ঘন্টা করে পড়েছে ক্লাস নাইন থেকে ইন্টার পাস করা পর্যন্ত। ইন্টার পাস করার পর পড়েছে আরো অনেক বেশি যে কারণে তারা আজ ভবিষ্যত প্রকৌশলী। কথা হচ্ছে, ইঞ্জিঃ ভার্সিটী তে কিন্তু এত বেশি পড়া লাগে না। দিনে ১-২ ঘন্টা পড়লেই অসাধারণ রেজাল্ট হয়। সেখানে তারা কি করে ??? দিনের মধ্যে পড়ালেখা না করুক, তার ডিপার্টমেন্টাল সাবজেক্টের উপর ব্যবহারিক শিক্ষা নিতে পারে। ক্লাস টেস্টের আগের দিন শুধু পড়ে, তাও আবার ১ ঘন্টা। আর সেমিস্টার শুরুর প্রথম ৩ সপ্তাহ তো কিছুই পড়ে না।
আশা করি, যা বুঝাতে চেয়েছি, তা বুঝাতে পেরেছি। বিতর্কে যেতে চাচ্ছি না।
অঃটঃ আমি কোন ছাত্র নেতা নই (কোন রাজনীতিতেও ছিলাম না কোনদিন, একজন উয়েট এর ছাত্র)
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:১৩
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ভাইয়া ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য। আপনার বক্তব্যের সাথে সহমত প্রকাশ করব। রাজনীতি তো কি করছে জানি, রাজনীতি আগেও ছিল আর এখনো আছে তবে এখন সেটা নোংরা ভাবে ফুটে উঠেছে। আর আম্রাও ছাত্ররাও দায়ী। তবে এই কথা বললে সবাই বলবে বেশি বুঝো? সেটা হলে আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং যেভাবে পড়ানো হয় সেই আর কি বলব? আমাদের সাথে এক ছেলে অষ্ট্রেলিয়াতে মেক্যানিকাল এ সে এখন নানান প্রজেক্ট করছে আর আমাদের নিজেদের উৎসাহ থাকলে করি আর না হলে শেষ সেমিষ্টারে।
তবে এটাও সত্য নিজেরা যদি আরেকটু পড়াশোনা করতাম, পড়ে বুঝার চেষ্টা করতাম কি বলছে বইগুলোতে তাহলে আরো এগোতাম নিঃসন্দেহে।
৭|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৩
নগরের ধনেষ বলেছেন: এটা সত্যি কথা নোংরা রাজনীতি দেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে নানা ভাবে কলুষিত করেছে।তারপরেও এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অর্জন অনেক,যা এদেশের অনেক মানুষই জানে না।
আজকের এই তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিনে প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
আগামীর পথ ধরে এগিয়ে যাক রুয়েট,চুয়েট ও কুয়েট।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:১৪
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য ভাইয়া ![]()
আগামীর পথ ধরে এগিয়ে যাক রুয়েট,চুয়েট ও কুয়েট এটাই আমাদের চাওয়া
৮|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:২৫
জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন:
সবার সিস্টেম একটাই, মুখস্ত কর, পাশ কর, বের হয়ে যাও।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৪৭
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: সেটাই ভাইয়া
৯|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০০
প্রীতম কুমার দাস বলেছেন: একটা ভুল আছে, কুয়েট বর্তমানে ৪৫ বছর অতিক্রম করতেসে
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৪
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: This university was established as Khulna Engineering College in 1974 (ফ্রম উইকি)
Khulna University of Engineering & Technology (KUET), Bangladesh established in 1967 as Khulna Engineering College, starts its long cherished Journey in 3 June 1974 (কুয়েট ওয়েবসাইট)
আসলে এইখানে হিসেব টা বলেছি ক্লাস শুরু থেকে। কুয়েটের ক্লাস মনে হয় ১৯৭৪ থেকে শুরু হইছে। ৬৭ তে মনে হয় বিল পাশ হয়। তাও একবার সিউর হয়ে জানাবেন?
১০|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০৭
ব্যাস্তসুখীমানুষ বলেছেন: ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শুরু করে তাদের যাত্রা।
ভাই আপনার ভুল হচ্ছে ২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনটি নয় চারটি পূর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে । ডুয়েট নামে আর একটি বিশ্ববিদ্যালয় একই সময় যাত্রা শুরু করে এবং পরে যত গুলো বিশেষ্যন দিয়েছেন তার অধিকাংশই এর আছে । ভুল তথ্য দেয়া মনে হয় ঠিক না তাই আশা করি পোস্টটা এডিট করবেন। আমি আপনাকে শহযোগিতা করছি লিঙ্ক টা দেখেন http://www.duet.ac.bd/?page=about_duet
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৯
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: আমার জানা ছিল না তথ্যটা। এই তিনটা যাত্রা শুরু করেছে এটাই বলেছি। খুব ভাল হয় ভাইয়া আপনি একটা পোষ্ট দেন ডুয়েট নিয়ে।
১১|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:০৮
বুড়া মানব বলেছেন: আমি ডুয়েট নামের একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম জানি। এটাও নাকি এই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপান্তরিত হয়েছিল।
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৮
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: আমি নিজেই জানতাম নাহ। ব্লগার ব্যাস্তসুখীমানুষ ভাইয়ের কমেন্ট হতে জানলাম।
১২|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২২
খাজুইরা আলাপ বলেছেন: অভিনন্দন কুয়েট, চুয়েট, ডুয়েট আর রুয়েটকে, আসলে দেশের আভ্যন্তরিন ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর মনে হয় আপনারাই টিকাইয়া রাখছেন
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২৮
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। সেকেন্ড কথাটা মনে হয় কিছুটা ঠিক
১৩|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩২
মিনহাজুল হক শাওন বলেছেন:
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪২
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: কি হইল ?
শুভেচ্ছা পেয়ে ![]()
১৪|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৫
নামহীন আমি বলেছেন: অভিনন্দন
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৪২
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া
১৫|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৪৬
ইউক্লিড রনি বলেছেন: পিলাস।
২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:১৫
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: ধন্যবাদ ![]()
১৬|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৯
ইরফান আহমেদ বর্ষণ বলেছেন: +++++++++
০৭ ই অক্টোবর, ২০১৩ দুপুর ১:৫৬
আশিকুর রহমান অমিত বলেছেন: এতদিন পর ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১২
মিনহাজুল হক শাওন বলেছেন: ছাত্র হিসেবে তথ্যগুলো আগেই জানা দরকার ছিল। ধন্য়বাদ। রুয়েট তাহলে সবচেয়ে বয়োজেষ্ঠ্য।