| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আহমাদ মোস্তফা কামাল
জন্ম : ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৬৯; মানিকগঞ্জ। পৌষের কোনো এক বৃষ্টিভেজা মধ্যরাতে এদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামে জন্ম হয়েছিলো আমার, মায়ের কাছে শুনেছি। হঠাৎ বৃষ্টির সেই শীতের রাতে আঁতুর ঘরে মার পাশে দাইমা নামক আমার অ-দেখা এক মহিলা ছাড়া আর কেউ ছিলো না। উঠোনে রেখে দেয়া প্রয়োজনীয় সাংসারিক অনুষঙ্গ বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে দাইমা বাইরে গেলে প্রায়ান্ধকার ঘরে জন্ম হয়েছিলো আমার। জন্মেই দেখেছিলাম, আমার চারপাশে কেউ নেই- মা ছাড়া। আজ, এই এতদিন পর- আমার চারপাশে সহস্র মানুষের ভিড়- তবু মার কাছে ফিরতেই ভালো লাগে আমার। যোগাযোগ : [email protected] [email protected]
[গতকাল লেখাটির প্রথম পর্ব Click This Link প্রকাশিত হয়েছে। আজ দ্বিতীয় পর্ব। আগের পর্বে সাড়া দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, প্রিয় সহযাত্রীগণ।]
যেসব লেখায় মধ্যবিত্তদের গালাগালি করা হয় - তার পাঠকরা মধ্যবিত্ত, যেসব সভায় তাদেরকে বকাবাজি করা হয় তার শ্রোতারাও মধ্যবিত্তই। অথচ এই পাঠক ও শ্রোতৃকূল ভাবেন বকাবাজিটা তাকে নয়, অন্য কাউকে করা হচ্ছে। এর কারণ কি? কারণ হলো - যে সমালোচনাটা করা হচ্ছে, ওই পাঠক বা শ্রোতা নিজেকে সেটার উপযুক্ত বলে ভাবছে না। আরেকটি কারণও আছে - যিনি সমালোচনাটা করছেন পাঠক-শ্রোতা তাকে আবিষ্কার করেন নিজেরই লোক বলে। অর্থাৎ ওই লোকটিও মধ্যবিত্ত। যতই সমালোচনা করুন - ওই লেখক বা বক্তাও যে মধ্যবিত্তের বৃত্ত ভেঙে, মধ্যবিত্তের নিরাপদ সীমানা ডিঙ্গিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারেননি - পাঠক-শ্রোতার তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। ফলে একজন মধ্যবিত্ত যে তার নিজের শ্রেণীভূক্ত কাউকে এই ভাষায় গালাগালি, বকাবাজি বা সমালোচনা করতে পারেন এটা তাদের বিশ্বাস হয় না।
কিন্তু এইসব সমালোচনায় 'মধ্যবিত্ত' শব্দটি বেশ ব্যাপকভাবে ও প্রবলভাবে থাকা সত্ত্বেও মধ্যবিত্তরা সেটা নিজের গায়ে নেয় না কেন? কেন ভাবে যে, এই বকাবাজি অন্য কাউকে করা হচ্ছে? তাহলে কি সে তার নিজের শ্রেণীগত অবস্থান সম্বন্ধে সচেতন নয়? হ্যাঁ, সমস্যটা সেখানেই। নিজের শ্রেণীগত এবং সামাজিক অবস্থান সম্বন্ধে পরিষ্কার ধারণা না থাকার জন্যই মধ্যবিত্তরা বুঝতে পারে না - গালাগালিটা তাদেরকেই করা হচ্ছে! আর পরিষ্কার ধারণা থাকবেই-বা কীভাবে? এই শ্রেণীটি যে সমরূপ নয়! এই শ্রেণীর মধ্যেই আছে আরো অনেক শ্রেণীবিভাগ বা উপশ্রেণী। যেমন : উচ্চ-মধ্যবিত্ত, মধ্য-মধ্যবিত্ত (বা শুধুই মধ্যবিত্ত) এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত। আর ওই উপবিভাগ বা উপশ্রেণীগুলোই সমস্যা তৈরি করেছে। এরকম উপশ্রেণী কিন্তু উচ্চবিত্ত বা নিম্নবিত্তদের বেলায় দেখা যায় না। উচ্চ-উচ্চবিত্ত বলে কোনো শ্রেণী নেই, যেমন নেই নিম্ন-নিম্নবিত্তও। এই বিভাজন একান্তভাবেই মধ্যবিত্তের বৈশিষ্ট্য।
এইসব উপশ্রেণীর মূল্যবোধ-সংস্কার-বিশ্বাস-আচার-ব্যবহারে অনেকখানি সাদৃশ্য থাকলেও জীবনযাপনে তারা বেশ খানিকটা আলাদা। নিম্নমধ্যবিত্তের জীবনযাপনের মধ্যে যেমন হা-হুতাশ, হতাশা, এবং নিম্নবিত্তের কাতারে চলে যাবার আতংক কাজ করে - উচ্চমধ্যবিত্তের মধ্যে তা করে না। তাদের নিম্নবিত্তে পরিণত হবার আতংক নেই, আছে উচ্চবিত্ত শ্রেণীতে আরোহন করার স্বপ্ন-প্রত্যাশা এবং তার জন্য প্রয়োজনীয় কূটকৌশল ও কর্মকাণ্ড। সবচেয়ে বিপদে থাকে মধ্য-মধ্যবিত্তরা (প্রকৃতপক্ষে এরাই মধ্যবিত্ত সমাজের পরিচয়চিহ্ন ধারণ করে থাকে)। তাদেরও স্বপ্ন-প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা উচ্চবিত্ত হবার, নিদেনপক্ষে উচ্চমধ্যবিত্তের মর্যাদা ভোগ করার, কিন্তু সামগ্রিক পরিস্থিতি তাকে ক্রমাগত নিম্নমধ্যবিত্তের দিকে ঠেলে দিতে থাকে। এর ফলে তারা থাকে এক ভয়ংকর দোদুল্যমান অবস্থায়। শুধু তাই নয়, নিম্নমধ্যবিত্তরা জীবনের প্রয়োজনেই কখনো কখনো মধ্যবিত্ত সমাজের অনড়-অচল মূল্যবোধ ও সংস্কারের বেড়াজাল পেরিয়ে ঢুকে পড়ে নিম্নবিত্তের মূল্যবোধের এলাকায়; আবার উচ্চমধ্যবিত্তরা উচ্চবিত্ত হবার আকাঙ্ক্ষায় কখনো কখনো উচ্চবিত্তের মূল্যবোধ ও জীবনযাপন-পদ্ধতি ধারণ করতে চায়, নিদেনপক্ষে অনুকরণ করতে চায়;- মধ্য-মধ্যবিত্তরা এর কোনোটাই পারে না। উচ্চ- ও নিম্ন-মধ্যবিত্তের মধ্যে বিপরীত অর্থে নিজ শ্রেণীর সীমানা ডিঙ্গিয়ে যাবার প্রবণতা থাকলেও মধ্য-মধ্যবিত্তকে বাধ্য হয়েই পড়ে থাকতে হয় নিজের শ্রেণীর যাবতীয় ইতি- ও নেতিবাচকতা নিয়ে।
জীবনযাপন ও জীবনধারণ পদ্ধতি, সুযোগ ও সুবিধা - এসবকিছুতে ব্যাপক পার্থক্য থাকার ফলে মধ্যবিত্ত শ্রেণীভূক্ত এই উপশ্রেণীগুলো পরস্পরকে অপছন্দ করে - একরকম ঘৃণাই করে বলা যায় (অন্য কোনো শ্রেণী নিজের শ্রেণীর লোকজন সম্বন্ধে এতটা নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে না)। ফলে কোনো বুদ্ধিজীবী কতৃক কোনো বকাবাজি যখন এদের ওপর বর্ষিত হয় তখন এই শ্রেণীভূক্ত একটি উপশ্রেণী ভাবে - বকাবাজিটা তাকে নয়, অন্য কাউকে - অর্থাৎ অন্য দুই উপশ্রেণীর যে কোনো একজনকে করা হচ্ছে। এরকম ভাবনায় তার সুবিধা হয়, সে নিরাপদে থাকতে পারে, স্বস্তি ও শান্তিতে থাকতে পারে - সমালোচনাগুলো নিজের কাঁধে নিয়ে তাকে খামোখা পীড়িত হতে হয় না।
অবশ্য মধ্যবিত্তরা যে এত সুস্পষ্টভাবে নিজেদের উপশ্রেণীগুলোকে চিহ্নিত করতে পারে তা নয়, বরং কোন উপশ্রেণীতে তারা বাস করে সেটা নির্ধারণ করা তাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপারই বটে। সমস্যাটা শুধু তাদেরই নয়, যারা মধ্যবিত্তদের নিয়ে কথা বলেন, এইসব উপশ্রেণীগুলোকে কোনো না কোনোভাবে চিহ্নিত করতে চান - সমস্যা তাদেরও। কী কী শর্ত পূরণ করলে একজন লোককে মধ্যবিত্ত বলা যাবে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা বেশ দুরূহ। তবু তাদেরকে কোনোভাবে কোনো একটি সংজ্ঞায় বাঁধা যায় কী না, পরের পর্বে আমরা সেই চেষ্টাটি করে দেখতে চাই।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২১
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধইন্যবাদ জ্যাডা। তুমি কুনুদিন আমারে মাইনাস দিলা না, মনে দুস্ক রয়া গ্যালো!
![]()
২|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
"অবশ্য মধ্যবিত্তরা যে এত সুস্পষ্টভাবে নিজেদের উপশ্রেণীগুলোকে চিহ্নিত করতে পারে তা নয়, বরং কোন উপশ্রেণীতে তারা বাস করে সেটা নির্ধারণ করা তাদের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপারই বটে।"
ঠিক।
"কী কী শর্ত পূরণ করলে একজন লোককে মধ্যবিত্ত বলা যাবে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা বেশ দুরূহ। তবু তাদেরকে কোনোভাবে কোনো একটি সংজ্ঞায় বাঁধা যায় কী না"
এই বিষয়টার উত্তর জানতে আমি খুব আগ্রহী। সুতরাং পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: পরের পর্ব আসিতেছে!
অচিরেই জানিতে পারিবেন!
৩|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৪
নজরুল কবীর বলেছেন: মাশাল্লা!!!!!!!!!!!!
কয় পর্বে শেষ হইবো ?
শালা আমিও এমন এক মদ্যবিত্ত, মাথা ব্যথা সারানো জন্য ব্লগাইতাছি???!!!!
চিকন মিয়া জেডার লেখাডা আরো একটু আপডেট করা যায় না, সমসাময়িক ঘটনার কিছু উদাহরণ দিয়া।
মিয়া ভাই, আপনে কি কন??
পরস্তাব ডা বালা না ?
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২৯
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধারাবাহিক লেখার সমস্যা হইলো, একবার শুরু করলে শেষ করতে হইবো। মাথা ব্যথা থাক আর পেট ব্যথাই থাক, কোনো মুক্তি নাই! এইডা তুমি বুঝবা না মামু! এই হতভাগার কপালে এই অভিজ্ঞতা অনেকবারই হইছে! ![]()
সমসাময়িক উদাহরণ দিতে গেলে লেখা বড় হইতে থাকবো। সেইটা আরেক জটিলতা তৈরি করবো। তুমি দুয়েকটা দাও না কেন দোস্ত?
৪/৫ পর্বে শেষ অইবো। ততোদিন পর্যন্ত তোর ধৈর্য থাকবো না জানি, ভাব লইস না কইলাম!
![]()
৪|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৭
ফারুক আহসান বলেছেন: মধ্যবিত্ত বক্তার গালিগালাজ মধ্যবিত্ত শ্রোতার গায়ে না লাগাটা , অনেক বাঙালি বক্তার বাঙালি-সমালোচনা শুনে বাঙালি শ্রোতার হাততালি দেয়ার মত । সবাই মনে করে আঙুলটা তার দিকে নয় বরং অন্য কারো দিকে তোলা হচ্ছে । নিজের মনে মনে শুরু হয় আলোচ্য সমালোচনার কোন দিকগুলা তার নিজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় তার তালিকা রচনা, এবং আত্নপ্রসাদ লাভ ।
এক্ষেত্রে আপনার উপশ্রেণী তত্ব নিয়া পুরোপুরি একমত হতে পার্লাম না । বিষয়ডা মনে হয় আরেকটু জটিল । একজন ব্যাক্তি নিজে আসলে কি আর নিজেকে নিজে কি মনে করে , সেটার একটু প্রভাব আছে বলে মনে হয় ।
উচ্চবিত্ত বা নিম্নবিত্তদের মধ্যেও উপশ্রেণী আছে । পুরো ব্যাপারটা আমার কাছে নিরবচ্ছিন্ন ফাংশনের মত মনে হয় । দিনমজুর হলেও তিনবেলা ভাত জোটে এমন নিম্মবিত্ত যেমন আছে তেমনি ঠিকমত ভাত জোটে না এমন নিম্মবিত্তও আছে । একই রকম উচ্চবিত্তের বেলায়ও ।
অনেক পাকনামি কর্লাম । লেখা চমৎকার হচ্ছে । চালিয়ে যান । সাথে আছি ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনার মন্তব্যের প্রথম প্যারার সঙ্গে দ্বিমত নেই আমারও। দ্বিতীয় প্যারার উত্তরে বলি- মধ্যবিত্তরা নিজেকে কী মনে করে, সেটা তারা নিজেদের কাছেই পরিষ্কার নয়। অনেকেই আছে, নিজেকে মধ্যবিত্ত বলে স্বীকারই করতে চায় না! বিশেষ করে প্রগতিশীল রাজনৈতিক কর্মীদের ক্ষেত্রে এই মনোভাবটি অধিক মাত্রায় ক্রিয়াশীল থাকতে দেখা যায়। নিজে কী, আর কী মনে করে, আর শেষ পর্যন্ত কী আচরণ করে তার একটা উদাহরণ আগামী পর্বে থাকবে।
উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তের উপশ্রেণী নিয়ে কোনোকিছু শুনিনি কখনো। আপনি বোধহয় এই দুই শ্রেণীর ভেতরকার সম্পদের তরতাম্যের কথা বলতে চেয়েছেন। তা তো আছেই। কিন্তু তিন বেলা খাওয়া বা না খাওয়ার ওপর নিম্নবিত্তের পরিচয় নির্ভর করে না বা পাল্টে যায় না, কিন্তু মধ্যবিত্তের যায়।
পাকনামিতে খুশি হইছি।
সাথে থাকেন।
৫|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:০৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: চমৎকার লেখা ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধন্যবাদ গানের পাখি।
৬|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: চমৎকার।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৯
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই।
৭|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:১৭
লিপিকার বলেছেন: চমৎকার......
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪২
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধন্যবাদ...... লিপিকার।
৮|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:২০
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: কী কী শর্ত পূরণ করলে একজন লোককে মধ্যবিত্ত বলা যাবে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলাটা বেশ দুরূহ।
চমৎকার দর্শন। অপেক্ষায় থাকলাম জানার জন্য। ধন্যবাদ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আসিতেছে! পরের পর্বে বিবরণ আসিতেছে। ![]()
সাথে থাকো।
৯|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভালো লাগছে আলোচনা
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৪১
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আমারও ভালো লাগছে আপনাদের অংশগ্রহণ। উৎসাহ পাচ্ছি।
১০|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
রাঙা মীয়া বলেছেন: অনেক চমৎকার লেখা। কথাসাহিত্যিকের পরিচ্ছন্ন লেখনী পড়লেই বোঝা যায় । আগামী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম ।
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১৯
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আগামী পর্বগুলোতে আমিও আপনার অপেক্ষায় থাকবো।
অফটপিক : আপনার ব্যান-ঘটনার কারণ কি?
১১|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১০:৫৪
বলাক০৪ বলেছেন: বালো বালো
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২১
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ভেশ ভেশ! ![]()
১২|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:১১
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: অপেক্ষা অপেক্ষা!!![]()
আপনার লেখায় সিরিজ বানানোর ইচ্ছাটা সচেতন এবং বিভাগ করে যে দিচ্ছেন সেটাও বেশ সুচিন্তিত। ভালো লাগলো। একেবারে শেষ করলে বেশ গুছিয়ে কথাগুলো বলবো। অপেক্ষায় রইলাম!![]()
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ।
সিরিজ শেষে আপনার কথাগুলো শোনার অপেক্ষায় থাকবো।
১৩|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আনু মুহাম্মদের একটা বই পড়ছিলাম তিনি বলতে ছিলেন যে বাংলাদেশে ধনিক শ্রেনী হইছে সব দেশে বিদেশে টাকা মেরে আর গরীব হচ্ছে টাকা না পেয়ে আর মধ্যবিত্ত সুবিধা মতএকেক সময় একেক ধরনের হয়েছে।আর বাংলাদেশের মধ্যবিত্তরা বেশির ভাগই ধনিক শ্রেনীর টাকার ভাগে মধ্যবিত্ত হয়েছে!
পোষ্ট অসাধারন লাগলো ভাইয়া।সিরিজের সিরিয়ালে অপেক্ষায় থাকলাম!
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আনু মুহাম্মদের এই লেখাটি পড়িনি, তাই মন্তব্য করছি না।
সিরিজ চলবে, সঙ্গে থাকবেন আশা করি।
১৪|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৫
হরিণ বলেছেন: চিকন মিয়া আপনারে জেডা বলল ক্যান ? আমগো দেশে তো বুড়ো লোককে জেডা কয় ? আগে হেই কথার উত্তর দেন। পরে মন্তব্য লিখমু নে !
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৫
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: চিকন মিয়া আমারে জেডা বলল ক্যান তা আমি কেমনে কমু! ![]()
আপনে চিকন মিয়ারে জিগান।
আমার কিন্তু চিকনের জেডা ডাক শুনতে ভাল্লাগে! ![]()
১৫|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৪
আরিফ জেবতিক বলেছেন: শেষ হোক । একেবারেই মন্তব্য করা যাবে ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ঠিক আছে। আমি অপেক্ষায় থাকবো।
১৬|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:০৭
নাজিম উদদীন বলেছেন: মধ্যবিত্তই ভরসা, গালাগালি যাই করা হোক এদের কাছ থেকেই পরিবর্তন আসবে।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৮
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আমাদের ইতিহাসের পরিবর্তনে মধ্যবিত্তের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু সমস্যা হলো, তারা শুধু ওই সময়গুলোতে জেগে ওঠে, বাদবাকি সময়গুলোতে থাকে স্থির-অচল!
১৭|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:১০
হরিণ বলেছেন: হ্ই চিকন মিয়া, আপনে কামাল ভাইরে জেডা বললেন ক্যান ? ঝটপট উত্তর দেন!
১৮|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৩
ফারুক আহসান বলেছেন: "উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তের উপশ্রেণী নিয়ে কোনোকিছু শুনিনি কখনো। আপনি বোধহয় এই দুই শ্রেণীর ভেতরকার সম্পদের তরতাম্যের কথা বলতে চেয়েছেন। তা তো আছেই। কিন্তু তিন বেলা খাওয়া বা না খাওয়ার ওপর নিম্নবিত্তের পরিচয় নির্ভর করে না বা পাল্টে যায় না, কিন্তু মধ্যবিত্তের যায়।"
খাওয়া না খাওয়া নিয়ে নিম্নবিত্তের পরিচয় বা মননে, সামাজিকতায় অনেক কিছুই ঘটে । কিন্তু তার কথা আমরা জানিনা কেবল । নিম্মবিত্তের সমাজ-চেতনা, আত্নমর্যাদাবোধ, সামাজিক স্তরবিন্যাস এগুলা নিয়া গবেষণার সময় কোথায় । গবেষকদের সময় চলে যায় নিম্নবিত্তের অভাব কিভাবে দূর করা যাবে তাতেই । একারনে তাদের মানবিক দিকগুলা অগোচরেই থেকে যায়। মধ্যবিত্তের মত এতটা ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে না ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৫
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: 'খাওয়া না খাওয়া নিয়ে নিম্নবিত্তের পরিচয় বা মননে, সামাজিকতায় অনেক কিছুই ঘটে' - এই বিষয়ে আমি আপনার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করছি। কিন্তু আমি যা বলতে চেয়েছি তা হলো- এতে করে তার 'নিম্নবিত্ত' পরিচয়টি বদলে গিয়ে উচ্চ-নিম্নবিত্ত বা নিম্ন-নিম্নবিত্ত হয় না। সে নিম্নবিত্তই থেকে যায়। উচ্চবিত্তের বেলায়ই তো তাই।
মধ্যবিত্তের ব্যাপারগুলো কেন এত ব্যাপক আলোচনায় আসে সেটি আগামি পর্বেই বলবো। এখন বললে পূণরাবৃত্তির দোষে দোষী হতে হবে!
১৯|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
পারভেজ বলেছেন: এখনো সূচনার রেশ ই চলছে মনে হলো। চলুক।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৮
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: সূচনা পেরিয়ে একটু এগিয়েছি! মধ্যবিত্তের বিভাজন নিয়ে কথা বলেছি। চলুক। দেখা যাক কতোদূর যায়! আপনাদের অংশগ্রহণ ভালো লাগছে। ধন্যবাদ।
২০|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
তারার হাসি বলেছেন: ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক, ভাল লাগছে।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:৫৯
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধন্যবাদ। আগামী পর্বগুলোতেও সঙ্গে থাকবেন আশা করি।
২১|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: এটা চলুক,তবে যা বলছিলাম,একটু ছোটই হচ্ছে পর্বগুলো। শেষ করি আগে।
অফটপিক: লেখককে লেখা নিয়ে কিছু বলা ধৃষ্টতা,তবে কিনা,আগের পর্বে দোটানার কথা বলেছিলেন,তাই একটু বলি,লেখা যেমন ডিমান্ড করে(এটার বাংলাটা খুঁজে পাচ্ছি না),লেখার আকার ততটাই হওয়া উচিত,জোর করে ছোট বা বড় করলে কেমন যেন লাগে। বনসাঁইয়ের কারিগরি সৌকর্যের প্রশংসা করা যায় কিন্তু বটগাছের মাহাত্ম্য সেখানে কোথায় পাবো? তবে ব্লগের জন্য খুব বেশি বড় লেখাও দেয়া যায়না,সেক্ষেত্রে মূল লেখা কাটাকাটি না করে সিরিজ আকারে দেয়া একটা মন্দের ভালো সমাধান ধরা যায়।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:১৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনার সঙ্গে সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করছি আমি। প্রিন্ট মিডিয়ায় লিখে অভ্যাসটাই এমন হয়ে গেছে যে, খুব ছোট লেখা আমি লিখতে পারি না। অথচ ব্লগের কালচারটা হলো- সীমিত পরিসরের লেখা। এ দুয়ের দোটানায় আমার লেখার সংখ্যা কম হয়।
এই সিরিজের অভিজ্ঞতাটা পরবর্তী লেখাগুলোতে কাজে লাগবে। এটা অনেকটা টেস্ট কেসের মতো। সাড়া পাচ্ছি বলেই সাহস পাচ্ছি চালিয়ে যাওয়ার। নইলে একবারে পোস্ট করে ঘুমিয়ে পড়তাম, কেউ পড়লো কী পড়লো না খবরও নিতাম না। ![]()
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, সঙ্গে থাকার জন্য।
২২|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:৩৬
কুম্ভকর্ণ বলেছেন: সব শেষ হলে সব পোস্ট একত্রে করে একটা লম্বা পোস্ট দিবেন, প্রিয়তে হান্দামু।
লেখা ভাল্লাগছে। পরের পর্বের অপেক্ষায়। পিলাস।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: সব পোস্ট একত্রে কইরা একটা লম্বা পোস্ট দিলে সেইটা এতই লম্বা হইবো যে ব্লগাররা আমারে মারতে আসবো। ![]()
মডুরা আমারে ব্যানও কইরা দিতে পারে! ![]()
তখন আমারে বাঁচাইবো কে কন? নিজে তো ব্যান হইয়া বইসা রইছেন! আরেকজনরে ব্যানের জন্য উস্কাইতেছেন! ![]()
![]()
![]()
[আপনার কথাটা মনে থাকবে। আগে শেষ হোক তো, তারপর দেখা যাবে। ওরকম একটা পোস্ট না দিয়ে তো কোনো উপায়ও নেই।]
২৩|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৫
বিবর্তনবাদী বলেছেন: তাহলে কি সে তার নিজের শ্রেণীগত অবস্থান সম্বন্ধে সচেতন নয়? হ্যাঁ, সমস্যটা সেখানেই।
>>>>>>>>>>>>>>>>>
হ্যাঁ সমস্যাটা সেখানেই, আর এটাই আমার মতে মূল পয়েন্ট। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আজ রাতে তৃতীয় পর্ব আসবে। বেশ মজা পাচ্ছি আপনাদের এই সাড়া পেয়ে, আপনাদের অপেক্ষা দেখে।
অসংখ্য ধন্যবাদ।
২৪|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
এস্কিমো বলেছেন: দারুন ভাবে এগুচ্ছে। আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছি মধ্যবিত্তের শ্রেনী চরিত্রটা কিভাবে সুস্পষ্ট হয়ে আসে তা দেখার আশায়।
একটা কথা কিন্তু ঠিক - মধ্যবিত্ত যে শুধু গালিই খায় বা গালি দেয় তা না কিন্তু। এরাই নিয়ন্ত্রিত বিপ্লবগুলো করে - যেমন আমাদের দেশের আন্দোলনগুলো কিন্তু মুলত মধ্যবিত্তের নেতৃত্বে হয়েছে। আশা করি সমাজ পরিবর্তনে আর সামাজিক বিকাশে মধ্যবিত্তের অবদানটাও আসবে।
ধন্যবাদ।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২৮
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আশা করছি আমি আপনার/আপনাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো।
আমাদের ইতিহাসের অনেকগুলো বাঁক পরিবর্তনে মধ্যবিত্তের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সেই কথাগুলো অবশ্যই আসবে। ছোট ছোট পর্বে ভাগ করে দিতে হচ্ছে বলে একটু দেরিতে আসছে, এই আর কী। তবে নিয়মিত আসবে, এটুকু কথা দিতে পারি। অর্থাৎ প্রতি রাতে একটা করে পর্ব। কয়েক পর্বেই শেষ! ![]()
২৫|
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৫:৩৬
ফকির ইলিয়াস বলেছেন: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ভাষায় - ''মাঝখানের মানুষেরা''।
আপনার প্রবন্ধের বলিষ্টতা মুগ্ধ করে বরাবরই।
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই। আপনাদের সাড়া পেয়ে দারুণ উৎসাহ পাচ্ছি। ধারাবাহিক অনেক লিখেছি (প্রিন্ট মিডিয়ায়), কিন্তু সেগুলোর অভিজ্ঞতা আর এটার অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ আলাদা। এখানে সহযাত্রীদের অংশগ্রহণ দারুণ উৎসাহব্যঞ্জক।
২৬|
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫০
অরণ্যচারী বলেছেন: কিন্তু এইসব সমালোচনায় 'মধ্যবিত্ত' শব্দটি বেশ ব্যাপকভাবে ও প্রবলভাবে থাকা সত্ত্বেও মধ্যবিত্তরা সেটা নিজের গায়ে নেয় না কেন? কেন ভাবে যে, এই বকাবাজি অন্য কাউকে করা হচ্ছে? তাহলে কি সে তার নিজের শ্রেণীগত অবস্থান সম্বন্ধে সচেতন নয়?
আপনি লেখাটিতে খুবই চমৎকার বিশ্লেষণ করেছেন, এই কথাটির প্রসঙ্গে আমি আরো কিছু কথা যোগ করতে চাই।
নিজের অবস্থান নিয়ে মধ্যবিত্তের অনিশ্চয়তা বা অসচেতনতার কারণ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর অধিকাংশ সদস্যই স্বপ্নের এক রঙিন ভুবনে বাস করতে চান। তারা নিজেদের উচ্চবিত্তের শ্রেণীভুক্ত ভাবার চেষ্টা করেন যা আত্ম প্রতারণার সামিল। মাঝে মাঝেই বাস্তবতার আঘাত এসে তাদেরর সেই সাজানো ভুবনটাকে এলোমেলো করে দেয়। কিন্তু শত আঘাতেও তারা সেই রঙিন ভুবন থেকে বের হতে চান না। যুগ যুগ ধরে এমনটাই চলে আসছে।
যে শ্রেণী আত্মপরিচয় নিয়ে সর্বদা নিজেকে প্রবঞ্চনা করে তাদের পক্ষেই সম্ভব শ্রেণীর পরে আরো উপশ্রেণী সৃষ্টি করা। তাই মধ্যবিত্তের মাঝেই আছে উচ্চ, মধ্য এবং নিম্ন এই শ্রেণীবিভাগ।
ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্য।
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১:১৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য। আপনি এখানে যে কথাগুলো বলেছেন, আমার লেখার পরের পর্বগুলোতে এর সমর্থন খুঁজে পাবেন। বোঝা যাচ্ছে, এই শ্রেণীটি নিয়ে আপনি যথেষ্ট ভেবেছেন।
পরবর্তী পর্বগুলোতে আপনার অংশগ্রহণ কামনা করছি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৯:৪৮
চিকনমিয়া বলেছেন: জেডার লেকাডা পুরা জ্ঞানী হইছে