নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আন্‌ওয়ার এম হুসাইন। বাংলাদেশী লেখক। দৈনিক আমাদের সময়, দৈনিক বাংলা ও কিশোর বাংলায় গল্প লিখি। প্রকাশিত গল্পের বইঃ প্রত্যুষের গল্প (পেন্সিল)\nউপন্যাসঃ এমনি এসে ভেসে যাই (তাম্রলিপি)।

আনু মোল্লাহ

আন্‌ওয়ার এম হুসাইন এর ব্লগ

আনু মোল্লাহ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পদ্মা সেতুর ইতিহাস, কল্পনা ও বাস্তবতার গল্প

২৭ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:২৮



নদীমাতৃক বাংলাদেশের এক প্রধান নদী পদ্মা। বাংলাদেশের জীবনে সংস্কৃতিতে পদ্মা জড়িয়ে গেছে। ৭১ এ আমাদের শ্লোগান ছিল তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা মেঘনা যমুনা। পদ্মা নিয়ে কত গান কবিতা উপন্যাস সিনেমা। আমাদের এই পদ্মা এখন ভুবন বিখ্যাত। বিশ্বব্যাংক আমেরিকা একে নিয়ে চিন্তিত। চিন্তিত আমাদের সরকার।

আমাদের বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের একটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল পদ্মা সেতু। এই পদ্মা সেতু এখন দুনিয়ার বাঘা বাঘা সরকার ও সংস্থার এজেন্ডা।



পদ্মা সেতুর ইতিহাসঃ

 ২০০৪ সালে এ সেতুর উপর বিস্তারিত সমীক্ষা শেষ হয়। তখন জাপানী সংস্থা জাইকা ছিল এর পরামর্শক। তারা মাওয়া – জাজিরা পয়েন্টে সেতু নির্মানের পরামর্শ দেয়।

 ২০০৭ সালে একনেক ১০ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প অনুমোদন করে।

 ২০০৯ সালের ৯ জানুয়ারি বিস্তারিত নকশা প্রণয়নে পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন লাভ করে।

 ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ নকশা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়।

 ২০১০ সালের ১১ এপ্রিল মূল সেতুর দরপত্র আহ্বান করা হয়।

 ১১ অক্টোবর বিশ্বব্যাংকের আপত্তিতে পুনঃ দরপত্র আহ্বান করা হয়।

 সংশোধনের পর মন্ত্রীসভায় এ প্রকল্প পাস হয় ২০১১ সালের ১১ জানুয়ারী।



অর্থায়ন

 ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১১ বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণসহায়তা অনুমোদন লাভ করে।

 বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৮ এপ্রিল, ২০১১

 জাইকা ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করে ১৮ মে।

 আইডিবির সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২৪ মে, ২০১১।

 ৬ জুন এডিবির সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।



ছন্দপতনঃ

বিশাল এই সেতু প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকসহ ৪টি উন্নয়ন সাহায্য সংস্থা সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়। বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় ঋণ প্রস্তাব অনুমোদনের পর অন্য সংস্থাগুলোর সঙ্গেও ঋণচুক্তি স্বাক্ষরে তেমন বিলম্ব হয়নি। দুর্ভাগ্যের বিষয়, ছন্দপতন ঘটল ২০১১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর, যখন আলোচিত ওয়েবসাইট উইকিলিকস আবুল হোসেনের সততার ঘাটতি আছে উক্তি সংবলিত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মরিয়ার্টির তারবার্তা প্রকাশ করল। ২০১১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মূল সেতু ও তদারকি পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিশ্বব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।



এসব অভিযোগ না থাকলে আরো আগেই এই সেতুর কাজ শুরু হয়ে যেতে পারত। সরকার বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের ফলে গত বছর ৯ অক্টোবর প্রকল্প পরিচালক রফিকুল ইসলামকে অপসারণ করে। ১৩ অক্টোবর সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে বদলি করা হয়। ১৯ অক্টোবর দুদক অনুসন্ধান দল গঠন করে। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে বিশ্বব্যাংকসহ অন্য দাতারা ঋণসহায়তা স্থগিত ঘোষণা করে। বর্তমান বছরের ৫ জানুয়ারি যোগাযোগমন্ত্রীর পদ থেকে সৈয়দ আবুল হোসেনকে সরিয়ে দেয়া হয়। এ বছর ২ ফেব্রুয়ারি মূল সেতুর ঠিকাদার নিয়োগে দুর্নীতির তথ্য মিলেনি বলে দুদকের প্রতিবেদনে জানা যায়। ২০ ফেব্রুয়ারি রমেশ শাহ ও মোহাম্মদ ইসমাইল নামের এসএনসি-লাভালিনের দুই কর্মকর্তা কানাডায় আটক হন। ২৬ মার্চ দুর্নীতির অভিযোগে এসএনসি-লাভালিনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়েরে ডুহাইম পদত্যাগ করেন। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে বিশ্বব্যাংক দ্বিতীয় দফা দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নাম রয়েছে বলে গুঞ্জন ওঠে। ২ এপ্রিল কানাডাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এসএনসি-লাভালিনকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। ৩০ জুন দুর্নীতির অভিযোগে ঋণচুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিল বিশ্বব্যাংক।



এর পর সরকার নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মানের ঘোষনা দেয়। তবে বিশ্ব ব্যাংকের শর্তগুলো পূরণেও সচেষ্ট হয়। মন্ত্রীত্ব ছাড়তে হয় আবুল হোসেন কে।











নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু

বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণে আর অর্থায়ন করবে না—এমন ঘোষণা দিলে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করলেন, বাংলাদেশ নিজ অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণ করবে। তদুপরি তিনি সেতু নির্মাণে বিলম্বের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও দাবি করলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর সরকারীদলের নেতারা দেশের মানমর্যাদার কথা, বিশ্বব্যাংকের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতির কথা এবং বিশ্বব্যাংকের সাহায্যের রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে চড়া গলায় প্রচার-প্রতিবাদ শুরু করে।





সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে নিজস্ব অর্থায়নে এ সেতু নির্মান অসম্ভব নয়। তবে এটা খুব সহজ নয়। আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বকে এ ঝুঁকি মোকাবেলায় সর্বাগ্রে দরকার জাতীয় ঐক্য। সেটা কি আমাদের আছে। বিদেশী সংস্থা ও সরকারের সাথে নেগোশিয়েশনে আমরা কতটুকু দক্ষ। এর আগে ইউনিকোল ও অক্সিডেন্টাল আমাদের গ্যাস পুড়িয়েছে, আমাদের পরিবেশ বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে। প্রত্যক্ষ ও অপ্রত্যক্ষ ক্ষতি করেছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। আমরা তাদের কেশাগ্রও ছুতে পারিনি। বিদেশি কোম্পানিগুলোর সাথে আমাদের স্বার্থবিরোধি যে সমস্ত চুক্তি হয় তা ড্রাফট করেন আমাদের দেশে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আইনজীবীরা। তারা তখন দেশের চেয়ে পকেট বড় এই নীতিতে বিশ্বাস করেন। এই ধরনের একটা পরিবেশে দেশপ্রেমে উদবুদ্ধ হয়ে আমরা কতটুকু কাজ করব তা বিবেচ্য।



বিশ্বব্যাংক

বিশ্বব্যাংক যে খুব সাধু নয় সেটা নতুন কিছু নয়। সেটা পুরনো খবর। এই বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশনে কোন দেশ দারিদ্র বিমোচন করেছে এরকম নজীর নাই। এটা সাম্রাজ্যবাদীদের প্রতিষ্ঠান। এর কাজ তাদের সুবিধা দেখা। আগেকার দিনের গ্রাম্য মহাজনের মত। তাদের ছাড়া নিস্তারও নাই। জেনেশুনেই তাদের বিষপান করতে হয়।



বিষয়টা এমন নয় যে এটা আমরা নতুন জানতে পেরেছি। আগেও জানতাম। তাহলে আমরা কেন বিশ্ব ব্যাংকের কাছে ঋণপ্রার্থী ছিলাম? আমাদের তখন কেন বিকল্প কোন অর্থায়নের কথা মাথায় আসেনি? কারণ সনাতন কাল থেকে আমাদের ধারনা হল বড় কোন উন্নয়ন প্রকল্প বিদেশি সাহয্য ছাড়া সম্ভব নয়। আমরা সেই ধারনা থেকে বের হতে পারিনি। যদি আমরা তখনই এই সিদ্ধান্ত নিতাম তাহলে এটা একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হত। এই টানা-পোড়নও সৃষ্টি হত না। এটা শুধু এই সেতুর বেলায় নয়। আমাদের আরো অনেক অনেক প্রজেক্টে নিজস্ব অর্থায়নের কথা চিন্তা করা যেত। এখন করছি কারন আমরা ফেঁসে গেছি। দুর্নীতির খড়গ আমাদের উপর খাড়া। তবে এক্ষেত্রে সফল হলে এটা হবে স্বাধীনতার ৪০ বছরের ইতিহাসে বিরাট এক সাফল্য। এক মাইল ফলক।





কুমিরের সাথে ঝগড়া

জলে বাস করে কুমিরের সাথে ঝগড়া করা নিতান্তই বোকামি। আমরা কি বিশ্বব্যাংকের সাথে সেই ঝগড়া করতে যাচ্ছি? এই ঝগড়া কতটুকু নিরাপদ। সাম্রাজ্যবাদী এই বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী একটা প্রতিষ্ঠানের সাথে ঝগড়া করা কতটুকু নিরাপদ? কুমিরের কামড় সহ্য করার ক্ষমতা কি আমাদের আছে?

যখন স্নায়ু যুদ্ধের যুগ ছিল তখন এটা খুব সহজ ছিল। স্নায়ু যুদ্ধকে কাজে লাগিয়ে অনেক তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ যথেষ্ট ফায়দা হাসিল করেছে। ভারত আছে এই দলে। এই রকম আরো বড় উদাহরণ হল মিশরের জামাল নাসের। জামাল নাসের আসেয়ান বাঁধ নির্মাণের জন্য মার্কিন সাহায্যের প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া না পেয়ে নাসের বাঁধ নির্মাণের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের সাহায্য প্রত্যাশী হন। সোভিয়েত ইউনিয়ন আসেয়ান বাঁধ নির্মাণের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই থেকে নাসের যতদিন ক্ষমতায় ছিলেন, মিসরের পররাষ্ট্রনীতিতে সোভিয়েতঘেঁষা অবস্থান পরিলক্ষিত হয়। একটি বাঁধ নির্মাণের ঘটনা তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসে। কিন্তু নাসেরের জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ ছিল অনুকূলে। তখন ছিল স্নায়ুযুদ্ধের সময়। সেই সময় দুই পরাশক্তির বিরোধকে পুঁজি করে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো অনেক ফায়দা হাসিল করতে পারত। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতও শীতল যুদ্ধের দ্বন্দ্বকে বেশ কাজে লাগাতে পেরেছিল। কিন্তু এখন তো সেই পরিস্থিতি নেই। আজকের যুগ মার্কিন সাম্রাজ্যের যুগ। তারাই আজকের পুঁজিবাদী দুনিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি! বিশ্বব্যাংক তাদেরই তল্পীবাহক, আজ্ঞাবহ। সুতরাং বর্তমান বিশ্বে বিশ্বব্যাংক কিংবা আমেরিকার সাথে ঝগড়া করা কতটুকু নিরাপদ। আর সেই ঝগড়া করার সামর্থ্যই বা আমাদের আছে কি? সে জন্য আমাদের হতে হবে অনেক বেশি ডিপ্লোমেটিক, অনেক বেশি টেকনিক্যাল।



সামষ্টিক অর্থনীতি’র বিপদ

আমরা যদি সত্যি সত্যি নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মান করি তার যে শুধু ভাল দিক আছে তা নয়। বিপদও আছে। এটা শুধু একটা গানিতিক হিসাব নয় যে অর্থের পর্যাপ্ততার উপর সব কিছু নির্ভর করে। এর উপর রয়েছে সামষ্টিক অর্থনীতির হিসাব নিকাশ। পুরো ব্যপারটা সামগ্রিক অর্থনীতির উপর বিশাল প্রভাব ফেলবে। সেতুর মোট খরচের বেশিরভাগ (প্রায় ৬০%) বিদেশি মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। এই বিশাল ব্যয় পরিশোধ আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে একটা বড় ধাক্কা দেবে। এই ধাক্কা গিয়ে পড়বে বৈদেশিক বিনিময় হার, চলতি হিসাব, ব্যালেন্স অব পেমেন্ট এর উপর।



এছাড়া সামগ্রিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা, মূল্য পরিস্থিতি, অন্যান্য খাতে উন্নয়ন কর্মকান্ড, অর্থ ও মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, সরকারী ঋণের ব্যবস্থাপনা এ সব কিছুর উপরই একটা প্রভাব পড়বে। সুতরাং শুধু তহবিলের প্রাপ্যতার মত একটা সহজ গানিতিক ব্যপার নয়। অর্থায়ন, অর্থনীতি ও রাজনীতি ( দেশীয় ও আন্তর্জাতিক) সব মিলিয়ে এটা একটা জটিল হিসাব নিকাশের ব্যপার।



আমাদের মতো আমদানি নির্ভর দেশে এর প্রভাব কঠিন আকার ধারন করতে পারে। দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ডলারের দাম বেড়ে যাবে। সুতরাং ব্যালেন্স অব পেমেন্ট এ এটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা প্রকট।



চাঁদাবাজি, মৃত্যু ও অভিনন্দন

এদিকে সরকার নিজস্ব অর্থায়নের ঘোষণা দেয়ার পর কিছু অনাকাংখিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ছাত্রলীগ এটাকে চাঁদাবাজির একটা মোক্ষম সুযোগ মনে করে। এই চাঁদাবাজি নিয়ে একজন খুন হয়। আবার সারাদেশ থেকে প্রধান মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে এই জন্য যে তিনি একটা যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই সমস্ত ঘটনা বিষয়টাকে হালকা ও সংকটাপন্ন করে তুলেছে। এই সমস্ত অবিমৃষ্যকারিতা কঠোর হস্তে দমন করা প্রয়োজন।



দেশীয় অর্থায়নে কি আসলেই সেতু নির্মান সম্ভব

কঠিন তবে অসম্ভব নয়। যা করা দরকার ছিলঃ

 আবেগ পরিহার

 রাজনৈতিক নয় অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা

 দেশীয় বিজ্ঞ ও সৎ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে বাস্তবতার নিরিখে গবেষণা।

 এটা যাতে সস্তা কোন রাজনৈতিক কিংবা জাতীয়তাবাদী শ্লোগানে পর্যবসিত না হয় সে বিষয়ে সরকারকে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকা।

 পুঁজিবাজারকে কাজে লাগানো।

 কথার ফুলঝুরি ফোটানোর জন্য নয় বাস্তবিক এ বোধকে কাজে লাগানো যে আমাদের পক্ষে আসলেই সেতু নির্মান সম্ভব।



বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ আবু আহমদ নিজস্ব অর্থায়নে উন্নয়ন প্রকল্প চালানোর জন্য অনেক লেখালেখি করেছেন। তিনি কিছু প্রেসক্রিপশনও দিয়েছেন। বাস্তবতার নিরিখে এই প্রেসক্রিপশনগুলো দেখা যেতে পারে। পদ্মা সেতু যদি বিদেশি অর্থায়নে হয় তো ভাল কথা। তবে ভবিষ্যতে নতুন নতুন প্রকল্প নেয়ার সময় দেশীয় অর্থায়নের কথা চিন্তা করতে হবে। তবে এ বিষয়ে পর্যাপ্ত গবেষণা হওয়া দরকার।



সর্বশেষ

বিশ্বব্যাংকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের সব শর্তপূরণে রাজি। এখন বাংলাদেশ আশা করে অর্থায়নে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে আর কোন বাধা থাকা উচিত নয়। পাশাপাশি বিশ্বব্যাংককে রাজি করাতে মধ্যস্থতা করছে জাইকা ও এডিবি। মাঝখান দিয়ে তাহলে কি অযথা জল ঘোলা করা হল? এক প্রকারের প্রাণী আছে তারা জল ঘোলা না করে খেতে পারে না।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.